Category: আইন-আদালত

ঝিনাইদহ জেলার আইনজীবীদের বেহাল দশা কাটছে না

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ জেলার অধিকাংশ আইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের আদালত আঙ্গিনায় চেম্বারের ব্যবস্থা না থাকায় পেশাগত কাজে  তীব্র অসুবিধার সম্মুখিন হতে হচ্ছে। জিনাইদহ জেলা জজের গাড়ী বারান্দাসহ যত্রতত্র বসে তাদের আইন ব্যবসা পরিচালনা করতে হচ্ছে। এরফলে দুরদুরান্ত থেকে আইন সেবা নিতে আসা জনসাধারণেরও ভোগান্তির স্বীকার হতে হচ্ছে।ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খান আখতারুজ্জামান জানান, সমিতির চার’শ জন সদস্য, তাদের জুনিয়ার ও মহরার মিলিয়ে প্রায় এক হাজর জন স্থানীয় বিভিন্ন আদালতে কর্মরত রয়েছেন। আদালত চত্বরে সমিতির একটি ভবন আছে। ভবনটিতে অফিস, লাইব্রেরী, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ রয়েছে। এছাড়া উক্ত ভবনে ২০/২৫ জন আইনজীবীর বসার ব্যবস্থা রয়েছে।ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসক ও জেলা জজের গাড়ী বারান্দায় বসে আইনজীবী ও মহরারগণ কাজ করতেন। উক্ত যায়গা খালি করে দেওয়ার জন্য জেলা জজ ও জেলা প্রশাসক বারংবার তাগাদা দিয়ে আসছেন। আইনজীবী সমিতির সিমিত তহবিল থেকে সম্প্রতি টিনসেড করা হয়েছে। সেখানে জেলা প্রশাসন ভবনের গাড়ী বারান্দায় অবস্থানরত এক’শ জন আইনজীবীর অস্থায়ী চেম্বাররের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখনও জেলা জজ আদালত ভবনের বারান্দাসহ যত্রতত্র বসে অইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হচ্ছে।সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব জানান, আদালত ভবন শহর থেকে বাইরে হওয়ায় সমস্যা তীব্র হয়েছে। আদালতের কাছাকাছি ব্যক্তি মালিকানায় তেমন কোন ভবন গড়ে ওঠেনি। একারণে আইনজীবীগণ ঘর ভাড়া নিয়ে চেম্বার করতে পারছেননা।এরফলে আদালত আঙ্গীনায় আইনজীবী, মহরার, ময়াক্কেলসহ সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে তীব্র অসুবিধারর সম্মুখিন হতে হচ্ছে। সমিতির নিজস্ব আর্থীক সঙ্গতি না থাকায় আইজীবীদের চেম্বার সংকট সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে না।আইজীবী সমিতি ভবন সম্প্রসারণ করে র্দীঘ্যদিনের এই সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা দাবি করেছেন আইজীবীগণ।

লালমনিরহাটে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলার আসামী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশ নীরব


লালমনিরহাট প্রতিনিধি ॥ সেই যুবক আশিকুর রহমান ডিফেন্সের বিরুদ্ধে আরও একটি তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।জেলা প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন বাবু বাদী হয়ে ২জনকে আসামী করে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ১৫ মার্চ এ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানাযায়, জেলা প্রেসক্লাব লালমনিরহাট এর সভাপতি ওয়ালিউর রহমান রাজু ও সাধারণ সম্পাদক এবং দপ্তর সম্পাদক সুমন ইসলামসহ ৫জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে আশিকুর রহমান ডিফেন্স নামের এক যুবক আপত্তিকর ভাষায় ষ্ট্যার্টাস দেয়। অপরদিকে অপর মামলার বাদী ওয়ালিউর রহমান রাজু জেলা প্রেসক্লাব লালমনিরহাটের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং দীর্ঘ ২০/২৫ বছর ধরে অত্যান্ত সুনাম ও নিষ্টার সাথে সাংবাদিকতা করে আসছেন। উক্ত ডিফেন্স জেলাপ্রেস ক্লাবের একাউন্ডে রাখা টাকা ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে সভাপতির নিকট। তার দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে সভাপতিকে নানা ধরনের হুমকি স্বরুপ কথাবার্তা বলতে থাকেন। এমতাবস্থায় ঘটনার দিন ও ক্ষনে মামলার বাদী ওয়ালিউর রহমান রাজু ও প্রেসক্লাবেরকোষাধ্যক্ষ বাবলু মিয়াসহ মিশন মোড় অগ্রণী ব্যাংক শাখায় ৫ হাজার টাকা জমা দিতে গেলে পথি মধ্যে এন্না ফার্মেসীর সামনে পৌছা মাত্র আসামী আশিকুর রহমান ডিফেন্স পূর্বের আক্রোশে তাদের গতিরোধ করে জনসম্মুখে বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ পূর্বক বাদীর পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য উক্ত ডিফেন্স একটি কুচক্রি মহলের সহযোগিতায় বাদীর বিরুদ্ধে উল্টো সদর থানায় জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৫জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।এ ঘটনায় জেলার সাংবাদিক মহলের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।উল্লেখ্য, উক্ত ডিফেন্স এর বয়স যখন ৫/৬ বছর তখন থেকে সাংবাদিক ওয়ালিউর রহমান সাংবাদিকতা শুরু করেন।এ ব্যাপারে সদর থনার অফিসার ইনর্চাজ রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার অভিযোগের কপিপেয়েছি, তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অপরদিকে উক্ত ডিফেন্স কতিপয় সাংবাদিকের নিকট থেকে প্রতারণা করে সাক্ষর গ্রহন পূর্বক আপত্তিকর ভাষায় কিছু অবাস্তব লেখা তার নিজস্ব আইডিতে জেলা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপলোড করে। যা তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিধিবর্হিভুত বলে জানা গেছে। এ কারণে জেলা প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন বাবু বাদী হয়ে উক্ত আলোচিত ডিফেন্সসহ ২ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গণ্যকরার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। প্রেক্ষিতে সদর থানা গত ২১ মার্চ আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করেন। কিন্তু মামলা দায়েরের এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পরেও পুলিশ আসামীদেরকে গ্রেফতার করছে না। উপরোন্ত আসামীরা শহরে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য জেলা প্রেস ক্লাবকে চাপ প্রয়োগ করছে। এব্যাপারে সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলা রেকর্ড হয়েছে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মামলার আইও এসআই আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

গাইবান্ধায় স্ত্রীর প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যা,আটক-২


গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় এক মালয়েশিয়া প্রবাসী তার স্ত্রীর প্রেমিক ও সাবেক ইউপি সদস্য মাহমুদুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। গত ২২মার্চ বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের খামার জামিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল গোফফার আলী ও তার ছেলে শাহিনুরকে আটক করেছে । নিহত মাহমুদুর রহমান মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও মনোহরপুর গ্রামের মৃত নুর হোসেন মন্ডলের ছেলে। জানা যায় পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের খামার জামিয়া গ্রামের আব্দুল গোফফার আলী দীর্ঘদিন থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে জানতে পারেন তার স্ত্রীর সাথে সাবেক ইউপি সদস্য মাহমুদুর রহমান পরকিযা প্রেমে জড়িত। আব্দুল গোফফার আলী বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তার ছেলে শাহিনুরের সাথে যোগসাজস করে মাহমুদুর রহমানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গত ২২মার্চ বুধবার রাতে মাহমুদুর রহমান প্রেমের টানে তাদের বাড়ীতে আসলে আব্দুল গোফফার আলী ও তার ছেলে শাহিনুর তাকে উপযুপরি চুরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নওগাঁয় তাফসির দেখতে গিয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ


নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় তাফসির দেখতে গিয়ে ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর স্থানীয়া ধর্ষক সোহাগ (২৫) নামে এক যুবককে উত্তোমাধ্যম দিয়ে পুলিশ সোপর্দ করেছে। ধর্ষনে স্বীকার ওই স্কুল ছাত্রী নওগাঁ সদর হাসপাতালে গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার র্কীত্তিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার ভিকটিমমের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ধর্ষক সোহাগ মাঝিপাড়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে।
ভিকটিম বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাফসির দেখার জন্য র্কীত্তিপুর স্কুল মাঠে যায়। সেখানে খাওয়ার জিনিস কেনার জন্য পাশের দোকানে গেলে রাব্বী নামে এক ছেলে ডেকে নিয়ে স্কুলের পিছনে যায়। সেখানে আগ থেকে অপেক্ষা করা সোহাগ আমাকে ছুরি দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে জোর করে জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। যাওয়ার সময় কাউকে কোন কিছু না বলার জন্য শাসিয়ে যায়। এরপর কাঁদতে কাঁদতে এসে রাস্তার লোকজনকে বিষয়টি জানায়।
মেয়ের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা গরীব মানুষ। আমার এ ছোট মেয়েটার কিভাবে এমন ক্ষতি করতে পারল। এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের শাস্তির দাবী করেন তিনি।
নওগাঁ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষক সোহাগকে স্থানীরা উত্তোমাধ্যম দিয়ে পুলিশ সোপর্দ করায় বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত চলছে। এ ঘটনার সাথে যদি আরো কেউ সম্পৃক্ত থাকে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মধুপুরে বনরক্ষী ও কাঠ চোরদের সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৬ জন

মোঃ লিটন সরকার, মধুপুর(টাংগাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের মধুপুরের বনে বন প্রহরীদের সঙ্গে কাঠ চোরদের সংঘর্ষে ছয় ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।রোববার (১৯ মার্চ) বিকেল দুইটার দিকে মধুপুর-ফুলবাড়ীয়া সীমান্ত এলাকার বনের সদর বিটের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন বন প্রহরী কার্তিক (৫২), আতিক (৪৮), সিদ্দিক (৫০), সিএফডভি ও শহিদুল (৪৫), ওসমান (৪৭) ও লতিফ (৫৫)।সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম এ হাসান জানান, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয় উপজেলার চানপুর গ্রামে কাঠ চোর হাবুল, বাবুল ও কদ্দুসের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জনের একদল নারী পুরুষ ভ্যানে করে মধুপুর সীমানায় নির্বিচারে শাল গজারী গাছ কেটে নিচ্ছেন। এমন খবর পেয়ে বনরক্ষী ও কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার (সিএফডব্লিও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের বাধা দিলেও তারা গাছ কাটা চালিয়ে যান। এ অবস্থায় বনরক্ষীরা চার রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত কাঠ চোরেরা বনরক্ষী ও সিএফডব্লিওদের ওপর হামলা করেন। তাদের লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বনরক্ষী কার্তিক, আতিক, সিদ্দিক, সিএফডভিও শহিদুল, ওসমান ও লতিফ আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এদের মধ্যে বনরক্ষী কার্তিক ও সিএফডভিও লতিফের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের  ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।খবর পেয়ে বনবিভাগের কর্মকর্তারা পুলিশসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।এ ব্যাপারে মধুপুরের অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমিনুল ইসলাম মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন।

মধুপুরে নানার বাড়িতে এসে ধর্ষণের শিকার শিশু ॥ খালাতো ভাই ও অটোরিক্সা চালক আটক


অন্তু দাস হৃদয়, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে এক শিশু প্রতিবেশী খালাতো ভাই ও অটোরিক্সা চালক দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে।পুলিশ এই ধর্ষনের ঘটনার দায়ে ধর্ষক খালাতো ভাই বিপুল হোসেন (২১) ও অটোরিক্সা চালক সুলতানকে (৪৮) আটককরেছে। শুক্রবার (১৭ মার্চ) বিকেলে মধুপুর থানায় মামলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বিকেলে মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের চানপুর রাবার বাগানের কাছে এক কলা বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণের ঘটনায় আটক বিপুল ওই ইউনিয়নের মনতলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে এবং সুলতান ওরফে সুলতান শেখ একই গ্রামে মৃত ইমান আলী বাউলেরবাড়িতে ঘর জামাই থেকে অটোরিক্সা চালান।পুলিশ সূত্র জানায়, শিশুটি পার্শ্ববর্তী জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর পাকুল্ল্যা গ্রামের বাসিন্দা।গত এক মাস ধরে সে তার বাবার সাথে নানা বাড়ি মনতলায় অবস্থান করছে।গত বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নানার প্রতিবেশী সম্পর্কে খালাতো ভাই বিপুল রাবার বাগান দেখানোর নাম করে শিশুটিকে সবার অজান্তে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরে সুলতানের অটোরিক্সা যোগে চানপুর রাবার বাগানের কাছে মজনু মিয়ার কলা বাগানে নিয়ে বিপুল ও সুলতান পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষকদ্বয় শিশুটিকে ঘটনা প্রকাশ করলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।এ দিকে শিশুটিকে না পেয়ে তার পরিবারের লোকজনখোজাখুজি করলে বিপুলের সাথে অটোতে যাওয়ার কথা জানতে পারেন তারা।পরে, বাড়িতে ফিরলে শিশুটি বাবাকে এক পর্যায়ে বিষয়টি জানায়। এক এক করে অনেকে জেনে গেলে এলাকাবাসী ধর্ষক বিপুল ও সুলতানকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
পরে, মধুপুর অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ( এস.আই) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মধুপুর উপজেলা সদর থেকে ২০ কি.মি. দূরে মনতলা গিয়ে আটকদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ রাত সাড়ে ১১ টার দিকে পুলিশ ধর্ষিতা শিশুটিসহ তাদের থানায় নিয়ে আসে।পরে, মধুপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে শিশুটির প্রাথমিক চিকৎসা দেয়া হয়।এ বিষয়ে শুক্রবার (১৭ মার্চ) মধুপুর থানায় মামলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মধুপুর থানার (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির মেডিক্যাল চেক আপসহ আইনগত সব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আত্রাইয়ে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক


নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে আত্রাই থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানাযায়, শনিবার রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আত্রাই থানার এস আই মহসীন সঙ্গীয় ফোর্স সহ উপজেলার সমাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেন।
আটককৃত ব্যক্তি উপজেলার সমাসপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের পূত্র মোঃ মোজাম্মেল হক (৪৫)। এ সময় তার কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুদ্দোজা জানান, গ্রেফতারকৃত মোজাম্মেল হক এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা করে আসছিলো। এ ব্যাপারে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে আরো ২টি মামলা রয়েছে। গতকাল রবিবার তাকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

কালীগঞ্জে২০‌কে‌জি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক।


লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় ২০ গাঁজাসহ জসিম উদ্দিন (৩০) নামে এক ব্যাবসায়ী‌কে আটক করেছে পুলিশ ।
শুক্রবার সন্ধ্যা সা‌ড়ে সাতটায় উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বোতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। জসিম উদ্দিন চন্দ্রপুর ইউ‌নিয়‌নের বোতলা এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে।পু‌লিশ সু‌ত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জসিম উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালায় পু‌লিশ। এসময় ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার সহ জসিম উদ্দিনকে আটক করে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক জসিম উদ্দিনের বিরু‌দ্ধে মাদক আইনে মামলা দা‌য়ের করা হ‌য়ে‌ছে।মাহফুজ রহমান লালম‌নিরহাট

চিলমারীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন


চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছোট ভাই অহেদ (৪২) এর হাতে প্রাণ হারালেন আপন বড় ভাই আঃ রহমান নিরাশা কবিরাজ (৫৫)। খবর শুনে প্রতিবেশির মৃত্যু।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মজাইডাঙ্গা জিগাপাড়া এলাকার মৃত্য আলিফ উদ্দিনের দুই ছেলের পরিবারের মধ্যে জমি সংক্রান্ত জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলে আসছিল। এরই জের এবং ঘটনার আগেন দিন বুধবার নিরাশার ছাগল অহেদ এর মরিচ ক্ষেতে প্রবেশকে কেন্দ্র করে নিরাশার স্ত্রী আসমা বেগমের সাথে ওয়েদ এর স্ত্রী নুর আসমার ঝগড়া হয়। উক্ত ঝগড়াকে কেন্দ্র করে পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে দু’পক্ষের মধ্যে আবারো ঝগড়া হয়। খবর পেয়ে বড় ভাই আঃ রহমান নিরাশা কবিরাজ বাড়িতে আসছে ওৎপেতে থাকা ছোট ভাই ওয়েদ, স্ত্রী নুর আসমা ও তার ছেলে নুর আলম দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এসময় নিরাশার স্ত্রী এবং ছেলে শহিদুর এগিয়ে আসলে তাদের উপরেও হামলা চালায় ওয়েদ গং এসময় ছোট ভাইয়ের হাতে থাকা ধালালো অস্ত্রের আঘাতে নিরাশা কবিরাজ গুরুত্বর আহত হয়। এছাড়াও আহত হয় নিরাশার স্ত্রী ও ছেলে। পরে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে চিলমারী হাসপাতালে প্রেরণ করে। আঃ রহমান নিরাশার অবস্থা অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে সেখাতে চিকিৎসারত অবস্থা সন্ধায় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে নিরাশা। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কৃষ্ণ কুমার সরকার জানান আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং জরিতদের গ্রেফতারের প্রকৃয়া চলছে। তবে এরিপোট লেখা পর্যন্ত (রাত ১২) চিলমারী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল। আঃ রহমান নিরাশা কবিরাজের মৃত্যুর খবর শুনে একই এলাকার প্রতিবেশি নরেশ চন্দ্রের (৪৮) মৃত্যুর হয়েছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।

ভালুকায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

ইতি শিকদার, ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ভালুকায় গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের (২৫) লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। (১৫মার্চ) বুধবার দুপুরে উপজেলার মেঞ্জেনা গ্রামে একটি আকাশমনি বাগান থেকে অর্ধউলঙ্গ লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে উপজেলার মেঞ্জেনা গ্রামের মুসলেম ডাক্তারের আকাশমনি বাগানে অজ্ঞাত যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে ভালুকা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো: হযরত আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। লাশের পড়নে ছিল পেন্টি, গায়ে গেঞ্জি ও গলায় চেক গামছা। মৃতদেহের সারা শরীরে পুড়া মবিল দিয়ে লেপন করা ছিল। নিহতের গায়ের রং শ্যামলা ও উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। ভালুকা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো: হযরত আলী জানান, মঙ্গলবার রাতে গলায় গামছা পেঁচিয়ে স্বাশরোধে হত্যার পর দুর্ববৃত্তরা লাশটি ওই স্থানে ফেলে যেতে পারে। লাশের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »