Category: শেষ পাতা

ইংরেজী ভার্ষনে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে এইচএসসিতে শতভাগ জিপিএ-৫ ॥ ক্যাডেট কলেজে আনন্দের বন্যা


মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজী ভার্ষনে টাঙ্গাইরের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজই সেরা ফলাফল অর্জন করেছে।এ বছর এই ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৭ জন ক্যাডেট বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে শতভাগ পাস জিপিএ-৫ ও গোল্ডেন প্লাস পেয়ে চমক দেখিয়েছে।অতীতের মত তাদের এ ধারাবাহিক সাফল্য অখুন্ন থাকায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ক্যাডেট কলেজ কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক ও অভিভাবক মহল।আজ রোববার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক মন্ডলী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ার বইছে।ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের উল্লাস।ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওহিদুর রহমান ,্এ্যাডজুট্যান্টস মেজর আব্দুল মালেক ও ভাইস প্রিন্সিপাল অলোক কুমার সাহা এ বছরের এইচসিএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওহিদুর রহমান জানান, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ একটি ঔতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।মনোরম পরিবেশ ও বিশাল এলাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই ক্যাডেট কলেজে দক্ষ পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও শিক্ষকদের অক্লান্ত শ্রমের ফলে ক্যাডেটদের সুশৃংখল,আদর্শ-সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হয়।পড়াশোনার পাশাপাশি এখানে ক্যাডেটদের বিভিন্ন আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করা হয়।বিগত দিনে এখানকার ক্যাডেটরা এসএসসি, এইচএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় তাদের মেধার স্বাক্ষর বহন করে সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান দখল করে আসছে।২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তারা তাদের মেধার স্বাক্ষর বহন করেছে। এ জন্য ক্যাডেট কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদরে কাছে কৃতজ্ঞ। আগামীতে এই ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল আরও ভাল হবে এমন আশা করে সবার সহযোগিতা কমান করেছেন অধ্যক্ষ।
২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও গোল্ডেন প্লাসপ্রাপ্ত ক্যাডেটরা হচ্ছে, আহসান উল হোসেন, তাহমিন, তানবীর, সায়িফ, কামরুল, ফয়সাল, মারুফ, মারজান, অলিউল্লাহ, মাসরুফ, মাইন, রায়হান, সাহাব, জাহিদ, সিহাব, হাসিবুল, আফিফ, আনাজ, তানবির, নাজমুস, সুলতান, মেহেদি-১, মেহেদি-২, সাফা, সিরাজুল, রাকিন, আবির, ফায়াজ, সাহামিন, সাহারিয়ার, সাহারিয়ার আহমেদ, সিহাব, সাজিদ, ফারজহান, জহির, মাহমুদুল, আরিফ, মাশরাফি, তৌফিক, ইমরাদুল, সাকলাইন, সাদমান, ফকরুল, আসিকুর, তামজিদ।এছাড়া ২০১৬ সালের ক্যাডেট সাহিদ হাসান এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪ দশমিক ৬০ পেয়ে পাশ করেছে। বলে ক্যাডেট কলেজ সুত্র জানিয়েছে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ভুয়া সনদপত্র তৈরিঃ ভুয়া সনদপত্র নামধারীর ১১ জনের নাম প্রকাশ

শাহীনুর আলম, গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ইস্যুকৃত ১১টি সনদপত্র ভুয়া বলে চিহ্নিত করেছে গণ বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ অফিস। ২২ ব্যক্তির সনদ নিয়ে সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ অফিস যাচাই বাছাই শেষে (১৯ জুলাই) বুধবার ১১টি সনদপত্র ভুয়া বলে চিহ্নিত করে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলী জানান, গণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে অধিক হারে সুযোগ পাওয়ায় এক শ্রেণির অসাধু সার্টিফিকেট প্রদান কারবারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ভুয়া সনদপত্র তৈরি করে কয়েকজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ করে দিচ্ছে। সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস অ্যানহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) দেশের ৬৪ জেলার ৬৪ উপজেলায় নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাস টিচার বিষয়ক একটি কর্মসূচি ২০১৫ সাল থেকে বিশ্ব ব্যাংকের সম্মতিক্রমে বাস্তবায়ন করে আসছে।
পদায়নকৃত অতিরিক্ত ক্লাস টিচারদের পরীক্ষা পাশের মূল সনদ যাচাই বাছাইয়ে তিন সদস্যের একটি দল ১৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ অফিসে আসে।
প্রতিনিধিদলটি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ইস্যুকৃত ২২টি সনদপত্র যাচাই বাছাইয়ের জন্য গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলীর নিকট উপস্থাপন করেন। তিনি সব কাগজপত্র যাচাই করে ২২টির মধ্যে ১১টি সনদপত্র ভুয়া বলে চিহ্নিত করেন।
ভুয়া সনদপত্র নামধারীরা হলেন মো. মিলান আহমেদ ফেরদৌসি, সাবিনা ইয়ানমিন সোমা, শারমিন আক্তার, মিনারা আক্তার, মো. রাজিব উল তারেক, খুশবুল জান্নাত, মো. সামিউল হক, মো. আসাদুজ্জামান, সামিরা সিদ্দিকা, আমিনুল ইসলাম এবং এ কে এম শাহিদুল হক। এরা সবাই জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং এদের ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটে প্রাণিবিদ্যা ও উদ্ভিদতত্ত্ব বিষয়ের উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ দুটি কোর্স পড়ানো হয় না বলেও জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলী বাবু।
সেকেন্ডারি এডুকেশান কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস অ্যানহেন্সমেন্ট প্রজেক্টের (সেকায়েপ) জুনিয়র কনসালটেন্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে দুই ধরনের সার্টিফিকেট এবং একই সময়ের মধ্যে ইস্যুকৃত সনদপত্রে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর ভিন্ন হওয়ায় তাদের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এ জন্য বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণাপন্ন হন। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করায় ভুয়া সনদপত্র প্রদান করায় ওই ১১ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে সেকায়েপ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলী।

মাগুরায় পরিবারের সকলকে অচেতন করে মালামাল ও অর্থ লুট

মাগুরা প্রতিনিধি ॥ খাবারের সাথে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে মাগুরায় এক কৃষক পরিবারের সকল সদস্যকে অচেতন করে মূল্যবান মালামাল ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাগুরা সদর উপজেলার ছোটফারিয়া গ্রামে। অচেতন অবস্থায় বুধবার সকালে একই পরিবারের তিন জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রতিবেশিরা জলিল মোল্লা জানান, তিন দিন আগে প্রতিবেশি গৃহকর্তা আব্দুস সালাম নিজ জমিতে ধান লাগানোর জন্য মাগুরা হাট থেকে কৃষি শ্রমিক কিনে আনেন। দুই দিন কাজ করার পর ওই শ্রমিকেরা মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কৌশলে রাতের খাবারে সাথে চেতনা নাশক পদার্থ মিশিয়ে রাখে তারা। রাতে ওই খাবার খেয়ে পরিবারের সকল সদস্য অচেতন হয়ে গেলে কৃষি শ্রমিকবেশি দুর্বৃত্তরা সোনা, মূল্যবান মালামাল ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।পরে সকাল ১১ টায় অচেতন অবস্থায় প্রতিবেশিরা তাদের মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সদর থানার ওসি তদন্ত মাহবুব আল-হাসান জানান, তারা বিষয়টি তদন্ত ও আইনগত ব্যস্থা গ্রহনের চেষ্ঠা চালচ্ছেন।

গোবিন্দগঞ্জে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী,আলোচনা সভা ও সন্মানোনা প্রদান

রেজুয়ান খান রিকন,গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
মাছচাষে গড়বো দেশ,বদলে দেব বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাতীয় মৎস্য জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ /২০১৭ইং উপলক্ষে আজ সকাল ১১টায় বর্নাঢ্য র‌্যালী শহর প্রদক্ষিন করে উপজেলা বিডি হলে আলোচনা সভা,প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন ও শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষীদের মাঝে সন্মানোনা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।এ মৎস্য সপ্তাহ’র র‌্যালী শেষে উপজেলা বিডি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এমপি।সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজি রাফিউল আলমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাখেন,উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদিপ কুমার সরকার,এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মজিবুর রহমান পিপিএম,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম,উপজেলা প্রকৌশলী সুজন কুমার কর,উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়রসহ সভাপতি প্রধান আতাউর রহমান বাবলু,উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি মহিমাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান,সাধারন সম্পাদক দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান আ,র,ম শরিফুল ইসলাম জর্জ,রাজাহার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ সরকার,ফুলবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সফল মৎস্যচাষী শান্তনু কুমার দেব,অতিরিক্ত মৎস্য সম্প্রসারন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম,অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন,খামার ব্যবস্থাপক আলতাব হোসেন চৌধুরী,গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য ইমরুল কায়েস রিতু,বিশিষ্ট মৎস্য চাষী ও যুব সংগঠক তারিক রিফাত, ,ক্ষেত্র সহকারী রাশেদুল আলম,রোকনুজ্জামান রাজিব,আসিফ রহমান, মহাছিনা সরকার, প্রমুখ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবার উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্য চাষী হিসাবে কামদিয়া এলাকার মৎস্য চাষী আলহাজ্ব লুৎফর রহমান,রাজাহার এলাকার মৎস্য চাষী সাদা মিয়া, হরিরামপুর এলাকার মৎস্যচাষী হাফিজ জুলফিকার আলী মন্ডল সোহাগের হতে সন্মানোনা ক্রেষ্ট তুলে দেন।

এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৩ জুলাই , প্রতি সাবজেক্টের নাম্বার সহ দ্রুত ফল মোবাইল অ্যাপ এ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ২৩ জুলাই। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন এ তথ্য জানান। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২৩ অথবা ২৪ জুলাই যেকোনো একদিন ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল।
 তার মধ্যে থেকে ২৩ জুলাইকে বেছে নেওয়া হয়। প্রথা অনুযায়ী, ওই দিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেওয়া হবে। এরপর সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের তথ্য তুলে ধরা হবে। পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফল প্রকাশ করা হবে।
গত ২ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৫ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। প্রতি সাবজেক্টের নাম্বার সহ এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট দ্রুত পাবেন মোবাইল  অ্যাপ এ ।  ‘ইডুকেশন বোর্ড রেজাল্টস ইন বিডি’নামের অ্যাপটির নির্মাতা টেকটিউনস অ্যাপস।
প্রতি সাবজেক্টের নাম্বার সহ পুরো মার্কশীট ডাওনলোড করতে পারেন এই অ্যাপ দিয়ে মোবাইলেই। প্রতি সাবজেক্টের নাম্বার ও টোটাল মার্ক দেখতে অ্যাপ এ যার যার বোর্ড এর আইকন এ ক্লিক করতে হবে এবং অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন নংঃ দিতে হবে । তাছাড়া অ্যাপটিতে এস এম এস ও ইন্টারনেটের
মাধ্যমে রেজাল্ট দেখার সুবিধা রয়েছে। সহজে ও দ্রুত রেজাল্ট দেখার জন্য প্রতিটি বোর্ড এর রেজাল্ট আলাদা আলাদা দেখার অপশন সহ বিকল্প লিঙ্ক দেওয়া আছে  যাতে করে বেশিক্ষন অপেক্ষা না করতে হয় । অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি ফেসবুকেও রেজাল্ট দেখতে পাবন ।
এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য অ্যাপ টি ডাওনলোড করতে পারেন। ডাওনলোড লিংকঃ https://goo.gl/Zu8PNt অথবা টোটাল মার্ক দেখার জন্য  ডাওনলোড লিংকঃ https://goo.gl/BamY7b
আপনি চাইলে ফেসবুকেও এ রেজাল্ট পেতে পারেন  এই লিংক এ : https://goo.gl/DRrJyw টেকটিউনস অ্যাপস এর  পেজে  আপনার রোল নাম্বারটি কমেন্ট অথবা ইনবক্স করুন তাদের হেল্পলাইনের সদস্যরা আপনাকে রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই জানিয়ে দিবে ।
অ্যাপটিতে এবার প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির তথ্য সংযুক্ত করা হচ্ছে যা  বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে।
 সবার জন্য শুভ কামনা ।

জানাযা নামাজে শরীক হন বানিজ্যমন্ত্রী গণঅভ্যুখানে শহীদ মতিউর রহমানের পিতা আজাহার আলী মল্লিক মারা গেছেন ॥ দাফন সম্পন্ন

এস,এম মনির হোসেন জীবন : ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুখানে শহীদ মতিউর রহমানের পিতা আজাহার আলী মল্লিক (৯৬) উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে শিনশিন জাপান হাসপাতালে সোমবার রাতে ইন্তেকাল করেছেন। শ^াস কষ্ট,কিডনী সমস্যা ও বার্ধক্যজনিক কারনে তার মৃত্যু হয়েছে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
নিহতের জানাযা নামাজ গতকাল মঙ্গলবার বাদ যোহর উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের বড় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্টিত হয়। জানাযা নামাজে অংশ গ্রহন করেন বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ (এমপি), নিহতের পরিবারের সদস, এলাকার গর্ণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ জানাযায় শরীক হন। পরে মরহুমের আজাহার আলী মল্লিকের লাশ রাজধানীর গোপীবাগে শহীদ মতিউর রহমান ও তার মাতা মরহুমা সুরাতুননেছার কবরের পাশে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাকে দাফন করা হয়। দাফনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, নিহতের পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসি।
বর্তমানে শহীদ মতিউর রহমানের পিতা আজাহার আলী মল্লিক রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার ১০ নম্বর সেক্টর ১২ নম্বর রোড ১১৮ নম্বর বাড়িতে ছেলে মুজিবুর রহমানের সাথে বসবাস করতেন। মৃত্যুকালে তিনি ৭ সন্তান ও অসংখ্য গুনগাহি রেখে গেছেন। তার মধ্যে ২ সন্তান মারা গেছে এখন ৫সন্তান জীবিত আছেন।
শহীদ মতিউর রহমানের পরিবারের সদস্যরা জানান, বেশ কিছু দিন ধরে আজাহার আলী মল্লিক শ^াস কষ্ট ও কিডনী সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার তাকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত শিনশিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার দিবাগত রাত ৮টা ২০ মিনিটে ওই হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। রাতে খবর পেয়ে তাকে উত্তরা শিনশিন জাপান হাসপাতালে দেখতে ছুটে আসেন বাজিন্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
এছাড়া আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডের ১১৮ নম্বর বাড়িতে মরহুমের পরিবারের সদস্যদেরকে দেখতে যান বাজিন্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এসময় তিনি মরহুম আজাহার আলী মল্লিকের ছেলে মাহাবুবুর রহমান বাবু, তার স্ত্রী নাজমুন নাহার সহ তার পরিবার ও আতœীয় স্বজনদের সাথে কথা বলেন এবং গভীর সমবেদনা জানান।
শহীদ মতিউর রহমানের ছোট ভাই মাহাবুবুর রহমান বাবু’র স্ত্রী নাজমুন নাহার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাজমুন নাহার আরও জানান, গত প্রায় ১০ বছর আগে আজাহার আলী মল্লিকের স্ত্রী মরহুমা সুরাতুননেছার ইন্তেকাল করেছেন। তাকে ঢাকার গোপীবাগ কবরস্থানে শহীদ মতিউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শহীদ মতিউর রহমানের পিতা আমার শ^শুড় আজাহার আলী মল্লিক (৯৬) ১৯২২ সালে ভারতের গুহলী জেলায় জন্ম গ্রহন করেন।

উত্তরায় ঈদ তাঁত ও বস্ত্র মেলা শেষ হলেও মাঠ ছাড়েনি মেলা কমিটি ” জোর যার মুল্লুক তার… জমি তুমি কার” ?

এস,এম মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর অভিজাত উত্তরা মডেল টাউনের পশ্চিম থানা এলাকার সোনার গাঁও জনপথ সড়কের উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টর জমজম টাওয়ারের পশ্চিম পাশে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে মাস ব্যাপী তাঁত ও বস্ত্র মেলা শেষ হলেও এখন পর্যন্ত মাঠ ছাড়েনি প্রভাবশালী মেলা কমিটি। গত প্রায় ২০ দিন যাবত মেলা কমিটি রাজউক,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনকে কোন তোয়াক্কা না করে এখনও পর্যন্ত প্রভাবখাটিয়ে সরকারী কোটি কোটি টাকার জায়গা জবর দখলে রেখেছে। মেলা কর্তৃপক্ষ মেলার ভাউন্ডারী টিনের ভেড়া ও মার্কেটটি এখনও পর্যন্ত ভেঙ্গে নেয়নি । রাজউক,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সব কিছু দেখে ও না দেখান বান করে নিরব ভূমিকা পালন করছে। রাজউকের উত্তরা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মহিউদ্দিন আহমেদ,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা নাকে তৈল দিয়ে ঘুমায়। এ যেন বলতে গেলে অনেকটা মগের মুল্লুক। তাহলে স্থানীয় এলাকাবাসি, ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ? ”জোর যার মুল্লুক তার. সরকারী কোটি কোটি টাকার জমি তুমি কার ” ?।
এবিষয়ে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের তাঁত ও বস্ত্র মেলার মাঠ উচেছদের জন্য সমগ্র উত্তরাবাসি ও সচেতন মানুষ বর্তমান সরকারের মাননীয় গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, রাজউক চেয়ারম্যান,গনপূর্ত বিভাগের সচিব, (রাজউক) উত্তরা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মহিউদ্দিন আহমেদ,উত্তরা বিভাগের পুলিশের ডিসি সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উধর্বতন কর্মকর্তাদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় এলাকাবাসিদের প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার সোনার গাঁও জনপথ সড়কের উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টর জমজম টাওয়ারের পশ্চিম পাশে প্রতি বছরের ন্যায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে পুঁজি করে মাস ব্যাপী তাঁত ও বস্ত্র মেলা ২০১৭ বসানো হয়েছিল। উর্দুভাষী জনগোষ্ঠী (বিহারী) সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাকিল আহমেদ এর শেল্ডারে তার সহযোগী ব্যবসায়ী পার্টনার মো: স্বপন মিয়ার নামে প্রতিবছর পুলিশ প্রশাসন ও রাজউকের মাধ্যমে মেলা বসানোর নামমাত্র অনুমতি নিয়ে চলতি বছর এই তাঁত ও বস্ত্র মেলা বসানো হয়েছিল। রমজানের প্রথম রোজা থেকে শুরু করে চাঁদ রাত পর্যন্ত মেলার অনুমতি ছিল। কিন্তু মেলা শেষ হয়ে গেলেও মেলা কর্তৃপক্ষ গত ২০ দিনে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনার গাঁও জনপথ সড়কের পশ্চিম পাশে রাজউকের ৩৫,৩৭ ও ৩৯ নম্বর প্রায় ৬০ কাঁঠা সরকারী কোটি কোটি টাকার জমি এখনও পর্যন্ত জবর দখলে আছে। মেলা কর্তৃপক্ষ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর উত্তরা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মহিউদ্দিন আহমেদ,উত্তরা পশ্চিম থানার কতিপয় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাকে এখনও পর্যন্ত ম্যানেজ করে মালামাল না সরিয়ে ফের জমি দখলে রয়েছে। সেই সাথে লোক দেখানে কিছু দোকানপাট ভেঙ্গে তার মালামাল মেলার মাঠে স্তুপ করে রাখা সহ লোক ও পথচারীদের যাওয়া আসার রাস্তাটি ও মেলার গেইট বন্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উত্তরা ১৩ নম্বর ও ১১ নম্বর সেক্টরে বসবাসরত বাসিন্দাদের অভিযোগ, মেলা শেষ হয়ে গেলে ও মেলার আসবারপত্র,গেইট,টিনের ভেড়া ও অন্যান্য মালামাল ভেঙ্গে নেয়নি মেলা কর্তৃপক্ষ। মিরপুর বেনারসী পল্লী বিহারী নেতা মো: শাকিল আহমেদ এর শেল্ডারে ও তার সহযোগী ব্যবসায়ী পার্টনার পুরানো ঢাকার লালবাগের মো: স্বপন মিয়া এই তাঁত ও বস্ত্র মেলা বসিয়েছে।
হোটেল ব্যবসায়ী মো: নাছির উদ্দিন,গাড়ী ব্যবসায়ী মো: মানিক মিয়া ও চা দোকানদার মো: শাহিন এবং পরিবহন শ্রমিক নেতা বশির আহমেদ অভিযোগ করে জানান, মেলা কর্তৃপক্ষ মেলা শেষ হবার গত ২০ দিনেও তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়নি। মানুষের চলাচল করার পথটি মেলা কর্তৃপক্ষ মেলার গেইটটি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে চলাচলের ক্ষেত্রে বিঘœ সৃষ্টি করছে। তারা আরও জানান, নতুন করে আবার মেলা কর্তৃপক্ষ এখানে মেলা করার জন্য পায়তারা ও প্রস্তুতি নিচেছ। আমরা এলাকাবাসি ও ভুক্তভোগীরা এই মাঠে আর মেলা বসতে দিব না। যে কোন মূল্যে এটি প্রতিহত করা হবে।
অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর উত্তরা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মহিউদ্দিন আহমেদ ও তার সহযোগীদেরকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রতিবছর রাজউকের উধর্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে মেলার বসানোর অনুমতি দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বিনিময়ে তিনি মেলা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে নিজ পকেট ভারী করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, বিনিময়ে রাজউক,সিটি কর্পোরেশন, হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও উত্তরা ১ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লাখ লাখ টাকার ঘুষ বানিজ্য ও ঈদ বানিজ্য হয়ে থাকে।
একটি সুত্র জানায়,উর্দুভাষী জনগোষ্টী (বিহারী) সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাকিল হোসেন দীর্ঘ প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর উত্তরার এই মাঠে মেলার বসানোর নামে কয়েকশত ব্যবসায়ী দোকান বরাদ্ব ও মেলায় দোকানপাট দেওয়ার জন্য কৌশলে নামে বেনামে কয়েক লাখ লাখ টাকা লুটপাটের মাধ্যমে নিজে ও তার সহযোগীরা আতœসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চলতি বছরে মেলা কর্তৃপক্ষ কৌশলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মেলা বাবদ দোকান পাট দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের তাঁত ও বস্ত্র মেলা ২০১৭ উত্তরার এই মেলার মাঠে প্রায় ৮০ থেকে ৯০টি দোকান বরাদ্ব দেওয়া হয়। বিনিময়ে এ সমস্ত দোকানদারদের নিকট থেকে গড়ে ৭০ হাজার টাকা করে নিয়েছে মেলা আয়োজক কমিটির প্রধান মো: স্বপন মিয়া ও মো: শাকিল আহমেদ মেলা কর্তৃপক্ষ)।
মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ী কর্মকর্তা মো: শাকিল আহমেদ এই প্রতিবেদককে জানান, মেলা শেষ হলেও গত ২০ দিনে আমরা মাঠ থেকে আসবারপত্র ও অন্যান্য মালামাল সরিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। তবে,মাঠের কিছু জিসিপত্র খুলে ফেলা হয়েছে এবং বাকী গুলো পর্যায়ক্রমে খুলা হচেছ।
আবার এই মাঠে মেলা বসানো হচেছ কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,অচিরেই এই মাঠে আরও একটি মেলা বসানোর জন্য রাজউক ও প্রশাসনের কাছে একটি আবেদন করা হবে। সে কারণে আমি মেলার মাঠ পরিস্কার, মেলার মাঠ অন্যের দখল হয়ে যাওয়ার ভয়ে মাঠ আমার জবর দখলে রেখেছি।
এব্যাপারে জানতে উত্তরা তাঁত ও বস্ত্র মেলা আয়োজন কমিটির প্রধান মো: স্বপন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে এবিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজী হয়নি।
এবিষয়ে উত্তরা বিভাগের রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মহিউদ্দিন আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে এই প্রতিবেদককে জানান, রাজউক কর্তৃপক্ষ ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনার গাঁও জনপথ সড়কের পশ্চিম পাশে রাজউকের ৩৫,৩৭ ও ৩৯ নম্বর প্রায় ৬০ কাঁঠা সরকারী পরিত্যক্ত জমিতে তাঁত ও বস্ত্র মেলা বসানোর জন্য অনুমতি দিয়েছিল। যেহেতু মেলার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেহেতু মেলা কর্তৃপক্ষ (স্বপন মিয়া) ও তার পার্টনার শাকিল আহমেদ গংরা তাদের মালামাল মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাবেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি মেলা কর্তৃপক্ষ তাদের মালামাল অচিরেই সরিয়ে না নিয়ে যায় তাহলে রাজউক কর্তৃপক্ষ সেখানে উচেছদ চালাবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
এবিষয়ে জানতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উত্তরা ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ মো: আফসার উদ্দিন খানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় তিন দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষ মেলা শুরু

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি

স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই-এই শ্লোগান নিয়ে আজ রোববার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তিন দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষ মেলা শুরু হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এ মেলা শুরু হয়েছে বলে কৃষি অপিসার মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানিয়েছেন।
এদিকে মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন মিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে সকালে একটি আনন্দ র‌্যালি বের হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্তর এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে। উদ্ধোধনী দিনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিববহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ একাব্বর হোসেন এমপি। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ আরিফুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা, এসএম মোজাহিদুল ইসলাম মনির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউসিসিএ লি. এর চেয়ারম্যান মীর শরিফ মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমানা ইয়াসমিন ও প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একাব্বর হোসেন এমপি প্রমুখ। আলোচনা শেষে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কৃষক-কৃষানী ও র‌্যালিতে অংশ গ্রহণকারী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে গাছের তারা তুলে দেন অতিথি বৃন্দ।

রাবির বাস ট্রিপ পরিবর্তনে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের (রাবি) পরিবহন ব্যবস্থার বাস শিডিউলের ট্রিপ আগের তুলনায় কমিয়ে আনা হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে বলে দাবি করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি পর্যাপ্ত বাস না থাকায় পূর্বের শিডিউলেই অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। আর নতুন করে ট্রিপ কমিয়ে আনায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে কোন সমস্যার সৃষ্টি হবে না নতুন এই সিডিউলে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অনাবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, আবাসিক হলে সিট না পেয়ে আমরা নগরীর বিভিন্ন ভাড়া-বাড়ি বা মেসে থাকি। আমাদের যাতায়াতের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত পরিবহণ সংখ্যা এমনিতেই কম। তারপরও নতুন নিয়মে বাসের ট্রিপ কমিয়ে আনায় বেশি ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে।
তবে পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক মাঈনুল ইসলাম বলেন, বিশ^বিদ্যালয় পরিচালনার নতুন সময়সূচীর সাথে তালমিলিয়ে বাস শিডিউল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাসের সময়সূচী পরিবর্তন হওয়ায় বাস শিডিউল পরিবর্তনে কোন ভোগান্তি পোহাতে হবে না তাদের।
এছাড়া, কোন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে বা নির্দিষ্ট রুটে বাসের প্রয়োজন হলে তার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্রে জানা যায়, পূর্বে দৈনিক মোট ৮ বার বাসগুলো বিভিন্ন রুটে চলাচল করলেও এখন তা দৈনিক ৫ বার চলাচল করছে। আগে প্রায় ৩৯ টি বাস চলাচল করলেও বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১৫টি বাস অকেজো হওয়ায় এখন চলাচল করবে ২৬টি। মাঝে মধ্যে ২ একটি বাস মেরামত করে চালানো হয়।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিরোধীদলীয় সকল নেতাকর্মীদের হত্যার বিচার করা হবে —————————————–বিএনপি চেয়ারপারর্সনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্ট্রার জিয়াউর রহমান খাঁন

সাভার প্রতিনিধি ঃ
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিরোধীদলীয় সকল নেতাকর্মীদের হত্যার বিচার করা হবে বলে জানালেন বিএনপি চেয়ারপারর্সনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্ট্রার জিয়াউর রহমান খাঁন।
রবিবার দুপুরে ঢাকার ধামরাইয়ের কুল্লা এলাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে সদস্য সংগ্রহ কর্মসুচী ২০১৭ উদ্বোধন কালে তিনি একথা বলেন।
ব্যারিষ্ট্রার জিয়াউর রহমান খাঁন এসময় আরও বলেন বিএনপি একটি নির্বাচন মুখী দল। তাই তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে চায়। আর তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া বিএনপি বাংলাদেশে কোন নির্বাচন হতে দেবে না। তাই বিএনপি নেতাকর্মীদের যেকোন আন্দোলন সংগ্রামে প্রস্তুত থাকতে হবে। এসময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির যত নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সে হত্যার কান্ডের জন্য সরকারের বিচার করবে বলেও জানান তিনি।এসময় ধামরাইর সুয়াপুর,নান্নার,রোয়াইল ও কুল্লা ইউনিয়নের পাঁচ লোকজন সদস্য সংগ্রহ করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপি শাহিনুর রহমান শাহিন,ধামরাই থানার সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুর রহমান খাঁন ফরাদ,ধামরাই পৌর যুবদলের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তালুকদার।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »