Category: তথ্য প্রযুক্তি

রাবিতে অনুন্নত ও স্বল্প রাউটার তথ্য সেবা হতে বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা


রাবি প্রতিনিধি:
ওয়াই-ফাই সংযোগ থাকলেও অনুন্নত ও স্বল্প রাউটার রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এ কারণে ইন্টারনেট অসুবিধায় তথ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগেই সবসময় থাকে না ইন্টারনেট সংযোগ।মতিহার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জিওন মাহমুদ মনে করেন, ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় তথ্য সেবা থেকে পিছিয়ে পড়ছি। হলের বিভিন্ন ব্লকে একেবারেই ইন্টানেট সংযোগ পায় না। রাউটারের দূরের রুম গুলোতে সংযোগ পেলেও ওয়াই-ফাই সার্ভারে কোনো গতি থাকে না। ফলে আমরা তথ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাজিদ মিঠু বলেন, ওয়াই-ফাই সার্ভার কম হওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারে কোন গতি থাকে না। সেক্ষেত্রে নেটে বসে সময় অপচয় ছাড়া কিছুই হয় না। বারবার বলেও কোন সমাধান হয় না।
এদিকে ছাত্র হলগুলোর মতো ছাত্রী হলের অবস্থাও একই রকম। রহমতুন্নেসা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ফাতেমা বারী চৈতী বলেন, আমাদের হলের ওয়াই-ফাই রাউটার গুলো প্রায়ই নষ্ট হয়ে থাকে। মাঝে মধ্যে স্বল্প গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ সময় একেবারেই পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কম্পিউটার সেন্টারের প্রশাসক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা বলেন, আগামী ২৭ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে রমজান ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি হবে। ছৃটির পর বিষয়টি নিয়ে মাননীয় উপাচার্যকে জানাবো।

রমজানের আমল ও সকল জেলার রোজার সময়সূচি নিয়ে মোবাইল অ্যাপ

রমজান হলো তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের মাস। তাকওয়া অর্জনই রমজানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন: ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি; আশা করা যায় যে তোমরা তাকওয়া অর্জন করবে।’ (সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াত)। আল্লাহ চান তাঁর বান্দা তাঁর গুণাবলি অর্জন করে সেই গুণে গুণান্বিত হোক। আল্লাহ তাআলা কোরআন মজিদে বলেন: ‘আল্লাহর রং! আর আল্লাহর রং অপেক্ষা চমৎকার কোনো রং হতে পারে?’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৩৮)। হাদিস শরিফে আছে: ‘তোমরা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও।’ (মুসলিম)। যেহেতু মানুষ আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি, তাই তাকে খেলাফতের দায়িত্ব পালনের যোগ্য হতে হলে অবশ্যই সেসব গুণাবলি অর্জন করতে হবে।
আল্লাহর রং বা গুণ কী? তা হলো আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম। এ প্রসঙ্গে হাদিস শরিফে এসেছে: ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলার ৯৯টি নাম রয়েছে, যারা এগুলো আত্মস্থ করবে; তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মুসলিম ও তিরমিজি)। মহান আল্লাহর নামাবলি আত্মস্থ বা ধারণ করার অর্থ হলো সেগুলোর ভাব ও গুণ অর্জন করা এবং সেসব গুণা ও বৈশিষ্ট্য নিজের কাজকর্মে, আচরণে প্রকাশ করা তথা নিজেকে সেসব গুণের আধার বা অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা। রমজান হলো তাকওয়ার প্রশিক্ষণ। লক্ষ্য হলো রমজানের বাইরের বাকি এগারো মাস রমজানের মতো পালন করার সামর্থ্য অর্জন করা, দেহকে হারাম খাদ্য গ্রহণ ও হারাম কর্ম থেকে বিরত রাখা এবং মনকে অপবিত্র চিন্তাভাবনা, হারাম কল্পনা ও পরিকল্পনা থেকে পবিত্র রাখা।রমজান আরবি শব্দ রামদুন থেকে উৎপত্তি।যার অর্থ
পুড়িয়ে ফেলা,নিঃশেষ করে ফেলা ।যা মানুষের সমস্ত পাপ,রিপুগুলোকে,জালিয়ে দেয়।এই রমজান মাস মানুষ কে লক্ষে এবং আত্মিক,নৈতিক,ও চারিএিক কল্যাণের ধারক বাহক বানানো নিমিত্তে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলা আমীন রমজানে রোজাকে উম্মতের উপর ফরজ করে দিয়েছেন।আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন সুরা বাকারা ১৮৩ আয়াতে বলেন: হে ইমান্দারগন!তোমাদের জন্য সিয়াম বিধান দেওয়া হল যেমন বিধান পূর্ববর্তীদের দেয়া হয়েছিল।যাতে তোমার তাওক্‌য়া অর্জন করতে সক্ষম হও।আল্লাহ রাবুল আল-আমীন আরও বলেন এরশাদ সুরা বাকারা ১৮৫ আয়াতে: রমজান মাস এতে মানুষের হেদায়েত এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন সত্য ও অসত্যর পার্থক্য কারীরুপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে তারা যেন এ মাসে রোজা রাখে।
রমজান পুণ্য অর্জনের যে অবারিত ধারিত ধারা প্রবাহিত তা অনন্যা মাস থেকে অধিক। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা রমজানের জন্য শাবানের চাঁদের হিসাব রাখো।’ (মুসলিম)। নবী করিম (সা.) এভাবে রমজানকে স্বাগত জানাতেন: ‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং রমজান আমাদের নসিব করুন।’ (বুখারি)।হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ছাড়ো (ঈদ করো)।’ (বুখারি ও মুসলিম)। তাই চাঁদ দেখা সুন্নত; এটি ইবাদতের প্রতি অনুরাগ ও ভালোবাসার প্রতীক। নতুন চাঁদকে হিলাল বলে। প্রথম তিন দিনে হিলাল বা নতুন চাঁদ দেখলে এই দোয়া পড়া সুন্নত: ‘আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমান, ওয়াছ ছালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ; হিলালু রুশদিন ওয়া খায়র।
 অর্থ: ‘হে আল্লাহ! এই মাসকে আমাদের জন্য নিরাপত্তা, ইমান, প্রশান্তি ও ইসলাম সহযোগে আনয়ন করুন; আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ। এই মাস সুপথ ও কল্যাণের।’ (তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৫১, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৪০০, রিয়াদুস সালেহীন: ১২৩৬)।পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ অতি অবশ্যই মসজিদে জামাতে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তারাবির নামাজ জামাতে পড়ার জন্য যথাসময়ে মসজিদে যাওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি থাকতে হবে। খতমে তারাবি পড়া সবচেয়ে উত্তম। ইবাদতের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে কাজকর্মের রুটিন পরিবর্তন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। রমজানের পাঁচটি সুন্নত পালনে সচেষ্ট থাকতে হবে। যথা: (১) সেহরি খাওয়া, (২) ইফতার করা, (৩) তারাবির নামাজ পড়া, (৪) কোরআন তিলাওয়াত করা, (৫) ইতিকাফ করা। যাঁরা কোরআন তিলাওয়াত জানেন না,
 তাঁরা শেখার চেষ্টা করবেন। যাঁরা তিলাওয়াত জানেন, তাঁরা শুদ্ধ করে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করবেন। যাঁরা বিশুদ্ধ তিলাওয়াত জানেন, তাঁরা অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন। যাঁরা তরজমা জানেন, তাঁরা তাফসির অধ্যয়ন করবেন। সাহাবায়ে কেরাম সাধারণত প্রতি সপ্তাহে । এক খতম (পূর্ণ কোরআন করিম তিলাওয়াত সম্পন্নকরণ) করতেন—এভাবে প্রতি মাসে অন্তত চার খতম হয়ে যেত। আবার সেই সব সাহাবাই দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাত্র একটি সুরা গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন। রমজানের অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত হলো ইতিকাফ। রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাহ কিফায়া। এর কম সময় ইতিকাফ করলে তা নফল হিসেবেই গণ্য হবে। পুরুষেরা মসজিদে ইতিকাফ করবেন। নারীরাও নিজ নিজ ঘরে নির্দিষ্ট কক্ষে ইতিকাফ করতে পারবেন। রমজানের বিশেষ তিনটি
আমল হলো: (১) কম খাওয়া, (২) কম ঘুমানো, (৩) কম কথা বলা। হারাম থেকে বেঁচে থাকা; চোখের হেফাজত করা, কানের হেফাজত করা, জবানের হেফাজত করা। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সঃ)বলেন ‘হে সকল একটি মহান ও বরকতময় মাস তোমাদের সামনে উপস্থিত।এ মাসের রাএগুলোর মধ্যে এমন এক রাত বিদ্যমান,যার মর্যাদা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।আল্লাহ তায়ালা এ মাসে রোজাকে ফরজ করেছেন এবং এ মাসের রাএি জাগরণ করেছেন অতিরিক্ত ইবাদত সামিল।তিনি আরও বলেন যে ব্যত্তি এ মাসে একটি সাধারণ ভালো কাজ করবে অন্য মাসের তুলনায় তাকে একটি ফরজ ইবাদতের সওয়াব প্রদান করা হবে। রাসুল (সঃ)আরও বলেন যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরজ ইবাদত পালন করবে, তাকে ৭০টি ফরজ ইবাদতের সওয়াব প্রদান করা হবে।রমজানে হালাল খাদ্যের আয়োজন করতে হবে;
 ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবারের বিষয়টিও লক্ষ রাখতে হবে। ইফতার ও সেহরির সুন্নত পালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি যত্নবান থাকতে হবে, যাতে ইবাদতের অসুবিধা না হয়। ইবাদতের অনুকূল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ সুন্নতি লেবাসের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।
রমজানের ফজিলত , আমল ও সকল  জেলার রোজার সময়সূচি  নিয়ে  “টেকটিউনস অ্যাপস” তৈরি করেছে  “Ramadan Calendar 2017” নামে একটি মোবাইল অ্যাপ। গুরুত্বপূর্ণ কিছু দৈনন্দিন আমল ও ইবাদত নিয়ে অ্যপসটিতে থাকছে
কুরআন তেলাওয়াত, কুরআনের বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদ, কুরআনের বাংলা তাফসির, দোআ ও যিকির হিসনুল মুসলিম, নেক আমল, ইসলামের হুকুম আহকাম, হালাল হারাম সম্পর্কে শিখার জন্য ইসলামি বই পড়তে পারেন।নবির জিবনি, রাসুল ও রাসুলের জীবনী,সাহাবীদের জীবনী, ইসলামের ইতিহাস, সহীহ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ বাংলা, ফাজায়েলে আমল, রোজার ক্যালেন্ডার ২০১৭, রোজার নিয়ত
ইফতারের দোয়া, রোজা সম্পর্কিত জরুরি কিছু মাসআলা, রোজা বা সিয়ামের সহীহ নিয়ম, রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ, তারাবীহ নামাজ,রোযার ফজিলত, রমজান মাসের আমল, রমজানের প্রস্তুতির কিছু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ, রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহ,৩০ রমজানের দোয়া সমূহ, রোজার নিয়ত সম্পর্কিত মাসআলা, ইফতার এর সুন্নত আমলসমূহ, নামাজ পড়ার নিয়ম, তারাবীহ নামাজ,
লাইলাতুল কদরের প্রস্তুতি, রোযার ফজিলত আদব গুরুত্ব, রমজান সংক্রান্ত কোরআনের আয়াত, ঈদুল ফিতরের কিছু সুন্নাত,  রমজান সম্পর্কিত হাদিস, রমজানের দোয়া, নামাজের সময়সূচী, আল-কুরআনের সূরাহ অর্থ ও অডিওসহ, সম্পূর্ণ আল-কুরআন উচ্চারণ সহ তিলয়াত, রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ অ্যাপটিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
এন্ড্রয়েড  মোবাইলের জন্য অ্যাপ টি ডাওনলোড করতে পারেন। ডাওনলোড  লিংকঃ https://goo.gl/LTGhvz
অ্যাপটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে তুলে ধরা হল । বিস্তারিত অ্যাপটিতে পাবেন ।
রমজানে ওষুধ সেবন
রমজানের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি অন্যতম। রোজা পালন ও তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য এই উভয় প্রকার প্রস্তুতি খুবই প্রয়োজনীয়। যাঁরা নিয়মিত বিভিন্ন ওষুধ সেবন করেন, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করে নেবেন। যাঁদের শারীরিক ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করতে হয়, তাঁদেরও সেই উপযুক্ত সময় নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।
রোযা মানব শরীরে কোন ক্ষতি করে না
মানব শরীরের উপর রোযার প্রভাব সম্পর্কে গবেষণায় প্রমানিত হয় যে, রোযার দ্বারা মানব শরীরের কোন ক্ষতি হয় না কেবল ওজন সামান্য কমে, তাও উল্লেখযোগ্য কিছুই নয়। বরং শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে এইরুপ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের খাদ্য নিয়ন্ত্রন তথা ডায়েট কন্ট্রোল অপেক্ষা বহুদিক দিয়ে শ্রেষ্ট। যারা মনে করে থাকে যে, রোযা দ্বারা,পেটের শূল বেদনা বৃদ্ধি পায় তাদের এই ধারনা নিতান্ত অবৈজ্ঞানিক। কারন উপবাসে পাকস্থলীর এসিড কমে এবং খেলেই এটা বাড়ে। এই অতি কথাটা অনেক চিকিৎসকই চিন্তা না করে শূল বেদনা রোগীকে রোযা রাখতে নিষেধ করেন। ১৭ জন রোযাদারের পেটের রস পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, যাদের পাকস্থলীতে এসিড খুব বেশী বা খুব কম, রোযার পরে তাদের এই উভয় দোষই সেরে গেছে। এই গবেষণায় আরও প্রমাণিত হয় যে, যারা মনে করেন যে, রোযার দ্বারা রক্তের পটাশিয়াম কমে যায় এবং তাদের শরীরের ক্ষতি সাধন হয়, তাদের এই ধারণা ও অমূলক। কারন পটাশিয়াম কমার প্রতিক্রিয়া কম দেখা দিয়ে থাকে হৃদপিন্ডের উপর অথচ
১১ জন রোযাদারের হৃদপিন্ড অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রোকার্ডিগ্রাম যন্ত্রের সাহায্যে ( রোযার পূর্বেও রোযা রাখার ২৫ দিন পর) পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, রোযা দ্বারা এদের হৃদপিন্ডের ক্রিয়ার কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি।হে আল্লাহ যেভাবে রোজা পালন করলে তুমি আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবে আমাদের সবাইকে সেভাবে রমজানের রোযা পালন করার তৌফিক দান করুন। আমীন।
রোজা কাদের জন্য ফরজ
রোজা ৮ শ্রেণী মানুষের ওপর ফরজ।
১. তাহীরা অর্থাৎ পবিত্রতা হায়েজ-নেফাস মুক্ত হতে হবে।
২. বালেগ হওয়া। নাবালগের ওপর রোজা ফরজ নয়, অর্থাৎ ১২ বৎসর বয়সের কম বয়স হলে রোজা ফরজ হবেনা।
৩. সুস্থব্যক্তি হওয়া। শারীরিক ভাবে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য রোজা রাখার নিয়ম নাই। তবে সাধারন অসুখ বিসুখ হলে যদি সে রোজা রাখার উপযোগী হয় তবে সে রোজা রাখতে পারবে।
৪.সুস্থ মস্তিস্কের অধিকারী হওয়া। পাগলের ওপর রোজা ফরজ নয়।
৫.স্বাধীন হওয়া। পরাধীন নয় এমন ব্যক্তি হওয়া।
৬.সজ্ঞান হওয়া। অর্থাৎ যিনি রোজা রাখবেন তিনি নিজ জ্ঞানে বা স্বেচ্ছায় আল্লাহর হুকুম পালন করবেন।
 ৭.মুকিম হওয়া। অর্থাৎ স্তায়ীবাসিন্দা হওয়া। মুসাফিরের ওপর রোজা ফরজের ব্যপারে একটু ভিন্নতা আছে। যেমন কষ্টসাধ্য ভ্রমন হলে পরবর্তীতে রোজা আদায়ের বিধান আছে। আমি মনে করি বর্তমানে সফর অনেক আরামের সাথে করা যায় তাই সফর অবস্থায় একমাত্র কাহিল হয়ে না পড়লে রোজা রাখা উচিৎ।
৮.মুসলমান হওয়া। মুসলিম ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা কোন অমুসলিমের জন্য ফরজ নয়।
যাদের উপর রোযা ফরজ নাঃ দশ প্রকার মানুষের জন্য রোযা ফরজ না
১. কাফের বা অমুসলিম। কারণ তারা ইবাদত করার যোগ্যতা রাখে না। ইবাদত করলেও ইসলামের অবর্তমানে তা সহি হবে না, কবুলও হবে না। যদি কোন কাফের রমজানে ইসলাম গ্রহণ করে তবে পিছনের সিয়ামের কাজা আদায় করতে হবে না।
 ২. অপ্রাপ্ত বয়স্ক। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার সিয়াম পালন ফরজ নয়।
৩. পাগল। পাগল বলতে বুঝায় যার জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পেয়েছে। যার কারণে ভাল-মন্দের মাঝে পার্থক্য করতে পারে না। এর জন্য সিয়াম পালন ফরজ নয়। যেমন পূর্বের হাদিসে উলে¬খ করা হয়েছে। পাগল যখনই সুস্থ হয়ে যাবে তখনই সে সিয়াম পালন শুরু করে দেবে। যদি এমন হয় যে দিনের কিছু অংশ সে সুস্থ থাকে কিছু অংশ অসুস্থ তাহলে সুস্থ হওয়া মাত্রই সে পানাহার থেকে বিরত থাকবে। সিয়াম পূর্ণ করবে। পাগলামি শুরু হলেই তার সিয়াম ভঙ্গ হবে না, যদি না সে সিয়াম ভঙ্গের কোন কাজ করে।
৪.অশীতিপর বৃদ্ধ যে ভাল-মন্দের পার্থক্য করতে পারে না । এ ব্যক্তি যার বয়সের কারণে ভাল-মন্দ পার্থক্য করার অনুভূতি চলে গেছে সে শিশুর মতই। শিশু যেমন শরিয়তের নির্দেশমুক্ত তেমনি সেও। তবে অনুভূতি ফিরে আসলে সে পানাহার থেকে বিরত থাকবে। যদি তার অবস্থা এমন হয় যে কখনো অনুভূতি আসে আবার কখনো চলে যায় তবে অনুভূতি থাকাকালীন সময়ে তার উপর সালাত, সিয়াম ফরজ হবে।
৫.যে ব্যক্তি সিয়াম পালনের সামর্থ্য রাখে না। এমন সামর্থ্যহীন অক্ষম ব্যক্তি যার সিয়াম পালনের সামর্থ্য ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। যেমন অত্যধিক বৃদ্ধ অথবা এমন রোগী যার রোগ মুক্তির সম্ভাবনা নেই—আল্লাহ্‌র কাছে আমরা এ ধরনের রোগ-ব্যাধি থেকে আশ্রয় চাই। এ ধরনের লোকদের সিয়াম পালন জরুরি নয়। কারণ সে এ কাজের সামর্থ্য রাখে না।
৬.মুসাফির। মুসাফিরের জন্য সিয়াম পালন না করা জায়েজ আছে। সফরকে যেন সিয়াম পালন না করার কৌশল হিসেবে ব্যবহার না করা হয়।
৭.যে রোগী সুস্থ হওয়ার আশা রাখে।
৮. যে নারীর মাসিক চলছে। ঋতুকালীন সময়ে নারীর জন্য সওম পালন জায়েজ নয় বরং নিষেধ।
৯. গর্ভবতী ও দুগ্ধ দানকারী নারী। যদি গর্ভবতী বা দুগ্ধ দানকারী নারী সিয়ামের কারণে তার নিজের বা সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা করে তবে সে সিয়াম ভঙ্গ করতে পারবে। পরে নিরাপদ সময়ে সে সিয়ামের কাজা আদায় করে নিবে।
১০. যে অন্যকে বাঁচাতে যেয়ে সিয়াম ভেঙে ফেলতে বাধ্য হয়। যেমন কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি ; পানিতে পড়ে যাওয়া মানুষকে অথবা আগুনে নিপতিত ব্যক্তিকে কিংবা বাড়িঘর ধসে তার মাঝে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার করতে যেয়ে সিয়াম ভঙ্গ করল।
যে সকল কারনে রোযা ভঙ্গ হয়
১। ধুমপান করা।
২। রাত্র মনে করে সুবহে সাদেকের পর সাহরী খাওয়া।
৩। নস্যি গ্রহণ করা।
৪। ইচ্ছকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা।
৫। বমি আসার পর তা গিলে ফেলা।
৬। কুলি করার সময় বা যে কোন ভাবে পানি গলার ভিতরে ঢুকে পড়া।
৭। দাঁতে আটকে থাকা ছোলা বা তার চেয়ে বড় ধরনের খাদ্যকণা গিলে ফেলা।
৮। সূর্যাস্তের পূর্বে সূর্য অস্তমিত হয়েছে ভেবে ইফতার করা। এগুলোতে শুধু কাযা (যে কয়টা ভাংবে সে কয়টা পরবর্তিতে রাখতে হবে)ওয়াজিব হয় । কাফফারা নয় ।কিনতু রোযা ভেঙ্গে যাওয়ার পর দিনের অবশিষ্ট সময় রোযাদারের ন্যায় পানাহার ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
৯। রোযা স্মরণ থাকা অবস্থায় পানাহার করা কিংবা স্ত্রী সহবাস করা।এতে কাযা ও কাফফারা (একাধারে দুই মাস রোযা রাখা) ওয়াজিব হয়।
১০। নাকে বা কানে তেল, ষধ ইত্যাদি প্রবেশ করানো।
১১।মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়া অবস্তায় সুবহে সাদেকের পর জাগ্রত হওয়া।
যে সকল কারনে রোযা মাকরুহ হয়
১। অহেতুক কোন জিনিস চিবানো বা চেখে দেখা।
২। রোযার কারনে অস্থিরতা বা কাতরতা প্রকাশ করা।
৩। গালাগালি ও ঝগড়া ফাসাদ করা।
৪। সিনেমা দেখা বা অন্য কোন কবিরাহ গুনাহে লিপ্ত হওয়া।
৫। সারাদিন নাপাক অবস্থায় থাকা।
৬। গীবত বা চোগলখোরী করা।
৭। কয়লা, মাজন, টুথ পাউডার, টুথ পেষ্ট বা গুল দিয়ে দাঁত মাজা।
৮। অনর্থক কোন জিনিস মুখের ভিতর দিয়ে রাখা।
৯। ইচ্ছকৃতভাবে অল্প বমি করা
১০। কুলি করার সময় গড়গড়া করা।
১১। নাকের ভিতর পানি টেনে নেয়া (কিন্তু সে পানি গলায় পৌছে গেলে রোযা ভেঙ্গে যাবে)
১২। ইচ্ছকৃতভাবে মুখে থু থু জমা করে গিলে ফেলা ।
১৩। মিথ্যা কথা বলা।
যে সকল কারনে রোযার ক্ষতি হয় না
১।  অনিচ্ছাকৃতভাবে কানে পানি প্রবেশ করা।
২।  ইনজাকশন নেয়া( খুবই জরুরি হলে)।
৩। নিজ মুখের থু থু কফ গিলে ফেলা।
৪। মাথা ,শরীর বা মুখে তেল, ক্রিম ,লোশন ইত্যাদি ব্যবহার করা।
৫। ঠান্ডার জন্য গোসল করা।
৬। ঘুমে স্বপ্নদোষ হওয়া।
৭। মিসওয়াক করা।
৮। অনিচ্ছকৃতভাবে বমি হওয়া।
৯। চোখে ওষধ , সুরমা বা ড্রপ ব্যবহার করা।
১০।আতর সুগন্ধি ব্যবহার করা বা ফূল ইত্যাদির ঘ্রাণ নেওয়া।
১১। অনিচ্ছাকৃতভাবে গলায় মশা, মাছি, ধোঁয়া বা ধুলাবালি প্রবেশ করা।
১২। ভুলক্রমে পানাহার করা।

কালো জাম থেকে সৌর বিদ্যুৎ

কালো জাম থেকে খুব কম খরচের সোলার সেল বানিয়ে ফেললেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী! ডাই-সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেলে (ডিএসএসসি) সূর্যালোককে শুষে নেওয়ার জন্য যে ফোটোসিন্থেসাইজারের প্রয়োজন হয়, কালো জামের মধ্যে থাকা এক ধরনের পিগমেন্ট দিয়ে তা খুব সস্তায় বানিয়ে ফেলেছে রুরকির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইআইটি) গবেষক অধ্যাপক সৌমিত্র শতপথির নেতৃত্বে এক গবেষকদল।দেখা গিয়েছে, কালো জামের মধ্যে থাকা পিগমেন্টই সূর্যালোক টেনে নিতে পারে অনায়াসে। ওই ধরনের ডাই-সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেলকে ‘গ্র্যাটঝেল সেল’ও বলা হয়। সৌমিত্রের গবেষণাপত্রটি হালে প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘জার্নাল অফ ফোটোভোল্টেইক্স’-এ।

এটা যে করা সম্ভব, তা আঁচ করতে পেরেছিলেন কী ভাবে?

রুরকি আইআইটি’র অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সৌমিত্র শতপথি বলেছেন, ‘‘কালো জামের কালো রংই আমাকে প্রথম ভাবিয়েছিল, কোনও ভাবে তাকে ডাই সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেল বানানোর জন্য ফোটোসিন্থেসাইজার বা ডাই (রঞ্জক) হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না। পরে আমি উৎসাহিত হয়ে পড়ি, কারণ, আমাদের দেশে কালো জামের গাছের কোনও অভাব নেই। আমাদের আইআইটি ক্যাম্পাসেই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কালো জামের গাছ।’’

এই উদ্ভাবনের অভিনবত্ব কোথায়?

সৌমিত্র বলেছেন, ‘‘সেটাকেই (‘অ্যান্থোসায়ানিন’) আমরা আমাদের উদ্ভাবিত সেলে ফোটোসিন্থেসাইজার হিসেবে ব্যবহার করেছি। সূর্যালোক শুষে নেওয়ার জন্য সাধারণত, রুথেনিয়ামের কোনও পিগমেন্ট ব্যবহার করা হতো এত দিন। কিন্তু তা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। তার তুলনায় অনেক কম খরচে কালো জামের মধ্যে থাকা ওই রঙিন পিগমেন্টটি দিয়েই আমাদের সোলার সেলের ফোটোসিন্থেসাইজারের কাজটা করিয়ে নেওয়া যায়। আর সেটা করা যায় অনেকটাই অনায়াসে। উষ্ণায়নের চিন্তা আর জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার উত্তরোত্তর ফুরিয়ে আসার ফলেই বিকল্প জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা বেড়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে সৌরশক্তিই হয়ে উঠতে পারে আদর্শ বিকল্প জ্বালানি। আর তা যদি খুব কম খরচে বানানো যায়, তা হলে তো আর কোনও চিন্তাই থাকে না।’’

শূন্যে ভেসে বিভিন্ন তথ্য ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে গোলাকার ড্রোনটি

শূন্যে ভেসে বিভিন্ন তথ্য ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে গোলাকার ড্রোনটি। এ জন্য ড্রোনটির পুরো শরীরেই বসানো হয়েছে কয়েক শ এলইডি বাল্ব। বাল্বগুলো ১৩৬ থেকে ১৪৪ পিক্সেলে ছবি ও ভিডিও প্রদর্শন করতে পারে। মাত্র সাত পাউন্ড ওজনের ড্রোনটি তৈরি করেছে জাপানের মোবাইল অপারেটর ডোকোমো।

হোয়াটস আপের বার্তা পড়ে সোনাবে সিরি

হোয়াটসঅ্যাপে বন্ধুদের পাঠানো বার্তা পড়ে শোনাবে ‘সিরি’। চাইলে ব্যবহারকারীদের হয়ে বার্তার উত্তর পাঠানোর পাশাপাশি ছবি ও ভিডিও পাঠাবে। এ জন্য কষ্টও করতে হবে না, ব্যবহারকারীদের মুখের কথা শুনেই এমনটি করবে অ্যাপলের ভার্চুয়াল সেবাটি। প্রাথমিকভাবে শুধু আইফোন ব্যবহারকারীরা এ সুযোগ পাবেন। এ জন্য আইওএস অপারেটিং সিস্টেম উপযোগী নতুন সংস্করণও বাজারে এনেছে ফেইসবুকের মালিকানাধীন বার্তা বিনিময়ের অ্যাপটি। ‘২.১৭.২০’ সংস্করণটিতে নতুন এ সুবিধা চালুর পাশাপাশি মনের ভুলে পাঠানো বার্তা ফেরত আনার সুযোগও মিলবে। অর্থাৎ ভুল করে কোনো বার্তা পোস্ট করলেও পাঁচ মিনিটের মধ্যে ‘আনসেন্ড’ বাটনে ক্লিক করে ফেরত আনা যাবে। এসব সুবিধার পাশাপাশি শিগগিরই অ্যাপটিতে অর্থ বিনিময় সেবাও চালু হবে।

বাংলা থেকে ফ্রেঞ্চ শেখার ফ্রি মোবাইল অ্যাপ!

ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ ফ্রান্সের সঙ্গে নানান কারণে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ ভালো। অভিভাসন, পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশের অনেকেই ফ্রান্সমুখী। কিন্তু ফ্রান্সে যেতে চাইলে, সেখানে ভালোভাবে থাকতে চাইলে সবচেয়ে বেশি দরকার ফরাসি ভাষা ভালোভাবে জানা।তাই মাতৃভাষা বাংলা থেকে ফরাসি ভাষা শেখার জন্য ডিগবাজার লিমিটেড নিয়ে এসেছে ফ্রি মোবাইল অ্যাপ। আপনার প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন/আইপ্যাডে বিনামূল্যেই পাবেন এই অ্যাপটি। তা হলে আর দেরি কেন! এখনই ডাউনলোড করে নিন বাংলা-ফ্রেঞ্চ মোবাইল (Bangla-French Learning App) অ্যাপটি। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল প্লে স্টোরের লিঙ্ক হলো : https://goo.gl/GfbZfm আর অ্যাপস্টোরে পাবেন এই লিঙ্কে : http://apple.co/2oY0kDpনিউইয়র্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিগবাজার লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার ডেইজি হ্যামিলটন এ প্রসঙ্গে বলেন, এই অ্যাপটিতে গুরুত্বপূর্ণ অভিধানের পাশাপাশি উচ্চারণসহ বর্ণমালা, সংখ্যা গণনা, প্রশ্নবোধক শব্দের ভাণ্ডার, আর্টিকেল ইত্যাদি রয়েছে। সেই সঙ্গে ফরাসি ভাষায় কীভাবে জরুরি কথাবার্তা বলতে হয় সে বিষয়গুলিও পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।উদ্যোক্তারা জানান, মাত্র কয়েক মেগাবাইট আকারের Bangla-French Learning App-এর সবগুলো পেজই চলবে কোনো ধরনের ইন্টারনেট ছাড়াই, অর্থাৎ এটি অফলাইন একটি অ্যাপ। তাই কেবল ফ্রান্সে যাবার জন্য নয়, বরং শখের বশেও আপনি ফ্রেঞ্চ শিখতে পারেন। কারণ ফরাসি ভাষা পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষা। জাতিসংঘের ৫টি দাপ্তরিক ভাষার মধ্যে ফ্রেঞ্চ একটি!

ফারজানা মৌ
ডিগবাজার লিমিটেড
জ্যাকসন হাইট্স, নিউইয়র্ক, ১১৩৭২

স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ ঘোষণা করলো গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ এর প্রি-অর্ডার


স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ বাজারে নিয়ে এসেছে গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে, গ্যালাক্সি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসের লেটেস্ট সংস্করণ স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ এর উন্মোচন করা হয়। গ্রামীনফোন হাউজে গ্যালাক্সি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসের নতুনতম সংস্করণ স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ এর উন্মোচন করা হয়। উন্মোচন অনুষ্ঠানে স্যামসাং এবং গ্রামীনফোন এই হ্যান্ডসেটগুলোর প্রি-অর্ডার ঘোষণা করে।
এতে উপস্থিত ছিলেন স্যামসাং বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্যাংওয়ান ইউন, জেনারেল ম্যানেজার ইয়াং উ লী, হেড অব মোবাইল মূয়ীদুর রহমান, ফেয়ার ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুহুল আলম আল মাহবুব, এক্সেল টেলিকম (প্রা.) লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ব্রি. জে. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম (অব.), গ্রামীনফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইয়াসির আজমান এবং জেনারেল ম্যানেজার (ডিভাইস) সরদার শওকত আলী।
অতুলনীয় হার্ডওয়্যার ডিজাইন এবং বিভিন্ন ধরনের নতুন সেবার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন এই গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ হ্যান্ডসেটগুলো প্রথাগত স্মার্টফোন ব্যবহারের সীমাবদ্ধতাকে ভেঙ্গে দিয়েছে। গ্যালাক্সি সিরিজের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন ধরনের ফিচার- যেমন বেজেল-লেস ইনফিনিটি ডিসপ্লে এবং একটি ইনটেলিজেন্ট ইন্টারফেস বিক্সবিসহ গ্যালাক্সি এস৮ সম্পূর্ণ নতুন মোবাইল ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করছে। এতে আরও রয়েছে কার্যক্ষমতা এবং সুবিধাসমূহের নতুন মাত্রা। এছাড়াও এতে আরও রয়েছে একটি উন্নত ক্যামেরা, কাটিং-এজ প্রযুক্তি, বাড়তি কার্যক্ষমতা, আইরিস স্ক্যানার এবং ফেসিয়াল রিকগনিশনসহ বাড়তি মোবাইল নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আরও অনেক কিছু ।
প্রি-অর্ডার এবং প্রাপ্যতা
১২ এপ্রিল থেকে গ্রামীনফোনের এক্সক্লুসিভ বান্ডেল অফারের সাথে এই প্রি-অর্ডার শুরু। গ্রাহকরা িি.িঢ়ৎবড়ৎফবৎং৮.পড়স অথবা িি.িমৎধসববহঢ়যড়হব.পড়স ভিজিট করে অথবা স্যামসাং বা গ্রামীনফোন সেন্টার থেকে হ্যান্ডসেটগুলোর প্রি-অর্ডার করতে পারবেন।
গ্রাহকদের জন্য গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮ প্লাস আকর্ষণীয় রং-এ বাজারে পাওয়া যাবে। গ্যালাক্সি এস৮ পাওয়া যাবে মিড নাইট ব্ল্যাক, ম্যাপল গোল্ড রং-এ এবং গ্যালাক্সি এস৮+ পাওয়া যাবে মিড নাইট ব্ল্যাক, ম্যাপল গোল্ড এবং কোরাল ব্লু রং-এ। এই হ্যান্ডসেটগুলো স্যামসাং-এর সকল অনুমোদিত স্টোর এবং সকল গ্রামীনফোন সেন্টারে পাওয়া যাবে। গ্যালাক্সি এস৮-এর মূল্য ৭৭,৯০০ টাকা যা, ৫,৯০০ টাকা জমা দিয়ে সর্বনি¤œ ২,০০০ টাকা করে ৩৬ মাসের ইএমআই-এর মাধ্যমে এবং গ্যালাক্সি এস৮ প্লাস-এর মূল্য ৮৩,৯০০ টাকা যা, ৭,৯০০ টাকা জমা দিয়ে সর্বনি¤œ ২,১১১ টাকা করে ৩৬ মাসের ইএমআই-এর মাধ্যমে উপভোগ করা যাবে। গ্রাহকরা সকল শীর্ষ ব্যাংক থেকে ০% ইন্টারেস্টে ইএমআই সুবিধাসহ এই হ্যান্ডসেটগুলো উপভোগ করতে পারবেন।
গ্রাহকরা গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ প্রি-অর্ডার করে একটি স্যামসাং এক্সেসরি গিফ্ট ফ্রি পাবেন এবং বহুল প্রত্যাশিত স্যামসাং ডেক্স স্টেশন ও স্যামসাং ওয়ারলেস স্পিকার বোটল এর মধ্যে যেকোনো একটি পছন্দ করে নিতে পারবেন। এই অফার কেবল প্রি-অর্ডার চলাকালীন স্টক থাকা পর্যন্ত প্রযোজ্য। শর্ত প্রযোজ্য রয়েছে। গ্রাহকরা গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ কিনে গ্রামীনফোনের পক্ষ থেকে উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। প্রতিটি ক্রয়ের সাথে গ্রাহকরা প্রাথমিকভাবে পাবেন ১৪ দিন মেয়াদে ৮ গিগাবাইট ইন্টারনেট ডাটা। এছাড়াও পরবর্তীতে গ্রাহকরা ২৮ দিন মেয়াদে ৪০০ টাকায় ৮ গিগাবাইট ইন্টারনেট ডাটা উপভোগ করতে পারবেন।
স্যামসাং বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্যাংওয়ান ইউন বলেন, গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ হ্যান্ডসেট উন্মোচন করে স্যামসাং বিশ্বব্যাপি গ্রাহকদের জন্য মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনের নতুন পথ খুলে দিয়েছে, যা স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রিতে একটি নতুন ভোরের সুচনা করেছে। চমৎকার এই ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলো গ্রাহকদের দিচ্ছে উদ্ভাবনী ডিজাইন এবং চমৎকার সব সেবা। গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ নিয়ে আসার মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রতি আমাদের সেরামানের ডিভাইস এবং অসাধারণ সব উদ্ভাবনসমূহ প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুরণ হয়েছে। এর ফলে স্যামসাং-এর স্মার্টফোনের ধারাবাহিকতায় একটি নতুন মাইলফলক যোগ হয়েছে”।
এই উন্মোচন অনুষ্ঠানে গ্রামীনফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইয়াসির আজমান বলেন, “সবচেয়ে পছন্দের ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীনফোন সবসময় অত্যাধুনিক ডিভাইসগুলো নিয়ে আসার মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে সম্পৃক্ত থাকে। স্যামসাং এর সাথে যুক্ত হয়ে গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসাটা সেই প্রচেষ্টারই অংশ। গ্রামীনফোনের আকর্ষণীয় বান্ডেল অফারের সাথে সেরা মানের থ্রিজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই ডিভাইসগুলো ব্যবহার করে গ্রাহকরা নিজেদের ডিজিটাল বিশ্বে উদ্ভাসিত করতে সক্ষম হবেন”।
স্যামসাং কনসিয়ার্জ সার্ভিস
স্যামাসাং গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ এর প্রিমিয়াম গ্রাহকরা স্যামসাং সার্ভিসের নতুন প্রিমিয়াম সংযোজন কনসিয়ার্জ সার্ভিস পাবেন। ই- মেইল: পড়হপরবৎমব.ংবৎারপব@ংধসংঁহম.পড়স
প্রাণবন্ত ডিসপ্লে
গ্যালাক্সি এস৮-এ রয়েছে স্যামসাং-এর ঐতিহ্যবাহী চমৎকার ডিজাইন এবং ফাংশনাল ডিভাইস। গ্যালাক্সি এস৮-এ রয়েছে ৫.৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং এস৮+ এ রয়েছে ৬.২ ইঞ্চি ডিসপ্লে। এই ইনফিনিটি ডিসপ্লে এবং বেজেল-লেস ডিজাইন ডিভাইসটিকে দিয়েছে মসৃণ, কনটিনিউয়াস সারফেস। এই ডিভাইসগুলোতে কোনো বোতাম নেই এবং এর কোণগুলো বাঁকানো। এর ফলে এই ডিভাইসের মাধ্যমে গ্রাহকরা পাবেন নির্বিঘেœ চমৎকার দেখার অভিজ্ঞতা এবং ডিসপ্লেটি মাল্টি-টাস্কিং-এ সক্ষম। গ্যালাক্সি এস৮-এর ডিজাইনটি এক হাতে আরামদায়কভাবে ব্যবহারযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ীত্বের জন্য এর সামনে এবং পিছনে রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৫।
দি গ্যালাক্সি ফাউন্ডেশন
নতুন ডিজাইনগুলোর উদ্ভাবনী সংস্করণে স্যামসাং ধারাবাহিকভাবে কাটিং-এজ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এতে আরও রয়েছে উন্নত ক্যামেরা, বাড়তি কার্যক্ষমতা এবং গ্রাহকদের পছন্দের ফিচারসমূহ। এগুলো হলো-
প্রিমিয়াম ক্যামেরা: স্বল্প আলোতে সেরা মানের ছবি, জুম এবং এন্টি-ব্লার ফটো তুলতে গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ এ রয়েছে উন্নত ইমেজ প্রসেসিং। এই হ্যান্ডসেটগুলোতে আরও রয়েছে এফ/১.৭ অ্যাপারচার সম্পন্ন অ্যাডভান্সড ৮ মেগাপিক্সেল স্মার্ট অটো ফোকাস ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং এফ/১.৭ অ্যাপারচার সম্পন্ন ১২ মেগা পিক্সেল ডুয়াল পিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা।
শক্তিশালী কার্যক্ষমতা: শক্তিশালী কার্যক্ষমতা এবং কানেক্টিভিটির জন্য গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ হ্যান্ডসেটে রয়েছে ইন্ডাস্টির প্রথম ১০এনএম প্রোসেসর, যা তীব্র গতি এবং কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে। ১ জিবিপিএস সাপোর্টের সাথে এই হ্যান্ডসেটগুলোতে রয়েছে গিগাবাইট এলটিই এবং গিগাবাইট ওয়াইফাই। এর ফলে গ্রাহকরা ফাইলগুলো দ্রুত ডাউনলোড করতে পারবেন।
অসাধারণ বিনোদন: মোবাইল এইচডিআর-এর সংগঠন ইউএইচডি স্বীকৃত বিশ্বের প্রথম মোবাইল ডিভাইস হিসেবে, গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮ প্লাস আপনাকে তেমনই প্রাণবন্ত কালার এবং কন্ট্রাস্ট দেবে যেমনটি একজন চলচ্চিত্রকার আপনার প্রিয় শো-তে দেয়। এছাড়াও গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ আপনাকে দেবে প্রাণবন্ত এবং সেরামানের গ্রাফিক প্রযুক্তির সাথে নেক্সট লেভেল গেমিং এক্সপেরিয়েন্স। এর সাথে আরও থাকছে গেম প্যাক, টপ গেম টাইটেলস, ভলকান এপিআই সাপোর্টেড কিছু র্নিধারিত টাইটেল।
আন্তর্জাতিক মানের মোবাইল নিরাপত্তা: গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ হ্যান্ডসেটে রয়েছে একটি ডিফেন্স-গ্রেড সিকিউরিটি প্ল্যাটফর্ম- স্যামসাং নক্স। এছাড়াও এই হ্যান্ডসেটগুলোতে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, আইরিস স্ক্যানার এবং ফেসিয়াল রিকগনিশনসহ বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি, যাতে গ্রাহরা একটি বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা পছন্দ করতে পারেন।গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ হ্যান্ডসেটে রয়েছে ফাউন্ডেশনাল গ্যালাক্সি ফিচার, যা গ্রাহকদের খুবই পছন্দনীয়-
আইপি ৬৮ পানি ও ধুলা প্রতিরোধক
২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত মাইক্রো এসডি সাপোর্ট
অলওয়েজ অন ডিসপ্লে
দ্রুত এবং তারবিহীন চার্জিং সুবিধা
বিক্সবি: ফোন ব্যবহারের নতুন উপায়
বিক্সবি একটি ইন্টেলিজেন্ট ইন্টারফেস, যা গ্রাহককে তাদের ফোন থেকেও বেশি কিছু দেয়। এই নতুন বিক্সবি বাটনের মাধ্যমে আপনি সুবিধাজনকভাবে বিক্সবি ব্যবহার করতে পারবেন এবং বিভিন্ন সার্ভিস এবং অ্যাপগুলো ভয়েস, টাচ এবং টেক্স নির্দেশনার মাধ্যমে নেভিগেট করতে পারবেন। বিক্সবি-এর ভয়েস ফাংশন বিভিন্ন স্যামসাং নেটিভ অ্যাপগুলোকে সংযুক্ত করবে। এতে থাকবে ক্যামেরা, কন্টাক্টস, গ্যালারি, মেসেজ এবং সেটিংসসহ বিভিন্ন ফিচার। এর সক্ষমতা বাড়াতে অদূর ভবিষ্যতে আরও বেশি স্যামসাং-এর নিজস্ব এবং থার্ড-পার্টি অ্যাপগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিক্সবিতে রয়েছে প্রাসঙ্গিক সচেতনতা ক্ষমতা। এটি ব্যবহারকারীকে সহযোগিতা করার জন্য তার আগ্রহ, অবস্থা এবং অবস্থান সম্পর্কে বুঝতে সক্ষম। এতে আরও রয়েছে বিক্সবি ইমেজ রিকগনিশন প্রযুক্তি। এর ফলে ব্যবহারকারীরা ইমেজ সার্চ করে এবং নিকটস্থ স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে কেনাকাটা করতে পারবেন। বিক্সবি ইকোসিস্টেম বাড়ছে, ফলে এটি বিভিন্ন ডিভাইস, অ্যাপস এবং সেবাসমূহের সাথে ইউনিভার্সেল ইন্টারফেস হিসেবে সংযুক্ত হতে পারবে। এছাড়াও এটি গ্রাহকদের নতুন অভিজ্ঞতার দুয়ার খুলে দিবে এবং তারা জীবনকে সাজাতে পারবেন আরও সহজভাবে।
ডেক্স: ফোন থেকেও বেশি কিছু প্রিমিয়ার মোবাইল প্রোডাক্টিভিটি এবং কানেক্টিভিটি উভয় করে গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ পণ্য এবং সেবাসমূহের দৃঢ় পোর্টফোলিও নিশ্চিত করছে।
বাড়তি প্রোডাক্টিভিটির জন্য গ্যালাক্সি এস৮ এবং এস৮+ এর প্রসেসিং পাওয়ার বৃদ্ধি করে। স্যামসাং ডেক্স একটি অনন্য সমাধান, যা একটি নিরাপদ ডেস্কটপ অভিজ্ঞতার মতো আপনার স্মার্টফোনকে ডেস্কটপে রূপান্তর করে। স্যামসাং ডেক্স এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের ফোনকে ডিসপ্লে এবং ডাটা এডিট করতে পারবেন। এর মাধ্যমে এই স্মার্টফোনটি আরও দ্রুত এবং স্মার্টভাবে কাজ করতে পারে।
একেজে এর হারম্যান-এর উচ্চ-কার্যক্ষমতাসম্পন্ন এয়ারফোন আপনাকে দেবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী সাউন্ড কোয়ালিটির মাধ্যমে অতুলনীয় সেবা। এটি ইন-বক্স অ্যাক্সেসরি হিসেবে থাকবে। আশেপাশের শব্দ রোধে এই এয়ারফোনগুলোতে থাকেব আরামদায়ক হাইব্রিড ক্যানাল ফিট। এটিকে প্রস্তুত করা হবে অ্যান্টি-ট্যাঙ্গেল মেটাল-ফেব্রিক ম্যাটেরিয়াল থেকে।

আইসিটি ক্যারিয়ার এ পোস্ট বেসিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং এডুকেশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম এর আওতায় কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:
ভিন্ন ধারার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ “আইসিটি ক্যারিয়ার” এ আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এর ডিপার্টমেন্ট অব এনেসথেসিয়া এর তত্ত্বাবধানে পোস্ট বেসিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং এডুকেশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম এর আওতায় ৩১ তম ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ (কম্পিউটার প্রশিক্ষন) কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠক, আইসিটি ক্যারিয়ার এর প্রতিষ্ঠাতা ও নাসিমা এনাম ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এহছান খান। আরো উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ক্যারিয়ারের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাবিনা ইয়াসমিন, উইটস বিডি এর এমডি সাংবাদিক খন্দকার আহমদ আল ইহসানসহ অন্যরা।
২মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ এ অংশগ্রহন করছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (বিএসএমএমইউ) এ কর্মরত নার্সরা।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নাছিমা এনাম ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিটি ক্যারিয়ার দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সেক্টরের বিশেষায়িত বিষয়ের ওপর ২০০৪ সাল থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
উল্লেখ্য অফিস ম্যানেজমন্টে /গ্রাফিক্স ডিজাইন/ পিসি হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যােন্স/ বেসিক ওয়েব ডিজাইন/পিএইচপি/ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট/ নেটওয়ার্কিং/অটোক্যাড/ একাউন্টিং সফটওয়্যার ট্যালি/ থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স/ স্কেচ আপ/ ৬ মাস মেয়াদী ডিপ্লোমা/১ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমাসহ অন্যান্য কোর্সে প্রশিক্ষণ দেয় আইসিটি ক্যারিয়ার ।

মোবাইল অ্যাপে দেখুন আপনার উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিক আছে কিনা ?

আপনার  উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিক আছে তো ?   আপনার স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শরীরের ওজন ঠিক রাখা জরুরী ।  শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়লে শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে।
অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে। অনেকের সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন বেশি হয়।
এর কারন বংশগত কারণেও মানুষ মোটা হতে পারে।মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি নিয়ে অনেক সমস্যা। উচ্চতার অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের আছে একটি আদর্শ ওজন।
ওজন যদি এই আদর্শ মাত্রায় থাকে, অর্থাৎ এর চাইতে বেশি বা কম না হয়ে থাকে, তাহলে মানুষটি সুস্থ দেহের অধিকারী এবং তার রোগ বালাই হবার সম্ভাবনা কম। আদর্শ ওজন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়।
এরপর ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলা হয় বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক। ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে তাদেরকে  অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।
আর এই সকল হিসাব এখন আপনাকে আর  করতে হবে না এখন অ্যাপই বলে দিবে যে আপনি  এখন কোন  অবস্থানে আছেন ।  ” (উচ্চতা অনুযায়ী ওজন )Weight for Height” নামে  এমনই একটি অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে ।
অ্যাপটি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইন্সটল করুন , আপনার উচ্চতা দিন , আপনার বর্তমান ওজন কত সেটি দিন তারপর আপনার বি এম আই কত সেটি দেখুন , বি এম আই  রেজাল্টের সাথে অ্যাপটি আপনাকে বলে দিবে আপনার উচ্চতা অনুযায়ী ওজন  ঠিক আছে না কম বেশি আছে ,
যদি আপনার ওজন কম থাকে তাহলে কত কম আছে এবং কি কি খাবার খেলে ওজন স্বাভাবিক হবে সেটির নির্দেশনা পাবেন , অপরদিকে যদি বেশি থাকে তাহলেও নির্দেশনা পাবেন । যদি অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বা চিকন হন তাহলে অ্যাপটি  স্বয়ংক্রিয় ভাবে  আপনার নিকটস্থ হাঁসপাতালের
সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের  ফোন নাম্বার সাজেশন দিবে । তাছারাও বাংলাদেশের প্রতিটি  থানার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নাম্বার দেওয়া আছে যাতে আপনি মোবাইলে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন। আপনার ওজন কোন মাসে কত তারিখে কত ছিল সেটি ও পরবর্তীতে দেখেতে পাবেন ।হেলথ টিপস সহ  আরো অনেক ফিচার
নিয়ে  ” (উচ্চতা অনুযায়ী ওজন )Weight for Height” নামে অ্যাপটি  তৈরি করেছে অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেকটিউনস অ্যাপ । এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য অ্যাপ  টি ডাওনলোড করতে পারেন।   ডাওনলোড লিঙ্কঃ  https://goo.gl/NypcHM
ফেসবুকে হেলথ টিপস পেতে  : https://goo.gl/YhPtRK  বাড়তি ওজনের জন্য  হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়।  বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ বৃদ্ধির জন্য।
মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ বেশি।ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।  আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
অতিরিক্ত চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত কম ওজন বা অতিরিক্ত বেশি ওজন- দুটোই সুস্থতার বিপরীত।  নিজের আদর্শ ওজন নির্ণয় করুন, এবং আপনার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওজনকে আদর্শ অবস্থানে আনবার জন্য চেষ্টা করুন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশি যাত্রীরা

যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনে চলাচলকারী মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বেশকিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশি যাত্রীরা। ঢাকা থেকে ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা না হলে তালিকার বাইরে থাকা দেশগুলো বিশেষত বাংলাদেশের যাত্রী পরিবহন কমে যাবে। যদিও নিষেধাজ্ঞার ওই তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। কিন্তু বাংলাদেশের যাত্রীরা যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেন যাতায়াতে সাধারণত যেসব ফ্লাইট ব্যবহার করেন নিষিদ্ধের তালিকায় সে সব বিমান প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আর ওই তালিকায় থাকা অন্তত ৪টি প্রতিষ্ঠানের প্রতি সপ্তাহে ঢাকা থেকে ফ্লাইট রয়েছে। ঢাকা থেকে প্রতিদিন যাতায়াতকারী এমিরেটস ও ইত্তিহাদ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকায় বেশি উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এ নিয়ে এখনই প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে চাইছেন না। তারা আপাতত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেই জোর দিচ্ছেন। এক কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনের সঙ্গে আলাপে বলেন, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যেসব দেশের বিমানবন্দর এবং বিমান সংস্থার নাম রয়েছে তাদের প্রতিক্রিয়া বা অবস্থান কি হয়, সেটি দেখার পরই আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া সমীচীন হবে। যুক্তরাষ্ট্র গমনে ঢাকা থেকে বিমানের কোনো ফ্লাইট নেই। সহজে দেশটিতে যাতায়াত মধ্যপ্রাচ্য হয়ে চলাচলকারী ফ্লাইটই বাংলাদেশি যাত্রীদের ভরসা। ওই কর্মকর্তা অবশ্য স্বীকার করেন যে, সেই সব ফ্লাইটে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ঢালাওভাবে তল্লাশি করা হলে বাংলাদেশিদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হবে। ঢাকা থেকে বৃটেনে যাতায়াতে বাংলাদেশিরা এখনো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুবিধা পান। তারপরও ভ্রমণকারীদের বড় অংশ এমিরেটস ও ইত্তিহাদে যাতায়াত করেন। রাজনীতিক, আমলা, ব্যবসায়ী এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি- কে নেই সেই তালিকায়। নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলে এবং তালিকার বাইরে থাকা দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য স্বতন্ত্র ব্যবস্থা না থাকলে বাংলাদেশিদের হয়রানি থেকে মুক্তির পথ মোটেও সহজ হবে না বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, জঙ্গি হানার আশঙ্কা থেকে প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র ও পরে বৃটেন ৮টি দেশের ব্যাপারে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করে। নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনের উদ্দেশে যাত্রা করলে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ডিভিডি প্লেয়ার, ক্যামেরা, প্রিন্টার ও কিংডল হাতে করে নেয়া যাবে না। এভিয়েশন সিকিউরিটি ইন্টারন্যাশনাল ম্যাগাজিনের সম্পাদক ফিলিপ বাম যুক্তরাষ্ট্রের পথ ধরে বৃটিশ সরকারের একই রকম নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হলে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনে যাতায়াতকারী যাত্রীদের নানা দুর্ভোগ ও হয়রানির আশঙ্কা করেছেন তিনি।  বিমানবন্দরগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে বলেও আশঙ্কা ওই বিশেষজ্ঞের। বৃটিশ সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ফিলিপ বাম বলেন, যে ল্যাপটপে বিস্ফোরক (আইইডি) বহন করা হচ্ছে ২০১৭ সালে এসেও যদি তা চিহ্নিত করা না যায় তাহলে আমাদের স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক ওই বিশেষজ্ঞ মনে করেন, যে মানুষগুলো বিমানে যাতায়াত করেন লাগেজে তাদের ল্যাপটপ ও অন্য সরঞ্জাম চেক করার কাজে উৎসাহিত করা খুবই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার স্পষ্টিকরণের বিষয়টি সামনে এনেছেন। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, যে সব ডিভাইসের মাধ্যমে  বোমা বা বিস্ফোরক বহন করে হামলা চালানো হতে পারে তারা কেবল সেটিই নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছেন। এ নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তরফে। অবশ্য গত বছর সোমালিয়ার একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে একই প্রক্রিয়ায়  বোমা হামলার যে উদাহরণ দেয়া হয়েছে তার তীব্র সমালোচনা করেছেন ওই বিশেষজ্ঞ। তার মতে, সোমালিয়ার মোগাদিসু থেকে জিবুতি যাচ্ছিল ডালো এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি। তাতে বোমা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল ল্যাপটপকে। সেই ল্যাপটপ চেক করা হয়েছিল। চেকআপের পর তা যাত্রীর কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাহলে কি  চেকআপ করা হয়েছিল সেই প্রশ্নও রাখেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র তার নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে নি এমন দুটি দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মরক্কোকে বৃটেন কেন তাদেরকে এ তালিকায় রেখেছে তা নিয়ে স্পষ্ট  কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা না দেয়ায় চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন ওই বিশেষজ্ঞ। তার মতে, যে বিমানবন্দরগুলোতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে প্রতিদিন তা ব্যবহার করেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। তাদের চলাচলের সময় বাড়তি পরীক্ষা,  চেকআপে অতিরিক্ত সময় লাগবে। এতে কাজের গতি শ্লথ হয়ে পড়বে।
সাময়িক ক্ষতির আশঙ্কায় বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো:  যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ট্যাব, ল্যাপটপ নেয়া সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞায় সাময়িক ক্ষতির আশঙ্কা  করছে এমিরেটস, ইত্তিহাদ ও তার্কিশসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশ অফিস। তারা বলছেন, ট্রানজিট সয়য় শেষে যাত্রীদের ওই দেশে ৮-১৪ ঘণ্টা সময় জার্নি করতে হয়। এই দীর্ঘ সময় আইপেড, ল্যাপটপ না থাকলে যাত্রীদের অনেক অসুবিধা হবে। তারা প্রয়োজনীয় যোগাযোগেও ব্যর্থ হবেন। অনেক যাত্রী তার পছন্দের গান, ভিডিও ট্যাবে ল্যাপটপে ডাউনলোড করে নিয়ে যান। মোবাইলে এত জিনিস লোড করার সুযোগ খুব কম। ইত্তিহাদ এয়ার লাইন্সের বাংলাদেশে কান্ট্রি ম্যানেজার হানিফ জাকারিয়া মানবজমিনকে বলেন, নিরাপত্তার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে যে কথা বলেছে সেটা আমাদের মানতে হবে। কারণ কোনো ধরনের অঘটন ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব এয়ারলাইন্স নেবে না। তিনি বলেন, আমরা আমাদের যাত্রীদের সতর্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এরমধ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছি। এদিকে, ইত্তিহাদ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যগামী যাত্রীদের নিজের সঙ্গে ট্যাব ও ল্যাপটপ বহন না করার অনুরোধ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এর পাশাপাশি এমিরেটসসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্স এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। মনিটর সম্পাদক ও এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুুল আলম মানবজমিনকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যর এ নতুন এ নিষেধাজ্ঞায় বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো আপাতত সমস্যায় পড়বে। তবে এটা কাটতে কতদিন লাগবে তা সময়ই বলে দেবে বলে মনে করেন তিনি।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »