Category: স্পোর্টস

মাগুরায় বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে শেখ রাসেল চ্যাম্পিয়ন

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে গতকাল রোববার বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় শেখ ক্রীড়া চক্র লিমিটেড ঢাকা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে । ১ম ও ২য় আর্ধের খেলা গোল শূণ্য থাকায় খেলা ট্রাইব্রেকারে গড়ায় ।পরে ট্রাইবেকারে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে পরাজিত করে টুর্ণামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জন করে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ঢাকা ।
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের হাতে চ্যাপিম্পয়ন ট্রফি তুলে দেন । এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের কর্মকর্তা, মাগুরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম , জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি তানজেল হোসেন খান , মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ কুমার কুন্ডু সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রস্তম আলী , প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারি সচিব এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর , পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল ,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন ও টুর্ণামেন্টের আহবায়ক জিল্লুর রহমান লাজুক উপস্থিত ছিলেন ।
টুর্ণামেন্টে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের ফুটবলার অরুপ কুমার বৈদ্য । গত ২০ জানুয়ারি এ টুর্ণামেন্টে শুরু হয়ে ছিল । বসুন্ধরা সিমেন্ট এর পৃষ্ঠপোষকতায় মাগুরা জেলা সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় আছাদুজ্জামান ফুটবল একাডেমী মহম্মদপুর মাগুরা এ টুর্ণামেন্টের আয়োজন করে । এ টুর্ণামেন্টে মোট ১২ টি ফুটবল দল অংশ নেয় । টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় মাগুরা স্টেডিয়ামের প্রতিটি দর্শক গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ ছিল । সমগ্র টুর্ণামেন্টে প্রতিটি খেলায় জাতীয় ক্রীড়াধারা ভাষ্যকর কুমার কল্যাণ ও প্রদ্যুৎ কুমার রায়ের ধারা বিবরণী ছিল মনমুগ্ধ ও চমৎকার । টুর্ণামেন্টের প্রতিটি খেলায় দর্শনের বিনোদনের জন্য ছিল র‌্যাফেল ড্র । আর এই র‌্যাফেল মাধ্যমে টুর্ণামেন্টের প্রতিটি খেলায় ১০ টি করে আকর্ষনীয় পুরস্কার প্রদান করা হয় দর্শকদের মাঝে । তাছাড়া র‌্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে ২টি সেমি ফাইনাল ও ফাইনালে পুরস্কার হিসেবে ৩ টি মোটর সাইকেলও দর্শদের মাঝে প্রদান করা হয় । শেষে সন্ধ্যায় স্থানীয় ও ঢাকার শিল্পীবৃন্দ সংগীত পরিবেশন করেন ।

সাভারের কলমা ওয়াজ আলী মডেল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত


সাভার(ঢাকা)প্রতিনিধিঃ
সাভারের কলমা ওয়াজ আলী মডেল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়েছে।সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা.এনামুর রহমান।সংসদ সদস্য ডা.এনামুর রহমান বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সাভারের রাস্তা ঘাট কালভাট বিভিন্ন উন্নয়ন হচ্ছে তার আমলে। এসময় তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সামনের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাকে ঢাকা ১৯ আসন থেকে মনোনয়ন দিবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ২ সোহেল রানা,ঢাকা জেলা পরিষদের সাধারণ সদস্য ও সাভার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সেলিম মন্ডল,কলমা ওয়াজ আলী মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরুজ মিয়াসহ আরো অনেকে।

পার্বতীপুরে ফুটবলে ঐতিহ্যমন্ডিত ও গৌরবোজ্জল ইতিহাস ফুটবলার কিংবদন্তীর মহান নায়ক সামাদের ৫৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

মোঃ তৌহিদুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধি-
পার্বতীপুরে ফুটবলে ঐতিহ্যমন্ডিত ও গৌরবোজ্জল ইতিহাস যাদুকর সামাদ। তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ফুটবলার। যাকে বলা হয় ফুটবল কিংবদন্তীর মহান নায়ক। বিস্ময়কর ক্রীড়াকৌশলী এবং উন্নতমানের খেলা জন্য ফুটবলের যাদুকর উপাধিতে ভূষিত হন। তার তেইশ বছরের খেলোয়াড়ী জীবনে এমন সব বিস্ময়কর ও অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে যা ক্রীয়াঙ্গনে উজ্জ¦ল দৃষ্ঠান্ত হয়ে আছে।

পশ্চিম বাংলার পুর্ণিয়া জেলায় ১৮৯৫ সালে যাদুকর সামাদের জন্ম হয়। ১৯১২ সালে কোলকাতার মেইন টাউন ক্লাবে প্রথম ফুটবল খেলা শুরু করে তখন তার বয়স ১২ বছর। ১৯১৮ সালে এরিয়েন্স ক্লাবের সদস্য হন ১৯১৯-২০ মধ্যে তাজহাট ক্লাবের পরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯২১-১৯৩১ সাল পর্যন্ত ই,বি,আর টিমে খেলেন ১৯২৪ সালে প্রথম ভারতীয় দলে খেতে জাভা (ইন্দোনেশিয়া) যান। স্মরনযোগ্য এটাই ভারতীয় দলের প্রথম বিদেশ যাত্রা। ১৯২৬ সালে পুনরায় জাভা যান। একই বছর সামাদ মোহামেডান স্পোটিং টীমের পক্ষে খেলে চুড়ান্ত কাপ বিজয়ী হন। ১৯৩২ সালে অল ইন্ডিয়া ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে খেলতে তিনি শ্রীলংকা যান।

১৯৩৩ সালে মোহামেডান স্পোটিং -এ যোগ দেন। সে বর্ছ উন্নতমানের খেলার জন্য “হিরোস আব দি গেমস” সম্মানে ভূষিত হন। তার পরের বছরগুলো মোহামেডানের স্বার্ণযুগ। কারন পরপর ৫ বছর আইএফ- এর শীন্ড ও লীগ বিজয়ী হবার গৌরব এ সময় অর্ডন করে মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব।

১৯৪৭ সালে দেশে বিভাগের পর যাদুকর সামাদ ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় স্থায়ী বসবাস করেন। পার্বতীপুরে সাহেব পাড়া কলোনীতে টিÑ১৪৭ নম্বর বাসায় থাকতেন। তিনি পার্বতীপুরে রেলওয়ে প্লাটফরম ইন্সপেক্টর পদে চাকুরী করেন। চাকরি থেকে অবসর নেন ১৯৫৭ সালে। এ সময় কিছুদিন ঢাকা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রন বোর্ডের হয়ে কোচের দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৬৪ সালে ২ ফেব্রুয়ারী পার্বতীপুরে সাহেব পাড়া কলোনীতে টিÑ১৪৭ নম্বর বাসাতেই মৃত্যু বরন করেন। তিনি হয়ত আজ নেই কিন্তু তারই স্মৃতি জীবিত রাখার জন্য পার্বতীপুর শহরের ইসলামপুর কবর স্থানে সমাহিত করার দীর্ঘ ২৫ বছর অবহেলিত অরক্ষিত থাকার পর ১৯৮৯ সালে সাবেক দিনাজপুর জেলা প্রশাসক জনাব সাখাওয়াৎ হোসেনের সরাসরি উদ্যোগে গঠিত সামাদ স্মৃতিসৌধ। । এখনো এখানে রয়েছে সামাদ রেলওয়ে মিলনায়তন যা ১৯৪৯ সালে ফুটবল যাদুকর সামাদের নামে উৎসর্গ করা হয়েছিল। রয়েছে তার বসবাসকৃত রেলের বাসা সহ বেশকিছু স্মৃতি চিহ্ন। কিন্তুু প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে তার স্মৃতি চিহ্নগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে।

সংশ্লিষ্টদের সরকারের কাছে দাবী পার্বতীপুরে ফুটবলে ঐতিহ্যমন্ডিত ও গৌরবোজ্জল ইতিহাস ফুটবলার কিংবদন্তীর মহান নায়ক সামাদ স্মৃতি হিসেবে তার বাড়ীটি যাদুঘর হিসেবে তৈরী করে এবং সামাদ ক্রীড়া সংঘের রেজিষ্টেশন করে পরবর্তী প্রজন্মেদের ফুটবলের প্রতি প্রেরনা জাগে।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও ফুটবলার ওহিদুলের ভাগ্যে জোটেনি সরকারী চাকরী

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মাঠ কাপানো ফুটবলার ওহিদুলের ভাগ্যে সরকারি চাকরী জোটেনি। খেলা থেকে অবসরে না গেলেও মনের কষ্টে এখন ঘরের মধ্যেই কাটে তার জীবন। বিভিন্ন অফিসে দেন দরবার করেও কোন ফল হয়নি। বিভিন্ন মাঠে দারুন খেলা দেখিয়ে অর্জিত সার্টিফিকেট, মেডেল, ক্রেস্ট দেখিয়ে ওহিদুলের আক্ষেপ সারা জীবন সে কি বেকারই থেকে যাবে। ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ পৌরসভার বলিদাপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমীন ওরফে কালাপাহাড় এর ছেলে ওহিদুল। ওহিদুল ইসলাম জানান, বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। চার ভাই ও এক বোনের সংসার। বাবা মোবারকগঞ্জ চিনিকলের একজন শ্রমিক ছিলেন। অবসরে গেছেন বেশ কয়েক বছর আগে। সংসারে হাল ধরতে হবে তার। কিন্তু নেই কোন কাজ। খেলা ধুলার পেছনে সময় দিতে গিয়ে পড়াশোনা করতে পারেনি ঠিক মতো। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে সে। ফুটবলকে সাথে নিয়ে চষে বেড়িয়েছে সারা দেশে। দেশের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত গেছেন ফুলবল খেলতে। ২০০০ সালে ২য় ঢাকা বিভাগ লীগে সেরা গোলদাতা সে, ২০০৫ সালে প্রথম বিভাগ ঢাকা লীগেও সে সেরা গোলদাতা হয়। তার ঝুলিতে রয়েছে অর্ধশতাধিক ক্রেস্ট,মেডেল ও সার্টিফিকেট। কিন্তু তার কপালে জোটেটি একটি চাকুরি। ওহিদুল ইসলাম জানান, এখন আর তেমন ফুটবল খেলতে পারি না। শারিরিক ভাবে অসুস্থ্যও হয়ে পড়েছে সে। চাকুরি বাকরি নেই। সারাদিন ঘরেই বসে থাকি। সংসারের হালও ধরতে পারছি না। তিনি আরো জানান, সরকার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা করেছে। আমার খেলার কোটাও আছে। কিন্তু তার কোন চাকরী হচ্ছে না। তিনি ছোটখাট একটা সরকারী চাকরী দাবী করেছেন।

এশিয়ান ইংলিশ অলিম্পিকে অংশ গ্রহন করতে লালমনিরহাটের দুই ছাত্রী


এস.এম সহিদুল ইসলাম লালমনিরহাট প্রতিনিধি ঃ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী এশিয়ান ইংলিশ অলিম্পিকে অংশ গ্রহন করার জন্য আগামী ৮ ফেব্র“য়ারী ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন। আগামী ৯ ফেব্র“য়ারী থেকে ১৩ ফেব্র“য়ারী পর্যন্ত ৫ দিন ব্যাপী ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় এশিয়ান অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে। এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করবেন করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে হাবিবা লিমা, পাবলিক স্পীচ বিষয়ে এবং একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী আফিয়া জাহীন রোদসি, নিউজ কাষ্টিং বিষয়ে প্রতিযোগীতায় অংশ নিবেন। এই দুজন ছাত্রীর সাথে অবজারভার হিসেবে থাকবেন কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদরুল আলম জাদু । ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় এশিয়ান অলিম্পিকে অংশ গ্রহন করার জন্য জেলা প্রশাসক আবুল ফয়েজ মোঃ আলা উদ্দিন খান ওই দুই ছাত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সাফল্য কামনা করেছেন।

নিউজিল্যান্ডের আবহাওয়ায় আস্থাশীল হতে নেই

সপ্তাহ তিনেকের অভিজ্ঞতায় জানা হয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডের আবহাওয়ায় আস্থাশীল হতে নেই। এই রোদ তো একটু পরই কনকনে হাওয়ায় হাড় কাঁপানো শীত। বাংলাদেশ দল যেমন আর কি। সুযোগ তৈরি করে হাতছাড়াও করে চটজলদি। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের প্রথম দিনেও ব্যতিক্রম হয়নি, ২ উইকেটে ১৬৫ রান থেকে পিছলে ২৮৬ রানে অল আউট। হ্যাগলি ওভাল উইকেটের চরিত্র, চোটে জর্জরিত বাংলাদেশের অনভিজ্ঞ ব্যাটিং এবং নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণ মিলিয়ে স্কোরটাকে যাচ্ছেতাই বলার উপায় নেই। বরং এ মাঠে সর্বশেষ টেস্টে পাকিস্তানের ১৩৩ ও ১৭১ বিবেচনায় অনেক ভালো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। তবু আক্ষেপের জায়গাটা হলো, সৌম্য সরকার ও সাকিব আল হাসানের মধ্যকার ১২৭ রানের তৃতীয় উইকেট জুটির ব্যাটিংয়ে যখন বড় ইনিংসের হাতছানি তখনই ঘটে ছন্দপতন। ইমরুল কায়েসের ইনজুরির কারণে টেস্টে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পাওয়া সৌম্য আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ৮৬ রানে, টিম সাউদির ড্রাইভ খেলার ফাঁদে পা দিয়ে। নাগালের একটু দূরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ দিয়েছেন বাঁহাতি এ ওপেনার। তাতে নিজের প্রথম টেস্ট ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে নিয়ে যেতে পারেননি সৌম্য। খেই হারিয়ে ফেলে তাঁর দলও।

অবশ্য বাংলাদেশের শুরুটাও ভালো হয়নি। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আস্থার ছাপ ছিল অধিনায়ক তামিম ইকবালের ব্যাটে। বোল্টের শর্ট বল পুল শটে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে তিনি সাউদিকে উইকেট দেন পরের ওভারেই। এ সফরে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের বিপাকে ফেলার একটা রেসিপি আবিষ্কার করেছে কিউইরা। লেগস্টাম্পের ওপর পাঁজর উচ্চতায় বল ঠুকলে মিলছেও উইকেট। এ ফাঁদে কাল প্রথম ধরা পড়েছেন তামিম। ঘণ্টা দুয়েক পর তাঁকে অনুসরণ করেছেন সাকিব। মাঝে সৌম্য গেছেন, এর আগে বোল্টকে উইকেট দিয়ে যেন ‘মুক্তি’ পেয়েছেন মাহমুদ উল্লাহ। মমিনুল হকের অনুপস্থিতিতে তিন নম্বরে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু মাহমুদের ২৪ বল স্থায়ী ইনিংসটাকে মুহূর্তের জন্যও স্বস্তিকর মনে হয়নি।

৩৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেওয়া নিউজিল্যান্ড তখনো সে অর্থে শর্ট বোলিংয়ের মহড়া শুরু করেনি। হ্যাগলি ওভালের উইকেটে সুইংয়ের আশায় বোল্ট-সাউদির সঙ্গে নীল ওয়াগনারও ওপরে বল ফেলে সুইং করানোয় মনোযোগী ছিলেন। সৌম্য এবং সাকিবের সঙ্গে কিউই পেসারদের সে লড়াইটা ছিল দারুণ রোমাঞ্চকর। লেন্থে সামান্য গোলমাল হলেই অনায়াসে বাউন্ডারিতে বল পাঠিয়েছেন এ দুই বাঁহাতি। আবার স্ট্রোক প্লের ফাঁদে ফেলে ক্যাচও বানিয়েছিলেন কিউই পেসাররা। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত নিউজিল্যান্ডারদের হাত থেকে কাল ক্যাচ পড়েছে টপাটপ। গোটা চারেক তো হবেই। যে কারণে ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবার ইনিংসে ৫ উইকেট পাওয়া সাউদিকে সাফাই গাইতে হয়েছে, ‘ক্রিকেটে এমনটা হতেই পারে। কেউ ইচ্ছা করে ক্যাচ ফেলে না। ’

প্রতিপক্ষের দেওয়া এ উপহারের পূর্ণ সদ্ব্যবহার অবশ্য করতে পারেননি সৌম্য-সাকিব। আবার একেবারে যে বিলিয়ে দিয়েছেন, সেটিও বলা যাচ্ছে না। তরতরিয়ে রান করে ড্রেসিংরুম থেকে হ্যাগলি ওভালের উইকেটকে ঘিরে জমে থাকা আশঙ্কা দূর করেছিলেন ঠিকই। সৌম্যর বিদায়ের আগে পর্যন্ত ওভারপিছু পাঁচেরও বেশি রান যোগ করেছে এ জুটি। মাত্র ৫২ বলে ৫০ রানের জুটির ‘সেঞ্চুরি’ পূর্ণ হয় মাত্র ১১৭ বলে। না, তাতে হাল ছাড়েনি নিউজিল্যান্ড। বরং টেস্ট অভিজ্ঞতা বলে প্রতিপক্ষ যত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করবে ততই বাড়বে উইকেটপ্রাপ্তির সম্ভাবনা। স্বাগতিকরা সে সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিল, বিফলেও যায়নি। সৌম্য ফেরার কিছুক্ষণ পর বোল্টের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ওয়েলিংটনে জোড়া ফিফটি করা সাব্বির রহমান। পরের ওভারে শরীর থেকে দূরের বলে বিজে ওয়াটলিংয়ের গ্লাভসে ধরা পড়েছেন সাকিব। অবশ্য ততক্ষণে আরেকটি টেস্ট ফিফটির পথে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের ল্যান্ডমার্ক ছুঁয়েছেন তিনি।

কিন্তু বাংলাদেশকে ততক্ষণে ছুঁয়ে ফেলেছে কিছুটা দুর্দশা, বাকিটা দুর্ভাবনা। দুর্ভাবনা দুই অভিষিক্তকে ঘিরে। দুর্ভাবনা নাজমুল হোসেন ও নুরুল হাসানকে ঘিরে। দলের শেষ স্বীকৃত ব্যাটিং জুটি, যাঁদের টেস্ট অভিষেকই হয়েছে গতকাল। নুরুল হাসানের গায়ে তবু আন্তর্জাতিক বাতাস লেগেছে; কিন্তু নাজমুলের ক্রাইস্টচার্চ টেস্টই প্রথম বড় অভিজ্ঞতা। সিনিয়র দুই ক্রিকেটার চোটের কারণে ছিটকে পড়াতেই সুযোগ মিলেছে নাজমুল আর নুরুলের। আর উত্তাল ২২ গজে দুজনের দেখা কয়েক বলের ব্যবধানে। এ নিয়ে সৌম্যর আফসোস, ‘ওরা যদি অপর প্রান্তে অভিজ্ঞ কোনো ব্যাটসম্যানকে পেত, তাহলে আরো ভালো করত। ’

নবাগত হিসেবে খারাপ করেননি নাজমুল আর নুরুল। ৫৩ রানের জুটি গড়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে বলের পেছনে শরীর নিয়ে যে আস্থার সঙ্গে খেলেছেন নাজমুল, তা প্রশংসিত হয়েছে সর্বমহলে। অন্যদিকে শুরুতে নার্ভাস মনে হলেও ৪৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন নুরুল হাসান।তবে দিন শেষের পর্যালোচনায় ভূয়সী প্রশংসা মিলেছে কামরুল হাসানের ভাগ্যেও। মাত্র ২ রান করেছেন এই টেল এন্ডার। তবে কিউইদের লাগাতার বাউন্সার সামলে ৬২ বল খেলে ফেলাতেই সৌম্য সরকারের বন্দনা পেয়েছেন কামরুল, “প্রেস কনফারেন্সে আসার আগে রাব্বি ভাইকে (কামরুল ইসলাম) বলছিলাম, ‘আপনি যে ব্যাটিংটা করলেন তাতে অন্য প্রান্তে স্বীকৃত ব্যাটসম্যান থাকলে সেঞ্চুরি করে ফেলত!’”বীরত্বের মুকুট পাওনা রুবেল হোসেনেরও। শুভাশীষ রায়ের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পাওয়া এ মিডিয়াম ফাস্ট বোলার সবার শেষে ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে দিয়েছেন মূল্যবান ১৬ রান। তবে ভয়ও ছড়িয়েছেন ড্রেসিংরুমে। বোল্টের বাউন্সার সোজা আঘাত হেনেছে রুবেলের ডান কনুইয়ে। তবে কিছুক্ষণ শুশ্রূষার পর ব্যাটিং করেছেন, এক্স-রেতে কোনো সমস্যা ধরাও পড়েনি। কিন্তু গত রাতেও ব্যথা ছিল।

এ সফরে কেউ ব্যথা পেলেই কেঁপে ওঠে পুরো দল। রুবেল হোসেনের ব্যথায়ও তাই কাল ককিয়ে উঠেছিলেন সৌম্য সরকার, ‘আমাদের পেস বোলারই তিনজন। এ অবস্থায় একজন কমে গেলে সমস্যা হবে আমাদের। ’তবে আশার কথা, হ্যাগলি ওভালের উইকেট এখনো প্রাণে ভরপুর। এখন সে সুবিধা কাজে লাগিয়ে যদি প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে হুল ফোটাতে পারেন বাংলাদেশের পেসাররা। সৌম্য তো গতকালই ডিমান্ড নোট দিয়ে রেখেছেন, ‘বোলারদের কাজ হবে কাল (আজ) ১০ উইকেট তুলে নেওয়া!’

মাগুরায় বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধন আছাদুজ্জামান ফুটবল দল জয়ী

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিকালে বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু হয়েছে । যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় এমপি এ টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের নবাগত প্রশাসক পংকজ কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাফুফে সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ এমপি , পুলিশ সুপার মো: মুনিবুর রহমান , বসুন্ধরা গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা সাজ্জাদ হায়দার , পৌরমেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল , বাফুফে সহ-সভাপতি বাদল রায় , বাফুফে সদস্য শেখ মো: আসলাম , শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম রব্বানী হেলাল , জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি তানজেল হোসেন খান , সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রস্তম আলী ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মকবুল হোসেন প্রমুখ । টুর্ণামেন্টে ঢাকা আবাহনী লি: , ঢাকা মোহামেডান ,শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ঢাকা, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ফুটবল দল , আছাদুজ্জামান ফুটবল একাডেমী মহম্মদপুর মাগুরা , ঝিনাইদহ , যশোর , চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া , গোপালগঞ্জ ,খুলনা ও টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল ক্লাব অংশ নেবে । উদ্বোধনী খেলায় মহম্মদপুর আছাদুজ্জামান ফুটবল একাডেমী ২-০ গোলে ঝিনাইদহ জেলা ফুটবল দলকে পরাজিত করেছে । আছাদুজ্জামান ফুটবল একাডেমীর পক্ষে রয়েল ও শরিফুল একটি করে গোল করে ।
বসুন্ধরা সিমেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় মাগুরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় আছাদুজ্জামান ফুটবল একাডেমী মহম্মদপুর এ টুর্ণামেন্টের আয়োজন করেছে । উদ্বোধনী খেলায় স্টেডেয়ামে প্রচুর দর্শক সমাগম ঘটে ।

মেহেরপুরে স্কুল ক্রিকেটে দারুল উলুম আহমহিয়া মাদ্রসা জয়ী


আল-আমীন সিনিয়র রিপোর্টার
মেহেরপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে বিসিবি’র সহযোগিতায় প্রাইম ব্যাংক ইয়ং টাইগার্স জাতীয় স্কুল ক্রিকেট দারুল উলুম আহমহিয়া মাদ্রসা জয়লাভ করেছে।বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুর স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত খেলায় দারুল উলুম আহমহিয়া মাদ্রসা ১৪৮ রানের বিশাল ব্যাবধানে মোমিনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে। টচ জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দারুল উলুম আহমহিয়া মাদ্রসা ৩৭ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে ইমন ৮০, আসিফ ইকবাল ৩৫ রান করে। মোমিনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে রঞ্জু ৬ উইকেট দখল করে।জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোমিনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৭ ওভার ৪ বলে ৮৬ রান করে সবাই আউট হয়ে যায়। দলের পক্ষে শিপন ২২ রান করে। দারুল উলুম আহমহিয়া মাদ্রসার পক্ষে ইমন ও জুবায়ের ৩ টি করে উইকেট লাভ করে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল ঘোষণা

ওয়ানডে দলে প্রথমবারের মত ডাক পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, শুভাশিষ রায় ও তানবীর হায়দার। এছাড়া দলে আছেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমানও।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। তার আগে ২২ ডিসেম্বর একটি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচও খেলবে টাইগাররা। তাই একমাত্র প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ ও প্রথম ওয়ানডের জন্য দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য আগেই ২৩ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছিলো বিসিবি।
সেই ২৩ সদস্যের স্কোয়াড থেকে প্রস্তুতিমূলক ও প্রথম ওয়ানডের জন্য ঘোষিত করা হলো ১৫ সদস্যের দল।
গেল অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজে চমৎকার নৈপুণ্য করেন মিরাজ। অভিষেক টেস্ট সিরিজে ২ ম্যাচে ১৯ উইকেট নেন তিনি। তাই তাকে প্রথমবারের মত ওয়ানডে দলেও সুযোগ দেয়া হলো মিরাজকে।
এ ব্যাপারে নিবার্চক প্যানেলের প্রধান মিনহাজুল আবেদিন বলেন, ‘মিরাজ ওয়ানডে খেলেনি। তবে সীমিত ওভারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার মিরাজ। আমরা বিশ্বাস করি, ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে ভালোভাবে সার্ভিস দিতে পারবে সে। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের সিমিং কন্ডিশনে ভালো পারফরমেন্স করতে পারবে শুভাশিষ। আর ঘরোয়া আসরে ধারাবাহিকভাবেই ভালো পারফরমেন্স করে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনিং ক্যাম্পেও সে ভালো করেছে।’
স্কোয়াড : মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, শুভাশিস রায় ও তানভীর হায়দার। বাসস

সিডনী সিক্সার্সের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দলের বিজয় লাভ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ায় আজ প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে কাঙ্খিত জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফি বাহিনী। প্রতিপক্ষের দেওয়া ১৬৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

 বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল সৌম্য সরকার। এছাড়া তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

আজ বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুরে শুরু হওয়া এই ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় মাশরাফি বাহিনী। ব্যাটিং শুরুটা ভালো করলেও বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সিক্সার্স। তবে বাংলাদেশের ইনিংসের সময় বৃষ্টি হানা দেয় মাঠে। ঘন্টাখানেক খেলা বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশের সামনে নতুন টার্গট দাঁড়ায় ৮ ওভারে ৮৪ রান। তবে ১ ওভার বাকী থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টিম টাইগার।

শুরুতে ভালো ওপেনিং জুটি উপহার দেন সৌম্য সরকার এবং ইমরুল কায়েস। প্রথম ওভারে ১৭ রান তুলে ফেললে সিক্সার্সদের মনোবলে চিড় ধরে। ২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে ফিরে যান ইমরুল। এরপর দলীয় ৩৭ রানের মধ্যেই ফিরে যান সাব্বির এবং অপর ওপেনার সৌম্য। তবে মি. ডিপেন্ডবল খ্যত মুশফিক এবং নির্ভরতার প্রতিশব্দ মাহমুদ উল্লাহ মিলে হেসেখেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নর্থ সিডনি ওভালে আক্রমণাত্বক ব্যাটিং শুরু করেন সিক্সার্সের দুই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত কাঙ্খিত ব্রেক থ্রু এনে দেন অধিনায়ক মাশরাফি। ম্যাশের বলে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফিরে যান হিউজ (৪৭)। এরপর থেকেই বাংলাদেশি বোলারদের আধিপত্য বহাল থাকে। তাইজুল ইসলাম তুলে নেন ব্রাড হ্যাডিনের উইকেট। টাইগারদের বোলিং তোপে ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সিক্সার্স।

তরুণ স্পিডস্টার তাসকিন তুলে নেন জেসন রয়ের উইকেটটি (৪২)। তাসকিনের দ্বিতীয় শিকার হন স্যাম বিলিংস। শেষে টেল এন্ডারদের ব্যাটে ভর করে লড়াই করার মত স্কোর গড়ে সিক্সার্স। বিগ ব্যাশের এই দলটিতে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার খেলেছেন। মাঠে প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকরা পতাকা নিয়ে চিৎকার-উল্লাসধ্বনির সাথে ম্যশদের উৎসাহিত করেছেন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »