Category: ক্রাইম রিপোর্ট

মেহেরপুরে মাদক পাচারকারীরা বেপরোয়া


মেহেরপুর প্রতিনিধি:মেহেরপুরে মাদক পাচারকারীরা আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। পুলিশের হাতে আটক ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদন্ড পাবার কয়েকদিন পরই জামিনে এসে তারা শুরু করছে মাদক পাচার। পুলিশের চিরুনী অভিযানের ভয়ে যে সব মাদক পাচারকারীরা আত্মসমর্পণ করেছিলেন তাদের সিংহভাগই আবারো জড়িয়ে পড়েছে মাদক পাচারে। এছাড়াও প্রশাসনের কথিত সোর্সদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদেও অনেকে মাদক পাচারে জড়িয়ে পড়ছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, মেহেরপুরে দু’শতাধিক চিহ্নিত মাদক পাচারকারীসহ অন্ততঃ পাঁচ শতাধিক মাদক সেবী রয়েছে। গত ৬ মাসে পুলিশ ৫০ জন মাদক পাচারকারী, ৬২ জন মাদক সেবীকে আটক করে। এছাড়াও ৫২ জন মাদক পাচারকারী আত্ম সমর্পণ করেন। এদের মধ্যে ৫৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদন্ড দেয়া হয়। বাকিদের নামে দেয়া হয় নিয়মিত মামলা। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ছাড়াও নিয়মিত মামলার আসামীরা আটকের কয়েকদিনের মাথায় জামিনে বেরিয়ে এসে শুরু করছেন মাদক ব্যবসা।
জানা গেছে, গাংনীর বাওটের চিহ্নিত মাদক পাচারকারী সামিয়ারা পরপর ১১ বার পুলিশের হাতে আটক হয়। প্রতিবার আটকের কয়েকদিনের মাথায় সে জামিনে এসে শুরু করে মাদক পাচার। একই গ্রামের সোহেলের নামে রয়েছে ৬টি মামলা। বামন্দির বুলুর স্ত্রী অঞ্জণার নামে রয়েছে ১২ টি মামলা। গাংনীর হল পাড়ার হাফিজুল ও তার স্ত্রী আলেয়া ও কনা পুলিশ ও র‌্যাবের হাতে ১৪ বার আটক হয়। ভ্রাম্যামাণ আদালতে তার সাজা হয় ৩ বার। তার পর থেমে নেই মাদক পাচার। এদিকে র‌্যাবের সোর্স পরিচয় দানকারী বামন্দির রিপন, ফিরোজ, দিঘিরপাড়ার বাদল ও তার স্ত্রী ১৬ বার আটক হয়। এরা সবাই জামিনে এসে শুরু করছে মাদক পাচার।
পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেসি সমন্বয় সভায় মাদক বিরোধি অভিযানের ব্যাপারে আলোচনার সময় জেলা প্রশাসনের কোন ম্যাজিস্ট্রেট আসেন না আবার কোন সমন্বয় করেন না। যাদেরকে মোবাইল কোর্টে সাজা দেয়া হয় তাদের পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত জামিন দিয়ে দেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, সিমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক পাচার হয়। অথচ সিমান্ত বাহিনীদের তেমন ভুমিকা পরিলক্ষিত হয়নি ।
বিজিবির পক্ষ থেকে দাবী করা হয়, বিজিবি সব সময় পুলিশের সহযোগিতা করে থাকে। মাদক পাচার বন্ধে জোর প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে বিজিবি। সিমান্ত এলায় যারা চিহ্নিত মাদক পাচারকারী ছিল তারা অনেকেই আত্মসমর্পণ করেছেন। আর যারা আছে তারা পলাতক। তবে মাদক নির্মূলে বিজিবি বদ্ধ পরিকর।

গাংনী মহিলা ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রমজান আলী জানান, মাদক পাচারকারী ও সেবীকে কারাদন্ড দেয়া ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক বিরোধি সেমিনার মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা উচিৎ। সেই সাথে মাদক পাচারকারী ও সেবীদের বিরুদ্ধে গণ সচেনতা সৃষ্টি করলে মাদক পাচার ও সেবন বহুলাংশে কমে যাবে।

গাংনী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, পুলিশ মাঠ পর্যায় থেকে মাদক পাচারকারীদের তালিকা করে অভিযান চালিয়ে পাচারকারী ও মাদক সেবীদেরকে আটক করে। পুলিশের চিরুনী অভিযানে মাদক ব্যবসায়িদের অনেকেই আত্মসমর্পণ করে। পরে প্রশাসনের কথিত সোর্সদের সহযোগিতা ও স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্ররোচনায় তারা অনেকেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ সুযোগ পেলেই আবারো তাদেরকে আটক করবে।

নওগাঁয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ জামাত নেতা আটক সহ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ


নওগাঁ প্রতিনিধিঃ আসন্ন ২৬শে ফেব্রুয়ারি বগুড়ার সান্তাহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিতের অভিযানে নওগাঁর পুলিশ ৩ জামাত নেতা আটক সহ ককটেল ও দেশিয় অস্ত্র (রামদা) উদ্ধার করেছে। সোমবার রাতে জেলার রাণীনগর উপজেলার ভান্ডারপুর গ্রামের হজরত আলীর ছেলে ইউনিয়ন জামাতের সেকেটারী আব্দুল মতিন (৪৮) কে তার নিজ বাড়ী থেকে ২টি ককটেল ও ২টি দেশিয় অস্ত্র (রামদা) উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া আত্রাই উপজেলার বান্দাইঘাড়া গ্রামের মৃতঃ আফতাবের ছেলে ছাইদুর রহমান (৪০) এবং মান্দা উপজেলার শীলগ্রাম গ্রামের নূও মোহাম্মাদের ছেলে বেলাল হোসেন (৩৭) কে তার নিজ বাড়ী থেকে আটক করেছে পুলিশ। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বিপিএম পিপিএম, জানান আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার সান্তাহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে নওগাঁয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করেছে। তিনি আরও জানান, আটক কৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার কারণে তারা পালাতক ছিল।

সুন্দরগঞ্জে এমপি লিটনের বোনের গাড়ীতে হামলা


গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুর ইসলাম লিটনের বড় বোন আফরোজা বারীর গাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পৌর শহীদ মিনারের পাশে মিছিল থেকে তার গাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে সুন্দরগঞ্জ পৌর শহীদ মিনারে ফুর দিয়ে আফরোজা বারী তার মাইক্রোবাসে করে বাড়ী ফিরছিলেন। এ সময় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে শহরে থানা ও পৌর ছাত্রলীগের মিছিল চলছিল। মিছিল থেকে হঠাৎ করে তার গাড়ীতে হামলা চালানো হয়। তারাপুর ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী লীগের সদস্য আজহারুল ইসলাম বলেন হামলার ঘটনায় তার গাড়ীর পেছনের গ্লাস ভাংচুর করা হয়েছে। তবে এ হামলায় কেউ আহত হয়নি। সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান জানান শহীদ মিনারে দিয়ে বাড়ীতে ফেরার পথে আফরোজা বারীর গাড়ীতে তার মেয়ের জামাই ছিলেন। কারা তার গাড়ীতে হামলা চালিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সুন্দরগঞ্জের এমপি লিটন হত্যায় সাবেক এমপি কাদের খান গ্রেফতার


গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল ডাঃ আব্দুল কাদের খানকে গ্রেফতার করেছে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ। ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার রহমান নগর এলাকায় তার স্ত্রী মালিকানাধীন শাহ গরীব ক্লিনিক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত চার দিন ওই বাসাতেই নজরদারিতে ছিলেন তিনি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন উধ্বর্তন কর্মকর্তা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকা-ে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের খানের সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন পুলিশ। তাকে গাইবান্ধার আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করবে ডিবি। আদালতে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার সম্ভাবনা আছে। আলোচিত এ হত্যাকা-ে জড়িত সন্দেহে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় আমির মোঃ সাইফুল ইসলাম ম-লসহ এখন পর্যন্ত কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের প্রত্যেককেই সাতদিন করা রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গ,গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের শাহাবাজ গ্রামে নিজ বাড়িতে এমপি লিটনের ওপর গুলি চালায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। আহত অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত্যু হয় তার।

সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের খালাতো ভাই নিহত


মোঃ গোলাম মোস্তফা, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি।
সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের খালাতো ভাই নুরুজ্জামান বাচ্চু (৫০)।সোমবার বিকেলে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের আমিনবাজার এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নুরুজ্জামান বাচ্চুর স্ত্রী জানায় তার স্বামী রাজধানীর পান্থপথ ফিরোজ টাওয়ারে মান বাংলাদেশ লিমিটেড এ ম্যাকানিক চিপ পদে চাকুরী করতেন। পরে আজ দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার নবীনগরে আসার জন্য তিনি ঢাকার অফিস থেকে মোটরসাইকেলে করে রওয়ানা দেন। এসময় তিনি ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের আমিনবাজার এলাকায় পৌছলে পিছন থেকে আসা দ্রুত গতির একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের পার্বতীনগর এলাকায় এনাম মেডিক্যাল অ্যান্ড কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিবির পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউএর ) লাইফ সাপর্টে তাকে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে আটটায় তাকে মৃত ঘোষনা করেন এনাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের অপারেশন (ওটি) ইনচার্য নাছির উদ্দিন ।
মান বাংলাদেশ লিমিটেড নামের ওই প্রতিষ্ঠানে লিফট সরবরাহ করা হতো। মান বাংলাদেশে লিমিটেডের মালিক বাংলাদেশের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের বড় ভাই হাবিব শাইখ । আর নিহত ওই ব্যক্তি হানিফ সংকেতের আপন খালাতো ভাই। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন।
নিহত ওই ব্যক্তি স্ত্রী মাহফুজা ও দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ভাড়া থাকতেন।এদিকে রাতে নিহত ওই ব্যক্তির লাশ নিতে হাসপাতালে আসার কথা রয়েছে হানিফ সংকেতের।নিহত ওই ব্যক্তির বাড়ি বরিশাল জেলার সদর থানার আস্তাকাটি গ্রামে। তার বাবার নাম ইয়াকুব আলী মাষ্টার।

জজ সাহেবের সহি-স্বাক্ষরীত জালিয়াতি করে কাগজটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দাখিল

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীর প্রতিবাদে মিথ্যা তদন্ত বিহীন তথ্য ও প্রযুক্তি আইন মামলার জরিত করায় উহা হইতে তদন্তের সহিত অব্যহতি পাওয়ার আবেদন জানান মোসাঃ মাহেনুর বেগম (২৮) পিতা মৃত মজনু তাং, স্বামী- আরিফ হোসেন, সাং শুক্তাগড়, উপজেলা – রাজাপুর, জেলা- ঝালকাঠি। তিনি এক লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন যে, আমার স্বামী আরিফ হোসেন, পিতা- আঃ আউয়াল ওরফে চুন্নু মাতুব্বর, সাং জগাইরয়াট, থানা-রাজাপুর, জেলাঃ ঝালকাঠী এর সহিত ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক গত ২৭/-৭/২০১৬ইং তারিখে রেজিঃ কৃত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার সহিত আরিফ হোসেন এর দীর্ঘ ৫ বছর যাবত ভালবাসার সম্পর্ক ছিল। বিবাহের পর আমার স্বামী আমাকে নিয়া ৪মাস ঘর সংসার করলে এর মধ্যেই ২/৩ বার আমার সাথে মারামারি ও যৌতুক দ্বাবি করে আসছে। বিবাহের পর আমি তাকে আমার জমাকৃত ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা দিয়াছিলাম। কিন্তু তিনি কোন কাজকর্ম না করে মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের সাথে জরিত ছিল। মাদক ব্যবসা ও সেবন বন্ধ করতে আমি তাকে নিষেধ করলে তিনি আমাকে মারপিট করতো এবং বলতো অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক টাকার মালিক হয়ে যাবে। এ ব্যপারে আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গন্যমান্য সহ প্রশাসনের সাথে ও বিষয়টি অবগত করি। এলাকার মাদক নিয়ন্ত্রন করার উদ্যেশ্যে গত ১১/০৬/২০১৬ইং তারিখে ইউনিয়ন পরিষদের মিটিং নং- ৬৪ এ একটি রেজুলেশন তৈরি করে এলাকার দাগী মাদক ব্যাবসায়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়। উহার মধ্যে আরিফ হোসেন বিখ্যাত মাদক ব্যাবসায়ী হিসাবে উল্লেখ্য রয়েছে।
গত ৩০/১১/২০১৬ইং তারিখে আমার স্বামী আমাকে মাদক সেবন করে মারপিট করে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং আমার কাছ থেকে আরো টাকা দাবী করে। পরক্ষনে আমি রাজাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন থেকে একটি অভিযোগ দাখিল করি যাহার নং জি.আর ১৭৭/২০১৬ রাজা, অভিযোগ পত্র নং- ০৭, তাং ৩০/০১/২০১৭ইং। আমার ঐ মামলার স্বাক্ষী সহ আমার স্বামীর গ্রামের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গন্যমান্য ব্যক্তি এবং আমার শশুর পক্ষের সাথে দীর্ঘ কাল ধরে শত্রুতা ছিল তাকে ও জরিয়ে মোকাম ঝালকাঠি মানব পাচার অপরাদ দমন ট্রাইবুনাল আদাল হতে ফৌজদারী মিস পিটিশন নং ১৮/২০১৭ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন/২০০৬ সংশোধীত ২০১৩ এর ৫৭ (২) ও ৬৬ (২) ধারায় একটি আদেশ নামায় রাজাপুর থানায় নির্দেশদেয় তদন্তের সহিত অভিযোগ প্রমানীত হলে এফ.আই.আর নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
*** কিন্তু দায়রা জজ আদালত ঝালকাঠির সেরেস্তা হতে যে আদেশ নামা মিস পিটিশন নং ১৮/২০১৭এর আনা হয় ্উহাতে উল্লেখ্য রয়েছে যে বাদীর অভিযোগ টি তদন্ত পূর্বক ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে এফ.আই.আর রুজুক্রমে তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানাকে নির্দেশ দেওয়া গেল। যাহার স্মারক নং ৩২৮, তাং ০৫/০২/১৭ইং
নালিশি মামলাটি গত ০১/০২/২০১৭ইং তারিখে আদালতে দাখিল করেন। এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে আমার নারী শিশু নির্যাতন মামলা নং জি.আর ১৭৭/২০১৬ রাজা কে নিস্পত্তি করার উদেশ্যে আমার মামলায় স্বাক্ষী ও স্থানীয় গন্যমান্য প্রতিনিধিকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালায়। আরো প্রকাশ থাকে যে গত ০৫/০১/২০১৭ইং তারিখে জিডি নং ৬৪২ রাজাপুর থানায় মিস পিটিশন নং- ১৮/২০১৭ইং এর অভিযোগের ২নং আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে হাহা আদালত থেকে খারিজ হয়ে যায়। বাদীপক্ষ বিজ্ঞ জজ সাহেবের সহি-স্বাক্ষরীত জালিয়াতি করিয়া কাগজটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দাখিল করে।
** কিন্তু পুলিশ সুপারের কর্যালয়ের সিলযুক্ত একাটি একইরুপ আদালতের আদেশ নামায় অনুলিপিতে লেখা বাদীর অভিযোগটি ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৬ (৩) ধার মোতাবেক এফ.আই.আর রুজুক্রমে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানাকে নির্দেশ দেওয়া গেল।
অর্থাৎ আদালতের থেকে প্রকৃত আদেশ নামায় যাহা উল্লেখ্য তাহা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের আদেশ নামায় নেই।
এমতাবস্থায় আমার মামলা জি.আর ১৭৭/২০১৬ রাজা এর আসামী আমার স্বামী আরিফ হোসেন ও তার ভাই রফিকুল ইসলাম আমাকে সহ আমার মামলার স্বাক্ষীদের প্রকাশ্যে প্রান নাশের ও মিথ্যা মামলায় জরিত করবে বলে হুমকি দিয়ে থাকেন এবং আরো বলেন আমার দ্বায়েরকৃত মামলাটি ১ মাসের মধ্যে তুলিয়া আনতে হবে।

টঙ্গীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান : ৪ হাজার পিস ইয়াবা,২০ কেজি গাঁজা ও ২০ লাখ টাকার মাদদ্রব্য উদ্বার ॥ গ্রেফতার-৬৯


এস,এম,মনির হোসেন জীবন / শহিদুল ইসলাম শিশির / জাফিয়া সুলতানা : গাজীপুর মহানগরীর শিল্পনগরী টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে গত ১০ দিনে ৪ হাজার পিস ইয়াবা,২০ কেজি গাঁজা ও প্রায় ২০ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য উদ্বার করেছে। এঘটনায় পুলিশ মাদকব্যবসায়ী,মাদকসেবী,সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ মোট ৬৯জন অপরাধীকে আটক করেছে। আটককৃতদেরকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে আজ মঙ্গলবার গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফিরোজ তালুদকার আজ মঙ্গলবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফিরোজ তালুদকার আজ জানান, গত ১২ ফেব্র“য়ারি থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত গত ১০দিনে টঙ্গী শিল্প এলাকার বিভিন্ন বস্তি ও মাদকস্পট গুলোতে ঝটিকা অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় থানা পুলিশ মোট ৬৯জনকে আটক করে। অভিযানে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য উদ্বার করা হয়েছে। উদ্বার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০ কেজি গাঁজা, হেরোইন ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য। উদ্বার করা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য। আটককৃতরা হলেন, মো: কামাল হোসেন, মো: ইমন, মো: ফারুক হোসেন, জাকির হোসেন, মো: সবুজ মিয়া, বোরহান উদ্দিন, মেহেদী হাসান, মো: সুলতান, মো: মিলন মো: সবুজ মিয়া ও মেহেদী হাসান। এদের প্রত্যেকের বয়স ১৫ থেকে ৩৫ এর মধ্যে। বাকীদের নাম জানা যায়নি। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন কিশোর, মাদকসেবী, মাদকব্যবসায়ী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী রয়েছেন। আটককৃতদেরকে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় টঙ্গী মডেল থানায় ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উদ্বার করা সোনার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৬টি সোনার বার উদ্বার ॥ দুই জন যাত্রী আটক


এস,এম,মনির হোসেন জীবন / শহিদুল ইসলাম শিশির / জাফিয়া সুলতানা : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক পৃথক ঘটনায় ৩ কেজি ওজনের মোট ২৬টি সোনার বার সহ দু’জন যাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টীম কর্তৃপক্ষ। আটককৃতরা হলেন মো: মামুন হোসাইন (৩২) তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায় এবং মোসলেম উদ্দিন (৩৩)। তার গ্রামের বাড়ি চট্রগ্রাম জেলায় বলে জানা গেছে। আটক করা সোনার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আটককৃত যাত্রী মামুন হোসাইন ও মোসলেম উদ্দিনকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টীমের সহকারী কমিশনার এ এইচ এম আহসানুল কবির আজ সোনার চালান আটকের খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টীমের সহকারী কমিশনার এ এইচ এম আহসানুল কবির আজ জানান, মালয়েশিয়া থেকে মালিন্দো এয়ারলাইন্সের (ওডি-১৬২) নম্বরের বিমানটি সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করেন। আর ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা মো: মামুন হোসাইন (৩২)। তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে গ্রিন চ্যানেল এলাকা দিয়ে বাহিরে বের হওয়ার সময় ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টীমের সদস্যরা তার কাছে শুল্কযোগ্য কোন ধরনের পণ্যসামগ্রী আছে কিনা সেটি জানতে চান। তখন জিঞ্জাসাবাদে যাত্রী মামুন হোসাইন শুল্ক কর্মকর্তাদের নিকট অস্বীকার করেন। পরে প্রিভেনটিভ টীমের কর্মকর্তারা সাথে থাকা চার্জার লাইটের ব্যাটারী স্ক্যান করেন। এসময় ব্যাটারীর মধ্যে ৬টি করে মোট ১৮টি সোনার বারের সন্ধ্যান খুঁজে পান। যার ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম। বাংলাদেশী টাকায় উদ্বার হওয়া সোনার মূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মো: মামুন হোসাইন (৩২) ঘটনার কথা পরবর্তীতে স্বীকার করেন। আটক করা সোনার বার গুলো কাস্টমস এর হেফাজতে আছে। তার বিরুদ্বে সোনা চোরাচালান আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
ঢাকা কাস্টমস হাউজের সহকারী যুগ্ন কমিশনার এস,এম সোহেল রহমান আাজ জানান, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মাস্কাট থেকে চট্রগ্রাম হয়ে রিজেন্ট এয়ারলাইন্স (আরএক্র-০৭২৪) নম্বরের বিমানটি ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌছায়। ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন চট্রগ্রাম জেলায় বাসিন্দা মোসলেম উদ্দিন (৩৩)। ঢাকা কাস্টমস হাউজের গোয়েন্দা প্রিভেনটিভ টীমের কর্মকর্তারা আজ বাসসকে আরও জানান, যাত্রী মোসলেম উদ্দিন চট্রগ্রাম থেকে বিমানে উঠে বিমানের টয়লেটে গিয়ে শরীরের মলদ্বার দিয়ে ৮টি সোনার বার তার পেটের মধ্যে কৌশলে প্রবেশ করান। তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে গ্রিন চ্যানেল এলাকা দিয়ে বাহিরে বের হওয়ার সময় ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টীমের সদস্যরা তাকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আটক করে। পরে তার শরীর ও পেট হাসপাতালে নিয়ে এক্র-রে করে ৯২৮ গ্রাম সোনার বারের সন্ধ্যান পান। যার মধ্যে ৮টি সোনার বার রয়েছে। প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১০ তোলা। উদ্বার হওয়া সোনার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪৬ লাখ টাকা। পৃথক পৃথক ঘটনায় আটক করা ২৬টি সোনার বার বর্তমানে ঢাকা কাস্টমস হাউজের হেফাজতে রয়েছে। আটককৃত যাত্রী মো: মামুন হোসাইন (৩২) ও মোসলেম উদ্দিন এর বিরুদ্বে সোনা চোরাচালান আইনে বিমানবন্দর থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের দু’জনকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

মির্জাপুরসহ টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলায় ভরা মৌসুমে ইউরিয়া সারের তীব্র সংকট॥


মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল,টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা
মির্জাপুর উপজেলাসহ টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলায় ভরা মৌসুমে ইউরিয়া সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।বোরো মৌসুমের শুরুতেই ইউরিয়া সারের সংকট থাকায় কৃষকরা সার না পেয়ে হাট বাজারে এমনকি কৃষি অফিস ও স্থানীয় সার ডিলারদের দ্ধারে দ্ধারে ঘুরছে।অনেকেই বাধ্য হয়ে চড়া দামে বাজার থেকে নিম্ন মানের পচা সার কিনছে বলে জানিয়েছে।ডিলারগনও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।আজ রবিবার মির্জাপুর উপজেলার সার ডিলার, কৃষি অফিস ও হাট বাজারে সার বিক্রির দোকান ঘুরে ইউরিয়া সার সংকটের সত্যতা পাওয়া গেছে।ভরা মৌসুমে ইউরিয়া সারের অভাবে অধিকাংশ এলাকায় বোরো জমি অনাবাদী থাকার আশংকা করছে কৃষকরা বলে জানিয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলায় গত ১০-১৫ দিন ধরে চলছে ইউরিয়া সারের তীব্র সংকট।উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, মির্জাপুরে একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে সরকারী ভাবে সারের ডিলার রয়েছেন ১৫।উপজেলার পৌরসভা, মহেড়া, জামুর্কি, ফতেপুর, বানাইল, আনাইতারা, ওয়ার্শি, ভাদগ্রাম, ভাওড়া, লতিফপুর, গোড়াই, তরফপুর, আজগানা ও বাঁশতৈল ইউনিয়নে এই ১৫ জন ডিলার কৃষকদের মধ্যে ইউরিয়া সারসহ বিভিন্ন সার ও বীজ বিক্রি ও বিতরণ করে থাকেন।কিন্ত এ বছর বোরো মৌসুমের শুরুতেই ইউরিয়া সারের সংকট থাকায় ডিলারগনও পরেছেন বিপাকে বলে জানিয়েছেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,মির্জাপুর ও টাঙ্গাইল জেলার ১২ উপজেলার সার ডিলারগন ইউরিয়া সার উত্তোলন করে থাকেন জামালপুর জেলার নান্দিনা যমুনা ইউরিয়া সার কারখানা থেকে।কিন্ত কোন কারন ছাড়াই কর্তৃপক্ষ কয়েক দিন পুর্বে রহস্য জনক কারনে টাঙ্গাইলের ডিলারদের যমুনা সার কারখানা থেকে ইউরিয়া সার উত্তোলন বন্ধ ঘোষনা করেন ।ফেব্র“য়ারি মাসে সার উত্তোলনের জন্য টাঙ্গাইলের সার ডিলারগন ৫০-৬০ ভাগ টাকা জামা দিয়েছেলেন যমুনা সার কারখানায় সার উত্তোলনের জন্য।পরে খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারেন যারা টাকা জমা দিয়েছিলেন তাদের ডিও দেওয়া যমুনা সার কারখানার পরিবর্তে পাবনার ইশ্বরদী সার খানায়।এই সার কারখানায় সার উত্তোলন করতে গিয়ে ডিলারগন দেখতে পারেন, তাদের যে সারের চালান দেওয়া হয়েছে তা চিন থেকে আমদানীকৃত পচা, দলামিশ্রিত এবং অতি নিম্ন মানের সার।এই সার দীর্ঘ দিন খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে পুরে নষ্ট হয়ে গেছে।অনেকেই এই সার নিয়ে এলেও কৃষকরা পচা ও নিম্ন মানের এ কিনছে না বলে জানা গেছে।ফলে ডিলারগনও পরেছেন চরম বিপাকে বলে জানায়।আবার এই পচা ও নিম্ন মানের সার কিছু কিছু মুনাফাভোগী ডিলার চরা দামে কৃষকদের মাঝে বিক্রি করছে বলে জামুর্কির এলাকার কৃষক আবুল বাশার(৬০) ও মহেড়ার কৃষক আবুল হোসেন(৫৫) অভিযোগ করেছেন।
অপর দিকে ডিলারগন অভিযোগ করেছেন, যমুনা সার কারখানা থেকে এক ট্রাক সার আনতে খরচ পরতো সারে সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকা।আর পাবনা থেকে এক ট্রাক সার আনতে খরচ পরছে ১৮-১৯ হাজার টাকা।তিন থেকে চারগুন টাকা খরচ দিয়ে সার এনেও তারা কৃষকদের মাঝে পচা ও জমাট বাঁধা সার বিক্রি করতে পারছে না।অপর দিকে একই অবস্থা বিরাজ করছে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা, বাসাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, কালিহাতি, ভুয়াপুর, ঘাটাইল, সখীপুর, গোপালপুর, মধুপুর ও ধনবাড়ি বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলায় ডিলারদের মাঝে যমুনা সার কারখানার ইউরিয়া সার সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে বিশেষ একটি সিন্ডিকেট চক্র এই সার জামালপুর ও শেরপুর জেলায় সরবরাহ করছে।পাবনার ইশ্বরদী সার খানায় জমা থাকা পচা সার বিক্রির জন্য মন্ত্রী ও উপরের মহলের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজসে এই কারসাজি হয়েছে বলে ডিলারগন অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা সার ডিলার সমিতির সহ-সভাপতি দেওয়ান মো. রেফাজ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যমুনা সারকারখানার ইউরিয়া সার সরবরাহ বন্ধ থাকায় তারা কৃষকদের মাঝে সার বিক্রি করতে পারছেন না।চিন থেকে আমদানীকৃত পাবনার ইশ্বরদী থেকে যে সার টাঙ্গাইলেল বিভিন্ন হাট বাজারে আসছে তা জমাট বাধা ও অতি নিম্ন মানের।এই সার কৃষকরা বাজার থেকে নিচ্ছে না।ফলে তারা বিভিন্ন স্থান্যে সারের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে।
এ ব্যাপারে কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,বিশেষ কারনে যমুনা সার কারখানা থেকে ইউরিয়া সার সরবরাহ সাময়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে।কিন্ত পাবনার ইশ্বরদী থেকে সার এনে ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছে।তবে এই সার সংকট বেশী দিন থাকবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১২টি সোনার বার সহ এক যাত্রী আটক


এস, এম, মনির হোসেন জীবন / জাফিয়া সুলতানা নূর : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১২টি সোনার বার সহ রাসেল খান (৩২) নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ। রাসেল খানের গ্রামের বাড়ি চট্রগ্রাম জেলার রাউজান থানা এলাকায় বলে জানা গেছে। ১০ তোলা করে প্রতিটি সোনার বারে মোট ১ কেজি ৩৯ গ্রাম। আটককৃত সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মঈনুল খান আজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান আজ জানান, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (বিজি-০৪৮) নম্বরের বিমানটি চট্রগ্রাম হয়ে ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এেেস অবতরণ করেন। বিমানটি দুবাই থেকে চট্রগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসার পথে ডোমেষ্টিক যাত্রী হিসেবে বিমানে উঠেন রাসেল খান। টাকার বিনিময়ে যাত্রী রাসেল খান চট্রগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার সময় আকাশে রেক্টামে সোনার বার গুলো প্রবেশ করান। আটককৃত সোনা গুলো বিমানে উঠার পর ১১/বি সিট থেকে সোনা সংগ্রহ করেন। দুবাই থেকে আগত কোন যাত্রী উক্ত পরিমান ১২টি সোনার বার সিটে রেখে গেছেন বলে জানান আটককৃত যাত্রী রাসেল খান। রাসেল খানের সিট নম্বর ১১/বি। আটককৃত সোনার বার গুলো দু’টি পোটলায় রেক্টামে লুকানো ছিল। টয়লেটে গিয়ে ১২টি সোনার বার প্রসব করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রী রাসেল খান প্লেনে উঠেন এবং নিজ শরীরে সোনার বার প্রবেশ করান। আটকের পর এক পর্যায়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জিঞ্জাসাবাদে সে সোনার চালান আনার কথা অকপটে স্বীকার করেন। যাত্রীকে আর্চওয়ে দিয়ে হাটিয়ে নিশ্চিত হয় শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। পরে মেটাল ডিটেক্টরেও যাত্রী রাসেল খানের পেটে সোনা থাকার সিগন্যাল পাওয়া যায়। রেক্টামে সোনার বার থাকার এসব লক্ষণ রাসেল খানের মধ্যে বিদ্যমান ছিল। এক পর্যায়ে ১০ তোলা করে প্রতিটি সোনার বারে মোট ১ কেজি ৩৯ গ্রাম সোনা উদ্বার করা হয়েছে। আটককৃত সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। আটককৃত সোনা গুলো কাস্টমস এর হেফাজতে আছে। এঘটনায় আটকৃত যাত্রী রাসেল খানের বিরুদ্বে প্রয়োজনীয় আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তাকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »