Category: তথ্য প্রযুক্তি

অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের সর্বশেষ কাজ ছিল প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ক্যাম্পাস তৈরি করা

অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের সর্বশেষ কাজ ছিল প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ক্যাম্পাস তৈরি করা। তাঁর সেই কাজ পরিচিতি পেয়েছে ‘স্পেসশিপ ক্যাম্পাস’ হিসেবে।যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের এই প্রধান কার্যালয়ের নির্মাণকাজ চলছে এখন। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতাকে সম্মান দেখাতে নিখুঁতভাবে এই কার্যালয় নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিজনেস ইনসাইডারে প্রকাশিত হয়েছে নতুন ভবন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন। চলুন জেনে আসি স্টিভ জবসের শেষ কাজ সম্পর্কে ১০ মজার তথ্য:

১. স্টিভ জবস পুরো ক্যালিফোর্নিয়াকে যেন তাঁর কুপারটিনোর ক্যাম্পাসে তুলে আনতে চেয়েছিলেন। ছোটবেলা থেকে স্পেসশিপের মতো একটি ক্যাম্পাসের স্বপ্ন দেখতেন জবস। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রাকৃতিক দৃশ্যের প্রতিফলন সেখানে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি।

২. পুরো ক্যাম্পাসের আয়তন ১৭৬ একর। এখানে একসঙ্গে ১৩ হাজারের বেশি কর্মী কাজ করবেন।

৩. বিশ্বের বৃহত্তম বাঁকানো কাচের ভবন হবে এই কার্যালয়। চারতলা এই কাঠামোর দুই দিকেই বিশাল কাচের দেয়াল থাকবে।

৪. এই ভবনের চারপাশে অসংখ্য গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে অ্যাপলের। ধারণা করা হচ্ছে, ক্যাম্পাস ঘিরে সাত হাজার গাছ লাগাচ্ছে অ্যাপল।

৫. অ্যাপলের অভ্যন্তরীণ নির্মাণ টিমকে অনেক নিয়মকানুন মেনে ভবনের নির্মাণকাজ করতে হচ্ছে। কাচের ওপর যাতে কোনো রকম প্রতিফলন না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হচ্ছে। কোনো সূক্ষ্ম বস্তু ধরার আগে হাতমোজা ব্যবহার করতে হচ্ছে। ভবনে যে কাঠের কাজ হচ্ছে, তার জন্য ৩০ পাতার নীতিমালা রয়েছে।

৬. ভবনে যে এলিভেটর ব্যবহার করা হচ্ছে, তার বোতামগুলো আইফোনের হোম বাটনের মতো করে তৈরি করা হচ্ছে।

৭. স্পেসশিপের যে টয়লেট সিটগুলো তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলোকে আইফোন ৭ আকৃতি দেওয়া হচ্ছে।

৮. নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরে এই কার্যালয়ে ঢুকতে শুধু স্টিভ জবসের ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজে লাগানো হবে।

৯. অ্যাপল এই ভবন তৈরিতে খরচের কথা জানায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে তৈরি করা হচ্ছে এটি।

১০. ২০১৫ সালে নির্মাণকাজ শেষ করার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় তা হয়নি। চলতি বছরে চালু হতে পারে অ্যাপলের এই নতুন ক্যাম্পাস।

প্রকাশ্যে এল বহু প্রতীক্ষিত নোকিয়ার প্রথম অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন।

 ফিনিশ সংস্থা এইচএমডি গ্লোবাল স্মার্টফোনটি তৈরি করেছে।২০১৪-র পর এই প্রথম নোকিয়া তাদের ব্র্যান্ড নেম ও লোগোসহ কোনো স্মার্টফোন বাজারে আনল।নোকিয়া ৬ একটি মেটাল স্মার্টফোন। তবে দাম রাখা হয়েছে মধ্যবিত্তের নাগালেই। এটি একটি মিড রেঞ্জ স্মার্টফোন। ৫.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে-কে সুরক্ষিত রাখতে রয়েছে গরিলা গ্লাস। ডিসপ্লে ১০৮০ পিক্সেলের। কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের সঙ্গে ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। মাইক্রো এসডি কার্ডের সাহায্যে মেমোরি এক্সপ্যান্ডেবল ১২৮ জিবি পর্যন্ত। রয়েছে ডুয়াল অ্যামপ্লিফায়ার যা ডলবি অ্যাটমোস সাউন্ড টেকনোলজি সাপোর্টেড।নোকিয়া ৬-এর রিয়ার ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেলের, ফ্রন্ট ৮ এমপি-র। ৩০০০ এমএএইচ ব্যাটারি সমৃদ্ধ এই ফোন ফোর-জি এলটিই সাপোর্টেড। আগামী ১০ বছর এই এইচএমডি গ্লোবাল সংস্থাই নোকিয়ার যাবতীয় স্মার্টফোন তৈরি করবে। নতুন ফোনটির দাম ভারতীয় মুদ্রায় ১৬,৭৩৯ রুপি। তবে চিনে বিক্রি শুরু হলেও বাকি দেশগুলিতে কবে থেকে মিলবে এই হ্যান্ডসেট, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি সংস্থার তরফে।এর আগে নোকিয়া তাদের হ্যান্ডসেট নির্মাণের সব ইউনিট মাইক্রোসফটকে বিক্রি করে দেয়। কিন্তু একদা বিশ্বের দাপুটে সংস্থা স্মার্টফোনের দিকে না ঝুঁকে তাদের ‘লুমিয়া’ সিরিজের জন্য মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং বেছে নেয়ায় জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। ২০১৪-য় মাইক্রোসফটের অধীনে থেকেই সস্তার ফিচার ফোনে ‘নোকিয়া’ ব্র্যান্ড নেম ব্যবহার করতে থাকে। কিন্তু ২০১৬-য় দুই সংস্থার মধ্যেই চুক্তি শেষ হয়ে যায়। তারপর থেকেই গোটা বিশ্বের নোকিয়া-অনুরাগীরা অপেক্ষায় ছিলেন কবে তাঁদের প্রিয় ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন আত্মপ্রকাশ করবে! রবিবার সেই অপেক্ষার অবসান হল।নোকিয়ার নতুন হ্যান্ডসেট, ‘নোকিয়া ৬’ গুগলেরই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবে। আপাতত শুধুমাত্র চিনে হ্যান্ডসেটটি মিলবে। অনলাইনে JD.com থেকে কেনা যাবে এই হ্যান্ডসেট, জানিয়েছে এইচএমডি গ্লোবাল। সংস্থার এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীনের বাজারে ফোনটি লঞ্চ করার অন্যতম কারণ সেখানকার বিশাল চাহিদা। হাই এন্ড স্মার্টফোন ব্যবহারের আদর্শ বাজারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ’ ফোনটির বিক্রি শুরু হবে দ্রুতই।

বাজারে আসছে আইফোন-৮। নতুন নতুন চমক নিয়ে

আইফোন ৮ নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই ‘গুজব’ বা ‘ফাঁসকৃত তথ্য’ ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটে। ক্রমেই অনেক তথ্য বাতিল হচ্ছে বা সত্যতা পাচ্ছে।এখানে প্রতীক্ষিত অ্যাপলের আইফোন ৮ নিয়ে সর্বসাম্প্রতিক খবর জেনে নিন।অবশেষে অনেকেই নিশ্চিত করেছেন যে, আইফোন ৮ মডেলটি কাচে মোড়া দেহ পাচ্ছে। তবে বহুল প্রচলিত অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় মনে হয় আর পাচ্ছে না আইফোন ৮।তাইওয়ানের সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ডিজিটাইমস জানায়, অ্যাপলের অ্যাকসেরসরিজের নিয়মিত সরবরাহকারী ফক্সকনকে আর কোনো অর্ডার দেয়নি অ্যাপল। এখন অ্যাপল আইফোনের স্টেইনলেস স্টিল দেহ বানানোর জন্য জাবিল এর কাছে গিয়েছে।এর আগে আইফোন ৪এস এর দেহটি স্টেইরলেস স্টিলের বানানো হয়েছিল। কিন্তু তখন কিছু গুণগত সমস্যার কারণে আবারো অ্যালুমিনিয়ামে ফেরত আসা হয়। ২০১৪ সালে আইফোন ৬ ‘বেন্ড-গেট’ ফিসকোতে দাবি করা হয়, এই হ্যান্ডসেটিকে সহজে পুননির্মাণ করা যাবে। অ্যাপল হাতঘড়িতে প্রথমবারের মতো ৭০০০-সিরিজের অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।আবারো যখন আইফোন ৮ এর স্টেইনলেস স্টিলের দেহের কথা বলা হচ্ছে, তখন এর বৈশিষ্ট্য অবশ্যই ৪ বা ৪এস অপেক্ষা ভিন্ন হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার অ্যাপল প্রচলিত বিলেট মাইলিং পদ্ধতির পরিবর্তে মেটাল ফোর্জিং পদ্ধতি ব্যবহার করবে।প্রযুক্তি বিষয়ক জাপনিজ ব্লগ ম্যাক ওটাকারা একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছে। সেখানে প্রথমবারের মতো মিং-চি কুয়ো নতুন আইফোনের কাচে মোড়া দেহের কথা জানিয়েছিলেন। তখন থেকে ধীরে ধীরে এর ওলেড ডিসপ্লে, তারবিহীন চার্জিং, অদৃশ্য হোম বাটন এবং আরো অন্যান্য বিষয়ের কথা জানানো হয়।ওটাকাটা আরো জানিয়েছিল যে, আইফোন ৭ পরিবারের তৃতীয় সংস্করণ হিসাবে একটা মডেল আসবে। ওটা হবে লাল রংয়ের ৭এস। ম্যাক ওটাকারা এমনিতেই আইফোন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ফাঁসে বিখ্যাত। এই ব্লগটি প্রথমে আইফোন ৭এস এর হেডফোন জ্যাক বাদ দেওয়ার তথ্যটি দিয়েছিল। তারাই বলেছিলে জেড ব্ল্যাক রংয়ের আইফোনের কথা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

মোবাইলে ভুল করে ডিলিট হওয়া ছবি উদ্ধারের উপায়

ফোন ব্যবহারের সময় অসাবধানতাবশত ছবি ডিলিট হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। প্রয়োজনীয় ডেটাও ডিলিট হয়ে যায় অনেক সময়। ফোন খারাপ হতে পারে, ভাইরাসের জন্য ডিলিট হতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে কিভাবে উদ্ধার করবেন সেই ডেটা?জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য১. প্রথমত, ফোন যখন সেট-আপ করবেন, তখন প্রথমেই ডিফল্ট মেমরি হিসাবে মেমরি কার্ড সিলেক্ট করে রাখুন। তাতে ছবি ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোবাইল বিগড়ে যাওয়াতেই ফোন মেমরিতে থাকা ছবি এবং ডেটা ডিলিট হয়ে যায়।২. দ্বিতীয়ত, কোন ক্লাউড ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে পারেন। তাতে ফোন বা মেমরি কার্ড খারাপ হলেও আপনার ডেটা এবং ছবি একেবারে ঠিকঠাক থাকবে।৩. রাখতে পারেন কিছু সফটওয়্যারও। পিকচার রিকভারি সফটওয়্যার লিখে গুগলে গিয়ে সার্চ করতে পারেন। তাতে অনেক অপশন রয়েছে। চাইলে সরাসরি Asoftech Photo Recovery সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে পারেন। ইনস্টল হলে সফটওয়্যার কম্পিউটারে রান করুন। এবার যে ফোন বা ক্যামেরার মেমরি কার্ড থেকে ছবি এবং ডেটা ডিলিট হয়েছে তা কার্ড রিডারের সাহায্যে কম্পিউটারে যুক্ত করুন। কানেক্ট হওয়ার পর সফটওয়্যারে যে নতুন ড্রাইভ দেখাবে তা সিলেক্ট করুন। সফটওয়্যারে থাকা ‘স্ক্যান অ্যাকশন’ অপশনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে ডিলিট হওয়া ছবি আপনাকে দেখিয়ে দেবে। সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর

নববর্ষে ২০০০ টাকায় গ্রাফিক্স / ওয়েব ডিজাইন শেখাবে আইসিটি ক্যারিয়ার

সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধিত সমাজসেবামূলক সংগঠন নাছিমা এনাম ফাউন্ডেশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আইসিটি ক্যারিয়ার ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি ৫০ জনকে মাত্র ২০০০ টাকায় দুই মাস মেয়াদী গ্রাফিক্স ডিজাইন/ পিসি হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যান্স/ বেসিক ওয়েব ডিজাইন কোর্সগুলো করার সুযোগ দিচ্ছে।
এছাড়া পিএইচপি/ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট/ নেটওয়ার্কিং/অটোক্যাড/ একাউন্টিং সফটওয়্যার ট্যালি/ থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স/ স্কেচ আপ/ ১ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা/৬ মাস মেয়াদী ডিপ্লোমা সহ অন্যান্য কোর্সে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে । আইসিটি ক্যারিয়ার এর সিইও সাবিনা এহছান জানান, আমরা ২০১৬ সালের শেষ দিন (৩১ ডিসেম্বর) ও ২০১৭ সালের শুরু (১ জানুয়ারি) এই দুইদিন অনধিক ৫০ জনকে শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেন ফি (২০০০ টাকায়) দুই মাস মেয়াদী গ্রাফিক্স ডিজাইন/ পিসি হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যান্স/ বেসিক ওয়েব ডিজাইন কোর্সগুলো করার সুযোগ দিচ্ছি।
নাছিমা এনাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আইসিটি ক্যারিয়ার এর মিডিয়া কনসালটেন্ট সাংবাদিক এহছান খান বলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বিগত ১০ বছর ধরে কর্মমূখী বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলছে ভিন্নধারার এই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আইসিটি ক্যারিয়ার । প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এ পর্যন্ত দশ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দিয়েছে আইসিটি ক্যারিয়ার।
আগ্রহীদের রেজিস্ট্রেশন করতে আইসিটি ক্যারিয়ার, কনকর্ড টাওয়ার, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাটাবন ঢাকা-এই ঠিকানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগ-০১৭১২৯১১৫৬৯/০১৬২৬০৩২৭৭

গ্যালাক্সি এস৮-এ ৮ জিবি র‍্যাম দেওয়া হবে

স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ গ্যালাক্সি এস৭ এবং এস৭ এজ নিয়ে উন্মাদনা এখনও শেষ হয়নি। বিশেষ করে গ্যালাক্সি নোট ৭ এর ব্যর্থতার পর এস সিরিজের কদর আরো বেড়ে গেছে।এই পরিস্থিতিতে নোট ৭ এর ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠে এবং বাজারে আধিপত্য ফিরিয়ে আনতে এস৮ নিয়ে কাজ শুরু করেছে কোরিয়ান টেক জায়ান্ট।

সম্প্রতি গুজব ছড়াচ্ছে গ্যালাক্সি এস৮ নিয়ে। এই যন্ত্রটায় দানবের শক্তি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। যেকোনো মানুষের ধারণাকেও ছাড়িয়ে যাবে এর স্পেসিফিকেশন ও পারফর্মেন্স। বলা হচ্ছে, এতে ৮ জিবি র‍্যাম দেওয়া হবে। আমাগী বছরই আসবে গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮ প্লাস। গ্যালাক্সি এস সিরিজ এবং নোট সিরিজের পার্থক্য ঘোচাবে এই ফোনটি।স্যামসাংয়ের ফোন নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য দেয় আইস ইউনিভার্স। তারা জানায়, গ্যালাক্সি এস৮-এ ৮ জিবি র‍্যাম দেওয়া হবে। এতে থাকবে স্যামসাংয়ের নিজস্ব ১০এনএম ফ্যাব্রিকেশন প্রযুক্তি। এতে আরো থাকবে কম্পানির ইউএফএস ২.১ ফ্ল্যাশ স্টোরেজ। এর আগে বলা হয়েছিল, এতে ৬ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ দেওয়া হবে।এ ছাড়া গ্যালাক্সি এস সিরিজ এবং নোট সিরিজের মধ্যে পার্থক্য দূর করবে গ্যালাক্সি এস৮ প্লাস। এতে থাকবে ৬ ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। আর এস৮-এ থাকবে ৫ ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। সাউথ কোরিয়ান পাবলিকেশন এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেয়।সম্প্রতি আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে আনবে ফোনটি। গোটা বিশ্বে ছাড়ার আগে ক্রেতার কাছ থেকে আত্মবিশ্বাস অর্জন করবে কম্পানিটি।আরও গুজব রয়েছে। নতুন ফোনের সঙ্গে বিস্ট মোড নামের নতুন এক মোডের সঙ্গে পরিচয় ঘটাবে স্যামসাং। এটা ইউরোপে ট্রেডমার্ক অ্যাপ্লিকেশন হিসাবে পরিচিতি পাবে। সর্বসাম্প্রতিক কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপসেট দেওয়া হচ্ছে এতে। আর ৮ জিবি র‍্যামের কথা সবাই বলছে।তবে স্যামসাংয়ের কাছ থেকে অফিসিয়াল ঘোষণা পেতে আরো কিছু দিন হয়ত অপেক্ষায় থাকতে হবে।
সূত্র : এনডিটিভি

মনোযোগের কেন্দ্রে আসতে পারে এমন অনেক ট্যাবই বাজারে রয়েছে

ট্যাবলেট মানেই যে আইপ্যাডই সেরা, এমন কোনো কথা হতে পারে না। সবচেয়ে জনপ্রিয় হওয়ার অর্থ সেরা হওয়া নয়।মনোযোগের কেন্দ্রে আসতে পারে এমন অনেক ট্যাবই বাজারে রয়েছে। এদের চিনে নিন। এগুলো আইপ্যাড নয়, কিন্তু গুণগত মানে দারুণ উন্নত।

১.  যারা ল্যাপটপ থেকে মুক্তি পেতে চান তারা নির্দ্বিধায় মাইক্রোসফট সারফেস প্রো ৪ বেছে নিতে পারেন। অ্যাপলের আইপ্যাড প্রো পুরোপুরি ল্যাপটপের বিকল্প হতে পারেনি। কিন্তু সারফেস প্রো পেরেছে। এই ট্যাবের সঙ্গে একটি কিবোর্ড রয়েছে। ছোট প্যাকেজের যেকোনো কাজ ল্যাপটপের মতোই করতে পারবেন। আছে একটি স্টাইলাস। এটাই ল্যাপটপের সবচেয়ে ছোট বিকল্প।

২. আইপ্যাডের মতো অভিজ্ঞতা যারা অ্যান্ড্রয়েডে পেতে চান তারা নিতে পারেন গুগল পিক্সেল সি। পিক্সেল এবং পিক্সেল এক্সএল ফোন দুটো বাজারে এনে গুগল সবাইকে চমকে দিয়েছে। কিন্তু আরো অনেক আগেই বাজারে এসেছে পিক্সেল সি ট্যাব। তখন থেকে এটাই বাজারের সেরা অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব। এতে নতুন নতুন সফটওয়্যার সব সময় দেওয়া হচ্ছে। এতে আছে একটি অনবদ্য ম্যাগনেটিক কিবোর্ড যা যেকোনো কিছুর ওপর রাখা যায়।

৩. এক্সপার্টদের জন্য হুয়াউই মিডিয়াপ্যাড এম৩ ট্যাবটি সেরা বাছাই হতে পারে। হাই-এন্ড এই মিডিয়াপ্যাড অনেকটা আইপ্যাড মিনি ৪ এর মতোই। এর অ্যালুমিনিয়াম দেহ দারুণ আকর্ষণীয়। রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য রয়েছে ঝকঝকে স্ক্রিন এবং লাউড স্পিকার।

৪. কম দামে সেরা পণ্যের মধ্যে আমাজন ফায়ার এইচডি ৪। তুলনামূলক দাম অনেক কম। কিন্তু দামের সঙ্গে এর গুণগত মানের কোনো তুলনা করতে পারবেন না। দারুণ পারফরমেন্স এর। একেবারে পুষিয়ে যাবে।

৫. বাচ্চাদের জন্য সেরা আমাজন ফায়ার। আপনার বাচ্চার জন্য যদি একটা ট্যাব কিনতে চান তো আমাজন ফায়ার বেছে নিতে পারেন। তবে কিডস এডিশন হিসাবে একটু দাম বেশি বলে মনে হবে। কিন্তু রাবারের বড় কেস নিয়ে এসেছে এটি। বাচ্চাদের হাতে থাকবে নিরাপদ। সূত্র: সি নেট

হোয়াটসঅ্যাপ শিগগিরই আপনাকে কোনো ম্যাসেজ পাঠানোর পর তা প্রত্যাহার বা সম্পাদনার সুযোগ দেবে

হোয়াটসঅ্যাপ শিগগিরই আপনাকে কোনো ম্যাসেজ পাঠানোর পর তা প্রত্যাহার বা সম্পাদনার সুযোগ দেবে। এই ফিচারটি ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপের আইফোন বেটা সংস্করণে সহজলভ্য। এটি নিষ্ক্রিয় থাকে। আপনাকে তা নিজ হাতে সক্রিয় করতে হবে। এছাড়া আরেকটি ফিচার নিয়েও হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করছে। এটি হলো আর্কাইভে থাকা শেয়ার করা ফাইলগুলো পুনরায় দেখার সুযোগ। যেমন জেডআইপি এবং আরএআর ফাইলসমূহ।
সম্পাদনার অপশনের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ আইফোন ব্যবহাকারীদের জন্য একটি প্রত্যাখ্যান অপশনও রাখবে। তার মানে প্রেরিত ম্যাসেজ কখনো পাঠানো হয়েছিল বলেই প্রমাণ করা যাবে না। ম্যাসেজ সম্পাদনা বা প্রত্যাখ্যানের আসন্ন হোয়াটসঅ্যাপ ফিচার দুটি কাজ করবে প্রেরিত ম্যাসেজের ওপর দীর্ঘক্ষণ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে। যাইহোক, এই হোয়াটসঅ্যাপ ফিচার কাজ করবে শুধু তখনই যখন যার কাছে ম্যাসেজ পাঠানো হয়েছে তিনি দেখার আগেই তা সম্পাদনা বা প্রত্যাখ্যান করা হবে। বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ ডিলিট করার সুযোগ আছে। কিন্তু ডিলিট করা ম্যাসেজ এর গ্রহীতার কাছে দৃশ্যমান থাকে। দুর্ভাগ্যক্রমে, কখন হোয়াটসঅ্যাপের এই প্রত্যাখ্যান বা সম্পাদনার ফিচার অ্যান্ড্রয়েড বেটা ব্যবহারকারীদের জন্য সহজলভ্য হবে সে ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। চলতি মাসের শুরুর দিকে হোয়াটসঅ্যাপ একটি হালনাগাদ গ্রহণ করেছে। যার ফলে এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে দুটি নতুন ফিচার যোগ করা হয়েছে। ডাউনলোড করার সময় ভিডিও স্ট্রিমিং এবং প্রাণবন্ত জিআইএফ ইমেজ সাপোর্ট। এর আগে শুধু হোয়াটসঅ্যাপের বেটা ইউজারদের জন্য ওই দুটি ফিচার সহজলভ্য ছিল।
নতুন হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও স্ট্রিমিং এর এই ফিচার দিয়ে ইউজাররা ডাউনলোড করার আগেই ভিডিওগুলো প্লে করতে পারবে। হোয়াটসঅ্যাপ বেটার ইউজারদের জন্য যে আরেকটি ফিচার সহজলভ্য তা হলো প্রাণবন্ত জিআইএফ ইমেজ সাপোর্ট। হোয়াটসঅ্যাপে এখন ইউজাররা অ্যাটাচ ফাইল বাটন দিয়ে জিআইএফ ইমেজ পাঠাতে পারবেন। বাটনটি ক্লিক করলে ডিভাইসের গ্যালারিটি খুলবে আর ইউজাররা সঠিক জিআইএফ ইমেজটি খুঁজে পাবেন।
সূত্র: এনডিটিভ

চারটি মডেলে ধূসর ও রুপালি রঙে ২০১৬ সংস্করণের ম্যাকবুক প্রো বাজারে এনেছে কম্পিউটার সোর্স

চারটি মডেলে ধূসর ও রুপালি রঙে ২০১৬ সংস্করণের ম্যাকবুক প্রো বাজারে এনেছে কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড। ১৩ দশমিক ৩ ও ১৫ দশমিক ৪ ইঞ্চি পর্দার এই ম্যাকবুকে প্রথমবারের মতো টাচবার ও টাচ আইডিসুবিধা যোগ করা হয়েছে। ব্যবহারকারী নিজের সুবিধামতো টাচবারটি সাজিয়ে নিতে পারবেন। হালকা-পাতলা গড়নের এই ম্যাকবুক প্রো ২০১৬ সহজে গরম হয় না। টাচবার ছাড়া ১৩ দশমিক ৩ ইঞ্চি পর্দার ম্যাকবুক প্রোর (কোর আই৫/২৫৬ গিগাবাইট এসএসডি) দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। টাচবারসহ ১৩ দশমিক ৩ ইঞ্চি পর্দার ম্যাকবুক প্রো (কোর আই৫/২৫৬ গিগাবাইট এসএসডি), ১৩ দশমিক ৩ ইঞ্চি পর্দার ম্যাকবুক প্রো (কোর আই৫/৫১২ গিগাবাইট এসএসডি) এবং ১৫ দশমিক ৪ ইঞ্চি পর্দার ম্যাকবুক প্রো (কোর আই৭/৫১২ গিগাবাইট এসএসডি/২ গিগাবাট রেডিয়ন গ্রাফিকস) ল্যাপটপের দাম যথাক্রমে ১ লাখ ৭০ হাজার, ১ লাখ ৯০ হাজার এবং ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা

ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করতে সময় লাগে মাত্র ৬ সেকেন্ড

ভিসা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য খারাপ সংবাদ দিচ্ছে নতুন এক গবেষণা। তাতে বলা হয়, এসব কার্ডের নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং সিকিউরিটি কোড বের করা অতি নগন্য এক কাজ।

কেবল ধারণার হিসাব-নিকাশেই এগুলো বের করে ফেলা যায়।

অ্যাকাডেমিক জার্নাল আইইইই সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রাইভেসি তাদের গবেষণায় বলে, ডিস্ট্রিবিউটেড গেসিং অ্যাটাকের মাধ্যমে ভিসা কার্ডের যাবতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট তথ্য বের করে ফেলা যায়।

নিউক্যাসল  ইউনিভার্সিটির এই গবেষক দল ভিসা কার্ডের নিরাপত্তার ত্রুটি বের করতে এই গবেষণা চালায়। সাইবার অপরাধীদের এই হামলার বিষয়টি নেটওয়ার্ক বা ব্যাংক কেউ-ই চিহ্নিত করতে পারে না। স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা পদ্ধতিগতভাবে যেকোনো কার্ডের নিরাপত্তা তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। হ্যাকাররা কার্ডের যেকোনো তথ্য মাত্র ৬ সেকেন্ডের মধ্যে বের করতে সক্ষম হয়েছেন।

সম্প্রতি টেস্কো সাইবারঅ্যাটাক ঘটনায় কেবল ডিস্ট্রিবিউটেড গেসিং অ্যাটাকের মাধ্যমে ২.৫ মিলিয়ন পাউন্ড হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা।

নিউ ক্যাসল ইউনিভার্সিটির স্কুল অব কম্পিউটিং সায়েন্সের পিএইচডি শিক্ষার্থী মোহামেদ আলি জানান, এ ধরনের আক্রমণ ঠেকানোর মতো ব্যবস্থা গোটা পেমেন্ট সিস্টেমে নেই। আধুনিক অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম একাধিক ‘ইনভ্যালিড পেমেন্ট রিকোয়েস্ট’ শনাক্ত করতে সক্ষম নয়। কাজেই এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু তথ্য জোগাড় করে এদের করাতের মতো ব্যবহার করা কঠিন কিছু নয়।

অসংখ্য অনুমানের মাধ্যমে হ্যাকাররা সহজেই কার্ডের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে ফেলতে পারে। কার্ড নম্বরের প্রথম ৬ ডিজিট না জেনেও কোনো কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যাংক এবং কার্ডের ধরন সম্পর্কে জেনে যেতে পারে হ্যাকাররা। যেকোনো অনলাইন কেনা-কাটার জন্য কার্ডের যে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি তথ্য জানা দরকার তা হাতে চলে যায় হ্যাকারদের।

ডিস্ট্রিবিউটেড গেসিং অ্যাটাক: এ পদ্ধতিতে হ্যাকাররা অনলাইন পেমেন্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কার্ডের কিছু তথ্য সম্পর্কে ধারণা নেয়। তারা দেখেন, এসব তথ্য ব্যবহারে লেদ-দেন ঘটে কিনা। বিভিন্ন ওয়েবসাইট বিভিন্ন তথ্য চয়। কার্ডের বিভিন্ন তথ্য চেয়ে থাকে তারা। বর্তামান অনলাইন সিস্টেম ইনভ্যালিড পেমেন্ট রিকোয়েস্ট যেহেতু শনাক্ত করে না, কাজেই যতবার ইচ্ছা ধারণাকৃত তথ্যের ব্যবহারে লেন-দেনের চেষ্টা করতে পারে হ্যাকাররা।

তবে কেবলমাত্র ভিসা কার্ডের ক্ষেত্রেই এমন নিরাপত্তাহীনতর চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন গবেষকরা। এ ছাড়া মাস্টারকার্ড নেটওয়ার্ক হ্যাকারদের এমন আক্রমণ ১০ বার প্রচেষ্টার আগেই ধরে ফেলতে পারে।

মোহামেদ জানান, তবে হ্যাকারদের কাজ শুরুর সময় একটা চালু কার্ডের নম্বর দরকার হয়। কিন্তু এটা ছাড়াও বিভিন্ন কার্ডের নম্বর জোগাড় করাও কঠিন কোনো কাজ নয়। এর পর দরকার হয় মেয়াদের তারিখ বের করা। ব্যাংক সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কার্ড প্রদান করে। এ তারিখ বের করতে ৬০ বারের চেষ্টাই যথেষ্ট। এরপর দরকার হয় ‘সিভিভি’ নম্বর। এটা কেবলমাত্র ব্যবহারকারীর কাছেই থাকে। কিন্তু ১০০০ বারের প্রচেষ্টায় সেটাও বের করে ফেলে হ্যাকাররা। এই তিনটি মূল তথ্য বের করতে সবমিলিয়ে ৬ সেকেন্ড সময় ব্যয় হয় তাদের।

বাঁচার উপায়: সত্যিকার অর্থে এমন কোনো কার্যকর পদ্ধতি নেই যার মাধ্যমে আপনার ভিসা কার্ডটি নিরাপদ থাকতে পারে, বলেন নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির ড. মার্টিন এমস। তবে যতটা সম্ভব নিরাপদ থাকতে যেকোনো একটি কাজে অনলাইন পেমেন্ট করুন। সেই কার্ডের ব্যালেন্স সম্পর্কে নিয়মিত খবর নিন। সূত্র: ইন্টারনেট


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »