Category: আন্তর্জাতিক

State Minister for Foreign Affairs Mr. Md. Shahriar Alam, MP attended the 15th ACD Ministerial Meeting in Abu Dhabi


Abu Dhabi, Tuesday, 17 January 2017
Hon’ble State Minister for Foreign Affairs H.E. Mr. Md Shahriar Alam, MP led the Bangladesh delegation at the 15th Ministerial Meeting of Asia Cooperation Dialogue (ACD) in Abu Dhabi on 17 January 2017. 34 Asian Countries participated in the meeting under the theme “Sustainable Energy”. Bangladesh is a Co-Prime Mover in two pillars of cooperation in ACD named 1) Inter-relation of Food, Water and Energy Security and 2) Connectivity. His Highness Sheikh Abdullah bin Zayed Al Nahyan, Minister of Foreign Affairs and International Cooperation of the United Arab Emirates chaired the meeting.
In the meeting, the State Minister stated in his speech that the continued economic growth of Bangladesh has created enormous demand for energy and power. Under the leadership of Hon’ble Prime Minister of Bangladesh Her Excellency Sheikh Hasina, Bangladesh has become able to produce 15,000 MW electricity. Government has an ambitious plan to produce 24,000 MW by 2021 and 40,000 MW by 2030. Bangladesh has installed 4.5 million solar home systems in remote and rural areas. The goal of Bangladesh is to create an energy mix with a good balance of renewable energy to attain sustainable development. At present Bangladesh is producing 430 MW electricity from renewable energy sources. Bangladesh expects that the Energy Action plan to be adopted by ACD would play an important catalytic role to respond challenges and opportunities that Asia facing today.
At the sideline of the ACD meeting, the State Minister called on H.H. Sheikh Abdullah bin Zayed Al Nahyan, Minister of Foreign Affairs and International Cooperation of the United Arab Emirates on 17 January 2017. The State Minister handed over a letter of condolence from Bangladesh Foreign Minister to UAE Foreign Minister on the death of five UAE officials in Kandahar, Afghanistan who were killed in a terrorist attack earlier this month. In the meeting both the Ministers discussed important bilateral issues. They agreed to strengthen bilateral cooperation in the field of civil aviation, trade, economic and cultural matters. The State Minister requested the UAE Foreign Minister to ease the visa process for Bangladeshi nationals including businessmen, workers and tourists. The UAE Foreign Minister assured that UAE Government would give due consideration in this matter. The UAE Foreign Minister appreciated the initiatives taken by Government of Bangladesh to develop skilled workforce and recruitment of manpower by other countries. He also requested the State Minister for active participation of Bangladesh at the Expo 2020 to be held in Dubai. Both of them emphasized on arranging high level visits, exchange of trade and cultural delegations and expressed their interests to work closely to further strengthen the relations between Bangladesh and the UAE. Ambassador of Bangladesh to the UAE Mr. Muhammad Imran, officials of the Embassy and officials of the Foreign Ministry of Bangladesh and the Foreign Ministry of the UAE were present during the meeting.

সিরিয়াকে ঘিরে পশ্চিমা রাজনীতি

রায়হান আহমেদ তপাদার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শুরু হওয়া স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডাযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্র জোটের। এ স্নায়ুযুদ্ধ ছিল ক্ষমতা ও আদর্শগত দ্বন্দ্বের মিশেলে। নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব আশা করেছিল তারা স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটাতে পেরেছে।কিন্তু ২০১০-এর দশকে এসে নতুনরূপে বিশ্ব আবার স্নায়ুযুদ্ধের যুগে ফিরে এসেছে।তবে নতুন এই স্নায়ুযুদ্ধের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর স্নায়ুযুদ্ধের পার্থক্য রয়েছে।সে সময় ক্ষমতার সঙ্গে ছিল আদর্শের মিশেল।আর এখন আদর্শ নয়, শুধুই ক্ষমতা ও বাজার দখলের লড়াই।বিশেষ করে এ বাজার হচ্ছে অস্ত্র ব্যবসার।নতুন এ স্নায়ুযুদ্ধোত্তর প্রতিদ্বন্দ্বী মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।ইউরোপে রাশিয়ার দোরগোড়ায় ইউক্রেন নিয়ে যা শুরু এখন মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে সিরিয়াযুদ্ধে তা প্রলম্বিত আকার নিয়েছে।প্রাগৈতিহাসিক শহর। চার বছর ধরে দেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন।আক্রান্ত।যুক্তরাষ্ট্র,তুরস্ক,সৌদি ও কাতারের দেওয়া অর্থ ও অস্ত্রের মদদে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস আকার ধারণ করে।এর পরের ধাপে তুরস্ক থেকে রীতিমতো প্রশিক্ষিত ভাড়াটে যোদ্ধারা শহর দখলে নেয়।শিয়া গণহত্যা ঘটানো হয় একাধিকবার। ছোট বাচ্চাদেরও শামিল করা হয় ওই ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’ গ্রুপে। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বন্দুক। তাদের শেখানো হয় কিভাবে সিরিয়া সরকারি সেনা দেখলেই গুলি করতে হয়।এভাবেই বেশ চলছিল।চুপ ছিল পশ্চিমা বিশ্ব।রাষ্ট্রসংঘে বসে কেউ এসব দেখতে পায়নি।এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটে রাশিয়া সক্রিয়ভাবে সিরিয়া সংকটে যোগ দেওয়ার পর।এখন পাশা উল্টে গেছে। রাশিয়া ও ইরানের সাহায্যে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী আলেপ্পোর পূর্ব অংশ পুনর্দখল করেছে চার বছর পর। আলেপ্পোর যুদ্ধ আসলেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্ট্র্যাটেজিক পরাজয়। তাই তারা ও তাদের তাঁবেদার মিডিয়া হাহাকার করছে।রাশিয়ার যোগদানের পর থেকে সিরিয়া সংকটে আরো একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো তুরস্কের শিবির বদল। তুরস্ককে ব্যবহার করেই প্রধানত আলেপ্পোসহ সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অংশে আল-কায়েদা, আল-নুসরা প্রভৃতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে ঢুকিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব।তারা ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’ সেজে সিরিয়ায় রয়েছে এবং একটানা সরকারবিরোধী সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।যে তুরস্ক তাদের সীমান্ত সর্বক্ষণ খুলে রেখে তাদের জন্য অস্ত্র সরবরাহ করেছে,সেই তুরস্ক কয়েক মাস আগে হঠাৎই বেসুরো গাইতে শুরু করে। ওয়াশিংটন বুঝতে দেরি করেনি। একদা তাদের বিশ্বস্ত এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সেনা-অভ্যুত্থান হয়, আর সেটা সম্পূর্ণ মার্কিন মদদেই। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ফলে তুরস্ক রাশিয়ার আরো কাছাকাছি চলে আসে।জুলাইয়ের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ১৫ দিনের মধ্যেই মস্কোতে বৈঠকে মিলিত হন এরদোয়ান ও পুতিন। বৈঠকের পরই দীর্ঘদিনের চেনা সুরের বদলে অন্য সুরে বলে ওঠেন এরদোয়ান সিরিয়া সংকট সমাধানে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাশিয়াকে প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের কপালের ভাঁজ চওড়া হয়।এখন প্রশ্নের মুখে তুরস্ক-ন্যাটো সম্পর্ক।ফের রুশ-তুরস্কের নয়া সম্পর্ককে ঝটকা দিতেই আংকারায় রুশ রাষ্ট্রদূতকে হত্যার ঘটনা ঘটল।কিন্তু রাশিয়া ও তুরস্ক কোনো প্ররোচনায় পা দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।তাই যৌথ তদন্তদল গঠিত হয়েছে।আর আজ শুধু রাশিয়া নয়,ইরানকেও সঙ্গে নিয়ে সিরিয়া প্রশ্নে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক সারা শেষ।২১ তারিখের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শেষে তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীর সাফ কথা, আলেপ্পোর সাফল্য সিরিয়ার বাকি অশান্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে দিতে হবে।সিরিয়াকে মুক্ত করতে হবে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে। চীনের শীর্ষস্থানীয় এক পত্রিকায় মঙ্গলবার অভিযোগ করে বলা হয়েছে,সিরিয়ায় ঠাণ্ডা লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।প্রতিপক্ষ দেশ দুটির উপলব্ধি করা উচিত,ঠাণ্ডা লড়াইয়ের যুগ গত হয়েছে এবংতাদের শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে এ সঙ্কটের সমাধানে এগিয়ে আসা উচিত বলেও মন্তব্য করেছে পত্রিকাটি।সম্প্রতি সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুশ বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর চীনা সরকারি পত্রিকায় এই সংবাদ ভাষ্য প্রকাশিত হয়।ক্ষমতাসীন দলের দৈনিক দা পিপলস ডেইলি’তে মঙ্গলবার সিরিয়ার ওপর প্রকাশিত সংবাদভাষ্যটিতে বলা হয়েছে,সিরিয়া নিয়ে ঠাণ্ডা লড়াইয়ের দিনগুলোর মত কূটনৈতিক ও সামরিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।পত্রিকাটির অভিযোগ ওয়াশিংটন ও মস্কো তৃতীয় একটি দেশের মাটিতে প্রভাব বিস্তারের জন্য সব ধরণের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।প্রতিদ্বন্দ্বী ওই দেশ দুটি পুরনো দিনের ঠাণ্ডা লড়াইয়ের মতই পরস্পরের বিরুদ্ধে আঘাত ও প্রতিঘাতের খেলায় মেতে ওঠেছে।কিন্তু আমরা এখন একবিংশ শতাব্দীতে রয়েছি।দেশ দুটির এই বাস্তবতা মাথায় রাখা উচিত।সিরিয়ার আভ্যন্তরীণ বিষয়ে মস্কো ও ওয়াশিংটনে র নগ্ন হস্তক্ষেপেরও সমালোচনা করেছে পিপলস ডেইলি।গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে সিরিয়ায় জিহাদিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু কেরছে রাশিয়া।তবে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো এই হামলার সমালোচনা করে বলেছে,সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বশির আল আসাদকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতেই এ হামলা শুরু করেছে মস্কো।এতদিন ধরে সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট।তারা আসাদের পতনকেই সিরিয়া সঙ্কটের একমাত্র সমাধান বলে মনে করে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধকে ‘প্রক্সি ওয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করে পিপলস ডেইলি বলছে,ওই দেশ দুটির এ যুদ্ধে সরকার বা বিরোধী দল কারো পক্ষ না নিয়ে এর একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চালানো উচিত।পত্রিকাটির ভাষায়,‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মত বৃহৎ দেশগুলো, যাদের সিরিয়ার ওপর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে, তাদের জরুরি ভিত্তিতে এই সঙ্কটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করা উচিত।মঙ্গলবার ‘জং শেং’(চীনের কণ্ঠ) নামের এক কলামে ওই ধারাভাষ্যটি প্রকাশিত হয়।এই কলামটিতে বিশ্ব রাজনীতির ওপর প্রায়ই নানা মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়ে থাকে।মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল হলেও ওই অঞ্চলে কূটনৈতিকভাবে কখনোই তেমন প্রভাবশালী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারেনি চীন।যদিও শুরু থেকেই তারা বলে আসছে, সামরিকভাবে সিরিয়া সঙ্কটের সমাধান করা যাবে না।স্বাভাবিক।আজ রাশিয়া,তুরস্ক,ইরান যেখানে তাদের সাফল্য দেখছে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব তাদের চরম বিপর্যয় দেখছে।আসলেই এক জটিল রাজনীতির পাশা খেলা চলছে সিরিয়াকে ঘিরে।আজ পাঁচ বছর পরে সিরিয়ায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে এক লাখের বেশি অসামরিক ব্যক্তি।এর মধ্যে আছে ১৫ হাজার শিশু ও ১২ হাজার নারী।দেশের মোট দুই কোটি ৩০ লাখ নাগরিকের মধ্যে ৫০ লাখ মানুষ দেশত্যাগ করে শরণার্থী হয়েছে এবং আরো ৬৫ লাখ হয়েছে গৃহহীন।যুদ্ধকবলিত অঞ্চলগুলোর সব শিশুই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।২০১১ সালের পর যারা জন্মেছে তারা শুধু যুদ্ধই দেখছে,বোমা হামলাই দেখছে।এটাই তাদের শৈশবের জগৎ।একটানা বোমা হামলা হবে।তা থেকে বাঁচার জন্য দৌড়াতে হবে,মাটির নিচে আশ্রয় নিতে হবে, মাঝেমধ্যেই অভুক্ত থাকতে হবে।সিরীয় শিশুদের জন্য এটাই রোজনামচা। আলেপ্পোর বর্তমান যে পরিস্থিতি তাতে যে কোনো সময়ই হিজবুল্লাহসহ ইরান, আফগানিস্তান ও ইরাকের শিয়া বাহিনীর সহযোগিতায় তা দামেস্ক সরকারের পূর্ণ করায়ত্ত হতে যাচ্ছে। সিরিয়া সামনে এক মারাত্মক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় কাজের সুযোগ ক্রমেই হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। আর এজন্য সে পূর্ব আলেপ্পোর আল-নুসরা ও আইএস দখলদারী এলাকায় বেসামরিক লোকদের ওপর রাশিয়ার বিমান হামলার ব্যাপারে ‘সতর্ক’ করে দিয়েছে। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে পূর্ব আলেপ্পোর ধ্বংসযজ্ঞ ও মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের সংবাদ ও তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হচ্ছে। দামেস্কের সরকারি বাহিনী ও জিহাদিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বলবৎকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে সরকারি বাহিনীর ওপর বিমান হামলা চালিয়ে চুক্তির বরখেলাপ করে, তা অনেকটা উহ্যই থেকে যায়।বস্তুত এ কারণেই ভেঙে যায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য আসতে থাকে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা রাশিয়াকে এই বলে হুশিয়ার করে দেন যে, রাশিয়ার সৈন্যদের শিগগিরই ‘লাশ’ হয়ে সিরিয়া ছাড়তে হবে। আরো বলা হয় যে, মস্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হলে তারা তাদের উপসাগরীয় এলাকার সহযোগীদের (সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা) মাধ্যমে বিদ্রোহীদের (আল-নুসরা ও আইএস) আরো উন্নত অস্ত্র সরবরাহ করবে।অর্থাৎ আফগান মুজাহিদিন দের যে বিমান বিধ্বংসী মিসাইল (ম্যানপ্যাড) সরবরাহ করা হয়েছিল, সেই অস্ত্র বিদ্রোহীদের দেওয়া হবে। সিরিয়ায় রাশিয়ার আসল মতলব কী?নোংরা কাজ অন্য কেউ করে দিলে আপত্তির কারণ থাকতে পারে না৷ কিন্তু অভিযোগ, জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর বদলে রুশ বোমারু বিমান সিরীয় বিদ্রোহীদের উপর হামলা চালাচ্ছে৷ রাশিয়া তা নস্যাৎ করে দিয়েছে৷ রাশিয়ার বক্তব্য, তারা সিরিয়ার সরকারের আমন্ত্রণেই হামলা চালাচ্ছে৷ অর্থাৎ বাশার আল-আসাদ সরকারকে সরাসরি সাহায্য করাই রাশিয়ার উদ্দেশ্য৷ রাশিয়াই আইএস-এর মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বেশি আন্তরিক৷ নিজেদের বক্তব্যের সম্মেলনে তারা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে৷কিন্তু ওয়াশিংটনের অভিযোগ, আইএস-এর বদলে বিদ্রোহীদের দমন করাই পুটিন ও আসাদের মূল উদ্দেশ্য৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সরাসরি এ বিষয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন৷ভবিষ্যতে সিরিয়ায় রুশ-মার্কিন সংঘাতের আশঙ্কা দূর করতে দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা পারস্পরিক সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসতে চলেছে৷সিরিয়া সংকটের জটিলতা ও বিভিন্ন পক্ষের স্বার্থের সংঘাতের বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন অনেকে৷সিরিয়াকে ঘিরে অ্যামেরিকা, রাশিয়া ও ইরানের স্বার্থের সংঘাত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল৷ওবামা আন্তর্জাতিক সংকটগুলি থেকে দূরে থাকার নীতি নেওয়ার ফলে শূন্যস্থান পূরণ করতে পুটিন এগিয়ে এসেছেন এই অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যাঙ্গচিত্র শেয়ার করেছেন অনেকে৷

ব্রুনাইয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদ্যাপন

ব্রুনাই দারুসসালাম, ২৯ ডিসেম্বর : বাংলাদেশ হাইকমিশন, ব্রুনাই দারুসসালামে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১৬ উদ্যাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন ব্রুনাই শ্রম উইং আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রুনাই দারুসসালামে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল মাহমুদ হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই কাউন্সেলর (শ্রম) শফিউল আজিম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী মহোদয়ের বাণী পাঠ করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ব্রুনাই ও বাংলাদেশের গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বলেন, এ দেশের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী ও উদ্যোক্তাগণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন একই সাথে রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে নিজ দেশের অর্থনীতির মজবুত ভিত্তি তৈরিতে অবদান রাখছেন। তিনি প্রবাসীদের কল্যাণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উলেøখ করে বাংলাদেশের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষায় অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সংশ্লি সকলের দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি আরো বলেন, আসন্ন ভবিষ্যতে ব্রæনাইতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের চাহিদা বাড়বে। এখন থেকেই উভয় সরকারের দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা একান্ত প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে রাজকীয় ব্রুনাই পুলিশ ফোর্স, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস, ডিপার্টমেন্ট অভ্ লেবার, ডিপার্টমেন্ট অভ্ ইমিগ্রেশণ ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত ব্রুনাই মানবপাচার সংক্রান্ত কমিটি’ মানবপাচার সংক্রান্ত আইনের তদন্ত প্রক্রিয়া ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতামূলক ব্রিফিং উপস্থাপন করে। বাংলাদেশের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর বিভিন্ন দিক ও এর প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জনশক্তি সংক্রান্ত প্রামান্য চিত্র ‘ঞযব ডড়ৎশ-যবৎড়বং ড়ভ ইধহমষধফবংয’ প্রদর্শন করা হয়।

চালকবিহীন যুদ্ধ বিমান তৈরী করেছে চীন

চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন হয়ে গেল চীনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফ ৩৫ বিমানের বদলা হিসেবেই জে ৩১ মডেলের এই বিমানের পরীক্ষা করা হলো বলে মনে করছেন অনেকে। ওই মার্কিন বিমানের চেয়েও এটা উন্নতমানের বলে কেউ কেউ বলছেন।সোমবার সংবাদমাধ্যমকে জানানো হলেও, এই বিমানের সফল পরীক্ষা করা হয়েছে শুক্রবার। জানানো হয়েছে, নতুন এই চালকবিহীন বিমানে রয়েছে অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিন যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অজস্র অস্ত্রশস্ত্র।চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘‌বিমানের গঠন, ডানা এবং ইঞ্জিনে অনেক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ’ বিমান তৈরি করেছে চীনেরই একটি সংস্থা। প্রয়োজনে বিদেশেও এই বিমান বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। দাম পড়বে ৪৭৪ কোটি ডলার। ‌

ভারতের ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা

ভারত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ করার কথা দাবি করেছে। ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) তথ্যমতে, ওডিশার কালাম দ্বীপ থেকে আজ সোমবার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। তাদের ভাষ্য, ‘অগ্নি’ পরিবারের মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্র সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা অনেক বেশি। আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিআরডিও সূত্রে জানা যায়, অগ্নি-৫ উৎক্ষেপণের আগে ভারতের অস্ত্রভান্ডারে এই পরিবারের যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, তা সবই মাঝারি দূরপাল্লার।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম অগ্নি-৫ প্রায় ​এক হাজার কেজি যুদ্ধাস্ত্র বহনে সক্ষম। এটি পাকিস্তান, চীনসহ পুরো এশিয়া, এমনকি ইউরোপের অভ্যন্তরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। ১৭ মিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট অগ্নি-৫-এর ওজন ৫০ টনের মতো। এতে অতি ক্ষিপ্রতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের ব্যবস্থা রয়েছে। ভারত অগ্নি-৫-এর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে ‘শান্তির অস্ত্র’ বলে উল্লেখ করেছে।

ডোনাল ট্রাম্প পারমানবিক বোমার উৎপাদান বাড়াতে চান?

হুঙ্কার যেন থামতেই চাইছে না। প্রাক্‌ নির্বাচনী সময়ে যে ভাবে বলতেন, এখনও একই ভঙ্গিমায় কথা বলে চলেছেন তিনি। বরং যত দিন যাচ্ছে, ততই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাঁর বক্তব্য। এ বার আরও এক ধাপ এগিয়ে গোটা দুনিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় সামিল হওয়ার আহ্বান জানালেন তিনি। অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে এখনও শপথ নেওয়া বাকি রয়েছে।

তিনি আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট (প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট) ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু অস্ত্র প্রসঙ্গে তাঁর করা একটি টুইট আপাতত গোটা দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে। কী লিখেছেন ট্রাম্প? আমেরিকাকে তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার আরও শক্তিশালী করতে হবে। এবং যত ক্ষণ পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে গোটা দুনিয়ার হুঁশ না ফেরে, তত ক্ষণ তার বিস্তারও বাড়িয়ে যেতে হবে। তাঁর মতে, দুনিয়াজোড়া একটা পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত। তা হলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তাঁর এমন মন্তব্যে গোটা দুনিয়া জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শপথ নেওয়ার আগেই এ কী বলছেন ট্রাম্প? তবে কূটনীতিকদের ধারণা, ট্রাম্প অহেতুক এমন টুইট করেননি। সম্ভবত এর মাধ্যমে রাশিয়াকে চাপে রাখতে চেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও রাশিয়ার পরমাণু শক্তি বাড়ানো উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর মতে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী যে কোনও শত্রুকে পরাস্ত করতে পারে। তবুও নিজেদের পারমাণবিক ক্ষমতা আরও বাড়ানো উচিত রাশিয়ার। কারও নাম না করে ট্রাম্পের টুইটটি আসলে পুতিনের সেই মন্তব্যেরই জবাব বলে কূটনীতিকদের একাংশের ধারণা। তবে ট্রাম্প যাই বলুন না কেন, আমেরিকাকে যে পুতিন উপযুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখেন না, সে কথাও শুক্রবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

যদিও হোটাইট হাউসের মুখপাত্র সিয়ান স্পাইসার জানিয়েছেন, আদতে পরমাণু শক্তির লড়াই চান না প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট। ওই মুখপাত্রের দাবি, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অন্য কোনও দেশের হুঁশিয়ারি শুনে তিনি যে মোটেও পিছিয়ে আসা বা সেটা বরদাস্ত করার মানুষ নন, গোটা বিশ্বকে সেই বার্তাই দিতে চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট।

সূত্র ঃ আনন্দ বাজার

আবার দুই পরাশক্তির পারমানবিক শক্তি প্রদর্শনের উন্মত্ততায় পেয়ে বসতে পারে

প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প আচমকা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র জন্য বলা ‘ব্যাপকভাবে জোরদার এবং পারমাণবিক সামর্থ্য প্রসারিত’ পর্যন্ত বিশ্বের বাকি সংক্রান্ত পারমাণবিক অস্ত্র তার অজ্ঞান আসে ‘. টুইটারে তাঁর মতামত ঘণ্টা পর রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, তার দেশের পরমাণু ক্ষমতা শক্তিশালীকরণ আগামী বছরের মধ্যে একটি প্রধান সামরিক উদ্দেশ্য হওয়া উচিত. প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত বিবৃতি শীর্ষ পেন্টাগন কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা ঠিকাদার সঙ্গে এক দিন আগেই তার সভা অনুসৃত. ভেরী, যারা ফ্লোরিডার তার প্রাসাদোপম ব্যক্তিগত ক্লাবে ছুটির কাটাচ্ছেন, কর্ম তিনি মার্কিন নিতে বা বলি কেন সে বিষয়টি উত্থাপন বৃহস্পতিবার চায় সম্প্রসারণ করা হয়নি. মুখপাত্র জেসন মিলার বলেন, প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট পারমাণবিক বিস্তার হুমকি উল্লেখ ছিল ‘বিশেষ করে এবং সন্ত্রাসী সংগঠন এবং অস্থির এবং দুর্বৃত্ত শাসকদের মধ্যে.’ মিলার বলেন ভেরী শক্তি দিয়ে শান্তি অনুধাবন করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে জাতির প্রতিবন্ধক সামর্থ্য ‘আধুনিকায়নের সূচিত. ‘ভেরী পারমাণবিক মজুদ একটি সম্প্রসারণ নেওয়া হয়, তাহলে এটা জাতীয় নিরাপত্তা নীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি ধারালো স্থানান্তর চিহ্নিত করবে. প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা 2009 সালে পারমাণবিক অস্ত্রবিস্তার রোধ তার এজেন্ডা একটি শৌখিন আসবাব করেছেন, কলিং মার্কিন পরমাণু অস্ত্র বিশ্বের পরিত্রাণ প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য – একটি লক্ষ্য তিনি স্বীকার দ্রুত বা খুব সহজেই সম্পন্ন করা যাবে না. তা সত্ত্বেও, মার্কিন তার বার্ধক্য পারমাণবিক অস্ত্রাগার আপগ্রেড করার পরিকল্পনা অগ্রগতিশীল হয়েছে. এই বছরের শুরুর দিকে, প্রতিরক্ষা সচিব অ্যাস্টন কার্টার পেন্টাগন আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে 108 বিলিয়ন $ ব্যয় এবং বজায় রাখা তার পারমাণবিক শক্তি উন্নত করার পরিকল্পনা. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া বিশ্বের পরমাণু অস্ত্র গরিষ্ঠাংশ রাখা. 2010 সালে দুই দেশের নতুন স্টার্ট চুক্তি পারমাণবিক ওয়ারহেড ও ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার প্রতিটি দেশের ভোগদখল করতে পারে সংখ্যা capping স্বাক্ষর করেন. চুক্তি 2021 পর্যন্ত কার্যকর হয় এবং অন্য পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো যেতে পারে. টমাস Karako, স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ সেন্টারের সিনিয়র সহকর্মী বলেন, মার্কিন পারমাণবিক শক্তি গত ব্যাপক পর্যালোচনা – যা ওবামার প্রথম মেয়াদের পরিচালনা করা হয়েছিল – ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে সম্পর্কের রিসেট করতে প্রচেষ্টা পরিপ্রেক্ষিত বিরুদ্ধে ঘটেছে. সম্পর্ক থেকে ওবামা ও পুতিন সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদের জন্য ইউক্রেন রাশিয়া এর প্ররোচনা ও সমর্থনের উপর clashing সঙ্গে অবনতি হয়েছে. ‘আমরা প্রয়োজন অকপটে গাধার কি পরিবেশ এবং কি সম্ভাবনা বর্তমান চুক্তিসমূহ সঙ্গে রাশিয়ান সম্মতি জন্য হয়,’ Karako বলেন. ভেরী বারবার রাশিয়া সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে আহ্বান জানিয়েছেন এবং পুতিন সম্পর্কে সুবিধাজনকভাবে উচ্চারিত হয়েছে. ডেমোক্র্যাটদের ক্রেমলিন তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আছে, বিশেষ করে পর মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মূল্যায়ন যে রাশিয়া ভেরী পক্ষে মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের ছিল. পুতিন রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বার্ষিক বছরের শেষ বৈঠকে তার দেশ পারমাণবিক সামর্থ্য রাখেন. তিনি বলেন, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্স করতে পারে উন্নত করা উচিত ‘বর্তমান ও ভবিষ্যত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ.’ পূর্ব ইউরোপে মার্কিন সমর্থিত ক্ষেপণাস্ত্র ঢাল ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে টান আরেকটি উৎস হয়েছে. রাশিয়া যুক্তি সিস্টেম একটি হুমকি, যখন মার্কিন ও ন্যাটো কর্মকর্তারা বলছেন এটা ইউরোপ লক্ষ্য থেকে ইরান নিরস্ত বোঝানো. মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রাগার রাষ্ট্র খুব কমই রাষ্ট্রপতি প্রচারাভিযানের সময় বক্তৃতা করেন. ব্যাপ্তি এটি ছিল, ভেরী তার বিবরণ ভীরু বুঝতে দেখিয়েছেন. রিপাবলিকান প্রাথমিক বিতর্ক সময় তিনি একটি পারমাণবিক তেতার, পারমাণবিক হামলা জন্য সাবমেরিন, ভূমি-ভিত্তিক মিসাইল ও কৌশলগত বোমারু স্নায়ুযুদ্ধ যুগের সমন্বয় ধারণার সঙ্গে অপরিচিত হাজির. ভেরী এর খাতিরে প্রচারাভিযান প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটন বারবার জাতি পরমাণু অস্ত্রাগার নিয়ন্ত্রণে আছে খুব অস্থির এবং অনির্দেশ্য যেমন রিপাবলিকান নিক্ষেপ. প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত রূপান্তর ওয়েবসাইটে বলেছেন তিনি ‘স্বতন্ সর্বনাশা পারমাণবিক অস্ত্র ও cyberattacks দ্বারা যাকে জাহির হুমকি স্বীকৃতি,’ যোগ করেন যে তিনি পারমাণবিক অস্ত্রাগার আধুনিকরণ করবে – এ আরও দেখুন ‘এটা একটা কার্যকর প্রতিবন্ধক হতে চলতে নিশ্চিত করা

Rushanara Ali calls on Foreign Minister

Dhaka, 21 December :
Rushanara Ali MP, the UK Prime Minister’s Trade Envoy for Bangladesh called on Foreign Minister Abul Hassan Mahmood Ali today at the Ministry of Foreign Affairs, Dhaka.
During the call on, the Foreign Minister congratulated Rushanara Ali on her being appointed as the British Prime Minister’s Trade Envoy for Bangladesh.
Mahmood Ali expressed his satisfaction over the signing of a Memorandum of Understanding between Bangladesh Railway and British company DP Rail Ltd. for setting up a 240 kilometer rail line between Dhaka and Payra seaport in Patuakhali’s Kuakata, in her presence yesterday. Mentioning this as the biggest ever foreign direct investment, the Foreign Minister observed that this would be the major breakthrough in the public-private partnership area in Bangladesh.
Minister Mahmood Ali expected a strong pursuance from the British Trade Envoy to her government for lifting the temporary ban on direct cargo flights from Dhaka to London. He also hoped that Bangladesh would continue to enjoy the same or better facilities for duty free – quota free (DFQF) market access to the UK market for ‘Everything but Arms’ product and services even after Brexit comes into force.
Besides these, bilateral relationship between Bangladesh and the UK, regional connectivity and other international and regional issues were discussed in the meeting.

বিপ্লবের স্থপতি ফিদেল কাস্ত্রোর প্রতি সম্মান

নিউইয়র্ক, ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ :
কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কিউবা বিপ্লবের স্থপতি ফিদেল কাস্ত্রোর প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ১৯৭৩ সালে ন্যাম সম্মেলনের সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কাস্ত্রোর প্রথম সাক্ষাতের ঐতিহাসিক স্মৃতির পুনরোল্লেখ করেন।
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, সেই সাক্ষাতের সময় এই দুই মহান নেতার সমসাময়িক বৈশ্বিক ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তাঁরা এমন একটি শান্তিময় বিশ্বের স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে দারিদ্র্য, সংঘাত ও কোন ধরণের অবিচার থাকবে না। তিনি আরো বলেন, সাক্ষাৎ শেষে কমান্ডার কাস্ত্রো বঙ্গবন্ধুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, শেখ মুজিবকে দেখলাম। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে মানুষটি হিমালয় সমতুল্য। তাঁকে দেখে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম’।
রাষ্ট্রদূত বলেন, কমান্ডার ফিদেল কাস্ত্রো ছিলেন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, অসম সাহস ও দুরদৃষ্টি সম্পন্ন কাস্ত্রো শুধুমাত্র কিউবাকেই উদ্বুদ্ধ করেননি, তিনি অনেক উন্নয়নশীল দেশকে দারিদ্র্য, অসাম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে পুনরুত্থানে অনুপ্রাণিত করেছেন। বাংলাদেশ এই মহান ব্যক্তিত্বের জীবন ও কর্মকে সবসময় স্মরণ করবে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মাসুদ বিন মোমেন মানব পাচারের বৈশ্বিক অভিশাপ প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। কতিপয় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মানব পাচারের মাধ্যমে তাদের শক্তি, লোকবল ও আর্থিক কষমতা বৃদ্ধি করছে মর্মে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত একটি পূর্ণাঙ্গ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও নিয়মিত অভিগমনের প্রয়োজনীয়তার কথা উলেøখ করেন। মানবপাচার সংশ্লিষ্ঠ মামলার বিচার ও দক্ষ ব্যবস্থার উন্নয়নে দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও তিনি জোর দেন।
সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাঝে সৃষ্ট অনৈতিক বন্ধন ভেঙ্গে ফেলতে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় সংস্থাসমূহকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

ইন্দোনেশীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর

ঢাকা, 21 ডিসেম্বর:
ইন্দোনেশিয়া Retno L.P. Marsudi প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, 20th ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ পরিশোধ পরে তার বাংলাদেশ সফর শেষ হয়েছে.
এর আগে সকালে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী A.H. মাহমুদ আলী পূরণ এবং এই ইন্দোনেশীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marsudi প্রথম বাংলাদেশ সফর. দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পথ ও উপায় আরও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন. তারা প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক সমস্যা, রাখাইন রাজ্য থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিশেষ করে নব্য মানবিক সংকট ও মুসলিম জনসংখ্যার ফলে অন্তঃপ্রবাহ বাংলাদেশে আশ্রয় চাইছেন বিষয়ে মতবিনিময় করেন. পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দীর্ঘায়িত সমস্যার মূল কারণ অ্যাড্রেসিং প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন. তিনি ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত যে তার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ, বাংলাদেশ তার সীমানার প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের দ্বারা ব্যবহার করা যেতে অনুমতি দেয় না. তিনি নিরাপত্তা ডোমেইনে মিয়ানমারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করতে, পৃথক্ বিসিআইএম-ইসি ও বিমসটেক নামে পরিচিত নব্য সম্পর্কিত থেকে অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশের সম্মতি প্রকাশ করেন. দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অঞ্চলে মৌলবাদের হুমকি আলোচনা এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার উপর গুরুত্বারোপ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়. পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী উল্লেখ করেন যে, দুর্বলতা এবং গভীরভাবে হতাশ রাখাইন জনসংখ্যার unaddressed ক্ষোভ মৌলবাদের পাতন জন্য বহুজাতিক নেটওয়ার্ক দ্বারা শোষিত হতে পারে. বাংলাদেশ এই হুমকি মোকাবেলার মিয়ানমারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি. মন্ত্রীদের কাছে মানব পাচার প্রতিরোধে সহযোগিতার সুযোগ আলোচনা. ইন্দোনেশিয়া সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনএইচসিআর এবং আইওএম দ্বারা একটি যোগদান সম্মেলনে উপস্থিত হন. তারপর তিনি মাহমুদ আলী দ্বারা অনুষঙ্গী, উখিয়া, কক্সবাজার হেলিকপ্টারে করে কুতুপালং শরণার্থী শিবির ও সেখানে পার্শ্ববর্তী অস্থায়ী ক্যাম্পে যান. সেখানে গিয়ে মন্ত্রী নিবন্ধিত শরণার্থী পূরণ এবং তাদের গল্প শুনতাম. পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এমপি, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক, বাংলাদেশ শিনজি Kubo ইউএনএইচসিআর এর প্রতিনিধি, মিশন শরৎ দাশ এর আইওএম প্রধান, সফরকালে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অনুষঙ্গী. ছিলেন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »