Category: ভিতরের পাতা

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড নিয়ে বরিশালে ইয়াং বাংলার সভা আজ


যুবসমাজের অর্জনগুলোকে প্রচারের মাধ্যমে উজ্জীবিত এবং তাদের বন্ধন তৈরি করতে ২০১৫ সালের মতো এ বছরের অক্টোবরে দ্বিতীয়বার সফল যুবদের স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে তারুণ্যের প¬াটফর্ম ইয়াং বাংলা। জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ উপলক্ষ্যে এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় বরিশাল সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বরিশালে বিভাগীয় সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভাটির সমন্নয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন‘র প্রিয়াংকা চাকমা। বিভাগীয় এই সভায় আলোচনার মূল বিষয় হচ্ছে- কিভাবে জয়বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’র বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ প্রচারণা নিশ্চিত করা যায়। আগামী দুই মাস দেশের ৫৬টি জেলায় টাউনহল অ্যাক্টিভেশন এবং ৮টি বিভাগের ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশনের আয়োজন করবে ইয়াং বাংলা। সভার মূল উদ্দেশ্য ইয়াং বাংলার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, বিশেষ করে বরিশালের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণ নেতৃত্বের যেসব সংগঠন সমাজ উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সাস্কৃতিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখছে, তাদেরকে ইয়াং বাংলার সাথে যুক্ত করা। ২০১৪ সালে নভেম্বরে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশে তরুণদের প¬্যাটফর্ম ইয়াং বাংলা। যেসব তরুণ নেতৃত্বের সংগঠন সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে, তাদের জাতীয় উন্নয়নের ধারায় সংযুক্ত করে ইয়াং বাংলা। ২০১৫ সালে ৩০টি সংগঠনকে দেয়া হয় প্রথম জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। আরো ৩০টি সংগঠন পায় বিশেষ স্বীকৃতি। সেই লক্ষ্যে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের জন্য যে কেউ আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে। ইয়াং বাংলার ওয়েবসাইট িি.িুড়ঁহমনধহমষধ.পড়স -এ গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট, ইমেইল অ্যাড্রেস এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এর রেজিস্ট্রেশনের জন্য পোর্টালটি ১৬ মে থেকে ১৫ জুলাই ২০১৭ পর্যন্ত খোলা থাকবে। পুরষ্কার দেয়া হবে মূলতঃ ৩টি ক্যাটেগরিতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট, ক্রীড়া উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। তরুণ নেতৃত্বের যেসব সংগঠন নারীর প্রতি সহিংসতা, বয়স্ক ও শিশু শিক্ষা, মাদকাসক্তি, যুব প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করে, জানান আয়োজকরা।

হবিগঞ্জে ৪ দিনব্যপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু

ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥॥
সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জে ৪ দিনব্যপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার (২৪ মে) সকালে জেলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে (নিমতলা) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির। জেলা প্রশাসক সাবিনা আলমের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. ফজলুর রহমান, জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ অফিসার বশির আহমেদ সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হকসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এমপি আবু জাহির বলেন, কৃষি হলো বাঙালীর প্রাণ। আমরা যারা আছি সবাই কৃষির সাথে নারীসম্পৃত। শিল্পাঞ্চলে হবিগঞ্জের উন্নয়ন হলেও কৃষিকে আমরা ফেলে দিতে পারব না। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে আমাদের কৃষক সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে। সরকার কৃষির উন্নয়নে সর্বাত্বক কাজ করে যাচ্ছে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠান আয়োজিত

রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে “বাংলা গানের ভাবনা ও পথচলা” শিরোনামে একটি সংগীতানুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই আয়োজনটি রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে সাজানো হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কিছু গান দিয়ে।
এই বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ফাহিম হোসেন চৌধুরী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনী খিলখিল কাজী। পাশাপাশি সংগীত পরিবেশন করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ সৈয়দ সাদ আন্দালিব।
শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি সাধনা ও চর্চার যথোচিত প্রসার ও বিকাশের পথ উন্মোচন করাই ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। এই অনুষ্ঠানে প্রতিটি গান রচনার ভাবনা ও প্রেক্ষাপট এবং এর সাথের গল্পটি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা গানগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলা গানের ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার সম্পর্কে জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে এবং আগ্রহ তৈরিতে এধরনের আয়োজন বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ‘মায়বন বিহারিনী’, ‘প্রান চায় চক্ষু না চায়, ‘তুমি রবে নিরবে’ সহ অন্যান্য জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করা হয়। নজরুল সংগীতের মাঝে উল্লেখযোগ্য ছিল ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’, ‘দূর দ্বীপবাসিনী, ‘আলগা কর গো খোপার বাঁধন’ ইত্যাদি।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি “বাংলা গানের ভাবনা ও পথচলা” শিরোনামে নিয়মিত বাংলা গানের অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। উল্লেখ্য, এ বছরের ২৩ মার্চ “দেশ,মাটি ও স্বাধীনতার গান” শিরোনামে চমৎকার একটি সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ধারাবাহিক এ আয়োজন আরম্ভ হয়।

রাজা দেবাশীষ রায়কে অপসারণ ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবীতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ


বিপ্লব তালুকদার ,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদে জামাত-শিবির পন্থিদের অবাঞ্চিত দেওয়ার দুদিনের মাথায় স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অভিযুক্ত গ্রুপ। রবিবার খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়।
ত্রিদিব রায়ের নামে সকল স্মৃতি ফলকের নামের পর পরিবর্তনের হাইকোর্টের আদেশের পর এবার তারই সন্তান রাজা দেবাশীষ রায়ের অপসারণ ও সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবীতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের একাংশ। বুধবার সকাল ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলা শহরের শাপলা চত্ত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ২২মে ২০১৭ তারিখে হাইকের্টের আদেশের আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাধীনতা বিরোধী চাকমা রাজাকার ত্রিদিব রায়ের নামে নির্মিত সকল স্থাপনার নাম দ্রুত পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় জানিয়ে নেতৃবৃন্দরা ত্রিদিব রায়কে স্বাধীনতা রিরোধী অভিযোগ এনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে।
পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি ইঞ্জি: মুহাম্মদ লোকমান হোসাইনের সভাপতিত্বে মানব বন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি (সাবেক) ইঞ্জি: আব্দুল মজিদ।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১সালে স্বাধীনতার সংগ্রামে এই রাজাকার ত্রিদিব রায় পাক হানাদার বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন) এ অসহায় পার্বত্য বাসীর উপর হত্যাযষ্ণ, লুটপাট, ধর্ষনসহ মানবতা বিরোধী অপরাধ পরিচালনা করেছে। সারাদেশে বর্তমান সরকারের মানবতা বিরোধীদের বিচার করলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের অনেক রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোয়ার বাহিরে। অবিলম্বে এই রাজাকারের মানবতা বিরোধী রাজাকার ত্রিদিব রায়ের মরনোত্তর বিচার ও তার নামে হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী রায়ের দ্রুত কার্যকর এবং তার ছেলে রাজা দেবাশীষ রায়ের নামে সকল সম্পত্তি ও সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা বাতিল করার দাবী জানান।
মানববন্ধনে খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক (ভার:) আসাদ উল্লাহ আসাদ বলেন রাজা দেবাশীষ রায়, সন্তুলারমা ও প্রসীত খীসার এজেন্ডা বাস্তাবায়নের জন্য ইউএনডিপির অর্থায়নে কিছু বাঙ্গালী দালাল কাজ করে যাচ্ছে যা অত্যান্ত নেক্কার জনক। এসময় আরো উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম মাসুদ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা সভাপতি রবিউল হোসেন, কলেজ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস প্রমুখ।উক্ত মানববন্ধনে তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে রাজতন্ত্রের নামে এই সকল সার্কেল চীফ রাজা প্রথা বাতিল করে ও অসহায় মানুষের ভূমি থেকে খাজনা নামে চাঁদাবাজী বন্ধ ও সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।

ধর্ষক পলাতক টঙ্গীতে অষ্টম শ্রেনীর স্কুলছাত্রী ধর্ষনের শিকার


এস,এম মনির হোসেন জীবন : গাজীপুর মহানগরী টঙ্গীর মাছিমপুর লাল মসজিদ এলাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে আমির হোসেন ওরফে আমির পাগলা (৬০) নামে এক ব্যক্তি সুমি আক্তার (১৩) নামে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি জানা জানি হওয়ার পর থেকে ধর্ষনকারী আমির হোসেন সহ তার পরিবারের লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে। এঘটনায় গতকাল বুধবার ভুক্ত ভোগীর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে টঙ্গী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ধর্ষিতার মা আমেনা বেগম জানান, কর্মক্ষম স্বামী ও ছেলের মৃত্যুতে অসহায় হয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ওই বস্তিতে বসবাস করতেন। আমার ছোট মেয়ে সুমি আক্তার (১৩)কলা বাগান হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেনীতে লেখা পড়া করে। প্রতিবেশী মোঃ আমির হোসেন আমার আমাকে ধর্ম মেয়ে বানানোর সুবাদে প্রায়ই আমাদের বাসায় আসা যাওয়া করত। গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পর আর বাসায় ফিরে না আসায় তার খোঁজ খবর করতে থাকি। এক পর্যায়ে জানতে পারি আমার মেয়ে আমির পাগলা নদীর দিকে নিয়ে গেছে। আমির হোসেনের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে মামলা মোকদ্দমার ভয় দেখালে কিছুক্ষন পর সুমি বাসায় ফিরে আসে। বাসায় আসার পর জানতে পারি আমির হোসেন আমার মেয়ের উপর সে পাশবিক নির্যাতন করেছে। আমার মেয়ের সাথে পাশবিক নির্যাতনকারীর বিচার চাই।
নির্যাতনের শিকার সুমি আক্তার জানায়, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমির হোসেন কলাবাগান কবরস্থান রাস্তার মোড় থেকে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নৌকায় উঠিয়ে তুরাগ নদী পাড় হয়ে সিএনজি যোগে কোথায় জানি নিয়া যায়। পরে এলাকা থেকে তার মোবাইলে কে বা কারা কথা বলার পর বিষয়টি কাউকে জানালে আমাকে জীবনে মেরে ফেলবে এবং আমার পরিবারের লোকজনের ক্ষতি করবে বলে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে মহাখালী থেকে টঙ্গীর একটি বাসে তুলে দেয়।
স্কুল ছাত্রী সুমি আক্তার আরও জানায়, আমির হোসেন প্রায় এক মাস ধরে তার বড় স্ত্রী গাজা বিক্রেতা পান্না আক্তার ওরফে ওরফে মাইজী (৪০) ও ছোট স্ত্রী রুবি আক্তার (২৫) সহযোগীতায় আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের বসত ঘরে নিয়ে জোর পুর্বক ৬/৭ দিন ধর্ষন করেছে। বিষয়টি কারো নিকট প্রকাশ করলে আমাকে হত্যার হুমকি দেয়ায় ভয়ে বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করিনি। আমি এর বিচার চাই।এব্যাপারে টঙ্গী থানার এস আই চন্দন দে’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে এবং দোষী আমির হোসেনকে গ্রেফতারের পক্রিয়া অব্যাহত আছে।

অন্তহীন সমস্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


মাসুম বিল্লাহ: জবি প্রতিনিধি:
অন্তহীন সমস্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষার্থী মানবেতর জীবনযাপন করছে। দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ভর্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভর্তি হলেও তারা পাচ্ছেন না তেমন সুযোগ-সুবিধা। রাজধানীর অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়টির আবাসন সমস্যার সঙ্গে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিবহন সমস্যা, শ্রেণিকক্ষ সংকট। সমৃদ্ধ নয় গ্রন্থাগার, সেমিনার কক্ষ। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন শেষে জুটছে না কাঙ্খিত সমাবর্তন। নামমাত্র মেডিকেল সেন্টারে চলছে শিক্ষক,শিক্ষার্থী,কর্মচারী সকলের চিকিৎসা। খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। একমাত্র খেলার মাঠ ধূপখোলা, যা খেলার অনুপযোগী। বিশুদ্ধ খাবারের পানির অভাব। ক্যান্টিনে খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হয় গলাকাটা দাম, যা দেখার কেউ নেই। নামে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখানে কোনো সুযোগ-সুবিধাই পান না দেশের অন্যতম এ বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে ১২টি হল থাকলেও বর্তমানে সেগুলো বেদখল হয়ে আছে। নামেমাত্র কিছু দখলে থাকলেও সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগের অভাবে তৈরি হয়নি কোনো ভবন। বাণী ভবন নামের একটি হলের এক অংশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা থাকেন। এছাড়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলে ২৩ জন শিক্ষার্থী থাকেন, সেখানে শিক্ষার্থীদের দেখাশোনা করে না বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। হাবিবুর রহমান হলে কর্মচারী থাকলেও ভবন করার তাগাদা নেই প্রশাসনের। আবাসিক সুবিধা না থাকার কারণে ছাত্রছাত্রীদের অতিরিক্ত টাকা ব্যয়ে বাইরে থাকতে হয়। অন্যদিকে যাওয়া-আসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পরিমাণ পরিবহন বাস আছে তাও খুব কম। প্রায়ই বাসে জায়গা পাওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে পাবলিক বাসে যেতে হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ১৫টি বাস। এর মধ্যে ১২টি দ্বিতল, অন্য তিনটি একতলা বাস। এছাড়া সাতটি বাস শিক্ষকদের যাতায়াতের জন্য। আর সিনিয়র শিক্ষকদের জন্য রয়েছে ছয়টি মাইক্রোবাস। অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র একটি, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর তুলনায় একেবারেই নগণ্য। ৯২ ভাগ শিক্ষার্থী পরিবহন সুবিধার বাইরে। এক কথায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন জবি শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় ছাত্রীদের। বাসগুলোতে ছাত্রীদের বসার আলাদা ব্যবস্থা না থাকায় দাঁড়িয়েই তাদের আসা-যাওয়া করতে হয়। ছাত্রীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত শৌচাগার। ভালো মানের বই লাইব্রেরি বা বিভাগীয় সেমিনারে থাকলেও ছাত্রছাত্রীরা সেগুলো নিয়ে একদিনের বেশি রাখতে পারেন না। বই নিয়ে লাইব্রেরীতে প্রবেশেও রয়েছে বাধা-নিষেধ।
সরজমিন দেখা যায়, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে কোনো বিষয়েরই পর্যাপ্ত বই নেই। সেমিনার আছে তো বই নেই। কয়েকটিতে থাকলেও অপর্যাপ্ত।কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী থেকে ফটোকপি করার কোনো ব্যবস্থা নেই।
শিক্ষার্থীরা জানান, এখানে শ্রেণিকক্ষের সংকট অনেক বেশি। এক ব্যাচ ক্লাস করলে অন্য ব্যাচ ক্লাসের অপেক্ষায় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। আবার শ্রেণিকক্ষ এমন যে সেখানে বসার জায়গা থাকে না। বিভাগীয় কমন কক্ষও নেই ছাত্রীদের। দু-একটি বিভাগে থাকলেও তাতে ছাত্রীদের বসার জন্য প্রয়োজনীয় আসবাব নেই। পরীক্ষা থাকলে অন্যরা ক্লাস করতে পারেন না।সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্র শামিম আক্ষেপ করে বলেন, আমরা গ্রাম থেকে আসা দরিদ্র শিক্ষার্থী। থাকার জন্য কোনো আবাসিক হল নেই। বাইরে থাকা অনেক কষ্টসাধ্য। বাড়িওয়ালারা ব্যাচেলর বলে বাসা ভাড়া দিতে চান না। তাই হল খুব জরুর ।শ্রেণিকক্ষের সংকট। এতে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিগত ১১ বছরে হয়নি একটি সমাবর্তন।
মেডিকেলের একমাত্র চিকিৎসক মিতা শবনম বলেন, আমাদের জনবল সমস্যা দীর্ঘদিনের। এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনেক দিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ হচ্ছে, যখনই বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয় তখন আবেদন পড়ে না। ফলে এ সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এখানে আছেন মাত্র দুজন মেডিকেল অ্যাসিস্টেন্ট। এছাড়া ভার্সিটির পরিসর ছোট হওয়ায় মেডিকেলের পরিধি দিনে দিনে ছোট হচ্ছে।

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সংক্ষিপ্ত অনলাইন কোর্স

 ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অন্তর্গত ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অফ ল্যাংগুয়েজেস (বিআইএল) কাজাকিস্তান আবলাই খান ইউনিভার্সিটি অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজেস এর শিক্ষকদের জন্য শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি শীর্ষক একটি সংক্ষিপ্ত অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করেছে।
কোর্সটির সমাপনী পর্ব গতকাল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বিআইএল এর শিক্ষকগন কাজাখ অংশগ্রহনকারীদের কোর্সটি থেকে তাদের শিক্ষা সম্পর্কিত চূড়ান্ত উপস্থাপনা শোনেন। বি আই এল এর শিক্ষক শামস উদ দোহা এই কোর্সের প্রধান প্রশিক্ষক ও তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হামিম আল আহসান সহ-প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন।
কোর্সটিতে মোট সাতটি সেশন ছিল এবং সেশনগুলোতে শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্ব, সমন্বিত শিক্ষা ব্যাবস্থার জন্য গুগুল ডকস, শিক্ষায় ব্লগ, উইকিপিডীয়া, শিক্ষায় পডকাস্ট এবং মুডোলের ব্যাবহার সম্পর্কে অংশগ্রহনকারীদের প্রশিক্ষন দেয়া হয়।
কাজাখ বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক এবং এই কোর্সের প্রশিক্ষনার্থী সাউলেট আলপিসবায়েভা এই কোর্সের কার্যকারিতা সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন এই অনলাইন কোর্সটি ছিল অংশগ্রহন ও চর্চা নির্ভর যাকে ভিত্তি দিয়েছে শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত নানা তত্ত্ব। এটি অংশগ্রহনকারীদেরকে আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করেছে।
বিআইএল এর পরিচালক লেডি সায়েদা সারোয়াত আবেদ বলেন এটা উপযুক্ত সময় যখন আমাদের দক্ষতাগুলোকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়া উচিত যেহেতু প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন যেকোন দেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ সম্ভব। আমাদের এই সুযোগগুলি কাজে লাগানো উচিত এবং নিজেদের ব্যাপ্তি বাড়ানো উচিত।
বিআইএল খুব শীঘ্রই আজারবাইজান এর একটি রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর জন্য আরেকটি সংক্ষিপ্ত অনলাইন কোর্স পরিচালনা করবে।

মির্জাপুরে এস কে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা


মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মির্জাপুর এস কে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও গোল্ডেন প্লাস প্রাপ্ত-৫২ জন এবং ২০১৬ সালের জেএসসি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত-১২ জনসহ মোট ৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।আজ বুধবার বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সবাপতি মো. শামীম আল মামুন এবং প্রধান শিক্ষা মো. রফিকুল ইসলাম মিঞা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তারা জানান,গত শনিবার বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেনের সহ ধর্মীনী মিসেস ঝরনা হোসেন।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শামীম আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক মিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন মোল্লা, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সদস্য মো. সাইদুর রহমান খান বাবুল, লতিফপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম মিঞা, সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার সরকার, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সমির কুমার বণিক প্রমুখ।অতিথিবৃন্দ বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীর হগাতে পুরষ্কার বিতরণ করার পর ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ও ২০১৬ সালের জেএসসি পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে কেস্ট তুলে দেন।পরে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

জৈন্তাপুরে ক্ষতিগ্রস্থ বাউরীটিলাবাসীর মানব বন্ধন ভূমি ফেরত না দিলে কঠোর কর্মসূচী


শুয়েব উদ্দিন, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি-
১৯৪২ সাল হতে ভোগ দখলীয় বাউরীটিলা ভূমিতে হতে উচ্ছেদের নামে লালাখাল চা-বাগান কর্তৃক বাগন ক্ষতিসাধন এবং দখল না ছাড়ার দাবীতে ক্ষতিগ্রস্থ ৪৩ পরিবারে মানব বন্ধন পালন করেছে।
গতকাল ২২ মে সোমবার দুপুর ১২টায় জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের চতুল উত্তর বাজারে বিশাল মানব বন্ধন পালন করে। ক্ষতিগ্রস্থ বাউরীটিলাবাসীর আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবেশ রঞ্জন কর এর সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা সুলতান আহমদের পরিচালনায় মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন- চারিকাটা ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মনির আহমদ, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা জাকারিয়া আহমদ, ইউপি সদস্য বাউরী টিলা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হাজির আলী, সমাজসেবী আলতাফ হোসেন বেলাল, মামুন আহমদ, জামাল উদ্দিন, অলিউর রহমান অলি, আব্দুস সালাম, শওকত আলী, মাহমুদ আলী, শামীম আহমদ, আলম মিয়া, সূর্যমনি প্রমুখ। “ভূমি খেকু লালাখাল চা-বাগান কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে মারলে ও মারিলেও তারপরও আমাদের পূর্ব-পূরুষের দখলীয় জমি বাউরীটিলা আমাদেরকে দাও” “লালাখাল চা-বাগানের হয়রানী হতে আমরা বাঁচতে চাই, জান দেব তবুও বাউরীটিলা ছাড়ব না” “লালাখাল চা-বাগানের দৌরাত্ব হতে আমরা বাঁচতে চাই” শ্লোগানে মানব বন্ধন পালন করে। মানব বন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন- ১৯৪২ সন হতে তারা বাউরীটিলা ভোগ দখল করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। সম্প্রতি ২০১৬সনে লালাখাল চা বাগান কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের নামে পেশী শক্তির জোরে প্রায় ২কোটি টাকার ফলজ বনজ ও কৃষিজ ফসল ধ্বংস যজ্ঞ চালিয়ে বিনষ্ট করে। এনিয়ে বহু জাতীয় স্থানীয় পত্রিকা সহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। শান্তিপ্রিয় বাউরীটিলাবাসী পেশি শক্তি এবং মামলা হামলার ভয়ে মুখোমুখি হয়নি। মানব বন্ধনকারীরা দাবী করেন- লালাখাল চা-বাগান কর্তৃপক্ষ সরকারে নিকট হতে ১৩১৭.৩৪ পয়েন্ট ভূমি বন্দবস্ত গ্রহন করে তারা অবৈধ ভাবে প্রায় ২ হাজারের অধিক একর ভূমি দখল নিয়েছে। এছাড়া ৪৯, ৫২, ৫১নং জে.এল এর প্রায় ১৫শত একর ভুমি সহ বিরুধপূর্ণ ৫৫নং জে এল এর ১৫০একর ভূমির মধ্যে ১৩৫একর ভূমি বন্দোবস্থ গ্রহন করে। সরকারকে তথ্য গোপন করে ৫০নং জে এল এর ৭শত একর ভূমি বিনা বন্দোবস্তে নিয়ে তারা অবৈধ ভাবে দখলে রাখে এবং রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। বিধি মোতাবেক বাগান কর্তৃপক্ষ ১সনা রাজস্ব পরিশোধ করবে এছাড়া প্রাকৃতিক দূযোগে কিংবা অন্য কোন কারনে বাগানের ক্ষতি সাধিত হলে, সে ক্ষেত্রে ২বৎসর পর্যন্ত এক সাথে রাজস্ব পরিশোধ করতে পারবে। লালাখাল চা-বাগান কর্র্তৃপক্ষ বছরের পর বছর সরকারের রাজস্ব ৩২লক্ষ ৬৭হাজার টাকা পরিশোধ না করে কিভাবে আমাদেরকে উচ্ছেদ করে? আমাদের দাবী বাগান কর্তৃপক্ষ আমাদের যে অপুরনীয় ক্ষতি সাধন করেছে তা অভিলম্বে পরিশোধ এবং আমোদের উপর নির্যাতন হুমকী ধকমী বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় আমাদের পূর্ব-পূরুষ হতে দখলীয় বাউরীটিলার এক ইঞ্চি ভূমি কোন অবস্থায় দখল ছাড়ব না। এছাড়া সরকার আমাদের মধ্যে বাউরীটিলার ভূমি ফেরত না দেয় তা হলে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ সহ জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিস, সহকারী কমিশনার(ভূমি) অফিস ঘোরাও সহ কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে বলে জানান ৪৩ পরিবারের আন্দোলন কারীরা।

গোলাপগঞ্জে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে তালামীযের র‍্যালী!!

কামরান আহমদ সিলেট থেকে:পবিত্র মাহে রমজানকে  খোশ আমদেদ জানিয়ে গত কাল মঙ্গলবার  সিলেটর গোলাপগঞ্জে  বাংলাদেশ  আনজুমানে তালামীযে ইসলামীয়ার উত্তর, দক্ষিণ,পৌরশাখা উদ্দ্যােগে র‍্যালীটি  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
র‍্যালী থেকে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও দিনের বেলায় পানাহার থেকে বিরত থাকার আহবান জানানো হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার   সিলেট জেলা পূর্বের সভাপতি ছাত্র নেতা আব্দুল খালিক রুহিল শাহ,সাধারণ সম্পাদক ছাত্র নেতা আব্দুল বাসিত আল হাসান, অর্থ সম্পাদক রুহুল হুদা চৌধুরী রাহেল, উপজেলা উত্তরের সভাপতি ফয়জুল ইসলাম সেক্রেটারি ছাইদুর রহমান, দক্ষিনের সভাপতি ফখরুল ইসলাম। ইসলাম র‍্যালিতে বিভিন্ন  মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার ছাত্রসহ, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।র‍্যালীটি শুরু হয় গোলাপগঞ্জ শাহজালাল লতিফিয়া কমপ্লেক্স থেকে   বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে গিয়ে গোলাপগঞ্জ চৌমুনীতে গিয়ে শেষ হয়।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »