Category: সম্পাদকীয়

মাশরাফি একজন মহান ক্রিকেটারের নাম

মাশরাফি একজন মহান ক্রিকেটারের নাম

একজন মহান ক্রিকেটার মাশরাফি। যুগে যুগে এঁরা আসেন না।শতাব্দির পর শতাব্দি অপেক্ষা করতে হয় এমন একজন সাহসী বীর যোদ্ধার জন্য। ক্ষণজন্মা এ সব যোদ্ধারা আসেন, দেশে ও দেশের জন্য বিশাল অবদান রাখেন। একজন মাশরাফি তিনি দেশের ১৬ কোটি মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, দেশের মানুষকে একত্রিত করে বিরল আনন্দ দিয়েছেন, বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে নতুন করে সম্মানের দরজায় পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি একজন অতি মানব। শুধু ক্রিকেটার নন।তিনি গরীব মানুষদের সাহায্য করেন দু হাত ভরে।তাঁর গ্রামের একজন মুচির বোনের বিয়েতে নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার দিয়েছেন।গরীব ৫ বন্ধুকে এক কোটি টাকা দিয়ে দোকান করে দিয়েছেন।ক্রিকেটার সৈয়দ রাসেলের চিকিৎসার জন্য ৪ লক্ষ টাকা দান করেছেন। এমনি কত অসহায়দের সাহায্য করেছেন তার হিসান তিনি কোনদিন রাখেন না। তিনি সাহায্য করেন কিন্তু মুখে প্রকাশ করেন না।এতিম শিশুদের সাথে ইফতার ও তাদের পোষাক উপহার দিয়ে থাকেন। মানুষের সাথে মিশেন একজন নিরহংকারী মানুষের মতো। তাঁর মধ্যে কোন অহংকার নেই।

মাশরাফির উপর লেখা বইতে এমনি অসংখ্য গুণাবলির কথা উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নেতৃত্ব দিয়ে দলকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।তিনি একজন বড় মাপের ক্রিকেট যোদ্দা। পৃথিবীতে তার সমকক্ষ ২য় কোন ক্রিকেটার নাই। বাংলাদেশ দলের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াট মোর বলেন, মাশরাফির হাটুতে ৭টি অপারেশন করেও দিব্বি একজন ভাল মানুষের মতো খেলে যাচ্ছেন। মাশরাফি সকালে ‍উঠতে হাটু ভাঁজ করতে সময় লাগে আঘা ঘন্টা। নিজ হাটুর ফোলা পা থেকে ইনজেকশনের মাধ্যমে নিজেই  রস বের করেন। অনেক ফাষ্ট বোলার সামান্য ইনজুরির পর পঙ্গু হবার ভয়ে খেলা ছেড়ে দিয়েছেন।কিন্তু আশ্চর্য্ মাশরাফি কি চমৎকার ফিটনেস ধরে রেখেছেন। খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন বীর দর্পে। মাঠে দিচ্ছেন সেরাটা।মাশরাফি জানেন কতদিন তিনি দলে থাকবেন। কেননা তিনি সেই খেলোয়াড় যিনি দলের বোঝা হয়ে থাকতে চান না।তিনি নিজ থেকে দল ছাড়বেন। দলকে আজকে যে পর্যায়ে তিনি পৌঁছে দিয়েছেন তার সকল কৃতিত্ব তিনি দলের সকল খেলোয়াড়কে দিয়ে থাকেন।

মাশরাফিকে দেশের সকল গুণিজন শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় ও দেশপ্রেমী বলে সম্বোধন করলেও তিনি বিনয়ের সাথে সেটি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তিনি কিছুই না।ডাক্তার, মেহনতি মানুষ, বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধারাই আসল দেশ প্রেমিক। মাশরাফির অকপটে অন্যকে কৃতিত্ব দেয়া কত বড় মহত্ব সেটা তিনি উপলব্ধি করতে পারবেন না। আমরা যারা দর্শক তারা উপলব্ধি করি মাশরাফি দেশকে কোথায় নিয়ে গেছেন। তিনি দেশের ১৬ কোটি মানুষকে একত্রিক করেছেন, এক পতাকা তলে সমবেত করেছেন হেমোলিনের বংশী বাদকের মতো আক্রমনাত্বক আর ছন্দময় ক্রিকেট খেলা উপহার দেবার মাধ্যমে।মাশরাফির দীর্ঘ ও সুখী জীবন কামনা করি।

পরিশেষে বলতে হয় এমন বীরের প্রতি শত কোটি ছালাম। সেই সংগে এই দাবী বোর্ডের প্রতি মাশরাফিকে সম্মানের সাথে দল থেকে বিদায় জানাতে। যে যতদিন ফিট থাকে ততদিন তাকে খেলা চালিয়ে যাবার সুযোগ যেন দেয়া হয়।তাঁর অবসরের পরে বোর্ডে দেয়া হোক সম্মানজনক একটি পদ। যেখান থেকে দলকে সংগঠিত করার কাজটি করতে পারেন।

গোপালগঞ্জ তথা আওয়ামী রাজনীতির আদর্শ পুরুষ শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ কে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র!

সম্পাদক ঃ
শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ গোপালগঞ্জের সব চাইতে আলোচিত,সৎ ও যোগ্য নেতা। তিনি সারাটা জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কান্ডারী। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগেরই বেকল নয় দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে অন্যতম ও একজন নিবেদিত প্রাণ দলীয় নেতা। জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন বিরোধী দলে ছিলেন এবং রাজনীতিতে আসলেন। তখন তার সাথে অন্তত ২০০শত মানুষ ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যেতেন বাবার কবর জেয়ারত ও গোপাগঞ্জের সর্বস্তরের নেতা কর্মিদের সাথে দেখা করার জন্য। তখন শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ-ই নেত্রীর সফর সঙ্গীদের বিশাল ভোজ দিয়ে আপ্যায়ন করতেন । শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ হাসিনাকে কেন হত্যা করবেন? হাসিনাকে হত্যা করলে বেনিফিট পাবে কে? এটি শেখ হাসিনাই আজকের প্রশ্ন উত্থাপনকারিদের প্রশ্ন করেছিলেন।শেখ আব্দুল্লাহ জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম। তিনি শেখ আব্দুল্লাহকে অত্যন্ত ভালবাসেন. বিশ্বাস করেন। দলের ক্ষমতালিপ্সু কতিপয় নেতার কাছে যা সহ্য হয় না। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রতিনিধি ও একজন পুর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদার অধীকারী হলেও শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ মিয়া সরকারী কোন বেতন ভাতা বা সুযাগ সুবিধা গ্রহণ করেন না। মুফতি হান্নান জননেত্রী শেখ হাসিনা হত্যা মামলাতে জড়িয়ে শেখ আব্দুল্লাহর সাহায্য চেয়েছিল মামলা থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য।তিনি মুফতি হান্নাতের প্রস্তাব ঘৃনাভরে প্রত্যাক্ষান করায় প্রতিহিংসার বশবর্তি হয়ে দলের হিংসা পরায়ন নেতারা এমন কথা ছড়াতে ব্যস্ত। মুফতি হান্নান বেগম জিয়ার ছেলের কথা বলেছে যে সেই শেখ হাসিনাকে হত্যার সকল ষড়যন্ত্র করেছিল। তাহলে আজকে নতুন করে এমন কথা উঠছে কেন? শেখ আব্দুল্লাহ মিয়া মানুষকে উপকার করেন বিনা স্বার্থে। জনপ্রিয় দৈনিকের উর্ধ্বতন কর্মকতাকে একটি চাকরি পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তিনিই করিয়ে দিয়েছেন।শোনা যায় তার কাগজেই নাকি বিষোদগারটি বেশী করে প্রকাশিত হয়। এ রকম অষংখ্য উদাহরন রয়েছে।
শেখ হাসিনা রাজনীতিতে বিশ্বের বাঘা বাঘা নেতাদেরও হার মানিয়েছেন। তিনি প্রখর দৃষ্টি সম্পন্ন এবং দুরদর্শি। তিনি জানেন তার বাবার হত্যাকারি কারা? তিনি জানেন ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা ও গোপালগঞ্জে বোমা স্থাপন কারা করেছিলেন। তাঁকে হত্যা করলে শেখ আব্দুল্লাহ ক্ষমতায় যেতেন না। কারা ক্ষমতায় যেতে পারেন সেটিও তিনি জানেন। জননেত্রী শেখ আব্দুল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে পুরনো অভিযোগটি নতুন করে আসলেও সেটি কখনো বিশ্বাস করেননি বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সকল ক্ষমতা শেখ আব্দুল্লাহ মিয়ার কাছেই দিয়েছেন।অবহেলিত গোপালগঞ্জ-৩ আসন শেখ আব্দুল্লাহর হাতে পড়ে সেখানকার মানুষ বিল-ঝিলের জীবন পেরিয়ে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন জীবন যাপন করছে।রাস্তা-ঘাট, স্কুল কলেজ, বিদ্যুৎ, ব্যাংক স্থাপন সহ বহু উন্নয়ন মূলক কাজ এলাকার জীবন যাত্রাকে শহরের আমেজে বদলে দিয়েছেন যা দলের কিছু নেতাদের গাত্রদাহের বড় কারন। ক্ষমতালিপ্সুদের প্রশ্ন কেন শেখ আব্দুল্লাহ জননেত্রীর কাছে এতটা জনপ্রিয়? গোপালগঞ্জ-৩ আসনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। এর ভাল মন্দ দেখভাল করার মহান দ্বায়িত্ব তিনি যোগ্য মানুষকেই দিয়েছেন। শেখ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে আনিত সকল দুরভিসন্ধিমূলক অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে তিনি স্বগর্বে আপন মহিমায় উদ্ভাসিত হবেন ইনশাহ আল্লাহ।
ক্ষমতা বড় কঠিন জিনিস। সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বলাই বড় কাজ। তবে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রটি বড় নির্মম।দলের মধ্যে লুটেরা ও ক্ষমতালিপ্সুরা জেঁকে বসেছে। ওদের প্রকৃত রুপ বের না করলে ওরাই নিজেদের গায়ের দুর্গন্ধ অন্যকে জড়িয়ে ফায়দা লুটবে। জননেত্রীকে মহান আল্লাহ দীর্ঘদিন হায়াত দান করুন।

মমতা আর মোদির রাজনৈতিক চালের বলি কেন বাংলাদেশ ১৬ কোটি মানুষকে ভোগ করতে হবে।

1973-74 ভারত সরকার বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে জাসদকে অস্ত্র অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার জন্য। জাসদ সে সময়ে আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার ও বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিরোধীতা করেছিল।এমকি বঙ্গবন্ধুকে নির্মম ভাতে হত্যা করায় জাসদের প্রকাশ্য হাত ছিল যা সে সময়ের পত্র পত্রিকার পাতা খুললে প্রমাণ পাওয়া যায়।তৎকালিন ভারতীয় সরকার ফারাক্কা বাধ চালু করে বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করার সকল পদক্ষেপ তৈরী করে গেছে।বর্তমান ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রতি পূর্বতন সরকারের পদাঙ্ক অনুস্মরণ করে বাংলাদেশকে পদে পদে শোষন করার সকল কার্যক্রমের তৈরী করেছে নাট্য মঞ্চ ।ওরা কথা দিয়ে কথা রাখেনা কেবল মিস্টি কথা দিয়ে সময় ক্ষেপন করে চলেছে।বাংলাদেশ ভারতের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা স্বরুপ জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দেশকে ভারত বিরোধীদের আস্তানা তৈরী করতে দেয় নি। যার ফলে ভারত হাজার হাজার কোটি টাকা সামরিক ব্যয় কমাতে পারছে, থাকতে পারছে শান্তিতে। ভারত শান্তিতে থাকলেও বাংলাদেশের প্রতি কোন কতজ্ঞতা প্রকাশতো করেই না উপরোন্ত বাংলাদেশকে কি ভাবে বেকায়দায় ফেলে তাদের ১০০% স্বার্থ উদ্ধার করা যায় তার ফাঁদ তৈরী করা ।
বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ দক্ষ কুটনীতিক ও বিজ্ঞ জ্ঞানী লোকদের সাথে বসে ভারতের নিকট থেকে দরদাম করে আমাদের পাওনা বুঝে নেয়ার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ। পশ্চিম বঙ্গের মানুষও চায় বাংলাদেশের সাথে ভারতের কম্পর্ক ভাল হোক কিন্ত মমতা তিস্তার পানি না দিয়ে বাংলাদেশের মানুষদের বিনা পানিতে মারতে চায়।ইতিহাসে অমর হয়ে থাকতে চাইলে পানি সমস্যার দ্রুত সমাধানে মমতাকে এগিয়ে আসতে হবে। মমতা আর মোদির রাজনৈতিক চালের বলি কেন বাংলাদেশ ১৬ কোটি মানুষকে ভোগ করতে হবে। ভারত সরকারকে অনুধাবন করতে হবে বাংলাদেশেকে অশান্তির আগুনে জ্বালিয়ে ওরা শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। বাংলাদেশ ওদের যে সকল বাণিজ্যিক, আঞ্চলিক, অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদাণ করে সে গুলো প্রত্যাহার করলে ক্ষতি বাংলাদেশের চাইতে ওদের হবে বেশী। মানুষ তার ন্যায্য পাওনা থেকে বন্চিত করলে বিদ্রোহ ও অশান্তির আগুন জ্বলবে যা তাদের সামাল দেয়ার ক্ষমতা থাকবে না।দিন দিন ভারত সরকারের বাংলাদেশ বিরোধী মনোভাবের ফলে বাংলাদেশের তরুন সমাজকে ভারত বিরোধী মনোভাব তৈরী করছে। বাংলাদেশ যদি ভারতকে বাদ দিয়ে চীনের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে তাকে কি ভারতের ফল ভাল হবে??

স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের সাহায্য করেছিল তাদের প্রয়োজনেই

সম্পাদকীয়

71 এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের সামরিক সাহায্য করেছিল তাদের প্রয়োজনেই।স্বাধীনতার পর থেকে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে প্রতি মাসে ৫/৬ হাজার কোটি টাকার সামরিক ব্যয় কমে গেছে ভারতের। পাকিস্তান ভারতে জন্য হুমকি কিন্তু বাংলাদেশ তাদের জন্য কোন হুমকি নয়। ভারত যদি সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের বন্ধু হতো তাহলে ৩ বিঘা করিডোর, ফারাক্কা বাঁধ ও ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির প্রবাহ, বাণিজ্যিক সুবিধা প্রত্যাহার, জোর করে বাজে ও পুরণো অস্থ কিনতে বাধ্য করা, এটা কি সত্যিকার বন্ধুর আচরণ? ভারত প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি ডলারে বাণিজ্যিক সুবিধা বাংলাদেশ থেকে গ্রহণ করলেও আমাদের কোন প্রকার বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদান করে না। বাংলাদেশের জল, আকাশ,স্থল পথ সামান্য অর্থ প্রদান করে তাদের ৭টি অংগে রাজ্যে মালামাল প্রেরণ করতে শুরু করেছে। ভারত যে শুল্প আমাদের দেবে তা দিয়ে আমাদের রাস্তা গুলো সংস্কারও হবে না। ভারত বাংলাদেশ থেকে তাদের স্বার্থ গুলো কড়ায় গন্ডায় বিনা প্রতিবাদের ও বিনা বাধায় গ্রহন করছে যা আগামীতে ভারতের কাছ থেকে কোন ভাল কিছু আদায করার সুযোগ থাকবে না। ভারতকে সকল প্রকার লাভ জনক সুবিধা দেবার পরিবর্তে ভারতের নিকট থেকে আমাদের কোন সুযোগ সুবিধা আদায় করার যোগ্যতা ক্ষমতা থাকছে না।ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের সীমারেখা কতটুকু থাকা দরকার সেটি বঙ্গবন্ধুর কন্যা ভাল করেই জানেন। ১৬ কোটি মানুষের চাওয়া পাওয়া ও হৃদস্পন্দন বুঝার ক্ষমতা তাঁর আছে বলে মনে করি।

শিক্ষকদের সামাজিক মূল্য বৃদ্ধি করুন

যে শিক্ষকগণ সারাটা জীবন ছাত্রদের মানুষ করার মধ্য দিয়ে জীবন কাটিয়ে দেন দায়সারা ভাবে। তাদের সামাজিক মূল্যায়নের বিরোধীতা করে তারই এককালের ছাত্র, যারা আজ তথাকথিত কর্মকর্তা। পরীক্ষার মূল্যবাণ খাতা গুলো জেলা সদর অথবা মফঃস্বল থেকে নেবার জন্য ঢাকায় শিক্ষকদের ম্যাসেজ করে আনা হয়।খাতাগুলো শিক্ষকগণ ঘাড়ে করে রিক্সায় তুলে নেন নিজেরাই। কোন সহায়তাকারি নেই তাদের জন্য।এত মুল্যবান ও কঠিক দায়িত্ব পালন করে যা তাদের সম্মানী দেয়া হয় একজন কুলির সমপরিমাণও না। শিক্ষকগণ নিজের কাঁধে করে খাতা গুলো অত্যন্ত রিস্কের মধ্যে বাড়ীতে নিয়ে যান এবং যথাসময়ে খাতা গুলো দেখার পর আাবার ঢাকা বোর্ডে জমা দেন। কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ মানুষ গড়ার কারিগরদের মূল্যায়ন করুন। তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে সমাজে ভাল ভাবে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করুন।শিক্ষকদের মূল্যায়ন জাতিকে গর্বিত করবে

রাজধানীবাসীদের শান্তিতে বসবাস করতে দিন

সম্পাদকীয়

ভোট আসছে। সব দলের মতো সরকারও আগামী নির্বাচনে বিজয় লাভের আশা করেন।তবে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যে ভাবে মানুষের উপর ইষ্টইন্ডিয়া কোম্পানীর লোকদের মতো অত্যাচার নির্যাতন করে টাকা আদায় করছে যা হিতে বিপরিত হবে। সরকারের সকল ভাল কাজ কেবন বিরোধী দলই সমালোচনা করেনা দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা লোকজনেরাও বহু সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরেও বিরোধী দলের সাথে হাত মিলিয়ে জনরোষ তৈরি করার জন্য ওরাও তলে তলে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। সরকার ঘনো ঘনো বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের দাম বাড়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কর্মকর্তারা সাধারন মানুষদের উপর বিভিন্ন অযুহাতে অত্যাচার করে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন মানুষের অন্তরে চির গাজরুক থাকবে তাদের ভাল কাজের জন্য। তবে এমন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিৎ হবে না যা সাধারন মানুষের অন্তরকে বিষময় করে তোলে।
ইদানিং ওয়াসা, বিদ্যুৎ, মিউনিসিপ্যাল ট্র্যাক্স, রাজউকের অত্যাচারে সাধারন মানুষদের রাজধানীতে বসবাস করা কঠিহ হয়ে পড়েছে।ট্যাক্স, বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে যখন তখন পুলিশের সাহায্যে বাড়ী ঘর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে। সাধারন মানুষদের অসহায় পেয়ে তাদের উপর বিদ্যুতের বাড়তি বিল প্রদান করছে।প্রতিবাদ করার কোন সুযোগ থাকছে না।মিউনিসিপ্যালিটির লোকজন বাড়ী বাড়ী গিয়ে বাড়তি ট্যাক্স আদায় করছেন যা মেয়র মহোদয় জানেন না।সরকারের উচিৎ গোয়েন্দা বাহিনী দিয়ে সরকারি লোকদের অন্যায়কে প্রতিরোধ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করা। নতুবা আসছে নির্বাচনে সরকারের সকল ভাল কাজ সরকারের বিভিন্ন পদে ঘাপটি মেরে থাকা লোকদের বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারনে ফলাফল উল্টে যেতে পারে। যা কোন ভাবেই সরকারের কাম্য নয়। দেশের উন্নয়নে সরকার আন্তরিক হলেও জনকল্যাণের বিপরীত অবস্থান অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সেনা বিদ্রোহের বর্বরতম নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডের রাত আজ।

শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান, সম্পাদক ঃ
বাংলাদেশের ইতিহাসে সেনা বিদ্রোহের বর্বরতম নিষ্ঠুর হত্যান্ডের রাত আজ।
রাত ১২টার পরে বাংলাদেশের সামরিক গোষ্ঠীর আন্তকোন্দলের ফলে বিডিআর হেডকোয়াটারে নিষ্ঠুরতম হত্যাকান্ড ঘটেছিল। রাজনীতির মারপ্যাচে সামরিক বাহিনীর মধ্যে এমন নিষ্ঠুর আচরন এক ভাইয়ের প্রতি অন্য সেনা সদস্যরা এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে যা কল্পোনার অতীত।সেদিন কেন এতবড় বিদ্রোহ ঘটলো, কে ঘটালো, কার ইঙ্গিতে ঘটলো, আজো সেটি জানা গেল না।সেদিন সামান্য সেনা সদস্যরা বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষিত ও প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান সামরিক অফিসারদের নির্মম ভাবে হত্যা করে লাশ গুলো গুম করেছিল।সামরিক সদস্যদের বিভৎস্যতা এতটাই বর্বর ছিল যার কথা মনে হলে আজো গোটা জাতি আঁতকে ওঠে।
বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের শুরুতে এতবড় বিপর্যয় দেশকে পরাধীনতার গোলাম করতে পারতো।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যখন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুদক্ষ, সুসজ্জ্তি, সুসংগঠিত রুরে আত্ম প্রকাশ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দক্ষতা ক্ষিপ্রতা ও দেশকে রক্ষা করার যথেষ্ট শক্তি অর্জন করেছে সেই মুহুর্ত বিডিআর বিদ্রোহ দেশকে ভয়ংক বিপদের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।
শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা, সাহস, ধর্য্য ও সাহসি পদক্ষেপ গ্রহণ করায় বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে একটি বুলেটও খরচ না করে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে শান্তিপূর্ন সমস্যার সমাধান করেছিলেন।
বেগম জিয়া সহ আরো কিছু রাজনৈতিক দল শেখ হাসিনার এ পদক্ষেপকে ব্যাপক সমালোচনা করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেদিন যদি বিডিআর বিদ্রোহ দমনের জন্য সামরিক বাহিনী তলব করা হত তাহলে দেশে আজ কোন সেনা জীবিত থাকতো না। ধ্বংস হতো কোটি কোটি টাকার গোলা ও সম্পদ। হতে পারতো এ সুযোগে বহিঃশক্তি এ দেশে সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে তাদের দখলে দেশকে নিয়ে নিতে পারতো বিনা বাধায়।
সরকার কেন সামরিক অভ্যু্ত্থানের পিছনের নায়কদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হলেন? আগামীতে যাতে আর কোন সামরিক শক্তি নিজেদের বা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে না পারে বা এমন ভয়াবহ নির্মমতা না ঘটাতে পারে তার জন্য সামরিক গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাধার কারন দ্রুত সমাধান করার কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করা।জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সামরিক বাহিনী বিগত দিনের ক্ষত ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশকে সম্মুখপানে এগিয়ে নিতে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।আজকের সামকির বাহিনী কোন বিদেশী শক্তি নয়, এরা বাংলাদেশেরই সন্তান তাই কারো বিরুদ্ধে অস্ত্র নয় সহনশীলতাই হোক অগ্রযাত্রার মূর্ত প্রতিক।

৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বন্ধ করে ভারত বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করতে চায়

সম্পাদকীয়

ভারত বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির প্রবাহ বন্ধ করে বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করতে প্রয়াস চালাচ্ছে। অথচ আমরা ভারতকে সকল ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক সুবিধা ও করিডোর দিয়ে দিচ্ছি সামান্য টাকার বিনিময়ে। বাংলােদেশের সামনে সুযোগ ছিল করিডোর ও বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে বাংলাদেশকে পানির সকল সুযোগ দিতে বাধ্য করা। সরকার এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ভাবে পরাজিত হয়েছে। ভারতকে চাপে রাখতে চীন ও রাশিরয়ার সাথে বন্ধুত্ব যোরদার করা একান্ত প্রয়োজন। ভারতকে বন্ধু মনে করে যত ছাড় দেয়া হবে ততেই ভারত বাংলাদেশকে চাপে রাখবে।

গ্রামীণ ও ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে হাত দেয়া ঠিক হবে না

রাষ্ট্রায়াত্ব সকল ব্যাংক যখন ‍দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত তখন গ্রামীন ও ইসলামী ব্যাংক দেশের অর্থনীতিতে অবদান রেখেছে চলেছে। এ অবস্থায় ব্যাংক ২টির চলমান কার্যক্রমে হাত না দেয়া দেশের জন্য মঙ্গল।অর্থমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকটিকে দেশের ১ নং ব্যাংক হিসেবে আখ্যয়িত করেছেন। শোনা যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংকে একটি বিশেষ ধর্মের লোকদের নিয়োগ দেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে? দেশের বড় বড় গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ রাষ্ট্রীয় পদে একটি বিশেষ ধর্মের লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার যে ভুল করেছে সেটি আাগামীতে এ সরকারের বড় ধরনের মাথা ব্যথার কারন হয়ে দাঁড়াবে।

হে আল্লাহ সকল গুনাহ থেকে পানা দিন। আসছে দিনগুলি আপনার পছন্দমতো পথে চলার তৌফিক দান করুন

সারাট বছর (২০১৬) কেটেছে আনন্দ বেদনায়্।আগামীবার (২০১৭) আমার জীবনে কি ঘটবে সেটি আমার আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না। নতুন বছর উদযাপন করতে যেয়ে এক শ্রেণীর মানুষ মদ, তাড়ি, গাঁজা ভাং, যৌনতা উপভোগ করে গোনাহে জর্জরিত হয়। এমনি গানাহে লিপ্ত না হয়ে গভীর রাত্রে ২ রাকাত নামাজ পড়ে হাত দুটি তুলে আল্লাহর দরবারে কাঁদুন গেলবারের সকল গুনাহ থেকে পানাহ পাওয়ার জন্য।আসছে বছর যেন গেল বছরের মতো কোন পাপ না করি। যেন মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি। অপরের দুঃখে যেন জীবনকে উৎসর্গ করতে পারি।হে মহান আল্লাহ এই রাত্রে দেশবাসীকে সকল গুনাহ থেকে পরিত্রান দিন, মুক্ত রাখুন। আসছে বছর দেশের সকল মানুষদের সুখ ও সমৃদ্ধি দান করুন। সকল গুনাহ থেকে পাপমুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »