সাকিব আল হাসান আবারও দুই হাত ভরে এনে দিয়েছে বিজয়। দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সাকিব তাঁর নিজের শীর্ষ স্থানের সম্মান অটুট রাখছে। এদিকে ঢাকা ২য় ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে ৬৫ রানের এক বিশাল জয় পেল।

খেলোয়াড়দের ব্যাটিং ছিল দেখার মত! ঢাকার বোলিং ছিল অসাধারণ। সত্যি ঢাকা এক নতুন চমক দিয়েছে দর্শকদের। এই বিজয়ে সাকিব আল হাসানের অবদানের কথা অস্বীকার করা যাবেনা।

এদিকে এই বিজয় নিয়ে সাকিব আল হাসান তাঁর ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন, ঢাকা ডায়নামাইটস এর সামনে খুলনা টাইটানস এর নিরুপায় আত্মসমর্পণ।স্ক্রিণশর্টটি সাকিব আল হাসানের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া।

 

শিশু তাওসিফকে গুলশানের পুলিশ প্লাজা শপিংমল থেকে বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে অপহরণ করা হয়েছিল। এরপর অপহরণকারীরা তাকে মধ্যে কুনিপাড়ার একটি বাসায় আটকে রেখে পরিবারের কাছে দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোমিন আহমেদ তার স্ত্রী নাজমুন আক্তার এবং শিশু তাওসিফুর রাহিমকে (৬) নিয়ে পুলিশ প্লাজায় কেনাকাটা করতে যান। এ সময় হঠাৎ করেই বাবা-মায়ের চোখের আড়াল হয়ে যায় তাওসিফ। বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর তাওসিফকে না পেয়ে শপিংমলের পুলিশকে জানান তারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলশান থানা পুলিশ শপিংমলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানতে পারে এক যুবক শিশুটির সাথে কথা বলছে। এরপর গত শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ ও গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের গুলশান জোনাল টিম যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিশুকে উদ্ধারসহ তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলোñ রুবেল রানা, শিপন শেখ ও সাগর।

পুলিশ জানায়, অপহরণকারীরা একটি সঙ্ঘবদ্ধচক্র। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের সাথে আর কারা জড়িত সেটাও খুঁজে বের করা হবে।

গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি শেখ নাজমুল আলম।

তিনি বলেন, অপহরণের পর শিশু তাওসিফকে অপহরণকারীরা মধ্য কুনিপাড়ায় একটি বাসায় আটকে রাখে। শিশুটি বাবার মোবাইল নম্বর মুখস্থ করে রেখেছিল। তার কাছ থেকেই নম্বর পেয়ে অপহরণকারীরা দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাইতে মোমিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করে। শিশুটির মেধা অপহরণকারীদের গ্রেফতারে সহায়তা করেছে।

পুলিশ কর্মকর্তা শেখ নাজমুল আলম বলেন, অপহরণকারীরা শনিবার ভোর ৪টায় র্যাংগস ফ্লাইওভারের নিচে মুক্তিপণের জন্য আসে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আগে থেকেই ছদ্মবেশে তেজগাঁও-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোয়েন্দারা এগিয়ে গেলে একটি প্রাইভেটকার থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গুলি করে পালিয়ে যেতে চায় অপহরণকারীরা। পুলিশ নিজেদের আত্মরক্ষার্থে পাঁচ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে অপহরণকারী দলের একজন গাড়ি থেকে নিচে পড়ে যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল রানা জানায়, শিশু তাওসিফ হাতিলঝিল সংলগ্ন মধ্য কুনিপাড়ার একটি বাসায় আরো দুইজন অপহরণকারীর হেফাজতে রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে গোয়েন্দা দল ওই বাড়িতে গিয়ে অপর দুই অপহরণকারীসহ তাওসিফকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। অপহরণকারী চক্রের অপর সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলায়েন অল্পের জন্য গুলিবিদ্ধ না হলেও গুরুতর আহত হন বলেও জানান শেখ নাজমুল আলম। গতকাল পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে শিশু তাওসিফের বাবা মোহাম্মদ মোমিন আহমেদ সন্তানসহ উপস্থিত হয়ে পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।

দুদকের ফাঁদে ধরা পড়লেন ওয়াকফ প্রশাসনের কর্মকর্তা

দুদকের ফাঁদে ধরা পড়েছেন ওয়াকফ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা। গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে ওয়াকফ প্রশাসনের কার্যালয় থেকে ঘুষ নেয়ার সময় সহকারী পরিচালক মোতাহার হোসেন খানকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের হটলাইন (১০৬) নম্বরে সাধারণ একজন নাগরিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাঁদ পেতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঘুষের ৫০ হাজার টাকাসহ ওয়াকফ প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা মোতাহারকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি বিশেষ দল। এ বিষয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের (ঢাকা-১) উপসহকারী পরিচালক নাজিম উদ্দীন বাদি হয়ে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জের বাঘৈর জামে মসজিদের মোতোয়াল্লি কমিটির সদস্য ফারুক হোসেন দুদকের হটলাইন নম্বরে (১০৬) ফোন করে অভিযোগ করেন, ওয়াকফ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মোতাহার হোসেন তার কাছে একটি কাজের জন্য পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। এর পর দুদক কর্মকর্তারা তার সাথে কথা বলে ফাঁদ পাতেন। সে অনুযায়ী গতকাল অভিযোগকারী ফারুক হোসেন ওই কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে ওই কার্যালয়ে যান। দুদকের বিশেষ দলের সদস্যরাও তাকে অনুসরণ করে ওয়াকফ কার্যালয়ের চার দিকে ওঁৎ পেতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নিজের কার্যালয়ে বসে মোতাহার হোসেন যখন ঘুষ নিচ্ছিলেন তখন দুদকের লোকজন তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

রেহেনা আক্তার রেখা: বাংলাদেশ তথ্য ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে। সামনে আরো অনেকদূর এগিয়ে যাবে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দিনের পর দিন অমানসিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য।

এদিকে আজকে তিনি তাঁর ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পরিচালনায়, দীর্ঘ দেড় বছরের পরীক্ষামূলক ভাবে চলমান গবেষণার মাধ্যমে আমাদের দেশে জরুরি সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহারের যেই চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়োজেদ জয় এর পরিকল্পনা ও নির্দেশ মোতাবেক পরিপূর্ণ ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে চালু হবে খুব শীঘ্রই, তারই প্রস্তুতি চলছে ।

এমন একটা দিনের অপেক্ষায় আমরা, যখন দেশের সাধারণ মানুষের জরুরি সেবার জন্য দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষা করতে হবে না। বিনামূল্যের একটি ফোন কলের দূরত্বেই থাকবে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা এম্বুলেন্স সেবা। অল্পকিছুদিনের মধ্যেই ২৪ ঘন্টার জন্য পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হবে ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা।

 

একেই হয়ত বলে প্রকৃত নেতা। অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরও মহেন্দ্র সিং ধোনি ভারতের অধিনায়ক হিসেবেই আছেন! বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি তার ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করেন।

বাইশ গজে নীল জার্সির দুই ক্রিকেটারের রসায়ন সত্যিই ঈর্ষনীয়। ডিআরএস নেওয়ার আগে একবার অন্তত ধোনির দিকে তাকাতে ভুল করেন না কোহলি। ফলও পাওয়া যায় হাতে নাতে। শুধু ডিআরএস, নয় কোহলি অনেক বিষয়েই নির্ভর করেন সাবেক অধিনায়কের ওপর।

সম্প্রতি ‘ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়ন্স’ নামের এক চ্যাট শোতে অতিথি হিসেবে এসে ধোনিকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দেন কোহলি। ওয়ানডে ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কোন ব্যাটসম্যানের সঙ্গে বাইশ গজে পার্টনারশিপ বেশি স্ট্রং? জবাবে রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ানদের সঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন ভারত অধিনায়ক। তবে বাইশ গজে ধোনির সঙ্গে জুটি বাঁধাকে ওপরের দিকে রাখলেন তিনি।

ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দ্রুত রান তোলার সময় উল্টো দিকে ধোনি ভাই থাকলে কোনো চিন্তা করতে হয় না। এমনকী উনি যদি কোনোক্ষেত্রে ২ রান নিতে বলেন, চোখ বুঝে ওনার সিদ্ধান্তের উপর ভরসা করি।

আমি জানি ঠান্ডা মাথায় উনি মুহূর্তেই একটি সিঙ্গেলকে ২ রানে পরিণত করতে পারেন। ‘

এখানেই না থেমে কোহলি আরও বলেন, ‘ক্যাপ্টেনসি ছাড়ার পরও মাঠে ধোনির মতামত দশের মধ্য আটবার কাজে লেগে যায়। তার মতে ঠাণ্ডা মাথার ক্রিকেটার বিরল। কঠিন বিপদের মাঝেও মাথা ঠাণ্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক অসাধারণ গুণ আছে তার মধ্যে।

অনেকেই সকালে ঘুন থেকে উঠতে পারেন না। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য মোবাইল বা ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখেন।

তবে দীর্ঘদিন ধরে গভীর ঘুমকে অ্যালার্ম দিয়ে ভাঙালে শরীরে নানাবিধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আমাদের আজকের প্রতিবেদনে সেই সম্পর্কে রইলো বিস্তারিত-

১। খুব বেশি পরিমাণে আপত্কালীন অ্যাড্রিনালিন হরমোন ক্ষরণ হয়। অ্যাড্রিনালিন হরমোনের অধিক ক্ষরণে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।

২। অ্যালার্মে ঘুম ভাঙলে হৃদযন্ত্রের ওপর খুব বেশি চাপ পড়তে পারে । এই চাপ পড়াটাও ক্ষতিকারক। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে।

৩।

লক্ষ্য করবেন, অ্যালার্ম কলে ঘুম ভেঙে গেলেও বেশ কিছুক্ষণ ঘুমভাব থেকে যায়। কাজ করার এনার্জি থাকে না।

৪। অ্যালার্মে ঘুম ভাঙলে ঠিকঠাক ঘুম নাও হতে পারে। যার ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। মাথায় যন্ত্রণা অনুভব হতে পারে।

৫। অবসাদ বাড়িয়ে তোলে। কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ক্রমশ লোপ পায়।

শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।

মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক ৭টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হলো :

আপেল : আপেলের পেকটিন ফাইবার পেট ভরানোর পাশাপাশি দেহে মেদের পরিমাণও কমাবে। ভারী খাবার খাওয়ার আগে আপেল খাওয়া তাই উপকারী।

তরমুজ : তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। দিনে একটা তরমুজ খিদে কমিয়ে দেওয়ার সঙ্গে মেদ জমতেও দেবে না।

লেবু : লেবুতে আছে ভিটামিন সি ও সাইট্রিক অ্যাসিড। যা ওবেসিটির পরিমাণ কমায়।

নারকেল : নারকেল যকৃতের বিপাক হার বাড়িয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে প্রকারান্তরে নিয়ন্ত্রণে থাকে ওজন।

বেদানা : বেদানা দেহে লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের হার কমায়। খিদের হার কমায়।

পেঁপে : পেঁপে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। রক্তে শর্করা ওবেসিটির লক্ষণ।

কমলালেবু : কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও ফাইবার থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

মুক্তামণির মতো বিরল রোগে আক্রান্ত আরেক শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে। রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের টেগাটাপাড়া গ্রামের স্বর্ণালীর ডান হাতেও মুক্তামণির মতো রোগ দেখা দিয়েছে। জন্মের সময় ছোট কালো দাগ থেকে এখন পুরো হাতেই এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে চরম বেকায়দায় ও মানসিকভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্বর্ণালীর বাবা-মা।

স্বর্ণালীর বয়স এখন ১২ বছর। স্থানীয় নোনামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী সে। তার বাবা আবদুল মান্নান দুর্গাপুরের দাওকান্দি কলেজের পিওন ও মা রুমা বেগম গৃহিণী। তাদের ঘরে দ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া একজন ছেলে সন্তানও রয়েছে। স্বর্ণালীর ডান হাতে জন্মের সময় থাকা কালো দাগের মাধ্যমে এ রোগের উৎপত্তি। বিরল এ রোগের কোনো চিকিৎসা নেই ভেবে এতোদিন ডাক্তার দেখাননি বাবা-মা। তবে পত্রপত্রিকায় মুক্তামণির রোগ ও চিকিৎসা নিয়ে খবর প্রকাশের পর তা দেখে মনে সাহস জেগেছে তাদের। এ রোগ ভালো হয়ে যেতে পারে এমন আশায় তারা ছুটে যান চিকিৎসকের কাছে। তবে অপারেশন বাবদ যে টাকার হিসেব দেয়া হয়েছে তাতে কোনোভাবেই চিকিৎসা করানো সম্ভব নয় ভেবে আবার পেছনে হাটেন বাবা-মা।

স্বর্ণালীর মা রুমা বেগম ও বাবা আব্দুল মান্নান জানান, মুক্তামণির হাতে যে বিরল রোগ, তার মেয়ের হাতেও একই রোগ বাসা বেধেছে। ক্রমেই হাত মোটা ও ভারি হয়ে যাচ্ছে। হাতে ছোট গুটি ও মাংসপিণ্ডের মতো বেড়ে উঠছে ক্রমেই। ডান হাতের পুরোটা এখন ছড়িয়ে পড়েছে। নিচের অংশে ঝুলছে চামড়া। মাঝে পেকে পুজ বের হয়। তখন ব্যথায় কাতর থাকে স্বর্ণালী।

স্বর্ণালীর মা রুমা জানান, মেয়ের বয়স যখন চার বছর ছিল তখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনকে দেখানো হয়েছিল। সে সময় চিকিৎসক একটি মলম দিয়েছিলেন। সেটি লাগানো হলেও রোগ কমার কোনো লক্ষণ তারা খুঁজে পাননি। বরং তা ক্রমেই বাড়তে থাকে। এরপর অজ্ঞাত ও বিরল রোগ জেনে তারা আস্থা হারিয়ে ফেলেন। আর চিকিৎসক দেখাননি। এরপর পত্রিকা ও টেলিভিশনে মুক্তামণির খবরের পর তারা মিলিয়ে দেখেন মুক্তামণির মতোই স্বর্ণালীর হাতে রোগ বাসা বেধেছে। এরপর আবার আশা নিয়ে ছুটে যান আরেক বিশষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে। এবার তারা রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আফরোজা নাজনীনকে দেখান।

তিনিও স্বর্ণালীর হাত দেখে বিরল রোগ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অবশ্য এ ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষার পর অপারেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে টাকার বাজেটের কাছে পরাস্ত হয়েছেন বাবা-মা। এখন মেয়েকে নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। ভালো চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার সামর্থও নেই।

স্বর্ণালীর মা রুমা বেগম জানান, মেয়ে যত বড় হচ্ছে তত বাড়ছে রোগের পরিধি। এ নিয়ে তারা চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে জানান, মুক্তামণির চিকিৎসা যেভাবে হয়েছে, তার মেয়ে স্বর্ণালীর চিকিৎসাও সেভাবে হবে। প্রয়োজন শুধু সহায়তা। এজন্য তিনি সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছেন।

স্বর্ণালী জানায়, স্কুলে গেলে তারপাশে অন্যরা বসতে চায় না। তাকে দেখে সহপাঠিরা হাসাহাসি করে। এজন্য প্রায়ই তার স্কুলে যাওয়া হয় না। শিক্ষকরা তাকে ভালোবাসলেও সহপাঠিদের এমন ব্যবহার তার ভালোলাগে না। তবে লেখা-পড়া করার প্রচণ্ড ইচ্ছে আছে তার।

স্বর্ণালীর বাবা আব্দুল মান্নান জানান, মেয়ের হাতের রোগ নিয়ে তারা চরম বিপাকে রয়েছেন। তিনি নিজে কলেজের পিওন পদে চাকরি করেন। এ থেকে সংসার চালানোর পাশাপাশি এক ছেলের পড়ালেখার খরচ যোগান দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় মেয়ের চিকিৎসার খরচ যোগানো কোনোভাবেই তারপক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ

পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারির বছর না ঘুরতেই বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের আরেকটি আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য ফাঁস হলো। রোববার প্যারাডাইস পেপার্স নাম দিয়ে ফাঁস হওয়া ১ কোটি ৩৪ লাখ গোপন নথিতে নাম এসেছে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকারের ঘনিষ্ঠজনের।

গতবারের মতোই এবারও এই আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য ফাঁস করেছে জার্মান দৈনিক সুইডয়চে সাইটং। ফাঁস হওয়া নথির অধিকাংশই বারমুডাভিত্তিক আইনি সহায়তাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলবি থেকে পাওয়া গেছে। অফশোর ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ পর্যায়ের সেবাদাতা এই প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের কর ফাঁকির পথ দেখিয়ে দেয়।

কর ফাঁকির ১ কোটি ৩৪ লাখ ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসকে (আইসিআইজে) দিয়েছে সুইডয়চে সাইটং। ৬৭টি দেশের ৩৮০ জন সাংবাদিক এখন এসব নথি বিশ্লেষণ করছে। প্রাথমিকভাবে নথিতে ১৮০টি দেশের নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে।

নথিতে দেখা গেছে, ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের ব্যক্তিগত অর্থের মধ্যে ১ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করা হয়েছে অফশোর কোম্পানিতে। ডাচি অব ল্যাঙ্কাস্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব অর্থ কেমান আইল্যান্ডস ও বারমুডায় গেছে। ওই প্রতিষ্ঠানটি রানির ব্যক্তিগত সম্পদের ৫০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ দেখভাল করে এবং তাকে মুনাফা প্রদান করে। বিবিসি অবশ্য জানিয়েছে, এই বিনিয়োগে অবৈধ কিছু নেই এবং রানি কর দিচ্ছেন না বলেও এটা ইঙ্গিত করছে না। তবে রাজপরিবার অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা উচিৎ কি না সেই প্রশ্নটি তোলা যেতে পারে।

গরীব ঠকানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ব্রিটিশ কোম্পানি ব্রাইট হাউজেও রানির বিনিয়োগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যজুড়ে কিস্তিতে ইলেকট্রনিক, গৃহস্থালি পণ্য ও আসবাব সরবরাহ করে ব্রাইট হাউজ। এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ১ কোটি ৭৫ লাখ পাউন্ড কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে।

কর ফাঁকির এই নথিতে নাম এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের। নব্বইয়ের দশকে ট্রাম্পকে দেউলিয়া হওয়া থেকে রক্ষা করেছিলেন রস। প্রেসিডেন্ট হয়ে তাকে বাণিজ্যমন্ত্রী করেন ট্রাম্প।

ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, রস একটি শিপিং কোম্পানি থেকে লাভের অর্থ নেন। এই প্রতিষ্ঠানটি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জামাতা ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা রাশিয়ার দুই ব্যক্তির মালিকানাধীন জ্বালানি কোম্পানিকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ করে বছরে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের রুশ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তদন্ত করছে গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এ নিয়ে ইতিমধ্যে অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার বাণিজ্যমন্ত্রীর এই রুশ সংশ্রবের নতুন অভিযোগ সেই অস্বস্তিকে আরো বাড়িয়ে দিবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠজন স্টিফেন ব্রনফম্যানের অফশোর কোম্পানিতে লেনদেনে সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে। ব্রনফম্যান ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টির প্রধান তহবিল সংগ্রাহক। এ ঘটনা কর ফাঁকি ঠেকাতে সোচ্চার ট্রুডোকে অস্বস্তিতর পরিস্থিতিতে ফেলবে।

এছাড়া যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক ডেপুটি চেয়ারম্যান ও অন্যতম অর্থদাতা লর্ড অ্যাশক্রফটের অফশোর বিনিয়োগের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এতে দেখা গেছে, ২০০ সালে বারমুডার পুন্টা কোরডা ট্রাস্টে কয়েক কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন অ্যাশক্রফট।

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে ইভটিজিং করার দায়ে আল-আমিন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জেলার চিলাহাটির নিজ ভোগডাবুড়ী গ্রামের মাইক্রো ড্রাইভার রমজান আলীর স্কুল পড়–য়া মেয়ে সুরভী আক্তার (১৫) কে দীর্ঘদিন থেকে স্কুল যাবার পথে ইভটিজিং করে আসতো একই এলাকার ফল বিক্রেতা কালা বেলাল এর ছেলে আল-আমিন। গত ৩০ আগাষ্ট চিলাহাটি বাজারে ইভটিজিং করার সময় বাজারের লোকজন আল-আমিনকে আটক করলে তার বড় ভাই রাশেদ দৌড়ে এসে লোকজনের উপর চড়াও হয়ে মারপিট করে ভাইকে নিয়ে যায়।
ঘটনার বহুদিন অতিবাহিত হলেও স্থানীয় প্রশাসন কোন রকম ব্যবস্থা না নিলে গত ৩০ অক্টোবর রমজান আলী বাদী হয়ে ২ জনকে আসামী করে ডোমার থানায় ইভটিজিং এর মামলা দায়ের করলে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। মামলা নং-১৭।

ঢাকাগামী একটি লঞ্চ থকেে
অভযিান চালয়িে কোস্টর্গাড একটি মামলার ৩ আসামীসহ ৫ জনকে গ্রফেতার করে থানায়
সোর্পদ করছে।গোপন সংবাদরে ভত্তিতিে গতকাল তজুমুদ্দনি ও তমরুদ্দি কোস্টর্গাড
মনপুরা এলাকা থকেে গ্রফেতার করে রাত ১১টায় হাতয়িা থানায় সোর্পদ করলে থানা
পুলশি আজ রববিার র্কোট হাজতে চালান কর।আটককৃতরা হলো হাববিুর রহমান (৫০),
খললিুর রহমান(৪৫), সাহাব উদ্দনি(৩০), সরিাজ উদ্দনি(৫০) ও কামরুল ইসলাম(৩৫)।
এদরে সবার বাড়ি সোনাদয়িা ইউনয়িনে ও মালয়শেয়িা বাহনিীর সদস্য।
তমরুদ্দি স্টশেন ক্যাম্পরে ল.দবোয়ন চক্রর্বতী জানান, গোপন সংবাদরে
ভত্তিতিে এদরে গ্রফেতার করে গতকাল রাত ১১ টায় হাতয়িা থানায় সোর্পদ করা হয়ছে।ে
হাতয়িা থানার ওসি (তদন্ত) জাকরি হোসনে জানান, হাববিুর রহমান (৫০), খললিুর
রহমান(৪৫) ও সাহাব উদ্দনি(৩০) হাতয়িা থানার একটি মামলার আসামী ও অন্য ২ জনকে
৫৪ ধারায় আজ র্কোট হাজতে চালান দওেয়া হয়ছে।