Category: সম্পাদকীয়

গ্রামীণ ও ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে হাত দেয়া ঠিক হবে না

রাষ্ট্রায়াত্ব সকল ব্যাংক যখন ‍দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত তখন গ্রামীন ও ইসলামী ব্যাংক দেশের অর্থনীতিতে অবদান রেখেছে চলেছে। এ অবস্থায় ব্যাংক ২টির চলমান কার্যক্রমে হাত না দেয়া দেশের জন্য মঙ্গল।অর্থমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকটিকে দেশের ১ নং ব্যাংক হিসেবে আখ্যয়িত করেছেন। শোনা যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংকে একটি বিশেষ ধর্মের লোকদের নিয়োগ দেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে? দেশের বড় বড় গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ রাষ্ট্রীয় পদে একটি বিশেষ ধর্মের লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার যে ভুল করেছে সেটি আাগামীতে এ সরকারের বড় ধরনের মাথা ব্যথার কারন হয়ে দাঁড়াবে।

হে আল্লাহ সকল গুনাহ থেকে পানা দিন। আসছে দিনগুলি আপনার পছন্দমতো পথে চলার তৌফিক দান করুন

সারাট বছর (২০১৬) কেটেছে আনন্দ বেদনায়্।আগামীবার (২০১৭) আমার জীবনে কি ঘটবে সেটি আমার আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না। নতুন বছর উদযাপন করতে যেয়ে এক শ্রেণীর মানুষ মদ, তাড়ি, গাঁজা ভাং, যৌনতা উপভোগ করে গোনাহে জর্জরিত হয়। এমনি গানাহে লিপ্ত না হয়ে গভীর রাত্রে ২ রাকাত নামাজ পড়ে হাত দুটি তুলে আল্লাহর দরবারে কাঁদুন গেলবারের সকল গুনাহ থেকে পানাহ পাওয়ার জন্য।আসছে বছর যেন গেল বছরের মতো কোন পাপ না করি। যেন মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি। অপরের দুঃখে যেন জীবনকে উৎসর্গ করতে পারি।হে মহান আল্লাহ এই রাত্রে দেশবাসীকে সকল গুনাহ থেকে পরিত্রান দিন, মুক্ত রাখুন। আসছে বছর দেশের সকল মানুষদের সুখ ও সমৃদ্ধি দান করুন। সকল গুনাহ থেকে পাপমুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন।

বাংলাদেশে বিশ্বমানের চোখ, কিডনী, লিভার, ডায়াবেটিস, হার্ট, বোনমেরো স্থাপন সহ অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসার জন্য দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডাক্তার এ দেশেই আছেন

বাংলাদেশে বিশ্বমানের চোখ, কিডনী, লিভার, ডায়াবেটিস, হার্ট, বোনমেরো স্থাপন  সহ অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসার জন্য দক্ষ ও অভিজ্ঞ  ডাক্তার এ দেশেই আছেন

%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ae
শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান্। মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব আব্দুল হামিদ অত্যন্ত সাদামাঠা জীবন যাপন করেন। শুধু তাই নয় তিনি অত্যন্ত বিনয়ী ভদ্র সদালাপি। তাঁর এলাকার প্রতিটি বাড়ীতে তাঁকে নিয়ে আলোচনা হয় তবে সমালোচনা হয়নি কোনদিন। যতবার বির্নাচনে দাঁড়িয়েছেন প্রতিবার নির্বাচিত হয়েছেন বিপুল ভোটে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যতগুলো দল নেতা আছেন তাদের মধ্যে তিনি সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ও ভদ্র। এ গুলি প্রমাণ করতে তার দৈনন্দিন কার্যক্রম ও জীবন প্রনালী পর্যালোচনা করলে।
সংবাদে প্রকাশ দৈনন্দিন রুটিন চেকআপের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি সিংগাপুরে দেছেন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য।বর্তমান সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করছেন সর্বস্তরের গণমানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য।  সকল স্তরের জনগণের স্বাস্থ্য সেবা দোর গোড়ায় পৌছে দেবার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। শেখ হাসিনা সরকার দেশের হতদরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন লেবেলে স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মান করে গ্রামের মানুষদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা করেছেন। রাজধানী ঢাকা সহ সহ সারা দেশের বিভাগীয় হাসপাতাল গুলোকে আধুনিকিকরন করছেন।অসংখ্যা নতুন ডাক্তার, নার্স নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্য সেবাকে সহজ লভ্য করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতাল সহ দেশের অন্যান্য হাসপাতাল গুলোতে উন্নত বিশ্বের হাসপাতাল গুলো  যে অপারেশন গুলো করে বিপুল পরিমান অর্থের বিনিময়ে, সেই সকল অপারেশণ আমাদের ডাক্তারগণ করে থাকেন সামান্য অর্থের বিনিময়ে।যা দেশের সকল মানুষদের পক্ষে ব্যয় করা সম্ভব। ইতিমধ্যে আমাদের দেশের ডাক্তারগণ কিডনী, চোখ, হার্ট, লেবার, ডায়াবেটিস, বোনমেরো সহ শরীরের অংগ প্রত্যঙ্গ সংযোজন ও অপারেশন  বিশ্বের যে কোন দেশের ডাক্তারদের চাইতে কম খরচে ভাল অপারেশন করে দেখিয়েছেন।
আমাদের দেশের ডাক্তাগন সিংগাপুর, মালেয়েশিয়া, নেপাল, ভূটান সহ বিভিন্ন দেশের ছাত্রদের একসময় হাতে কলমে শিখিয়েছেন ও পড়িয়েছেন্।সিংগাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারতে প্রতিদিন চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে শত শত লোক যাচ্ছে। সিংগাপুর, মালয়েশিয়া কি আমাদের দেশের চাইতে উন্নত চিকিৎসা দিতে পারে? আমি বলি পারে না। তবে আমাদের ডাক্তারদের সমস্যা ওরা ভাল করে রোগীকে দেখেন না তাদের কথা মন দিয়ে শোনেন না। কথা শোনার আগে ওষুধ লিখে দেন।ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধির দেয়া সাজেসন অনুযায়ী প্রেসক্রিপশন লিখে থাকেন। রোগী তাতে ভাল হোক কি মন্দ হোক তার দায়ভার আমাদের দেশের কোন ডাক্তার বহন করে না
সিংগাপুর মালয়েশিয়াতে তার ব্যতিক্রম। ওখানকার ডাক্তারগণ মন দিয়ে, অত্যন্ত ধর্য ও যত্ন সহকারে রোগীর কথা শোনেন, তাকে ভাল করে পর্যক্ষেণ করেন এবং তার পর তাকে ওষুধ দেন। কাজ হয়।
আমাদের ডাক্তারগণ প্রতি ১ মিনিটে রোগী দেখেন। তারা আয় করতে চান হাজার হাজার টাকা। এমন ডাক্তার আছেন তাদের রোগী প্রতি ফি ১০০০ হাজার টাকা। অথচ কাজ হয়না ৬ মাস না গেলে। ভাল ডাক্তার তৈরীতে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোশকতার প্রয়োজন। আমাদের দেশের হাসপাতাল গুলোতে অন্যান্য দেশের নাসিং হোমের চাইতে ভাল সুযোগ ও সু ব্যবস্থা আছে রোগীর জন্য। আমাদের দেশের মন্ত্রী, আমলা, এমপি ও রাষ্ট্রের উপরোস্থ কর্মকর্ত্তাগণ একটু পেটে ব্যথা হলেই বিদেশে দৌড় দেন চিকিৎসা করানোর জন্য। যদি আমাদের ডাক্তারদের সঠিক পথে ও দায়বন্ধতা এবং জবাব দিহিতার আওতায় আনতে হয়, ভাল চিকিৎসা আদায় করতে হয় তাহলে এমপি, মন্ত্রী ও আমলাদের দেশের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হতে হবে। তাহলে ডাক্তারদের মধ্যে উৎসাহ ও কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। উপরোস্থ কর্মকর্তা ডাক্তারদের প্রতি আস্থা না থাকলে দেশের মানুষদের আস্থা আসবে কোত্থেকে?
মহামান্য রাষ্ট্রপতির রুটিন চিকিৎসা করার মতো যোগ্যতা বাংলাদেশের হাসপাতাল ও ডাক্তারদের আছে। বাংলাদেশে বিশ্বমানের চোখ, কিডনী, লিভার, ডায়াবেটিস, হার্ট  সহ অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসার জন্য দক্ষ ডাক্তার এ দেশেই আছেন। তাদের কাছ থেকে চিকিৎসা সেবা আদায় করতে প্রয়োজন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, এমপি, আমলাদের আমাদের দেশের হাসপাতারে ভর্তি  হয়ে তাদের কাজের প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তাদের প্রতি আস্থা রাখা।
মহামান্য রাষ্ট্রপতির যে রুটিন চিকিৎসা করতে বিদেশ গেলেন তাতে ব্যয় হবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক অর্থ।মহামান্য রাষ্ট্রপতির এই সামান্য চিকিৎসা আমাদের দেশেই সম্ভব।বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করে মহামান্য রাষ্ট্রপতির মতো একজন সৎ, মিতব্যযী দেশপ্রেমী জনদরদির পক্ষে বেমানান।
 আমাদের দেশে নাই এমন সকল চিকিৎসা ব্যবস্থা গুলো প্রতিস্থাপন করুন। শেখ হাসিনা সরকারের অর্থের কোন ঘাটতি নাই।  সকল আমলা মন্ত্রী এমপিদের ঘনো ঘনো বিদেশ যাওয়া বন্ধ করুন। দেশের স্বাস্থ্য সেবা উন্নত করুন। দেশের টাকা দেশেই রাখুন।

বঙ্গবন্ধু কন্যার নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে প্রবেশ করছে। তার দলের ভিতরের ঘাপটি মেরে থাকা লুটেরাদের জন্য তার সুনাম প্রশ্নবিদ্ধ

%e0%a6%95জননেত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের কাছে যতটা না সমালোচিত তার চাইতে বেশী তার দলের লোকদের (বিশেষ করে ছাত্র লীগ) বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারনে বেশী আলোচিত। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সার্বিক উ্ন্নয়ন ঘটিয়ে তাঁর নেতৃত্বকে বিশ্বের কাছে রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন।তার সফল নেতৃত্বগুনে বাংলাদেশ আজ শিক্ষা, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্য, যাতায়াত ব্যবস্থা, খাদ্য ঘাটতি দূরিকরণ সহ সকল ক্ষেত্রে অসামান্য উন্নতি লাভ করেছে।দেশের উন্নতিতে বিরোধী দল শুধু নয় বিদেশী শক্তির কাছেও বাংলাদেশের উন্নতি গাত্রদাহের কারন। বিশেষ করে বাংলাদেশের সামরিক শক্তি এতটাই উন্নতি করেছে যে জাতিসংঘে বাংলাদেশ ১নং সেনা সরবরাহকারী দেশে পরিণত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রেখে দেশের সুনাম অর্জন করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা দেশকে খাদ্য ঘাটতির পরিবর্তে খাদ্যে উৎবৃত্ত দেশে পরিণত করেছেন।মাথা পিছু আয় বেড়ে প্রায় ১৫০০শত ডলারে উন্নিত।ব্যবসা বানিজ্য দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। সারা দেশে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি ও বিদ্যুতায়নের ফলে গ্রামের অর্থনীতি হয়েছে চাঙ্গা।
এত ভাল কাজ করার পরে যে সকল ভুল গুলোর কারনে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পিছনের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। ছাত্র লীগের লুটপাট, মারামারি, টেন্ডাবাজি, অস্ত্রবাজি, কোন কোন মন্ত্রী সাংসাদদের অতি কথন দলকে বিপদে ফেলতে পারে। গত কয়দিন ড, আব্দুর রাজ্জারের একটি উক্তি, “ সময় হলে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে মুছে ফেলা হবে।“ এই কথাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে মুসলিম বিরোধী কর্মকান্ডের ধারক কলে প্রচার করা হচ্ছে। শত শত ভাল কাজ করেও অতি সামান্য ভুল আগামীতে দলের জন্য অসামান্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। তাই বলছি আওয়ামী লীগের বেশী প্রয়োজন ঘরকে নতুন করে সাজানো। দলের মধ্যে লুটেরাদের বসবাস ঘটেছে। ওরা সুসমযে আগের কাতারে থাকবে। দলের বিপদে ওরা সরে যাবে এবং দুর থেকে দলের প্রচন্ড ক্ষতি করবে। সুবিধাভোগী গোষ্ঠী ওদের টাকার পাহাড় ঠিক রাখার জন্য বিরোধী পক্ষের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখে!
দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বকে আবারও সামনে আনা প্রয়োজন। তার জন্য দরকার এমন কোন বিতর্কিত কাজকে সমর্থন বা প্রচার করা থেকে বিরত থাকা যা একটি মুসলিম প্রধান দেশের মানুষদের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করতে পারে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ও ভারত একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। ভারত তার সুবিধা পাওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করবে। অপরদিকে ভারতের নিকট থেকে বাংলাদেশ যে সুবিধাগুলো পাওয়ার কথা তার কিছুই পাচ্ছে না। আগামীতে ভারত পানি প্রত্যাহারের মতো জঘন্য কাজ করে বাংলাদেশকে তাদের কাছে নতি স্বীকারের প্রচেষ্টা করে যাবে। পাকিস্তান বাংলাদেশর জন্মই চায়নি। ওরা বাংলাদেশের উন্নতি কোন অবস্থাতে মেনে নিতে পারছে না। তাই শেখ হাসিনাকে অত্যন্ত কৌশলী হতে হবে দু দেশের গোয়েন্দাদের কার্যকলাপ পর্যবেষণ করে যাওয়া। কোন অবস্থাতে দেশ বিরোধী কোন কর্মকান্ড যেন শেখ হাসিনার দ্বারা কোন দেশ করে নিতে না পারে তার দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা। তাহলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে যে ভাবে সম্মান অর্জন করেছেন সেটি যেন ম্লান না হয়ে যায।

কিডনী রোগীদের ওষুধ ও ডায়ালাইসিসের দাম কমানো প্রয়োজন

dsc00919বাংলাদেশে প্রতিদিন কিডনী রোগীর সংখ্যা ভয়াবহ আকারে বেড়ে যাচ্ছে। কিডনী রোগ ও তার প্রতিরোধের জন্য যে সকল উপকরণ ও ওষুধ প্রয়োজন তা অনেক ব্যয়বহুল। সদাসয় সরকার রাজধানীতে ঢাকা মেডিকেল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, কিডনী ইনষ্টিটিউটে স্বল্প খরচে রোগীর ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করেছেন তা প্রয়োজনের তুলোনায় নিতান্ত কম।সারা দেশের স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে যদি একটি করে ডায়ালাইসিস সেন্টার গড়ে তোলা যায় তাহলে সারা দেশের কিডনী রোগীদের যারপরনাই উপকার হবে। সুযোগ থাকলেও সরকারি হাসপাতাল গুলো রোগীর সাথে দুর্ববহার ও অসহযোগিতার ফলে মেশিন খালি পড়ে থাকলেও রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।বে সরকারী ক্নিনিক ও হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করতে প্রকার ভেদে প্রতি রোগীকে ৪০০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা প্রতিবার দিতে হয়ে।শুধু কি তাই কিডনী রোগীর শরীরে রক্তের ঘাটতি পুরণ করার জন্য ৩০০০ হাজার টাকা থেকে ১০০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত এক একটি ইনজেকশন দিতে হয়।ওষুধ ও টেস্ট করতে প্রতি মাসে রোগীর পিছনে বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করতে হয় যা এ দেশের বহু পরিবারের পক্ষে রোগীর সেবা করার সাধ্য থাকে না। কিডনী রোগীর পিছনে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নুনতম লেগে যায়। এমতাবস্থায় সরকার, ওষুধ কোম্পানীর কাছে বিনীত অনুরোধ মৃত্যু পথযাত্রী এ সকল রোগীর ব্যয়ভার লাঘবে ওষুধের দাম কমিয়ে রাখা হোক। ডায়ালাইসিস খরচ ও ওষুধের ব্যয়ভার কমালে ঐ সকল হতভাগ্য রোগীকে সেবার মাধ্যমে আরো দীর্ঘদিন সুস্থ্য ভাবে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »