Category: রাজনীতি

মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদন বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী তথ্যনির্ভর নয়, ভুল চশমায় ঝাপসা দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে বাংলাদেশকে

ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :
সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০১৬ এ বাংলাদেশ বিষয়ে বর্ণনাকে তথ্যনির্ভর নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
আজ সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বিষয়ে মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদনটি তথ্যনির্ভর নয়, বাংলাদেশকে ভুল চশমায় ঝাপসা দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথিবীর সকল দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর প্রতি বছর পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট প্রকাশ করে থাকে। অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে তাদের ঢালাও মন্তব্য প্রদান, আমরা নীতিগতভাবে সমর্থন করি না। সর্বশেষ তারা যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ তা যথাযথ তথ্যনির্ভর নয়। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখার বিষয়ে তাদের চশমাটা ভুল, দেখার চোখটাও ঝাপসা।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সংবিধান ও আইন দ্বারা পরিচালিত। দেশের সব সংস্থাই সংবিধান ও আইনের পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ বিধি-প্রবিধি-নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত। সুতরাং আইন বহির্ভূত কোন কাজ করার সুযোগ সরকার বা সংস্থা কারোই নেই, কোথাও এর অন্যথা হলে, আইনি প্রতিকার পাওয়ার ব্যবস্থাও সংবিধান দ্বারা সুসংরক্ষিত।’
প্রতিবেদনে জঙ্গি তৎপরতার বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের উল্লেখের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পায়নি, বরং সরকারের শূন্যসহিষ্ণু নীতিতে জঙ্গি সন্ত্রাস কমে এসেছে। গুটিকতক জঙ্গি সন্ত্রাসীরা এখানেই গড়ে ওঠা ও এখানেই অশান্তির অপপ্রয়াসে লিপ্ত। এদের সাথে আন্তর্জাতিক সংযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আর এ পর্যন্ত যে বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিটিতেই জঙ্গিরা বিফল হয়েছে, পালাতে পারেনি, নির্মূল হয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার চাইতে জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ বেশি সফল।’
জঙ্গি দমনের কাজে কোনো সামাজিক বা নাগরিক অধিকার ক্ষুণœ করা হয়নি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সংবিধানে দেয়া কোনো অধিকার খর্ব করাকে সমর্থন করে না। একইভাবে বিচারবহির্ভূত যেকোন হত্যাকেও সরকার বা আইন সমর্থন করে না। সন্ত্রাসীদের সাথে সম্মুখ সংঘর্ষে কেউ নিহত হলে তাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- বলা সঠিক নয়।
এ সময় প্রতিবেদনের অন্যান্য বিষয়ের ওপরে মন্তব্য করতে গিয়ে ইনু বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করে উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের নীতি। দেশের পোশাক শিল্প এখন আন্তর্জাতিক মানদ-ে পরিচালিত, শ্রমিকেরা ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ পরিবেশ পাচ্ছেন। দেশের গণমাধ্যমও নজিরবিহীন বিকাশ লাভ করেছে। কিন্তু জঙ্গি সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকতা, চরিত্র হনন বা হলুদ সাংবাদিকতা কখনই সাংবাদিকতা নয়। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া ছাড়া কখনই ইন্টারনেটের কোনো সাইট সাময়িক বন্ধ ছিল না। এনজিও পরিচালনার ক্ষেত্রেও নূতন কোনো বিধিনিষেধ আরোপিত হয়নি।’
সম্মেলনের সমাপ্তিতে দু’দেশের সহযোগিতামূলক মনোভাবের কথা ব্যক্ত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র, উভয়েই গণতান্ত্রিক দেশ। উভয় দেশই বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে সন্ত্রাস দমনসহ বিভিন্ন বিশ্ব বিষয়ে একসাথে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দু’দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা উন্নততর করার প্রয়াসই আমাদের লক্ষ্য।’

কালের আবর্তে ঝিনাইদহ জেলার গ্রাম থেকে হারিয়ে গেছে গ্রামীণ জনপদের বাংলার ঐতিহ্যবাহী হুক্কা


ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
কালে কালে বদলায় সমাজ হারিয়ে যায় অতীত ঐতিহ্য। কালের আবর্তে ঝিনাইদহ জেলার গ্রাম থেকে হারিয়ে গেছে গ্রামীণ জনপদের বাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুসঙ্গ হুক্কা। ৫০/৬০ দশকেও জনপ্রিয় ধুমপানের মাধ্যম ছিল হুক্কা। এক সময় বঙ্গদেশের কৃষক-শ্রমিক বাড়ির ওঠোনে সকালে ও বিকালে কাজের ফাঁকে আয়েসী ভঙ্গিতে এক ছিলিম তামাকের সাথে নারিকেলের আশে আগুন ধরিয়ে তা ছিলিমে দিয়ে পরমান্দে হুক্কা টানত। এতে কৃষকরা ক্লান্তি কেটে পরিতৃপ্ত পেত। জমিদার জোতদার ও গ্রামের মোড়লরা নানাভাবে তামাক তৈরি করে হুক্কায় টান দিয়ে পরম আনন্দে তৃপ্তির স্বাদ নিত।অধিকাংশ শ্রমিকরা নিজের ক্ষেতের তামাক শুকিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে তাতে নালী মিশিয়ে ছিলিমে করে ধুমপান করত। ঝিনাইদহ জেলার বংকিরা গ্রামের বদর উদ্দিন (৭০) বলেন তিনি একটানা ৪৫ বছর ধরে হুক্কা দিয়ে ধূমপান করেন। তিনি বলেন, আগে গ্রামের সবাই হুক্কা টানত। এখন হুক্কা ছেড়ে বিড়ি সিগারেট ও গাঁজা খায়। এই গ্রামে এখন আমি একাই হুক্কা টানি। হুক্কার নেশায় যারা অভ্যস্ত তারা হুক্কা ছাড়া থাকতে পারবে না। সকালে ঘুম থেকে ওঠে হুক্কার পানি বদলায়ে না খাইলে আমার পেট পরিষ্কার হয় না। আমার হুক্কা আমি নিজেই তৈরি করি।কিভাবে হুক্কা তৈরি করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝুনা নারিকেলের একটা মালাই দুটো ফুটো করে তার উপর কারুকার্য করা একটি কাঠের নল তৈরি করে তাতে মাটির তৈরি ছিলিম বা কলকি দিয়ে নারিকেলের মালাই ভর্তি পানি ভরালেই হুক্কা হয়ে যায়। আগের আমলে জমিদার জোতদারা পিতলের হুক্কা ব্যবহার করত।এখনও শখে হুক্কা টানেন এমন একজন জানালেন, দৈনিক ১০ হতে ১২ বার হুক্কা সেবন করেন তিনি। হুক্কা সেবন করতে খরচ কম নয়। এক সময় স্থানীয় বাজারে ‘তওমিটা’ পাওয়া গেলেও এখন আর পাওয়া যায় না। এখন এক কেজি তওমিটা ১০০ টাকা। তাও এলাকার একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ‘তওমিটা’ আনতে হয়। এদিকে দৈনিক সকালে হুক্কার পানি বদলাতে হয়। আর হুক্কার টিক্কা তৈরি করতে হয় শিম গাছের লতাকে পুড়িয়ে ও ভাতের মাড় দিয়ে। বিড়ি-সিগারেট থেকে হুক্কা সেবন ভালো কি না, জানতে চাইলে তিনি জানান, পাকিস্তান আমলে মহাজনের ঘরে দিনমজুরের কাজ করার সময় থেকে হুক্কা সেবন করে আসছি। সেজন্য এখনও সেবন করি। তবে হুক্কার স্বাদই আলাদা। হুক্কা সেবন করলে পেটে ভালো লাগে। বিড়ি-সিগারেট থেকে খরচ অনেক বেশি পড়ে। তিনি জানান, এক সময় ঘরে ঘরে হুক্কা সেবন চলতো। এখন হাজারে এক হুক্কা সেবন করা চোখে পড়বে। হুক্কা আর চোখে পড়ে না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই খাওয়া তো দূরের কথা চোখেই দেখেনি হুক্কা। হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেটসহ অন্যন্য মাদকদ্রব্য। বর্তমান প্রজন্মের জন্য হুক্কা একটি আশ্চর্য বিষয়। এদিকে বর্তমানে বিভিন্ন মানুষের কাছে হুক্কা থাকলেও এর উপাদানগুলো বাজারে না পাওয়ার কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে হুক্কা সেবন ছেড়ে দিয়েছে। সে সময় গ্রামের সাংস্কৃতির প্রাচীন নিদর্শন ছিলো হুক্কা। মজুর থেকে শুরু করে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত হুক্কার প্রচলন ছিল সর্বত্রই। বাহারি ধরনের হুক্কা তৈরি হতো নারকেলের মালাই দিয়ে। তার সঙ্গে সাবধানে লাগানো হতো কারুকার্য করা কাঠের নল আর তার ওপর মাটির ছিলিম বা কলকি বসিয়ে তামাক সাজানো হতো। নারকেলের মালাই ভর্তি থাকতো পানি। মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে সবাই হুক্কা খেতো। শীতের সকালে মহাজন বাড়ির কাচারি থেকে শুরু করে জমিদার বাড়ির কাচারি পর্যন্ত হুক্কা ছিল নিজস্ব জায়গায়। পালাবদল করে হুক্কা খাওয়া চলতো সবার মাঝে। জমিদার বাড়ির এবং স্বচ্ছল পরিবারগুলোতে হুক্কা ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। সেসব হুক্কায় থাকতো লম্বা পাইপ আর সেই লম্বা পাইপের মাথায় থাকা হুক্কা তামাক থাকতো। নলটি মুখে দিয়ে আয়েশ করে হুক্কা টানতা মহাজনরা। হুক্কার উপকারিতাও ছিল অনেক। দেহের পেটের পীড়া, শরীরের আঘাতসহ নানাবিধ রোগে হুক্কার পানি ছিল মহৌষধ। গরুর ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা করা হতো। হুক্কার স্থান দখল করে নিয়েছে বিড়ি-সিগারেট আর প্রত্যন্ত অঞ্চলে তামাক দিয়ে তৈরি এক ধরনের নেশা। আধুনিক যুগের ছেলেমেয়ে হুক্কা দেখেনি, তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পরিচয়ের জন্য হুক্কা সংরক্ষণ খুবই জরুরি।

এমপি রতনের বাসায় হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে বিক্ষোভ মিছিল


প্রতিনিধি,তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে আ,লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ সহযোগী সংঘটনের নেতৃবৃন্ধ। গতকাল শুক্রবার বিকালে উপজেলার বাদাঘাট ও উত্তর বড়দল ইউনিয়ন আ,লীগের উদ্দ্যোগে বাদাঘাট বাজার আ,লীগের দলীয় কার্য্যালয় থেকে এক বিশাল মিছিল বের হয়ে বাজারে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে মধ্য বাজারে দলীয় কার্য্যালয়ে এক প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। অনুষ্টিত সভায় জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি জুমুর তালুকদারের স ালনায় বক্তব্য রাখেন,তাহিরপুর উপজেলা আ,লীগ নেতা ও বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন,উপজেলা আ,লীগ নেতা রঞ্জু মুকার্জি,বাদাঘাট ইউনিয়ন আ,লীগ নেতা আব্দুস সাহিদ,আ,লীগ নেতা সুজাত মিয়া,উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক সেলিম হায়দার,উত্তর বড়দল ইউনিয়ন আ,লীগ নেতা মাসুক মিয়া,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহাবায়ক হোসেন আহমদ রাজা,বাদাঘাট ইউনিয়ন আ,লীগ নেতা নুরুল হক মাষ্টার,কয়লা ব্যবসায়ী আব্দুল কদ্দুছ,আ,লীগ নেতা আবু তাহের মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন, রাহাত হায়দার প্রমুখ। এছাড়াও যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংঘটনের নেতাকর্মীগন। অপর দিকে তাহিরপুর উপজেলা সদরে উপজেলা আ,লীগ ও অঙ্গসংঘটনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোব মিছিল করে। বিক্ষোব মিছিল শেষে সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় উপজেলা আ,লীগের সহ-সভাপতি আলী মর্তুজার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,হাফিজ উদ্দিন পলাশ,মিলন মেম্ভার,সঞ্জব উস্তার,যুব মহিলা আ,লীগের আহবায়ক আইরিন বেগম,শাহিন রেজা প্রমুখ। উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার (০২,০৩,১৭) রাত সাড়ে ৭টায় ১নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সুনামগঞ্জের মল্লিকপুরস্থ (পুলিশ লাইনের বিপরীতে) পায়েল পিউয়ে হামলা চালিয়ে বাস ভবনের প্রধান গেইটের লাইট পোষ্ট ভেঙ্গে ফেলে ও বাস ভবনে ইট,পাটকেল নিক্ষেপ করে।

পাবনা জেলার শতভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ

পাবনা প্রতিনিধি সিএম মাসুদ রানাঃ বাংলা ভাষা ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে সমুন্নত রাখতে পাবনা জেলার শতভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো। এর মাধ্যমে সারাদেশের মধ্যে প্রথম কোনো একটি জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হলো।

রেখা রানী বালো জানান, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার থাকার কথা। কিন্তু জেলার নয়টি উপজেলার ১ হাজার ৭০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার ছিল। দায়িত্ব নেবার পর প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নির্মানের উদ্যোগ নেন। সে অনুযায়ি ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিষয়টি জানিয়ে প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনে চিঠি দেন। যার প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নতুন করে ১ হাজার ৪৪৮টি শহিদ মিনার নির্মান করা হয়।

জেলা প্রশাসকের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী দেখা যায়, পাবনা জেলা সদরে ৩০৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪টি, ফরিদপুরে ১১৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪টি, চাটমোহরে ২৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩১টি, আটঘরিয়ায় ১৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩১টি, বেড়ায় ১৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯টি, সাঁথিয়ায় ২৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৮টি, সুজানগরে ২০৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫১টি, ঈশ^রদীতে ১৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৭টি ও ভাঙ্গুড়ায় ১৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার ছিল। বর্তমানে শতভাগ প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছে।

কয়েকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, পরিচালনা পরিষদ প্রধান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি অবগত করেন। এতে সারা দিয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব খরচে শহিদ মিনার তৈরি করেন।

৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বন্ধ করে ভারত বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করতে চায়

সম্পাদকীয়

ভারত বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির প্রবাহ বন্ধ করে বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করতে প্রয়াস চালাচ্ছে। অথচ আমরা ভারতকে সকল ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক সুবিধা ও করিডোর দিয়ে দিচ্ছি সামান্য টাকার বিনিময়ে। বাংলােদেশের সামনে সুযোগ ছিল করিডোর ও বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে বাংলাদেশকে পানির সকল সুযোগ দিতে বাধ্য করা। সরকার এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ভাবে পরাজিত হয়েছে। ভারতকে চাপে রাখতে চীন ও রাশিরয়ার সাথে বন্ধুত্ব যোরদার করা একান্ত প্রয়োজন। ভারতকে বন্ধু মনে করে যত ছাড় দেয়া হবে ততেই ভারত বাংলাদেশকে চাপে রাখবে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন পিছিয়ে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পুনর্নির্ধারণ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন পিছিয়ে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করেছেন আদালত।প্রধান আসামি খালেদার অনুপস্থিতিতে তার আইনজীবীদের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালত।বৃহস্পতিবার অরফানেজ মামলায় খালেদা জিয়ার ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন ও চ্যারিটেবল মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত লিখিত বক্তব্য পাঠের দিন ধার্য ছিল। তবে তার অনুপস্থিতিতে সময়ের আবেদন জানান খালেদার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, আব্দুর রেজাক খান, জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। এর বিরোধিতা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।সময়ের আবেদনে খালেদার অসুস্থতা ও এ আদালত পরিবর্তনে উচ্চ আদালতে করা তার আবেদন শুনানির অপেক্ষায় থাকার কথা উল্লেখ করা হয়।

 

নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মানববন্ধন


নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিক শারমিন আক্তারের নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ। সোমবার প্রতিষ্ঠানের সামনে এ মানববন্ধন পালিত হয়। মানববন্ধন থেকে কমিটির সদস্য ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেন শারমিন আক্তার বিজয়পুর বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা কালিন নানা অনিয়ম দূরনীতি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসভনিয় আচরন করতেন। এমন অভিযোগে শালিশি বৈঠকে তার অনিয়ম ও দূরর্নীতি প্রমানিত হলে শাস্তি হিসাবে ১৫ জানুয়ারী তারিখে তাকে বাড়ি থেকে ২০ কি:মি: দূরে মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী করা হয়। কিন্তু এই বদলী আদেশের ৫ দিনের মধ্যে বাড়ি থেকে ২’শ মিটার দুরের বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসেন। আর এতে কমিটির সদস্য, অভিভাবগ ও শিক্ষার্থীরা দারুণ উৎকন্ঠায় পড়েছেন। শারমিন আক্তার এই বিদ্যালয়ে যোগদান করলে শিক্ষার মান ক্ষুন্ন হবে তাই শারমিন আক্তার এই বিদ্যালয়ে যোগদান করলে সকল শিক্ষার্থীরা এ বিদ্যালয় থেকে অন্যত্র ভর্তি হবেন বলে জানান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। উল্লেখ্য, ২২ তারিখে যোগদানের আদেশ থাকলেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের বাধার মুখে আজ অবদি যোগদান করতে পড়েনি প্রধান শিক্ষিক শারমিন আক্তার।এব্যপারে শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ আফানের জানান, শারমিন আক্তার একজন বিতর্কিত শিক্ষিকা। সে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করলে তিলে তিলে গড়ে তোলা এ বিদ্যালয়টি ধ্বংস হয়ে যাবে। অভিভাবকরা কোন শিক্ষার্থী দিবেন না। শিক্ষার্থীর অভাবে প্রতিষ্ঠানটি অচল হয়ে পড়বে। এ প্রতিষ্ঠানকে টিকে রাখার স্বার্থেই আমাদের এ আন্দোলন। প্রধান শিক্ষিকা শারমিন আক্তার জানান, একটি মহল ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অন্যায় ভাবে তাকে বিদ্যালয়ে যোগদানে বাধা দিচ্ছে।
মহাদেবপুর উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মামুনুর রশিদ জানান, শারমিন আক্তারকে ওই বিদ্যাল কমিটি ও অভিভাবগ চাচ্ছেন না। তারা শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। এই আন্দোলনের মুখে আমাদের আর কি করার। তবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুটনীতিকদের মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্ণনা করেন

ঢাকা, 05 ফেব্রুয়ারি 2017: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব একটি এইচ মাহমুদ আলী এমপি, আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মিয়ানমারের শরণার্থী ও অনথিভুক্ত মিয়ানমারের নাগরিকদের পরিস্থিতির উপর কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের সদস্যদের কাছে তুলে ধরেন. প্রায় 60 (ষাট) রাষ্ট্রদূতরা / হাই কমিশনার / মিশনসমূহের প্রধানগণ / UNRC কার্যালয়, আইওএম, ইউএনএইচসিআর এবং অন্যান্য জাতিসংঘের সংস্থা থেকে ঢাকার বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন সেইসাথে প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত হন. ব্রিফিং এছাড়াও উপদেষ্টা দ্বারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক পররাষ্ট্র মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব প্রমুখ graced ছিল.
ব্রিফিংয়েও মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধাপের কূটনৈতিক সম্প্রদায় অবহিত করেন যে, বাংলাদেশ সরকার সামনাসামনি মিয়ানমারের শরণার্থী ও অনথিভুক্ত মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিপীড়ন এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতা থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রবেশ গ্রহণ করেছে . এই বিপুল জনসংখ্যার সংখ্যায়ন বেশি 400,000 (সহ সদ্য 69.000 আগত) দুই নিবন্ধিত ক্যাম্প এবং অস্থায়ী বসতি কক্সবাজারে প্রধানত বসবাস করছেন. তিনি একটি চুক্তি 1991-92 সময় নেননি যা তিনি গভীরভাবে তার পদসামর্থ্যে জড়িত ছিল মাধ্যমে প্রায় 236.599 মায়ানমার শরণার্থীদের সফল প্রত্যাবাসন সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে.
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, কক্সবাজার জেলার মায়ানমার নাগরিকদের সংখ্যক উপস্থিতি শুধুমাত্র কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তাদের মানবিক সহায়তা পরিচালনা করতে কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি বরং উপর বিরূপ প্রভাব একটি সংখ্যা সৃষ্টি সার্বিক আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, কক্সবাজারের, ডেমোগ্রাফিক পরিবেশগত এবং মানবিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সংলগ্ন জেলায় এবং নেতিবাচক ইকো পর্যটন সম্ভাবনাকে প্রভাবিত. এই শহরের জনসংখ্যার প্রবন প্রকৃতি তুলে ধরে তিনি আরো বলেন যে নেটওয়ার্ক মানব পাচার ও চেতনানাশক ওষুধের চোরাচালান উদ্দেশ্যে এই এলাকায় আবির্ভূত হয়েছে.
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেছেন যে যেহেতু মিয়ানমারের শরণার্থী এবং অনথিভুক্ত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কক্সবাজার জেলায় বিদ্যমান আবাসন ব্যবস্থা ইতিমধ্যে ওভার প্রসারিত হয়, নতুন আগমন জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে. এই অবস্থায়, যাতে মিয়ানমার নাগরিকদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের Thengar চর, একটি দ্বীপ বঙ্গোপসাগরে হাতিয়া দ্বীপ পাশে এই জনসংখ্যা স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে. তিনি আশা প্রকাশ করেন যে অনথিভুক্ত মিয়ানমারের নাগরিকসহ মানবিক সহায়তা ভাল এক্সেস আছে মায়ানমার শরণার্থীদের সাহায্য করবে. পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবহিত অর্ডার জায়গা বাসযোগ্য করতে হবে, সরকারি আশ্রয়, স্কুল, হাসপাতাল / স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মসজিদ, রাস্তাঘাট ইত্যাদি এবং তিনি যে স্থানান্তরের সঞ্চালিত হবে যোগ উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় পরে শুধুমাত্র সহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা করে . তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তিনি কূটনৈতিক সম্প্রদায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জায়গা দেখার জন্য একবার অবকাঠামো জায়গা হয় সক্ষম হবে.
এই প্রসঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অনুরোধ দ্বীপ উন্নয়নশীল এবং তাদের বসবাসের নতুন জায়গা বাংলাদেশে বসবাসকারী মিয়ানমারের নাগরিকদের পরিবহনের সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে এই স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাদের সমর্থন রেন্ডার. তিনি আরো উল্লেখ করেন, যখন এই মায়ানমার শরণার্থীদের জন্য একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা থাকে, বাংলাদেশে তাদের ঘরবাড়ি মিয়ানমারে ফিরে এই জনসংখ্যার প্রত্যাবাসন জন্য অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাই.
কূটনৈতিক কোরের ডিন ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত, মার্কিন রাষ্ট্রদূত, সৌদি রাষ্ট্রদূত UNRC অত্যন্ত কয়েক দশক ধরে এই জনসংখ্যা হোস্টিং এবং তাদের প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রশংসা করেন. সৌদি রাষ্ট্রদূত বিশেষ করে সৌদি আরবে মায়ানমার জনসংখ্যার উপস্থিতি উল্লেখ এবং স্পষ্টভাবে বাংলাদেশে তার সরকারের সমর্থন বিবৃত. সাধারণভাবে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সরকার স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং যখন এটি চূড়ান্ত করা হয় সাহায্য করতে তাদের প্রস্তুতি প্রকাশ. তারা তাদের আশা এই এই জনসংখ্যার বসবাস অবস্থায় উন্নতি আনব প্রকাশ. উপরন্তু প্রতিনিধিদের স্বীকৃত যে চূড়ান্ত সমাধান তাদের মাতৃভূমিতে মায়ানমার থেকে এই শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন এই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ এবং এই ব্যাপারে তাদের পূর্ণ সমর্থন আশ্বাস দেন.
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে তাদের উপস্থিতি জন্য কূটনৈতিক সম্প্রদায় ধন্যবাদ জানান এবং তাদের এই বিষয়ে সব ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পাশাপাশি চলার আশ্বাস দেন.

পদ্মবীণা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গুণীজন সম্মাননা ও শীতবস্ত্র বিতরণ

চট্টগ্রামের সৃজনশীল ও আর্ত-মানবতার সেবায় নিবেদিত সংগঠন পদ্মবীণা ফাউন্ডেশনের ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২১ জানুয়ারী শনিবার বিকাল ৩টায় ফটিকছড়ি উপজেলাধীন ১৭নং জাফত নগর ইউনিয়নের জাহানপুর গ্রামের কোঠের পাড়ের প্রয়াত ডা: অখিল কবিরাজের ভবনের সম্মুখে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও গৃহায়ণ লি. এর চেয়ারম্যান সমাজদরদী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক প্রকৌশলী মৃণাল কান্তি বড়–য়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, ১৭নং জাফত নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম, ১৮নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম ও সাবেক ছাত্রনেতা জাহান আমজাদ আলী আবদুল হাদী ইনষ্টিটিউশন পরিচালনা কমিটির সভাপতি এইচ এম আবু তৈয়ব।

সভায় বক্তারা বলেন, সমাজের উন্নয়নে ও অবহেলিত মানুষের কল্যাণে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পদ্মবীণা ফাউন্ডেশন দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। পদ্মবীণা ফাউন্ডেশনের সামাজিক কার্যক্রম সমাজকে বদলে দেবে। সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে ও সামাজিক উন্নয়নে পদ্মবীণা ফাউন্ডেশনের মতো আরও সমাজদরদী ব্যক্তিত্বদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভায় বক্তারা আরো বলেন, জনহিতকর কল্যানে যারা জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয় করেন তারা সমাজে অমর ও স্মরণীয় হয়ে থাকেন। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন, আলহাজ্ব মোঃ ইলিয়াছ চৌধুরী, আলহাজ্ব শেখ সামশুল আলম, আলহাজ্ব মোঃ আবদুল মান্নান চৌধুরী, আলহাজ্ব মোঃ বদিউর রহমান মুন্সি, মোঃ জহিরুল ইসলাম, এড. শ্যামল কান্তি বড়–য়া, মাষ্টার অসিম কান্তি বড়–য়া, মাষ্টার সাধন বড়–য়া, গোপাল চন্দ্র বড়–য়া, মন্সত্থ রঞ্জন বড়–য়া (মরনোত্তর), তীর্থ মিত্র উদয়ন বড়–য়া, মাষ্টার মনোরঞ্জন শীল, শিবু রঞ্জন বড়–য়া। সংগঠনের কর্মকর্তা সাজু বড়–য়ার সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিপ্লব বড়–য়া, সরিৎ চৌধুরী সাজু, শ্যামল বড়–য়া, সুপায়ন বড়–য়া, রীমা বড়–য়া, কঙ্কন বড়–য়া, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে ৫ গ্রামের ৩’শ জন হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকা হরতালে পূর্ণ সমর্থন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে হরতাল সফল করুন ———————————- আদর্শ নাগরিক আন্দোলন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে ২৬ জানুয়ারি তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা কমিটির ডাকা অর্ধ দিবস হরতালে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিককে হরতাল সফল করার আহবান জানিয়েছেন আদর্শ নাগরিক আন্দোলন-Ideal Citizen Movement- কেন্দ্রীয় কমিটি।
আজ মঙ্গলবার সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল-আমীন এক বিবৃতিতে বলেন, জাতীয় তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা কমিটির ডাকা অর্ধ দিবস (সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা) হরতাল দেশের মানুষের স্বার্থে ঘোষণা করা হয়েছে। এই হরতালে কোন ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নেই। তাই আমরা এই হরতালে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের ক্রমবর্ধামন চাহিদা নিরসনে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিকল্প নেই। তাই বলে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনেই করতে হবে কেন? আমরা দেশের সাধারণ নাগরিক সমাজ কোনোভাবেই তা সুন্দরবনের মতো নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিকে ধ্বংস করে বিদ্যুৎকেন্দ্র চাই না। যদি বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেই হয়, তবে রামপালে নয়, বরং পরিবেশ ঝুঁকি কম এমন কোনো স্থানে এ প্রকল্প স্থানান্তরের জন্য সরকার এবং উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের সম্পদ নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র। আর বিশ্বে সুন্দরবন একটাই। সুতরাং বাংলাদেশে সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই। এই সুন্দরবন ধ্বংস হলে কেউ তা তৈরি করতে পারবে না। তা সম্ভবও না। কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করার মতো অনেক জায়গা আছে। তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রামপাল থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও নির্মাণ করা উচিত।
নেতৃবৃন্দ বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের কাছে অবিলম্বে এই প্রকল্পটি স্থানান্তরের জন্য আহবান জানিয়ে বলেন, দেশের জনগণ, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা এর বিরোধিতা করছে, তাই আমরাও জাতি ও বিশ্বের সাথে ঐক্যমত প্রকাশ করছি। যদি বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেই হয়, পরিবেশ ঝুঁকি কম এমন কোনো স্থানে এ প্রকল্প স্থানান্ত করার আহবান জানাচ্ছি।

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »