Category: বিনোদন

সংস্কৃতিচর্চাই আমৃত্যু মনোবলে বলিয়ান বর্ষিয়ান নাট্যপুরুষ নান্নু


নজরুল ইসলাম তোফাঃ খেলাধুলো, ছবি আঁকা, গান গাওয়া, সাহিত্য রচনা, নাটক নির্মান, নাটকে অভিনয় এইসব করতে আলাদা মন লাগে। এসব ক্ষেত্রে ঘটা করে প্রতিযোগিতার আয়োজন না থাকলেও যারা যেটা ভালবাসে, সেটার চর্চা চালিয়ে যায় নিজ তাগিদে, আর সেই চর্চায় শিল্পীর সঙ্গে আত্মিক ও বৌদ্ধিক উন্নতি ঘটে। শিল্পী নিজের ভেতরেই নিজেকে উন্নত করার চেষ্টায় সর্বদা প্রস্তুত থাকেন, এ যুগের সমকালীন শিল্পী, সাহিত্যিক, নাট্য নির্মাতা, অভিনেতা, অভিনেত্রীরা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আরো ভালো হবার তাগিদ অনুভব করেন, আর সেই তাগিদেই তাঁদের নাম ছড়ায় দেশে বিদেশে। তার জন্য প্রতিযোগিতার কোন দরকার পড়ে না একেবারেই প্রথম হবার। এই সব মৌলিক বিনোদনের ক্ষেত্রে ভীমসেন যোশীকে বব ডিলান হয়ে উঠতে হয় না, এমনকি আলি আকবর খানও হতে হয় না, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও টেনিসনের সঙ্গে লড়াই করে ‘জিততে’ হয়নি কখনো। অথচ আজ দৌড়ের সব ব্যাকরণ মেনে চলেও কেউ কেউ শুধু প্রদীপের আলোয় আলোকিত থাকতে চান। সুতরাং মৌলিক প্রশ্নটা হল এই যে, প্রতিযোগিতার আসর না বসালে যে গুণপনা বিশেষ উন্নয়ন হয় না। এমন বিষয়কেই গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ বৈকি? যদি মানুষের দৌড়ের সর্বনিম্ন সময় খুবই কম, স্বল্প সময়ে জীবনে রেখে যাওয়া অর্জনটাই থাকে যুগ যুগ। এমনি একজন ব্যক্তি, পরিবাহিক রক্তের ধমনি শিরা-উপশিরায় সর্বদা কথা বলে অভিনয়ের সংলাপে, নাট্য পরিচালনায়। নাট্যজীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে যিনি দর্শক নন্দিত তিনিই অভিনয় জগতের একজন মহীরূহ পুরুষ মাহমুদ সরকার নান্নু।

রাজশাহী সাংস্কৃতি অঙ্গনে ব্যাপক তাঁর পরিচিতি এবং টেলিভিশন জগতেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে সুদীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবত। রাজশাহী তথা উত্তরাঞ্চলে নাট্য জগতে রয়েছে তাঁর অবাধ বিচরণ। তাছাড়াও একজন সফল মেকাপ ম্যান, সেট নির্মাণ বা মঞ্চ সজ্জার রুপকার, নাট্য পরিচালক ও প্রয়োজকের কাজে অক্লান্ত পরিশ্রমী ব্যক্তি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। একাধারে তিনি রেডিও, মঞ্চ, পথ নাটকের সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি মিডিয়া নাটকে অনেক চমৎকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে এবং হচ্ছে। আসলেই তাঁর চ্যানেল নাটক নির্মাণের যোগ্যতা কোন অংশেই কমতি নেই। অনেক নাটক নির্মাণ করেছেন এবং সেসব নাটকে অভিনয় করে চ্যানেলে চ্যানেলে প্রচার করেছেন। নাট্যাঙ্গনের এই পরিচিত মুখ নান্নু, অনেক মঞ্চ ও শুটিং স্পর্টের সেট পরিকল্পনার সহিত লাইটিং এবং সাউন্ড ইফেক্টের জন্য একজন দক্ষ ডিজাইনার।

জীবনের শুরুতে নাটকে হাতে খড়ি তাঁর নাট্যগুরু আনোয়ারুল ইসলামের রচনা ও পরিচালনায় ‘রক্তের রং লাল’ নাটকে। তিনি জানালেন এই নাটকে শিশু চরিত্রে ভালো অভিনয় করেছেন। রাজশাহীর পুরনো এক ভূবন মোহন পার্কের উম্মুক্ত মঞ্চে। দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পড়ন্ত বিকেল। পরে তিনি অভিনয়ের অভিজ্ঞতা পরিপূর্ণতা এনে অর্জন করে সাফল্য, তারপর ধিরেধিরে রাজশাহী বেতারের অনিয়মিত নাট্যকার, নাট্যশিল্পী ও প্রযোজক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর প্রযোজনা ও রচনা নাটক হচ্ছে আলোকিত প্রেম কুমার, শেষ বিদ্ধান্ত, অন্যরকম বোঝাপড়া এবং আবুল আশরাফ রচিত বসন্তে ফুটলো ফুল নাটকের প্রযোজনা কাজ তিনি সুদক্ষ ভাবে সম্পূর্ণ করেছিলেন। বর্তমানে তাঁর রচিত যে তিনটি নাটক প্রচারের অপেক্ষায় তা হলো হ্যাবলা হাবুর কান্ড, অস্তিত্বের লড়াই, রক্তাক্ত পলাশী। আবার নজরুল ইসলাম তোফাকে জানালেন, প্রয়াত পরিচালক নাট্যগুরু গোলাম পাঞ্জাতনের জীবদ্দশায় তিনি তাঁর সাথে অনেক গুলো নাটকে নির্মান কাজে সহযোগিতা ও অভিনয় করেছেন। নাট্যগুরুর মৃত্যুর আগ মুহুর্তে নান্নু তাঁর সাথে দেখা করে নাটক সংক্রান্ত অনেক তালিম নিয়েছিলেন এবং নাট্যগুরু বলেছিলেন যে, তাঁর নাটক গুলো যেন সংগ্রহ করে রাখা হয়, প্রচার করা হয়। সুতরাং সে কথা নান্নু রেখেই ম্যাই টিভিতে প্রচার করেন জনপ্রিয় নাটক ‘ভন্ড উপাখ্যান’। যাকি না, গত ১৭ জানুয়ারী ২০১৬ সালে রাত ১১ টায়, বঙ্গবন্ধু প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রচার হয়।

১৯৬৪ সালে রাণীনগর (হাদির মোড় এলাকায়) সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে মাহমুদ সরকার নান্নু জন্মগ্রহন করেন। তাঁর বাবা আলী আকবর সরকার সি এন্ড বি অফিসে হেডক্লার্ক পদে চাকরি করতেন। তাঁর বাবা আর এম পি ডি ক্লাবে নাট্যচর্চা করেছিলেন। শুধুই বাবা যে নাট্যচর্চায় ছিলেন তা নয়, পরিবারের অন্যান্য গুনোধর সদস্যরাও বেশ এগিয়ে ছিলেন। মাহমুদ সরকার নান্নু জানালেন, পাঁচ ভাই তিন বোন নিয়ে তাঁর বাবা এক বড় সংসার। তিনি পাঁচ ভাইদের মধ্যে তৃতীয় বড় ভাই শ্রদ্ধেয় গোলাম কিবরিয়া নাট্যশিল্পী, মেজো ভাই আব্দুল মান্নান সন্ধানী সাংস্কৃতিক সংস্হার পরিচালক এবং বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গীত শিল্পী। আব্দুল মান্নানের বড় ছেলে অঙ্কুর ও বড় মেয়ে অন্তরা উভয়েই সঙ্গীতশিল্পী। নজরুল ইসলাম তোফাকে বলেন, সেই যে শৈববে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় জগতে আনাগোনা তারই রেশ ধরে আজও নাট্যাঙ্গনে কাজ করছেন। প্রথম দিকে নৈশভোজ, সূর্যমহল, দায়ি কে, রনদুন্দভি, মুখোশ যখন খুলবে, ডাকাত, পাকা রাস্তা নাটকে অভিনয় ও পরিকল্পনা করেন। যাত্রা পালা জগতেও তাঁর বিচরণ রয়েছিল, সেহেতু সে জগতে অসংখ্য যাত্রা পালা করেছেন এবং রেডিওতে প্রচার হয়েছে। বাঈনুদ্দিন সরকার বানু পরিচালিত অনেক ঐতিহাসিক এবং সামাজিক যাত্রাপালায় অভিনয় করেছেন। যেমন: ময়না মতির মায়া, আনার কলি, অভিশপ্ত ফুলসজ্জা, একটি পয়সা, রূপ হলো অভিশাপ, রাণী ভবানী, টিপু সুলতান, নাচ মহল, সিরাজ-উ-দৌল্লা এছাড়াও নিজস্ব চিন্তার আলোকে পরিচালনা করেন অনেক যাত্রাপালা এবং তাতে অভিনয় করে দর্শক নন্দিত হয়ে পুরস্কার পেয়েছেন বারবার।

সংসার জীবনে দুইপুত্র অনিক মাহমুদ ও অরিত্র মাহমুদ নিয়ে কষ্টেশিষ্টে কোন ভাবে চলছেন। বড় ছেলে অনিক মাহমুদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পরিসংখ্যানের মেধাবী ছাত্র এবং সহধর্মিনী জেসমিন মাহমুদ জাপানি একজন গৃহিণী। ছোট ছেলে তাঁর পড়াশুনা করে তাইফ মন্তেশ্বরী স্কুলে। এক দিকে ছেলেদের চাহিদা মতো লেখাপড়ার খরচ যোগাতে ব্যর্থ অন্যদিকে সহধর্মিনীর জটিল রোগের চিকিৎসা খরচেও অনেক অংশে ব্যর্থ হয়, এক পর্যায়ে এ পৃথিবী থেকে চীরবিদায় নিয়ে পরলোকগমন করেন। আসলে সব মিলিয়ে কষ্টেই বর্তমানে তিনি আর্থিক দৈন্যতায় জীবন অতিবাহিত করছেন। সৃজনশীল কোন কাজে উল্লসীত ভাবে অগ্রসর হতেই যেন এক চরম বাধা। মনে হাজারও যন্ত্রণা নিয়ে নাট্যাঙ্গনের নাটকে তবুও আজ গভীর স্বপ্নে বিভর। অপরদিকে নাট্যপ্রেমী মাহমুদ সরকার নান্নু বলেন, মনে সৃষ্টির যন্ত্রণা না থাকলে সৃজনশীল কোন কাজ করা যায় না, তার যথাযত প্রমান রেখে চলেছেন এটিএন চ্যানেলে প্রচারিত ধারাবাহিক ক্রাইম প্রেট্রোল নাটকে। প্রতি শনিবার সন্ধ্যায় পোনে আটটায় তা প্রচার হয়। দ্বীপ্ত টিভিতে শ্যামল বিশ্বাসের পরিচালনায় ধারাবাহিক নাটক অপরাজিতা প্রতি মঙ্গলবার ও বুধবার সন্ধ্যা ৬ টায় প্রচার হয়। তিনি সেখানেও চমৎকার অভিনয় দেখিয়ে দর্শক নন্দিত হয়েছেন। রহমতউল্ল্যাহ তুহিন পরিচালিত টক অব দ্যা টাওন নাটকে অভিনয় করেন। এটি অবশ্য চ্যানেল আইতে রবিবারে সন্ধ্যা ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হয়। অঞ্জন আইচ পরিচালিত খাঁচা ২৬ মার্চ বেলা ২ টায় তাঁর অভিনীত নাটক বৈশাখী চ্যানেলে প্রচার হয় এবং মাছ কই নাটক ১৭ জানুয়ারি চ্যানেল আইতে বেলা ২ টায় প্রচার হয়। সুমন আহমেদ পরিচালিত এই নাটকেও নান্নু অভিনয় করেছেন। ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত অপেক্ষার হালচাল নাটকে সফল অভিনয় সহ তাঁর নিজস্ব পরিচালনা ও অভিনীত নাটক থাবা, যা ম্যাই টিভিতে ৩১ মার্চ সন্ধ্যা ৮ টা ৪৫ মিনিটে হয়। তাছাড়াও অন্যান্য নামি দামি অসংখ্য পরিচালকের নাটকে অভিনয় করে দর্শকনন্দিত হয়েছেন।

ফিরে যাই একটু গুড়ার দিকে, নান্নুকে জানতে ও চিনতে রাজশাহী বাসীর এমন কোন লোক নেই যে তাঁকে চিনে না। এমন প্রতিভাবান নাট্যপ্রেমী মানুষ আধুনিক যুগের তরুণ তরুণীদের সাথে নাটকে অভিনয় ও পরিচালনার কাজ করছেন। যুগোপযোগী চিন্তা নিয়ে নাট্যাঙ্গনে নিজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেন নাট্যগুরু গোলাম পাঞ্জাতের পরিচালনায় বহু নাটকে অভিনয় করেছেন। যেমন: রক্ত গোলাপ, পরিনতি, এখন দুঃসময় ইত্যাদি। উত্তরা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠির জন্ম লগ্ন থেকে গাঁয়ের বধু, বিদ্যা লংকার প্রেস এছাড়াও বিভিন্ন নাটকে অভিনয় ও নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করেছেন। এরপর নাট্যাচার্য অনীল বন্ধু রায়ের পরিচালনায় ‘ঘটনা ও কাহিনী’, মানুষ নাটকে অভিনয় করে রাজশাহীতে ব্যাপক পরিচিত হন। তিনি রাজশাহী সাংস্কৃতিক সংঘের আজীবন সদস্য। এখানে তিনি ‘চারিদিকে যুদ্ধ’, যুদ্ধ এবং যুদ্ধ চোর, ড়ীর চরের রাঙ্গা বুড়ি, ইলেকশন ক্যারিক্যাচার নাটকে অভিনয় করেন। সে সময়ে তিনি ‘শিমুল গাঁয়ের বলির বয়ান’, ‘হারাধনের দশটি ছেলে’, ‘জুতা আবিস্কার’, নাটকে দক্ষতার সহিত নির্দেশনা দিয়ে মঞ্চ সফল হিসেবে দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে ছিলেন। মাষ্টার তোফাজ্জল হোসেন পরিচালিত ‘বট তলার মোড়ে’, ‘জিন্না হকের মানুষ’, এক যে ছিল কুটনি বুড়ি’, ‘ভাঙ্গা মেলা’, ‘দিন বদলের পালা’, ‘বেজন্মা হ্যাবলা স্বদেশ’, ‘পলাশি থেকে একাত্তর’, এবং পথ নাটকে খ্যাপা পাগলার প্যাচাল নাটকে অভিনয় করেছেন। ১৯৮০ সালে তিনি বেতার শ্রুতিনাট্যে অডিশন দিয়ে পাশ করে তালিকা ভূক্ত শ্রুতিনাট্যের গুনি শিল্পী হয়েছেন। সেই থেকে অদ্যাবধি নিয়োমিত জীবন্তিকা ও বিভিন্ন শ্রুতিনাট্যে অংশ গ্রহন করেন এবং ১৯৮৫ সালে বিটিতে অডিশন দিয়েও পাশ করে অনেক লোককথা নাটকে অভিনয় করেছেন। তাছাড়া নাট্য পরিচালক রাশেদুল হক পাশা রচিত ‘মোটর সাইকেল’ নাটকে অভিনয় করেছেন।

নাট্যকার, পরিচালক এবং অভিনেতা নান্নু, নজরুল ইসলাম তোফাকে বলেন, তাঁর জীবন যাপন সেকেলের সাহিত্যিক, নাট্যকার ও অভিনেতাদের আদলে না রেখে যুগোপযোগী শিল্পচর্চা নিয়ে আধুনিক প্যাটার্নে চলেন। একদা এক প্রাচীন সংস্কৃতির নাট্যকার, পরিচালক ও অভিনেতাদের যেসব ভাবধারা কখনো সখনো খুব জরুরী মনে হয়েছে তা কাজেও লাগিয়েছেন। মানুষ ও বিশ্বজগৎ সম্পর্কে তীব্র যুক্তিবাদী প্রতিবাদ সহ নানান শিল্পমতবাদের পরিপোষক ভাব-ধারণায় মাহমুদ সরকার নান্নু’ তাঁর নাটক ও অভিনয় জীবনে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলো এতো বিরাট ও শক্তিশালী তা কেবলই মর্মান্তিক নয়, ভয়ঙ্করও বটে। জীবনের শেষ দিকে এসে তিনি অনেক অভাবের সংসার নিয়ে প্রতিটি মুহুর্ত কষ্টে কাটাচ্ছেন। সারা জীবন তিনি নাট্যাঙ্গনে ত্যাগী এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে রয়েছেন, তিনি কোন দিন বাঁধা রাস্তায় চলেননি, বাঁধা গৎ আওড়াননি, কর্মজীবনে তিনি আর পাঁচ জন নাট্যকার, পরিচালক এবং অভিনেতাদের মতো একই চিন্তার পুনরাবৃত্তি করেনি। সমসাময়িক জীবনে অনেক অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা এবং এদেশের সমস্যাসঙ্কুল পরিবেশ ও জীবনের অনেক আকস্মিক পরিণাম সম্পর্কে নান্নু মোটেও উদাসীন ছিলেন না। তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানতে চাইলে বলেন, সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে মঞ্চ নাটক এবং রাজশাহীর গুনিজনদের নিয়ে জীবন ভিক্তিক ডকুমেন্টরি তৈরীর বাসনা পোষন করেন। তাছাড়াও জানালেন আমৃত্য সাংস্কৃতি চর্চা করতে পারেন সেটা ছাড়া আর কোনো কিছুর কামনা করেন না।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫ ঘোষণা


ঢাকা, ৪ জ্যৈষ্ঠ (১৮ মে) :
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে গৌরবোজ্জ্বল ও অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৫টি ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীকে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫’ প্রদানের ঘোষণা করা হয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র অধিশাখা থেকে গত ১৬ মে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০১৫ সালের পুরস্কারের জন্য সুপারিশকৃত ব্যক্তি/চলচ্চিত্রের নাম :
আজীবন সম্মাননা : যুগ্মভাবে – শাবানা ও ফেরদৌসি রহমান; শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : যুগ্মভাবে- বাপজানের বায়োস্কোপ (পরিচালক- মো. রিয়াজুল মওলা রিজু) ও অনিল বাগচীর একদিন (পরিচালক- মোরশেদুল ইসলাম); শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র : একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি (চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর); শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : যুগ্মভাবে – মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়োস্কোপ) ও মোরশেদুল ইসলাম (চলচ্চিত্র -অনিল বাগচীর একদিন)।
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে : যুগ্মভাবে- শাকিব খান (চলচ্চিত্র -আরো ভালোবাসবো তোমায়) ও মাহফুজ আহমেদ (চলচ্চিত্র- জিরো ডিগ্রী); শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে : জয়া আহসান (চলচ্চিত্র – জিরো ডিগ্রী); শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে : গাজী রাকায়েত (চলচ্চিত্র – অনিল বাগচীর একদিন); শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে : তমা মির্জা (চলচ্চিত্র-নদীজন); শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে : ইরেশ যাকের (চলচ্চিত্র – ছুঁয়ে দিল মন); শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী : যারা যারিব (চলচ্চিত্র – প্রার্থনা); শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার : প্রমিয়া রহমান (চলচ্চিত্র- প্রার্থনা)।
শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক : সানী জুবায়ের (চলচ্চিত্র-অনিল বাগচীর একদিন); শ্রেষ্ঠ গায়ক : যুগ্মভাবে- সুবীর নন্দী (তোমারে ছাড়িতে বন্ধু, চলচ্চিত্র মহুয়া সুন্দরী) ও এস আই টুটুল (উথাল পাতাল জোয়ার, চলচ্চিত্র বাপজানের বায়োস্কোপ); শ্রেষ্ঠ গায়িকা : প্রিয়াংকা গোপ (আমার সুখ সে তো, চলচ্চিত্র অনিল বাগচীর একদিন); শ্রেষ্ঠ গীতিকার : আমিরুল ইসলাম (উথাল পাতাল জোয়ার, চলচ্চিত্র বাপজানের বায়োস্কোপ); শ্রেষ্ঠ সুরকার : এস আই টুটুল (উথাল পাতাল জোয়ার, চলচ্চিত্র বাপজানের বায়োস্কোপ); শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার : মাসুম রেজা (বাপজানের বায়োস্কোপ); শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার : যুগ্মভাবে – মাসুম রেজা (বাপজানের বায়োস্কোপ) ও মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ); শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : হুমায়ূন আহমেদ (অনিল বাগচীর একদিন); শ্রেষ্ঠ সম্পাদক : মেহেদী রনি (বাপজানের বায়োস্কোপ); শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক : সামুরাই মারুফ (জিরো ডিগ্রী); শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক : মাহফুজুর রহমান খান (পদ্ম পাতার জল); শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক : রতন কুমার পাল (জিরো ডিগ্রী); শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা : মুসকান সুমাইকা (পদ্ম পাতার জল) এবং শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান : শফিক (জালালের গল্প)।

সাভারের আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লোকসংগীত নিয়ে বাংলাদেশের সবচে’ বড় রিয়েলিটি শো ম্যাজিক বাউলিয়ানা ২০১৬

মোঃ গোলাম মোস্তফা ঢাকাজেলা সংবাদ প্রতিনিধি
শোনাও বাউল গান,মাতাও বাংলার গান এই স্লোগানকে সামনে ধারণ করে সাভারের আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লোকসংগীত নিয়ে বাংলাদেশের সবচে’ বড় রিয়েলিটি শো ম্যাজিক বাউলিয়ানা ২০১৬-এর দ্বিতীয় আসরের গ্র্যান্ড ফিনাল।রবিবার রাতে আশুলিয়া ইউনিয়নের গৌরিপুর এলাকায় এইজিস ট্রেনিং সেন্টারে এ রিয়েলিটি শো অনুষ্ঠিত হয়।এবার ম্যাজিক বাউলিয়ানা ২০১৬-এর দ্বিতীয় আসরের গ্র্যান্ড ফিনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রংপুরের শিবলী সাদিক।
পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং মালিক মোহাম্মদ সাঈদ ও বিচারকরা ।
ম্যাজিক বাউলিয়ানা ২০১৬-এর দ্বিতীয় আসরের গ্র্যান্ড ফিনালে চুরান্ত প্রতিযোগীতায় প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী ও শফি ম-ল।
গত বছরে ৩০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী ‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছিলেন। নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের নিয়ে বাংলাদেশের ৯টি অঞ্চলÑ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, সিলেট, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার অডিশন রাউন্ড। সেখান থেকে ৪০ জন শিল্পীকে পরবর্তী পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এদের মধ্যে থেকে পাঁচ জন গ্র্যান্ড ফিনালে অংশ গ্রহন করেন।
চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিবলী সাদিক পেয়েছেন ৫০০,০০০ লাখ টাকার প্রাইজমানি । প্রথম রানারআপ নেত্রকোনার শফিকুল পেয়েছেন ৩০০,০০০ টাকা । এবং দ্বিতীয় রানার আপ পেয়েছেন ২০০,০০০ টাকা ও ৪র্থ ও ৫ম স্থান অধিকারী ৫০,০০০ টাকা করে।অনুষ্ঠানে এসময় স্কয়ার টয়লেট্রিজ ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় কয়েক’শ গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের লোকসংগীতের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড-এর ওরাল কেয়ার ব্র্যান্ড ‘ম্যাজিক’-এর পৃষ্ঠপোষকতায় মাছরাঙা টেলিভিশন দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাজিক বাউলিয়ানা’র আয়োজন করেন ।

সিডি চয়েস মিউজিক (CD Choice Music) এর পহেলা বৈশাখ আয়োজন!

নিজস্ব প্রতিবেদন : পহেলা বৈশাখ বাঙালির সার্বজনীন উৎসব। বাংলা নববর্ষের উৎসব আয়োজনকে পূর্ণতা দিতে বরাবরই মুখর হয়ে উঠে দেশের সঙ্গীতাঙ্গন। দেশের সব জায়গায় অনুষ্ঠিত হয় গানের অনুষ্ঠান।পহেলfবৈশাখ উপলক্ষে অডিও বাজারে বের হয় নতুন নতুন গানের অ্যালবাম, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গত বেশ কিছু বছরের তুলনায় এবারের পহেলা বৈশাখে অনেক তারকা শিল্পীর অ্যালবাম এসেছে।পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে জমে উঠেছে অডিও বাজার।পহেলা বৈশাখ মানেই নিত্যনতুন গানের অ্যালবাম। বাঙালির এ উৎসবকে উপলক্ষ করেই শিল্পীদের মধ্যে পড়ে নতুন অ্যালবাম বের করার হিড়িক।শিল্পীরা তাদের সুর দিয়ে ভরিয়ে তুলতে চান ভুবন। সেই ধারাবাহিকতাই পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিডি চয়েস মিউজিক প্রকাশ করতে যাচ্ছে বর্তমান সময়ের তমুল জনপ্রিয় শিল্পীদের অ্যালবাম।তাহলে চলুন জেনে নেই সিডি চয়েস মিউজিকে পহেল বৈশাখ উপলক্ষে কী কী অ্যালবাম থাকছে।কন্ঠশিল্পী তৈাসিফ এর একক অ্যালবাম অচিন পাখি। গানের কথা লিখেছেন এমদাদ সুমন, এইচ এম রিপন, সুর তৈাসিফ, সঙ্গীত রাজীব হোসাইন ও রাহুল মুৎসুদ্দী।সহ শিল্পী আছেন কনিকা।কন্ঠশিল্পী রাকিব মুসাব্বিরের একক অ্যালবাম মনটা ছুঁয়ে দেখো না”। গানের কথা লিখেছেন এমদাদ সুমন ও খাইরুল বাবুই।সুর ও সঙ্গীত করেছেন রাকিব মুসাব্বির।সহ শিল্পী আছেন ফারাবি।কন্ঠশিল্পী সাবরিনা সাবার একক অ্যালবাম অনলি সাবা থ্রি”। গানের কথা লিখেছেন এমদাদ সুমন, সুর ও সঙ্গীত করেছেন অনিক সাহান। কন্ঠশিল্পী অনিক শাহানের একক অ্যালবাম সোনার পাখি। সহ শিল্পী সাবা। কথা সুর ও সঙ্গীত অনিক শাহান।

কন্ঠশিল্পী এফ এ প্রীতমের একক অ্যালবাম ”ভালোবাসিরে”। গানের কথা লিখেছেন এমদাদ সুমন ও এফ এ প্রীতম।সুর করেছেন প্রীতম ও সঙ্গীত করেছেন রাহুল মুৎসুদ্দী। সহ শিল্পী আছেন তিথী।মনির বাউলার একক অ্যালবাম দে দে পাল তুলে দে”। গানের কথা লিখেছেন মনির ও রিপন। সুর করেছেন মনির।সঙ্গীত আকাশ। সহ শিল্পী আছেন লিজা।মাহবুব সাগরের সলো অ্যালবাম এক জোনাকির গল্প। গানের কথা ও সুর রোহান রাজ, সঙ্গীত শুভ্র। সহ শিল্পী আছেন তিথী। সহ শিল্পী আছেন তিথী।কন্ঠশিল্পী আরিয়ান একক অ্যালবাম মনচুরি”। গানের কথা লিখেছেন অরন্য ভোমিক ও আরিয়ান সুর আরিয়ান ও সঙ্গীত করেছেন রিমো বিপ্লব।সহ শিল্পী আছেন সেনিজ ও কনিকা।কন্ঠশিল্পী আখি চৌধুরীর একক অ্যালবাম লালনের গান”। সঙ্গীত করেছেন সুজন।সঙ্গীতশিল্পী ফিরোজের একক অ্যালবাম আড়ালে, সহ শিল্পী দিশা। কথা ফিরোজ ও শুভ।সুর ফিরোজ ও অনিম। সঙ্গীত অনিম খান।সঙ্গীতশিল্পী আদনানের একক অ্যালবাম প্রিয়তমা টু। সহ শিল্পী ফারাবি, কথা এমদাদ সুমন ও আদনান। সুর ও সঙ্গীত আদনান।সঞ্জয় শীলের মিক্সড এ্যালবাম পুর্ন মিলনের সুখ নাই। শিল্পী রাজিব শাহ্, মারুফ, ইয়াছিন, অপু, দুখু আরমান, প্রফুল্ল। সঙ্গীত পরিচালক এস রুহুল ও আলী আক্তার রুনু।মিক্সড এ্যালবাম এডি আকাইদের নামের মালা” সুর এস রুহুল, কথা লিখেছেন এডি আকাইদ, সঙ্গীত এস রুহুল ও আক্তার রুনু।আল আমিন ফিচারিং প্রিয় তুমি তো জানো না। গানের কথা লিখেছেন মাসুদ রানা রুবেল, নিরব চন্দন, কামাল মাহবুব জয়, নিরব খান। সুর ও সঙ্গীত আল আমিন। শিল্প আল আমিন খান, ইমন জামান, সানিয়া নিঝুম, রাজিব রায়হান, নিরব খান, নাসির হোসেন।কাজী শুভ ও কনিকার একটি মিষ্টি মধুর প্রেমের গান। গানটি লিখেছেন তরুন সিং, সুর রিগান হাসান, সঙ্গীত মাহমুদুল হাসান। গানটি অডিও ও ভিডিও একই সাথে প্রকাশ পাচ্ছে।

সঙ্গীতশিল্পী নাজু ও পুলকের একক গান ”নাচ আমার ময়না”। গানের কথা এমদাদ সুমন, সুর ও সঙ্গীত  রাজীব হোসাইন। সঙ্গীত শিল্পী শাহরিয়ার রাফাতের আদর মাখা ঠোঁটে”। কথা এন আই বুলবুল। সুর ও সঙ্গীত শাহরিয়ার রাফাত। বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে সঙ্গীত শিল্পী সিনথিয়ার একক গান হাজার সালাম, কথা ও সুর সিনথিয়া, সঙ্গীত টিংকু। সঙ্গীতশিল্পী মাটির একক গান কিভাবে তোকে বলবো, কথা ও সুর ফিদেল, সঙ্গীত ওয়াহেদ শাহিন।

সঙ্গীতশিল্পী কামরুজ্জামানের একক গান চিরদিন বাসবো ভালো তোকে। কথা ও সুর কামরুজ্জামান, সঙ্গীত মাহমুদুর রহমান। সব একক গান গুলো অডিও ও ভিডিও আকারে প্রকাশ পাচ্ছে। সঙ্গীতশিল্পী এফ এ প্রীতমের একক গান ইচ্ছে হয়। কথা মুন্না। সুর এফ এ প্রীতম। সঙ্গীত রাহুল মুৎসুদ্দী। সঙ্গীতশিল্পী অরিক এর একক গান প্রেম কাহিনি। কথা ও সুর অরিক। সঙ্গীত মোশারফ। সঙ্গীতশিল্পী রকির একক গান বলছি তোমায় ভালোবাসি। কথা ও সুর রাতুল। সঙ্গীত বাবু। সঙ্গীত শিল্পী আনিসার একক গান বন্ধু তুমি আইলা না”। কথা রবিন্দ গোব, সুর প্রিন্স গোব, সঙ্গীত প্রিন্স শুভ। গানটি অডিও ভিডিও প্রকাশ পাচ্ছে। সঙ্গীত শিল্পী কাউসার খানের ”মন শুধু তোমাকে চায়” কথা ও সুর কাউসার, সঙ্গীত অনিম খান। সঙ্গীত শিল্পী শুভ রহমানের একক গান ”বোঝনাকি তুমি“। খানের মন শুধু তোমাকে চায়, কথা ও সুর কাউসার, সঙ্গীত অনিম খান। তবে হ্যা অবশ্যই সিডি চয়েস মিউজিক এর ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন, এবং সিডি চয়েস মিউজিক ফেসবুক পেইজে এ লাইক দিয়ে একটিভ থেকে জেনে নিন বাংলা গান ও মিউজিক ভিডিওর সকল আপডেট।

 

শাকিবকে হাসপাতালে দেখে এলেন স্ত্রী অপু ইসলাম

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানকে। বিকেল পৌনে ছয়টা নাগাদ তাকে দেখতে বোরকা পরে সেখানে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী চিত্রনায়িকা অপু। এ সময় তার সঙ্গে ছিলো ছেলে আব্রাহাম খান জয়। এ প্রসঙ্গে অপু বলেন, শাকিব ভালো আছেন। দুশ্চিন্তা করার মতো কিছু হয়নি। এ সময়ে দুজনের মধ্যে কি কথা হয়েছে জানতে চাইলে অপু বলেন, আমি সব মিলিয়ে ১০-১৫ মিনিটের মতো  কেবিনে ছিলাম। এ সময় ডাক্তার-নার্সদের আনাগোনা ছিলো। আব্রাহাম গিয়েই ওর বাবার কোলে বসে খেলায় মেতে ওঠে। অপুর সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেলো স্বামীর সঙ্গে তার তেমন কোনো কথা হয়নি, দুজনের মনেই এখনো অভিমান জমে আছে। অপু বিষয়টি কিছুটা এড়িয়েই গেলেন। জানালেন, এই মুহুর্তে তার কাছে শাকিবের সুস্থতা জরুরি, অন্য কিছু নয়। উল্লেখ্য, লিভারে সমস্যার কারণে এর আগে ব্যাংককে চিকিৎসা নিতে হয়েছিলো শাকিব খানকে। তবে এবার তেমন কিছু নয়, বুকে ব্যাথা নিয়ে শাকিব হাসপাতালটির কার্ডিয়াক বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। ওই বিভাগের ৫০৪ নম্বর  কেবিনে অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর অধীনে চিকিংসাধীন রয়েছেন তিনি। রাত দশটা নাগাদ একটি রিপোর্ট এলে তার হাসপাতালে থাকা না থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

অবশেষে অপু আর শাবিকের মিলন

অভিমানের মেঘ কেটে গিয়ে নাটকীয় মিলন হলো ঢালিউডের দুই সুপারস্টার শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের। আর এ মিলনের সূত্রপাত একটি ফোনকল। যেটি গিয়েছে অপু বিশ্বাসের সেলফোনে শাকিব খানের সেলফোন থেকে। গতকাল বিকেলের ঘটনা এটি। অপুর ওপর জমে থাকা সব রাগ ঝেড়ে ফেলে বিকেলে শাকিব ফোন করেন তাকে। এরপর দীর্ঘ একঘণ্টার কথোপকথন। ফোন শেষ করার কিছুক্ষণ বাদে শাকিব মানবজমিনের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, এখন আর কোনো রাগ নেই আমার। আমাদের দুজনের মধ্যকার সব তিক্ততা কেটে গিয়ে আমরা আবার মিলে গেছি। অপু বিশ্বাস বলেন, আমিও খুব আনন্দিত শাকিবের ফোন পেয়ে। কারণ, আমি চাইছিলাম ও-ই যেহেতু দূরত্বের দেয়ালটা তৈরি করেছিল, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে ও-ই সেটা ভাঙবে। তাই ও যখন আমাকে ফোন করে তখন আমি অনেক খুশি হয়েছি। ওর সঙ্গে কথা বলার পরে আমি সব রাগ-কষ্ট ভুলে গেছি। সবার দোয়া নিয়ে এখন থেকে সুখে-শান্তিতে থাকতে চাই আমরা। এদিকে নাটকীয় মিলনের আদ্যোপান্ত সম্পর্কে শাকিব খান বলেন, আসলে ছেলেকে কোলে বসিয়ে টিভি ক্যামেরার সামনে অপুর এভাবে কথা বলার কারণেই প্রচণ্ড হতাশ হয়েছিলাম আমি। আর এর ফলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এ কারণেই ঘটনার রাতে ব্যাপক উত্তেজিত হয়ে আমি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অপু সম্পর্কে উল্টা-পাল্টা কথা বলেছি। সেসব আসলে আমার মনের কথা ছিল না। এজন্য আমি সরি। অপুকে সরি বলেছেন কিনা জানতে চাইলে মুচকি হেসে শাকিব বলেন, সে কি আর বলতে হয়! ফোনে আর কি কি কথা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক বলেন, সেসব আলাপন না হয় একান্তই নিজেদের হয়ে আমাদের মধ্যেই থাক। তবে এটুকু বলতে পারি, অভিমান ভাঙার প্রয়াসে একটি যুগলের মধ্যে সাধারণত যেসব টক-মিষ্টি মেশানো কথা বিনিময় হয়, আমাদেরও তাই হয়েছে। এবার তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ? শাকিব বলেন, ফোনে কথা বলতে বলতেই আমাদের মধ্যে সমঝোতা হয়ে গেছে। এখন থেকে আমরা আবার আগের মতোই হয়ে যাবো। এক ছাদের নিচে থাকবো, ঘুরবো, ফিরবো। আর আট-দশটা স্বাভাবিক দম্পতির মতোই থাকবে আমাদের সম্পর্ক। শাকিব জানান, অচিরেই অপু ও ছেলে আব্রাহাম খান জয়কে তিনি তার গুলশানের বাসায় নিয়ে আসবেন। তিনি আর অপু মিলে ছেলেকে লালন-পালন করবেন। একসঙ্গে নতুন কোনো কাজ? শাকিব বলেন, আগের কিছু কাজ তো বাকি আছে। সেগুলো শেষ করবো। আর নতুন কাজ কেউ করাতে চাইলে সেটাও করবো। প্রসঙ্গত, ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে নিয়ে এতদিন শোবিজজুড়ে ছিল ব্যাপক গুঞ্জন। বিয়ের পাশাপাশি দুজনের একটি সন্তান রয়েছে বলেও আলোচনা শোনা যেত প্রায়শই। কিন্তু এ বিষয়ে অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি এ পর্যন্ত হলেও শাকিব কিংবা অপু কারোর মুখ থেকে এতদিন কিছুই শোনা যায়নি। এমনকি টানা দশ মাস লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিলেন অপু। সোমবার সে আড়াল ভাঙেন তিনি। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টুয়েন্টিফোরে দেয়া সরাসরি সাক্ষাৎকারে জানান শাকিবের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে অনেক অজানা কথা। সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেন শাকিবের সঙ্গে তার বিয়ের সব তথ্য এবং তাদের সন্তান হওয়ার খবর। সেসঙ্গে সন্তান আব্রাহাম খান জয়কেও হাজির করেন সে টিভি লাইভে। অপু জানান, ২০০৮ সালের ১৮ই এপ্রিলে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সঙ্গে ছিলেন তার মেজো বোন লতা আর শাকিবের চাচাতো ভাই মুনির। কাজী এসেছিলেন শাকিবের বাড়ি ফরিদপুরের ভাংগা থেকে। তার নাম মুজিবুর। উকিল ছিলেন চলচ্চিত্রের প্রযোজক মামুন। বিয়ের সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন অপু ইসলাম খান। তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি হাসপাতালে তার এবং শাকিবের ছেলে আব্রাহাম খান জয়ের জন্ম হয়। অপুর এ টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে দেয়া তথ্যাদির সত্যতা সম্পর্কে জানতে ওইদিন রাতেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে শাকিব খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নানা ধরনের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। অবশেষে গতকাল বিকেলে অপুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে ঘটনার নাটকীয় পরিসমাপ্তি টানেন।

প্রবাসির স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেল কলেজ ছাত্র

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের হরিণাকুন্ড উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামের কলেজপড়–য়া এক যুবক প্রবাসির স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। যাওয়ার সময় স্বামীর নদগ দেড় লাখ টাকা ও দেড় ভরি সোনার গহনা নিয়ে গেছে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় হরিণাকুন্ডু থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, হরিণাকুন্ডুর কুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত জরিপ মন্ডলের মেয়ে রোজিনার সাথে একই উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামের সফিউরের সাথে বিয়ে হয়। সফিউরের পক্ষে একটি ছেলে সন্তান আছে। কাজের সন্ধানে সফিউর সৌদি আরব চলে গেলে তার স্ত্রী রোজিনা প্রতিবেশি কলেজ পড়–য়া যুবক এনামুলের ছেলে নাইমুরের সাথে পালিয়ে যায়। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়াই। অভিযোগ পাওয়া গেছে মেয়েকে কবিরাজি করে নাইমুর ও তার পরিবার নিয়ে গেছে। সফিউরের ভগ্নিপতি সোনাতনপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান জানান, ওরা যা করছে তাতে একটি সংসার নষ্ট করেছে। তিনি জানান, রোজিনা এখন আমাদের হেফাজতে। এ ব্যাপারে নাইমুরের মামা তেলটুপি গ্রামের কাসেদ জানান, আমরা ফলসি ইউনিয়েনের চেয়ারম্যান মধ্যস্থতায় মেয়ে রোজিনাকে ফেরৎ দিয়েছি। এখন তারা মামলা না তুলে হয়রানী করছে। এদিকে বিষয়টি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর ক্যাম্পের আইসি এসআই আলী আকবর চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন। রোজিনা এখন সাবেক স্বামীর বাড়ি থাকলেও আইসি আলী আকবর বলছেন তাকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার ঝিনাইদহ মাতাতে আসছেন জেমস

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের আশিক মিউজিক ক্লাবের আয়োজনে ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’ এ দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে মাতাতে আসছেন নগর বাউলখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস। আগামী ৩১ মার্চ শুক্রবার শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে সুরের মূর্ছনা ছড়াবেন আন্তর্জাতিক এই রকতারকা। ওইদিন বিকেল ৩টায় শুরু হবে কনসার্ট।আয়োজকদের পক্ষে নৃত্যালয় একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আসিফ উল ইসলাম পাপ্পু বলেন, ‘কনসার্টের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। ঝিনাইদহবাসীকে অন্যরকম আনন্দ দিতে শুক্রবার আমাদের সাথে নগর বাউল জেমস থাকবেন। তিনি এ ব্যাপারে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘লাখো ভক্তের এই শিল্পীর কনসার্ট নিয়ন্ত্রণে এখন প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছি। কনসার্টের টিকেটের মূল্য ধরা হয়েছে ১০০ টাকা।’

নবীগঞ্জের বাউলিয়ানা দিপু এবার গাইলো শফি মন্ডল ও রিংকুর সাথে ‘বন্ধুয়ার গান’


মতিউর রহমান মুন্না, নবীগঞ্জ থেকে
গানই যার বিশ্বাস, গানই যার প্রাণ, গানই যেন তার সবকিছু, আর সে হলো হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের ছেলে ‘বাউলিয়ানা দিপু’। যার পুরো নাম অলক কান্তি মহালদার দিপু। বাউল জগতে এখন এক পরিচিত নাম বাউলিয়ানা দিপু। তার জন্ম নবীগঞ্জ পৌর এলাকায়। তার পিতা অমিয় কান্তি মহালদার ও মা শিখা রানি মহালদার। জন্মস্থান নবীগঞ্জে হলেও দিপু ছোট বেলা থেকেই বেড়ে উঠে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সবুজবাগ আবাসিক এলাকায়।
যে দিপু ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি উন্মাদ ছিল। সমবয়সী ছেলেরা যখন খেলাধুলা নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো তখন দিপুর ভাবনা চিন্তায় থাকতো গান বাজনা। যার কারনে গানের উন্মাদনায় নিজেকে মাতাতে গান পাগল ছেলেটি বাউন্ডুলের মত ছুটে বেড়িয়েছে সর্বত্র। ছেলেটি গানের আসরে যোগ দিতে সদা প্রস্তুত থাকতো। এভাবেই ছোট বেলা থেকেই গানের একজন ভাল শ্রোতা হয়ে যায় দিপু। আর গানের প্রতি তার প্রবল এই আর্কষন ও আগ্রহে থেকেই হাটি হাটি পা পা করে সংগীতের দিকে ঝুঁকে যাওয়া। যার ফলশ্রুতিতে সংগীত চর্চার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি। বর্তমান প্রজন্মের গায়করা হিপহপ মর্ডান গান নিয়ে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তারা বাংলা লোকসংস্কৃতি ভুলে গিয়ে দিন দিন মর্ডানের দিকে এগাচ্ছেন। আর টিক তখনই দিপুর চর্চার বিষয় থাকে বাউল গান। দিপুর সংগীতের হাতেখড়ি হয় তারই মাসি নিপা রানী দাশের কাছ থেকেই। এরপর বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত কণ্ঠশিল্পী রাখাল চক্রবর্তী ও বিশিষ্ট্য বাঁশি বাদক বারী সিদ্দিকী‘র কাছে সংগীত চর্চা করেন দিপু। সংগীতকে আত্মার আত্মীয় বানিয়ে সেই থেকে আজ পর্যন্ত নিজের অন্তরে আঁকড়ে ধরে রেখেছে দিপু। সংগীতকে আঁকড়ে ধরে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে হেঁটে পথ চলতে চলতে আজকের এই দিপু’র সৃষ্টি।
যার কন্ঠে সর্বত্র বেজে উঠে ফোঁক, বাউল ও লালনের গান। ইতিমধ্যে পিতলের কলসি, বাউলিয়ানা, শ্যাম, স্বজনী ও অন্তর্যামী নামের অ্যালবাম দিয়ে বাউলিয়ানা দিপু সংগীত পিপাসু দর্শকদের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
দিপুকে কখনোই হিন্দি বা ইংলিশ গান গাইতে দেখা যায় না। বাউল গান করেন সবসময়। লালন সাঁই, বাউল শাহ আব্দুল করিম, শ্রী রাধারমন দত্ত, দেওয়ান হাসন রাজা, ফকির দুর্বিন শাহ, সিতালং ফকির, ক্বারী আমির উদ্দিন, জালাল খাঁ, আক্কাস দেওয়ান, বিজয় সরকার, মনমোহন দত্ত সহ সব বাউল গান এর চর্চা করেন এবং তাদের গান সব শ্রেনীর মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
বাংলাদেশের এমন কোন জেলা নেই যেখানে দিপু গান করেন নি। দেশের সুনামধন্য গায়ক সুবীর নন্দি, আশরাফ উদাস, মমতাজ, ডলি শায়ন্তনি, চন্দনা মজুমদার, শাহনাজ বেবী, রিংকু, শফি মন্ডল, বাউল সিরাজ উদ্দিন, রনেশ ঠাকুর সহ দেশের নামি দামী শিল্পীদের সাথে বেশ কয়েকটি অনুষ্টানে একমঞ্চে গান করেছেন তিনি। সিলেট বিভাগের বড় বড় অনুষ্টানে সবসময়ই আমন্ত্রন পান তিনি। দিপু শাহ আব্দুল করিম পরিষদের একজন অন্যতম সদস্য। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে অগ্রনি ভূমিকা পালন করেন।
সংগীত জগতে আসার পর থেকেই দিপুর স্বপ্ন ছিল দেশের জনপ্রিয় দুই বাউল শিল্পী বাউল শফি মন্ডল ও রিংকুর সাথে একটি গানের এ্যালব্যামে কাজ করার। দিপুর নতুন এ্যালব্যাম ‘বন্ধুয়ার গান’ এ বাউল শফি মন্ডল ও রিংকুর সাথে কাজ করার মাধ্যমে স্বপ্নপূরণ হয়েছে বলে জানান দিপু।
দিপুর নতুন এ্যালব্যামে দেশের জনপ্রিয় দুই বাউল শিল্পীর মধ্যে বাউল শফি মন্ডল এর বাড়ি কুষ্টিয়া জেলা। তিনি লালন সাইজির বর্তমান ধারক ও বাহক। উনার ৩টি এ্যালব্যাম আছে বাজারে। অপর জন রিংকু যার নাম কারো কাছে অচেনা নয়। বাউল শিল্পীর নাম আসলেই বেড়িয়ে আসে রিংকুর নাম। যার সুনাধ দেশ জুড়ে। ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সেই রিংকুর বাড়ি নওগা এলাকায়। বাজারে আছে তার ৭টি এ্যালবাম। তার গানগুলো সংগীত পিপাসুদের মুখে প্রতিদিনই শুনা যায়।
নিজের নতুন এ্যালব্যামের ব্যাপারে দিপু জানান, ‘ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল লোকগানের প্রতি আমার দূর্বলতা ছিল। ইচ্ছা ছিল বাউল শফি মন্ডল ও রিংকু ভাইয়ের সাথে কাজ করার। ‘বন্ধুয়ার গান’ এ্যালব্যাম আমার ইচ্ছা পূরণ করল। তাদের সাথে কাজ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। তাদের কাছে অনেক কিছু শিখেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ্যালব্যামের কাজ শেষ। চলছে প্রচার প্রচারণার কাজ। আগামী ২৩ মার্চ মোড়ক উন্মোচন করা হবে এই এ্যালব্যামের।’
সম্পর্ক ক্রিয়েশনের ব্যানারে ও মহতের সৌজন্যে ‘বন্ধুয়ার গান’ এ্যালব্যামের গানগুলো লিখেছেন অনামিকা সিন্হা অনু আর গানগুলো সুর করেছেন মোবারক হোসেন ও নোমান সজীব। এ্যালব্যামে দিপুর পাশাপাশি থাকছে বাউল শফি মন্ডল ও রিংকুর গাওয়া গান। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) সিলেটের হাংরি স্টেশন নামক একটি রেষ্টুরেন্টে আয়োজন করা হয়েছে এ্যালব্যামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের। পিতলের কলশি, শ্যাম, অন্তর্যামি, সরলার পর বন্ধুয়ার গান দিপুর চতুর্থ এ্যালবাম।

কণ্ঠশিল্পী মাজারুল ইসলাম মাসুম তার সংগীত ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা

এখনো তোমার কন্ঠ শুনে কেঁপে উঠে কত প্রান,এখনো তোমার ভাষন শুনে কাদে মানুষের প্রাণ এখনো কাঁদে তোমার মেয়ে শেখ হাসিনার প্রাণ, এইত আমায় গান শেখ মুজিবুর রহমান, এখনো তোমার জন্য কত যোদ্ধা থাকে চেয়ে, তোমার মেয়ে বাবা বলে কাদে দেখনা তুমি চেয়ে। এখনো কাদে হাজার রিদয় লক্ষ কোটি প্রাণ, এইত আমার গান, এখনো তোমার বাংলায় কত শত্রুরা খেলা করে,দেশটা গরতে তোমার মেয়ে দিন রাত খেটে মরে,গাইব আমি গান আমি রাখবো দেশের মান। এইতো আমার গান। এই জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা, যার এক গানেই মন কেড়ে নিলো, এবং জয় করে নিল সরিষাবাড়ীর পৌর মেয়র মো:রুকনুজ্জামান রুকনের মন।সে আর কেউ নয় বর্তমান তরুণ প্রজন্মের কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম। জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী মাজারুল ইসলাম মাসুম তার সংগীত ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেন বিবিসি লাইভের সঙ্গে। বিবিসি লাইভ: কেমন আছেন আপনি? মাসুম: ভালো আপনি? বিবিসি লাইভ: ভালো আছি। বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে? মাসুম: এই তো গান নিয়েই আছি। বিবিসি লাইভ: আপনার গান ও ছেলেবেলা সম্পর্কে জানতে চাই। মাসুম: আমি ছোটবেলা খুব দুষ্টু ছিলাম। স্কুলে ইউনিফর্ম কাদা-বালি মাখিয়ে বাসায় আসতাম। গান শোনার জন্য বন্ধুরা আমাকে ঘিরে থাকতো সবসময়। বড় হওয়ার সাথে সাথে দুষ্টুমিগুলো অনেক কমে গেছে। বিবিসি লাইভ: শুনেছি অনেক ভাল গান করেন, কিভাবে গাইতে পারেন এত সুন্দর করে? মাসুম: আসলে কথাটা ঠিক নয় আল্লাহ যেটুকু ই দিয়েছন সেটার জন্যই মানুষের মনের মাঝে পৈাছাতে পারি। আর যারা বলে আমি ভালো গাই, তারা আমাকে খুব ভালোবাসে। তাই সবাই একটু বেশিই বলে। কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম- মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম- মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন বিবিসি লাইভ: বর্তমান অবস্থানে কিভাবে আসলেন? মাসুম: আল্লহর অশেষ রহমত ও ইচ্ছায় এবং মেয়র আমার বড় ভাইয়ের, সহযোগিতায় ঢাকায় এসেছি, যেটুকু সুর আল্লাহ আমাকে দিয়েছন শহরের গুনি দের কাছাকাছি থেকে তার পরিচর্জা করার জন্য এমনকি, অনেক কিছুই শিখছি যা আমার জন্য আশির্বাদ সরুব।আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমার নতুন জীবনের শুরুই মেয়র মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন। এবং সংগীত জীবনে পেয়েছি অনেকেরি সহযোগিতা ও অনেক অনেক ভালবাসা। সংঙ্গীত নিয়ে সবার কিছু না কিছু আশা আকাঙ্ক্ষা থাকে তবে আশা করার আগেই অনেকে আবার অনেক কিছু পেয়ে যায় তেমনি ঢাকায় এসে আমার যোগ্যতার চেয়েও যে বেশি কিছু দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছে আমার বন্ধু, ভাই, বাংলাদেশের তমুল জনপ্রিয় গীতিকার এইচ এম রিপন। গীতিকার এইচ এম রিপন- কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম -মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন গীতিকার এইচ এম রিপন- কন্ঠশিল্পী মাজহারুল ইসলাম মাসুম -মেয়র রুকনুজ্জামান রুকন বিবিসি লাইভ: এতো সুন্দর গান করার সময় কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখেন? মাসুম: গানগুলো করার সময় আমি অবশ্যই একটা ইমাজিনেশন মাথায় আনি- এখন কাকে আনি সেটা তো বলতে পারবো না। এটা একান্তই ব্যক্তিগত। এটা আমার ক্রিয়েটিভিটির জায়গা। আপনার পরিবার, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব যত যাই কিছু থাকুক না কেন- যখন আপনি কোনো সৃষ্টির খোঁজে যাবেন তখন আপনাকে একা হতে হবে। বিবিসি লাইভ: ক্রিয়েটিভ জায়গায় আপনার অনুভূতি কেমন হয়? মাসুম: আই থিংক, এই ব্যাপারে আমি পুরো স্বাধীন থাকি। যেটা করে আমার আত্মা শান্তি পাবে আমি কিন্তু সেটাই করি। শেষ পর্যন্ত গানটা আত্মার স্বাধীনতা থেকেই আসে। বিবিসি লাইভ: অবসরে কী করেন? মাসুম: অবসরে আমার মাথায় দুটো বিষয় বেশি নাড়া দেয়। মেয়র আমার বড় ভাই আমায় আবিষ্কার করেছেন। তখন আমি আমার নিজেকে আবিষ্কার করি। বিবিসি লাইভ: ধন্যবাদ আপনাকে বিবিসি লাইভে সময় দে’য়ার জন্য। মাসুম: আমার পক্ষথেকে বিবিসি লাইভ পরিবারকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »