Category: বিনোদন

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলা, স্টার জলসা, স্টার প্লাস বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

১৯শে জানুয়ারী, ২০১৭ইং তারিখে বিশেষ করে জি বাংলা, স্টার জলসা, স্টার প্লাস এই তিনটি ভারতীয় চ্যানেল বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার রিটের বিষয় মহামান্য হাইকোর্ট রায় দিবেন। আমরা আগ্রহ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছি।
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা
১) আপনারা জানেন বাংলাদেশের একটি নিজস্ব সংস্কৃতি ও কৃষ্টি রয়েছে। আছে মজবুত সামাজিক মূল্যবোধ। পারিবারিক ও সামাজিক সম্প্রীতির সার্বজনীন ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আমরা বসবাস করে আসছি। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের জীবন যাপনে নানা পরিবর্তন এসেছে। সেখানে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, কৃষ্টি, মূল্যবোধ গুরুত্ব হারাচ্ছে বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে।
২) আমরা অনেক দিন ধরে আকাশ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কোন কথা বলছি না। মনে হতে পারে আকাশ সংস্কৃতি আমাদের জীবন ধারণের সাথে মানিয়ে গেছে। হ্যা, বর্তমান স্যাটেলাইটের যুগে তথ্য প্রযুক্তি সহ বিশে^র খবর জানা আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের চাহিদা হয়ে দাড়িয়েছে। কেননা বিশে^র প্রতিটি দেশেই আমাদের দেশের মানুষ বসবাস করছেন। এবং নানা ক্ষেত্রে তারা দেশের মুখ উজ্জ্বল করে। দেশের অর্থনীতিতে যে রির্জাভের কথা শুনে থাকি তাদের পাঠানো।
৩) কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে আকাশ সংস্কৃতির ব্যাপক কু-প্রভাব। আমরা দুঃচিন্তার সাথে অনুধাবন করছি পারিবারিক ভালবাসার সাবলিল জায়গাগুলো ধীরে ধীরে অনেকখানিক ক্ষয়ে গেছে। এখনই সময় এই কু-প্রভাব থেকে নিজস্ব সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা করা।
৪) আপনারা সচেতন ভাবে জানেন জি বাংলা, স্টার জলসা, স্টার প্লাস এই চ্যানেলগুলো সিরিয়াল নির্ভর অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাই এরা প্রতিটি সিরিয়ালে নারী প্রধান চরিত্র চিত্রায়িত করে থাকে। পুরুষ চরিত্রগুলো সহায়ক হয়ে থাকে। এই চ্যানেলগুলোর উদ্দেশ্য নারী দর্শকদের তাদের সিরিয়াল দেখতে বাধ্য করা। বানিজ্যিক উদ্দেশ্য তাদের অন্যতম লক্ষ্য। আমরা সচেতনভাবে এই অবক্ষয়ের শিকার হতে পারি না। কিছু  কুফল নিচে তুলে ধরা হলো।
ক) সংসারের কর্ত্রী সিরিয়াল দ্বারা এতোই প্রভাবিত হয়ে থাকেন যে, সব কাজ পড়ে থাকুক কিন্তু সিরিয়াল দেখা মিস করা যাবে না। এতোটাই নেশাগ্রস্থ থাকেন যে, স্বামীর সাথে কলহ করতে তাদের যুক্তির অভাব হয় না।
খ) সন্তানদের লেখাপড়ার খোঁজ রাখার মত বিষয়ে উদাসীন হয়ে থাকে। মাতৃ¯েœহ থেকে শিশুরা বঞ্চিত হয়ে থাকে। শিক্ষিত মা সন্তানদের লেখাপড়ার কোন ভুমিকা রাখতে পারে না। গৃহশিক্ষকের উপর সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব দিয়ে তারা নিশ্চিত। শিশুরা মায়ের স্নেহ-মমতার বদলে শাসন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে।
গ) মেয়েরা পড়ালেখা ভূলে অনৈতিক শিক্ষা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নানা রকম অবাধ্যতা দেখায়। যা পরিবারের জন্য ভয়ের কারন হয়ে যায়।
ঘ) সিরিয়ালে পুরুষ নারীর বাধ্য থাকে সাধারণত। ফলে নারীর ক্ষমতা সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এদেশের বিবাহিত নারীরা উপলব্ধিতে আনতে পারে না। তাদের অনেকেই পরোকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। গতকাল বাংলাদেশ শিশু ফাউন্ডেশনের রির্পোটে প্রকাশিত হয়েছে। শিশু নির্যাতনের একটি প্রধান কারণ হিসেবে পরোকীয়া উঠে এসেছে।
ঙ) সিরিয়ালের কারণে পরিবারের রান্না-বান্না, শিশুদের স্কুলে নেয়া ইত্যাদি বাড়ির কাজের মেয়ের উপর ন্যাস্ত থাকে। এতেও শিশুদের মানুসিক বিকাশ ভীষণভাবে বাধা গ্রস্থ হয়। শিশুরা বুয়ার আচরনে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। যা খুবই স্পর্শকাতর।
চ) সিরিয়াল কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে বিরুপ প্রভাব ফেলে। যৌণজীবন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা তাদের মনে আসন করে নেয়। অনেকই পর্নগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় অবাধ্য আচরণে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে।
ছ) ভারতীয় চ্যানেলের প্রতি টিভি দর্শকরা এতোটাই মোহগ্রস্থ যে দেশীয় টিভি অনুষ্ঠান দেখার রুচিই তাদের নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে আমাদের টিভি নির্মাতারা পর্যাপ্ত বাজেটের অভাবে ভাল কিছু করতে পারছেন না। টিভিগুলোা বিদেশী সিরিয়াল বাংলায় ডাবিং করে বিজাতীয় সংস্কৃতি দেশী
 টিভিতে চালাচ্ছে। ফলে দেশীয় সংস্কৃতি দুর্দিনে পড়েছে। ভারতীয় সিরিয়ালের কারণে বাংলাদেশে আত্মহত্যার মত ঘটনাও ঘটেছে  যা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এসেছে

লক্ষ্মীপুরে মাদক বিক্রেতার ১৫ জন স্ত্রী

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :- মাদক ব্যাবসায়ী আবদুর রহিমের ১৫ জন স্ত্রী। সেই লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ৭ নং বশিক পুর ইনিয়নের বড়লিয়া গ্রামের কাজীর দিঘির বাড়ির মোহাম্মদের পুত্র বলে জানা যায়। এলাকা বাসীর সূত্রে জানা যায় আবদুর রহিম মাদক ব্যবসায়ী নয় তবে সেই এই পযর্ন্ত্র ১৫ টা বিয়ে করে। শুনে অবাক লাগছে। ঘটনাটি শুনে অমাদের প্রতিনিধি ঘটনার স্থলে গিয়ে কাজী বাড়িতে মাদক ব্যবসায়ী আবদুর রহিম সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিয়ে কথা সত্য, তবে মাদক বিক্রয় আমি করি না। ১৫ টা বিয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনাদেরকে ঐ লক্ষ্মীপুরের চররুহিতার মাগি পাটিয়েছে তাকে পেলে আমি টুকরো টুকরো করবো। কারণ জান্তে চাইলে তিনি নাম প্রকাশ না করে বলেন ঐ মাগি আমার বিরুদ্দে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ৪ মাস জেলে রেখেছে। আমি এখন স্এিনজি চালাই, সিএনজির গাড়ির নম্বর জানতে চাইলে তিনি বলেন নম্বর জানিনা। আমি বদলিওয়ালা গাড়ি চালাই। এখন আমি আপাতত বেকার আছি। মাদক বিক্রয়তা আবদুর রহিমের পিতার মোহাম্মদ আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, একের পর এক বিয়ে করার কারনে আমি তাকে আমার ঘরে প্রবেশ নিষেধ করে দিয়। তবে সেই মাদক বিক্রয় করে না।
নাম প্রকাশ্যই অনিচ্ছুক কয়েক জন, জানান আবদুর রহিম এই পযর্ন্ত ১৫ টি বিয়ে করেছে, তার মধ্যে সোনা পুর একটি ,মাইজদি নোয়াখালী একটি, রামগঞ্জ একটি, বশিকপুরে একটি , লক্ষ্মীপুরে চরুহিতা একটি , মান্দারী একটি ,মোল্লার হাট একটি, চন্দ্রগঞ্জ একটি , কয়দিন বাড়িতে রেখে পরে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আমরা এলাকায় কয়েকটি স্ত্রী ও আবদুল রহিমের বিচার করে সমস্যা সমাধান দিয়েছি।
সচেতন মহলের ব্যাবসায়ীয় ইউসুপ জানান সেই কয়েক মাস পর পর একটি করে বিয়ে করে , টাকা পয়সা কিছু আদায় করে তাকে মারধর করে ছেড়ে দেয়। যৌতুক মামলা সেই কয়েক মাস জেলও খেটেছে।
আবদুল রহিম থেকে তথ্য নিয়ে বতমান স্ত্রীর জাহানারা বেগম লক্ষ্মীপুর চররুহিতা গ্রামের তার সাথে আবদুর রহিমের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান , পান থেকে চুন খঁসলেই” স্ত্রীর দোষ –ক্রটি ধরে, রাগারাগি করা, সামন্য ভুলেও বকাঝকা খেতে হয় স্বামীর কাছে। বিবাহি স্ত্রীদের ও শারীরিক নির্যাতন,মানষিক নিযাতন করে , স্ত্রীদের পিটিয়ে রক্তাক্তা করে , স্বামীর অত্যাচরা নিযাতর্ন সহ্যয না করতে পেরে একের পর এক সবাই পালিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন আবদুর রহিমের আমি ৪ র্থ স্ত্রী সামাজিক ভাবে আমাকে বিয়ে করে, আমার স্বামী আবদুর রহিম ,আমার মা বাবা ,কেউ নেই । এই পৃথিবীতে আমি একা আমি স্বামী হারা এখন রাস্তা ভিক্ষা করে কোনো রকম জীবন যাপন করছি। আমার স্বামী আমাকে শারীক, যৌন, অর্থনৈতিক, যৌতুক দাবি করতো ,আমি যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি করলে আমাকে সিগেরেটে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিত , কারেন্টরে সট দিত ,আমাকে ফেনী এক বস্তী এলাকায় বাসা ভায়া নিয়ে আমাকে রেখে আবদুল রহিম পালিয়ে আসে। সেই পায় সময় মার ধর করতো। তাই আমি তার বিরদ্ধে লক্ষ্মীপুর চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালতে যোতুক মামলা করি। সেই মাদক বিক্রয়তা আমি জানি। এই সব নোংরা কাজ করার কারনে আমি তাকে বাধাঁ দেওয়ার কারণে আজ আমার এই দর্শা আমি এখান কী করি কোথায় যাব কে করবে এ্র বিচার। আমি প্রশাসকের দৃষ্টি আর্কশন করছি যেন মাদক বিক্রয়তা আবদুর রহিমকে গ্রেফতার করে সমাজের যুবক, যুবতীদের কে রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানায়।

দুজনে ছিলেন শ্রেষ্ঠ বন্ধু হয়ে গেলেন শত্রু

শোলে’র জয়-বীরুর সম্পর্ককে বলা হয় রিল লাইফের শ্রেষ্ঠ বন্ধুত্ব। সেই সম্পর্ক যাঁরা রিয়েলে মেনেছিলেন তাঁদের নামও প্রায় সকলেরই জানা। সলমন খান এবং সঞ্জয় দত্ত। দুঃখ সুখে একে অন্যকে সব সময় পাশে পেয়েছেন। বলিউডের এই বন্ধুত্ব অনেকের মুখেই ঘোরাফেরা করে। কিছুদিন আগেই সঞ্জয় দত্ত ছাড়া পেলেন জেল থেকে। গোটা বলিউড হাজির হয়েছিল তার বাড়িতে। ছিলেন না সলমন। সত্যিই কী ভাঙন ধরেছে এই দুজনের বন্ধুত্ব? কী এমন ঘটে গেল হঠাৎ? প্রিয় বন্ধু ছাড়া পেল, আর এক বন্ধু দেখাই করল না।

আর এই ‘কোল্ড ওয়ার’ এর সুরাহা না হতে হতেই আরেক কাণ্ড। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাক্ষাতকার দিতে আসেন মুন্না ভাই। র‌্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে তাঁর কাছে উপস্থিত হয় একের পর এক প্রশ্ন। এমনই একটা প্রশ্নে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল একটি বিশেষণ যা সলমন খানের সঙ্গে যায়। তাতে সঞ্জু বাবা উত্তর দেন-‘দাম্ভিক’।

এই প্রথম বার হয়তো সলমনের নামে কোনও নেগেটিভ কথা বললেন তাঁর এক সময়ের প্রিয় বন্ধু। তাও আবার প্রকাশ্যে। তবে সলমন যে কেন সঞ্জুবাবাকে এড়িয়ে চলেছেন, সে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। প্রিয় বন্ধু জেল থেকে এলেই সলমন তাঁর নিজের বড়িতে পার্টি দেবেন, এই খবরই ছিল বলি পাড়ায়। কিন্তু শেষমেশ তা হয়নি। এরপরও অনেক সুযোগই হয়েছে ‘সাজন’ এর দুই তারকার দেখা হওয়ার। তবে সে দেখা হয়নি। ইচ্ছাকৃতই একে অপরকে এড়িয়ে গিয়েছেন। শোনা যাচ্ছিল সঞ্জয়ের স্ত্রীও নাকি অনেক চেষ্টা করছেন, দুই বন্ধুকে এক করবার। কিন্তু সেই সব চেষ্টাই বৃথা হয়েছে। আর তারপর তো সঞ্জয়ের এই র‌্যাপিড উত্তর আরও ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে, দু’জনের সম্পর্কের তিক্ততা।

টাঙ্গাইলে ভারতীয় সিরিয়াল দেখাকে কেন্দ্র করে পিটিয়ে হত্যা । গ্রেফতার এক

অন্তু দাস হৃদয়, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইল পৌর শহরের কলেজ পাড়া এলাকায় ভারতীয় সিরিয়াল দেখাকে কেন্দ্র করে সুমি আক্তারকে (২২) পিটিয়ে হত্যা করেছে একই বাসার ভাড়াটিয়া রিনা বেগম (৫৫) ।
বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে পৌর শহরের কলেজ পাড়া ছয় নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল হক শামীমের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমি ভূঞাপুর উপজেলার বাহাদিপুর গ্রামের লিটু সরকারের স্ত্রী। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) জাকির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে কাউন্সিলর শামীমের বাসার ভাড়াটিয়া শাহাজাদির ঘরে টিভি দেখতে যায় পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া সুমি আক্তার ও রিনা বেগম। এ সময় দুই জনের মধ্যে ভারতীয় সিরিয়াল দেখা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে সুমিকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন রিনা। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সুমিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুরে মহান বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতালেন ভারতের সংগীত শিল্পী সৈকত মিত্র


মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল,মির্জাপুর(টাঙ্গাইল)সংবাদদাতা
হাজার হাজার দর্শক শ্রোতার উপস্থিতিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গতকাল শুক্রবার মহান বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতালেন ভারতের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী সৈকত মিত্র।অনুষ্ঠানে ভারতের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী সৈকত মিত্র ছাড়াও মির্জাপুর শিল্পকলা একাডেমি ও স্থানীয় মিল্পীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে।মির্জাপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ আয়োজিত এ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেন।
সন্ধ্যায় সাংস্তৃতিক অনুষ্ঠানে পুর্বে মাস ব্যাপি বিজয় মেলার উদ্ধোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্ধোধনী দিনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রুমানা ইয়াসমিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু,ভাইস চেয়ারম্যান এএসএম মোজাহিদুল ইসলাম মনির,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা,পৌরসভার মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমন,থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দুর্লভ বিশ্বাস প্রমুখ।
এদিকে আলোচনা সভার পর পরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।প্রথমে মির্জাপুর শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা উদ্ধোধনী সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে।পরে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা ও শেষে ভারতের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী সৈকত মিত্র একের পর এক ভারত ও বাংলাদেশের গান পরিবেশন করেন।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সৈকত মিত্রকে ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানান,স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একাব্বর হোসেন,তার সহধর্মীনি মিসেস ঝরনা হোসেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম আহমেদ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল এবং থানা ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন

Saif Ali Khan became father


Bollywood actress Kareena Kapoor finally giving birth to the end of the news. Bollywood Kareena’s mother. 0 December in Mumbai on Tuesday morning at 7 am local time, gave birth to a son. Confirming the news published childbirth Times of India, Indian Express.
Both mother and son are in good health. Brica Candy Hospital in Mumbai, according to Indian media reports that Kareena has given birth to a child.
Kareena Kapoor’s father Randheer actor said, we are all a lot more happy. Both mother and son are very good. Everything is okay. Saif and Kareena have their child’s name, Taimur Ali Khan Pataudi. Kareena’s close friend, director Karan Johar said. Kareena-Saif’s first son Timur. 11am 15 performing its tuitabartaya wrote, bebo has begotten son. I am very happy.
Note Earlier, Saif Ali Khan and Amrita Singh is married, has two children in the name of Sarah, and Abraham. Bollywood’s hottest couple Saif-Kareena started Relations, 007, 009, but accepted it after much discussion Saif. Saif-Kareena married in 01 organized by the pomp.

জাহাঙ্গির নেই কিন্তু আমার শাহরুখ তো আছে

পত্রিকা: শুনলাম, আজকাল আপনি নাকি একটা নতুন রেজলিউশন নিয়েছেন…

আলিয়া: মানে! (একটু ঘাবড়ে গিয়ে) কী বলুন তো? কে বলল আবার এ সব…

পত্রিকা: বলিউডে কান পাতলে তো সে রকমই শোনা যাচ্ছে। যে আলিয়াকে এক সময় মধ্যরাত অবধি পার্টিতে দেখা যেত, ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ রিলিজ করার কয়েক দিন আগে থেকে তিনি নাকি রোজ রাত এগারোটায় ঘুমোতে যাচ্ছেন। আর দিন শুরু করছেন ভোর ভোর…

আলিয়া: ও এটাও শুনেছেন? আমিও শুনেছি। (প্রচণ্ড হেসে) আরে, রোজ এত সকালে উঠি নাকি! আজকাল তো শ্যুটিংয়ে যাচ্ছি বলে এত তাড়াতাড়ি উঠে পড়েছি। বহু দিন পর এত ভাল করে সকাল দেখছি। আমি কোনও দিনই আর্লি টু রাইজে বিশ্বাসী নই।  তবে হ্যাঁ, ‘ডিয়ার জিন্দেগি’র পর একটা চেঞ্জ এসেছে জীবনে।

পত্রিকা: কী?

আলিয়া: (হেসে) আগের থেকে সত্যিই পার্টি করা কমিয়ে দিয়েছি। অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম, কিন্তু হয়ে উঠছিল না। ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ হওয়ার পর ভাবলাম, চেষ্টা করেই দেখি না। ব্যস। এখন শুধু শ্যুটিং আর বাড়ি। সম্প্রতি নতুন ফ্ল্যাটে শিফট করেছি আমি আর দিদি শাহিন। যখন বাড়ি ফিরি তখন মনে হয়, হাতে যেন সময়ই নেই।

পত্রিকা: সে কী! এত ব্যস্ততা তো…

আলিয়া: (থামিয়ে) বিফোর ইউ ক্যান কমপ্লিট, ইয়েস। কাজের চাপ বাড়ছে। এই দেখুন না, আপনার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই একটা বিজ্ঞাপনী শ্যুট করতে যাচ্ছি। এ ছাড়াও ছবির কাজ তো আছেই। সো ইয়েস…নেক্সট কোয়েশ্চেন।

পত্রিকা: গত বছর অবধি আলিয়া ভট্ট বলতেই যে হিরোদের নামগুলো শোনা যেত, সেগুলো এ রকম—বরুণ ধবন, সিদ্ধার্থ মলহোত্র, অর্জুন কপূর। আর আজ আপনার বিপরীতে শাহরুখ খান। তার মানে আলিয়া ভট্ট তাঁর আসল ‘জিন্দেগি’ খুঁজে পেয়েছেন…

আলিয়া: (হেসে) আমি তো বহু দিন থেকেই শাহরুখের সঙ্গে কাজ করতে চাইছিলাম। এবং, ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ সেই সুযোগটা করে দিল। আমি শাহরুখের সঙ্গে আরও অনেক ছবি করতে চাই। ওঁর কাছ থেকে যা শিখেছি, সেটা আমার কাছে বিরাট একটা এক্সপেরিয়েন্স।
ইয়েস, জিন্দেগি এখন বেশ ভাল। তবে আমার মনে হয়, নিজেকে নিয়ে এত নাচানাচি করার এখনও কিছু হয়নি। কী এমন করেছি আজ অবধি!

পত্রিকা: যাঁর এ বছর সব ছবি হিট, ঝুলিতে সেরার পুরস্কার, তাঁর এ রকম উত্তর! একটু বেশি বিনয় হয়ে গেল না?

আলিয়া: একদমই না। ছোটবেলা থেকে যে হেতু এই ইন্ডাস্ট্রিতেই বড় হয়েছি, তাই আমি জানি, নিজেকে নিয়ে নাচানাচি করাটা ঠিক নয়। তোমার কাজ পছন্দ না হলেও, পরিচিত লোকজন তো আর কেউ খারাপ কথা বলবে না, তাই শেষ কথা বলবেন সেই দর্শক। আর আমি আজও কোনও দর্শকের কাছ থেকে সে রকম প্রশংসা পাইনি। সুতরাং, কিছুই যে হয়নি সেটা বুঝতে পারছি। তাই প্লিজ, ‘আলিয়া হ্যাজ অ্যারাইভড’ ওই জাতীয় কথাবার্তা বলবেন না। জানেন, আমাকে বাবা (মহেশ ভট্ট) বলে যে, মাথার ভিতর একবার খারাপ-ভালর ভাবনা ঢুকে গেলে সেটা অভিনয়ে এফেক্ট করে। তাই ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ মুক্তির তিন দিন পরে ছবিটা থেকে মেন্টালি সরিয়ে নিয়েছিলাম নিজেকে। মনে হতো, এই যদি কেউ বলে, দারুণ হয়েছে, তা হলে তো মুশকিল! আরে ভাই, উড়ছ ওড়ো, বেশি হাওয়ায় ভেসো না।

বেশি ভাসলে আমার মতো ইমোশনালদের মুশকিল হয়ে যায়! (হাসি)

পত্রিকা: কিন্তু ‘ডিয়ার জিন্দেগি’র কায়রাকে দেখে তো ইন্ডাস্ট্রির অনেকে আলিয়ার সঙ্গে বিরাট কোহালি-র মিল খুঁজে পাচ্ছে। যিনি সবার সামনে কাজ নিয়ে ভাবলেশহীন, অথচ মাঠে নামলেই প্রচণ্ড আগ্রাসী…

আলিয়া: (হেসে) এ সব আবার কে বলল? তবে বিরাটের আগ্রাসী মনোভাবটা আমার দারুণ লাগে। সেই জন্যই বোধহয়, ও এতটা ইন্সপায়ার করে। স্বীকার করি বা না করি, আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু বিশেষ কিছু মানুষের দ্বারা ইনফ্লুয়েন্সড হই। অনেক কিছু শিখি, এবং বাঁচার রসদও পাই। আমার কাছে বিরাট সে রকমই এক চরিত্র। হতে পারে ওকে আমি খুব ভাল করে চিনি না, কিন্তু ওকে দেখে আমিও ইন্সপায়ার্ড হয়েছি, যেটা অন্য কেউ করতে পারেনি।

পত্রিকা: সে কী! ডক্টর জাহাঙ্গির খানও নন?

আলিয়া: (একটু উত্তেজিত হয়ে) না। আমার যে বাস্তবে কোনও ডক্টর জাহাঙ্গির খান-ই নেই! মন খারাপ হলে মা আছে, শাহিন আছে, ওদের কাছেই ছুটে যাই। তবে একটা কথা না বলে পারছি না।

পত্রিকা: কী?

আলিয়া: জাহাঙ্গির খান না থাকলেও আমার একজন খান আছে। শাহরুখ খান। ও সব সময় একজন জুনিয়রকে প্রচণ্ড হেল্প করে। ওর কাছে যেমন অভিনয় শেখা যায়, ডায়ালগ বেটার করা যায়, ঠিক তেমনই সব সময় বড় দাদার মতো ওকে পাশেও পাওয়া যায়।

পত্রিকা: আচ্ছা, শুনেছি, ‘ডিয়ার জিন্দেগি’র কায়রার সঙ্গে নাকি আপনার অতি পরিচিত একজনের প্রবল মিল। কায়রার মতো তিনিও প্রফেশনালি অত্যন্ত সফল, কিন্তু ডিপ্রেশনে ভোগেন..

আলিয়া: হুমম। আমার মতে এই চরিত্রটার সঙ্গে আমার দিদি শাহিনের বেশ মিল আছে। (একটু থেমে) ও নিজে অসাধারণ স্ক্রিপ্ট রাইটার। কিন্তু সেই তেরো বছর বয়স থেকে ডিপ্রেশনে ভোগে। পরিচালক গৌরী শিন্ডে যখন আমাকে স্ক্রিপ্টটা প্রথম শোনাল, আমার হঠাৎ মনে হয়েছিল আরে এটা তো শাহিনের গল্প…ওর মতো একজন ছটফটে, ফান –লাভিং মেয়ে যে মনের অসুখে ভুগতে পারে, তা কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু সেটাই সত্যি। ছবিটা করার আগে আমি শাহিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম চরিত্রটা নিয়ে। যেহেতু আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি দু’জনেই দু’জনের দুঃখগুলো বুঝতে পারি। এবং সেই কারণেই ‘ডিয়ার জিন্দেগি’র আসল কায়রার নাম শাহিন ভট্ট। আচ্ছা, এই নিয়ে আর নাই বা কথা বললাম…

পত্রিকা: আজকাল কি মনে হয় যে, এত দিন যারা আপনাকে শুধু মহেশ ভট্ট-র মেয়ে বলে চিনত, তাদের কাছে অভিনেত্রী আলিয়া অনেক বেশি পরিচিত…

আলিয়া: (একটু থেমে) সেটা কিছুটা স্বাভাবিক। আমারও মনে হয়, নিজের পরিচিতি হওয়াটা খুব দরকার। একটা সময়ের পর, শুধু মহেশ ভট্টর মেয়ে এই পরিচয়টুকু একটু সমস্যার। তবে, ওই যে আগে বললাম, আমি কিন্তু এখনও এতটাও বড় হইনি যে নাচানাচি করতে হবে।

পত্রিকা: আপনার সঙ্গে কথা বলতে বলতে বারবার মনে হচ্ছে, তেইশ বছরের এমন এক মেয়ের সঙ্গে কথা বলছি, যে জানে সে-ই এ বছর পরীক্ষায় ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল, কিন্তু সেটা মানতে নারাজ…

আলিয়া: (হেসে) বছরের শুরুতে তো ভাবিনি যে, এই বছর সব ছবি হিট হবে। তাই… (একটু থেমে) আর কয়েকটা ভাল কাজ করেছি মানেই, সব ভাল হবে, তেমন কোনও কথা নেই।  ভাল ব্যাটসম্যান, ভাল অভিনেতারও একটা  ম্যাচ খারাপ হতে পারে। আমি বোধহয় একটা কারণেই অন্যদের থেকে একটু আলাদা।  কখনও এক চরিত্র রিপিট করি না।  এক রকম দৃশ্য বা ডায়ালগ থাকলে সেই ছবি এড়িয়ে চলি। ও সব বাদ দিন। একে কাজ তার ওপর বাড়ির চাপ। আর বেশি ভাবতে পারছি না।

পত্রিকা: কী বলছেন! বাড়ির চাপ?

আলিয়া: (খুব হেসে) আরে, নিজের টাকায় নতুন ফ্ল্যাট কিনেছি। ডিমনিটাইজেশনের বাজারে একা হাতে সেটা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি। বাড়িতে মা-বাবা আছে। সেটে পরিচালক আছে, শাহরুখের মতো সিনিয়র আছে। সব কিছু সামলে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট লোকজন। কিন্তু এখানে তো শুধু আমি আর শাহিন। একবার অবস্থাটা ভাবুন তো!

শুটিং সেরে বাড়ি ফিরেই রান্না করতে কিচেনে ছুটছে হিরোইন। লোকে শুনে ভাববে নির্ঘাৎ মিথ্যে বলছে, কিন্তু আমাদের ফ্ল্যাটে এলে দেখবেন, আলিয়া সত্যিই এ সব করছে এখন। মায়ের সঙ্গে থাকার সময় বুঝতে পারিনি, কিন্তু এখানে তো আমি-ই প্রোডিউসার, আমিই অভিনেত্রী আবার আমিই ডিরেক্টর। কী যে চাপ…

তবে একটাই মজার ব্যাপার। সেটে সবাই আমাকে ছোট বলে মজা করে, এখানে কিন্তু আমিই বস! (হাসি) তবে কী জানেন সব দিকটা সামলানো কিন্তু খুব কঠিন। আচ্ছা, শ্যুটিং শুরু হল বলে। লাস্ট কোয়েশ্চেন…

পত্রিকা:  বছর শেষের পার্টিতে এ বারের থিম সংটা কী, অ্যায় জিন্দেগি  গলে লগা লে?

আলিয়া: (জোরে হেসে) পার্টি করব কিনা সেটাই তো জানি না। তবে চাই এ রকম একটা সুন্দর বছর ফিরে আসুক। বার বার!

আপন অপুর কথায় বর্ষা মাহমুদের দিল ডুবে

k

বিনোদন প্রতিবেদক
তরুণ সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আপন অপুর কথায় গান গাইলেন কণ্ঠশিল্পী বর্ষা মাহমুদ। দিল ডুবে শিরোনামে গানটির সুর ও সংগীত করেছেন ইশরাক হোসাইন।
সম্প্রতি গানটির মিউজিক ভিডিও করা হয়েছে। নির্দেশনায় ছিল দেশী টায়রো টিম। গানটিতে মডেল হয়েছেন চ্যানেল আইয়ের সেরা নাচিয়ে কাজী সিজা ও তার দল। ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ছিলেন সৌরভ সোহাগ।
গানটি নতুন বছর উপলক্ষে বর্ষা মাহমুদের একক মিউজিক ভিডিও অ্যালবামে রিলিজ হবে।

গানটি নিয়ে আপন অপু বলেন, শিল্পীর কণ্ঠে গাওয়া আমার লেখা প্রথম গান দিল ডুবে। শ্রোতারা গানটিকে গ্রহণ করলে আমার উৎসাহ আরো বাড়বে। দিল ডুবের মধ্য দিয়ে শুরু আমার গান লেখা। নিয়মিত গান লিখতে চাই।
বর্ষা মাহমুদ বলেন, অপু নতুন গান লিখলেও দিল ডুবে গানটি আমার ভালো লেগেছে। আশা করি শ্রোতারাও গানটি শুনে আনন্দ পাবেন।

সালমান ও তার বান্ধবীর গানের গলা খুব সুন্দর

%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2

সালমান খান ও তার বান্ধবী ইউলিয়ার গান শুনে মুগ্ধ হিমেশ রেশমিয়া। সুরকার হিমেশের মতে তারা দুজনই নিখুঁত গান গায় এবং আর তারা সেটি করে হৃদয় দিয়ে। সম্প্রতি হিমেশের নতুন অ্যালবাম ‘‌আপ সে মুশকিল’‌ এ ‘এভরি নাইট এন্ড ডে’ গানটি গেয়েছেন ইউলিয়া। তাও আবার হিন্দিতে।  যা দেখে মুগ্ধ হিমেশ বলেছেন, ‘‌ইউলিয়ার গলা দুর্দান্ত। বলিউড নায়িকাদের সঙ্গে ওর গলার মিল রয়েছে। আমি তাকে গান গাওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। ইউলিয়া তা গ্রহণ করে। দু-‌ঘণ্টার মধ্যে গানটি রেকর্ডও হয়ে যায়। একদম পেশাদারদের মতো কাজ করেছে। ’‌ এ সময় সালমানের গানের প্রশংসাও করেছেন হিমেশ। তিনি বলছেন, ‘‌সালমান খান গানটা খুব ভালো বোঝে। ও অনেক বড় তারকা। ইউলিয়ার মতো সালমানও হৃদয় দিয়ে গায়। ’‌ গানটি গাওয়ার পর ইউলিয়া বলেছেন, ‘‌ছোটবেলা থেকেই ভারতকে ভালোবাসি। এই দেশের অনেক ইতিহাস শুনেছি। এদেশের মানুষের জন্য গান গাইতে পেরে তাই ভালো লাগছে। ’‌

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিরেন ঐশ্বরিয়া

%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be

বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন আর তা নিয়েই তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো। যদিও জানাজানির ভয়ে হাসপাতালে ভর্তি না করে বাড়িতেই পারিবারিক চিকিৎসককে ডেকে এনেছিল বচ্চন পরিবার।

শোনা যাচ্ছে, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে থেকেই শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে মনোমলিন্য চলছিল ঐশ্বরিয়ার। শাশুড়ি জয়া বচ্চন তো প্রকাশ্যেই তার সমালোচনা করেছিলেন। রণবীর কাপুরের সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে  অভিনয় ভালোভাবে নিতে পারেননি তারা। স্বামী অভিষেক বচ্চন ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ দেখতে যাননি বলেও খবর ছড়িয়ে পড়েছিল মিডিয়ায়। আর এসব কারণেই কি অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী?

মূলত ‘আউটলুক পাকিস্তান’ নামের একটি ব্লগের মাধ্যমেই বচ্চন বধূর আত্মহত্যা চেষ্টার খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে লেখা হয়, পারিবারিক অশান্তির কারণে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। ওই ব্লগে আরও লেখা হয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ঐশ্বরিয়া নাকি বলেছেন, ‘আমাকে মরতে দিন। এরকম ঘৃণ্য জীবন কাটানোর থেকে মরে যাওয়াই ভালো। ’

f


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »