Category: তথ্য প্রযুক্তি

ভাঁজ করা যাবে লেনোভো ল্যাপটপ!

বাজারের অন্য সব ল্যাপটপ থেকে আলাদা একটি ল্যাপটপ আনছে লেনোভো। মূলত গতানুগতির ধারার পরিবর্তন আনতেই নতুন চমক দিল লেনেভো।ফেক্সিবল ডিসপ্লের ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে এই নির্মাতা সংস্থা। সম্প্রতি নতুন ডিসপ্লের এই ল্যাপটপটির ছবি অনলাইনে প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত ছবি ও তথ্য মতে এটি হবে ‘লেনোভোর থিঙ্কপ্যাড’। এর ডিসপ্লে হবে নমনীয়। এটি এখন কনসেপ্ট পর্যায়ে রয়েছে। লেনোভো তাদের এই বিশেষ ল্যাপটপটির ছবি ও ভিডিও নিউ ইয়র্কের একটি ইভেন্টে দেখিয়েছে।এতে দেখা গেছে ল্যাপটপটি ইউনিবডি ডিজাইনে তৈরি হবে। লেনোভোর কমার্শিয়াল বিজনেসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিসটিয়ান টেইসম্যান বলেন, ‘লেনোভো এমন একটি ল্যাপটপ তৈরি করতে যাচ্ছে যাতে কোনো কজ্বা থাকবে না। এই ল্যাপটপটি মোড়ানো যাবে। এর ডিসপ্লে হবে এতটায় নমনীয়। ‘ল্যাপটপটিকে ফুল কিবোর্ড থাকবে এবং এটি স্টাইলাস পেন সাপোর্ট করবে। তবে ল্যাপটপটির দাম কত হবে এবং কবে নাগাদা এটি বাজারে আসবে সে সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।

কম দামে ভাল ফোন

চারদিকে স্মার্টফোনের খবর! তার পরও দেশে ফিচার বা বেসিক ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি। দামে কম কিন্তু সুবিধায় বেশি বাজারের এমন কিছু বেসিক ফোন নিয়ে লিখেছেন ইমরান হোসেন মিলন

এই তো বছর পাঁচেক আগেও দেশের বাজারে ছিল নকিয়ার দাপট। তাদের ১১০০ মডেলের ফোনটি তো সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি বিক্রির রেকর্ড গড়েছে।বিশ্ববাজারেও সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ফোন বিক্রির রেকর্ড নকয়াির, ৩৩১০ মডেলটি নিয়ে। নতুন করে আবারও ফোনটি বাজারে ছেড়েছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি।এখন নকিয়ার সেই দাপট নেই। সেই বাজার দখলে নিয়েছে সিম্ফনি, স্যামসাং, মাইসেল, টেকনোসহ কয়েকটি ব্র্যান্ড।

সিম্ফনি বি১৭

১ দশমিক ৮ ইঞ্চির রঙিন পর্দার সিম্ফনি বি১৭ ফোনে ৩২ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করা যায়। ফোনটিতে রয়েছে এমপি থ্রি, এমপি ফোর এবং এফএম। আছে ব্লুটুথ সুবিধাও। ব্যবহার করা যায় একসঙ্গে দুই সিম। ব্যাক ক্যামেরাও আছে, দশমিক শূন্য ৮ মেগাপিক্সেলের। তবে সেলফি ক্যামেরা নেই।৮০০ এমএএইচ ব্যাটারি টানা চার ঘণ্টা কথা বলার সুবিধা দেয়। স্ট্যান্ডবাই সুবিধা ২১০ ঘণ্টার।

দাম : ৭২৫ টাকা।

সিম্ফনি ডি১৯

এক হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ফোনটিতে দীর্ঘক্ষণ কথা বলা যায়। রয়েছে দশমিক ১ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এর ডিসপ্লে ২ দশমিক ৪ টিএফটি কিউভিজিএ রেজল্যুশনের। এলইডি টর্চলাইট রয়েছে ফোনটিতে। এ ছাড়া রয়েছে ব্লুটুথ, এমপিথ্রি, এফএম রেডিও সুবিধা। ব্যবহার করা যাবে এসডি কার্ড।

দাম : এক হাজার ১৫০ টাকায়।

আইটি৫২৩১

আইটি৫২৩১ মডেলের ফিচার ফোন নিয়ে বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আইটেল। ফোনটিতে দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ সুবিধা দিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৯০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। আছে ওয়্যারলেস এফএম, ব্লুটুথ, এমপি থ্রি, এমপি ফোর, ফ্ল্যাশসহ সামনে-পেছনে ভিজিএ ক্যামেরা।আকর্ষণীয় স্নেক গেইম রয়েছে ফোনটিতে। দুই সিম ব্যবহারের সুবিধাও আছে।

দাম : এক হাজার ২২০ টাকা।

গুরু মিউজিক ২

ফোনটিতে রয়েছে সিঙ্গেল কোর ২০৮ মেগাহার্জ প্রসেসর। ডিসপ্লে টিএফটি ১২৮ বাই ১৬০ (কিউকিউভিজিএ) এবং স্ক্রিন ৫ দশমিক শূন্য ৮ সেন্টিমিটারের। রয়েছে ১৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়তি মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, এমপি থ্রি ও এফএম রেডিও। ডুয়াল সিম ব্যবহার সুবিধার ফোনটির ব্যাটারি ৮০০ এমএএইচের। টানা ১১ ঘণ্টা কথা বলা যায় এ ব্যাটারিতে।

দাম : এক হাজার ৭৯০ টাকায়।

মেট্রো ৩১৩

দুই ইঞ্চি কিউকিউভিজিএ ডিসপ্লের ফোনটির রেজল্যুশন ১২৮ বাই ১৬০ পিক্সেল। রয়েছে সিঙ্গেল কোর ২০৮ মেগাহার্জ প্রসেসর। ১০০০ এমএএইচ লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি দিয়ে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত কথা বলা যায়। দুটি সিম ব্যবহারের পাশাপাশি রয়েছে ভিজিএ ক্যামেরা, হ্যান্ডি টর্চ, ইন্টারনেট ব্যবহার ও সহজে ফাইল স্থানান্তর সুবিধা।

দাম : দুই হাজার ৩৯০ টাকা।

ওকাপিয়া আশা

ওকাপিয়ার সবচেয়ে কম দামি ফিচার ফোন এই আশা। ফোনটিতে রয়েছে টিএফটি ১ দশমিক ৭৭ ইঞ্চির পর্দা। ডুয়াল সিম ব্যবহার সুবিধার ফোনটিতে আট জিবি পর্যন্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুযোগও আছে। রয়েছে এমপি থ্রি, এমপি ফোর, এফএম রেডিও, কিউভিজিএ ক্যামেরা ও ব্লুটুথ সুবিধা।আর ১৭০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি দিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা বলা যায়। বাজারে পাওয়া যায় কালো ও কমলা রঙে।

দাম : ৮৮০ টাকা।

মাইক্রোম্যাক্স এক্স০৭১

টানা ছয় ঘণ্টা কথা বলা এবং স্ট্যান্ডবাই ১৮০ ঘণ্টার ব্যাকআপ নিয়ে ১০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির ফিচার ফোন বাজারে বিক্রি করছে মাইক্রোম্যাক্স। রয়েছে এমপি থ্রি, এমপি ফোর, ব্লুটুথ, এফএম রেডিও ও দুই সিম ব্যবহারের সুবিধা। ক্যামেরা রয়েছে দশমিক শূন্য ৮ মেগাপিক্সেলের।

দাম : এক হাজার টাকা।

ডিগো ডিটেক্টর

ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফোনটি। ৩০০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ফোনটি পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ব্যবহার করে জাল টাকা শনাক্ত করার সুবিধা রয়েছে ফোনটিতে।

আছে শক্তিশালী টর্চলাইট, ২ দশমিক ৪ ইঞ্চি পর্দা ও দুই সিম ব্যবহারের সুবিধা। রয়েছে ক্যামেরা, ওয়্যারলেস এফএম, ইন্টারনেট ও ব্লুটুথ।

ফোনটিতে সর্বোচ্চ ১৬ জিবি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যায়।

দাম : এক হাজার ৭৯০ টাকা।

অ্যালকাটেল ১০৫২

৩২ মেগাবাইট র‍্যামের ফোনটিতে রয়েছে কিউকিউভিজিএ ১ দশমিক ৮ ইঞ্চির পর্দা। আর ব্যাটারি ৪০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের। রয়েছে ভিজিএ ক্যামেরাও। একসঙ্গে দুটি সিম ব্যবহারের সুবিধার পাশাপাশি ফোনটিতে রয়েছে অডিও প্লেয়ার ও এফএম রেডিও।

দাম : এক হাজার ৯৯ টাকা।

জেলটাএফএইচ৬০

এই ফোনে রয়েছে ২ দশমিক ৮ ইঞ্চির কিউভিজিএ ডিসপ্লে, ৩২ মেগাবাইট র‍্যাম ও ৩২ মেগাবাইট রম। কার্ড লাগিয়ে মেমোরি বাড়ানো যাবে ১৬ জিবি পর্যন্ত। ডুয়াল সিমের হ্যান্ডসেটটির ব্যাটারি ২৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের। কথা বলা যাবে টানা আট ঘণ্টা। স্ট্যান্ডবাই টকটাইম ৩০০ ঘণ্টা।

রয়েছে ওয়্যারলেস এফএম, ভিডিও এবং কল রেকর্ডার, এমিপি থ্রি, এমপি ফোর, ব্লুটুথ, জিপিআরএস, টর্চ সুবিধা। সোনালি, কালো ও লাল রঙে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

দাম : দেড় হাজার টাকা।

বিভিন্ন ব্যান্ডের ল্যাপটপ

ল্যাপটপের বাজার এখন আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তিত। ল্যাপটপ কিনতে গেলে তাই যে কারো মাথা ঘুরে যেতে পারে।

কারণ কোনটি ছেড়ে কোনটি কিনবেন, তার সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেই সহজ কাজ নয়। এ লেখায় তুলে ধরা হলো সেরা ১১টি ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের কথা, যা থেকে পছন্দ করে নিতে পারেন আপনার পছন্দনীয় ল্যাপটপ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. মাইক্রোসফট সারফেস বুক
মাইক্রোসফটের প্রথম এ ল্যাপটপটির কার্যক্ষমতা যে কোনো আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের তুলনায় উন্নত বলেই মানছেন বিশেষজ্ঞরা। সারফেস বুকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে রয়েছে এর ডুয়াল গ্রাফিক্স। এর ডিসপ্লে ইউনিটের সাথে রয়েছে স্ট্যান্ডার্ড গ্রাফিক্স। আর কিবোর্ড অংশে যুক্ত করা হয়েছে এনভিডিয়ার ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট। ল্যাপটপটির ১৩.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের পিক্সেল ঘনত্ব ২৬৭ পিপিআই। ভিন্ন ভিন্ন মডেলের জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ইন্টেলের কোরআইফাইভ থেকে শুরু করে কোরআইসেভেন পর্যন্ত প্রসেসর। এগুলোতে র‌্যাম রয়েছে ৮ জিবি পর্যন্ত। তবে চাইলে ১৬ জিবি পর্যন্ত ব্যবহারের সুযোগও রয়েছে। আর বিল্ট-ইন স্টোরেজ হিসেবে ১২৮ জিবি থেকে ৫১২ জিবি পর্যন্ত এসএসডি ব্যবহার করেছে মাইক্রোসফট। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। এর কিবোর্ড অংশের সাথে মাইক্রোসফট যুক্ত করেছে কাচের ট্র্যাকপ্যাড, যা কাজে বাড়তি সুবিধা দেয়। মাইক্রোসফট এর আগে ট্যাবলেট পিসি হিসেবে সারফেস বাজারে আনলেও এক্সটার্নাল কিবোর্ডের মাধ্যমে একে ট্যাবলেট-ল্যাপটপ হাইব্রিড হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ ছিল। এবারে সারফেস বুকের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সরাসরি ল্যাপটপ তৈরি করলো তারা। তবে সারফেস বুকের ডিসপ্লে অংশকেও আলাদা করে ব্যবহার করা যায় ট্যাবলেট হিসেবে। সারফেস বুকের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে উইন্ডোজ ১০। এর স্ক্রিনটি টাচ সেনসিটিভ। এতে সারফেস পেন স্টাইলাসও ব্যবহার করা যায়। এছাড়া এতে রয়েছে দুটি ইউএসবি পোর্ট, এসডি কার্ড স্লট ও দারুণ টাচপ্যাড। মূল্য প্রায় দেড় হাজার ডলার।
১. ম্যাকবুক
অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুক আগের মডেলের তুলনায় এখন অনেক উন্নত। এতে আগের দুর্বলতাগুলো দূর করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল। এছাড়া এতে ব্যবহৃত হয়েছে আগের তুলনায় উন্নতমানের প্রসেসর, দ্রুতগতির র‌্যাম ও উন্নতমানের গ্রাফক্স। এতে নতুন ম্যাকবুকের পারফর্মেন্স যেমন বাড়বে তেমন কাজও সহজ হয়ে আসবে বলে দাবি অ্যাপলের। আগের মডেলে যেমন একসঙ্গে বেশ কয়েকটা ক্রোম ট্যাব খোলার অসুবিধা ও অন্যান্য কয়েকটা অ্যাপ চালানোর দুর্বলতা ছিল, নতুন মডেলে তা নেই। অ্যাপল আগের মডেলগুলোর তুলনায় এবার প্রসেসরসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের মান উন্নত করায় ধারণা করা হচ্ছে এর পারফর্মেন্স যথেষ্ট ভালো হবে। অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুকের গতিশীল প্রসেসর, উন্নত মান ও হালকা-পাতলা ডিজাইন সবার মাঝে জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশাবাদী অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ম্যাকবুকের ১২ ইঞ্চি মডেলের দাম ১,২৯৯ ডলার।
৩. লেনোভো থিংকপ্যাড টি৪৬০
আপনি যদি একটি বিজনেস ল্যাপটপ চান যেটি নির্ভরযোগ্য এবং পেশাদারী কাজের জন্য কার্যকর হবে তাহলে লেনোভো থিংকপ্যাড টি৪৬০ নিতে পারেন। এটি বাজারের সেরা ল্যপটপের অন্যতম। এর ব্যাটারি পাল্টানো যায়। এছাড়া একবার চার্জে ১৪ ঘণ্টা চার্জ থাকে এর। ফলে আপনি চাইলে তার বেশিক্ষণ চার্জ রাখার জন্য একাধিক ব্যাটারি ব্যবহার করতে পারবেন। মূল্য প্রায় ৮০৯ ডলার।
৪. ম্যাকবুক এয়ার
কিছুটা কম দামে ম্যাকবুক চাইলে ম্যাকবুক এয়ার দেখতে পারেন। অসাধারণ ডিজাইন, অত্যন্ত পাতলা ও হালকা এ ল্যাপটপটির নির্মাতা বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রযুক্তিপণ্য প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এর চেহারাই শুধু সুন্দর নয়, কাজেও এটি সেরা। এতে রয়েছে দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ (প্রায় ১০ ঘণ্টা)।   দামের সঙ্গে সঙ্গে পারফর্মেন্স পেতে চাইলে ম্যাকবুকের জুড়ি নেই। আর এ বিষয়টি মাথায় রেখেই বিশ্বের বহু ব্যবহারকারী অ্যাপলের পণ্য ব্যবহার করেন।
৫. র‌্যাজের ব্লেড স্টিলথ
গেমিংয়ের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় কোনো ল্যাপটপের কথা বলতে গেলে র‌্যাজের ব্লেড স্টিলথ-এ কথা বলতে হবে। এটি স্বাভাবিকভাবে বেশ পোর্টেবল এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানো যাবে। তবে আপনি যদি দারুণ সব গেম চালাতে চান তাহলে এতে একটি বাড়তি ডিভাইস যোগ করতে হবে, যেটি মূলত একটি গ্রাফিক্স কার্ড। আর গেমিংয়ের ক্ষেত্রে এ কার্ড সংযোজন বিপুল সুবিধা এনে দেবে। ল্যাপটপটির মূল্য ৯৯৯ ডলার। তবে এর সঙ্গে ৩৯৯ ডলার যোগ করতে হবে বাড়তি গ্রাফিক্সের জন্য।
৬. ম্যাকবুক প্রো রেটিনা
আপনি যদি অ্যাপলের রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ নিতে চান তাহলে ম্যাকবুক প্রো রেটিনা দেখতে পারেন। বিভিন্ন নজরকাড়া ফিচারের কারণে এ তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ম্যাকবুক প্রো রেটিনা। এ মডেলটিতে রয়েছে রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত উন্নত স্ক্রিন, দ্রুতগতির প্রসেসর ও উন্নতমানের গ্রাফিক্স প্রযুক্তি। এ ছাড়াও রয়েছে থান্ডারবোল্ট পোর্ট ও এইচডিএমআই সুবিধা। আর এ মডেলের ল্যাপটপের দামও এ কারণে যথেষ্ট বেশি। মূল্য ১২৯৯ ডলার।


৭. ডেল এক্সপিএস ১৩
অনেকটা অ্যাপলের ম্যাকবুক এয়ারের মতো পোর্টেবল হলেও এটি অ্যাপলের পণ্যের তুলনায় দামের দিক দিয়ে কিছুটা কম। এতে রয়েছে ৩,২০০ বাই ১,৮০০ রেজুলিশনের টাচস্ক্রিন। এতে রয়েছে ১২ ঘণ্টা ব্যাটারি লাইফ। মূল্য ৭৯৯ ডলার।
৮. ৯. আসুস ROG G751JT গেমিং ল্যাপটপ
গেমিং ল্যাপটপ বলতে যা বোঝায় তা এই ল্যাপটপটিতে রয়েছে। তবে ল্যাপটপটির দামও অনেক। এতে রয়েছে সবচেয়ে ভালো হার্ডওয়্যারের সমন্বয়। এর স্ক্রিন ও কিবোর্ডও অসাধারণ। মূল্য ১৬৪৯ ডলার।
৯. আসুস জেনবুক ইউএক্স৩০৫
আপনি যদি ম্যাকবুক পছন্দ করেন কিন্তু অর্থের অপচয় করতে না চান তাহলে আসুসের জেনবুক ইউএক্স৩০৫ মডেলটি দেখতে পারেন। এটি যেমন আকর্ষণীয় তেমন শক্তিশালী। ম্যাকবুকের মতোই এটি হালকা ও পাতলা। তবে দামের দিক দিয়ে এটি যথেষ্ট কম। ল্যাপটপটির মূল্য ৭৫০ ডলার।
১০. লেনোভো ইয়োগা ৯০০
সারফেস বুক যাদের প্রিয়, তাদের জন্য সহজ বিকল্প হলো লেনোভো ইয়োগা ৯০০। এটি ট্যাবলেট ও হাইব্রিড হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মূল্য ১০৪৯ ডলার।
১১. তোশিবা ক্রোমবুক ২
কমদামে মানসম্মত ল্যাপটপ কিনতে হলে তোশিবার নতুন মডেলের ক্রোমবুক ২-এর জুড়ি নেই। এর রয়েছে সুন্দর স্ক্রিন, দারুণ ব্যাটারি লাইফ ও মানসম্মত ডিজাইন। হালকা কাজের জন্য এটি হতে পারে সবচেয়ে ভালো পছন্দ। মূল্য ৩৩০ ডলার।
১২. এইচপি স্পেকট্রা
আপনি যদি মানসম্মত ও দারুণ একটি ল্যাপটপ নিতে চান তাহলে এইচপি স্পেকট্রা দেখতে পারেন। এইচপি দাবি করে এটি বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ। তবে শুধু পাতলাই নয়, এটি যথেষ্ট হালকা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এতে কাজ করা যথেষ্ট সুবিধাজনক। এছাড়া ল্যাপটপটির ব্যাটারিও যথেষ্ট দীর্ঘস্থায়ী। দাম প্রায় ১,১৬৯ ডলার।

কম্পিউটারের বাজার দর


প্রসেসর: ইন্টেল কোর আইথ্রি ৩.৩০ গিগাহার্টজ (গি.হা.) ৯,৩০০; কোর আইথ্রি ৩.১০ গি.হা. ৮,০০০; কোর আই ফাইভ ৩.২০ গি.হা. ১৬,০০০ ও কোর আই সেভেন ৩.৪০ গি.হা. ২৫,৫০০ টাকা।
মাদারবোর্ড: গিগাবাইট জিএ ৭৮ এলটি-এসটুপি এএমডি ৪,৬০০; এসরক এমডি ৯৬০ জিএম-ভিজিএস-৩ ৪,২০০ ও ফক্সকন এইচ ৬১ এমএক্সই-কে ৩,৮০০ টাকা।
র‌্যাম: ডিডিআর-৩: অ্যাপাসার ২ গিগাবাইট (গি. বা.) ১,৭০০; এডেটা ৪ গি.বা. ৩, ০০০; ট্রানসেন্ড ৪ গি.বা. ৩,৩৫০ ও ৮ গি.বা. ৬,২০০ টাকা।
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ গি.বা. ৪,৫০০; টান্সসেন্ড ১ টেরাবাইট (টে.বা) ৫,৪০০; ৫০০ জি.বি. ৪,৬০০ ও স্যামসাং ৫০০ গি.বা. ৩,৫০০ টাকা।
গ্রাফিকস কার্ড: জোট্যাক ২১০ টিসি ডিডিআর৩-১ গি.বা. ২,৭০০; ২১০ ডি৩ ১ গি.বা. ২,৯৫০,৬১০ ২ গি. বা.৪, ৩৫০ ও ৭৩০ ৪ গি.বা ৭,৫০০ টাকা। গিগাবাইট এইচডি-৬৪৫০ ১ গি.বা. ৪,১০০; গিগাবাইট ৫৪৫০ ১ গি. বা.৩, ২০০ টাকা।
ডিভিডি রাইটার/রি-রাইটার: এইচপি (বাল্ক) ১,৩০০; বক্স ১,৪০০ ও ইউএসবি ২,৫০০ টাকা। স্যামসাং ১৬ এক্স ১,৭০০ ও ২৪ এক্স ১,৬৫০ টাকা।
কেসিং: ভিশন-৩০০২ ১,৯০০ টাকা ও মিশন-২৩০২ ১,৬০০ টাকা। স্পেস ১,৯০০ থেকে ৪,০০০; ভ্যালু-টপ কে৬৭ ২,৪৫০; ডিলাক্স ২,১০০ থেকে ৩,৫০০ ও গিগাবাইট ২,১০০ টাকা।
মাউস: ভিশন ইউএসবি ১৩০ থেকে ১৮০ টাকা। নিউম্যান ইউএসবি ৩০০, তারহীন ৭০০ ও গেমিং ১,৫০০; এফোরটেক ৩০০ থেকে ২,০০০ ও লজিটেক ৪৫০ থেকে ২,৫০০ টাকা
কি-বোর্ড: ভিশন ৮১৫৩ ২৩০ টাকা। বেলকিন ৯০০ থেকে ৪,০০০; ভ্যালু-টপ ডব্লিউ ২৬১৩ ৪০০ ও মাল্টিমিডিয়া ৭৫০ টাকা।
টিভি কার্ড: এভারমিডিয়া ইন্টারনাল ৩,২০০ ও এক্সটারনাল ডব্লিউ ৭ ৪,৬০০; রিয়েলভিউ ১,৬৫০; গেডমি ১,৫০০ ও গেডমি স্পিড ১,৯০০ টাকা।
ইউপিএস: টেকফাইন ৬৫০ ভিএ ২,৫০০ ও ১২ ভিএ ৪,৭০০ টাকা। পাওয়ারভিশন ৬৫০ ভিএ ২,৫০০ টাকা। স্পার্ক পাওয়ার ৬৫০ ভিএ ২,৮০০ ও ১২০০ ভিএ ৫,২০০; অ্যাপোলো ৬৫০ ভিএ ২৮৫০ ও ১২০০ ভিএ ৫,০০০ টাকা।
এলসিডি মনিটর: স্যামসাং ১৭ ইঞ্চি বর্গাকার ৯,৫০০ ও ১৮ ইঞ্চি আয়তাকার ৮,১০০ ও এলজি ১৭ ইঞ্চি বর্গাকার ৮,৮০০ টাকা।
এলইডি মনিটর: স্যামসাং ২৭ ইঞ্চি থ্রিডি ৬২,৫০০; ডেল ১৭ ইঞ্চি ৯,৬০০; আসুস ১৮.৫ ইঞ্চি ৮,২০০; এলজি ১৬ ইঞ্চি ৬,৫০০, ১৮.৫ ইঞ্চি ৭,৮০০ ও ২১.৫ ইঞ্চি ১২,৮০০ টাকা।
স্পিকার: ইডিফায়ার (২: ১) ১,৬০০ থেকে ৩,২০০; মাইক্রোল্যাব (২: ১) ১,৫০০ থেকে ২,৬০০; ক্রিয়েটিভ এসবিএস (২: ১) ৯০০ থেকে ২,১০০ ও অ্যালটেক ল্যানসিং ১,৪০০ থেকে ৬,০০০ টাকা।
পেনড্রাইভ: ট্রানসেন্ড ৮ গি.বা. ৫৫০ ও ১৬ গি.বা. ১০০০; অ্যাপাসার ৪ গি.বা. ৪৮০ ও ৮ গি.বা. ৫০০; এডেটা ৮ গি.বা. ৫৫০ ও ৩২ গি.বা. ১,৮০০ এবং ভেরিকো ৮ গি.বা. ৫০০ টাকা।
প্রিন্টার: ক্যানন আইপি-২৭৭২ পিক্সমা ৩,০০০; এমপি-২৩৭ ৬,২০০ ও এলবিপি-৩৩০০ ১১,৪০০; এইচপি ডি-১০০০ ২,৬০০ ও লেজার পি-১১০২ ৮,১০০; এপসন এম-১২০০ ৭,২০০ ও স্যামসাং এমএল ১৮৬৬ (লেজার) ৬,৬০০ টাকা।
বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক: ট্রানসেন্ড ৫০০ গি.বা. ৫, ৩০০; ৭৫০ গি.বা. ৬,২০০ ও ১ টেরাবাইট ৭,৪০০; ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ গি.বা. ৫,৫০০ ও ১ টেরাবাইট ৭৪০০; এডেটা ৫০০ গি.বা ৫,০০০ ও ১ টেরাবাইট ৭,২০০ টাকা।
পরার জন্য ধন্যবাদ। ভাল লাগলে লাইক দিবেন। ভাল থাকেন সবাই। খোদা হাফেজ।সবাই ভাল থাকেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে এর পর থেকে ভাল টিউন উপহার দিতে পারি।

বাজারে পার্টসের দাম তারতম্য হতে পারে। অনেক দোকান যাচাই করে পার্ট কিনুন

যে তিন স্মার্টফোনে আছে সেরা ক্যামেরা

যে তিন স্মার্টফোনে আছে সেরা ক্যামেরা

 পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তৈরি করা হয়েছে স্মার্টফোনের সেরা তিন ক্যামেরার তালিকা। ছবি : ডিএক্সওমার্কস্মার্টফোন আসার আগে থেকেই মোবাইলে ক্যামেরা ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার। স্মার্টফোনের যুগে মোবাইল ক্যামেরার গুরুত্ব আরো বেড়েছে। সবাই চায় তার হাতে থাকা ফোনের ক্যামেরাটা ভালো হোক যাতে আলাদা করে আবার ক্যামেরা কিনতে না হয়। বাড়তি একটা জিনিস বয়ে বেড়ানোও ঝামেলা।তবে স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে কোনটির ক্যামেরা সেরা? বিতর্ক আছে তা নিয়ে। তবে এবার একটা সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা করল ক্যামেরা এবং লেন্স নিয়ে গবেষণা করার জন্য বিখ্যাত ওয়েবসাইট ডিএক্সওমার্ক।বিশ্বের বিখ্যাত সব ফ্ল্যাগশিপ হ্যান্ডসেটের ক্যামেরা নিয়ে নিবিড় পরীক্ষানিরীক্ষা শেষে তারা প্রকাশ করল তিনটি স্মার্টফোনের নাম। ডিএক্সওমার্কের গবেষণা বলছে এই তিনটি স্মার্টফোনের ক্যামেরাই সেরা।

প্রথম নামটি অবশ্য অবধারিতই। ২৩ মেগাপিক্সেল ও প্রিমিয়াম আইএমএক্স ৩০০ সেন্সরের সনি এক্সপেরিয়া জেড৫ হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বসেরা ক্যামেরার স্মার্টফোন।এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস। স্মার্টফোন শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের এই স্মার্টফোনটির ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেলের। এই ক্যামেরায় রয়েছে এফ/১.৯, ২৮এমএম, ওআইএস, অটোফোকাস, এলইডি ফ্ল্যাশ, ১/২.৬” সেন্সর সাইজ।

সেরা ক্যামেরার স্মার্টফোনের তালিকায় তৃতীয় স্থানটিও রয়েছে স্যামসাংয়ের দখলে। গত বছর বাজারে আসে স্যামসাং নোট ৫। এই স্মার্টফোনের ক্যামেরাও ১৬ মেগাপিক্সেলের। সাথে আছে এফ/১.৯ সেন্সর।তবে সেরা ৩-এর এই তালিকায় খুব বেশি চমক নেই। এরই মধ্যে স্মার্টফোনগুলো ক্যামেরার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের কাছে বেশ সমাদৃত হয়েছে। ডিএক্সওমার্ক শুধু চেষ্টা করেছে একটি গ্রহণযোগ্য র‍্যাঙ্কিং তৈরি করে দিতে।আর সেজন্য ডিএক্সও ল্যাবকে বেশ জটিল কিছু পরীক্ষা এবং পর্যালোচনা চালাতে হয়েছে। তাদের মতে, র‍্যাঙ্কিংটি তৈরি করা ছিল খুবই কষ্টসাধ্য একটি কাজ। কারণ পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিটি ফোনের ক্যামেরার মান ছিল কাছাকাছি।

তবে প্রশ্ন আসতে পারে, কিসের জন্য গ্যালাক্সি নোট ৫, গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস এবং এক্সপেরিয়া জেড ৫-এর ক্যামেরাগুলোই সেরা? এ ব্যাপারে ডিএক্সওমার্ক বলছে, তিনটি স্মার্টফোনের ক্যামেরাতেই হাই রেজ্যুলেশন থাকার কারণে খুবই স্পষ্ট এবং পরিষ্কার ছবি পাওয়া যায়।এ ছাড়া ক্যামেরা ব্যবহারকারীরা খুব সানন্দে ক্যামেরার কন্ট্রাস্ট এবং এক্সপোজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, আলো বা অন্ধকার যেকোনো অবস্থাতে। তিনটি ক্যামেরাতেই আছে সহজাত এবং প্রাণবন্ত ইমেজ কালার। এ ছাড়া এইচডিআর মোড ও এলইডি ফ্ল্যাশের কারণে ক্যামেরাগুলোর পারফরমেন্সও বেশ।

মোবাইল অ্যাপে পাবেন ট্রেনের টিকিট

কি ভাবছেন সেহেরী খেয়ে টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়াবেন ?যদি  আপনার কাছে মোবাইল কিংবা  কম্পিউটার থাকে তাহলে বলব আপনি এখোনো বোকার স্বর্গে বাস করছেন । সেহেরী খেয়ে টিকিটের জন্য  আর লাইন ধরতে হবে না । এখন মোবাইলেই সংগ্রহ করতে পারেন ট্রেনের টিকিট ।
বাংলাদেশ রেলওয়ে এর ৪০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়  অনেকেই এই তথ্য  জানে না , আর না জানার কারনেই অনেক ভোগান্তি  সহ্য করে ভোর থেকে বিশাল বড় লাইনে  দাড়ায় । লাইনে দাড়িয়ে মোবাইলে গেম খেলে না হয় ফেসবুকিং  না হয় বিরক্তিকর সময়টা মোবাইলেই
কাটায় , অথচ সেই মোবাইলেই কিন্তু ঘরে বসে টিকিট টা কেটে ফেলতে পারত । মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ পাচ্ছেন আগ্রহী ব্যক্তিরা। ‘ট্রেন টিকিট অ্যান্ড শিডিউল ইন বিডি’ নামের অ্যাপটির নির্মাতা টেকটিউনস অ্যাপস।
 অ্যাপ ব্যবহার করে কাউন্টারে এসে ফিরতি এসএমএস ও কোড নম্বর দেখালেই টিকিট দেওয়া হয়।ষ্টেশনে  অনলাইনে টিকিটের লাইন খুব ছোট থাকে , আগ্রহী ব্যক্তিরা সহজেই টিকিট পেতে পারে । এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অ্যাপটিতে এসএমএসে ও ওয়েবসাইটে টিকিট কেনার পুরো
প্রক্রিয়ার বর্ণনা রয়েছে এবং অ্যাপ থেকেই টিকিট কাটার সুবিধাও আছে। সকাল নয়টা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে টিকিট কাটার চেষ্টা করলে সুবিধা পাওয়া যায়। কারন এ সময় অনলাইন  সার্ভার ফাকা থাকে সহজেই টিকিট পাওয়া যায় ,
অ্যাপটিতে রেলের সময়সূচি, টিকিটের মূল্য , অনলাইনে ও এসএমএসে টিকিট কাটার সুবিধা, টিকিটের মূল্যসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে। ঈদের সময় ট্রেনের সিডিওল ঠিক থাকে না তাই যাত্রীদের  ঘন্টার পর ঘন্টা ষ্টেশনে অপেক্ষা করতে হয় ট্রেনের জন্য , এই ভোগান্তি দূর করবে
এই অ্যাপ , অ্যাপ এ  ট্রেন ট্রেকিং  মেনুতে  গিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনে ক্লিক করলেই আপনাকে ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জানিয়ে দিবে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে । এ ছাড়াও ঈদের সময় ট্রেনে যাত্রার সময়  কোনো সমস্যায় পড়লে  প্রতিটি ট্রেনের ও ষ্টেশনের কর্তব্যরত  পুলিশ অফিসারের
ফোন নাম্বার দেওয়া রয়েছে এই অ্যাপের মধ্যে ,এক ক্লিকেই ফোন করে সাহায্য চাইতে পারেন । মোবাইলে কিভাবে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করবেন তার বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে এই অ্যাপ এ  । অ্যাপটি ইতিমধ্যে  পাঁচ লক্ষের কাছাকাছি ডাওনলোড হয়েছে , আমরা আশা করছি অনলাইনের
জন্য নির্ধারিত সকল টিকিট পেতে সকলকে সাহায্য করবে এই অ্যাপ । আপনাকে সাহায্য করতে পারাটাই আমাদের আসল উদ্দেশ্য ।  এন্ড্রয়েড  মোবাইলের জন্য অ্যাপটি  ডাওনলোড  করতে পারেন।  ডাওনলোড  লিংকঃ  https://goo.gl/4kuLBr
সবার যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক ।

রাবিতে অনুন্নত ও স্বল্প রাউটার তথ্য সেবা হতে বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা


রাবি প্রতিনিধি:
ওয়াই-ফাই সংযোগ থাকলেও অনুন্নত ও স্বল্প রাউটার রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এ কারণে ইন্টারনেট অসুবিধায় তথ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগেই সবসময় থাকে না ইন্টারনেট সংযোগ।মতিহার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জিওন মাহমুদ মনে করেন, ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় তথ্য সেবা থেকে পিছিয়ে পড়ছি। হলের বিভিন্ন ব্লকে একেবারেই ইন্টানেট সংযোগ পায় না। রাউটারের দূরের রুম গুলোতে সংযোগ পেলেও ওয়াই-ফাই সার্ভারে কোনো গতি থাকে না। ফলে আমরা তথ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাজিদ মিঠু বলেন, ওয়াই-ফাই সার্ভার কম হওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারে কোন গতি থাকে না। সেক্ষেত্রে নেটে বসে সময় অপচয় ছাড়া কিছুই হয় না। বারবার বলেও কোন সমাধান হয় না।
এদিকে ছাত্র হলগুলোর মতো ছাত্রী হলের অবস্থাও একই রকম। রহমতুন্নেসা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ফাতেমা বারী চৈতী বলেন, আমাদের হলের ওয়াই-ফাই রাউটার গুলো প্রায়ই নষ্ট হয়ে থাকে। মাঝে মধ্যে স্বল্প গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ সময় একেবারেই পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কম্পিউটার সেন্টারের প্রশাসক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা বলেন, আগামী ২৭ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে রমজান ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি হবে। ছৃটির পর বিষয়টি নিয়ে মাননীয় উপাচার্যকে জানাবো।

রমজানের আমল ও সকল জেলার রোজার সময়সূচি নিয়ে মোবাইল অ্যাপ

রমজান হলো তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের মাস। তাকওয়া অর্জনই রমজানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন: ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি; আশা করা যায় যে তোমরা তাকওয়া অর্জন করবে।’ (সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াত)। আল্লাহ চান তাঁর বান্দা তাঁর গুণাবলি অর্জন করে সেই গুণে গুণান্বিত হোক। আল্লাহ তাআলা কোরআন মজিদে বলেন: ‘আল্লাহর রং! আর আল্লাহর রং অপেক্ষা চমৎকার কোনো রং হতে পারে?’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৩৮)। হাদিস শরিফে আছে: ‘তোমরা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও।’ (মুসলিম)। যেহেতু মানুষ আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি, তাই তাকে খেলাফতের দায়িত্ব পালনের যোগ্য হতে হলে অবশ্যই সেসব গুণাবলি অর্জন করতে হবে।
আল্লাহর রং বা গুণ কী? তা হলো আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম। এ প্রসঙ্গে হাদিস শরিফে এসেছে: ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলার ৯৯টি নাম রয়েছে, যারা এগুলো আত্মস্থ করবে; তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মুসলিম ও তিরমিজি)। মহান আল্লাহর নামাবলি আত্মস্থ বা ধারণ করার অর্থ হলো সেগুলোর ভাব ও গুণ অর্জন করা এবং সেসব গুণা ও বৈশিষ্ট্য নিজের কাজকর্মে, আচরণে প্রকাশ করা তথা নিজেকে সেসব গুণের আধার বা অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা। রমজান হলো তাকওয়ার প্রশিক্ষণ। লক্ষ্য হলো রমজানের বাইরের বাকি এগারো মাস রমজানের মতো পালন করার সামর্থ্য অর্জন করা, দেহকে হারাম খাদ্য গ্রহণ ও হারাম কর্ম থেকে বিরত রাখা এবং মনকে অপবিত্র চিন্তাভাবনা, হারাম কল্পনা ও পরিকল্পনা থেকে পবিত্র রাখা।রমজান আরবি শব্দ রামদুন থেকে উৎপত্তি।যার অর্থ
পুড়িয়ে ফেলা,নিঃশেষ করে ফেলা ।যা মানুষের সমস্ত পাপ,রিপুগুলোকে,জালিয়ে দেয়।এই রমজান মাস মানুষ কে লক্ষে এবং আত্মিক,নৈতিক,ও চারিএিক কল্যাণের ধারক বাহক বানানো নিমিত্তে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলা আমীন রমজানে রোজাকে উম্মতের উপর ফরজ করে দিয়েছেন।আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন সুরা বাকারা ১৮৩ আয়াতে বলেন: হে ইমান্দারগন!তোমাদের জন্য সিয়াম বিধান দেওয়া হল যেমন বিধান পূর্ববর্তীদের দেয়া হয়েছিল।যাতে তোমার তাওক্‌য়া অর্জন করতে সক্ষম হও।আল্লাহ রাবুল আল-আমীন আরও বলেন এরশাদ সুরা বাকারা ১৮৫ আয়াতে: রমজান মাস এতে মানুষের হেদায়েত এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন সত্য ও অসত্যর পার্থক্য কারীরুপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে তারা যেন এ মাসে রোজা রাখে।
রমজান পুণ্য অর্জনের যে অবারিত ধারিত ধারা প্রবাহিত তা অনন্যা মাস থেকে অধিক। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা রমজানের জন্য শাবানের চাঁদের হিসাব রাখো।’ (মুসলিম)। নবী করিম (সা.) এভাবে রমজানকে স্বাগত জানাতেন: ‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং রমজান আমাদের নসিব করুন।’ (বুখারি)।হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ছাড়ো (ঈদ করো)।’ (বুখারি ও মুসলিম)। তাই চাঁদ দেখা সুন্নত; এটি ইবাদতের প্রতি অনুরাগ ও ভালোবাসার প্রতীক। নতুন চাঁদকে হিলাল বলে। প্রথম তিন দিনে হিলাল বা নতুন চাঁদ দেখলে এই দোয়া পড়া সুন্নত: ‘আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমান, ওয়াছ ছালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ; হিলালু রুশদিন ওয়া খায়র।
 অর্থ: ‘হে আল্লাহ! এই মাসকে আমাদের জন্য নিরাপত্তা, ইমান, প্রশান্তি ও ইসলাম সহযোগে আনয়ন করুন; আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ। এই মাস সুপথ ও কল্যাণের।’ (তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৫১, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৪০০, রিয়াদুস সালেহীন: ১২৩৬)।পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ অতি অবশ্যই মসজিদে জামাতে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তারাবির নামাজ জামাতে পড়ার জন্য যথাসময়ে মসজিদে যাওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি থাকতে হবে। খতমে তারাবি পড়া সবচেয়ে উত্তম। ইবাদতের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে কাজকর্মের রুটিন পরিবর্তন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। রমজানের পাঁচটি সুন্নত পালনে সচেষ্ট থাকতে হবে। যথা: (১) সেহরি খাওয়া, (২) ইফতার করা, (৩) তারাবির নামাজ পড়া, (৪) কোরআন তিলাওয়াত করা, (৫) ইতিকাফ করা। যাঁরা কোরআন তিলাওয়াত জানেন না,
 তাঁরা শেখার চেষ্টা করবেন। যাঁরা তিলাওয়াত জানেন, তাঁরা শুদ্ধ করে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করবেন। যাঁরা বিশুদ্ধ তিলাওয়াত জানেন, তাঁরা অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন। যাঁরা তরজমা জানেন, তাঁরা তাফসির অধ্যয়ন করবেন। সাহাবায়ে কেরাম সাধারণত প্রতি সপ্তাহে । এক খতম (পূর্ণ কোরআন করিম তিলাওয়াত সম্পন্নকরণ) করতেন—এভাবে প্রতি মাসে অন্তত চার খতম হয়ে যেত। আবার সেই সব সাহাবাই দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাত্র একটি সুরা গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন। রমজানের অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত হলো ইতিকাফ। রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাহ কিফায়া। এর কম সময় ইতিকাফ করলে তা নফল হিসেবেই গণ্য হবে। পুরুষেরা মসজিদে ইতিকাফ করবেন। নারীরাও নিজ নিজ ঘরে নির্দিষ্ট কক্ষে ইতিকাফ করতে পারবেন। রমজানের বিশেষ তিনটি
আমল হলো: (১) কম খাওয়া, (২) কম ঘুমানো, (৩) কম কথা বলা। হারাম থেকে বেঁচে থাকা; চোখের হেফাজত করা, কানের হেফাজত করা, জবানের হেফাজত করা। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সঃ)বলেন ‘হে সকল একটি মহান ও বরকতময় মাস তোমাদের সামনে উপস্থিত।এ মাসের রাএগুলোর মধ্যে এমন এক রাত বিদ্যমান,যার মর্যাদা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।আল্লাহ তায়ালা এ মাসে রোজাকে ফরজ করেছেন এবং এ মাসের রাএি জাগরণ করেছেন অতিরিক্ত ইবাদত সামিল।তিনি আরও বলেন যে ব্যত্তি এ মাসে একটি সাধারণ ভালো কাজ করবে অন্য মাসের তুলনায় তাকে একটি ফরজ ইবাদতের সওয়াব প্রদান করা হবে। রাসুল (সঃ)আরও বলেন যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরজ ইবাদত পালন করবে, তাকে ৭০টি ফরজ ইবাদতের সওয়াব প্রদান করা হবে।রমজানে হালাল খাদ্যের আয়োজন করতে হবে;
 ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবারের বিষয়টিও লক্ষ রাখতে হবে। ইফতার ও সেহরির সুন্নত পালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি যত্নবান থাকতে হবে, যাতে ইবাদতের অসুবিধা না হয়। ইবাদতের অনুকূল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ সুন্নতি লেবাসের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।
রমজানের ফজিলত , আমল ও সকল  জেলার রোজার সময়সূচি  নিয়ে  “টেকটিউনস অ্যাপস” তৈরি করেছে  “Ramadan Calendar 2017” নামে একটি মোবাইল অ্যাপ। গুরুত্বপূর্ণ কিছু দৈনন্দিন আমল ও ইবাদত নিয়ে অ্যপসটিতে থাকছে
কুরআন তেলাওয়াত, কুরআনের বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদ, কুরআনের বাংলা তাফসির, দোআ ও যিকির হিসনুল মুসলিম, নেক আমল, ইসলামের হুকুম আহকাম, হালাল হারাম সম্পর্কে শিখার জন্য ইসলামি বই পড়তে পারেন।নবির জিবনি, রাসুল ও রাসুলের জীবনী,সাহাবীদের জীবনী, ইসলামের ইতিহাস, সহীহ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ বাংলা, ফাজায়েলে আমল, রোজার ক্যালেন্ডার ২০১৭, রোজার নিয়ত
ইফতারের দোয়া, রোজা সম্পর্কিত জরুরি কিছু মাসআলা, রোজা বা সিয়ামের সহীহ নিয়ম, রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ, তারাবীহ নামাজ,রোযার ফজিলত, রমজান মাসের আমল, রমজানের প্রস্তুতির কিছু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ, রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহ,৩০ রমজানের দোয়া সমূহ, রোজার নিয়ত সম্পর্কিত মাসআলা, ইফতার এর সুন্নত আমলসমূহ, নামাজ পড়ার নিয়ম, তারাবীহ নামাজ,
লাইলাতুল কদরের প্রস্তুতি, রোযার ফজিলত আদব গুরুত্ব, রমজান সংক্রান্ত কোরআনের আয়াত, ঈদুল ফিতরের কিছু সুন্নাত,  রমজান সম্পর্কিত হাদিস, রমজানের দোয়া, নামাজের সময়সূচী, আল-কুরআনের সূরাহ অর্থ ও অডিওসহ, সম্পূর্ণ আল-কুরআন উচ্চারণ সহ তিলয়াত, রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ অ্যাপটিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
এন্ড্রয়েড  মোবাইলের জন্য অ্যাপ টি ডাওনলোড করতে পারেন। ডাওনলোড  লিংকঃ https://goo.gl/LTGhvz
অ্যাপটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে তুলে ধরা হল । বিস্তারিত অ্যাপটিতে পাবেন ।
রমজানে ওষুধ সেবন
রমজানের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি অন্যতম। রোজা পালন ও তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য এই উভয় প্রকার প্রস্তুতি খুবই প্রয়োজনীয়। যাঁরা নিয়মিত বিভিন্ন ওষুধ সেবন করেন, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করে নেবেন। যাঁদের শারীরিক ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করতে হয়, তাঁদেরও সেই উপযুক্ত সময় নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।
রোযা মানব শরীরে কোন ক্ষতি করে না
মানব শরীরের উপর রোযার প্রভাব সম্পর্কে গবেষণায় প্রমানিত হয় যে, রোযার দ্বারা মানব শরীরের কোন ক্ষতি হয় না কেবল ওজন সামান্য কমে, তাও উল্লেখযোগ্য কিছুই নয়। বরং শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে এইরুপ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের খাদ্য নিয়ন্ত্রন তথা ডায়েট কন্ট্রোল অপেক্ষা বহুদিক দিয়ে শ্রেষ্ট। যারা মনে করে থাকে যে, রোযা দ্বারা,পেটের শূল বেদনা বৃদ্ধি পায় তাদের এই ধারনা নিতান্ত অবৈজ্ঞানিক। কারন উপবাসে পাকস্থলীর এসিড কমে এবং খেলেই এটা বাড়ে। এই অতি কথাটা অনেক চিকিৎসকই চিন্তা না করে শূল বেদনা রোগীকে রোযা রাখতে নিষেধ করেন। ১৭ জন রোযাদারের পেটের রস পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, যাদের পাকস্থলীতে এসিড খুব বেশী বা খুব কম, রোযার পরে তাদের এই উভয় দোষই সেরে গেছে। এই গবেষণায় আরও প্রমাণিত হয় যে, যারা মনে করেন যে, রোযার দ্বারা রক্তের পটাশিয়াম কমে যায় এবং তাদের শরীরের ক্ষতি সাধন হয়, তাদের এই ধারণা ও অমূলক। কারন পটাশিয়াম কমার প্রতিক্রিয়া কম দেখা দিয়ে থাকে হৃদপিন্ডের উপর অথচ
১১ জন রোযাদারের হৃদপিন্ড অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রোকার্ডিগ্রাম যন্ত্রের সাহায্যে ( রোযার পূর্বেও রোযা রাখার ২৫ দিন পর) পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, রোযা দ্বারা এদের হৃদপিন্ডের ক্রিয়ার কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি।হে আল্লাহ যেভাবে রোজা পালন করলে তুমি আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবে আমাদের সবাইকে সেভাবে রমজানের রোযা পালন করার তৌফিক দান করুন। আমীন।
রোজা কাদের জন্য ফরজ
রোজা ৮ শ্রেণী মানুষের ওপর ফরজ।
১. তাহীরা অর্থাৎ পবিত্রতা হায়েজ-নেফাস মুক্ত হতে হবে।
২. বালেগ হওয়া। নাবালগের ওপর রোজা ফরজ নয়, অর্থাৎ ১২ বৎসর বয়সের কম বয়স হলে রোজা ফরজ হবেনা।
৩. সুস্থব্যক্তি হওয়া। শারীরিক ভাবে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য রোজা রাখার নিয়ম নাই। তবে সাধারন অসুখ বিসুখ হলে যদি সে রোজা রাখার উপযোগী হয় তবে সে রোজা রাখতে পারবে।
৪.সুস্থ মস্তিস্কের অধিকারী হওয়া। পাগলের ওপর রোজা ফরজ নয়।
৫.স্বাধীন হওয়া। পরাধীন নয় এমন ব্যক্তি হওয়া।
৬.সজ্ঞান হওয়া। অর্থাৎ যিনি রোজা রাখবেন তিনি নিজ জ্ঞানে বা স্বেচ্ছায় আল্লাহর হুকুম পালন করবেন।
 ৭.মুকিম হওয়া। অর্থাৎ স্তায়ীবাসিন্দা হওয়া। মুসাফিরের ওপর রোজা ফরজের ব্যপারে একটু ভিন্নতা আছে। যেমন কষ্টসাধ্য ভ্রমন হলে পরবর্তীতে রোজা আদায়ের বিধান আছে। আমি মনে করি বর্তমানে সফর অনেক আরামের সাথে করা যায় তাই সফর অবস্থায় একমাত্র কাহিল হয়ে না পড়লে রোজা রাখা উচিৎ।
৮.মুসলমান হওয়া। মুসলিম ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা কোন অমুসলিমের জন্য ফরজ নয়।
যাদের উপর রোযা ফরজ নাঃ দশ প্রকার মানুষের জন্য রোযা ফরজ না
১. কাফের বা অমুসলিম। কারণ তারা ইবাদত করার যোগ্যতা রাখে না। ইবাদত করলেও ইসলামের অবর্তমানে তা সহি হবে না, কবুলও হবে না। যদি কোন কাফের রমজানে ইসলাম গ্রহণ করে তবে পিছনের সিয়ামের কাজা আদায় করতে হবে না।
 ২. অপ্রাপ্ত বয়স্ক। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার সিয়াম পালন ফরজ নয়।
৩. পাগল। পাগল বলতে বুঝায় যার জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পেয়েছে। যার কারণে ভাল-মন্দের মাঝে পার্থক্য করতে পারে না। এর জন্য সিয়াম পালন ফরজ নয়। যেমন পূর্বের হাদিসে উলে¬খ করা হয়েছে। পাগল যখনই সুস্থ হয়ে যাবে তখনই সে সিয়াম পালন শুরু করে দেবে। যদি এমন হয় যে দিনের কিছু অংশ সে সুস্থ থাকে কিছু অংশ অসুস্থ তাহলে সুস্থ হওয়া মাত্রই সে পানাহার থেকে বিরত থাকবে। সিয়াম পূর্ণ করবে। পাগলামি শুরু হলেই তার সিয়াম ভঙ্গ হবে না, যদি না সে সিয়াম ভঙ্গের কোন কাজ করে।
৪.অশীতিপর বৃদ্ধ যে ভাল-মন্দের পার্থক্য করতে পারে না । এ ব্যক্তি যার বয়সের কারণে ভাল-মন্দ পার্থক্য করার অনুভূতি চলে গেছে সে শিশুর মতই। শিশু যেমন শরিয়তের নির্দেশমুক্ত তেমনি সেও। তবে অনুভূতি ফিরে আসলে সে পানাহার থেকে বিরত থাকবে। যদি তার অবস্থা এমন হয় যে কখনো অনুভূতি আসে আবার কখনো চলে যায় তবে অনুভূতি থাকাকালীন সময়ে তার উপর সালাত, সিয়াম ফরজ হবে।
৫.যে ব্যক্তি সিয়াম পালনের সামর্থ্য রাখে না। এমন সামর্থ্যহীন অক্ষম ব্যক্তি যার সিয়াম পালনের সামর্থ্য ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। যেমন অত্যধিক বৃদ্ধ অথবা এমন রোগী যার রোগ মুক্তির সম্ভাবনা নেই—আল্লাহ্‌র কাছে আমরা এ ধরনের রোগ-ব্যাধি থেকে আশ্রয় চাই। এ ধরনের লোকদের সিয়াম পালন জরুরি নয়। কারণ সে এ কাজের সামর্থ্য রাখে না।
৬.মুসাফির। মুসাফিরের জন্য সিয়াম পালন না করা জায়েজ আছে। সফরকে যেন সিয়াম পালন না করার কৌশল হিসেবে ব্যবহার না করা হয়।
৭.যে রোগী সুস্থ হওয়ার আশা রাখে।
৮. যে নারীর মাসিক চলছে। ঋতুকালীন সময়ে নারীর জন্য সওম পালন জায়েজ নয় বরং নিষেধ।
৯. গর্ভবতী ও দুগ্ধ দানকারী নারী। যদি গর্ভবতী বা দুগ্ধ দানকারী নারী সিয়ামের কারণে তার নিজের বা সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা করে তবে সে সিয়াম ভঙ্গ করতে পারবে। পরে নিরাপদ সময়ে সে সিয়ামের কাজা আদায় করে নিবে।
১০. যে অন্যকে বাঁচাতে যেয়ে সিয়াম ভেঙে ফেলতে বাধ্য হয়। যেমন কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি ; পানিতে পড়ে যাওয়া মানুষকে অথবা আগুনে নিপতিত ব্যক্তিকে কিংবা বাড়িঘর ধসে তার মাঝে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার করতে যেয়ে সিয়াম ভঙ্গ করল।
যে সকল কারনে রোযা ভঙ্গ হয়
১। ধুমপান করা।
২। রাত্র মনে করে সুবহে সাদেকের পর সাহরী খাওয়া।
৩। নস্যি গ্রহণ করা।
৪। ইচ্ছকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা।
৫। বমি আসার পর তা গিলে ফেলা।
৬। কুলি করার সময় বা যে কোন ভাবে পানি গলার ভিতরে ঢুকে পড়া।
৭। দাঁতে আটকে থাকা ছোলা বা তার চেয়ে বড় ধরনের খাদ্যকণা গিলে ফেলা।
৮। সূর্যাস্তের পূর্বে সূর্য অস্তমিত হয়েছে ভেবে ইফতার করা। এগুলোতে শুধু কাযা (যে কয়টা ভাংবে সে কয়টা পরবর্তিতে রাখতে হবে)ওয়াজিব হয় । কাফফারা নয় ।কিনতু রোযা ভেঙ্গে যাওয়ার পর দিনের অবশিষ্ট সময় রোযাদারের ন্যায় পানাহার ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
৯। রোযা স্মরণ থাকা অবস্থায় পানাহার করা কিংবা স্ত্রী সহবাস করা।এতে কাযা ও কাফফারা (একাধারে দুই মাস রোযা রাখা) ওয়াজিব হয়।
১০। নাকে বা কানে তেল, ষধ ইত্যাদি প্রবেশ করানো।
১১।মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়া অবস্তায় সুবহে সাদেকের পর জাগ্রত হওয়া।
যে সকল কারনে রোযা মাকরুহ হয়
১। অহেতুক কোন জিনিস চিবানো বা চেখে দেখা।
২। রোযার কারনে অস্থিরতা বা কাতরতা প্রকাশ করা।
৩। গালাগালি ও ঝগড়া ফাসাদ করা।
৪। সিনেমা দেখা বা অন্য কোন কবিরাহ গুনাহে লিপ্ত হওয়া।
৫। সারাদিন নাপাক অবস্থায় থাকা।
৬। গীবত বা চোগলখোরী করা।
৭। কয়লা, মাজন, টুথ পাউডার, টুথ পেষ্ট বা গুল দিয়ে দাঁত মাজা।
৮। অনর্থক কোন জিনিস মুখের ভিতর দিয়ে রাখা।
৯। ইচ্ছকৃতভাবে অল্প বমি করা
১০। কুলি করার সময় গড়গড়া করা।
১১। নাকের ভিতর পানি টেনে নেয়া (কিন্তু সে পানি গলায় পৌছে গেলে রোযা ভেঙ্গে যাবে)
১২। ইচ্ছকৃতভাবে মুখে থু থু জমা করে গিলে ফেলা ।
১৩। মিথ্যা কথা বলা।
যে সকল কারনে রোযার ক্ষতি হয় না
১।  অনিচ্ছাকৃতভাবে কানে পানি প্রবেশ করা।
২।  ইনজাকশন নেয়া( খুবই জরুরি হলে)।
৩। নিজ মুখের থু থু কফ গিলে ফেলা।
৪। মাথা ,শরীর বা মুখে তেল, ক্রিম ,লোশন ইত্যাদি ব্যবহার করা।
৫। ঠান্ডার জন্য গোসল করা।
৬। ঘুমে স্বপ্নদোষ হওয়া।
৭। মিসওয়াক করা।
৮। অনিচ্ছকৃতভাবে বমি হওয়া।
৯। চোখে ওষধ , সুরমা বা ড্রপ ব্যবহার করা।
১০।আতর সুগন্ধি ব্যবহার করা বা ফূল ইত্যাদির ঘ্রাণ নেওয়া।
১১। অনিচ্ছাকৃতভাবে গলায় মশা, মাছি, ধোঁয়া বা ধুলাবালি প্রবেশ করা।
১২। ভুলক্রমে পানাহার করা।

কালো জাম থেকে সৌর বিদ্যুৎ

কালো জাম থেকে খুব কম খরচের সোলার সেল বানিয়ে ফেললেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী! ডাই-সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেলে (ডিএসএসসি) সূর্যালোককে শুষে নেওয়ার জন্য যে ফোটোসিন্থেসাইজারের প্রয়োজন হয়, কালো জামের মধ্যে থাকা এক ধরনের পিগমেন্ট দিয়ে তা খুব সস্তায় বানিয়ে ফেলেছে রুরকির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইআইটি) গবেষক অধ্যাপক সৌমিত্র শতপথির নেতৃত্বে এক গবেষকদল।দেখা গিয়েছে, কালো জামের মধ্যে থাকা পিগমেন্টই সূর্যালোক টেনে নিতে পারে অনায়াসে। ওই ধরনের ডাই-সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেলকে ‘গ্র্যাটঝেল সেল’ও বলা হয়। সৌমিত্রের গবেষণাপত্রটি হালে প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘জার্নাল অফ ফোটোভোল্টেইক্স’-এ।

এটা যে করা সম্ভব, তা আঁচ করতে পেরেছিলেন কী ভাবে?

রুরকি আইআইটি’র অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সৌমিত্র শতপথি বলেছেন, ‘‘কালো জামের কালো রংই আমাকে প্রথম ভাবিয়েছিল, কোনও ভাবে তাকে ডাই সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেল বানানোর জন্য ফোটোসিন্থেসাইজার বা ডাই (রঞ্জক) হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না। পরে আমি উৎসাহিত হয়ে পড়ি, কারণ, আমাদের দেশে কালো জামের গাছের কোনও অভাব নেই। আমাদের আইআইটি ক্যাম্পাসেই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কালো জামের গাছ।’’

এই উদ্ভাবনের অভিনবত্ব কোথায়?

সৌমিত্র বলেছেন, ‘‘সেটাকেই (‘অ্যান্থোসায়ানিন’) আমরা আমাদের উদ্ভাবিত সেলে ফোটোসিন্থেসাইজার হিসেবে ব্যবহার করেছি। সূর্যালোক শুষে নেওয়ার জন্য সাধারণত, রুথেনিয়ামের কোনও পিগমেন্ট ব্যবহার করা হতো এত দিন। কিন্তু তা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। তার তুলনায় অনেক কম খরচে কালো জামের মধ্যে থাকা ওই রঙিন পিগমেন্টটি দিয়েই আমাদের সোলার সেলের ফোটোসিন্থেসাইজারের কাজটা করিয়ে নেওয়া যায়। আর সেটা করা যায় অনেকটাই অনায়াসে। উষ্ণায়নের চিন্তা আর জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার উত্তরোত্তর ফুরিয়ে আসার ফলেই বিকল্প জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা বেড়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে সৌরশক্তিই হয়ে উঠতে পারে আদর্শ বিকল্প জ্বালানি। আর তা যদি খুব কম খরচে বানানো যায়, তা হলে তো আর কোনও চিন্তাই থাকে না।’’

শূন্যে ভেসে বিভিন্ন তথ্য ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে গোলাকার ড্রোনটি

শূন্যে ভেসে বিভিন্ন তথ্য ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে গোলাকার ড্রোনটি। এ জন্য ড্রোনটির পুরো শরীরেই বসানো হয়েছে কয়েক শ এলইডি বাল্ব। বাল্বগুলো ১৩৬ থেকে ১৪৪ পিক্সেলে ছবি ও ভিডিও প্রদর্শন করতে পারে। মাত্র সাত পাউন্ড ওজনের ড্রোনটি তৈরি করেছে জাপানের মোবাইল অপারেটর ডোকোমো।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »