Category: জাতীয়

বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কাও নয়। ডাম্বুলায় জয় হলো বৃষ্টির।

বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কাও নয়। ডাম্বুলায় জয় হলো বৃষ্টির। গতকাল রাত সোয়া ৯টায়ও বৃষ্টি না থামায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ওয়ানডে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এতে নিশ্চিত ওয়ানডে সিরিজেও হারছে না বাংলাদেশ। ১লা এপ্রিলের শেষ ম্যাচটিই  হবে ফাইনাল। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ হারলে সিরিজ ১-১-এ শেষ হবে।
এর আগেও ৩০০’র বেশি রান করে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে শ্রীলঙ্কা। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে ২০১৩ সালের ২৮শে মার্চ বাংলাদেশকে ৩০৩ রানের টার্গেট দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। পরে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের টার্গেট দাঁড়ায় ২৭ ওভারে ১৮২ রান। সেদিন বৃষ্টিভেজা ওই ম্যাচে তিন উইকেটে জিতেছিল সাবিক-তামিমরা। এবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কুশল মেন্ডিসের অসাধারণ সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশের সামনে ৩১২ রানের বিশাল লক্ষ্য বেঁধে দেয় স্বাগতিকরা। ২০১৭ সালের ২৮শে মার্চ প্রথম ইনিংস শেষে বাদ সেধেছে বৃষ্টি। গতকালও প্রথম ইনিংস শেষে মুষল ধারায় বৃষ্টি নামে ডাম্বুলায়। এতে বাংলাদেশের ইনিংস শুরুই হতে পারেনি নির্ধারিত সময়ে। রণগিরি স্টেডিয়ামের উইকেট ঢেকে ফেলা হয় ত্রিপল দিয়ে। উইকেটের আশপাশে ৩০ গজ এলাকা পুরোপুরি ঢেকে দেয়া হয়েছে। তাসকিনের হ্যাটট্রিক বাদে কাকতালীয়ভাবে প্রায় প্রতিটি ঘটনাই ২০১৩ সালের ২৮শে ম্যার্চের ওই ম্যাচের সঙ্গে মিলে গেছে। শেষ অধ্যায়টুকু মেলার অপেক্ষা। তবে বৃষ্টি না থামলে ১লা এপ্রিলের খেলার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে দুই দলকে। তামিম ইকবালের দারুণ এক সেঞ্চুরির সুবাদে ৯০ রানে জিতে সিরিজে ১-০-তে এগিয়ে বাংলাদেশ।
মার্চ মাসটা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য এমনিতেই বেশ পয়া। প্রতিপক্ষ যখন শ্রীলঙ্কা, সেই পয়মন্ত ব্যাপারটা যেন আরও বেশি করে ঘটে। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যে পাঁচটি জয় পেয়েছে, তিনটিই মার্চে। এর মধ্যে ২৮শে মার্চ, অর্থাৎ গতকালের তারিখে আছে স্মরণীয় এক জয়। সেবার যে শ্রীলঙ্কা প্রথমে ব্যাট করে ৩০০-র বেশি রান তুলেও হেরেছিল। বাংলাদেশ ৩১২ রান তাড়া করার এই চ্যালেঞ্জে তাই প্রেরণা খুঁজে নিতে পারে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে না হলেও বাংলাদেশের ৩০০-র বেশি তাড়া করে জেতার তিনটি কীর্তি কিন্তু আছে। এর মধ্যে গত বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের দেয়া ৩১৯ রানের লক্ষ্য অনায়াসে পেরিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। জিতেছিল ৬ উইকেটে। সেটিও ঘটেছিল মার্চে, ২০১৫ সালে। ২০০৯ সালে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের দেয়া ৩১৩ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই জয় বাংলাদেশকে সিরিজও জিতিয়েছিল, যা এখন পর্যন্ত বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজ জয়। ৩০০-র বেশি তাড়া করে জেতা আরেকটি ম্যাচ ২০১৩ সালে ফতুল্লায়। ৩০৮ তাড়া করে জেতা সেই ম্যাচ নিউজিল্যান্ডকে দিয়েছিল আরেক হোয়াইটওয়াশের স্বাদ। তবে সিরিজ জেতার ভিতটা কিন্তু এদিন গড়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। শেষ দিকে তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খুব বড় স্কোর গড়তে পারেনি শ্রীলঙ্কা। দারুণ শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে যায় ৩১১ রানে। বাংলাদেশকে জিততে হলে করতে হবে ৩১২ রান। শেষ ওভারে বাংলাদেশের পেস বোলার তাসকিন আহমেদ পরপর তিন বলে তিন উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখান। এ পেসার ৪ উইকেট নেন ৪৭ রানে। এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে চারজন হ্যাটট্রিক করেন। তারা হলেন- শাহাদত হোসেন, আবদুর রাজ্জাক, রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশের মাশরাফি, মেহেদী আর মোস্তাফিজ একটি করে উইকেট পান। তিনজন রানআউট হন। শেষ ১২ ওভারে শ্রীলঙ্কার ৯১ রান করে। মূলত কুশল মেন্ডিসের বিদায়ে শ্রীলঙ্কার রান আয়ত্তে রাখা সম্ভব হয়েছে। এদিন শুরুটা বেশ ধীরে করেছিলেন কুশল মেন্ডিস। এরপর ধীরে ধীরে চড়াও হতে থাকেন। ৬৩ বলে ৫০ করার পর ১০১ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে আট ফিফটির পরে এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক উপল থারাঙ্গা বাংলাদেশ আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান। ওই ম্যাচ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা হারে ৯০ রানে। ডাম্বুলার দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও টস জিতল লঙ্কানরা। তবে এবার তারা আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলো। এটি আবার লঙ্কান অধিনায়ক থারাঙ্গার ২০০তম ওয়ানডে। সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য শ্রীলঙ্কা দলে তিনটি পরিবর্তন এসেছে। অন্যদিকে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগের একাদশ নিয়েই মাঠে নামে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। দলীয় ১৮ রানে ব্যক্তিগত ৯ রানে দানুসকা গুনাতিলাকাকে ফেরান তিনি। তবে এরপর ঘুরে দাঁড়িয়েছে শ্রীলঙ্কা।

মৌলভীবাজারে সোয়াত ও ডিবির বোম ডিস্পোজাল টিম

মৌলভীবাজারের পৃথক দুই স্থানে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে অংশ নিতে পুলিশের বিশেষ টিম সোয়াট ও ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) এর দুটি দল পৌঁছেছে। আজ  বুধবার বিকাল পৌনে পাঁচটায় পৌঁছায় সোয়াট এবং ৫ টার কিছুক্ষণ আগে ডিবির দলটি পৌঁছায়। এর আগে বুধবার ভোর থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে মৌলভীবাজারের ওই দুই এলাকার দুটি বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। ইতোমধ্যে বাড়ি দুটির বিদ্যুৎ ও গ্যাসের লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অভিযানকে কেন্দ্র করে অভিযানস্থলের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। আজ দুপুরে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত


শাহীনুর আলম, গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার কালো রাতের ভয়াল স্মৃতির স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্টিত হয়। এসময় কালো ব্যাজ ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন এসময় সংহতি প্রকাশ করে এবং মোমবাতি প্রজ্জ্বলন মাধ্যমে ২৫শে মার্চ কালো রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর শিকার বাংলাদেশের ঘুমন্ত সাধারণ জনগণ, ছাত্র ও শিক্ষকদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
দিবসটি পালনে মোমবাতি হাতে সম্মিলিতভাবে একাত্মতা প্রকাশ করে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (গবিসাস), সমকাল সুহৃদ সমাবেশ, কালের কণ্ঠ শুভ সংঘ, পরিবেশ ক্লাব, কনজ্যুমার ইউথ সোসাইটি-বাংলাদেশ।
দিবসটি উপলক্ষে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সহ-সভাপতি শাহীনুর আলম বলেন, ‘২৫শে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত দেশ ও জাতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ আয়োজন করায় সাধারণ শিক্ষার্থীসহ সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।’
কালের কণ্ঠ শুভ সংঘের সভাপতি রানা মিত্র বলেন, ‘নানা ষড়যন্ত্র করেও বাঙালির মুক্তিসংগ্রামকে প্রতিহত করতে না পেরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বাঙালিদের নিশ্চিহ্ন করতেই ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদাররা এ দেশের গণমানুষের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। তাদের জঘন্য এ হত্যাযজ্ঞে হাত মিলিয়েছিল তাদের দোসর কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনী।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তণ শিক্ষার্থী সামহা সাঈদ সুমা বলেন, ‘গণহত্যা দিবস’ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ৩০ লাখ বাঙালির আত্মত্যাগের মহান স্বীকৃতির পাশাপাশি তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধেও চরম প্রতিবাদের প্রতীক।’
সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সি.এস.সি বিভাগের সাঈদ বলেন, ‘একাত্তরের কাল রাত ২৫শে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করুক৷’
উল্লেখ্য, এদিকে ৯ ডিসেম্বরের পরিবর্তের ২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৫ মার্চ কালরাতের তথ্য-উপাত্ত জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে বাসসকে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মুক্তির মঞ্চে মোমবাতি প্রজ্জলন ও মৌন মিছিলের মাধ্যমে ২৫ শে মার্চ গণহত্যা দিবস পালন


মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
মুক্তির মঞ্চের সামনে মোমবাতি প্রজ্জলন, মৌন মিছিল ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আজ শনিবার রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে।উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বাইমহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এ মোমবাতি প্রজ্জলন, মৌন মিিছল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্তরের মুক্তির মঞ্চের সামনে মোমবাতি প্রজ্জলনের মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ করা হয়।মোমবাতি প্রজ্জলনের উদ্ধোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন।এসময় মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বাবর, মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম শহিদ, দেওহাটা এ জে উচ্চ বিদ্যালয়য়ের প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম, চিত্র শিল্পী খন্দকার হুমায়ুন কবীরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ।
এর আগে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বাইমহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিসেস হোসনেয়ারা বেগমের নের্তৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্লাকার্ড নিয়ে শহরে মৌন মিছিল বের করেন।মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয় সম্পকির্ত সংসদয়ি স্থায়ী কমিটির সবাপতি বীর মুক্তিযোদ্দা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেন এমপি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দুর্লভ বিশ্বাস ও পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।সন্ধায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এএসএম মোজাহিদুল ইসলাম মনির, মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ সালাউদ্দিন আহমেদ বাবর প্রমুখ।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে আধুনিক ও নান্দনিক শহরে পরিনত করতে সীমাকে নৌকায় ভোট দিন ………………………যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী

৩০ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত আঞ্জুম সুলতানা সীমার পক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উদ্দ্যোগে কুমিল্লা টাউন হলে সকাল ১১ টায় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও এম. শাহাদাৎ হোসাইন তছলিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস.এম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম, যুবলীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মোঃ ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরণ, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, অধ্যাপক এ.বি.এম আমজাদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার নিখিল গুহ, শাহজাহান ভূইয়া মাখন, মোঃ জাকির হোসেন খান, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মহিউদ্দিন আহম্মেদ মহি, সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আজাহার উদ্দিন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিছুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, মোঃ শাহাজালাল, মোঃ ইসলাম, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, শ্যামল কুমার রায়, মিজানুর রহমান মিজান, তারিক আল হাসান লিউ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন সারাদেশে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের জোয়ার বইছে কিন্তু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকরা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নের লক্ষ্যে একই সাথে জাতীয় রাজনীতিতে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের পৃষ্ঠপোষক বেগম খালেদা জিয়ার ধ্বংসের রাজনীতি ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি প্রতিহত করতে আসন্ন নির্বাচনে আঞ্জুম সুলতানা সীমা’র বিজয় নিশ্চিত করতে নৌকা প্রতীকে ভোট দানের জন্য আহবান জানান। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে আধুনিক ও নান্দনিক শহরে পরিনত করতে সীমাকে নৌকায় ভোট দিন। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা ও কর্মীদের এ বিজয় অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিটি ভোটারের কাছে আগামী ০৩ দিন ভোট প্রার্থনা এবং নির্বাচনের দিনে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকা পালনের নির্দেশ প্রদান করেন। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিশ্বশান্তির দর্শন ‘জনগনের ক্ষমতায়ন’ সুদৃঢ় করতে নৌকা মার্কার বিকল্প নাই।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত ও রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার আর্শিবাদ প্রাপ্ত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত যুবলীগ প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সকল ভোটারের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।

আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুরোপুরি প্রস্তুত সাভার থেকে মোঃ গেলাম মোস্তফা


আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পুরোপুরি প্রস্তুত সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এই দিবসের সূচনা লগ্নে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ভরে উঠবে ফুলে ফুলে। শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় ও বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়া, মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের লাখো মানুষ। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের আশপাশে নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বলয়।
স্বাধীনতা দিবসে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সাভার জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধের বেদীতে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ, বিএনপির চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়া শ্রদ্ধা জানাবেন মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদদের প্রতি। এ ছাড়াও মন্ত্রীবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃদ, কুটনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ লাখো জনতা তাদের হৃদয়ের ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা জানাতে ফুল ফুলে ঢেকে দেবেন স্মৃতসৌধের বেদী। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালনে এখানে চলছে তিন বাহিনীর গার্ড অব অনারের মহড়া। নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে সাভার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধের আশে নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি বসানো হয়েছে ও পুলিশ ওয়াজ টাওয়ার বসানো হয়েছে। এছাড়া এবার দেশে জঙ্গি হামলার কারনে কঠোর আমিনবাজার থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।এয়াড়া এই দিবস পালনে রঙ্গে রঙ্গে সাজানো হয়েছে সাভার জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধকে। শেষ হয়েছে শেষ মূহুর্তের ধোঁয়া মোছা ও রং তুলির কাজ। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সশ¯্র সালামের মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের সূচনা শুরু হবে। শ্রদ্ধা জানাতে আসা প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষের যাতায়াত ও অবস্থানের নির্দেশনার কাজও শেষ বলে জানিয়েছে সাভার গর্ণপূত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সতিনাথ বসাক।
সাভার গর্ণপূত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সতিনাথ বসাক বলেন,সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে ইতিমধ্যেই ১৬ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত জনসাধারণের প্রবেশধাধিকার নিষেধ করেছে কর্তৃপক্ষ।
এব্যাপারে ঢাকা ১৯ আসনে সংসদ সদস্য ডাঃ এনামুর রহমান জানান, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সাভার জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধের বেদীতে রাষ্ট্রপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ, বিএনপির চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়া শ্রদ্ধা জানাবেন মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদদের প্রতি। এ ছাড়াও মন্ত্রীবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কুটনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ লাখো জনতা তাদের হৃদয়ের ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা জানাতে ফুলে ফুলে ঢেকে দেবেন স্মৃতিসৌধের বেদী। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালনে এখানে চলছে তিন বাহিনীর গার্ড অব মহড়া। নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।এদিকে স্বাধীনতা দিবস উৎযাপনের সাজ সাজ রব বিরাজ করছে গোটা সাভার এলাকায়ও। সকল প্রস্তুতি সস্পন্ন ছাড়াও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে ও বিভিন্ন স্থানে ব্যানার ফেস্টুন লাগানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান। তিনি আরো বলেন,এছাড়া স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। এই দিবস পালনে রঙ্গে রঙ্গে সাজানো হয়েছে সাভার জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধকে। শেষ হয়েছে শেষ মূহুর্তের ধোঁয়া মোছা ও রং তুলির কাজ। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সশস্র সালামের মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের সূচনা শুরু হবে। শ্রদ্ধা জানাতে আসা প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষের যাতায়াত ও অবস্থানের নির্দেশনার কাজও শেষ। স্বাধীনতা দিবস পালনে মোটা অংকের অর্থ ব্যয়ে স্মৃতিসৌধের মিনারসহ বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত বিশেষ আলোকসজ্জা। বিশেষ প্রযুক্তির এ বাতি রাতের স্মৃতিসৌধকে দেবে নতুন প্রাণ।
এবারের স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকলে দ্বীপ্ত সপথে বলিয়ান হোক, যেনো শহীদের রক্ত বৃথা না যায়। সোনার বাংলাদেশ গড়ার এমনটিই প্রত্যাশা সবার।

ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে দেশের ভৌগোলিক স্বাধীনতা হুমকিতে পড়বে -মির্জা ফখরুল


স্টাফ রিপোর্টার : ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হলে বাংলাদেশের ভৌগোলিক স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিএনপি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এক আলোচনা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রকাশ করেন।
আগামী ৭ এপ্রিল ৩ দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত যাচ্ছেন। এই সফরে বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে গণমাধ্যম রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তবে সরকারের তরফ থেকে সফরের কথা জানানো হলেও চুক্তির বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এখন স্বাধীন আছি কিনা- এটা এখন বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের তো ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, রাজনৈতিক স্বাধীনতা নেই, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হুমকির মুখে। এখন আমাদের যেটাকে আমরা বলি জিওগ্রাফিকাল (ভূগোলিক) ফ্রিডম, সেটাও হুমকির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকে কেন্দ্র করে যে বিষয়গুলো আলোচিত হচ্ছে। এটা নিঃসন্দেহে সমগ্রজাতিকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আমরা জানি না, প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন, কি কি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন, এটা জনগণকে জানানো হয়নি, জনগণ জানে না। পত্র-পত্রিকাগুলোর মধ্যে যে  স্পেকুলেশনগুলো হচ্ছে, যেটা বলা হচ্ছে। এটাতে আমরা যারা স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি, যারা আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়ে এসেছি, আমরা উদ্বিগ্ন না হয়ে পারি না।
প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের বিরোধী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনো চুক্তি এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।
নয়া পল্টনে মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে মওলানা ভাসানী মিলনায়তনে আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঘোষিত শোভাযাত্রা সফল করার লক্ষ্যে এই প্রস্তুতি সভা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ভারতের সঙ্গে আমাদের যে পানি সমস্যা রয়েছে, যেটা আমাদের প্রধান সমস্যা তার সমাধান হওয়ার দরকার। আমাদের যে তিস্তা নদীর পানির চুক্তি এখনো হয়নি। গঙ্গার নদীর পানির একটা চুক্তি হয়েছে, সেটাও পূর্ণাঙ্গভাবে হয়নি। ৫৪টি নদীর পানির চুক্তি হয়নি, সেই পানি আমরা পারছি না।
গত কয়েকদিন আগে ভারতের একটি আদালত রায় দিয়েছে, নদীকে নদী হিসেবে দেখলে চলবে না, এটা একটা জীবন্ত মানুষের মতো। সেই নদীকে যদি রুদ্ধ করা হয়, যদি বিষাক্ত করা হয়, সেই নদীকে যদি বাঁধা দেয়া হয়, সেটা মানবহত্যার শামীল। আজকে দুঃখজনকভাবে সত্য বাংলাদেশের মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে এসে পড়েছে। সেদিকে সরকার ইতিবাচক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
অন্যদিকে পানিসম্পদ মন্ত্রীর মুখে আমরা শুনতে পাই, তিস্তা নদীর পানি চুক্তি হবে কিনা সে নিয়ে তিনি সন্দিহান। তালে কোন চুক্তি হবে?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা সেই দল, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, আমরা এই প্রশ্নের কখনো নতি স্বীকার করতে পারি না, আপোষ করতে পারি না।
বর্তমান সরকারকে নতজানু অভিহিত করে তিনি বলেন, দেশে একটার পর একটা ষড়যন্ত্র চলছে, কি করে এই নতজানু সরকারকে টিকিয়ে রাখা যায়। একদলীয় শাসনব্যবস্থার মতো তারা একটা শাসন চালাতে পারে, সেজন্য তারা কৌশল করে একের পর এক অত্যাচার-নির্যাতন-গুম-খুন করে বিরোধী পক্ষ অর্থাৎ যারা স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলে, জনগণের পক্ষে কথা বলে তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার  চেষ্টা করছে। কয়েকদিন ধরে জঙ্গি জঙ্গি হত্যা আমাদের গোটা জাতিকে উদ্বিগ্ন করে ফেলেছে। সন্ধ্যার পর রাস্তায় একেবারে খালি হয়ে যায়। মানুষ ভয়ে ঘর থেকে বের হয় না।
জঙ্গিবাদকে মোকাবিলা করতে সকল রাজনৈতিক দল ও মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে যে একটা সমন্বিত উদ্যোগ নেবে- সরকার তা নিচ্ছে না বলে অভিযোগও করেন ফখরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা কী দেখছি, কিছু একটা হলেই বিএনপির ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশে বিএনপিকে ঘায়েল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আসল রহস্য হচ্ছে, এখানে ঘরোয়া জঙ্গিবাদের কথা বলে রাজনৈতিক বিরোধী প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। প্রত্যেকবার একরকম ধোঁয়া তুলে বøক রেড করে বাড়িবাড়ি থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে জেলে দেন, নির্যাতন করা। এটা চলতে পারে না। সরকারকে বলছি, আপনি আগুন নিয়ে খেলছেন। আপনারা আমাদের কোন দিকে নিয়ে যেতে চান। আপনাদের আসল উদ্দেশ্যটা কী? যদি জঙ্গিবাদ উদ্ঘাটন করতে চান, অবশ্যই সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সত্য উদ্ঘাটন করুন।
স্বাধীনতা দিবসের র‌্যালী শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেয়ার আহŸান জানান বিএনপি মহাচিব।
তিনি বলেন, আমাদের জেগে উঠতে হবে। উটপাখির মতো বালুর ভেতরে মুখ লুকিয়ে চুপ করে বসে থাকলে চলবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একতরফাভাব নির্বাচনী প্রচারণা করছে অভিযোগ করে সকল দলকে প্রচারণার সমান সুযোগ দেয়ার দাবিও জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম।
মহানগর বিএনপির আহŸায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল। এই দলে সবচেয়ে বেশি মুক্তিযোদ্ধা আছে, অন্যকোনো দলে তা নেই। ২৬ মার্চ আমাদের র‌্যালী হবে বর্ণাঢ্য ও শান্তিপূর্ণ। দুপুর ২টায় নয়া পল্টন থেকে এই র‌্যালী শুরু হবে।
আব্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুস সালাম, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সাবেক এমপি ও মহানগর বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ, কাজী আবুল বাশার, ইউনুস মৃধা, মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। – See more at: https://www.dailyinqilab.com/article/71143/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B0%E2%80%8C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF#sthash.qAbLWDQW.dpuf

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের নিরঙ্কুশ জয়

 সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি-সম্পাদকসহ বিএনপিপন্থীরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে।আজ শুক্রবার সকালে দুই দিনব্যাপী এ নির্বাচনের ফল অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।সুপ্রিম কোর্ট বারের এবারের নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতি-সম্পাদকসহ আটটি পদে জয়লাভ করে বিএনপিপন্থীরা। অন্যদিকে আওয়ামীপন্থী প্যানেল থেকে একটি সহসভাপতিসহ ছয়টি পদে জয় লাভ করে।বিএনপিপন্থী নীল প্যানেলে সভাপতি পদে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, সম্পাদক পদে এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, সহসভাপতি পদে উম্মে কুলসুম রেখা, সহসম্পাদক পদে শামীমা সুলতানা (দীপ্তি) জয়ী হন। এ ছাড়া সদস্যপদে জয়ী হয়েছেন শেখ তাহসিন আলী, আয়েশা আক্তার, মৌসুমী আক্তার, মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান।অন্যদিকে আওয়ামীপন্থী সাদা প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে অজি উল্ল্যাহ, সহসম্পাদক পদে শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে রফিকুল ইসলাম হিরু, সদস্যপদে এ বি এম নূরে আলম উজ্জ্বল, হাবিবুর রহমান হাবিব ও কুমার দেবুল দে জয়ী হন।গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুইদিনব্যাপী সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। রাত ৮টার পর ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে মোট পাঁচ হাজার ৮১ ভোটারের মধ্যে তিন হাজার ৯২৮ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া স্যাটেলাইটের অরবিট ফ্রিকোয়েন্সি কোঅর্ডিনেশন বিষয়ক চুক্তি

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া স্যাটেলাইটের অরবিট ফ্রিকোয়েন্সি কোঅর্ডিনেশন বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির ফলে দক্ষিণ এশিয়া স্যাটেলাইটে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকায় বিটিআরসি ভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ ও ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা নিজ নিজ পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ বীনামূল্যে স্যাটেলাইট ভিত্তিক বিভিন্ন সেবার জন্য প্রস্তাবিত দক্ষিন এশিয়া স্যাটেলাইটের ক্যাপাসিটি ব্যবহার করতে পারবে।এছাড়া, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যেসব দেশ এই স্যাটেলাইটে যুক্ত হবে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ সুদৃঢ় হবে।চুক্তিসই অনুষ্ঠানে আরো জানানো হয়, প্রস্তাবিত দক্ষিণ এশিয়া স্যাটেলাইটটি ku ব্যান্ডে ১২টি ট্রান্সপন্ডার বিশিষ্ট জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট। যার সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে ভারত সরকার। চুক্তিটি আইটিইউ’র রেডিও রেগুলেশনস এর এ্যাপেন্ডিক্স ৩০বি আর্টিকেল ৬.৬ বিধান মোতাবেক করা হয়।চুক্তিসই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য বর্ধিষ্ণু অঞ্চলের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া অন্যতম। এতোকিছুর পরেও এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও বাণিজ্য কম। তবে বর্তমানে আমাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।স্যাটেলাইটে যুক্ত হওয়ার চুক্তি স্বাক্ষরটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে একটি বিশেষ বার্তা পৌঁছে যাবে, আমরা আর পিছিয়ে নেই।ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে অর্থনৈতিক, যোগাযোগসহ বিভিন্ন চুক্তি চলমান আছে। স্যাটেলাইটে যুক্ত হতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২ বছর ধরে আলোচনা চলছিল। দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনার ফলে মাত্র দুই বছরের মাথায় ব্যাতিক্রমি এই চুক্তিটি করা সম্ভব হয়েছে। এটা আমাদের জন্য আরো একটি মাইলফলক।এ চুক্তির মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, ২০১৪ সালে সার্ক সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয় বন্ধুরাষ্ট্রের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই স্যাটেলাইটের কথা বলেছিলেন। এটি একটি যোগাযোগভিত্তিক স্যাটেলাইট, পুরো দক্ষিণ এশিয়া এলাকা যার আওতায় আসবে।

চারশ’ মিলিয়ন ডলার খরচ করে বানানো এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয় অঞ্চলগুলোর  মধ্যে টেলি এডুকেশন, ব্রডকাস্টিং, দুর্যোগের আভাসসহ বিভিন্ন যোগাযোগ পেতে সহায়তা করবে।এটি দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক যোগাযোগে ব্যপক প্রভাব ফেলবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।কবে নাগাদ এটি উ‍ৎক্ষেপন করা হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দিনক্ষণ ঠিক হয়নি, তবে শীঘ্রই এটি সফলভাবে উৎক্ষেপন সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানে অডিও বার্তায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপনের ৭৫ ভাগের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২টি গ্রাউন্ড স্টেশনের প্রায় ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর সফলভাবে এটি উৎক্ষেপন সম্ভব হবে।আজ এ চুক্তির মাধ্যমে আমরা দক্ষিণ এশিয় স্যাটেলাইটে যুক্ত হতে যাচ্ছি যা আমাদের জন্য আরো একটি আনন্দের খবর।বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, দক্ষিণ এশিয় স্যাটেলাইটটি হবে ৪৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংসে। বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সাথে এটির পার্থক্য থাকবে ৭০ ডিগ্রি। ফলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে এর কোন প্রভাব পড়বে না।দক্ষিণ এশিয় স্যাটেলাইটের ১২টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে একটি আমাদেরকে ফ্রি দিচ্ছে ভারত সরকার। এই চুক্তির মাধ্যমে আমরা স্যাটেলাইটে আরো একটি মাইলফলক অর্জন করতে যাচ্ছি।অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারসহ ভারতীয় হাইকমিশন ও বিটিআরসির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-লংকা ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের চোখ থাকবে জয় দিয়ে র‌্যাঙ্কিং য়ে নিজেদের উন্নতি করার।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শনিবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এর আগে মাশরাফি বিন মুতর্জার দল সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। যেখানে তারা সিরিজই হারেনি হয়েছে হোয়াইটওয়াশও। সেবারও টাইগারদের সামনে সুযোগ ছিল র‌্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে ওঠার। এবার লঙ্কার বিপক্ষেও সেই সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে। তাই এই সিরিজে বাংলাদেশের চোখ থাকবে জয় দিয়ে র‌্যাঙ্কিং য়ে নিজেদের উন্নতি করার। বর্তমানে বাংলাদেশ ৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সাতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে র‌্যাঙ্কিংয়ের ছয়ে থাকা শ্রীলঙ্কার রেটিং পয়েন্ট ৯৮। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলে র‌্যাঙ্কিংয়ে দু’দলের রেটিং হবে সমান ৯৬ পয়েন্ট। তবে পয়েন্টের ভগ্নাংশের হিসেবে এগিয়ে থাকবে টাইগাররা। সেই হিসেবে লঙ্কাকে পিছনে ফেলে র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ঘটবে বাংলাদেশের। বিশেষ করে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে এখন থেকেই বাংলাদেশ দলকে প্রতিটি সিরিজেই চোখ রাখতে হবে র‌্যাঙ্কিংয়ের দিকেই।
ডামবুলাতে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ থেকেই জয়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। কারণ সিরিজে হেরে গেলে তাদের পয়েন্ট পাওয়ার পরিবর্তে হারানোর ভয়টাও কম নয়। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানধারী দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট ১১৯। এক রেটিং পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে প্রোটিয়াদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে অস্ট্রেলিয়া। ১১৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে নিউজিল্যান্ড। এক পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে ভারতের অবস্থান চারে। আর ১০৮ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে রয়েছে ইংল্যান্ড। ৯৮ পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কার অবস্থান এখন ছয় নম্বরে। স্বাগতিক লঙ্কানদের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারলেও রেটিং পয়েন্টে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে মাশরাফিদের। যেখানে বাংলাদেশের দুই রেটিং বাড়বে সেখানে এক রেটিং পয়েন্ট হারাবে উপল থারাঙ্গার দল। তখন দু’দলের রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান কমে আসবে। বাংলাদেশের চেয়ে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের অষ্টম স্থানে পাকিস্তান। ৮৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অবশ্য এরই মধ্যে সাতে থেকে বাংলাদেশ দল জুনে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিশ্চিত করেছে। তবে ইংল্যান্ডে হবে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেখানে সরাসরি খেলতে হলে অবশ্যই টাইগারদের ৮শ স্থান ধরে রাখতে হবে। যে কারণে সামনের প্রতিটি ওয়ানডে ম্যাচই হবে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ড্র করে দারুণ ফর্মে আছে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসানরা। গতকাল লঙ্কার বিপক্ষে তারা খেলেছে সিরিজের এক মাত্র প্রস্তুতি ম্যাচটি। সুযোগ পেয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে শক্তিশালী লঙ্কানরা ৩৫৪ রানের বড় এক লক্ষ্য ছুড়ে দেয়। কিন্তু জবাব দিতে নেমে সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমান ঝড় তুলে আউট হলেও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার ঝড়ো ফিফটি দলকে জয়ের পথ দেখায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২ উইকেট হাতে থাকতে হেরে যায় মাত্র ২ রানের জন্য। কিন্তু এই বিধ্বংসী ব্যাটিং ও শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করার ইচ্ছা থেকে বোঝা যায় দল ওয়ানডে সিরিজ জয়ের জন্য কতটা মুখিয়ে আছে। ২৫শে মার্চ প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দু’দল। রাঙ্গিরি ডাম্বুলা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়। একই মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচ ২৮শে মার্চ। এরপর সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ম্যাচটি হবে কলম্বোতে ১লা এপ্রিল। ওয়ানডে সিরিজ শেষ হতেই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি লড়াই। সিরিজের থাকছে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ৪ ও ৬ এপ্রিল।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »