Category: প্রথম পাতা

শৈলকুপার বঙ্গবন্ধু’র স্মৃতিবিজড়িত সেই গ্রামীণ বাড়িটি আজ ইতিহাসের সাক্ষী !

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ ছয় দশক ধরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বহন করে চলেছে শৈলকুপা উপজেলার বাখরবা গ্রামের একটি ঘর। ১৯৫৪ সালের কোন এক সময় এই ঘরটিতে রাত্রি যাপন করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে জড়াজীর্ণ অবকাঠমো নিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে মাটির ভিটার এই ঘরটি। অথচ শৈলকুপা উপজেলার অধিকাংশ মানুষ জানে না সে ইতিহাস। যারা জানে, তাদের কেউ কেউ এক নজর দেখতে আসে এই ঘরটি।এখানে এলে কিছুটা হলেও আপনিও হবেন স্মৃতিকাতর। এই ঘরটি তৎকালিন পাকিস্তানের জাতীয়, প্রাদেশিক পরিষদ ও স্বাাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের বসত বাড়ি।তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট প্রার্থি অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের পক্ষে নৌকা প্রতিকের প্রচরণায় তিনি এই অজপাড়াগাঁ বাখরবা গ্রামে এসেছিলেন। বর্তমানে বাড়িটিতে বসবাসকারী অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের ভাতিজা আশফার আহাম্মেদ বেলাল জানান, ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান।ঝিনাইদহ-শৈলকুপা-হরিনাকুন্ডু আসনে যুক্তফ্রন্টের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী ছিলেন তিনি। সেই নির্বাচনে প্রচরণার জন্য বঙ্গবন্ধু এখানে এসেছিলেন। তিনি ট্রেনযোগে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া হয়ে খোকসা আসেন। পারে দলবল নিয়ে গড়াই নদী পার হয়ে বাখরবাতে আসেন। বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করেন। দুপুরে খওয়া-দাওয়া শেষে বিকালে কাতলাগাড়ী বাজারে নির্বাচনী জনসভায় ভাষন দেন। রাতে কামরুজামানের বাড়িতে “গেস্টরুমে” রাত্রি যাপন করেন। সকালে তিনি ঝিনাইদহের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা মহিউদ্দিন ও শেখ আজিজ। বঙ্গবন্ধুর রাতে অবস্থান নেওয়া সেই ঘরটি আজ ইতিহাসের সাক্ষী।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনায় অধ্যাপক আ, আ, ম, স, আরেফিন সিদ্দিক বাঙালি জাতির হাজার বছরের গৌরবের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

বাঙালি জাতির হাজার বছরের গৌরবের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ । বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। বাঙালির কালজয়ী ও গর্বিত ইতিহাস থেকে ইতিহাসের রাখাল রাজা বঙ্গবন্ধুকে আলাদা করা কখনো সম্ভব নয়। যারা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদা করতে চায় তারা জাতির শত্রু। ইতিহাসের স্বর্ণালী অধ্যায়কে কলংকিত করার অপচেষ্টা মাত্র। যুদ্ধাপরাধী জামায়াত – বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে বাঙালির কালজয়ী ইতিহাস থেকে আলাদা করতে চায়। আজ জামায়াত – বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে আলাদা করতে চায় বলেই জনসম্পৃক্ততা ও রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন তারা। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ, আ, ম, স, আরেফিন সিদ্দিক উপরোক্ত মন্তব্য করেন ।
বঙ্গবন্ধু শিশু উৎসব উদযাপন পরিষদ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের উদ্যোগে গত ২৪ মার্চ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় নগরীর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শিশু উৎসব উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো: ইসহাক মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ, আ, ম, স, আরেফিন সিদ্দিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টি হতো না। বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও বাংলাদেশের জন্ম এক এবং অভিন্ন। বাঙালির ইতিহাস আর বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা। তিনি আরো বলেন, বাঙালির ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু অগ্রপথিক ও সাহসী বীর। জামায়াত- বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করে না বলেই তারা আজ রাজনীতি থেকে জনবিচ্ছিন্ন। অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক আরে বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অগ্রণী ভ’মিকা রেখেছেন। বলতে গেলে বঙ্গবন্ধুর সাহসী নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তরুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। বক্তারা আরো বলেন আগামীর বিশ্ব ও বাংলাদেশ তরুন প্রজন্মের হাত ধরে এগিয়ে যাবে।তাই যত বেশি তরুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তোলা সম্ভব হবে তত বেশি জাতি বেশি সমৃদ্ধ হবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি: এর ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড: জিনবোধি ভিক্ষু, সাদার্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো: মহিউদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাংষ্কৃতিক সম্পাদক স্বজন কুমার তালুকদার, ইউরোপীয়ান আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম, এ, গণি, ফুলকলি প্রোডাক্টস লি: এর মহাব্যবস্থাপক এম, এ, সবুর, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাবেক ছাত্রনেতা এ, কে, জাহেদ চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ড: মো: ফয়সল কামাল, হাজেরা তজু স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সেলিমুজ্জামান মজুমদার,সিটিজি পোষ্ট ডট কমের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দীন। বঙ্গবন্ধু শিশু উৎসব উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী স ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম লিয়াকত হোসেন, মো: জসিম উদ্দীন চৌধুরী, প্রকৌশলী টি কে সিকদার, আওয়ামীলীগ নেতা প্রকৌশলী প্রদীপ বড়–য়া, চন্দন পালিত, মাওলানা মাহাবুবুর রহমান,অধ্যাপক সৈয়দ মোঃ মিসবাহ উদ্দীন, সুভাষ চৌধুরী টাংকু, জে,বি,এস, আনন্দবোধি ভিক্ষু, শেখ আব্দুল্লাহ শেকাব, কাজী সাইফুল ইসলাম, অভিজিৎ দে রিপন, মোঃ সেলিম উদ্দীন, সুমন চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, সুপন বিশ্বাস, কবি স্বপন বড়–য়া, নারী নাত্রী সেলিনা শফি, প্রাঞ্জল বড়–য়া, আকলিমা আকতার, জয়িতা মিত্র প্রমুখ।

মাগুরার আলোচিত মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ মামলার চার্জ গঠন

মাগুরা প্রতিনিধি ॥ অবশেষে ৩ দফা দিন পিছিয়ে মাগুরার আলোচিত মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ ও মোমিন ভুইয়া নিহতের ঘটনায় দায়েকৃত মামলার চার্জ গঠন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আরাফাত হোসেনের আদালত এ চার্জ গঠন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ ফিরোজুর রহমান জানান, মামলার ৫ আসামী অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদনের উপর দীর্ঘ শুনানী শেষে অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে বিজ্ঞ বিচারক ১৭ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। আগামী ৮ মে সাক্ষীর জন্য দিন নির্ধারন করেন আদালত।
মামলার বাদী রুবেল ভুইয়া তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, পুলিশ কর্তৃক আদালতে চার্জসীট দাথিলের দীর্ঘদিন পরে হলেও চার্জ গঠন হওয়ায় সন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেন। সাক্ষীর মাধ্যমে ন্যায় বিচার পাবেন বলে তিনি আশা করেন।
প্রসঙ্গত,২০১৫ সালের ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের দু’দল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে মমিন ভূইয়া নামে একজন নিহত হন। এ সময় গভের্র শিশুসহ নাজমা বেগম নামে এক গৃহবধূ গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় নিহত মোমিন ভুইয়ার ছেলে রুবেল ঘটনার ৩ দিন পর ২৬ জুলাই তার বাবা মোমিন খুন ও মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় ১৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীদের মধ্যে আজিবর নামে একজন পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়। পরবর্তীতে পুলিশী তদন্তে অপর একজনের নাম বাদ পড়ে তোতা, আয়নাল ও মুন্না নামে ৩ জনের নাম নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয় ও ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মোট ১৭ জনের নামে আদালতে চার্জসীট দাখিল করে পুলিশ।

টঙ্গীতে এক দিনে ফাঁসিতে ঝুলে ২ নারী এক কিশোর ও এক রিকসা চালক সহ ৪জনআত্মহত্যা


এস, এম, মনির হোসেন জীবন : গাজীপুর মহানগরীর শিল্পনগরী টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় এক দিনে ফাঁসিতে ঝুলে ৪জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন নারী,এক কিশোর ও এক জন পুরুষ। নিহতদের মধ্যে দুই নারী পোশাক কারখানায় চাকুরি করতেন ও বাকী দুইজনের মধ্যে এক কিশোর ও একজন রিকশা চালাক বলে জানা গেছে। নিহতরা হলেনÑ মর্জিনা আক্তার রিয়া (৩৫), সোনিয়া আক্তার (২০) ও মাজহারুল ইসলাম (২৩)। অপর অঞ্জাত ১২ কিশোরের পরিচয় জানা যায়নি। পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তিগত জীবনের হতাশা এবং সংসারে অভাব অনটনের কারনে এসব আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। খবর পেয়ে টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাীটয়েছে।
রোববার রাতে টঙ্গীর ঝিনু মার্কেট, আউচপাড়া মোক্তার বাড়ি,রসুলবাগ ও বড়বাড়ি পৃথক পৃথক এলাকায় এসব আতœহত্যার ঘটনাগুলো ঘটে।
টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফিরোজ তালুকদার আজ মঙ্গলবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ, এলাকাবাসি ও নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, রোববার রাতে স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। মর্জিনা আক্তার রিয়ার বাবার নাম তৌহিদুল ইসলাম ও স্বামীর নাম মেহেদী হাসান। জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার নয়াবাজারে তাদের বাড়ি। রিয়া গাজীপুর মহানগরীর বড়বাড়ি এলাকায় নাসিরের বাড়িতে ভাড়া থাকত। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিয়াকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এছাড়া, টঙ্গীর ঝিনু মার্কেট এলাকায় রোববার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে ঘরের আড়ার সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে মারা গেছে সোনিয়া আক্তার । সে স্থানীয় ডা: আজিজুর রহমানের বাড়িতে ভাড়া থাকত নিহত সোনিয়া আক্তার । সোনিয়া আক্তারের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার খাঘাটি গ্রামে। স্বামী দেলোয়ারের সাথে পারিবারিক কলহের জেরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা মারা যায়। এ ঘটনায় সোনিয়ার চাচা মোখলেছুর রহমান বাদি হয়ে টঙ্গী মডেল থানায় অপমৃতুর মামলা করেছেন।
অপর দিকে, রোববার রাতে টঙ্গীর আউচপাড়া মোক্তার বাড়ি রোডে মাজহারুল ইসলাম নামে এক রিকশাচালক ঘরের আড়ার সাথে ফাঁসিতে ঝুলন্ত আতœহত্যা করেছে। মাজহারুল ইসলামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার দুরাইন গ্রামে। সে স্ত্রী ও একমাত্র পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে টঙ্গীর আউচপাড়া মোক্তার বাড়ি রোডের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকত।
মাজহারের মা বানেছা জানান, মাজহারের স্ত্রী শারমিন রোববার মধ্য রাতে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যায়। ফিরে এসে দেখে ভেতর দিক থেকে দরজা আটকানো। পরে বহু ডাকাডাকির পর অবশেষে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ঘরের আড়ার সাথে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় মাজহারকে উদ্ধার করা হয়। তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মাজহার প্রায়ই হতাশায় ভোগত বলে তার স্ত্রী শারমিন জানান।
এছাড়া,টঙ্গীর রসুলবাগ এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় দিকে অঞ্জাত ১২ বছরের এক কিশোর ফাঁসিতে ঝুলে আতœহত্যা করেছে। এসব পৃথক পৃথক ঘটনায় টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ ৪জনের লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এসংক্রান্তে সংশ্লিষ্ট থানায় ৪টি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।

গাইবান্ধায় জেএমবি সদস্য হত্যা মামলায় জেএমবি নেতা রাজীব গান্ধীর স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি


গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার জেএমবি সদস্য মাজেদুল ইসলাম ওরফে ফজলে রাব্বী হত্যা মামলায় ঢাকার হলি আর্টিজানে হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী জেএমবি নেতা রাজীব গান্ধীর আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দিয়েছে। গত ২৭ মার্চ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় গাইবান্ধা জেলা অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম জয়নাল আবেদীনের আদালতে জেএমবি নেতা রাজীব গান্ধী এ জবানবন্দি দেন। সিআইডি পরিদর্শক সাইফুল জানান জেএমবি সদস্য মাজেদুল ইসলাম ওরফে ফজলে রাব্বী হত্যা মামলায় গত ২০ মার্চ জেএমবি নেতা রাজীব গান্ধীকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ডে শেষে গত ২৭ মার্চ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় আদালতে ১৪৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দেন তিনি। ২০১৫ সালের ১৯ জুলাই রাতে সাঘাটা উপজেলার বসন্তের পাড়া গ্রামের সাদাক্কাস আলীর পুত্র মাজেদুল ইসলাম ওরফে ফজলে রাব্বীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তখন সাঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছিলেন রাব্বী জেএমবি সদস্য ছিলেন। অপর দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের টেংগরজানি গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মাহবুবর রহমান ডিপটি হত্যা মামলায় জেএমবি নেতা রাজীব গান্ধীকে গাইবান্ধা জেলা অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম জয়নাল আবেদীনের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত ৫দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পল্লী চিকিৎসক মাহবুবর রহমান ডিপটিকে ২০১৫ সালের ২জুন বিকালে পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ঈদগাহ মাঠ এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। জেএমবি নেতা রাজীব গান্ধীর বাড়ী গাইবান্ধা জেলা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মালঞ্চা গ্রামে। তার পিতার নাম ওসমান গণি মন্ডল মুন্সি।

শুক্রবার ঝিনাইদহ মাতাতে আসছেন জেমস

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের আশিক মিউজিক ক্লাবের আয়োজনে ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’ এ দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে মাতাতে আসছেন নগর বাউলখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস। আগামী ৩১ মার্চ শুক্রবার শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে সুরের মূর্ছনা ছড়াবেন আন্তর্জাতিক এই রকতারকা। ওইদিন বিকেল ৩টায় শুরু হবে কনসার্ট।আয়োজকদের পক্ষে নৃত্যালয় একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আসিফ উল ইসলাম পাপ্পু বলেন, ‘কনসার্টের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। ঝিনাইদহবাসীকে অন্যরকম আনন্দ দিতে শুক্রবার আমাদের সাথে নগর বাউল জেমস থাকবেন। তিনি এ ব্যাপারে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘লাখো ভক্তের এই শিল্পীর কনসার্ট নিয়ন্ত্রণে এখন প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছি। কনসার্টের টিকেটের মূল্য ধরা হয়েছে ১০০ টাকা।’

ধামরাইয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন ৫ শত ৮০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান

মোঃ গোলাম মোস্তফা ,ঢাকাজেলা সংবাদ প্রতিনিধি
সারা দেশের ন্যায় ঢাকার ধামরাইয়ে বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে
আজ সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ধামরাই সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে ঢাকা -২০ আসনের সংসদ সদস্য ও মেঘনা ব্যাংকের পরিচালক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মালেক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেনএ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মো: হাবিবুর রহমান, ধামরাই সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মো: সিরাজুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ধামরাই উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা ইয়াসমিন মুক্তা । এ ছাড়া ও ৫ শত ৮০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ও ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হয় । পরে ধামরাইয়ের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের প্রায় ৫ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লেতে অংশ গ্রহন করেন।

কালীগঞ্জে ৪টি গ্রাম সজিনা প্রযুক্তি গ্রাম ঘোষণা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৪টি গ্রামকে সজিনা  প্রযুক্তি গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করেছে কৃষি বিভাগ। সজিনার পুষ্টি ও ওষুধী গুনের কথা ভেবেই প্রত্যেক বাড়িতে কমপক্ষে ১/২টি করে সজিনা গাছ থাকবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। ইতিমধ্যে সজিনার গাছ লাগানো কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায় ক্রমে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় আরো ১৫ হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। সজিনা নিজের পরিবারের চাহিদা পুরণ করে অতিরিক্তটুকু বিক্রি করে আর্থিক  ভাবেও স্বাবলম্বী হতে পারে গ্রামবাসী।  বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে পরিত্যক্তজায়গায় এ গাছগুলো লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, মুজিবনগর সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪টি গ্রামকে সজিনা প্রযুক্তি গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে  উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর ও ভাটপাড়া, নিয়ামপুর ইউনিয়নের একটি গ্রাম, পৌরসভার বলিদাপাড়া/মোচিক কলোনী এলাকাকে সজিনা প্রযুক্তি গ্রাম ঘোষণা করে সজিনা গাছ লাগানো শুরু হয়েছে। কমপেক্ষ প্রত্যেক বাড়িতে ১/২টি করে সজিনা গাছ থাকাবে সেই লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এই গাছ গুলো লাগানো হচ্ছে। বিভিন্ন বাড়ি থেকে সজিনার ডাল সংগ্রহ করে কাটিং পদ্ধতিতে ডালগুলো লাগানো হচ্ছে। ঐ চারটি গ্রামে মার্চ-এপ্রিল মাসে কমপক্ষে ২ হাজার ডাল লাগানো হবে। কৃষি অফিস আরো জানান, পর্যায় ক্রমে উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার সজিনা গাছ লাগনো হবে। মার্চ এপ্রিল মাসে সজিনা গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। এ সময় বিভিন্ন গাছ থেকে কাটিং পদ্ধতিতে ডালগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে লাগানো হয়।কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল করিম জানান, সজিনাতে রয়েছে পুষ্টি ও ওষুধী গুনাগুন। উপজেলার জনগনের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তার কথা ভেবে মুজিবনগর সমন্বিত কৃষিউন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪টি গ্রামকে সজিনা প্রযুক্তি গ্রাম ও পুরো উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার সজিনা গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে কৃষিবিভাগ। তিনি আরো জানান, আয়ুর্বেদ শ্বাস্ত্রে সজিনায় প্রায় ৩শ প্রকার ব্যাধীর প্রতিষোধক হিসেবে ব্যবহৃত  হয়। শরীরের প্রয়োজনীয় সব  সাথে আবশ্যকীয় প্রায় সবগুলি এমাইনো এসিড সজিনা পাতায় বিদ্যমান বলে বিজ্ঞানীরা একে পুষ্টির ডিনামাইট হিসেবে আখ্যাতি করেছেন। সজিনা পাতা,ফুল ও সজিনা  খাওয়া যায়। এ্যানিমিয়া জয়েন্ট পেইন, ব্লাড পেশার, কিডনিতে পাথর,মায়ের দুধ বৃদ্ধিকরা,ক্যান্সার কোষ্টকাঠিন্য,ডায়াবেটিস, ডায়রিয়াম হার্ড পেইনসহ বিভিন্ন ওষধি গুনাগুন রযেছে বলে পুষ্টি বিশেজ্ঞরা মনে করেন। কৃষি অফিসার জাহিদুল করিম আরো জানান, সজিনা সাধারণত ধরে ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাসে।  স্থানীয় ভেদে এক কেজি সজিনা প্রথম পর্যায় ১৫০- থেকে ২০০ টাকা কেজি দওের বিক্রয় করাহয় এবং ৫০-৮০ টাকা দরে বিক্রি করে। এছাড়াও সজিনার ফুল ও পাতাও বিক্রি হয়। অনেকে আবার একটি সজিনার ডাল ১০/২০ টাকায় বিক্রিও করে। যদি কেউ সজিনার  বাগান করতে চাই তাহলে কৃষি অফিস থেকে  তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

 

নোয়াখালীতে মহানবী (সাঃ) সম্পর্কে ফেসবুকে কুটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশ

জুয়েল রানা লিটন,নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) সম্পর্কে কূটুক্তিমূলক মন্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করার প্রতিবাদে স্থানীয় আবুল বাশারের ফাঁিসর দাবীতে শনিবার সকালে ওদার হাট পানা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বিদ্যালয়ের মাঠে হাজার হাজার জনতার সমাবেত হয়ে আবুল বাশারকে নাস্তিক আখ্যায়িত করে ফাসির দাবী করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে নাস্তিক মুরতাদ প্রতিরোধ কমিটির জেলা সভাপতি মাওলানা শিব্বির আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা সফিউল্যাহ সাহেব, মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান, মুফতি গিয়াস উদ্দিন, মাওলানা মমিনুল হক, মাওলানা মাহমুদুর রহমান, খতিব হাফিজ ইসমাইল প্রমুখ।
এসময় বক্তারা অবিলম্বে নাস্তিক, মুরতাদ আবুল বাশার এর ফাঁিসর দাবী জানান। নচেৎ আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেন। বেশ কিছুদিন থেকে নাস্তিক বাশার তার ফেইজবুক আইডিতে মোহাম্মদ (সঃ) সম্পর্কে কুটুক্তিকর মন্তব্য করে। এ কুটক্তি করায় সুধারাম থানা পুলিশ গত বৃহস্প্রতিবার আবুল বাশার কে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ॥ বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার


এস,এম,মনির হোসেন জীবন : ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গোলচত্বর সংলগ্ন ট্রাফিক পুলিশ বক্র চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা পর ঢাকা বিমানবন্দর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে আইনশৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলা হয়েছে। সেই সাথে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও তল্লাশী বৃদ্বি করা হয়েছে । বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা কার্যক্রম। বিমানবন্দরের বাইরে ও ভেতরে তৎপর রয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, (এপিবিএন), পুলিশ, আনসার সহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিমানবন্দর রেলস্টেশনে জিআরপি পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা বলয় ও রেলযাত্রী তল্লাশী অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে, আশকোনা হজ্বক্যাম্প সংলগ্ন র‌্যাব ব্যারাক (অস্থায়ী কার্যালয়) ও বিমানবন্দর গোলচত্বর ট্রাফিক পুলিশ বক্র চেকপোষ্টে আতœঘাতি বোমা হামলা সম্প্রতি বোমাবহনকারী অঞ্জাত ২জন যুবক নিহতের ঘটনায় বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ট্রেন যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে বেশ জোরদার করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশনে সকল রেলওয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও জঙ্গীরোধ কল্পে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্ল্যাটফর্মে এক সাড়াশি অভিযান চালানো হয়। ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশনে জিআরপি পুলিশের ইনচার্জ (এসআই) মো: আলী আকবর এ ঝটিকা অভিযানে নেতৃত্ব দেন। প্রায় ১ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান চলাকালে বেশ কয়েকটি ট্রেনের সন্দেহভাজন যাত্রীদের শরীর, ব্যাগ ও লাগেজ তল্লাশী করা হয়েছে।
বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এএসপি (মিডিয়া) তারিক আহমেদ আস সাদিক আজ জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি পয়েন্টে সতর্ক নজরদারি ও তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিক আছে।
বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল বারী চৌধুরী জানান, বহির্গমন গেটগুলোতে সিভিল অ্যাভিয়েশনের সিকিউরিটি বৃদ্বি করা হয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল সংস্থাগুলো বেশ তৎপর রয়েছে। সতর্কতা হিসেবে বিমানবন্দর এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে তল্লাাশি জোরদার করা হয়েছে।
ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন এর জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো: আলী আকবর আজ জানান, সম্প্রতি আশকোনা র‌্যাবের অস্থায়ী ব্যারাক ও বিমানবন্দর গোলচত্বর ট্রাফিক পুলিশ বক্রে পৃথক দু’আতœঘাতি বোমা হামলার পর বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে তল্লাশী ও সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
(এসআই) মো: আলী আকবর আজ আরও জানান, যে কোন ধরনের নাশকতা ও কর্মকান্ড রোধ কল্পে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলা হয়েছে। ১০ থেকে ১২জন পুলিশ সদস্য ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত আছেন।
শাহজালাল বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করলে বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদা সুলতানা জানান,হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আমরা চেষ্টা করছি ভেতরে যাত্রী ছাড়া দর্শনার্থীরা যেন প্রবেশ কম করেন। সে দিকে আমরা গুরুত্বের সাথে নজরধারী রাখছি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দরের সামনের সড়কের গোলচত্বরে ট্রাফিক পুলিশ বক্র চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে বোমাবহনকারী এক অঞ্জাত (২৫) নামা যুবক ঘটনাস্থলে নিহত হন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »