Category: স্বাস্থ্য

ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীকে অতিমাত্রায় রেডিও থেরাপি দেয়ার সময় সুস্থ কোষ রক্ষা করে যন্ত্রণা লাঘব———–

 

ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীকে অতিমাত্রায় রেডিও থেরাপি দেয়ার সময় সুস্থ কোষ রক্ষা করে যন্ত্রণা লাঘব আর কিছুটা সময় বেঁচে রাখার বিশেষ ধরনের ডিজিটাল যন্ত্র উদ্ভাবন করে বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এই যন্ত্র পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের চার ধারে এবং যে কোন রেডিয়েশন এলাকার পরিবেশ তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নিরূপণ করে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করবে। ইতোমধ্যে ব্রিটেন, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশ তার গবেষণায় উদ্ভাবিত ডিজিটাল যন্ত্রটি ক্যান্সার হাসপাতালে এবং রেডিয়েশন আওতাভুক্ত এলাকায় ব্যবহার শুরু করেছে। বাংলাদেশের এই তরুণ কৃতী পরমাণু বিজ্ঞানীর নাম ড. এ কে এম মিজানুর রহমান। বাড়ি পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলায়। ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেডিয়েশনের সঠিক মাত্রা প্রয়োগ ও নিয়ন্ত্রণে ব্যবহারের ডিজিটাল যন্ত্রটি মে মাসে মালয়েশিয়ায় ইন্টারন্যাশনাল ইনভেনশন ইনোভেশন এ্যান্ড টেকনোলজি এক্সিবিশনে (আইটেক্স) স্বর্ণপদক পেয়েছে। এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর এক হাজার উদ্ভাবন প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশী এই তরুণ পরমাণু বিজ্ঞানীর স্বর্ণপদক বিশ্বে অভিনন্দিত হয়।

সাঁথিয়ার গ্রামের প্রাথমিক স্কুল থেকে ৪৫ বছর বয়সী এই পরমাণু বিজ্ঞানীর লেখাপড়া শুরু। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। পরে পিএইচডি করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র ঢাকার স্বাস্থ্য ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। ছেলেবেলা থেকেই যে কোন বিষয়ে জানার কৌতূহল তাকে গবেষণার পথে এনেছে। তিনি লক্ষ্য করেন মরণব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে কী কঠিন যন্ত্রণা সইতে হয়। ক্যান্সার প্রতিরোধে কোন ওষুধ ও চিকিৎসা আজও আবিষ্কৃত হয়নি। বিজ্ঞানীদের এই ব্যর্থতা ড. মিজানকে ভাবিয়ে তোলে।

বর্তমানে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে যে রেডিয়েশন দেয়া হয় তা অতিমাত্রার। এই রেডিও থেরাপি না দিলেও নয়। কেমোথেরাপিও যন্ত্রণাদায়ক, যা ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রভাব ফেলে। রং পাল্টে যায়। মাথার চুল উঠে যায়। রেডিও থেরাপি বা রেডিয়েশন দেয়ার সময় কিছু সুস্থ কোষ বা টিস্যু নষ্ট বা ধ্বংস হয়ে যায়।

ড. মিজানের গবেষণা শুরু এই জায়গাতেই। কিভাবে রেডিয়েশনে সুস্থ কোষগুলো রক্ষা করা যায়। প্রতিবার রেডিও থেরাপি দেয়ার সময় ক্ষতিকর কোষের পাশাপাশি অনেক সুস্থ কোষও ধ্বংস হয়। ড. মিজানের গবেষণায় রেডিয়েশনে সুস্থ কোষগুলো রশ্মির আওতায় না এসে তা কার্যকর থাকে। এই সুস্থ কোষগুলো রোগীকে পৃথিবীতে আরও কিছুকাল বেঁচে থাকতে দেবে।

এই ডিজিটাল যন্ত্রটি যে কোন রেডিয়েশনের আওতাভুক্ত এলাকার পরিবেশ অনেকটা রক্ষা করতে পারবে। রেডিয়েশনের আওতাভুক্ত এলাকার মাত্রা কত তা নিরূপণ করে দেবে। সেল ফোন (মোবাইল ফোন) অপারেটরদের প্রতিটি টাওয়ার থেকেই রেডিয়েশন ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি মোবাইল ফোন সেটে কথা বলার সময় মানব দেহে রশ্মি প্রবাহিত হয়। এই রেডিয়েশন ক্ষতিকর। উদ্ভাবিত যন্ত্রটি রেডিয়েশনের মাত্রা বলে দেবে। সাধারণত পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের চার ধারে রেডিয়েশন ছড়িয়ে পড়ে। যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং কখনও দুর্ঘটনা ঘটায়। এই যন্ত্রটি ক্ষতিকর মাত্রা নিরূপণ করে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সহায়তা দেবে।

ড. মিজানের উদ্ভাবিত আধুনিক যন্ত্রটি তার ডক্টরেট অব ফিলোসফির (পিএইচডি) গবেষণার একটি অংশ ছিল। গবেষণাটি বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রদত্ত বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ অব সায়েন্স এ্যান্ড আইসিটি প্রকল্পের আওতায় মালয়েশিয়ার মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে সম্পন্ন করেন। গবেষণায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রফেসর হাইরুল আজাহার আবদুর রশীদ ও ব্রিটেনের প্রফেসর ডেভিড এ্যান্ডু ব্র্যাডলি। এই গবেষণা স্পেন, চীন, গ্রীস, আয়ারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে উপস্থাপিত হয়। ড. মিজানের স্ত্রী ড. মাহফুজা বেগম বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। তাদের ১ মেয়ে ১ ছেলে। তিনি সাংবাদিক ও কলামিস্ট হাবিবুর রহমান স্বপনের ছোট ভাই। ড. মিজানুর রহমানের কথাÑ তার গবেষণা থেমে থাকবে না। বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে সম্মানের আসনে পৌঁছে দেয়া এবং মানব কল্যাণের ব্রত নিয়ে তিনি এগিয়ে চলেছেন।

এই ১০টি ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন! বিপদ কখনআসে বলা যায় না।জেনে নিন নাম ও ব্যাবহার বিধি

এই ১০টি ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন! বিপদ কখনআসে বলা যায় না।জেনে নিন নাম ও ব্যাবহার বিধি

১. প্যারাসিটামল (Paracetamol)
২. ট্রামাডল (Tramadol)
৩. টাইমনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium
Methylsulfate)
৪. এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/
omeprazole)
৫. অ্যালুমিনিয়াম হাইডঅক্সাইড (Aluminium hydroxide
suspension)
৬. ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline)
৭. ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটাডিন (Fexofenadine/
Rupatadine)
৮. সিলভার সালফাডায়াযিন অয়ন্টমেন্ট (Silver
sulfadiazine ointment)
৯. পোভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)
১০. অ্যাসপিরিন (Aspirin)

#প্যারাসিটামল(Paracetamol).
জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন.

#ট্রামাডল(Tramadol).
কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন।

#টাইমোনিয়াম_সালফেট(Tiemonium_sulphate).
যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ।

#এসোমিপ্রাযল/#ওমিপ্রাযল(Esomeprazole/#Omeprazole).
অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।

#অ্যালুমিনিয়াম_হাইড্রক্সাইড_সাস্পেনশন (Aluminum
hydroxide suspension).
বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এরপার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।

#ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline).
ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি; আপনার ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয়
২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে মুখ শুকিয়ে গিয়ে পিপাসা লাগে খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে পায়খানার সাথে রক্ত গেলে আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।
#ফেক্সোফেনাডিন/#রুপাটিডিন(Fexofenadine/
Rupatadine).
এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা, পরাগ,
তেলাপোকা ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম
হবে।
ডাঃ শিরিন চৌধুরী মেরী.
লিলাবাতি মেডিকেল,
মোম্বাই ইন্ডিয়া ।
ভালো থাকুন সবসময়।

পেয়ারার তত গুণ

পেয়ারা অতি সুস্বাদু ও উপকারী এক ফল। দেশি ফল হিসেবে পেয়ারার রয়েছে বেশ সুনাম।
 অনেকেই কাঁচা পেয়ারা মরিচ ও লবণ দিয়ে খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু গরমকালে পেয়ারা খাওয়া যায় ব্লেন্ডারে জুস করে। অনেকে পেয়ারার জেলি ও মোরব্বা পছন্দ করেন। ফলটির রয়েছে অবিশ্বাস্য সব উপকারিতা। জেনে অবাক হবেন, ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি. গ্রাম ভিটামিট সি থাকে; যা কমলার তুলনাযয় পাঁচগুণ বেশি।আসুন জেনে নেওয়া যাক মজার এই ফল শরীরের কী কী উপকারে আসে-
কর্মশক্তি বাড়ায় পেয়ারা
পেয়ারার ম্যাগনেসিয়াম আমাদের মাংসপেশী ও স্নায়ু সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে কাজ শেষে অথবা অনেক চাপ নেওয়ার পর একটি পেয়ারা খেলে কর্মশক্তি আবার বেড়ে যায়।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
পেয়ারাতে গ্লুকোজের পরিমাণ কম থাকে। এ কারণে এটি ওজন কমাতে বেশ ভালো প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় 
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে; যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া চোখের ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমায় এই ফল।
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি; যা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

পেয়ারাতে লাইকোপেন, কোয়ারকেটিন, ভিটামিন সি ও পলিফেনল আছে; যা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর এই এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সার কমাতে খুব সাহায্য করে পেয়ারা। ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিও কমায় পেয়ারা।কর্মশক্তি বাড়ায় পেয়ারা

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
পেয়ারাতে ফাইবার ও কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে এটি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে 
পেয়ারা শরীরের সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বাড়ায়; যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
হার্টের সমস্যা কমায়
পেয়ারা ট্রাইগ্লিসারাইড ও এলডিএল নামক খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। যার ফলে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা অনেক কমে যায়। পেয়ারা এইচডিএল নামক কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় যা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনে 
পেয়ারাও ভিটামিন বি৩ ও ভিটামিন বি৬ মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
পেয়ারা একটি ফাইবার জাতীয় ফল। এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
গর্ভবর্তীদের জন্য খুবই প্রয়োজন
এর ফলিক এসিড গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই প্রয়োজন। ফলিক এসিড গর্ভের বাচ্চার নার্ভাস সিস্টেমকে উন্নত করে। সেই সঙ্গে এটি বাচ্চাদের নিউরোলোজিক ডিজঅর্ডার থেকে দূরে রাখে।
কফ দূর করে
পেয়ারার ভিটামিন সি ও আয়রন কফ দূর করতে বড় ভূমিকা পালন করে। কারও যদি কফ জমে যায় গলায় তাহলে সেক্ষেত্রে পেয়ারা খুব ভালো ওষুধ যা মুহূর্তেই কফমুক্ত করে শরীরের ফুসফুস।
পেয়ারার পাতায় রোগ সংক্রমণ দূর 
পেয়ারার পাতায় আছে এন্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ এবং খুব শক্তিশালি এন্টিব্যাক্টেরিয়াল ক্ষমতা; যা ইনফেকশনের সঙ্গে যুদ্ধ করে এবং জীবাণু ধ্বংস করে। পেয়ারার পাতা দাঁত ব্যথার জন্য খুব ভালো একটি ওষুধ, যা ঘরে বসেই দূর করতে পারবেন।
প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় রয়েছে:
প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ০.২১ মি.গ্রাম ভিটামিন বি-১ ও ০.০৯ মি.গ্রাম বি-২, ১.৪ গ্রাম প্রোটিন ও ১.১ গ্রাম স্নেহ, ১৫.২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৬ গ্রাম মিনারেল, ০.০৩  মি.গ্রাম থায়ামিন, ০.০৩ রিবোফ্লেভিন ১.৪ মি.গ্রাম আয়রন, ২৮ মি.গ্রাম ফসফরাস ও ২০ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। সূত্র: বোল্ড স্কাই

মধূর যত গুন

মুধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- মধুর ব্যবহার সবখানে। মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আসুন জেনে নিই মধুর উপকারিতা সম্পর্কে-
ওজন কমায় মধু
প্রতিদিন সকালে মধু খেলে শরীরের বাড়তি ওজন কমে। বিশেষ করে যদি সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়া হয়, তাহলে ওজন কমে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়া প্রতিদিন নিয়মিত মধু খেলে পাকস্থলী পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়
ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু খেলে তা মস্তিষ্কের কাজ সঠিক ভাবে চালাতে খুব সাহায্য করে। এতে মস্তিষ্কের শক্তি তথা বুদ্ধি বাড়ে। যেকোনো কাজে মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। যাদের মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য মধু এনে দেয় নতুন উদ্যম ও সৃষ্টিশীলতা।
হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করতে মধু
মধুর সাথে দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুকি অনেকাংশে কমে যায়।
ব্যথা নিরাময়ে
শরীরের জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা থাকলে তা থেকে দ্রুত মুক্তি মেলে মধু খাওয়ার মাধ্যমে। যে অবাঞ্ছিত রসের কারণে বাতের জন্ম, সেই রস অপসারাণে মধু বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে বাতের ব্যাথা সেরে যায়।
হজমে সাহায্য করে  
মধু পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা অনেকাংশে দূর করার জন্য প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। ভালো ফলের জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খেতে পারেন।
শক্তি বাড়াতে মধু 
মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই প্রাকৃতিক চিনি শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের মিষ্টির প্রতি ঝোক রয়েছে, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন।
রক্ত পরিষ্কার করে
এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। এটা রক্ত ও রক্তনালী পরিষ্কার করে।
হাঁপানি রোধে
আধা গ্রাম গুঁড়া গোলমরিচের সাথে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মিশিয়ে দিনে অন্তত তিন বার খেলে হাঁপানির সমস্যা অনেকটা দূর হয়।
গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি  
হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন তিন বেলা দুই চামচ করে মধু বেশ উপকারী। এতে করে গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি মেলে সহজেই।
আয়ু বৃদ্ধি করে
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত যারা মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত, তারা  তুলনামূলক বেশি কর্মক্ষম।
ত্বক নমনীয় করে
মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত।
কাশি নিরাময়ে
দীর্ঘমেয়াদী হোক আর স্বল্পমেয়াদী হোক, যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন।
ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায়
মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে।
প্রকৃতিক সানস্ক্রিন মধু
মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে। সূত্র: বোল্ড স্কাই

 

হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা:-


হার্ট অ্যাটাক একটি মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ অবস্থা যেখানে জীবন ও মৃত্যু খুব কাছাকাছি চলে আসে।
কোন ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হলে সেটি অল্পতেই ভাল হতে পারে আবার হতে পারে প্রাণঘাতী। তাই হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে রোগী যাতে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পায়। সাধারণত ECHO, ECG করে নিশ্চিত হওয়া যায় রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা। হার্ট অ্যাটাক এর চিকিৎসার প্রথম ধাপটি হল এসপিরিন গ্রুপ এর ওষুধ ও ইঞ্জেকশান দিয়ে রক্ত পাতলা করা। এর পর Primary Angioplasty করে জমাট বাধা রক্ত অপসারন করা। Primary Angioplasty করার পরেও অনেক সময় রোগী ঝুকি মুক্ত হয়না যদি রোগীর Cardiac Arrhythmia বা অনিয়মিত হৃদ স্পন্দন হয়। এই অনিয়মিত হৃদ স্পন্দনের সমস্যাকে মোটেই অবহেলা করা যাবেনা কেননা, অনিয়মিত হৃদ স্পন্দনের ফলে আবারো হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তাই হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৪৮-৭২ ঘণ্টা অনবরত ECG মনিটরিং করে দেখতে হবে অনিয়মিত হৃদ স্পন্দনের সমস্যা আছে কিনা। একই সাথে রোগীর রক্তচাপ ঠিক আছে কিনা সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বেড সাইড ইকো করে সর্বদা হৃদযন্ত্রের পর্দার অবস্থার উপর নজর রাখতে হবে। Stethoscope দিয়ে দেখতে হবে হৃদযন্ত্র থেকে কোন অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছে কিনা। কারন রোগীর হার্টের ভেতরের বা বাইরের পর্দা ফেটে গেলে তাকে সবচেয়ে মারাক্তক অবস্থা বলে গণ্য করা হয়। এ অবস্থায় রোগীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্জারি না করলে মৃত্যুর ঝুকি শতকরা ৯৯ ভাগ। সর্বোপরি হার্ট অ্যাটকের পর ২-৩ দিন রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। অবস্থা স্থিতিশীল হলে চিকিৎসকের দায়িত্ব রোগীকে কাউন্সেলিং করে অবহিত করা খাদ্যাভ্যাস, জীবন যাত্রা ও পরবর্তী চিকিৎসা সম্পর্কে যেমন Angiogram কখন করাবে ইত্যাদি। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, Angiogram করার পর চিকিৎসা গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট ও কার্ডিয়াক সার্জনের পরামর্শ নিতে হবে। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরন করলে দীর্ঘ মেয়াদি সুফল পাওয়া যাবে।

মাথাব্যথার কারণে অনেকেই ডিসপ্রিন, প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ খেয়ে থাকেন যার মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে

ডাঃ শিরিন চৌধুরী মেরী

মাথাব্যথার কারণে অনেকেই ডিসপ্রিন, প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ খেয়ে থাকেন যার মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ঔষধ না খেয়ে প্রাকৃতিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন পদ্ধতি ব্যবহার করে মাথাব্যথার হাত
থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। মাথাব্যথা কোনো রোগ নয় এটা আমরা সবাই জানি,এটা অন্য রোগের উপসর্গ | তাই যদি আমাদের এর কারণ জানা না থাকে অনেকেই অনেক রকম ওষুধ গ্রহণ করে যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর| সাধারণ মাথাব্যথা: মাথায় ঠাণ্ডা বা রোদ লেগে কিংবা ঘুম কম হলে এ ধরনের ব্যথা হয়। এটি কিছুটা কষ্টদায়ক হলেও তেমন তীব্র হয় না। আর এ-জাতীয় মাথাব্যথা সারিয়ে তোলার উপায়ও সহজ। সামান্য পানি দিয়ে হাত দুটি ভিজিয়ে নিন। ভেজা হাতে মুছে নিন আপনার কপাল, মুখমণ্ডল ও ঘাড়। দু-তিনবার এভাবে করুন। জায়গাগুলো একটু ভেজা ভেজা হলে কিছুক্ষণ বসে থাকুন খোলা বাতাসে।
প্রাকৃতিক খোলা বাতাস না পেলে ধীরগতিতে ফ্যান ছেড়ে ভেজা জায়গাগুলোয় বাতাস লাগান। কিছুক্ষণ পর তা শুকিয়ে যাবে। এর সঙ্গে সঙ্গে সেরে যাবে আপনার মাথাব্যথা। তীব্র ব্যথা: বিভিন্ন কারণে তীব্র মাথাব্যথা হয়ে থাকে। তবে এর কমন কারণ হলো সর্দি অথবা সাইনোসাইটিস। যে কারণেই হয়ে থাকুক এর চিকিত্সাব্যবস্থাটি কিন্তু সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন ছেঁচে রসটুকু ছেঁকে নিন। এবার দু-তিন ফোঁটা করে রস নাকের দুই ছিদ্র দিয়ে ভেতরে টেনে নিন। এমন গতিতে টানবেন যেন রসের ফোঁটা নাকের একেবারে ভেতরে চলে যায়। ঠিকমতো যদি রসটুকু আপনার নাকের গভীর পর্যন্ত যেতে পারে, তাহলে কয়েক মিনিট নয়, মাথাব্যথা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কয়েক সেকেন্ডই যথেষ্ট। আধকপালি মাথাব্যথা: সারা মাথা নয়, ডান বা বামদিকে কপালসহ মাথার অর্ধেকজুড়ে যে ব্যথা হয়, তাকে বলা হয় আধকপালি মাথাব্যথা। এ ব্যথা খুবই কষ্টের। ভীষণ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে রোগী। ঘুমাতে বা খেতে পারে না। ব্যথার তীব্রতায় বমি বমি লাগে। কখনো কখনো বমি হয়েও যায়। ‘হিং’ পানিতে গুলে ফোঁটায় ফোঁটায় নাকের ভেতর দিলে এমন ব্যথা সেরে যায়। বাজারে প্রচুর ভেজাল হিং পাওয়া যায়। আসল হিং বনেদি এবং সুনামসমৃদ্ধ দোকান থেকে সংগ্রহ করে নিতে হবে। মাইগ্রেন: মাইগ্রেন আলাদা ধরনের কোনো ব্যথা নয়। সাধারণত ক্রনিক (পুরনো) সাইনোসাইটিসের সমস্যা থেকে মাইগ্রেনের উত্পত্তি ঘটে। যদিও মাঝে মধ্যে অন্য কোনো জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কারণেও মাইগ্রেন আক্রান্ত হতে দেখা যায়। মাইগ্রেনের রোগী ব্যথার যন্ত্রণায় এতটাই কাতর হয়ে পড়ে যে, কেবল ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে থাকাকেই একমাত্র চিকিত্সা এবং আরামের উপায় বলে মনে করে। ঘুমালে রোগী যন্ত্রণা এড়িয়ে থাকতে পারলেও, মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে কিন্তু মুক্ত হতে পারে না। তবে ইবনে সিনার মতে -কৈবুক্রার পাতার রস লবন দিয়ে মিশায়ে কপালে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলেই পূর্ণ আরোগ্য লাভ হবে I

ফুলবাড়ীয়ায় ২০ সেকেন্ডে চোখের চিকিৎসা


ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ গতকাল শুক্রবার ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আছিম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউনের সহযোগীয়তায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চিকিৎসা কার্যক্রমের সার্বিক পৃষ্ঠপোষক ছিলেন কাস্টমস এর জয়েন্ট কমিশনার ড. তাজুল ইসলাম। রোগী প্রতি এক মিনিটের কম সময় নিয়ে রোগীর ব্যবস্থাপত্র দেয়ায় চোখের পলকে চোখের চিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ করেছে রোগীরা। অনেকেই এটাকে নিজেকে বিকশিত করার দায়সারার কাজ বলে অভিযোগ করেছেন। চোখের চিকিৎসার নামে দায়সারা ক্যাম্পে রোগীরা এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার এ চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষরে মহাসচিব প্রফেসর ডা. এম এ আজিজ। পরে জয়েন্ট কমিশনার তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জানানো হয়, গতবার ৩শ রোগীকে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। এবার ৬শ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এবার প্রায় ১০ হাজার রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে।
গতবার বিনামূল্যে চিকিৎসা নিয়ে একেবারেই অন্ধ হয়ে গেছেন হুরবাড়ী গ্রামের শতবর্ষী রাবেয়া খাতুন। তিনি জানান, গতবার চিকিৎসা নিতে আসার পর এক মহিলা তার ডান চোখের ওষুধ দেয়ার এখন আর কিছু দেখেন না। এবারও চিকিৎসা নিতে এসে মাঠে ঘুরা ফেরা করছেন। চিকিৎসা ক্যাম্পের মাঠে কথা হয় মা আমেনা খাতুন (১০০) মেয়ে জহুরা খাতুনের (৬০) সাথে। তারা জানান, ১ মিনিটের মধ্যে ডাক্তার ২ টা ওষুধ লিখে তাদেরকে রুম থেকে বের করে দেন।
মোবাইলে ফুলবাড়ীয়ার স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবিব জানান, ২০ থেকে ১৮ সেকেন্ডের মধ্যে তার চোখের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। আসলে এটা মুলত চিকিৎসা সেবা না। সরকারী চাকরীজীবি হয়ে নিজেকে বিকশিত করছে তাজুল ইসলাম। ভবিষ্যতে সে রাজনীতি করবেন বলে মনে হয়।
ডা. তাজুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এবার বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এমনটা হয়েছে।

হার্টের জন্য যে খাবার গুলি উপকারি

হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারি খাবারের কথা বললে আমাদের সামনে যেসব খাবারের কথা মনে আসে সেগুলো ছাড়াও কিছু খাবার রয়েছে। এসব খাবারের কথা তুলে ধরা হলো এ লেখায়।

শিম
শিমের এ স্বাস্থ্যগত উপকারিতার কথা আগে মানুষ জানত না। সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, শিমের আঁশ ও এর পটাসিয়াম হৃদযন্ত্রের (হার্ট) জন্য খুবই উপকারী। এ ছাড়া শিমে রয়েছে প্রোটিন, যা মাংসের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন প্রচুর শিম খেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। খাবারের সঙ্গে তরকারি হিসেবে পরিমিত শিম খেলেও উপকার মিলবে।

আঙুরের জুস
আঙুরের জুসে রয়েছে হৃদপিণ্ডের জন্য বহু উপকারী উপাদান। তবে এটি শতভাগ আঙুরের জুস হতে হবে। অর্থাৎ স্বাদ বাড়ানোর জন্য বাড়তি চিনি কিংবা অন্য কোনো উপাদান মেশানো যাবে না।

ডিম
ডিম পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বহুদিন ধরেই পরিচিত। তবে এর কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, ডিম হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং উপকারী। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ১৩ ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। আর একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে তাতে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে যায় ১২ শতাংশ পর্যন্ত।

পেঁপে
বিভিন্ন শাকসবজি খেলে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা যায়। আর এ তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে পেঁপে। গবেষকরা জানান, পেঁপেতে রয়েছে লাইকোপেন। এটি হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। টমেটোর তুলনায় পেঁপেতে রয়েছে প্রায় আড়াই গুণ বেশি লাইকোপেন।

ডার্ক চকোলেট
অনেকেই চকোলেটকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করেন। কোকোয়া বার দিয়ে তৈরি ডার্ক চকোলেট টাইপ টু ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে। ২০১৫ সালের এক গবেষণায় জানা যায়, ডার্ক চকোলেট খাওয়ার পর রক্তচাপ বেশ কমে যায়। আর রক্তচাপ কমলে হৃদরোগও কমে যায়। গবেষকরা বলেন, ডার্ক চকোলেট প্রতিদিন এক থেকে দুই আউন্স পরিমাণ খেলেই উপকার পাওয়া যাবে।

 

ছানি অপারেশনঃ কৃত্রিম লেন্সের দাম ও কার্যকারিতা

ছানি অপারেশনঃ কৃত্রিম লেন্সের দাম ও কার্যকারিতা

হালিমা খাতুন (ছদ্মনাম) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। পঞ্চাশের ওপর বয়স। এ বয়সেই তাঁর চোখে ছানি পড়েছে। ফলে ঠিকমতো কাজকর্ম করতে পারেন না। তিনি জেনেছেন ছানি রোগের ভালো চিকিৎসা হচ্ছে আজকাল। আগের মতো আর অপারেশনের পর দুই দিন সটান শুইয়ে রাখা হয় না। এরপর মাস দেড়েক পর মোটা কাচের চশমা ব্যবহার করতেও হয় না। আগে হাজার পাওয়ারের ওপরে, ওই চশমা হারিয়ে গেলে নতুন চশমা না নেওয়া অবধি অচল থাকতে হতো। আজকাল আর এসব নেই। চোখে অস্ত্রোপচার করে কৃত্রিম লেন্স সংযোজন করা হয়। ফলে রোগী অস্ত্রোপচার সম্পন্নের দিন থেকেই দেখতে শুরু করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক দিনের মতো চোখ ঢেকে রাখা হয়, পরের দিন থেকেই দৃষ্টি লাভ! কৃত্রিম লেন্স সংযোজনের দরুন পুরোপুরি দৃষ্টিপ্রাপ্তি সম্ভব। অর্থাৎ তরুণ বয়সের দৃষ্টিশক্তির মতোই দৃষ্টিশক্তি পাওয়া যায়। হালিমা খাতুন এসব জেনেই এসেছেন ছানির অপারেশন করাতে।

হালিমা খাতুন যথারীতি হাসপাতালে ভর্তি হন। অপারেশনের আগের দিন তাঁর চোখের লেন্সের পাওয়ারের মাপ নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে তিনি জেনেছেন, চোখে যে লেন্স সংযোজন করা হয় তা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। লেন্সের প্রকারভেদে মূল্য ২০০ টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। হালিমা বাড়ি থেকে যে টাকা নিয়ে এসেছেন, তাতে ১৫ হাজার টাকার লেন্স সংযোজন সম্ভব নয়। সাধারণভাবেই তাঁর ধারণা, ১৫ হাজার টাকার লেন্স নিশ্চয়ই ২০০ টাকার লেন্সের চেয়ে অনেক ভালো।

তাঁর মনে দ্বিধা জন্মায়। একবার ভাবেন এযাত্রায় অস্ত্রোপচার না করিয়ে বাড়ি গিয়ে ধারদেনা করে টাকা নিয়ে এসে ওই ১৫ হাজার টাকার লেন্সই চোখে লাগাবেন। আবার ভাবেন, বেতনের টাকার বাইরে তেমন তো তাঁর আয় নেই! ধার করা টাকা পরিশোধ করতে বেতনের টাকায় বেশ কমাস লাগবে। কাজেই প্রয়োজন কী? তিনি তাঁর চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন। চিকিৎসক জানান, চোখের ভেতর ঠিকমতো পৌঁছতে পারলে ১৫ হাজার টাকার লেন্স যা করবে, ২০০ টাকার লেন্স তা-ই করবে।
ওপরের ঘটনাটি থেকে বোঝা যায় যে রোগীরা আধুনিক চিকিৎসালয়ে এসে এক ধরনের বিভ্রান্তির শিকার হন। লেন্সের মূল্যের তারতম্যে এ বিভ্রান্তি আসাটাই স্বাভাবিক। এ ছাড়া আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ বিদেশি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের জিনিসের প্রতি দুর্বল। যুক্তরাষ্ট্রের লেন্স নিশ্চয়ই ভারতের লেন্সের চেয়ে ভালো! কাজেই যুক্তরাষ্ট্রের লেন্স লাগাবেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত অনেক সময় নিয়ে ফেলেন রোগীরা।

এ ক্ষেত্রে লেন্স সম্পর্কে রোগীদের মনে সৃষ্ট এ বিভ্রান্তি নিরসনে চিকিৎসকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকেরই দায়িত্ব হলো রোগীকে বুঝিয়ে বলা যে লেন্সের মূল্যের তারতম্য লেন্সের কার্যকারিতায় তেমন কোনো ভূমিকা পালন করে না। ২০০ টাকার ভারতীয় লেন্সের সঙ্গে দুই হাজার ২০০ টাকার যুক্তরাষ্ট্রের লেন্সের কার্যকারিতায় কোনো তফাত নেই। লেন্স সংযোজনে কোনো অসুবিধা না হলে উভয় ক্ষেত্রে সমপর্যায়ের দৃষ্টিশক্তি লাভ করা যায়। তবে লেন্স পছন্দের ক্ষেত্রে রোগীর পছন্দের স্বাধীনতা অবশ্যই থাকা দরকার।

এবার আবার হালিমা খাতুনের প্রসঙ্গে আসি। হালিমা খাতুন চিকিৎসকের মন্তব্য শুনে কিছুটা আশঙ্কামুক্ত হন। তিনি তাঁর নিয়ে আসা টাকায়ই অস্ত্রোপচারের যাবতীয় খরচ নিষ্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরও তাঁর মনে একরকম খুঁত থাকে-নিশ্চয়ই ১৫ হাজার টাকার লেন্সটা হয়তো ভালো। তাঁর পাশের শয্যার ব্যবসায়ী সন্তানের মাকে ওই লেন্স লাগানো হবে। আবার তাঁর অদূরে এক পোশাকশ্রমিকের মায়ের চোখে লাগানো হবে ২০০ টাকার লেন্স।

একই দিনে তাঁদের সবার চোখে লেন্স সংযোজন হয়। একই সার্জন তা করেন। পরের দিন অস্ত্রোপচারকৃত সব রোগীর চক্ষু পরীক্ষার কক্ষে নিয়ে আসা হয়। তালিকা দেখিয়ে রোগীদের দৃষ্টি মাপা হয়। হালিমা দেখলেন তাঁর দৃষ্টি, তাঁর পাশের ব্যবসায়ীর মায়ের দৃষ্টি ও পোশাকশ্রমিকের মায়ের দৃষ্টিতে কোনো পার্থক্য নেই। অর্থাৎ ১৫ হাজার টাকা, দুই হাজার ২০০ টাকা, ২০০ টাকার লেন্সের কার্যকারিতা একই স্তরের।

এবার হালিমা খাতুনের মনে আর দ্বন্দ্ব নেই। তিনি ছুটির কাগজপত্র নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হন। সঙ্গে নিয়ে যান কৃত্রিম লেন্স সম্পর্কে এক রকম ধারণা। মনে মনে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁর পরিচিত ছানি রোগীদের এ বার্তাটাই দেবেন যে লেন্সের কার্যকারিতায় দামের পার্থক্যের তেমন কোনো ভূমিকা নেই।

মো· শফিকুল ইসলাম
সহযোগী অধ্যাপক, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

ছানির অপারেশন কোথায় কত খরচ

ছানির অপারেশন কোথায় কত খরচ
ডা. নাফিসা আবেদীন ঃ ছানির অপারেশন করাতে গেলে এর খরচের কথাটা প্রথমে চলে আসে। প্রয়োজন আর সাধ্যের সমন্বয় ঘটবে কি-না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন অনেকেই। তাই পাঠকের সুবিধার জন্য আমরা ছানির অপারেশনের আনুমানিক একটা খরচ তুলে ধরছি।বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছানি অপারেশন করাতে লাগে ১ হাজার ৫শ’ টাকা আর ফ্যাকো (সলিড), ৮ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ফোল্ডেড ১৭ হাজার টাকা বলে জানান অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের প্রধান ডা. শরফুদ্দিন আহমেদ।জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউটে সাধারণ ছানি অপারেশনে ভারতের লেন্স দিয়ে করলে ১ হাজার টাকার মধ্যেই করা সম্ভব। যুক্তরাজ্যের লেন্স দিয়ে করলে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা লাগবে। আর ফ্যাকো করলে লেন্সের দাম দিতে হবে। তবে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ জানান, সাইট সাইভারস্-এর উদ্যোগে সিয়িং ইন বিলিভিং প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল, মিরপুর বিএনএসবি ও সালাউদ্দিন হাসপাতালে রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছানির অপারেশন করাতে হয়। লায়েন্স চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক সালমা পারভীন জানান, তার হাসপাতালে ছানির অপারেশনের খরচ ৬ হাজার ৫শ’ টাকা আর ফ্যাকো অপারেশন লেন্সভেদে ১১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ছানির অপারেশনে সাধারণ ওয়ার্ডে নূ্যনতম ৩ হাজার ৫৮৫ টাকা দিয়ে করা যায়। এছাড়া সিট বা কেবিনভেদে এবং লেন্স অনুযায়ী খরচ নির্ধারিত হয়। এখানে দিনে অপারেশন করিয়ে বাড়ি চলে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে। ডে ক্যাস সার্জারিতে ফ্যাকোর খরচ ৭ হাজার ৫০৫, ১১ হাজার ৫৫০, ১৫ হাজার ৫৫০, ২৫ হাজার ৫০ টাকা। বারডেমের সহযোগী অধ্যাপক মানস কুমার গোস্বামী জানান, তার হাসপাতালে চোখের অপারেশন অন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চেয়ে অনেক কম, মাত্র ২ হাজার টাকা। ফ্যাকো করতে লেন্সভেদে লাগে ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। তার মতে, বেসরকারি ক্লিনিকে যেখানে ফ্যাকো করতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানে বারডেম খুব অল্প খরচেই অপারেশন করছে। তার মতে, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কারণ রোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই তো তাদের প্রতিষ্ঠান চালাতে হয়।

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »