Category: আইন-আদালত

সৈয়দপুরে ২৪’শ পিচ ইয়াবাসহ আটক ৩

আলমগীর হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার লক্ষণপুর থেকে ২৪০০ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষণপুরের ব্রাক্ষণপাড়া (হিন্দুপাড়া) থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।আটককৃতরা হলো সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের বড়দহ গ্রামের সুরেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে বিপ্লব (২৮) এবং রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার রাধানগর গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে কলেজ ছাত্র রাশেদ (১৮) ও নাসির উদ্দিনের ছেলে মেহেদি (১৮)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর থানার ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাদের আটক করা হয়।তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঝিনাইদহে ছয় মাসে ১৭০ জনের আত্মহত্যা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন, প্রেমিক-প্রেমিকার দ্বন্দ্ব, অসুস্থতা, অর্থনৈতিক দৈন্য, পড়ালেখাসহ নানা বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের ওপর অভিমানসহ বিভিন্ন কারণে ঝিনাইদহ জেলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। গত ৬ মাসে (নভেম্বর ১৬-এপ্রিল ১৭) পর্যন্ত ১৭০ জন নারী-পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন।পুলিশ ও বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা যায়, এর মধ্যে গত নভেম্বর মাসে ২৬ জন, ডিসেম্বরে ২৮, জানুয়ারিতে ২৯, ফেব্রুয়ারিতে ২৫, মার্চে ২৯ এবং এপ্রিল মাসে ৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন। এ ছাড়া আত্মহত্যা চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন আরো প্রায় ৫শ নারী ও পুরুষ। তাছাড়া গত ৬ বছরে (২০১০-২০১৬ পর্যন্ত) হিসাবে জেলায় প্রায় ২ হাজার ২৭৫ জন আত্মহত্যা করেছেন। তবে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার হিসেবে আরো বেশি বলে জানা গেছে। এদিকে ঝিনাইদহে আত্মহত্যার প্রবণতা কমিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশু একাডেমিতে একাধিক মতবিনিময় সভা করা হয়েছিল।২০১৭ সালের ১৪ মে জেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিং সূত্রে জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে ফাঁসিতে ঝুলে ৪ পুরুষ, ৯ নারী, বিষপানে ৫ পুুরুষ ও ২ নারী, অন্যভাবে ৬ পুরুষ ও ৩ নারীসহ ২৯ জন আত্মহত্যা করেছেন।ফেব্রুয়ারি মাসে সদর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ২ নারী, বিষপানে ২ পুরুষ ও ১ নারী এবং অন্যভাবে আরো ১ জনসহ ৭ জন আত্মহত্যা করেছেন। একই মাসে শৈলকুপা উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ পুরুষ-নারী, বিষপানে ২ নারীসহ ৪ জন, হরিণাকুন্ডুতে ফাঁসিতে ঝুলে ২ পুরুষ ও ২ নারী, অন্যভাবে আরো ১ জনসহ ৫ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ১ নারী, বিষপানে ১ নারীসহ ৩ জন, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ নারী, মহেশপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ৩ নারী, বিষপানে ১ পুরুষসহ ৫ জন আত্মহত্যা করেছেন। মার্চ মাসে ফাঁসিতে ঝুলে ৪ পুরুষ, ১৪ নারী, কীটনাশক পান করে ৪ পুরুষ ও ১ নারী, অন্যভাবে ৪ পুরুষ ও ২ জন নারীসহ ২৯ জন আত্মহত্যা করেন। এপ্রিল মাসে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ নারী, কীটনাশক পান করে পুরুষ ও ১ নারী আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া অন্য উপায়ে ২ পুরুষ ও ২ জন নারী আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া শৈলুকপা উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ পুরুষ, কীটনাশক পান করে ২ নারী, হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ৪ নারী, কীটনাশক পান করে ১ পুরুষ ও অন্য উপায়ে ১ নারী আত্মহত্যা করেছেন। তাছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ২ জন নারী, কীটনাশক পান করে ১ পুরুষ আত্মহত্যা করেন। এছাড়াও কোটচাঁদপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ নারী, অন্যভাবে ১ পুরুষ, মহেশপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ৩ নারী, কীটনাশক পান করে ১ পুরুষ আত্মহত্যা করেন। সব মিলিয়ে এপ্রিল মাসে মোট ৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সূত্রে আরো জানা যায়, ঝিনাইদহে ২০১০ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩৮০ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ১০৯ জন, ২০১১ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩০৯ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৮৪৯ জন, ২০১২ সালে আত্মহত্যা করেছেন ২৯৫ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৫৮৩ জন, ২০১৩ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩১১ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৬৩৯ জন, ২০১৪ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩০৩ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৪০৯ জন, ২০১৫ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩৬৩ জন আর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৬০০ জন এবং ২০১৬ সালে আত্মহত্যা করেছেন ২৬৩ জন। ঝিনাইদহে আত্মহত্যা ও আত্মহত্যা রোধ বিষয়ে গবেষণা করছে শোভা নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম জানান, ঝিনাইদহের মানুষ বেশি আবেগপ্রবণ। এখানকার মানুষ ঠুনকো কারণে আত্মহত্যা করে। কীটনাশকের সহজলভ্যতা ও তুচ্ছ ঘটনায় আবেগপ্রবণ হয়ে এ জেলার মানুষ হরহামেশাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

 

খাগড়াছড়ি মহালছড়িতে অস্ত্রসহ আটক ১


বিপ্লব তালুকদার: খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলাতে অস্ত্রসহ ২জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার ভোর ৩ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহালছড়ি ভূয়াটেক গ্রামে মহালছড়ি জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল সৈয়দ মো: আবদুল্লাহ জুনায়েদ নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সুমন্ত চাকমা’র বাড়ি থেকে ২ জনকে আটক করা হয়। আটক কৃতরা হলেন, মনাটেক গ্রামের প্রতিময় চাকমার ছেলে মেনন চাকমা ও ভূয়াটেক গ্রামের তুফান চাকমার ছেলে সুমন্ত চাকমা। মেনন চাকমা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ মহালছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি ও সুমন্ত চাকমা জেলা কমিটির সাংষ্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এর পদে দায়িত্বরত আছেন বলে জানা গেছে। সেনাসূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবত থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিলেন। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল, ২ রাউন্ড কার্তুজ, ১৩টি সচল মোবাইল সেট, দুটি হাত ঘড়ি ও প্রচুর পরিমাণ নথিপত্র পাওয়া গেছে। তবে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মেনন চাকমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জোন অধিনায়ক সাংবাদিকদের বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ এলাকার কারোর বন্ধু হতে পারেনা। যে কোন কিছুর বিনিময়ে এলাকার শান্তি শৃংখলা বিনষ্টকারীকে প্রতিহত করতে সেনাবাহিনী প্রস্তুুত রয়েছে বলে জানান। এলাকায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ও জানান তিনি। আটককৃত সুমন্ত চাকমাকে মহালছড়ি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নবীগঞ্জে আদালতের রায়ে বদলে গেল সংরক্ষিত মহিলা আসনের ফলাফল

ছনি চৌধুরী,(হবিগঞ্জ) নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥॥
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রায় ৩৫৩ দিন পর দীর্ঘ আইনী লড়াই শেষে আদালতের রায়ে বদলে গেল ফলাফল । জনমনে ফিরে এলো হারিয়ে যাওয়া বিজয়ের হাসি । হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত এবং জনপ্রিয়তা অর্জনের ক্ষেত্রে হবিগঞ্জ জেলার স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত মহিলা ইউপি সদস্য মায়ারুন আক্তার ফিরে পাচ্ছেন স্ব পদ । ২৮মে ২০১৬ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিবারের মতো হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ইউনিয়নের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট থেকে প্রাপ্ত ২৩ ভোট বেশি পেয়ে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হন তালগাছ প্রতীকে নির্বাচন করা প্রার্থী মায়ারুন আক্তার কিন্তু ফলাফল গণনায় সন্তুষ্ট ছিলেন না তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হুসনা বেগম । রাত্রে দ্বিতীয় বারেরমত পূর্ণরায় ভোট গণনা হলে সেখানে পাল্টে যায় ফলাফল পরবর্তীতে হবিগঞ্জ রিটার্নিং অফিসার হুসনা বেগমকে বিজয়ী দেখিয়ে ফলাফল ঘোষণা করেন । এর পর এ ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মায়ারুন আক্তার বাদী হয়ে ২০১৬ সনের ৩০ জুন হবিগঞ্জ নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল জজ আদালত ও সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ মে’ সারাদেশের ন্যায় দেবপাড়া ইউনিয়নের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়। দেবপাড়া ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে মায়ারুন আক্তার এবং হুছনা বেগম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নির্বাচন চলাকালে ওই ৩টি ওয়ার্ডে কোন রূপ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু প্রিজাইডিং অফিসার ৮নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র দেবপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র দিনারপুর আইনগাও মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট গণনা হলেও কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা করেননি। এসময় কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয় মায়ারুনের এজেন্টকে। কিন্তু এজেন্ট থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী নির্বাচনে প্রথমে মায়ারুন আক্তার বিজয়ী হিসেবে তার পক্ষে আনন্দ মিছিলও করা হয়। পরবর্তীতে হবিগঞ্জ রিটার্নিং অফিসার হোসনা বেগমকে বিজয়ী দেখিয়ে ফলাফল ঘোষণা করেন। এর পর এ ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মায়ারুন আক্তার বাদী হয়ে হবিগঞ্জ নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল জজ আদালত ও সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৩/২০১৬। এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত গত ১৬ মে ট্রাইব্যুনালের তত্বাবধানে দেবপাড়া ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের ভোট পুনঃগণনা করা হয়। এতে প্রাপ্ত ভোট অনুযায়ী ৩টি কেন্দ্রে মায়ারুন আক্তার ১ হাজার ৬৬৮ ভোট এবং হোসনা বেগম ১ হাজার ৬৪৫ভোট পান। এতে ২৩ ভোটের ব্যবধানে মায়ারুন আক্তারকে দেবপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসন-৩ (৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড) এ নির্বাচিত বলে ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক তানভীর আহমেদ মামলার রায় প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে মায়ারুন আক্তার জানান, আমি বিজ্ঞ আদালত থেকে ন্যায় বিচার পেয়েছি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কেটে খাওয়া জনগণের দেয়া আমার বিজয়ী ভোট চিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু আমার আল্লাহর উপর ভরসা ছিল তাই আইনী লড়াই শেষে আমি আমার স্ব পদ ফিরে পাচ্ছি। এদিকে আদেশের অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ঢাকা, জেলা নির্বাচন অফিসার, হবিগঞ্জ, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার, ১০ নং দেবপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০১৬ বরাবরে প্রেরণের জন্য আদেশে বলা হয়েছে। মায়ারুন আক্তারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিজ্ঞ আইনজীবী জসিম উদ্দিন।
জনগনের ন্যায্য রায় ফিরে পেয়ে দেবপাড়া ইউপিতে উৎসা উদ্দীপনা বিরাজ করছে ।

নতুন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার বিভ্রান্তি দূর করা হবে — আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ জ্যৈষ্ঠ (১৮ মে) :আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় যেসব বিভ্রান্তি আছে তা নতুন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে দূর করা হবে। তিনি বলেন, বাক-স্বাধীনতার ব্যাপারে যাতে কারো কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব না থাকে, কারো মনে কোনো প্রশ্ন না ওঠে তা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে পরিষ্কার করা হবে।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয় প্রাঙ্গণে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের পরিবহনের জন্য গাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের খসড়ায় মন্ত্রিপরিষদ ইতোমধ্যেই নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এখন আইনটি যাচাই বাছাই করছে। এ নিয়ে সম্প্রতি একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হয়েছে। সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে সভায় উপস্থিত সকলেই এ আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শিগগিরই এ আইনের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। তারপর আইনটি চূড়ান্ত করা হবে।এ সময় ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ক্রয়কৃত ৫টি কার গাড়ি এবং ৬টি মাইক্রোবাসের চাবি অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের মাঝে হস্তান্তর করেন আইনমন্ত্রী।

সুন্দরগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার


আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা থেকেঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান যায়, শনিবার দুপুরে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মধ্য বেলকা গ্রামের মৃত- সেতু শেখের পুত্র গাউছুল হকের বাড়ি থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে ঐ নারী গাউছুল হকের বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। খাওয়া-দাওয়া শেষে ঐ নারীকে শয়নঘরের মেঝেতে শুইতে দিয়ে স্ত্রীসহ গাউসুল হক বিছানায় শুয়ে পড়েন। সকালে বাড়ির সবাই ঘুম থেকে ওঠার পরও তাদের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া ঐ অজ্ঞাত নারী ঘুম থেকে জেগে না ওঠায় তাকে ডাকতে গিয়ে জানাজানি হয় সে মারা গেছে। পরে খবর পেয়ে থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম গাওছুল উত্তর দুয়ারী শয়ন ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন-সুরুতাল রিপোর্টে লাশের শরীরে কোন ক্ষত চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অজ্ঞাত ঐ নারীর বয়স হবে আনুমানিক ৫০ বছর। এব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালত বন্ধ না করে প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করুন

 বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ এক বিবৃতি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত বন্ধ হলে বিপন্ন হবে ভোক্তা স্বার্থ সমস্যায় পড়বে জনতা। গত ১১ই মে ২০১৭ রোজ বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও বিচার কাজ পরিচালনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১১ ও ২০১২ সালের করা পৃথক ৩ টি রিট আবেদনের চুড়ান্ত শুনানিতে বিচারপতি আশিষ চন্দন দাস ও বিচারপতি মাইনুল ইসলাম রায়ে বলেন নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত নয়। রায়ে বলা হয় ভ্রাম্যমান আদালত বলে কিছু হলে তা অবশ্যই বিচারিক হাকিম বা মহানগর হাকিম দিয়ে গঠিত হবে। সংবিধান ও মাজদার হোসেন মামলার রায় অনুসারে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত হবে। ভ্রাম্যমান আদালত এর ধারা ৫, ৬ (১) ৬ (২) ৬ (৪), ৭, ৮ (১), ৯, ১০, ১১, ১৩ ও ১৫ ধারা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। অন্যদিকে ২০০৯ সালের ভ্রাম্যমান আদালত আইনের ৫ ধারা নির্বহি ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। আমরা বলতে চাই, আমরা সাধারন শ্রেণীর জনতা ও ভোক্তা আমরা এতো জটিল প্রকৃয়া বুঝিনা। আমরা বুঝি জনগনের জন্যই আইন তৈরী হয়। আইনের জন্য জনগন নয়। এখানে সংসদে তৈরী আইন ও প্রজ্ঞাপনের আইনে জটিলতা রয়েছে যা মহামান্য আদালত রায়ে বলেছেন। কিন্তু একথা সত্য যে, আমাদের দেশে ভোক্তা অধিকার আইন – ২০০৯, খাদ্য নিরাপত্তা আইন-২০১৫, বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন-২০১৬, শ্রম আইন -২০০৬ সহ অনেক ভাল আইন তৈরী হয়েছে। কিন্তু এসকল ভাল আইন প্রয়োগ হয়েছে কেবলমাত্র নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত এর মাধ্যমে। ভ্রাম্যমান আদালত বিচারিক হাকিম বা মহানগর হাকিম দ্বারা পরিচালনা করা একদিকে সময় স্বাপেক্ষ ব্যাপার অন্যদিকে বর্তমান বিচারক সংকটে কি সম্ভবপর হবে?
মহিউদ্দীন আহমেদ আরো বলেন, ফরমালিন মুক্ত, জাটকা নিধন, বাল্যবিবাহ বন্ধ, ইভটিজিং, অসামাজিক কার্যক্রম, জুয়া, মাদক, ফিটনেস বিহীন গাড়ী, লাইসেন্স ছাড়া চালক, ভেজাল পণ্য, নকল, প্রশ্নপত্র ফাঁস, নি¤œমানের পন্য, প্রযুক্তির অপরাধ, মুঠোফোনের প্রতারনা সহ অসংখ্য কাজে ভ্রাম্যমান আদালত অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছে। এ কথা ভুললে চলবে না। যা জনমনে ও ভোক্তা স্বার্থে স্বস্থি এনে দিয়েছিল। যদি ভ্রাম্যমান আদালত বন্ধ হয়ে যায় তাহলে দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি তৈরী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এমনকি আসন্ন রমজানের বাজার অস্থির হলেও অবাক হবার কিছু থাকবে না। আমরা মহামান্য আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই আমাদের দেশের ৯০ ভাগ জনগনই আইন আদালত সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। এ সকল জনগনের শেষ আশ্রয়স্থলই ছিল এই ভ্রাম্যমান আদালত। আমরা মহামান্য আদালতের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাবো, জনগনের জন্যই যদি আইন হয় তাহলে আইন সংশোধনের বা তৈরী করার নির্দেশ প্রদান করুন। ভ্রাম্যমান আদালত বন্ধ করে নয় বরং আদালতের পরিসীমা আরো বৃদ্ধি করুন।

৩০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবি সইতে না পেরে আত্মহত্যা শ্বশুর শ্বাশুড়ী গ্রেফতার


ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঘুমের বড়ি সেবন করার আগে প্রবাসী স্বামীর উদ্দেশ্যে বলে আমি নিজেকে শেষ করার বুদ্ধি পেয়ে গেছি। চাইলে টিকিট করে ফেল। যদি বাংলাদেশে আসতে চাও। এটাই বলতে চাইছি।’ গত মঙ্গলবার রাতে স্বামীর উদ্দেশে ফেসবুক পোস্টে এ কথা লেখেন প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস। এরপরই তিনি ঘুমের বড়ি খান। আর তাঁর ঘুম ভাঙেনি। পরদিন বুধবার হাসপাতালে প্রিয়াঙ্কার মৃত্যু হয়।প্রিয়াঙ্কা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিকাশ কুমার বিশ্বাসের মেয়ে। প্রিয়াঙ্কা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাশন ডিজাইনে সম্মান শেষ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। গত ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া শহরের বেণিকুণ্ডু লেনের কাটনারপাড়া এলাকার প্রশান্ত কুমার দত্তের ছেলে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী কাজল দত্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর কাজল ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। এরপর প্রিয়াঙ্কা বাবার বাড়িতে ছিলেন।প্রিয়াঙ্কার আত্মহননের ঘটনায় তাঁর বাবা বিকাশ কুমার বুধবার জামাতা কাজল, তাঁর মা-বাবাসহ পাঁচজনকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ বগুড়া থেকে কাজলের বাবা প্রশান্ত কুমার দত্ত ও মা কণিকা রানীকে গ্রেপ্তার করে ঝিনাইদহে নিয়ে এসেছে।বিকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, তাঁর দুই মেয়ে আর এক ছেলে। এ বছরের শুরুতে কাজলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার বিয়ের কথাবার্তা হচ্ছিল। প্রথমে পাত্রপক্ষ ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেছিল। তখন তিনি বিয়েতে অসম্মতি জানান। পরে তাঁরা যৌতুক ছাড়াই বিয়েতে রাজি হয়। ১৮ জানুয়ারি প্রিয়াঙ্কার আশীর্বাদ অনুষ্ঠান হয়। এরপর কাজলের বাবা প্রশান্ত দত্ত ৩০ লাখ টাকা দাবি করেন। মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাবে—এ কারণে তিনি ১৯ জানুয়ারি ছেলের মা কণিকা রানীর ব্যাংক হিসাবে ৫ লাখ টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁরা আরও টাকা দাবি করেন। ২৯ জানুয়ারি আবারও ওই হিসাবে আরও ২ লাখ টাকা পাঠান। এ ফেব্রুয়ারি বিয়ের দিন ৮ লাখ টাকা দেন। আরও টাকার দাবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রিয়াঙ্কার ওপর নির্যাতন শুরু করেন। এরপর তাঁরা অপবাদ দেন যে প্রিয়াঙ্কা কখনো মা হতে পারবেন না। ১১ এপ্রিল কাজল যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। মেয়েকে তাঁর (বাবার) বাড়িতে নিয়ে আসেন। এখানে থাকা অবস্থায় জামাতা কাজল দত্ত ঠিকমতো খোঁজ নিতেন না। কাজলও প্রিয়াঙ্কার কাছে টাকা চাইতেন।বিকাশ কুমার আরও বলেন, এ পরিস্থিতিতে প্রিয়াঙ্কা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মঙ্গলবার রাত ১১টার পর প্রিয়াঙ্কা অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তাঁর ছোট বোন বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের অন্যদের জানায়। তাঁকে দ্রুত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন বেলা ১১টায় প্রিয়াঙ্কাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, নারী নির্যাতন, যৌতুকের জন্য নির্যাতন, আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

খাগড়াছড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে পিতা-পুত্র নিহত, আহত ২


বিপ্লব তালুকদার ঃ খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার থলিপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের দুইজন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন চিরঞ্জয় ত্রিপুরা (৬০) ও তার ছেলে কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরা (৩৫) হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চিরঞ্জয় ত্রিপুরার স্ত্রী ভবে লক্ষী ত্রিপুরা ও ছেলে কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরার স্ত্রী বিজলী ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডেরসদস্য কালিবন্ধু ত্রিপুরার নির্দেশে তার ছেলে ও সহযোগীরা চিরঞ্জয় ত্রিপুরার বাসায় গুলি ও বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান চিরঞ্জয় ত্রিপুরা। আহত অবস্থায় পরিবারের অপর দুই সদস্যকে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো: আলী আহমদ খান জানান, নিহতেদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং পুলিশ অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১ জনকে কুপিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বৃহস্পতিবার সকালে ছাগলে ক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় ওহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক জনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা । এ সময় গুরুতর জখম হয়েছে ইউপি মেম্বার ইসমাইল হোসেন (৪৮)। উপজেলার দুলালমুন্দিয়া বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপুর দলীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওহিদুল ইসলাম চেয়ারম্যান অপুর দেহরক্ষী ও উপজেলার খামারমুন্দিয়া গ্রামের গোলাপ শেখের ছেলে। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ছাগলে ক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। এরপর রাত ১০টার দিকে স্থানীয় দুলালমুন্দিয়া বাজারে অবস্থিত চেয়ারম্যানের দলীয় কার্যালয়ে ওহিদুল ইসলাম প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে আগে থেকেই বসে থাকা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইউপি মেম্বার ইসমাইল ও চেয়ারম্যানের বডিগার্ড ওহিদুলকে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাতেই ওহিদুল মারা যান।কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঝিনাইদহ সংবাদ কে জানান, ছাগলে ক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ওহিদুল ইসলাম ও ইউপি মেম্বার ইসমাইল হোসেন গুরুতর আহত হন। এরপর যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওহিদুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে।৭ নম্বর রায়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপু জানান, নিহত ওহিদুল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক। ওহিদুল চেয়ারম্যানের ভাইপো বলেও জানান তিনি।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »