Category: কৃষি

হাওড়ে জেগেছে কৃষকের স্বপ্ন


জুবের সরদার দিগন্ত, দিরাই-শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ চৈত্রের শুরুর দিকে অকাল বন্যা ও অসময়ে বৃষ্টিপাতের কবলে পরে তালিয়ে যায় সুনামগঞ্জের প্রায় শতকরা নিরান্নব্বই ভাগ বোরো জমির ফসল। ফসল হারিয়ে কৃষকরা যখন হতাশায় ভেঙ্গে পরেছেন। ঠিক তখন মহান রাব্বুল আল-আমীন বন্যার পানি পুনরায় শুকিয়ে দিয়ে তলিয়ে যাওয়া ধান যা সম্পূর্ন পঁচে না গিয়ে সামান্য অংশ বেঁচে ছিলো তা মানুষের রিজেকের জন্য ভাসিয়ে দিয়েছেন। কৃষকরা তা অতি কষ্টে সংগ্রহ করলেও তাদের মুখে দেখা যাচ্ছে আনন্দের হাঁসি। তাদের মনে জেগেছে বাঁচার স্বপ্ন। তারা মনে করছেন একটু কষ্ট হলেও যত বেশি ধান সংগ্রহ করতে পারবেন তত দিন বেশি ছেলে-মেয়েদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারবেন। বছরের কয়েকটি মাস ছেলে-মেয়েদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার আশায় কৃষক-কৃষানীরা মাথার ঘাম পায়ে পেলে ডগা পঁচা ধান সংগ্রহ করতে ব্যাস্ত রয়েছেন দিন রাত। হাওরে ধান সংগ্রহের উৎসব দেখে মনে হচ্ছে এ যেনো ধান নয়, জেগেছে কৃষকের স্বপ্ন। লোহার রড দিয়ে বানানো বিন্দা দিয়ে পানির নিচ থেকে ধানের শিষ সংগ্রহ করে কৃষক-কৃষানীরা নৌকা বুঝাই করে নিয়ে আসছেন ডাঙ্গায়। হার ভাঙ্গা পরিশ্রম করে তা থেকে আলাধা করতে হয় ধান। হাওর থেকে সংগ্রহকৃত খরকোটো যুক্ত ধান কৃষক-কৃষানীরা প্রথমে কয়েক জায়গায় স্থুপ দিয়ে রাখকেন পানি ঝড়ানোর জন্য। এভাবে রাখতে হয় সপ্তাহ খানেক। পানি ঝড়ে যাওয়ার পর তা রোদে দিয়ে শুকাতে হয় তিন থেকে চার দিন। শুকানোর পর খরকোটো থেকে বেচে বেছে বের করতে হয় কালো রংয়ের ধান। সেই ধান রোদে শুকিয়ে ও বাতাশে উড়ানোর পর যে কয়টি সারি ধান পাওয়া যায় তা সংগ্রহ করেন সংসারের মানুষের মুখে দু’বেলা দু’মুঠো খাবর তুলে দেওয়ার জন্য। আজ বাদ কাল শুরু হচ্ছে রমজান মাস, রোজা রেখে এ ধরনের প্ররিশ্রম করতে পারেন না অনেক কৃষক-কৃষানীরা ফলে রোজার আগে পানি থেকে তুলেআনা ধান গুলোকে গোলায় তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে হাওর পারের কৃষক-কৃষানীরা। চাপতী হাওরপারের কৃষানী লাইলী বেগম বলেন, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে হয়তো বা ভিক্ষে করতে নামতে হতো, কিন্তু অশেষ দয়াশীল মহান রাব্বুল আলামীন তলিয়ে ধান পুনরায় ভাসিয়ে দিয়ে ছেলে-মেয়েদের মুখে দু’বেলা দু’মুঠো খাবার তুলে দেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ১৫/২০ দিন পরিশ্রম করে কয়েক মাসের খাবার সংগ্রহ করতে পেরেছি। বাকি দিন মানুষের বাড়িতে রোজের কাজ করে যা পাই তা দিয়ে আল্লাহর রহমতে কাটিয়ে নিতে পারবো ইনশা আল্লাহ। মনে এখন না খেয়ে মরার ভয় আর নেই।

পেয়ারা চাষে সাফাল্যের মুখ দেখছে কোটচাঁদপুরের পেয়ারচাষীরা

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে পেয়ারা চাষে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলায়। এই পেয়ারা চাষে কোটচাঁদপুরের চাষীদের ঘরে ঘরে সংসারের দুঃখ কষ্টের ভার লাঘব করেছে যেমন, তেমন সাফাল্যে আর ব্যাপক লাভের আশায় বুক বেধেছে লাভজনক পেয়ারা চাষে।পেয়ারাবাগান ভরে গেছে কোটচাঁদপুরের প্রতিটি গ্রাম। ঘরে ঘরে এখন পেয়ারার চাষ। স্বল্প খরচে অল্প পরিশ্রমে পেয়ারার চাষে লাভ ও দিগুন – জানালেন পেয়ারা চাষী বিশিষ্ট চিন্তক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মাষ্টার। কৃষি বিভাগ সূএে প্রকাশ কোটচাঁদপুর উপজেলায় এ বছর প্রায় ৫০০ হেক্টর অধিক জমিতে পেয়ারা চাষাবাদ হচ্ছে। সাফাল্যে ডালি এখন কোটচাঁদপুর পেয়ারচাষীদের ঘরে ঘরে। আনন্দে মাতোয়ারা কোটচাঁদপুরের সফল পেয়ারা চাষীদের। মানিকদিহি গ্রামের সফিকুল ইসলাম এ বছরে ৪ বিঘা পেয়ারা চাষ করেছেন। এছাড়া ও শফিকুল ইসলাম জানান যে, পেয়ারা চাষের মধ্যে সাথি ফসল হিসেবে ঝাল মরিচ, বেগুন, রসুন পেয়াজ ইত্যাদি চাষ করা যায়। তিনি আর ও জানান পেয়ারা বাগানা হতে পেয়ারা কলম কাটিন করে বছরে সেখানে প্রতি ২০ টাকা খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমিতে প্রতিটি চারা হতে প্রায় ৫০/৬০ টাকা হারে বিক্রয় করে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকা আয় হয়। আর সাথী ফসলে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে প্রায় প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় হয় বাৎসরিকে।

উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের ইয়াছিন আলী জানান প্রতি বিঘা জমিতে পেয়ারা চারা সহ জমি উপযুক্তকরন ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৩০/৪০ হাজার টাকা। সে জানায় প্রথম বছরে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ বাদে পেয়ারা বিক্রয় করে একজন চাষী ১ /২ লাখ আয় হতে পারে জমির গুনাগুন অনুযায়ী।দয়রামপুর গ্রামের জিমি শামীমুল হক জানান টেপি চারার চেয়ে গুটি চারার হতে পেয়ারার ধরন বেশি। বাজারে এই পেয়ারার চাহিদ অনেক বেশি। দাম ও বেশি। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের চাষীদের সাথে কথা বলা যায় কোটচাঁদপুর উপজেলার পেয়ারা চাষ করে চাষীরা সাফাল্যের মুখ দেখেছেন এবং সাবালম্বী হয়ে উঠছেন। যে কারনে কোটচাঁদপুর উপজেলার অধিকাংশ কৃষকরা পেয়ারা চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। অধিক লাভ জনক বলে সরেজমিন মাঠ পরিদর্শন করে কোটচাঁদপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছাঃ নাজমা খাতুন বলেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঠ পর্যায়ে আর সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পসুদে বা বিনা সুদে পেয়ারা চাষীদের কৃষি ঋনের ব্যবস্হা করা হয় তাহলে কোটচাঁদপুর অভাবনীয় পেয়ারা চাষে আরো সাড়া জাগাবে।

পীরগঞ্জে ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরন


পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সেলিমা খাতুন প্রধান অতিথি থেকে সবুজ বনায়ন ও পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরনে পীরগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলজ বৃক্ষেরচারা বিতরন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেছেন। গত সোমবার বিকেলে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গ্রীণ ভিশন গ্রামীণ সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে ওই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন তিনি। রংপুর জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট শাফিয়া খানম এর সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন‘ বঙ্গবন্ধু কল্যান ট্রাষ্টের সাবেক সদস্য সচিব ও অবসরপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তা সিদ্দিক হোসেন, রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম পিন্টু, পীরগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আ’লীগের সহ-সভাপতি মোনায়েম সরকার মানু, পৌর মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ তাজিমুল ইসলাম শামীম, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোকারম হোসেন চৌধুরী জাহাঙ্গীর, পাটগ্রাম আদিবাসী ভূমিহীন কল্যান সমিতির সম্পাদক রুজিনা সরেন, উপকারভোগী সদস্য হায়দার আলী প্রমূখ। শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরনের মাধ্যমে ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। গ্রীণ ভিশন কর্তৃপক্ষ জানান‘ সবুজ বনায়ন ও পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরনে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো মাল্টা, থাইপেয়ারা, বারির উদ্ভাবিত উন্নতজাতের বারি-৩ ও বারি-৪ জাতের চারাসহ ২ সহশ্রাধিক ফলজ চারা বিতরন করা হয়। আগামীতে উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে এ চারা বিতরন করা হবে।

পত্মীতলায় সিনজেনটা এস-১২০৩ জাতের ধান কর্তন উপলক্ষে ডিলার এবং কৃষককদের নিয়ে মতবিনিময় সভা

দিলিপ চৌহান, পত্মীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ সিন্জেনটা কোম্পানীর আয়োজনে পত্মীতলা বুধবার উপজেলার পাটিচরা ইউপির ঝুলিপাড়া গ্রামের কৃষক হুমায়ন কবিরের মাঠে লাগানো উন্নত জাতের সিনজেনটা এস-১২০৩ হাইব্রীড জাতের ধান কর্তন শেষে ডিলার এবং কৃষককদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সিনজেনটা নজিপুর সেলস ইউনিট এর সিনিয়র সেলস ইউনিট লীডার কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পত্মীতলায় কৃষি অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা রেজাউল করিম।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পত্মীতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী সহ স্থানীয় ডিলার, কৃষক প্রমূখ। উক্ত সভায় পোরশা, সাপাহার, পত্মীতলা সিনজেনটার ডিলার সহ এলাকার প্রায় ৪শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন। এসময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন উন্নত জাতের সিনজেনটা এস-১২০৩ হাইব্রীড জাতের উক্ত ধান কর্তন শেষে ধানের ফলন বিঘা প্রতি প্রায় ৩৩মন হওয়ায় এই ধানটি আবাদের জন্য উপস্থিত সকলকে উৎসাহ প্রদান করা হয়।

পত্নীতলায় সেচ সুবিধা সম্প্রসারন ও জলাবদ্ধতা দূরিকরনে বিএমডিএ’র দিনব্যাপী প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত


দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পত্নীতলায় আয়োজনে নওগাঁ জেলায় ভূ-পরিষ্ঠ পানির প্রাপ্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারন ও জলাবদ্ধতা দূরিকরন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কৃষকদের নিয়ে বুধবার দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষন বিএমডিএ রিজিয়ন-২ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত প্রশিক্ষনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন।
জেলায় ভূ-পরিষ্ঠ পানির প্রাপ্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারন ও জলাবদ্ধতা দূরিকরন প্রকল্প বাস্তবায়নে এক ফসলি জমি, দুই ফসলি জমি, তিন ফসলি জমিতে রুপান্তরিত, অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন করতে কৃষকদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সাধন, শষ্য ভূমি করন, তথ্য প্রকল্পের ভূমিকা ও লীড ফার্মারোজ সম্পর্কিত আলোচনা, খরা ও পানি সহিষ্ণু জাতের ধান বীজ রোপন, বীজের বালাই দমন, মেশিন ব্যবহার করে বিভিন্ন ফসলের বীজ বপন ও কর্তন, ফালি চাষ, বীনা কাটা পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপন, বিল সংলগ্ন এলাকায় জলা বদ্ধতা দূরীকরনে স্থানীয় কৃষকদের করনীয়ও শুষ্ক স্থানে আমন আবাদ সহ রবি শষ্য উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা, খননকৃত খালে সংরক্ষিত পানি দ্বারা বোরো আবাদের প্রবনতা বাড়ানো, খননকৃত খালের পানিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ, জৈব সার সম্পর্কিত খাদ্য প্রয়োগ সহ বিভিন্ন বিষয়ে কৃষকদের মাঝে প্রশিক্ষন প্রদান করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ প্রকাশ চন্দ্র সরকার, বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পত্নীতলায় সহকারী প্রকৌশলী আল মামুন অর রশিদ, মৎস্য সম্প্রসারন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম প্রমূখ। উক্ত প্রশিক্ষনে উপজেলার প্রায় ৫০জন কৃষক অংশ গ্রহন করেন।

অ্যারাইজ ধানী গোল্ড ধানের উপর মাঠ দিবস

নওগাঁ প্রতিনিধি: ‘‘ভাল ধানে ভাল জীবন’’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার অজয়পুর গ্রামে বৃহস্পতিবার অ্যারাইজ ধানী গোল্ড ধানের উপর মাঠ দিবষ অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.কে.এম মফিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বায়ার ক্রপ সায়েন্স লিঃ এর সিনিয়র এগ্রোনোমিষ্ট ফারুক হোসেন, টেরিটরি অফিসার শাহাদত হোসেন, ফিল্ড এ্যাসোসিয়েড আব্দুর হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আফাজ উদ্দীন প্রমুখ। সার্বিক উপস্থপনায় ছিলেন শ্রী সঞ্জীত কুমার। মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকদের অধিক ফলনের জন্য অ্যারাইজ ধানী গোল্ড ধানের বিভিন্ন ধরণের নির্দেশিকার উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মহাদেবপুরের বেগুন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায় অধিক লাভজনক হওয়ায় ধান ছেড়ে বেগুন চাষে ঝুকছে নওগাঁর মহাদেবপুরের কৃষকরা


নওগাঁ প্রতিনিধিঃ অধিক লাভজনক হওয়ায় ধান ছেড়ে বেগুন চাষে ঝুকছে নওগাঁর মহাদেবপুরের কৃষকরা। বেগুন চাষ করে একদিকে কৃষকরা যেমন আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন অন্যদিকে দেশের সবজির চাহিদা পুরনে উল্লে¬খযোগ্য ভুমিকা রাখছেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মহাদেবপুর সদর , রাইগাঁ , চেরাগপুর ও এনায়েতপুর ইউনিয়নে গত তিন বছর ধরে বোরো মওসুমে তাদের জমিতে বোরো ধান চাষ না করে বেগুন চাষ শুরু করেছেন। অধিক লাভজনক হওয়ায় এলাকার প্রত্যেক কৃষকই নিন্মে ৫ কাঠা থেকে সর্বোচ্চ দুই বিঘা পর্যন্ত জমিতে বেগুনের চাষ করেছেন। এসব এলাকায় মাঠে মাঠে এখন কেবল বেগুনের ক্ষেত। কৃষকরা যশোহরের ইসলামপুরী এবং সাদা গুটি জাতের বেগুন চাষ করেছেন। উপজেলার নাটশাল গ্রামের হানিফ ২৫ কাঠা জমি প্রতিবছর ১৫ হাজার টাকায় ৫ বছরের জন্য লিজ নিয়ে গত তিন বছর ধরে বেগুন চাষ করে তার সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে। ফটিকপুর গ্রামের নওশাদ আলী তার নিজস্ব এক বিঘা জমিতে করেছেন বেগুনের ক্ষেত। গোপালপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন তার ১০ কাঠা জমিতে এবং নাটশাল গ্রামের একরামুল হক ১৫ কাঠা জমিতে বেগুনের চাষ করেছে । এসব বেগুন চাষীরা জানিয়েছেন, বেগুন চাষে বোরো আবাদের চেয়ে পানি কম লাগে। সার ও শ্রমিক খরচও অনেক কম। তুলনামুলক ভাবে বাজারে মুল্য বেশী পাওয়া যাচ্ছে। এক বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করলে সব মিলিয়ে খরচ পড়ে প্রায় ১২/১৩ হাজার টাকা। ধান পাওয়া যায় সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ২০ মন। প্রতি মন ৭শ টাকা হিসেবে উৎপাদিত ধানের বাজার মূল্য সর্বোচ্চ ১৪ হাজার টাকা। উৎপাদন খরচ বাদ দিলে কৃষকের ঘরে লাভ তেমন কিছুই আসে না। অপরদিকে কৃষকদের বিবরন অনুযায়ী এক বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করতে সর্বোচ্চ খরচ পড়ে ২৬/২৮ হাজার টাকা। সেখানে পুরো মওসুমে তা বেগুন পাচ্ছেন প্রায় দেড়শ মন। বর্তমান বাজার অনুযায়ী গড়ে প্রতি মন বেগুন পাইকারী পর্যায়ে বিক্রি করছেন ৭শ টাকা। খরচ বাদ দিয়ে কৃষকরা ৭৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার পর্যন্ত লাভ করছেন। যার ফলে যে এলাকায় কোন দিন সবজি চাষ সম্ভব ছিল না সেখানকার কৃষকরা বেগুন চাষে এগিয়ে এসেছেন। তারা জানান আমন ধানের আবাদ ঘরে তোলার পর বোরো চাষের চিন্তা না করে বেগুন চাষের জন্য জমি প্রস্তুত শুরু করেন। বেগুন চাষের পর আবার তারা মনযোগ দেন আমন চাষের প্রতি। বেগুন চাষের পর আমন চাষের ক্ষেত্রে কৃষকদের দুটি লাভ হয়। এক্ষেত্রে জমিতে চাষ ও সার কম দিতে হয়। সেই কারনে সারের খরচও কমে যায় বলে সার্বিক ভাবে আমন চাষের উৎপাদন খরচও কম পড়ে। এতে কৃষকরা বেগুন চাষে অধিক লাভবান হচ্ছে। বেগুন বিক্রি করতে কৃষকদের কষ্ট করে হাটে বাজারে যেতে হয় না। পাইকারী কাঁচা তরকারী ব্যবসায়ীরা সরাসরি ক্ষেত থেকে কিনে নগদ টাকা দিয়ে যায়। এতেও তারা অনেক বেশী লাভবান হচ্ছেন। পাইকারী বেগুন ক্রেতারা জানিয়েছেন, এখানকার বেগুন কিনে নিয়ে তারা নওগাঁ জেলা পর্যায়ের বাজার ছাড়াও বগুড়া, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করেন। এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একে এম মফিদুল ইসলাম জানান, এ বছর উপজেলায় মোট ৪২০ হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষ হয়েছে। যা গত বছর বেগুন চাষের জমির পরিমান ছিল সাড়ে ৩শ হেক্টর। অবশ্যই বোরো চাষের চেয়ে বেগুন চাষ অধিক লাভজনক হিসেবে কৃষকদের নিকট পরিলক্ষিত হয়েছে। বেগুন চাষে পানি কম লাগে। সেচ খরচ একেবারে নেই বললেই চলে। একদিকে উৎপাদন খরচ কম অন্যদিকে ভালো বাজার মূল্য কৃষকদের বেগুন চাষে উৎসাহিত করে তুলছে। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগ কৃষকদের পাশে থেকে তাদের নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

আত্রাইয়ে কাঁঠালের মুচি পঁচা রোগে উদ্বিগ্ন চাষী


নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে কাঁঠালের মুচি পঁচা রোগ ব্যাপক হারে দেখা দেওয়ায় দুশ্চিতা করছেন চাষীরা। এ রোগের প্রতিকার সম্পর্কেও তারা ভালো ভাবে জানেন না। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের কাঁঠাল গাছে গাছে এ রোগ দেখা দিয়েছে। তবে কৃষিবিদের মতে, দেশের প্রায় সব অঞ্চলে প্রচুর পরিমানে কাঁঠাল উৎপাদন হলেও এর বড় একটি অংশ মুচি পঁচা রোগে নষ্ট হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা, বিশ্বে প্রায় ৫০ প্রজাতির কাঁঠাল রয়েছে। এসব প্রজাতির অনেক গাছেই খাওয়ার উপযোগী উৎপন্ন করে। এ ফল কাচা ও পাকা দুই অবস্থাতে খাওয়া যায়। তবে এ জাতীয় ফলের ১৩টি রোগ শনাক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি ছাত্রাকজনিত, একটি ভাইরাসজনিত, একটি শেওলাজনিত, একটি পরগাছাজনিত এবং ২টি শরীরবৃত্তীয় কারণজনিত রোগ। আমাদের দেশে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে কাঁঠালের গাছে গাছে ফুল বা মুচি আসতে শুরু করে। এসব মুচি থেকে কাঁঠাল হয়। মুচির মধ্যে স্ত্রী ও পুরুষ মুচি রয়েছে। পুরুষ মুচি থেকে কাঁঠাল হয় না। পরাগায়নের পর পুরুষ মুচিদের কাজ সম্পন্ন হয়। স্ত্রী মুচি আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে পুরুষ মুচিগুলো শুকিয়ে বা পঁচে ঝরে যায়। কিন্তু সমস্যা হল যখন পুরুষ-স্ত্রী মুচি নির্বিচারে পঁচতে শুরু করে আর এটি হয় রোগের কারণ। রোগটির নাম কাঁঠালের মুচি পঁচা রোগ।
এ ব্যাপারে উপজেলার সিংসাড়া গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা গায়ের মানুষ, তাই আমরা সব কিছু বুঝে উঠতে পারিনা। কাঁঠালের মুচি পঁচা রোগের লক্ষণ ও এ রোগের প্রতিকার সম্পর্কে আমরা না জানার কারণে প্রতি বছর বড় ধরনের কাঁঠাল উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। চলতি বছরেও আমার কাঁঠাল গাছে ব্যাপক হারে মুচি পঁচা রোগ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষক কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, কাঁঠাল গাছে মুচি পঁচা রোগ দেখা দিলে পঁচা মুচি মাটিতে না ফেলে গাছ থেকে অনেক দুরে নিরাপদ স্থানে মাটিতে পুঁতে ফেললে রোগ জীবাণু বেশি ছড়াতে পারবে না। এ রোগের উপর কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে আসছে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম কাউছার হোসেন জানান, এ রোগের আক্রমণ প্রথমে মুচি বা কচি ফলের উপর নরম ভেজা ভেজা ছোট ছোট বাদামী দাগ পড়ে। পরে এ দাগ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এক সময় এ দাগ কালো ছাতার মতো আবরণে ঢেকে যায়। তিনি আরো বলেন, এ রোগের জীবাণু পঁচা, আবর্জনা, কাঁঠাল গাছের সরা-পঁচা, ডাল-পালা ও আগাছা ইত্যাদির মধ্যে বেঁচে থাকে। তাই কাঁঠাল গাছ ও নিচের জমি পরিচ্ছন্ন রাখলে এ রোগ অনেক কম হয়। এছাড়াও আক্রমণ ফল ভিজা বস্তায় জড়িয়ে তুলে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করতে হবে। এতে করে মুচি পঁচা রোগ অনেকাংশে কমে গিয়ে ভালো ফল আসবে।

রাণীনগরে কৃষকদের মাঝে ফুটপাম্প মেশিন বিতরন


নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে কৃষি অফিসের উদ্যোগে উপজেলার ১০জন কৃষকদের মাঝে ফুটপাম্প মেশিন বিতরন করা হয়েছে। সোমবার খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি- ২য় পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে শতকরা ৫০% উন্নয়ন সহায়তায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে এই ফুটপাম্প মেশিন বিতরণ করা হয়। কৃষকরা সহজেই নিজেরা এই মেশিনের মাধ্যমে ফলগাছসহ অন্যান্য ফসলের জমিতে বালাইনাশক স্পে করতে পারবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এসএম গোলাম সারওয়ার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান পিন্টু, একডালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম, কালিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু, কৃষক জাহাঙ্গির আলম, মোবারক আলী, রশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

কালের আবর্তে ঝিনাইদহ জেলার গ্রাম থেকে হারিয়ে গেছে গ্রামীণ জনপদের বাংলার ঐতিহ্যবাহী হুক্কা


ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
কালে কালে বদলায় সমাজ হারিয়ে যায় অতীত ঐতিহ্য। কালের আবর্তে ঝিনাইদহ জেলার গ্রাম থেকে হারিয়ে গেছে গ্রামীণ জনপদের বাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুসঙ্গ হুক্কা। ৫০/৬০ দশকেও জনপ্রিয় ধুমপানের মাধ্যম ছিল হুক্কা। এক সময় বঙ্গদেশের কৃষক-শ্রমিক বাড়ির ওঠোনে সকালে ও বিকালে কাজের ফাঁকে আয়েসী ভঙ্গিতে এক ছিলিম তামাকের সাথে নারিকেলের আশে আগুন ধরিয়ে তা ছিলিমে দিয়ে পরমান্দে হুক্কা টানত। এতে কৃষকরা ক্লান্তি কেটে পরিতৃপ্ত পেত। জমিদার জোতদার ও গ্রামের মোড়লরা নানাভাবে তামাক তৈরি করে হুক্কায় টান দিয়ে পরম আনন্দে তৃপ্তির স্বাদ নিত।অধিকাংশ শ্রমিকরা নিজের ক্ষেতের তামাক শুকিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে তাতে নালী মিশিয়ে ছিলিমে করে ধুমপান করত। ঝিনাইদহ জেলার বংকিরা গ্রামের বদর উদ্দিন (৭০) বলেন তিনি একটানা ৪৫ বছর ধরে হুক্কা দিয়ে ধূমপান করেন। তিনি বলেন, আগে গ্রামের সবাই হুক্কা টানত। এখন হুক্কা ছেড়ে বিড়ি সিগারেট ও গাঁজা খায়। এই গ্রামে এখন আমি একাই হুক্কা টানি। হুক্কার নেশায় যারা অভ্যস্ত তারা হুক্কা ছাড়া থাকতে পারবে না। সকালে ঘুম থেকে ওঠে হুক্কার পানি বদলায়ে না খাইলে আমার পেট পরিষ্কার হয় না। আমার হুক্কা আমি নিজেই তৈরি করি।কিভাবে হুক্কা তৈরি করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝুনা নারিকেলের একটা মালাই দুটো ফুটো করে তার উপর কারুকার্য করা একটি কাঠের নল তৈরি করে তাতে মাটির তৈরি ছিলিম বা কলকি দিয়ে নারিকেলের মালাই ভর্তি পানি ভরালেই হুক্কা হয়ে যায়। আগের আমলে জমিদার জোতদারা পিতলের হুক্কা ব্যবহার করত।এখনও শখে হুক্কা টানেন এমন একজন জানালেন, দৈনিক ১০ হতে ১২ বার হুক্কা সেবন করেন তিনি। হুক্কা সেবন করতে খরচ কম নয়। এক সময় স্থানীয় বাজারে ‘তওমিটা’ পাওয়া গেলেও এখন আর পাওয়া যায় না। এখন এক কেজি তওমিটা ১০০ টাকা। তাও এলাকার একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ‘তওমিটা’ আনতে হয়। এদিকে দৈনিক সকালে হুক্কার পানি বদলাতে হয়। আর হুক্কার টিক্কা তৈরি করতে হয় শিম গাছের লতাকে পুড়িয়ে ও ভাতের মাড় দিয়ে। বিড়ি-সিগারেট থেকে হুক্কা সেবন ভালো কি না, জানতে চাইলে তিনি জানান, পাকিস্তান আমলে মহাজনের ঘরে দিনমজুরের কাজ করার সময় থেকে হুক্কা সেবন করে আসছি। সেজন্য এখনও সেবন করি। তবে হুক্কার স্বাদই আলাদা। হুক্কা সেবন করলে পেটে ভালো লাগে। বিড়ি-সিগারেট থেকে খরচ অনেক বেশি পড়ে। তিনি জানান, এক সময় ঘরে ঘরে হুক্কা সেবন চলতো। এখন হাজারে এক হুক্কা সেবন করা চোখে পড়বে। হুক্কা আর চোখে পড়ে না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই খাওয়া তো দূরের কথা চোখেই দেখেনি হুক্কা। হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেটসহ অন্যন্য মাদকদ্রব্য। বর্তমান প্রজন্মের জন্য হুক্কা একটি আশ্চর্য বিষয়। এদিকে বর্তমানে বিভিন্ন মানুষের কাছে হুক্কা থাকলেও এর উপাদানগুলো বাজারে না পাওয়ার কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে হুক্কা সেবন ছেড়ে দিয়েছে। সে সময় গ্রামের সাংস্কৃতির প্রাচীন নিদর্শন ছিলো হুক্কা। মজুর থেকে শুরু করে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত হুক্কার প্রচলন ছিল সর্বত্রই। বাহারি ধরনের হুক্কা তৈরি হতো নারকেলের মালাই দিয়ে। তার সঙ্গে সাবধানে লাগানো হতো কারুকার্য করা কাঠের নল আর তার ওপর মাটির ছিলিম বা কলকি বসিয়ে তামাক সাজানো হতো। নারকেলের মালাই ভর্তি থাকতো পানি। মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে সবাই হুক্কা খেতো। শীতের সকালে মহাজন বাড়ির কাচারি থেকে শুরু করে জমিদার বাড়ির কাচারি পর্যন্ত হুক্কা ছিল নিজস্ব জায়গায়। পালাবদল করে হুক্কা খাওয়া চলতো সবার মাঝে। জমিদার বাড়ির এবং স্বচ্ছল পরিবারগুলোতে হুক্কা ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। সেসব হুক্কায় থাকতো লম্বা পাইপ আর সেই লম্বা পাইপের মাথায় থাকা হুক্কা তামাক থাকতো। নলটি মুখে দিয়ে আয়েশ করে হুক্কা টানতা মহাজনরা। হুক্কার উপকারিতাও ছিল অনেক। দেহের পেটের পীড়া, শরীরের আঘাতসহ নানাবিধ রোগে হুক্কার পানি ছিল মহৌষধ। গরুর ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা করা হতো। হুক্কার স্থান দখল করে নিয়েছে বিড়ি-সিগারেট আর প্রত্যন্ত অঞ্চলে তামাক দিয়ে তৈরি এক ধরনের নেশা। আধুনিক যুগের ছেলেমেয়ে হুক্কা দেখেনি, তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পরিচয়ের জন্য হুক্কা সংরক্ষণ খুবই জরুরি।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »