Category: বিনোদন

শুক্রবার ঝিনাইদহ মাতাতে আসছেন জেমস

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের আশিক মিউজিক ক্লাবের আয়োজনে ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’ এ দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে মাতাতে আসছেন নগর বাউলখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস। আগামী ৩১ মার্চ শুক্রবার শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে সুরের মূর্ছনা ছড়াবেন আন্তর্জাতিক এই রকতারকা। ওইদিন বিকেল ৩টায় শুরু হবে কনসার্ট।আয়োজকদের পক্ষে নৃত্যালয় একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আসিফ উল ইসলাম পাপ্পু বলেন, ‘কনসার্টের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। ঝিনাইদহবাসীকে অন্যরকম আনন্দ দিতে শুক্রবার আমাদের সাথে নগর বাউল জেমস থাকবেন। তিনি এ ব্যাপারে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘লাখো ভক্তের এই শিল্পীর কনসার্ট নিয়ন্ত্রণে এখন প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছি। কনসার্টের টিকেটের মূল্য ধরা হয়েছে ১০০ টাকা।’

নবীগঞ্জের বাউলিয়ানা দিপু এবার গাইলো শফি মন্ডল ও রিংকুর সাথে ‘বন্ধুয়ার গান’


মতিউর রহমান মুন্না, নবীগঞ্জ থেকে
গানই যার বিশ্বাস, গানই যার প্রাণ, গানই যেন তার সবকিছু, আর সে হলো হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের ছেলে ‘বাউলিয়ানা দিপু’। যার পুরো নাম অলক কান্তি মহালদার দিপু। বাউল জগতে এখন এক পরিচিত নাম বাউলিয়ানা দিপু। তার জন্ম নবীগঞ্জ পৌর এলাকায়। তার পিতা অমিয় কান্তি মহালদার ও মা শিখা রানি মহালদার। জন্মস্থান নবীগঞ্জে হলেও দিপু ছোট বেলা থেকেই বেড়ে উঠে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সবুজবাগ আবাসিক এলাকায়।
যে দিপু ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি উন্মাদ ছিল। সমবয়সী ছেলেরা যখন খেলাধুলা নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো তখন দিপুর ভাবনা চিন্তায় থাকতো গান বাজনা। যার কারনে গানের উন্মাদনায় নিজেকে মাতাতে গান পাগল ছেলেটি বাউন্ডুলের মত ছুটে বেড়িয়েছে সর্বত্র। ছেলেটি গানের আসরে যোগ দিতে সদা প্রস্তুত থাকতো। এভাবেই ছোট বেলা থেকেই গানের একজন ভাল শ্রোতা হয়ে যায় দিপু। আর গানের প্রতি তার প্রবল এই আর্কষন ও আগ্রহে থেকেই হাটি হাটি পা পা করে সংগীতের দিকে ঝুঁকে যাওয়া। যার ফলশ্রুতিতে সংগীত চর্চার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি। বর্তমান প্রজন্মের গায়করা হিপহপ মর্ডান গান নিয়ে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তারা বাংলা লোকসংস্কৃতি ভুলে গিয়ে দিন দিন মর্ডানের দিকে এগাচ্ছেন। আর টিক তখনই দিপুর চর্চার বিষয় থাকে বাউল গান। দিপুর সংগীতের হাতেখড়ি হয় তারই মাসি নিপা রানী দাশের কাছ থেকেই। এরপর বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত কণ্ঠশিল্পী রাখাল চক্রবর্তী ও বিশিষ্ট্য বাঁশি বাদক বারী সিদ্দিকী‘র কাছে সংগীত চর্চা করেন দিপু। সংগীতকে আত্মার আত্মীয় বানিয়ে সেই থেকে আজ পর্যন্ত নিজের অন্তরে আঁকড়ে ধরে রেখেছে দিপু। সংগীতকে আঁকড়ে ধরে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে হেঁটে পথ চলতে চলতে আজকের এই দিপু’র সৃষ্টি।
যার কন্ঠে সর্বত্র বেজে উঠে ফোঁক, বাউল ও লালনের গান। ইতিমধ্যে পিতলের কলসি, বাউলিয়ানা, শ্যাম, স্বজনী ও অন্তর্যামী নামের অ্যালবাম দিয়ে বাউলিয়ানা দিপু সংগীত পিপাসু দর্শকদের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
দিপুকে কখনোই হিন্দি বা ইংলিশ গান গাইতে দেখা যায় না। বাউল গান করেন সবসময়। লালন সাঁই, বাউল শাহ আব্দুল করিম, শ্রী রাধারমন দত্ত, দেওয়ান হাসন রাজা, ফকির দুর্বিন শাহ, সিতালং ফকির, ক্বারী আমির উদ্দিন, জালাল খাঁ, আক্কাস দেওয়ান, বিজয় সরকার, মনমোহন দত্ত সহ সব বাউল গান এর চর্চা করেন এবং তাদের গান সব শ্রেনীর মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
বাংলাদেশের এমন কোন জেলা নেই যেখানে দিপু গান করেন নি। দেশের সুনামধন্য গায়ক সুবীর নন্দি, আশরাফ উদাস, মমতাজ, ডলি শায়ন্তনি, চন্দনা মজুমদার, শাহনাজ বেবী, রিংকু, শফি মন্ডল, বাউল সিরাজ উদ্দিন, রনেশ ঠাকুর সহ দেশের নামি দামী শিল্পীদের সাথে বেশ কয়েকটি অনুষ্টানে একমঞ্চে গান করেছেন তিনি। সিলেট বিভাগের বড় বড় অনুষ্টানে সবসময়ই আমন্ত্রন পান তিনি। দিপু শাহ আব্দুল করিম পরিষদের একজন অন্যতম সদস্য। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে অগ্রনি ভূমিকা পালন করেন।
সংগীত জগতে আসার পর থেকেই দিপুর স্বপ্ন ছিল দেশের জনপ্রিয় দুই বাউল শিল্পী বাউল শফি মন্ডল ও রিংকুর সাথে একটি গানের এ্যালব্যামে কাজ করার। দিপুর নতুন এ্যালব্যাম ‘বন্ধুয়ার গান’ এ বাউল শফি মন্ডল ও রিংকুর সাথে কাজ করার মাধ্যমে স্বপ্নপূরণ হয়েছে বলে জানান দিপু।
দিপুর নতুন এ্যালব্যামে দেশের জনপ্রিয় দুই বাউল শিল্পীর মধ্যে বাউল শফি মন্ডল এর বাড়ি কুষ্টিয়া জেলা। তিনি লালন সাইজির বর্তমান ধারক ও বাহক। উনার ৩টি এ্যালব্যাম আছে বাজারে। অপর জন রিংকু যার নাম কারো কাছে অচেনা নয়। বাউল শিল্পীর নাম আসলেই বেড়িয়ে আসে রিংকুর নাম। যার সুনাধ দেশ জুড়ে। ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সেই রিংকুর বাড়ি নওগা এলাকায়। বাজারে আছে তার ৭টি এ্যালবাম। তার গানগুলো সংগীত পিপাসুদের মুখে প্রতিদিনই শুনা যায়।
নিজের নতুন এ্যালব্যামের ব্যাপারে দিপু জানান, ‘ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল লোকগানের প্রতি আমার দূর্বলতা ছিল। ইচ্ছা ছিল বাউল শফি মন্ডল ও রিংকু ভাইয়ের সাথে কাজ করার। ‘বন্ধুয়ার গান’ এ্যালব্যাম আমার ইচ্ছা পূরণ করল। তাদের সাথে কাজ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। তাদের কাছে অনেক কিছু শিখেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ্যালব্যামের কাজ শেষ। চলছে প্রচার প্রচারণার কাজ। আগামী ২৩ মার্চ মোড়ক উন্মোচন করা হবে এই এ্যালব্যামের।’
সম্পর্ক ক্রিয়েশনের ব্যানারে ও মহতের সৌজন্যে ‘বন্ধুয়ার গান’ এ্যালব্যামের গানগুলো লিখেছেন অনামিকা সিন্হা অনু আর গানগুলো সুর করেছেন মোবারক হোসেন ও নোমান সজীব। এ্যালব্যামে দিপুর পাশাপাশি থাকছে বাউল শফি মন্ডল ও রিংকুর গাওয়া গান। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) সিলেটের হাংরি স্টেশন নামক একটি রেষ্টুরেন্টে আয়োজন করা হয়েছে এ্যালব্যামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের। পিতলের কলশি, শ্যাম, অন্তর্যামি, সরলার পর বন্ধুয়ার গান দিপুর চতুর্থ এ্যালবাম।

কণ্ঠশিল্পী মাজারুল ইসলাম মাসুম তার সংগীত ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা

এখনো তোমার কন্ঠ শুনে কেঁপে উঠে কত প্রান,এখনো তোমার ভাষন শুনে কাদে মানুষের প্রাণ এখনো কাঁদে তোমার মেয়ে শেখ হাসিনার প্রাণ, এইত আমায় গান শেখ মুজিবুর রহমান, এখনো তোমার জন্য কত যোদ্ধা থাকে চেয়ে, তোমার মেয়ে বাবা বলে কাদে দেখনা তুমি চেয়ে। এখনো কাদে হাজার রিদয় লক্ষ কোটি প্রাণ, এইত আমার গান, এখনো তোমার বাংলায় কত শত্রুরা খেলা করে,দেশটা গরতে তোমার মেয়ে দিন রাত খেটে মরে,গাইব আমি গান আমি রাখবো দেশের মান। এইতো আমার গান। এই জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা, যার এক গানেই মন কেড়ে নিলো, এবং জয় করে নিল সরিষাবাড়ীর পৌর মেয়র মো:রুকনুজ্জামান রুকনের মন।সে আর কেউ নয় বর্তমান তরুণ প্রজন্মের কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম। জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী মাজারুল ইসলাম মাসুম তার সংগীত ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেন বিবিসি লাইভের সঙ্গে। বিবিসি লাইভ: কেমন আছেন আপনি? মাসুম: ভালো আপনি? বিবিসি লাইভ: ভালো আছি। বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে? মাসুম: এই তো গান নিয়েই আছি। বিবিসি লাইভ: আপনার গান ও ছেলেবেলা সম্পর্কে জানতে চাই। মাসুম: আমি ছোটবেলা খুব দুষ্টু ছিলাম। স্কুলে ইউনিফর্ম কাদা-বালি মাখিয়ে বাসায় আসতাম। গান শোনার জন্য বন্ধুরা আমাকে ঘিরে থাকতো সবসময়। বড় হওয়ার সাথে সাথে দুষ্টুমিগুলো অনেক কমে গেছে। বিবিসি লাইভ: শুনেছি অনেক ভাল গান করেন, কিভাবে গাইতে পারেন এত সুন্দর করে? মাসুম: আসলে কথাটা ঠিক নয় আল্লাহ যেটুকু ই দিয়েছন সেটার জন্যই মানুষের মনের মাঝে পৈাছাতে পারি। আর যারা বলে আমি ভালো গাই, তারা আমাকে খুব ভালোবাসে। তাই সবাই একটু বেশিই বলে। কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম- মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম- মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন বিবিসি লাইভ: বর্তমান অবস্থানে কিভাবে আসলেন? মাসুম: আল্লহর অশেষ রহমত ও ইচ্ছায় এবং মেয়র আমার বড় ভাইয়ের, সহযোগিতায় ঢাকায় এসেছি, যেটুকু সুর আল্লাহ আমাকে দিয়েছন শহরের গুনি দের কাছাকাছি থেকে তার পরিচর্জা করার জন্য এমনকি, অনেক কিছুই শিখছি যা আমার জন্য আশির্বাদ সরুব।আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমার নতুন জীবনের শুরুই মেয়র মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন। এবং সংগীত জীবনে পেয়েছি অনেকেরি সহযোগিতা ও অনেক অনেক ভালবাসা। সংঙ্গীত নিয়ে সবার কিছু না কিছু আশা আকাঙ্ক্ষা থাকে তবে আশা করার আগেই অনেকে আবার অনেক কিছু পেয়ে যায় তেমনি ঢাকায় এসে আমার যোগ্যতার চেয়েও যে বেশি কিছু দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছে আমার বন্ধু, ভাই, বাংলাদেশের তমুল জনপ্রিয় গীতিকার এইচ এম রিপন। গীতিকার এইচ এম রিপন- কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম -মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন গীতিকার এইচ এম রিপন- কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম -মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন বিবিসি লাইভ: এতো সুন্দর গান করার সময় কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখেন? মাসুম: গানগুলো করার সময় আমি অবশ্যই একটা ইমাজিনেশন মাথায় আনি- এখন কাকে আনি সেটা তো বলতে পারবো না। এটা একান্তই ব্যক্তিগত। এটা আমার ক্রিয়েটিভিটির জায়গা। আপনার পরিবার, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব যত যাই কিছু থাকুক না কেন- যখন আপনি কোনো সৃষ্টির খোঁজে যাবেন তখন আপনাকে একা হতে হবে। বিবিসি লাইভ: ক্রিয়েটিভ জায়গায় আপনার অনুভূতি কেমন হয়? মাসুম: আই থিংক, এই ব্যাপারে আমি পুরো স্বাধীন থাকি। যেটা করে আমার আত্মা শান্তি পাবে আমি কিন্তু সেটাই করি। শেষ পর্যন্ত গানটা আত্মার স্বাধীনতা থেকেই আসে। বিবিসি লাইভ: অবসরে কী করেন? মাসুম: অবসরে আমার মাথায় দুটো বিষয় বেশি নাড়া দেয়। মেয়র আমার বড় ভাই আমায় আবিষ্কার করেছেন। তখন আমি আমার নিজেকে আবিষ্কার করি। বিবিসি লাইভ: ধন্যবাদ আপনাকে বিবিসি লাইভে সময় দে’য়ার জন্য। মাসুম: আমার পক্ষথেকে বিবিসি লাইভ পরিবারকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা

মিতার বাল্যবিবাহকে প্রাধান্য দিয়ে শুচি’র চলচ্চিত্র “ঘুড়ি”


নজরুল ইসলাম তোফা|| ঘুড়ি ওড়ানো একটি মজার খেলা। গাঁয়ের কিশোর কিশোরী ঘুড়ি ওড়ানো খেলায় সারা বেলা ব্যস্ত থাকে। অবসরের এই বিনোদন মূলক কাজে কিশোর কিশোরীরাই পরিবারের অবাধ্য হয়েই করে থাকে। বাংলাদেশের ‘ঘুড়ি’ বিনোদন অনেক পুরোনো ইতিহাস রয়েছে। সেই মোঘল আমলে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ঘুড়ি নিয়ে অনেক ঘটনা আছে। নবাবরাই প্রথম শুরু করে ‘ঘুড়ি’ বিনোদন। এই বিনোদন করাটা নবাব পরিবারের রেওয়াজ ছিল। গ্রাম বাংলার কিশোর কিশোরীর কাছে ধীরে ধীরে তা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। বাঙালি সংস্কৃতিতে ‘ঘুড়ি’ বিনোদন এখন একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান। গ্রাম বাংলায় ‘ঘুড়ি’ বিনোদন পৌষ সংক্রান্তি অর্থাৎ পৌষ মাসের শেষ দিনে আকাশ ছেয়ে যায়।

গাঁয়ের দুরন্ত ও চঞ্চল কিশোরী মেয়ে মিতা সহ বেশ কিছু কিশোর কিশোরী ঘুড়ি-লাটাই নিয়ে ছুটাছুটি করে গ্রামীণ জনপদে। তারা কেউ কেউ দোকান থেকে কিনে উড়ায় ঘুড়ি তবে বেশির ভাগই নিজে নিজেই ঘুড়ি বানিয়ে মজা উপভোগ করে। তবে মিতার নিজ বয়সের প্রতি কোন খেয়াল নেই। মিতা বাবার অবাধ্য হয়ে কাগজ কেটে তাতে আঠা দিয়ে কয়েকটি বাঁশের চিকন কাঠিতে আটকিয়ে বানিয়ে ফেলে ঘুড়ি। মিতা তার সঙ্গীকে বলে ঘুড়িকে বেঁধে রাখ সুতায়, আরেক মাথায় রাখ লাটাই। ব্যস। হয়ে গেল ঘুড়ি। এখন শুধু ওড়ানোর অপেক্ষা।  মৃদু বাতাসে খোলা মাঠে, হোঝা নদীর ধারে বা নিজ ভবনের ছাদে উঠে ছেড়ে দিলেই উড়তে থাকে সাইঁ সাইঁ করে ঘুড়ি। মিতা ঘুড়ি ওড়ানোর সময় লাটাই নীচের দিকে টান দেয়। বাতাসের গতির বিপরীত দিক থেকে উড়ে ঘুড়ি। বাতাস ঘুড়িকে এমন করে দুরদিগন্তে ভাসিয়ে রঙিন স্বপ্ন দেখে মিতা। মিতার বাবা এই স্বপ্নের মাঝে অশনির সংকেত দেয়। এভাবেই মিতা চলতে চলতে হঠাৎ একদিন জানতে পারে মিতার মাও বিয়ের আগে তার মতোই ঘুড়ি উড়িয়ে বেড়াতো। মিতার বাবা মিতাকে ঘুড়ি ওড়ানো থেকে দূরে সরে আনতে তার মাকে নির্দেশ দিলে কাজ না হলে মিতার বিয়ের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ রূপে পাকাপোক্ত করে। কিন্তু মিতা বাল্যবিয়েতে রাজি হয় না। তবে সামাজিক পরিস্থিতি মিতাকে বিয়ে বাধ্য করে। এ বাল্যবিয়ের কারণে মিতার জীবনে নেমে আসে অমানিশার ঘোর।

আকাশে রঙিন ঘুড়ি দেখতে কার না মন আনন্দে ভরে উঠে। এমন ইচ্ছে নিয়ে কৈশোরে ফিরে যেতে চান নাট্যকার ও পরিচালক নাহিদা সুলতানা শুচি। শৈশবের স্মৃতিকে স্মরণ করে মিতা নামের মেয়েটির গল্প নিয়ে নির্মাণে মগ্ন হয়েছে তিনি। সেসব স্মৃতি, সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘ড্রিম মেকিং প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে। ক্যামেরা ম্যান সাঈদ খান আফ্রিদী সফলতার সাথে কাজ করেছে। ঘুড়ি ফিল্মে টেলিভিশন নাটক ও বিজ্ঞাপন অভিনেতা অভিনেত্রী নজরুল ইসলাম তোফা, সাবেরা ইয়াসমিন সীমা অভিনয় করেছে, মিতা চরিত্রে উদীয়মান মডেল তরুণী পিউ আফরিন অভিনয় করেছে, বান্ধবী চরিত্রে আরফিন এবং শিশুশিল্পী তিথি সহ আরো অনেকে চমৎকার অভিনয় করেছে।

জনপ্রিয় কণ্ঠিশিল্পী হাবিবের সংসার ভেঙ্গে গেল।

দেশীয় সংগীতাঙ্গনের হার্টথ্রব শিল্পী হাবিব ওয়াহিদ। গত কিছুদিন ধরেই তার সংসার ভাঙনের খবর হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছিল। শুধু তাই নয়, স্ত্রী রেহানের সঙ্গে এ শিল্পীর চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেছে বলেও আজ(রোববার) সকাল থেকে খবর চাউর হয়েছে একাধিক গণমাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে হাবিবের মতামত জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বারবারই তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এর মধ্যেই আজ( রোববার) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে খবরের সত্যতা স্বীকার করে তিনি ফেসবুকেও একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে হাবিব বলেছেন, ‘গত ১৯শে জানুয়ারি  দুর্ভাগ্যক্রমে আমার এবং রেহানের সমঝোতামূলক বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। আসলে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কে টানাপোড়নের ঘটনা নতুন কিছু নয়। আমাদের ক্ষেত্রেও এর ব্যাতিক্রম কিছু নয়। ৫ বছরে আমরা একে অপরকে জানার সময় পাই। ক্রমে বুঝতে পারি যে, আমাদের লাইফস্টাইল ভিন্ন ও এক পর্যায়ে আমরা দু’জনেই এটা উপলব্ধি করি যে আলাদা হয়ে যাওয়াটাই আমাদের দু’জনের শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য সবচেয়ে উত্তম সমাধান।’ হাবিব আরও লিখেছেন, ‘আমাদের একটি পুত্রসন্তান আছে যার নাম আলীম ওয়াহিদ। অবশ্যই তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর মানসিক বিকাশের কথা সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমি সবসময় চাইবো আমার ও রেহানের মধ্যে সবসময় একটি পারস্পরিক সম্মানজনক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকুক।’

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসটি শুধু প্রিয়তম-প্রিয়তমার জন্য নয়!


এস,এম শাহাদৎ হোসাইন,গাইবান্ধা প্রতিনিধি: আজ ২ ফাল্গুন ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালবাসা দিবস। দিবসটি পালনে তরুন তরুনীরা নানা সাজে সাজিয়ে মনের মানুষকে শুভেচ্ছা জানাতে কখনো ভূর করে না।এই দুনিয়ায় প্রেমিক-প্রেমিকার চিঠি চালাচালির বিষয়টি যুগে যুগে ভাস্বর। হৃ দয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে কেউ ভাল না বাসলেও, সভ্যতা খুঁড়ে প্রাচীন প্রেমপত্র খুঁজে বের করাই যায়। প্রত্নত্বত্তের পাথুরে প্রমাণ, পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রেমপত্রটি নাকি অন্তত ৪ হাজার বছরের পুরনো। আর সেই চিঠি মানে, এক খ- পাথুরে মাটি। পাওয়া গিয়েছে ক্যালডিয়ায়। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মেসোপটেমিয়ার এক কোণের একটা এলাকা ক্যালডিয়া, যেখানে একটা রমরমা সভ্যতা ছিল। সেখানকার লোকেরা কথা বলত- হিব্রু, আরবি, যিশুর ভাষা অ্যারামাইকসহ নানান ভাষায়। সেখানেই, সম্ভবত ২২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনের এক ছেলে চিঠি লিখেছিলো ইউফ্রেটিস তীরের শহর সিপারায় থাকা এক মেয়েকে। “ও আমার কাসবুয়া (ছোট্ট ভেড়ার ছানা), এই চিঠি লিখছি আমি, মারদুক (ব্যাবিলনের অধিষ্ঠাতা দেবতা)-এর ভক্ত। তোমার শরীর কেমন আছে, যদি জানতে পারতাম! থাকি ব্যাবিলনে, তোমাকে দেখিনি কোনও দিন, আর তাই খুব চিন্তায় আছি। তুমি কবে আমার কাছে আসছ? অনেক দিন বেঁচে থাকো, অন্তত আমার জন্য।” মাটির টুকরোয় লেখা এ রকম চিঠি সে কালের দিওয়ানাদের মধ্যেও চালাচালি হত। না-দেখা মেয়েটির জন্যে প্রেমিকের হৃদয় কেমন পুড়ছে! পাথুরে মাটিতে লেখা এই চিঠিতেই সেটা বোঝা যায়। বিরহী এ হৃদয়ের যন্ত্রণা বোঝাতে প্রেয়সীর কাছে সেই চিঠি পৌছে দিত মেঘদূত।এ ছাড়া ১৪৭৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে লেখা একটা চিঠি। প্যাস্টনবাড়ির ছেলে জন প্যাস্টনকে লিখেছিলো তার প্রেমিকা মার্গারি ব্রিউস। চিঠির সম্বোধন ‘মাই রাইট ওয়েল-বিলাভেড ভ্যালেন্টাইন’। মার্গারির বক্তব্য তার শরীর-মন কোনটাই ভাল নেই। থাকবেও না, যতক্ষণ না জনের ফিরতি চিঠি আসছে। মেয়েটি লিখছে ‘আমার বিশ্বাস তুমি আমাকে ভালবাসো। জানি, তুমি আমাকে ছেড়ে যাবে না’। জন প্যাস্টন আর মার্গারি ব্রিউসের বিয়েটা পরে হয়েছিল ঠিকই। সে বিয়ে কেউ মনে রাখেনি। কিন্তু ইতিহাসে থেকে গেছে মার্গারির সেই চিঠিটা। ইংরেজি ভাষায় লেখা সেটাই প্রথম ভ্যালেন্টাইন লেটার। ভ্যালেন্টাইন, প্রেম আর বসন্তের মায়াময় সময়ের কথা সবার আগে লিখে গিয়েছেন ইংরেজ কবি জিওফ্রি চসার। চতুর্দশ শতকের শেষের দিকে লেখা তাঁর দীর্ঘ কবিতা ‘পার্লামেন্ট অব ফাউলস’ এ আছে, সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে, নরম বসন্তের দিনে পাখিরা তুমুল পাখসাটে খুঁজে নিচ্ছে নীড়বন্ধুকে। শেক্সপিয়রের ‘হ্যামলেট’ এ আবার অন্য মাত্রা। প্রেমিকের হাতে বাবা পোলোনিয়াস খুন হওয়ার পর পাগলিনিপ্রায় ওফেলিয়া গুনগুনিয়ে ওঠে,‘টুমরো ইজ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে, / অল ইন দ্য মর্নিং বিটাইম, / অ্যান্ড আই আ মেড অ্যাট ইয়োর উইন্ডো, / টু বি ইয়োর ভ্যালেন্টাইন’ বসন্ত বাতাসে হৃদয়ের মিথস্ক্রিয়ায় সারা বিশ্বের প্রেমপিয়াসী যুগলরা বছরের এ দিনটিকেই বেছে নেয় মনের গহিনের কথকতার কলি ফোটাতে। চ-িদাসের অনাদিকালের সেই সুর ‘দুহঁ করে দুহঁ কাঁদে বিচ্ছেদ ভাবিয়া/ আধতিল না দেখিলে যায় যে মরিয়া/ সখী কেমনে বাধিঁব হিয়া’। এ আবেদনও বাজে কারও কারও হৃদয়ে। দিনটি যে শুধু তরুণ-তরুণীদের নয়, পিতামাতা সন্তানদের ভালবাসাও বড়মাত্রায় উদ্ভাসিত করে। যারা একটু বিজ্ঞ তারা বলেন, প্রেমের কোন দিন থাকে না, ভালবাসলেই ভ্যালেন্টাইন, সেলিব্রেট করলেই ভ্যালেন্টাইন ডে। ভালবাসার এই দিনটির ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে অনেক ধরণের কাহিনীর কথা জানা গেছে। প্রধান যে কাহিনী প্রচলিত আছে তা এক রোমান ক্যাথলিক পাদ্রি বা সন্তের কাহিনী। তার নাম সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। তিনি ছিলেন একজন চিকিৎসক ও পাদ্রি। তখন রোমানদের দেবদেবীর পূজোর বিষয়টি ছিল মূখ্য। তারা বিশ্বাসী ছিলেন না খ্রিস্টান ধর্মে। কিন্তু খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের অপরাধে ২০৭ খ্রিষ্টাব্দে সাধু ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয় রোমের স¤্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াসের আদেশে। তবে তিনি যখন জেলে বন্দী, তখন ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ভালবাসার কথা জানিয়ে জেলের জানালা দিয়ে তাকে ছুড়ে দিত চিরকুট। বন্দী অবস্থাতেই তিনি চিকিৎসার মাধ্যমে জেলারের অন্ধ মেয়েকে ফিরিয়ে দেন দৃষ্টিশক্তি। অনুমান করা হয় মেয়েটির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মৃত্যুর আগে মেয়েকে একটি চিঠি লেখেন, সেখানে তিনি উল্লেখ করেন ‘ফ্রম ইউর ভ্যালেন্টাইন’ বলে। অনেকের মতে এই সাধু ভ্যলেন্টাইনের নামানুসারে পোপ প্রথম জুলিয়াস ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারীকে ভ্যালেন্টাইন ডে হিসাবে ঘোষণা করেন। আরও একটি ভ্যলেন্টাইনের নাম পাওয়া যায় ইতিহাসে। যুদ্ধের জন্য সৈন্য সংগ্রহে ছেলেদের বিয়ে করতে নিষিদ্ধ করেন রোমান স¤্রাট ক্লডিয়াস। কিন্তু যুবক ভ্যালেন্টাইন সেই নিষেধ অমান্য করে বিয়ে করেন। ফলে তাকে মৃত্যুদ- দেয়া হয়। তার নামানুসারেও এই দিনটি চালু হতে পারে এমনও ধারণা রয়েছে। ‘তোমরা যে বল তোমরা যে বল দিবস রজনী, ভালোবাসা ভালোবাসা/সখী ভালোবাসা কারে কয়’। এভাবেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে গেছেন ভালোবাসার কথা। ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন’স ডে একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারী ভালোবাসা এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত হয়। বিশ্বজুড়ে হাসি, আনন্দ আর ভালোবাসায় উদযাপিত হয় দিনটি। দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হয়ে থাকে, যদিও অধিকাংশ দেশেই দিনটি ছুটির দিন নয়। বর্তমান সময়ে নানা রঙ্গে, নানা আয়োজনে উদযাপন করা হলেও দিনটি শুরু হওয়ার ইতিহাস কিন্তু খুবই করুণ! এক মর্মান্তিক ভালোবাসার পরিণতি থেকেই এই দিনটির যাত্রা। ভালোবাসা দিবসটি শুধু প্রিয়তম-প্রিয়তমার জন্য নয়। এই দিবসের তাৎপর্য বিশাল ও সর্বজনীন। সন্তানের প্রতি পিতামাতার অপত্য স্নেহ এবং পিতামতার প্রতি সন্তানের আন্তরিক সংবেদন সব মিলিয়েই ভালোবাসার এই দিন। আদরের ছেলেমেয়ের জন্য বাবা-মার থাকবে অসীম মঙ্গল প্রার্থনা। ছেলেমেয়েও শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত করবে বাবা-মাকে।

আত্রাইয়ে কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির অপরূপ শিল্প বাবুই পাখির বাসা


নওগাঁ প্রতিনিধি : ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়ুই, কুঁড়েঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে’ কবি রজনী কান্ত সেনের এই অমর কবিতাটি এখন এদেশে ৩য় শ্রেণীর বাংলা বইয়ে পাঠ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকের কবিতা পড়েই এখনকার শিক্ষার্থীরা বাবুই শিল্পের অলৌকিক কথা জানতে পারছে। এখন আর চোখে পরেনা বাবুই পাখি ও তার নিজের তৈরী দৃষ্টিনন্দন সেই ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য।
হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির বয়ন শিল্পী, স্থপতি এবং সামাজিক বন্ধনের কারিগর বাবুই পাখি ও তার বাসা। খড়, তালপাতা, ঝাউ ও কাশবনের লতাপাতা দিয়ে বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে। সেই বাসা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা পরে যেতনা। বাবুই পাখির শক্ত বুননের এ বাসাটি শিল্পের এক অনন্য সৃষ্টি যা টেনেও ছেঁড়া সম্ভব নয়।
একসময় বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে সারি সারি উঁচু তালগাছে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা দেখা যেত। এখন তা আর সচরাচর চোখে পরেনা। কালের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেই দৃষ্টি ভোলানো পাখিটিকেও তার নিজের তৈরী বাসা যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে আরও ফুটিয়ে তুলত, তা আজ আমরা হারাতে বসেছি। বাবুই পাখি বাসা তৈরির পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সাথী বানানোর জন্য নানাভাবে ভাব-ভালবাসা নিবেদন করে এরা। বাসা তৈরির কাজ অর্ধেক হলে কাঙ্খিত স্ত্রী বাবুইকে সে বাসা দেখায়। বাসা পছন্দ হলে কেবল সম্পর্ক গড়ে। স্ত্রী বাবুই পাখির বাসা পছন্দ হলে বাকী কাজ শেষ করতে পুরুষ বাবুই পাখির সময় লাগে চারদিন। স্ত্রী বাবুই পাখির প্রেরণা পেয়ে পুরুষ বাবুই মনের আনন্দে শিল্পসম্মত ও নিপুণভাবে বিরামহীন কাজ করে বাসা তৈরির কাজ শেষ করে। প্রেমিক বাবুই যত প্রেমই দেখাক না কেন, প্রেমিকা ডিম দেয়ার সাথে সাথেই প্রেমিক বাবুই আবার খুঁজতে থাকে অন্য সঙ্গী। পুরুষ বাবুই এক মৌসুমে ছয়টি বাসা তৈরি করতে পারে। ক্ষেতের ধান পাকার সময় হলো বাবুই পাখির প্রজনন মৌসুম। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবার পরপরই বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য স্ত্রী বাবুই ক্ষেত থেকে দুধ ধান সংগ্রহ করে।
বর্তমানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যেতে বসছে প্রকৃতির এক অপরূপে সৃষ্টি বাবুই পাখি। প্রকৃতির বয়ন শিল্পী, স্থপতি ও সামাজিক বন্ধনের কারিগর নামে সমধিক পরিচিত বাবুই পাখি ও তার অপরূপ শিল্পসম্মত বাসা এখন আর চোখে পরেনা।
এ বিষয়ে নাগরিক উদ্যোগের শাহাগোলা ইউনিয়নের দলিত মানবাধিকার কর্মী শ্রীঃ দিনেশ কুমার পাল বলেন, প্রকৃতির বিরুদ্ধে মানুষের আগ্রাসী কার্য্যকলাপের বিরুপ প্রভাবেই আজ বাবুই পাখি ও তার বাসা হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে দেশের কিছু কিছু জায়গায় এখনো চোখে পড়ে বাবুই পাখির বাসা। বাবুই পাখি ও তার বাসা টিকিয়ে রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তিনি।

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলা, স্টার জলসা, স্টার প্লাস বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

১৯শে জানুয়ারী, ২০১৭ইং তারিখে বিশেষ করে জি বাংলা, স্টার জলসা, স্টার প্লাস এই তিনটি ভারতীয় চ্যানেল বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার রিটের বিষয় মহামান্য হাইকোর্ট রায় দিবেন। আমরা আগ্রহ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছি।
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা
১) আপনারা জানেন বাংলাদেশের একটি নিজস্ব সংস্কৃতি ও কৃষ্টি রয়েছে। আছে মজবুত সামাজিক মূল্যবোধ। পারিবারিক ও সামাজিক সম্প্রীতির সার্বজনীন ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আমরা বসবাস করে আসছি। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের জীবন যাপনে নানা পরিবর্তন এসেছে। সেখানে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, কৃষ্টি, মূল্যবোধ গুরুত্ব হারাচ্ছে বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে।
২) আমরা অনেক দিন ধরে আকাশ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কোন কথা বলছি না। মনে হতে পারে আকাশ সংস্কৃতি আমাদের জীবন ধারণের সাথে মানিয়ে গেছে। হ্যা, বর্তমান স্যাটেলাইটের যুগে তথ্য প্রযুক্তি সহ বিশে^র খবর জানা আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের চাহিদা হয়ে দাড়িয়েছে। কেননা বিশে^র প্রতিটি দেশেই আমাদের দেশের মানুষ বসবাস করছেন। এবং নানা ক্ষেত্রে তারা দেশের মুখ উজ্জ্বল করে। দেশের অর্থনীতিতে যে রির্জাভের কথা শুনে থাকি তাদের পাঠানো।
৩) কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে আকাশ সংস্কৃতির ব্যাপক কু-প্রভাব। আমরা দুঃচিন্তার সাথে অনুধাবন করছি পারিবারিক ভালবাসার সাবলিল জায়গাগুলো ধীরে ধীরে অনেকখানিক ক্ষয়ে গেছে। এখনই সময় এই কু-প্রভাব থেকে নিজস্ব সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা করা।
৪) আপনারা সচেতন ভাবে জানেন জি বাংলা, স্টার জলসা, স্টার প্লাস এই চ্যানেলগুলো সিরিয়াল নির্ভর অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাই এরা প্রতিটি সিরিয়ালে নারী প্রধান চরিত্র চিত্রায়িত করে থাকে। পুরুষ চরিত্রগুলো সহায়ক হয়ে থাকে। এই চ্যানেলগুলোর উদ্দেশ্য নারী দর্শকদের তাদের সিরিয়াল দেখতে বাধ্য করা। বানিজ্যিক উদ্দেশ্য তাদের অন্যতম লক্ষ্য। আমরা সচেতনভাবে এই অবক্ষয়ের শিকার হতে পারি না। কিছু  কুফল নিচে তুলে ধরা হলো।
ক) সংসারের কর্ত্রী সিরিয়াল দ্বারা এতোই প্রভাবিত হয়ে থাকেন যে, সব কাজ পড়ে থাকুক কিন্তু সিরিয়াল দেখা মিস করা যাবে না। এতোটাই নেশাগ্রস্থ থাকেন যে, স্বামীর সাথে কলহ করতে তাদের যুক্তির অভাব হয় না।
খ) সন্তানদের লেখাপড়ার খোঁজ রাখার মত বিষয়ে উদাসীন হয়ে থাকে। মাতৃ¯েœহ থেকে শিশুরা বঞ্চিত হয়ে থাকে। শিক্ষিত মা সন্তানদের লেখাপড়ার কোন ভুমিকা রাখতে পারে না। গৃহশিক্ষকের উপর সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব দিয়ে তারা নিশ্চিত। শিশুরা মায়ের স্নেহ-মমতার বদলে শাসন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে।
গ) মেয়েরা পড়ালেখা ভূলে অনৈতিক শিক্ষা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নানা রকম অবাধ্যতা দেখায়। যা পরিবারের জন্য ভয়ের কারন হয়ে যায়।
ঘ) সিরিয়ালে পুরুষ নারীর বাধ্য থাকে সাধারণত। ফলে নারীর ক্ষমতা সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এদেশের বিবাহিত নারীরা উপলব্ধিতে আনতে পারে না। তাদের অনেকেই পরোকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। গতকাল বাংলাদেশ শিশু ফাউন্ডেশনের রির্পোটে প্রকাশিত হয়েছে। শিশু নির্যাতনের একটি প্রধান কারণ হিসেবে পরোকীয়া উঠে এসেছে।
ঙ) সিরিয়ালের কারণে পরিবারের রান্না-বান্না, শিশুদের স্কুলে নেয়া ইত্যাদি বাড়ির কাজের মেয়ের উপর ন্যাস্ত থাকে। এতেও শিশুদের মানুসিক বিকাশ ভীষণভাবে বাধা গ্রস্থ হয়। শিশুরা বুয়ার আচরনে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। যা খুবই স্পর্শকাতর।
চ) সিরিয়াল কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে বিরুপ প্রভাব ফেলে। যৌণজীবন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা তাদের মনে আসন করে নেয়। অনেকই পর্নগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় অবাধ্য আচরণে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে।
ছ) ভারতীয় চ্যানেলের প্রতি টিভি দর্শকরা এতোটাই মোহগ্রস্থ যে দেশীয় টিভি অনুষ্ঠান দেখার রুচিই তাদের নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে আমাদের টিভি নির্মাতারা পর্যাপ্ত বাজেটের অভাবে ভাল কিছু করতে পারছেন না। টিভিগুলোা বিদেশী সিরিয়াল বাংলায় ডাবিং করে বিজাতীয় সংস্কৃতি দেশী
 টিভিতে চালাচ্ছে। ফলে দেশীয় সংস্কৃতি দুর্দিনে পড়েছে। ভারতীয় সিরিয়ালের কারণে বাংলাদেশে আত্মহত্যার মত ঘটনাও ঘটেছে  যা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এসেছে

লক্ষ্মীপুরে মাদক বিক্রেতার ১৫ জন স্ত্রী

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :- মাদক ব্যাবসায়ী আবদুর রহিমের ১৫ জন স্ত্রী। সেই লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ৭ নং বশিক পুর ইনিয়নের বড়লিয়া গ্রামের কাজীর দিঘির বাড়ির মোহাম্মদের পুত্র বলে জানা যায়। এলাকা বাসীর সূত্রে জানা যায় আবদুর রহিম মাদক ব্যবসায়ী নয় তবে সেই এই পযর্ন্ত্র ১৫ টা বিয়ে করে। শুনে অবাক লাগছে। ঘটনাটি শুনে অমাদের প্রতিনিধি ঘটনার স্থলে গিয়ে কাজী বাড়িতে মাদক ব্যবসায়ী আবদুর রহিম সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিয়ে কথা সত্য, তবে মাদক বিক্রয় আমি করি না। ১৫ টা বিয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনাদেরকে ঐ লক্ষ্মীপুরের চররুহিতার মাগি পাটিয়েছে তাকে পেলে আমি টুকরো টুকরো করবো। কারণ জান্তে চাইলে তিনি নাম প্রকাশ না করে বলেন ঐ মাগি আমার বিরুদ্দে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ৪ মাস জেলে রেখেছে। আমি এখন স্এিনজি চালাই, সিএনজির গাড়ির নম্বর জানতে চাইলে তিনি বলেন নম্বর জানিনা। আমি বদলিওয়ালা গাড়ি চালাই। এখন আমি আপাতত বেকার আছি। মাদক বিক্রয়তা আবদুর রহিমের পিতার মোহাম্মদ আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, একের পর এক বিয়ে করার কারনে আমি তাকে আমার ঘরে প্রবেশ নিষেধ করে দিয়। তবে সেই মাদক বিক্রয় করে না।
নাম প্রকাশ্যই অনিচ্ছুক কয়েক জন, জানান আবদুর রহিম এই পযর্ন্ত ১৫ টি বিয়ে করেছে, তার মধ্যে সোনা পুর একটি ,মাইজদি নোয়াখালী একটি, রামগঞ্জ একটি, বশিকপুরে একটি , লক্ষ্মীপুরে চরুহিতা একটি , মান্দারী একটি ,মোল্লার হাট একটি, চন্দ্রগঞ্জ একটি , কয়দিন বাড়িতে রেখে পরে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আমরা এলাকায় কয়েকটি স্ত্রী ও আবদুল রহিমের বিচার করে সমস্যা সমাধান দিয়েছি।
সচেতন মহলের ব্যাবসায়ীয় ইউসুপ জানান সেই কয়েক মাস পর পর একটি করে বিয়ে করে , টাকা পয়সা কিছু আদায় করে তাকে মারধর করে ছেড়ে দেয়। যৌতুক মামলা সেই কয়েক মাস জেলও খেটেছে।
আবদুল রহিম থেকে তথ্য নিয়ে বতমান স্ত্রীর জাহানারা বেগম লক্ষ্মীপুর চররুহিতা গ্রামের তার সাথে আবদুর রহিমের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান , পান থেকে চুন খঁসলেই” স্ত্রীর দোষ –ক্রটি ধরে, রাগারাগি করা, সামন্য ভুলেও বকাঝকা খেতে হয় স্বামীর কাছে। বিবাহি স্ত্রীদের ও শারীরিক নির্যাতন,মানষিক নিযাতন করে , স্ত্রীদের পিটিয়ে রক্তাক্তা করে , স্বামীর অত্যাচরা নিযাতর্ন সহ্যয না করতে পেরে একের পর এক সবাই পালিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন আবদুর রহিমের আমি ৪ র্থ স্ত্রী সামাজিক ভাবে আমাকে বিয়ে করে, আমার স্বামী আবদুর রহিম ,আমার মা বাবা ,কেউ নেই । এই পৃথিবীতে আমি একা আমি স্বামী হারা এখন রাস্তা ভিক্ষা করে কোনো রকম জীবন যাপন করছি। আমার স্বামী আমাকে শারীক, যৌন, অর্থনৈতিক, যৌতুক দাবি করতো ,আমি যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি করলে আমাকে সিগেরেটে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিত , কারেন্টরে সট দিত ,আমাকে ফেনী এক বস্তী এলাকায় বাসা ভায়া নিয়ে আমাকে রেখে আবদুল রহিম পালিয়ে আসে। সেই পায় সময় মার ধর করতো। তাই আমি তার বিরদ্ধে লক্ষ্মীপুর চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালতে যোতুক মামলা করি। সেই মাদক বিক্রয়তা আমি জানি। এই সব নোংরা কাজ করার কারনে আমি তাকে বাধাঁ দেওয়ার কারণে আজ আমার এই দর্শা আমি এখান কী করি কোথায় যাব কে করবে এ্র বিচার। আমি প্রশাসকের দৃষ্টি আর্কশন করছি যেন মাদক বিক্রয়তা আবদুর রহিমকে গ্রেফতার করে সমাজের যুবক, যুবতীদের কে রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানায়।

দুজনে ছিলেন শ্রেষ্ঠ বন্ধু হয়ে গেলেন শত্রু

শোলে’র জয়-বীরুর সম্পর্ককে বলা হয় রিল লাইফের শ্রেষ্ঠ বন্ধুত্ব। সেই সম্পর্ক যাঁরা রিয়েলে মেনেছিলেন তাঁদের নামও প্রায় সকলেরই জানা। সলমন খান এবং সঞ্জয় দত্ত। দুঃখ সুখে একে অন্যকে সব সময় পাশে পেয়েছেন। বলিউডের এই বন্ধুত্ব অনেকের মুখেই ঘোরাফেরা করে। কিছুদিন আগেই সঞ্জয় দত্ত ছাড়া পেলেন জেল থেকে। গোটা বলিউড হাজির হয়েছিল তার বাড়িতে। ছিলেন না সলমন। সত্যিই কী ভাঙন ধরেছে এই দুজনের বন্ধুত্ব? কী এমন ঘটে গেল হঠাৎ? প্রিয় বন্ধু ছাড়া পেল, আর এক বন্ধু দেখাই করল না।

আর এই ‘কোল্ড ওয়ার’ এর সুরাহা না হতে হতেই আরেক কাণ্ড। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাক্ষাতকার দিতে আসেন মুন্না ভাই। র‌্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে তাঁর কাছে উপস্থিত হয় একের পর এক প্রশ্ন। এমনই একটা প্রশ্নে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল একটি বিশেষণ যা সলমন খানের সঙ্গে যায়। তাতে সঞ্জু বাবা উত্তর দেন-‘দাম্ভিক’।

এই প্রথম বার হয়তো সলমনের নামে কোনও নেগেটিভ কথা বললেন তাঁর এক সময়ের প্রিয় বন্ধু। তাও আবার প্রকাশ্যে। তবে সলমন যে কেন সঞ্জুবাবাকে এড়িয়ে চলেছেন, সে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। প্রিয় বন্ধু জেল থেকে এলেই সলমন তাঁর নিজের বড়িতে পার্টি দেবেন, এই খবরই ছিল বলি পাড়ায়। কিন্তু শেষমেশ তা হয়নি। এরপরও অনেক সুযোগই হয়েছে ‘সাজন’ এর দুই তারকার দেখা হওয়ার। তবে সে দেখা হয়নি। ইচ্ছাকৃতই একে অপরকে এড়িয়ে গিয়েছেন। শোনা যাচ্ছিল সঞ্জয়ের স্ত্রীও নাকি অনেক চেষ্টা করছেন, দুই বন্ধুকে এক করবার। কিন্তু সেই সব চেষ্টাই বৃথা হয়েছে। আর তারপর তো সঞ্জয়ের এই র‌্যাপিড উত্তর আরও ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে, দু’জনের সম্পর্কের তিক্ততা।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »