Category: প্রথম পাতা

বিদ্যুৎ খাতে আটোমেশনে দেশি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসা উচিত — বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে আটোমেশন করতে দেশি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসা উচিত। উদ্যোগী ও আগ্রহী প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রয়োজন বোধে সহযোগিতা করা হবে।তিনি আজ ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে স্মার্ট মিটার সংযোজনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে কিন্তু প্রযুক্তি নির্মাণে আগ্রহ তেমন দেখা যাচ্ছে না।বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অ্যাপলম্বটেক-এর কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তৈরি স্মার্ট মিটার সংযোজন অন্যতম মাইলফলক। সংযোজিত স্মার্ট গ্রিড একটি দ্বিমুখী ব্যবস্থা যা গ্রাহক ও বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিদ্যুৎ ও তথ্য আদান প্রদান করবে। গ্রাহক সর্বদা সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত থেকে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ, বর্তমান চাহিদা এবং পণ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ বিল জানতে পারবে। ফলে গ্রাহক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সচেতন ও সতর্ক হতে পারবে। এছাড়া গ্রাহক মোবাইলের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে পারবেবিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।

তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে — পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) : তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষার খরচ শ্রমিকদের ওপর না চাপিয়ে মালিক পক্ষ, ক্রেতা এবং এ শিল্পের বন্ধুদের যৌথ সহায়তায় বহন করলে এ সম্পর্কিত উদ্যোগসমূহ অধিকতর ফলপ্রসূ হবে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহ্্রিয়ার আলম আজ রাজধানীর হোটেল লেক শোরে ‘ওয়ার্কিং উইথ উইমেন প্রজেক্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পের স্থায়িত্বের জন্য এ শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। শ্রমিকের নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কল্যাণের জন্য অপুষ্টি, কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকি, সংক্রামক ব্যাধি, শিশুমৃত্যু, গর্ভধারণজনিত জটিলতা ইত্যাদি সম্পর্কে তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানের আয়োজক এস এন ভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা ও এর শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সংস্থাটি পরিচালিত একটি প্রকল্পের চার বছরের অভিজ্ঞতা বিনিময় করে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন স্টক হোল্ডারের সাথে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মোঃ আনোয়ার উল্লাহ, ঢাকাস্থ নেদাল্যান্ডস্ দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স মার্টিন ভ্যান হুগস্ট্র্যাটেন (গধৎঃরহব াধহ ঐড়ড়মংঃৎধঃবহ), এসএনভির কান্ট্রি ডিরেক্টর জেসন বেলাঙ্গের (ঔধংড়হ ইবষধহমবৎ) প্রমুখ।

বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও জঙ্গিবাদী বই উদ্ধার ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ থেকে নব্য জেএমবির ৪ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব


এস,এম মনির হোসেন জীবন : রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে জামআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সারোয়ার-তামিম গ্রুপের (নব্য জেএমবি) চার সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১১)। গ্রেফতারকৃত নব্য জেএমবি’র সদস্যরা হলেন (১) শায়েখ আবু ইউশা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে ইমন (২৮), (২) মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০), (৩) মোঃ মাহাবুবুর রহমান ওরফে নাজমুল ওরফে উকিল ওরফে রেশান (২৮), এবং (৪) কাউছার সিকদার ওরফে কাউছার বিন আব্দুল আলিম ওরফে মাসুদ ওরফে শুভ (২৫)কে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও জঙ্গিবাদী বই উদ্ধার করে র‌্যাব-১১।
বুধবার দিবাগত রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র‌্যাব।
এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১১ এর কার্যালয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র এএসপি মো: মিজানুর রহমান ভূঁইয়া আজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
র‌্যাব-১১ এর অফিস সুত্রে জানা যায়,গত এপ্রিল মাসে এবং এ মাসের শুরুতে র‌্যাব-১১ কর্তৃক তিনটি সফল জঙ্গি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল ২৪ মে ২০১৭ তারিখ রাত সাড়ে ৮টার থেকে ২৫মে দিবাগ রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মু›িসগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে (১) শায়েখ আবু ইউশা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে ইমন (২৮), জেলা- বাগেরহাট (২) মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০), জেলা-রাজশাহী (৩) মোঃ মাহাবুবুর রহমান ওরফে নাজমুলওরফে উকিল ওরফে রেশান (২৮), জেলা-বরগুনা এবং (৪) কাউছার সিকদার ওরফে কাউছার বিন আব্দুল আলিম ওরফে মাসুদ ওরফে শুভ (২৫), জেলা-বরিশালদেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরা নব্য জেএমবি’র সদস্যদের কাছ কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও জঙ্গিবাদী বই উদ্ধার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা র‌্যাব-১১ এর কর্মকর্তাদেরকে জানায় যে, তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ তথা জেএমবির (সারোয়ার-তামিম গ্রুপের) সক্রিয় সদস্য। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতার উদ্দেশ্যে এ সকল অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুদ করেছিল। শায়েখ আবু ইউশা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে ইমন (২৮) নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন একটি মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োজিত ছিল। সে জেএমবির ‘এহসার’ সদস্য এবং নারায়নগঞ্জ জেলার জেএমবির (সারোয়ার-তামিম গ্রুপের) দাওয়াতী কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল।
র‌্যাব-১১ অফিস সুত্রে জানা যায়, জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা শায়েখ আবদুর রহমান এর আদর্শে উজ্জিবিত হয়ে ২০১২ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ায় অধ্যায়নরত থাকাকালীন পিতামাতার অগোচরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে সে ঝিনাইদহের জেএমবি সদস্য রেজাউল করিম ওরফে রাজুর মাধ্যমে জেএমবিতে যোগদান করে। ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ে বগুড়ায় প্রায় ২ মাস আত্মগোপনে থেকে সাংগঠনিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেয়। ২০১৫ সালের শেষের দিকে সে জেএমবি সদস্য রাজুর পরামর্শে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপে যোগদান করে। সে ২০১৩ সালে উক্ত জঙ্গি নেতার প্রস্তাবনায় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেএমবির আরেক ‘গায়েরে এহসার’ সদস্য আনোয়ার হোসেন (৫০) এর মেয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হয় যা তার নিজের পরিবারের কাছেও গোপন রাখে। মাঝে বেশ কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি এড়াতে ২০১৬ সাল থেকে সে গোপনে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করতে থাকে। উল্লেখ্য, সে নারায়ণগঞ্জের একটি মাদ্রাসাতেও কয়েক বছর পড়াশুনা করেছে।
র‌্যাব-১১ সুত্রে জানা যায়, টঙ্গী রেল স্টেশন এলাকায় গ্যাস লাইট বিক্রির ছদ¥বেশে ইউশা জেএমবির দাওয়াতী কাজ করত। সে সময় উক্ত নেতাও ছদ্মবেশে হারবাল ঔষধ ও মধু বিক্রি করত। তারা টঙ্গী এলাকার গার্মেন্টস কর্মী, রিক্সাওয়ালা, হকার, ফেরিওয়ালাসহ প্রায় সকল শ্রেণীর মানুষকে জেএমবি’র দাওয়াত দিত এবং সদস্য সংগ্রহ করত। সারোয়ার-তামিম গ্রুপের প্রধান সারোয়ার জাহান ওরফে রানা ওরফে মানিক তাকে জেএমবির তৎকালীন অপর এক শীর্ষ নেতার কাছে হস্তান্তর করে যার তত্ত্বাবধানে সে টঙ্গী, গাজীপুর ও সাভার এলাকায় সাংগঠনিক কাজ করার জন্য দায়িত্ব পায়।
মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০) পেশায় মধু বিক্রেতা ও জেএমবির ‘গায়েরে এহসার’ সদস্য। সে ২০০৪ সালে জেএমবি সদস্য জনৈক মাসুম এবং পারভেজ এর মাধ্যমে সংগঠনে অন্তর্ভূক্ত হয়। প্রথমদিকে সে বিভিন্ন মসজিদে জেএমবির লিফলেট বিতরনের কাজ করত। পরবর্তীতে ধর্মীয় ও জিহাদ ভিত্তিক সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সে জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা শায়েখ আব্দুর রহমান এবং সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাই এর ¯েœহভাজন হয়। এসময় সে শায়েখ আবদুর রহমান এবং আরাফাত রহমান সানির ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে কাজ করে। ২০০৫ সালে বাংলাদেশের ৬৩টি জেলায় সিরিজ বোমা হামলার পর জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হতে থাকে, এ সময় সেও আত্মগোপনে চলে যায়। পরে ২০১০ সালে পুনরায় মধু বিক্রির ছদ¥বেশে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতে থাকে এবং জেএমবি সদস্যদের সাথে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করতে থাকে। এ সময় বিভিন্ন মজলিশ ও জলসায় যাতায়াতের এক পর্যায়ে টঙ্গী-গাজীপুর অঞ্চলের জেএমবি’র এক শীর্ষ নেতার মাধ্যমে সে সারোয়ার-তামিম গ্র“পে যোগদান করে। এর পরে উক্ত নেতার মাধ্যমেই শায়েখ আবু ইউশা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে ইমন (২৮) এর সাথে তার বড় মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব আরও জানান, মোঃ মাহাবুবুর রহমান ওরফে নাজমুল ওরফে উকিল ওরফে রেশান (২৮), এলইডি লাইটিং এর ব্যবসা করে। সে জেএমবির একজন সামরিক প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিল। ২০১৪ সালে সে জেএমবির অপর এক সক্রিয় সদস্য, ইতিপূর্বে র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতারকৃত, মোঃ কাইয়ুম হাওলাদার ওরফে মিঠু এর মাধ্যমে জেএমবিতে যোগদান করে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে চট্টগ্রামে অস্ত্র চালনার উপর প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এছাড়াও সে কাউসারের কাছ থেকে মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হতো মুলতঃ কাইয়ুম হাওলাদার ওরফে মিঠুর বাসায়। লাইটিং ব্যবসার আড়ালে নাজমুল দেশের বিভিন্ন স্থানে সফর করে জেএমবির সদস্য সংগ্রহ ও তাদের প্রশিক্ষণের জন্য কাজ করেছে।
র‌্যাব-১১ সুত্রে আরও জানা যায়, কাউছার সিকদার ওরফে কাউছার বিন আব্দুল হালিম ওরফে মাসুদ ওরফে শুভ(২৫), এলইডি বাল্বের ব্যবসা করে। প্রায় ২ বছর পূর্বে জেএমবির (সারোয়ার-তামিম গ্রুপের) সক্রিয় সদস্য মোঃ কাইয়ুম হাওলাদার ওরফে মিঠু (৩২) এর সাথে এবং পরবর্তীতে মাহবুবুর রহমান ওরফে নাজমুল ওরফে উকিল ওরফে রেশান এর সাথে তার পরিচয় হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সে জেএমবিতে যোগদান করে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে। বাল¡ ব্যবসার অন্তরালে কাউছার অন্য জেএমবি সদস্যদের আশ্রয়দাতার ভূমিকা পালন করত। জেএমবির সদস্যদের জন্য নতুন বাসা অথবা মেস ঠিক করে দেয়া ছাড়াও তাদেরকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করত। আটককৃত কাউছার জেএমবির সদস্যদেরকে মার্শাল আর্টের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করত। র‌্যাবের হাতে আটক নব্য জেএমবি’র সক্রিয় ৪জন সদস্যদের বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব-১১।

জাতির পিতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হতনা………………..ডেপুটি স্পিকার

ঢাকা, ২৫ ,২০১৭ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, জাতির পিতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হতনা। শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস, একটি স্বাধীনতা, একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ।

উপজলো শক্ষিা অফসিরে আয়োজনে বৃহস্পতবিার উপজলোর নাপতিরে হাট সরকারি প্রাথমকি বদ্যিালয় মাঠে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বগেম ফজলিাতুন্নসো মুজবি গোল্ডকাপ প্রাথমকি বদ্যিালয় ফুটবল র্টুনামন্টে ২০১৭ এর উপজলো র্পযায়রে ফাইনাল খলোর উদ্বোধনকালে এসব কথা বলনে জাতীয় সংসদরে ডপেুটি স্পকিার মোঃ ফজলে রাব্বী ময়িা । ফুলছড়ি উপজলো নর্বিাহী অফসিার মুহাম্মদ আবদুল হালমি টলষ্টয়রে সভাপতত্বিে এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখনে ফুলছড়ি উপজলো পরষিদ চয়োরম্যান হাববিুর রহমান, উপজলো শক্ষিা অফসিার হমোয়তে আলী শাহ, উদাখালী ইউপি চয়োরম্যান আনোয়ার হোসনে, উড়য়িা ইউপি চয়োরম্যান মহাতাব উদ্দনি, উদাখালী ইউনয়িন আওয়ামীলীগরে সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।ক্ষুদে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে এত উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে যে ক্রিড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছি এমন পরিবেশ ১৯৭১ সালের পূর্বে ছিলনা। পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ একটি জাতি হিসেবে আমারা আমাদের ক্রিড়া ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করতে পারিনি। কিন্তু জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, স্বপন বাস্তবায়নও করেছিলেন। আজ স্বাধীন বাংলাদেশে যা কিছুই আয়োজন সব তাঁরই অবদান, তাঁরই আত্মত্যাগের ফলে সম্ভবপর হয়েছে। তোমরা যারা নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠছ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে তোমাদের সকলের এই সত্য জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উপলব্ধি করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে যদি নেতৃত্বের পথে অগ্রসর হও তাহলে সাফল্য তোমাদের অনিবার্য।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন। উন্ন্য়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই । তিনি বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দেশ উন্নত হোক এটাই আওয়ামীলীগ চায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে বিভিন্ন সেক্টরে বহুমুখী উন্নয়ন বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে।এর আগে জুমারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, তোমাদের সাফল্যে গাইবান্ধার একজন মানুষ হিসেবে আমি গর্ববোধ করছি। কিন্তু এ সাফল্য তোমাদের ধরে রাখতে হবে যাতে শুধু গাইবান্ধার জনগণ নয় সাড়া দেশ ও জাতি তোমাদের নিয়ে গর্ববোধ করে। তোমাদের একটা কথা ভুলে গেলে চলবেনা যে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। তাই তোমাদের একটি কঠিন প্রতিযোগিতামূলক সময়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষাকে যুগপযোগী করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাখাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন যাতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে একটি দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে ওঠে।
তিনি বলেন, ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা আমাদের আজকের স্বাধীনতা। আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি সেটি তোমাদেরই জন্য। এ স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব তোমাদেরই। জাতির পিতা তোমাদের স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন, তোমরা সে দেশ গড়বে সততা, নিষ্ঠা ও বিশ্বস্ততার সাথে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন সুনাগরিক গঠনের জন্য শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে তেমনি রাষ্ট্রের প্রতিও তোমাদের দয়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। তোমরা শিক্ষার্থীরা শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছো শুধু নিজের জীবনটাকে সুন্দর ও আরামদায়ক করে সাজানোর জন্য নয়। দেশের আপামর জনসাধারণ যারা বিভিন্ন দিক থেকে এখনও অনগ্রসর রয়েছে তাদের প্রতিও তোমাদের দায়িত্ব রয়েছে কিছু করার। তোমরা তোমাদের মেধা, মনন ও শ্রম দিয়ে এই শ্রেণীর মানুষদের দেশের উন্নয়নের মূল ধারায় নিয়ে আসতে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।
এসময় তিনি জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ভিশন-২০২১ এবং ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়ন করতে সকল বিভেদকে উপেক্ষা করে দল মত নির্বিশেষে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সরকারের সকল উন্নয়নমুলক কাজে সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের কোন ধরণের অশুভ শক্তির দ্বারা অনুপ্রেণিত বা প্রলুদ্ধ না হতে এবং নিজ পরিবার, সমাজ ও দেশের অকল্যাণকর কোন কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত না হওয়ার আহবান জানান। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও তার সন্তানদের নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন ডেপুটি স্পিকার।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন উদ্বোধন

আজ ২৫ মে ২০১৭ (বৃহঃস্পতিবার)দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থাপিত স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন-এর উদ্বোধন হয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মহাখালী ক্যাম্পাসে। এই গ্রাউন্ড স্টেশনটি দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তৈরি ন্যানো স্যাটেলাইট “ব্র্যাক অন্বেষা” এর সাথে যোগাযোগ স্থাপনে প্রস্তুত করা হয়েছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মহাখালী ক্যাম্পাসের ৪ নং ভবনের ছাদে গ্রাউন্ড স্টেশনটি স্থাপিত হয়েছে।আজ সকাল ১১ টায় ফিতা কেটে গ্রাউন্ড স্টেশনটির উদ্বোধন করেন ব্র্যাকের চেয়ারপার্সন ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টির চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদ কে.সি.এম.জি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এন্টেনা কন্ট্রোল ও ডাটা রিসিভিং এর উপর একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন প্রদান করা হয়। “ব্র্যাক অন্বেষা” এর একটি রেপ্লিকা স্যার ফজলে হাসান আবেদকে উপহার স্বরূপ প্রদান করে গ্রাউন্ড স্টেশন টিম এবং ঐতিহাসিক এই মূহুর্তটি কেক কেটে উদযাপন করা হয়।স্যার ফজলে হাসান আবেদ তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষামুলক গবেষনায় উৎসাহ প্রদানের জন্য জিডিপিতে অন্তত ১ শতাংশ বরাদ্দ রাখলে এর প্রচুর সুফল পাওয়া যাবে। তিনি মেধার সঠিক পরিচর্যার জন্যে গবেষনায় বেশি বেশি বিনিয়োগ ও অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এ ধরনের শিক্ষামূলক গবেষনায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ সাদ আন্দালিব বলেন সরকার, শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষা ও গবেষনায় উৎকর্ষ সাধন সম্ভব।জাপান থেকে স্কাইপের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরির ৩ কারিগর রায়হানা শামস্ ইসলাম, আবদুল্লাহ হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মনোয়ার। তিনজনই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল (ইইই) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন। তারা বলেন, ন্যানো স্যাটেলাইটটি এবার জাপানে তৈরি হলেও এই দৃষ্টান্ত অনসুরন করে সামনে বাংলাদেশেই এধরনের ন্যানো স্যাটেলাইট তৈরি করা সম্ভব হবে।১০ সেন্টিমিটার কিউব আকৃতির ও ১ কেজি ওজনের ন্যানো স্যাটেলাইট ‘ব্র্যাক অন্বেষা’ আগামী ২জুন ২০১৭ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা হইতে স্পেসএক্স ফ্যালকন-৯ রকেট এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে উৎক্ষেপণ করা হবে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে জাপানে এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ সাদ আন্দালিব কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যানো স্যাটেলাইটটি গ্রহণ করেন। একই অনুষ্ঠানে জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির কাছে মহাকাশে উৎক্ষেপণের জন্য হস্তান্তর করা হয়।নকশা তৈরি, উপকরণ সংগ্রহ, তারপর ন্যানো স্যাটেলাইট তৈরির সব কাজই করেছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির তিন শিক্ষার্থী। অপরদিকে গ্রাউন্ড স্টেশনে ৬ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করেন যেখানে পরবর্তীতে আরো ২ শিক্ষার্থী যোগদান করেন। শিক্ষার্থীরা হলেন মোহাম্মদ সৌরভ, বিজয় তালুকদার, আইনুল হুদা, সানন্দ চয়ন, জামিল আরিফিন, আরাফাত হক, মো শাকিল উজ্জামান এবং আদনান সাব্বির। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ২জন শিক্ষক উপদেষ্টা হিসেবে গ্রাউন্ড স্টেশন টিমকে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। তাঁরা হলেন, সহযোগী অধ্যাপক ডঃ খলিলুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক ডঃ মোঃ হাসানুজ্জামান সাগর।

এন্টেনা সংযোজন, টাওয়ার স্থাপন ও স্টেশন নির্মানের কাজে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট ও ব্র্যাক এর কন্সট্রাকশন ডিপার্টমেন্ট। স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং সফটওয়্যার ব্যাবহার করে ইতিমধ্যেই এই গ্রাউন্ড স্টেশন মার্কিন ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া)এর ‘নোয়া-১৮’ ও ‘নোয়া-১৯’ এর মত আবহাওয়া স্যাটেলাইট এবং বিভিন্ন ন্যানো স্যাটেলাইট এর বিকন (ডাটা) রিসিভ করা শুরু করেছে।বিশেষ বিশেষ দিনে হ্যাম রেডিও দিয়ে মহাকাশে ভেসে থাকা ন্যানো স্যাটেলাইট থেকে জাতীয় সংগীত শোনা যাবে। ন্যানো স্যাটেলাইটটি পৃথিবী হতে ৪০০ কিলোমিটার ওপরে অবস্থান করবে এবং পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিন করে আসতে ৯০ মিনিটের মত সময় নিবে। এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে দিনে ৪ থেকে ৬ বার উড়ে যাবে। নানা বিষয়ে গবেষনার জন্য উচ্চমানের ছবি তুলে পাঠাবে স্যাটেলাইটটি। মহাকাশসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষনা ও পর্যবেক্ষন করা হবে এর অন্যতম কাজ। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা তাদের গবেষনা ও শিক্ষাদান কার্যক্রমে এসব তথ্য-উপাত্ত ব্যাবহার করবেন। মহাকাশ গবেষনা এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরি করাও এই গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনের একটি অন্যতম বিশেষ উদ্দেশ্যে বলে গ্রাউন্ড স্টেশন এর সাথে সংস্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবোধের মূর্ত প্রতীক কবি নজরুল

রায়হান আহমেদ তপাদার

কবি নজরুল বলতে কাউকে বাড়তি কোনো কথা বা বিশ্লেষণ দিয়ে আবার চিনিয়ে দিতে হয় সেটা আমি কখনো শুনিনি।কারণ কবি নজরুল হলেন বাংলার কবি, বাঙালির কবি, বাংলার সর্বসাধারণের কবি।ক্ষণজন্মা ও ক্ষণকালীন সক্রিয় এ কবি যদি বাংলা সাহিত্যে না আসতো তাহলে বাংলা সাহিত্য এতটা সমৃদ্ধ হতো না। তার কবি প্রতিভা সম্পর্কে কারো সন্দেহ নেই। এমনকি তার সমালোচকরাও তার কবি প্রতিভাকে কখনোই খাটো করে দেখেননি।স্বয়ং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে তার জীবদ্দশাতেই বড়মাপের কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন।কবিগুরু নজরুলের কবিসত্তার স্বীকৃতিস্বরূপ তার সঞ্চয়িতা গ্রন্থটি কবি নজরুলকে উৎসর্গ করে গেছেন। নজরুল কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি শুধু কবিতা রচনাতেই থেমে থাকেন নি। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তিনি অবদান রাখেন নি।
কিছু বিখ্যাত ব্যক্তির নামের সঙ্গে কিছু স্থানের নাম এমনভাবে অঙ্গা-অঙ্গিভাবে জড়িয়ে থাকে যেন সেসব ব্যক্তির নাম থেকে সেসব স্থানের নামও কোনোভাবে আলাদা করা যায় না। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষেত্রে বাইগার নদী, মধুমতি নদী, টুঙ্গিপাড়া গ্রাম, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, ঢাকার ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর ইত্যাদি স্থান। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ক্ষেত্রে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, বিশ্বভারতী, শান্তি নিকেতন, কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, কুঠিবাড়ি, সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর, নওগাঁর পতিসর ইত্যাদি স্থান বিখ্যাত হয়ে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। ঠিক একইরকমভাবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে কবি নজরুলের জন্য বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রাম। সেখানেই শেষ নয়, তার জন্য আরো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে ত্রিশালের দরিরামপুর, কাজির সিমলা দারোগা বাড়ি, বটতলা ও বিচুতিয়া বেপারি বাড়ি। কবি নজরুলের নামের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে রয়েছে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, মানিকগঞ্জসহ আরো অনেক জায়গা। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে ঢাকায় কবিভবন।আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী।নজরুল শুধু একটি নামই নয়, বিপ্লবী জীবনের একটি সফল প্রতিচ্ছবি।
অভাবী দুখু নিজেকে চালিত করতে অল্প বয়সেই নেমে পড়েন কর্মখোঁজে। লেটো দলের বাদক, রেল গার্ডের খানসামা, রুটির দোকানের শ্রমিক,সৈনিক কিংবা সাংবাদিকতা, কখনো আবার কাজ করছেন কলকাতা বেতারে। সাহিত্য সাধনার পাশাপাশি নেমেছেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে। শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়ে কারারুদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু থামেনি প্রতিবাদী নজরুলের কলম। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে জুলুমবাজ, অত্যাচারী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে কথা বলেছে তার কাগজ-কালি।যুগে যুগে পৃথিবীতে কিছু মানুষ এসেছেন প্রেরণার উৎস হয়ে। যারা স্ব-স্ব প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে এনেছেন আলোর সন্ধান, নিজেদের সৃষ্টি বা কর্ম দ্বারা গড়েছেন ইতিহাস। তেমন একজনকে নিয়েই আজকের আলোচনা। সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠা এক দুখু মিয়া। যিনি পৃথিবীতে আবির্ভূত হন অভাব-অনটন আর দুঃখ-কষ্টের অন্ধকার কুঠিরের নিভু নিভু প্রদীপরূপে। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম। বাবা-মায়ের দুঃখের সংসারে জন্ম হওয়ায় তাকে ডাকা হতো দুখু মিয়া নামে। সেই দুখু মিয়া একসময় আপন কর্মগুণে কবি খ্যাতি অর্জন করেন। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ সালের ২৫ মে) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল শহরস্থ চুরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা পিতা কাজী ফরিদ উদ্দিন ও মাতা জাহেদা খাতুনের সংসারে জন্ম প্রেম, দ্রোহ, মানবতা ও সাম্যের কবি বিদ্রোহী নজরুলের। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই নজরুল আমাদের জাতীয় কবি।পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দুই বাংলাতেই তার কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তার কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ। বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। সকল অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নজরুল সর্বদাই ছিলেন সোচ্চার। তার কবিতা ও গানে এই মনোভাবই প্রতিফলিত হয়েছে।
অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ।তার সাহিত্যকর্মে প্রাধান্য পেয়েছে ভালোবাসা, মুক্তি এবং বিদ্রোহ। ধর্মীয় লিঙ্গভেদের বিরুদ্ধেও তিনি লিখেছেন। ছোট গল্প, উপন্যাস, নাটক লিখলেও তিনি মূলত কবি হিসেবেই বেশি পরিচিত। বাংলা কাব্য তিনি এক নতুন ধারার জন্ম দেন। এর পাশাপাশি তিনি অনেক উৎকৃষ্ট শ্যামাসংগীত ও হিন্দু ভক্তিগীতিও রচনা করেন। নজরুল প্রায় ৩০০০ গান রচনা এবং অধিকাংশে সুরারোপ করেছেন যেগুলো এখন নজরুল সংগীত বা নজরুল গীতি নামে পরিচিত এবং বিশেষ জনপ্রিয়।জাত ভেদাভেদ ভুলে গেয়েছেন সাম্যের গান। সৃষ্টির সেরা মানব জাতিকে একই কাতারে মিলিত করতে ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় তিনি বলেছেন-গাহি সাম্যের গান-যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্লিম-ক্রীশ্চান।আবার ‘মানুষ’ শিরোনামের অন্য একটি কবিতায় লিখেছেন-গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান!নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।মানবপ্রেমী নজরুল কর্মগুণে হয়েছেন মহীয়ান। তিনি অবস্থান নিয়েছিলেন মানবতা ও সত্য-সুন্দরের পক্ষে।দুখু মিয়া খেটেখাওয়া মানুষের দুঃখ-দুর্দশার সঙ্গী হতে পেরেছেন। তাইতো তিনি ‘কুলি-মজুর’ কবিতায় বলেছেন-দেখিনু সেদিন রেলে,/কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!/চোখ ফেটে এল জল, এমনি ক’রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?’ গরিব-দুখি, অসহায় মানুষদের প্রতি সমাজের বিত্তবানদের এমন আচরণ সইতে না পেরে কবি লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বারবার।জন্ম-মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে ‘অভিশাপ’ নামক কবিতায় তিনি লিখেছিলেন-যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে,
বুঝবে সেদিন বুঝবে।ছবি আমার বুকে বেঁধে পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে ফিরবে মরু কানন গিরি, সাগর আকাশ বাতাস চিরি,সেদিন আমায় খুঁজবে,বুঝবে সেদিন বুঝবে।অভিমানভরা মনে লেখা কথাগুলো নজরুল ভক্তদের হৃদয়ে আজও দাগ কাটে।
মৃত্যুর মাঝে দেহ নিঃশেষ হলেও নজরুল যে হারিয়ে যাননি ওই কবিতাংশটুকু বহন করে চলেছে তার সত্যতা। গোধূলি লগনে মাথার ওপর মিটিমিটি তারাগুলোও যেন পৃথিবীর বুকে খুঁজে ফিরে কবির হারানো স্মৃতিগুলো।
অশ্রুসিক্ত নয়নে পাহাড়-পর্বত, ধু-ধু ফাটল প্রান্তর, ফুলের বাগান, সমুদ্র-নদী কিংবা উড়ন্ত মেঘের বুক চিরে গগনপানে অপূর্ণ হৃদয়টি তন্ন তন্ন হয়ে খুঁজে ফিরছে নজরুলের অদৃশ্য চেহারাটি। হ্যাঁ বুঝেছি আমরা, সবাই বুঝেছি তোমার শূন্যতা।১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতা এলবার্ট হলে বাংলার হিন্দু-মুসলমানদের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয় কাজী নজরুল ইসলামকে। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যের একাংশে তিনি বলেছিলেন -বিংশ শতাব্দীর অসম্ভবের সম্ভাবনার যুগে আমি জন্মগ্রহণ করেছি। ওই অভিযান-সেনাদলের তূর্যবাদকদের একজন আমি। এটাই আমার বড় পরিচয়। যাঁরা আমার নামে অভিযোগ করেন তাঁদের অনুরোধ, আকাশের পাখিকে, বনের ফুলকে, গানের কবিকে তাঁরা যেন সকলের করে দেখেন। আমি এই দেশে, এই সমাজে জন্মেছি বলেই শুধু এই দেশেরই, এই সমাজেরই নই; আমি সকল দেশের, সকল মানুষের। যে কুলে, যে সমাজে, যে ধর্মে, যে দেশেই জন্মগ্রহণ করি, সে আমার দৈব। আমি তাকে ছাড়িয়ে উঠতে পেরেছি বলেই কবি।নজরুলের প্রতি সম্মান রেখে অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছিলেন- ‘ভাগ হয়ে গেছে বিলকুল/ভাগ হয়ে গেছে সব কিছু আজ/ভাগ হয়নিকো নজরুল।’ সত্যিই নজরুল সব কিছুর ঊর্ধ্বে। বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি ঝাঁকরা চুলের বাবরি দোলানো মহান পুরুষ।স্রষ্টা নিজ হস্তে ভিন্ন কোনো বস্তু দিয়ে গড়ে তুলেছেন বাঙালি এই দেহটি। নজরুল অতুলনীয়। তিনি ৭৭ বছরের জীবনে ৩৪ বছরই ছিলেন নির্বাক। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে ২৪ বছরের সাহিত্যচর্চায় তিনি সৃষ্টি করে গেছেন ২২টি কাব্যগ্রন্থ, ৭ হাজার গানসহ ১৪টি সংগীত গ্রন্থ, ৩টি কাব্যানুবাদ ও ৩টি উপন্যাস গ্রন্থ, ৩টি নাটক, ৩টি গল্পগ্রন্থ, ৫টি প্রবন্ধ, ২টি কিশোর নাটিকা, ২টি কিশোর কাব্য, ৭টি চলচ্চিত্র কাহিনিসহ অসংখ্য কালজয়ী রচনা।নজরুল একাধারে কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, শিশু সাহিত্যিক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক, সম্পাদক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, স্বরলিপিকার, গীতিনাট্যকার, গীতালেখ্য রচয়িতা, চলচ্চিত্র কাহিনিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, সংগীত পরিচালক, গায়ক, বাদক, সংগীতজ্ঞ ও অভিনেতা।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আমাদের প্রেম, ভালোবাসায় গড়া এক মহান পুরুষ, মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম।নজরুল গণমানুষের চেতনার কবি। তিনি সবার মধ্যেই বাস করে থাকেন। আমরা যখন ছোটবেলায় সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতাম। তখন একেকটি সিনেমার কাহিনী, প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের ওপর মনে পরম রেখাপাত করতো। কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও তা মন থেকে চলে যেতো না। তেমনি একটি সিনেমা ছিল ‘ছুটির ঘণ্টা’ যেখানে একজন স্কুলপড় য়া শিক্ষার্থীর করুন জীবনাবসানের কাহিনী চিত্রিত হয়েছে। অপরদিকে বলতে গেলে ‘এতিম’ সিনেমাটিও আমার মনে খুবই রেখাপাত করেছিল, যেখানে একটি ছোট্ট ছেলের মা-বাবা মারা যাওয়ার পর এতিম হয়ে যাওয়ার করুন কাহিনী ফুটে উঠেছে।নজরুলকে নিয়ে এমন আগ্রহ যে শুধু আমাদের দেশে তা নয়। পশ্চিমবঙ্গসহ পুরো ভারতবর্ষে তো বটেই এমনকি সারাবিশ্বে আগ্রহ আছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে ১৮৯৯ সালের ২৫ মে কবি নজরুলের যখন জন্ম তখন ভারতবর্ষ বৃটিশ শাসিত অবিভক্ত বাংলা নামে পরিচিত ছিল। তখন আমরা কিংবা তারা একটি দেশেরই অধীনে ছিলাম।কিশোর বয়সে ১৩-১৪ বছর বয়সে কিশোর নজরুল যখন কাজী রফিজ উল্লাহ দারোগার হাত ধরে ত্রিশালে আসেন তখন তিনি এক বছর সময়কাল ত্রিশালে এবং তারপর বিভিন্ন সময়ে এ বাংলার আরো কিছু স্থানে বেশ কিছুদিন দফায় দফায় অবস্থান করেছিলেন। এসব স্থানে প্রণয়-বিরহ বিয়ে করেছেন। যেভাবেই এ বঙ্গে থাকুন না কেন সারাবিশ্বের বাঙালির মতো আমাদের বাংলাদেশের বাঙালিরাও নজরুলকে আমাদের দেশের কবি হিসেবেই আত্মস্থ করে মেনে নিয়েছিলেন। আর তার সর্বশেষ পরিণতি দিলেন ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক কবিকে বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবির মর্যাদার আসনে সিক্ত করার মধ্য দিয়ে।
রায়হান আহমেদ তপাদার, লেখক ও কলামিস্ট,যুক্তরাজ্য

জঙ্গবিাদ দমনে রাষ্ট্রনায়ক শখে হাসনিা সফল যুবলীগ চয়োরম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী

বাংলাদশে আওয়ামী যুবলীগ ঠাকুরগাঁও জলো শাখার ত্র-ির্বাষকি কাউন্সলি আজ ২৩/০৫/২০১৭ ইং তারখি রোজ মঙ্গলবার দুপুর ১২.০০ টায় ঠাকুরগাঁও জলোর বড়মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠতি হয়। উদ্বোধন করনে যুবলীগ চয়োরম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান অতথিরি বক্তব্যে বাংলাদশে আওয়ামী লীগরে প্রসেডিয়িাম সদস্য রমশে চন্দ্র সনে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে যুবলীগ চয়োরম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলনে- আগামী জাতীয় নর্বিাচনে আওয়ামী লীগ যাকইে নর্বিাচনে র্প্রাথী করব,ে তার পক্ষইে কাজ করবে য্বুলীগ। কে করলো কে করলো না সটো আমাদরে বষিয় না। নর্বিচানে যদি কউে বরিোধীতা করে যুবলীগ বহস্কিার করব।ে বর্তমানে দশেে জঙ্গবিাদরে উত্থান ঘটয়িছেে জয়িাউর রহমান এমন অভযিোগ করে যুবলীগ চয়োরম্যান বলনে, রাজনীতবিদিরা হারয়িে গছেে তার কারণ।ে শখে হাসনিার প্রশংসা করে তনিি বলনে, আমাদরে অহঙ্কাররে নাম রাষ্ট্রনায়ক শখে হাসনিা। তনিইি একমাত্র নতো যনিি জাতসিংঙ্ঘ কতৃক ৩৯ টি আর্ন্তজাতকি পুরষ্কার পয়েছেনে। শখে হাসনিার বভিন্নি জনকল্যানমুলক উদ্যোগরে মাধ্যমে বাংলাদশেকে অনন্য উচ্চতায় নয়িে যাচ্ছনে। মনে রাখতে হবে এই উদ্যোগগুলো শুধু মাত্র উন্নয়নরে জন্যই নয়, এর পছেনে আছে একটি রাষ্ট্র চন্তিার র্দশন। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনকল্যান এবং জনগণরে অংশগ্রহণ। শখে হাসনিার উন্নয়ন হচ্ছে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। জনগণকে সঙ্গে নয়িে তাদরে ভাবনাগুলোকে একত্রতি করে তাদরে সঙ্গে নয়িে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন। শখে হাসনিার সবচয়েে বড় অবদান হলো একটি অস্থতিশিীল রাষ্ট্রকে স্থতিশিীলতার আলোয় আলোকতি করা। ৫ তারখি নর্বিাচন না হলে বাংলাদশে আজ তালবোনি রাষ্ট্রে পরনিত হতো। হরতাল নাশকতা থকেে বাংলাদশে থকেে বদিায় দয়ো হয়ছে।ে এটা সম্ভব হয়ছেে জনগণরে ক্ষমতায়নরে কারন।ে জনগণ বগেম খালদো জয়িার ধ্বংসাতœক রাজনীতকিে ঘৃণাভরে প্রত্যাক্ষাণ করছে।ে জনগণ সত্য মথ্যিার প্রভদে বুঝতে পরেছে।ে জঙ্গবিাদ দমনে রাষ্ট্রনায়ক শখে হাসনিা সফল। এই সাফল্য শখে হাসনিাকে বশ্বিরে প্রজ্ঞা, দূরদৃষ্টসিম্পন্ন, মধোবী বচিক্ষণ, মানবকি মূল্যবোধ সম্পন্ন এবং জনকল্যাণমুখি নতোর র্মযাদা দয়িছে।ে এছাড়া কৃষতিে নরিব বপ্লিব ঘটয়িে শখে হাসনিা সারা বশ্বিরে বষ্মিয়ে পরণিত হয়ছে।ে তার এই নতেৃত্বরে কারণইে বাংলাদশে এখন খাদ্য আমদানরি দশে নয়, খাদ্য রপ্তানরি দশে। ২০১৬ সালে আমরা বাংলাদশেে ভয়াবহ মৌলবাদ সন্ত্রাসরে উত্থান দখেছেি বগেম খালদো জয়িার নতেৃত্ব।ে আবার আমরা এর শোচণীয় পরাজয় দখেছেি রাষ্টনায়ক শখে হাসনিার নতেৃত্ব।ে ডজিটিাল বাংলাদশেরে মাধ্যমে শুধু বাংলাদশেকে ডজিটিালই করা হচ্ছে না, এটি জ্ঞান নর্ভির একটি বাংলাদশে। তথ্য প্রযুক্তরি মাধ্যমে জনগণরে ক্ষতায়ন ও জনগণরে তথ্য অধকিার নশ্চিতি করা। বাংলাদশেরে রাজনীততিে স্থতিশিীলতা এসছে,ে র্অথনীততিে স্থতিশিীলতা এসছে।ে এসব হওয়ার কারণ শখে হাসনিা পাক প্রমেীদরে মাজা ভঙেে দয়িছেনে, রাজাকারদরে ফাসতিে ঝুলয়িছেনে। বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোকে এক কাতারে নয়িে এসছেনে তনি।ি সাবকে প্রসেডিন্টে ওবামা শান্ততিে নোবলে পয়েছেনে কন্তিু তার শান্তরি র্দশন নইে। কন্তিু শখে হাসনিার বশ্বি শান্তরি র্দশন বশ্বিরে ৯৪টি রাষ্ট্র স্বীকৃতি দয়িছে।ে সমাজে শান্তি আনতে হলে জনগণরে ক্ষমতায়ন করতে হব।ে জনগণরে ক্ষমতায়ন ক?ি এটা ভাতরে অধকিার, ভোটরে অধকিার, কথা বলার অধকিার, কথা শোনার অধকিার।

সমাপনী বক্তব্যে যুবলীগ চয়োরম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলনে, রাজনীততিে সমঝোতা একটি শল্পি। আমাদরে পরবিারে সদস্য যমেন বাবা, মা, ভাই, বোন সবার সঙ্গে সমঝোতা করে চলতে হয়, ঠকি তমেনি রাজনীততিে বভিন্নি দল মতরে মানুষদরে সঙ্গওে সমঝোতা করতে হয়। এটা এখন শল্পিরে র্পযায়ে এসে দাঁড়য়িছে।ে

ঠাকুরগাঁও জলো যুবলীগরে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুদাম সরকাররে সভাপত্তত্বিে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজদি আপলেরে পরচিালনায় আরো বক্তব্য রাখনে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. হারুনুর রশীদ, সংসদ সদস্য সলেনিা জাহান লটিা, যুবলীগ প্রসেডিয়িাম সদস্য শহীদ সরেনয়িাবাত, মোঃ ফারুক হোসনে, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, যুগ্ম সম্পাদক মহউিদ্দীন আহম্মদে মহ,ি মঞ্জুর আলম শাহীন, সাংগঠনকি সম্পাদক এমরান হোসনে খান, সম্পাদকম-লীর সদস্য কাজী আনসিুর রহমান, মজিানুল ইসলাম মজিু, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, সদস্য এন.আই. আহম্মদে সকৈত, মনরিুল ইসলাম হাওলাদার, রকোয়তে আলী খান নয়িন, ঢাকা মহানগররে সভাপতি মাইনুল হোসনে খান নখিলি, ঢাকা মহানগররে দক্ষণি সাধারণ সম্পাদক রজোউল করমি রজো প্রমুখ।

ঠাকুরগাঁও জলো যুবলীগরে দ্বতিীয় অধবিশেনে কাউন্সলিরদরে ভোটে আব্দুল মজদি আপলেকে সভাপতি ও দবোশীষ দত্ত সমীরকে সাধারণ সম্পাদক নর্বিাচতি করা হয়।

উদ্বার হওয়া সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৩টি সোনার বার সহ এক যাত্রী আটক


এস,এম মনির হোসেন জীবন : ঢাকা হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেড় কেজি ওজনের ১৩ স্বর্ণের বার উদ্ধার সহ এক যাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস্ হাউজের প্রিভেনটিভ টিম। আটককৃত ওই যাত্রীর নাম মো. আমিনুল হক (৪৫) । আটক আমিনুলের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগরে । উদ্বার হওয়া সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রিন চ্যানেল এলাকা থেকে এসব সোনার বার আটকের ঘটনাটি ঘটে।
ঢাকা কাস্টমস্ হাউজের সহকারী কমিশনার (প্রিভেনটিভ) এইচ এম আহসানুল কবির আজ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা কাস্টমস্ হাউজের সহকারী কমিশনার (প্রিভেনটিভ) এইচ এম আহসানুল কবির আজ জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুয়ালালামপুর থেকে মালিন্দ এয়ারওয়েজের (ওডি-১৬৬) নম্বরের বিমানটি বিমানবন্দরে পৌছে। আর ওই বিমানের যাত্রী ছিল মো. আমিনুল হক (৪৫) । সে বিমানবন্দরে নেমে ওই রাত ১১টার দিকে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে করে তাকে চ্যালেঞ্জ করে কাস্টমস্ কর্মকর্তারা। পরে যাত্রী আমিনুল হককে আটক করে তার মাথায় পরিহিত পরচুলার ভেতরে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা দেড় কেজি ওজনের ১৩ স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১০ তোলা (১০০ গ্রাম করে। আটক আমিনুল হক এর গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগরে। আটককৃত সোনা গুলো বর্তমানে কাস্টমস এর হেফাজতে আছে। প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে আটককৃত যাত্রী আমিনুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। বিভাগীয় ও স্পেশাল পাওয়া এ্যাক্ট আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত যাত্রী আমিনুল হককে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সবাই মিলে নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে——নোমান

আওয়ামী লীগকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। বলেছেন, আমরা দেশের মানুষের কাছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে চাই। গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে হলে সংবিধান থেকে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে যে নিয়মগুলো বাদ দেয়া হয়েছিল, সেগুলো সংযুক্ত করতে হবে। সেটা করলে আওয়ামী লীগকে আর দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ও খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে পুলিশের তল্লাশির প্রতিবাদে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব) আলোচনার সভাটির আয়োজন করে। নোমান বলেন, সবাই মিলে নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সহায়ক সরকারের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিলেই দেশের চলমান সমস্যার সমাধান হবে। আমরা সহায়ক সরকারের জন্য বদ্ধপরিকর। বিএনপির ‘ভিশন-২০৩০’ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনার জবাবে নোমান বলেন, প্রথমে আওয়ামী লীগের নেতারা এটাকে তামাশা, চুরি, অনুকরণ ইত্যাদি বলে হেয় করেছিল। কিন্তু তাদের নেত্রী পরবর্তীতে এটাকে ইতিবাচক রাজনীতি হিসেবে দেখেছেন। আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা ধন্যবাদ জানিয়েছেন যেÑ বিএনপি দেশকে একটা ইতিবাচক কর্মসূচি উপহার দিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। আশাকরি তিনি এক সময় আমাদের সহায়ক সরকারের দাবিও মেনে নেবেন। দেশে বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে লুটপাট হচ্ছে অভিযোগ করে প্রবীন এ নেতা বলেন, বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে বাজেটের যে টাকা দেয়া হয় সে টাকা নিজেদের মধ্যে লুটপাট করে; আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গুম এবং খুনের রাজনীতির দায়ভার আওয়ামী লীগকে ভোগ করতে হবে। আওয়ামী লীগ নেতারা নিজেরাই বলছেন এখন কঠিন সময় যাচ্ছে। তারা যদি নিজেদের গোছাতে না পারেন, আওয়ামী লীগ তাদের নেতাদের রক্ষা করতে পারবে না। নোমান বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সেই মৌলিক পার্থক্য আছে বলেই রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদী দল এখনো আছে। নাহলে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, পারেনি রাজনৈতিক শক্তির কারণে। ভবিষ্যতে বিএনপির যে আদর্শ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দিয়ে গেছেন, সেই রাজনীতি এগিয়ে যাবে। এই রাজনীতিকে আটকে রাখা যাবে না। আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া ও তথ্য-গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুুরী বক্তব্য দেন

গাজীপুরে ফসল প্রজননের উপর ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ’-এর উপর কর্মশালা


মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর প্রতিনিধি ঃ
গাজীপুরে ফসল প্রজননের জন্য ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ’ (পিপিপি)-এর উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।২০ মে শনিবার গাজীপুরস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সেমিনার হলে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।কর্মশালার উদ্দেশ্য- (১) গুরুত্বপূর্ণ ফসলের জাতের বৈশিষ্ট্য ও প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা ও অংশগ্রহণ করা। (২) পিপিপি-এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের ফসল প্রজনন সম্পর্কিত জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করা।বাংলাদেশ উদ্ভিদ প্রজনন ও কৌলিতত্ত্ব সমিতির (পিবিজিএসবি) আয়োজনে এবং এগ্রি বিজনেস, এসিআই লিমিটেডের সহযোগিতায় কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্ল্যান ব্রিডিং এন্ড জেনোটিক সোসাইটি অফ বাংলাদেশের (পিবিজিএসবি) সভাপতি ডঃ মোঃ খাইরুল বাসার।প্ল্যান ব্রিডিং এন্ড জেনোটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের (পিবিজিএসবি) মহাসচিব অধ্যাপক ডঃ এ.কে.এম. আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় কর্মশালায় সন্মানিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গাবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) মহাপরিচালক ডঃ ভাগ্য রাণী বণিক।এগ্রি বিজনেস, এসিআই লিমিটেডের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডঃ লুতফর রহমান ফসল প্রজনন এর জন্য পিপিপি-এর উপর একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পেশ করেন এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরও সাতটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীর মধ্যে অর্šÍভূক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রভাষক, প্রফেসর, বারি ও ব্রি বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির (এসসিএ) কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য বৃন্দ।কর্মশালায় উপস্থিত সকল অংশগ্রহণকারী মনে করেন যে, এটি বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এর বিজ্ঞানী, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় এবং বে-সরকারী কোম্পানী গুলোর মন-মানসিকতার পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। অংশগ্রহনকারীগন বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন, গুন, আকার-আকৃতি, রং, পুষ্টিগুন এর উপর ভিত্তি করে ফসল প্রজননের জন্য পিপিপি-গবেষণা ও উন্নয়ন এর সম্ভাবনা গুলো আলোচনা করেন। তারা আরও পরামর্শ করেন পি.পি.পি কে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে নতুন ফসলের জাত উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসইক কৃষির জন্য নি¤œলিখিত বিষয় গুলোর উপর গুরুত্বদেওয়া প্রয়োজন- (১) পাবলিক ইনষ্টিটিউট-এর বিজ্ঞানী এবং বেসরকারী কোম্পানীর ব্যক্তিবর্গের মন-মানসিকতা ও মনোভাব এর পরিবর্তন করা।
(২) বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান / বিশ্ববিদ্যালয় / বেসরকারী কোম্পানীগুলোর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রজননবিদ/প্রজননবিদ্যা বিশেষজ্ঞ/বায়োটেকনোলজিষ্টদের মধ্যে উন্নতমানের সহজলভ্য টেকসই নেটওয়ার্ক তৈরী করা।
(৩) প্রজননবিদদের বিভিন্ন জাতের বেনিফিট শেয়ারিং বিবেচনা করা উচিত।
(৪) প্রজননবিদদের নিজের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুগত্য থাকা উচিত।
(৫) যৌথ গবেষণার জন্য যন্ত্রপাতি জ্ঞান এবং ল্যাবের সুবিধা এবং আর্থিক সুবিধা প্রদান করা।
(৬) জার্মপ্লাজম বিনিময়ের জন্য পাবলিক প্রতিষ্ঠান ও বে-সরকারী কোম্পানীগুলোর মধ্যে ইন্টালেক্চুয়াল প্রপারটি রাইট এর বাস্তবায়ন করা ।
(৭) উন্নত জাত উদ্ভাবন ও বীজ উৎপাদন পদ্ধতির জন্য কোম্পানীগুলোকে অর্ন্তভূক্ত করা যেমন- বিএডিসি যাতে তারা নিজেরা বীজ উৎপাদন করতে পারে। পাবলিক ও বে-সরকারী সেক্টরগুলো একসাথে কাজ করে এইসব জাতগুলো কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারে।
(৮) বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির জাত পরীক্ষক ইউনিটকে পুনঃর্গঠন করা উচিত।

এই কর্মশালা ভবিষ্যতের উদ্ভিদ প্রজনন বিদ্যা গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকে নীতি-নির্ধারক একাডেমিশিয়ান এবং সরকারী ও বে-সরকারী সেক্টরকে সুবেদি করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »