Category: আইন-আদালত

নবীগঞ্জে বরাবরের মতো সড়ক নির্মাণে অনিয়ম পত্রিকায় লিখলে কিছু হয়না,প্রতিবেদকে দেখে নেওয়ার হুমকী ঠিকাদারের

ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥॥
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পুরাতন সড়ক বা নতুন সড়ক নির্মাণ কাজেনেই সত্যতার চিহ্ন । বরাবরের মতো সড়ক নির্মাণের কাজে দুর্নীতির শেষ নেই । বাংলাদেশ সরকার সড়ক তৈরির জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও অসাধু ঠিকাদারদের কারণে নিম্ন মানের সড়ক তৈরি হচ্ছে যা সড়ক নির্মাণের কিছুদিনের মাথায় কার্পেটিং কাগজের মতো উঠে যাচ্ছে। নিম্ন মালামাল এবং কাজের অনিয়ম চোখে আঙ্গুল দিয়ে দড়িয়ে দেওয়ায় এবার পত্রিকায় লিখলে কিছু হয়না এবং প্রতিবেদকে দেখে নেওয়ার হুমকী দিলেন ঠিকাদার আব্দুস সামাদ আজাদ । নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রামে ২কিলো মিটার রাস্তা পাকা সড়ক নির্মাণের জন্য এলজিআইডি কর্তৃক রাস্তা নির্মাণ কাজ হাতে নেয় বানিয়াচং উপজেলার  আব্দুস সামাদ আজাদ নামে এক ঠিকাদার। গত (১৭) জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা  যায়,সরকারী কাজে নিয়োজিত কর্মচারীরা উত্তর দেবপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হইতে  সদরঘাট মসজিদের সামনা পর্যন্ত প্রায় ২কিলো মিটার পাকা সড়ক নির্মাণের কাজ ফেলে রেখে একটি বাড়ির রাস্তা পাকা করণে তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দেড় লক্ষ টাকার বিনিময় ব্যক্তিগত বাড়ির রাস্তাটি করে দিয়েছে সরকারী কাজে নিয়জিত ঠিকাদার এবং কর্মচারী  । সরকারী কাজে নিয়জিত কর্মচারীরা কিভাবে সরকারী কাজ ফেলে অন্যজনের ব্যক্তিগত বাড়ির রাস্তা নির্মাণের কাজে জড়িয়ে পড়ে এমন প্রশ্ন প্রশাসনের দিকে ছুড়ে দিচ্ছেন সচেতন মহল । এদিকে উক্ত ২ কিলোমিটার সড়কে দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত পরিমান,কংক্রিট,পথরের  গুড়া,বালু,পানি ইত্যাদি। সড়কের পাশে গাইড ওয়াল হাইড ১৮ ইঞ্চি,নিচে ২০ইঞ্চি তার উপরে ১৫ইঞ্চি দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে হাইড ১০ ইঞ্চি,নিচে ১১ ইঞ্চি,উপরে ৭ইঞ্চি ।  এতেই শেষ নয় গাইড ওয়াল দেওয়ার ১৫দিন পার হতে না হতেই গাইড ওয়ালের একাধিক স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল । সড়কে ৪ ইঞ্চি কনক্রিট দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে ২/৩ ইঞ্চি, রাস্তার পাশে মাটি ভরাট এবং বস্তা ভর্তি বালু দেওয়ার কথা থাকলে রাস্তার সীমানার কয়েক  কিলো মিটারের জায়গার মধ্যে এমন চিত্র দেখা যায়নি । রাস্তায় দেয়া হয়নি বালু,পানি,রোলার। উক্ত সড়ক নির্মাণে রাস্তার পুরাতন ইট পাশের সড়কের দেয়ার কথা থাকলে ও তা দেয়া হয়নি এইসব পুরাতন ইট ব্যবহার করা হয়েছে  আগের সড়কেই পুরাতন ইট ব্যবহার করার পরও পর্যাপ্ত পরিমান ইট,করক্রিট দেয়া হয়নি সড়কে এমন চিত্র সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবেদক চোখে আঙ্গুল দিয়ে দড়িয়ে দিলে বার বার কথা এড়িয়ে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেণ ঠিকাদার আব্দুস সামাদ আজাদ পরে এইসব অনিয়ম সমাধান করবেন কী না ?? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন পত্রিকায় লিখে আমার কিছু করতে পারবেনা তকে আমি দেখে নেব । এদিকে সড়কে শুধু কেরসিন দিয়ে রাস্তায় নির্মাণ কাজ শুরু করতে চাইলে বাধা দেয় স্থানীয় জনসাধারণ । স্থানীয় লোকজন জানান,কাজের কাজ কিছুই করছেনা সব কিছুতে বাটপারি, পর্যাপ্ত বালু,কংক্রিট কিছুই দেয়া হয়নি এই রাস্তার দিকে উপজেলা এবং জেলা প্রশাসন নজর দেয়া উচিত । এব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সাঈদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রতিবেদকের সাথে খারাপ আচরণ করা ঠিকাদারের উচিত হয়নি বলে জানান, রাস্তায় কাজ চলেছে আমি বিষয়টি দেখছি,এই রাস্তার জন্য কথা টাকা বরাদ্দ এসেছে জানতে চাইলে তিনি আরো জানান,২৪ লক্ষ টাকার বরাদ্দ এসেছে ।  উক্ত সড়কের দিকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সু-দৃষ্ঠি কামণা করছেন  এলাকাবাসী ।

রাণীনগরে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার


নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে খড়া জাল দিয়ে মাছ ধরা আড়ার বাঁশের সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় নিখিল সাহা (৩০) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার কাশিমপুর পোস্ট অফিসের উত্তরে নওগাঁর ছোট যমুনা নদী থেকে সোমবার তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
জানা গেছে, উপজেলার মিরাট ইউপির কনৌজ গ্রামের মৃত জিতেন সাহা’র ছেলে নিখিল সাহা রবিবার রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন ওই রাতেই সম্ভাব্য স্থানে অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান মেলাতে পারেনি। সোমবার সকালে উপজেলার কাশিমপুর পোস্ট অফিসের উত্তরে নওগাঁর ছোট যমুনা নদীতে জেলেদের খড়া জাল দিয়ে মাছ ধরা আড়ার বাঁশের সাথে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় নিখিলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন তার বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তার লাশ সনাক্ত করে। খবর পেয়ে রাণীনগর থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এঘটনায় রাণীনগর থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।
নিখিলের বড় ভাই জীবন সাহা জানান, নিখিল দীর্ঘ দিন ধরে হারনিয়া রোগে ভোগছিলেন। প্রচন্ড ব্যাথায় মাঝে মধ্যে সে মানসিক ভারসম্য হারিয়ে ফেলতো। এর আগেও একবার সেই গলায় দঁড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
রাণীনগর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখিলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে গলায় ফাঁস দেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে এবং তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। ময়না তদন্ত রির্পোট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।

তুরাগে তিন সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা


এস,এম মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর তুরাগে কালিয়ারটেক এলাকাতে তিন সন্তানকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে নির্মমভাবে হত্যার পর পাষন্ড মা রেহেনা পারভীন (৩৮) নিজেও ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহতরা হলো বড় মেয়ে শান্তা (১২), ছোট মেয়ে শেফা (৮) এবং ৮ মাসের ছেলে সা’দ এবং তার মা রেহেনা পারভীন (৩৮)। নিহতরা সকলের একই পরিবারের। নিহত ৪জনের মধ্যে ৩জন শিশু রয়েছে। খবর পেয়ে তুরাগ থানা পুলিশ মধ্যরাতে নিহত ৪জনের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ( ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে তুরাগ থানার কালিয়ারটেক এলাকায় মো. মোস্তফা কামালের বাড়িতে নির্মনভাবে চাঞ্জল্যকর এ খুনের ঘটনাটি ঘটে।
তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাহবুবে খোদা আজ সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুুলিশ,এলাকাবাসি ও নিহত রেহেনার স্বামী মো. মোস্তফা কামাল আজ জানান, আমি সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার করে বাসা থেকে বের হয়েছি। বাহিরে কাজ থাকায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসায় এসে দেখি দরজা বন্ধ। তখন ঘরের লাইন বন্ধ থাকায় রুমের ভেতরে অন্ধকার ছিল। পরে ঘরের লাইট জ্বালিয়ে দেখি, আমার স্ত্রী লাশ ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলছে। তিন সন্তানের লাশ বিছানার উপরে শোয়ানো রয়েছে। বড় মেয়ের দুই পায় রশি দিয়ে বাধা অবস্থায় পড়ে আছে। খবর পেয়ে আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তুরাগ থানার ওসি মাহবুবে খোদা, উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) শাহেন শাহ মাহমুদ উত্তরা বিভাগের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা,র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ। পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ( ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
রেহেনার বড় ভাই মাহবুব আলম সাগর আজ হত্যাকান্ড সম্পর্কে জানান, কামালের মা, ভাই-বোন তার সম্পত্তি দখলের জন্য দীর্ঘদিন যাবত ধরে অত্যাচার করে আসছিল রেহানাকে। অবশেষে আমার বোন তা সইতে না পেরে তার সন্তানদের হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনার তিন দিন আগে আমি আমার বোন এবং ভাগনী এবং ভাগিরাদের দেখতে আসি তখন দেখি আমার বোন শুধু লাউ পাতা রান্না করেছিলো। তখন আমি বাজার সদাই করে দিয়েছি। দশটা মুরগীও কিনে দিয়েছিলাম। পরে আমার বোন বললো ভাই তুই আর এখানে আসিস না, তোকে মেরে ফেলবে।
রেহেনার বড় ভাই মাহবুব আলম সাগর আরও জানান, আমরা মিরপুর থাকি আমাকে কামালের ছোট বোনের জামাই আমার বোন এবং ভাগিনাদের মৃত্যুর খবর জানায়। আমি খবর পেয়ে চলে আসি। তিনি আর ও জানান এই বাড়িটি আমার বোনের জামাই কামাল করেছে। কামালের মা, বোন ও মেঝো ভাই ওই জায়গা দখল করে রেখেছে বহুদিন ধরে। আমার বোন,বোন জামাই এবং ভাগিনাদের এই বাসা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বহুদিন ধরে। এছাড়াও কামালের মা ও ভাই-বোন ১২ লাখ টাকার জমি বিক্রি করেছে কিছুদিন পূর্বে। কিন্তু তাদের কোন টাকা দেয় নি।
সাগর আরও জানান,ভাগনি টাকার জন্য স্কুলেরও রেজিস্ট্রেশন করতে পারে নি। এত কষ্টের মধ্যে থেকেও বোন আমাদের কিছুই বুঝতে দেয় নি। কখনো কিছুই আমাদের বলেওনি। কামালের বাসা ভাড়ার টাকাও তার মা ভাই বোনরা খেয়ে ফেলতো প্রতিমাসে এই বাড়ি থেকে ৪০ হাজার টাকার উপরেও ভাড়া আসতো।
তুরাগ থানার ওসি মাহবুবে খোদা আজ জানান, ঘটনাস্থল ওই বাসার ঘরে ভেতর থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল বলে বাড়ির মালিক কামালের কাছ থেকে জানতে পারি। তবে লাশের গলায় দাগ দেখে মনে হচ্ছে সস্তানদের হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছে।
ওসি আর ও জানান, সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের লাশ গুলো ময়নতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটির কারণ জানতে চাইলে ওসি মাহবুবে খোদা বলেন, আমরা দ’ুটি কারণ পেয়েছি। একটি হল সংসারের অভাব অনটন এবং অপরটি জমি ও বাড়ি সংক্রান্ত বিরোধ। নিহতের স্বজনরা কি মামলা বা অভিযোগ দেয় তা দেখেই বলা যাবে এটি আতœহত্যা নাকি হত্যা।
এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেও জানান ওসি মাহবুবে খোদা।
পুলিশের একটি সূত্রে আজ আরও জানায়, তিন সন্তানের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাদেরকে শ্বাসরোধে হত্যা করা রয়েছে। যার মধ্যে বড় মেয়ে শান্তার গলায় হলুদ রঙের ওড়না দিয়ে পেঁচানো ছিল এবং দুই পা গোলাপি রঙের জরজেট ওড়না দিয়ে বাধা ছিল। তার পরনে গোলাপি রঙের ওড়না ও সেলোয়ার পরিহিত রয়েছে। ছোট মেয়ে শেফার গলায় হলুদের মধ্যে সাদা ওড়না রয়েছে। তার গায়ে লাল কালো রঙের ছেলোয়ার কামিজ পরিহিত ছিল। এছাড়া ৮ মাসের ছেলে সা’দের গলায় নীল ও সাদা রঙ্গের গ্রামীণ ওড়না পেঁচানো ছিল। তার পরনে ছিল সাদা রঙের প্যান্ট ও জামা পরিহিত আছে। ঘটনার পর ছোট মেয়ের শেফার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে।
উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) শাহেন শাহ মাহমুদ জানান আমরা হত্যার কোনা আলামত পাইনি। প্রাথমিকভাবে দেখে বুঝা যাচ্ছে যে, তিন সন্তনকে হত্যার পর মা নিজেও আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের পর বিস্তরিত বলা যাবে।

বিরামপুরে ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক


মোঃ জাহিনুর ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
বিরামপুর থানা পুলিশ ইয়াবা, হেরোইন ও ফেন্সিডিলসহ দুই নারী ও এক পুরুষ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে বুধবার (৭ জুন) দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে।জানা গেছে, সীমান্তবর্তী হিলি হাকিমপুর থেকে মাদক দ্রব্য পাচার করে আনার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুরের বেগমপুর রেলগেটে এসআই রজব আলী ও আনোয়ারুল ইসলাম অবস্থান নেন। এসময় বিরামপুরের দিকে আসা একটি অটোচার্জারের যাত্রী শাহানাজ বেগম পুনি (২৫) ও সামসুন্নাহার পাতানিকে (২৭) আটক করেন। মহিলা আনসার দিয়ে তাদের দেহ তল্লাশী করে ৩৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুই গ্রাম হোরাইন উদ্ধার করেন। তারা বিরামপুর পৌর এলাকার চকপাড়া শাইনপুকুর মহল্লার আনসারুল ইসলাম ও ইমন হোসেনের স্ত্রী। একই দিন বিরামপুর গরুহাটি অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাহমুদপুর গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র আসাদুজ্জামান লিটনকে (৪০) আটক করেছে। তাদের সকলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

সেনবাগে ডাকাতিসহ ৭ মামলায় টিপু সুলতান গ্রেফতার

মোঃ রফিকুল ইসলাম ,নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী জেলার  সেনবাগের সেবারহাটে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ডাকাতি,গাড়ী ভাংচুর সহ ৭ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী টিপু সুলতান ওরপে রানা (৩২) নামের এক যুবক কে গ্রেফতার করেছে। মংলবার রাত ৮ টায় সেনবাগ থানার এস আই খন্দকার আজাদুল ইসলামের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত টিপু সুলতান মোহাম্মদপুর ইউপির দ: রাজারামপুর গ্রামের আবুল বাশারের পুত্র। সেনবাগ থানার এস আই খন্দকার আজাদুল ইসলাম জানান,গ্রেফতারকৃত টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে সেনবাগ থানায় ২০০৮ সাল থেকে ডাকাতি,ভাংচুর,চুরি সহ ৭ টি মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) অ জিত মিত্র রাতে গ্রেফতারের বিষয়টি গনমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গুরুদাসপুরে যুবককে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ

গুরুদাসপুর (নাটোর ) প্রতিনিধি.
নাটোরের গুরুদাসপুরে শাহিন ফকির (২৮) নামে এক যুবককে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সুত্রে ও সরেজমিন গিয়ে জানা যায়,উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের ধানুড়া গ্রামের মৃত সিদ্দিক ফকিরের ছেলে ঘর জামাই থাকতো পাশের কলাপাড়া গ্রামে মসলেমের বাড়িতে। তার স্ত্রীর নাম সম্পা। মাঝে মধ্যেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাসহ তাদের সংসারে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। বুধবার সকালে মৃত শাহিনের ফুপু ঘরের ফাঁক দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় একটা পরিত্যাক্ত বাড়িতে শাহিনের লাশ দেখতে পায়। তার ডাক চিৎকারে এলাকার মানুষ এগিয়ে এসে শাহিনের লাশ বলে শনাক্ত করে। পরে তারা গুরুদাসপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। এঘটনার পর থেকে শাহিন ফকিরের স্ত্রী সম্পা ও তার শ^শুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে আছে। মৃত শাহিনের গোপন জায়গা জখমের চিহ্ন রয়েছে।শাহিনের ছোট ভাই তুহিন অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইয়ের শ^শুর বাড়ির লোকজন হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়েছে। তার ভাইয়ের হত্যার বিচার চান তিনি।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সুব্রত কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে নাটোর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তর পর হত্যার প্রকৃত কারন জানা যাবে। ছেলে পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

নওগাঁ ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার – ৪

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার পারইল গ্রামের মৃত-কছিমুদ্দীনের ছেলে আব্দুল মজিদ (৩৫), উত্তর রাজাপুর গ্রামের মৃত-শ্যামচাঁদ মোল্লার ছেলে হাবিব মোল্লা (৪৫), বিলপালশা গ্রামের মৃত-সবতুল্লা প্রামানিকের ছেলে আজাদ (৩৭), বেদলা গ্রামের মৃত-গোলাম আলী মন্ডলের ছেলে এমদাদুল হক (৪৮)। শনিবার গ্রেফতারকৃতদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার অভিযান চালিয়ে উপজেলার পারইল ইউপির বানিয়াপাড়া গ্রামের লোকমান হোসেনের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আব্দুল মজিদ (৩৫), হাবিব মোল্লা (৪৫), মোঃ আজাদ (৩৭) ও এমদাদুল হক (৪৮)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।। শনিবার সকালে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৬ মে শুক্রবার দিনগত রাতে বানিয়াপাড়া গ্রামের লোকমান হোসেনের বাড়িতে এক ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রের মুখে ও মারপিট করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, দামি কাপড়চোপড়সহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

ফুলবাড়ীয়ায় বনের জমি জবরদখলে বৃদ্ধার নামে চাঁদাবাজী মামলা


ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁও মৌজায় ৩৩৯ নং দাগে বনের এক একর জমি জবরদখল করে চর্তুদিকে কাঁটা তারের বেড়া দেয়া হয়েছে। নির্মান করা হয়েছে একটি ঘর। প্রভাবশালী মহলটি এরই মধ্যে আশেপাশের জমি জবরদখল করতে মিথ্যে চাঁদাবাজী মামলা দিয়ে এক পরিবারের ৯০ বছরের বয়োবৃদ্ধসহ ৮ জনকে হয়রানী করছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান কবির হোসেন বলেন ৩৩৯ নং দাগটি বনের। চাঁদাবাজীর মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, তার এলাকায় কোন চাঁদাবাজ নেই। মিথ্যে মামলা দিয়ে ঐ পরিবারকে হয়রানী করা হচ্ছে।
উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাঁহালগাঁও মৌজার ৩৩৯ নং দাগ বন বিভাগের জমি। বন বিভাগের জমি জামাল মাহমুদ চৌধুরী নামের সেনাবাহিনীর এক সাবেক মেজর ৩/৪ বছর আগে বনের ৩৩৯ নং দাগের প্রায় এক একর জমি জবরদখল করে চর্তুদিকে কাঁটাতারের বেড়া নির্মান সহ একটি ঘর উত্তোলন করে। স্থানীয় মোফাজ্জল হোসেন নামের এক ব্যক্তি মেজরের জবরদখলীয় জমির কেয়ারকেটারের দায়িত্ব পালন করেন। পাশের জমি জবরদখল করতে মেজর তার কেয়ারটেকার মোফাজ্জলকে দিয়ে ৯০ বছরের বৃদ্ধ আফতাব উদ্দিন সহ ৯ জনকে আসামী করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২ নং আমলী আদালত ময়মনসিংহে একটি চাঁদাবাজী মামলা করে। এ মামলায় আসামী করা হয়ছে স্ট্রোক করা ৬৫ বছরের আব্দুল হালিমকেও। আদালত ফুলবাড়ীয়া থানার তৎকালীন ওসিকে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য প্রেরন করে। ফুলবাড়ীয়া থানার তৎকালীন ওসি রিফাত খান রাজিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করে বাদী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ৯০ বছরের বৃদ্ধ আফতাব উদ্দিন সহ ৮ জনের নামে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
৯০ বছরের বৃদ্ধ আফতাব উদ্দিন জানান, আর কদিন পরেই মরে যাবো আমাকে করা হয়েছে হুকুমের আসামী। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ায় এমনটি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও জানান, চাঁদাবাজী মামলার ঘটনা সাজানো হয়েছে ফেব্রুয়ারী মাসের ৪ তারিখ। সেদিন আমার আপন ভাগিনা নজরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
এনায়েতপুর বনবিট কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ জানান, ৩৩৯ নং দাগটি বন বিভাগের জমি। এখানে প্রায় এক একরের উপরে জমি রয়েছে। পুরো জমি জবরদখলের অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। জমি উদ্ধারের জন্য ফাইলপত্র তৈরি করা হচ্ছে।

সৈয়দপুরে ২৪’শ পিচ ইয়াবাসহ আটক ৩

আলমগীর হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার লক্ষণপুর থেকে ২৪০০ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষণপুরের ব্রাক্ষণপাড়া (হিন্দুপাড়া) থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।আটককৃতরা হলো সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের বড়দহ গ্রামের সুরেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে বিপ্লব (২৮) এবং রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার রাধানগর গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে কলেজ ছাত্র রাশেদ (১৮) ও নাসির উদ্দিনের ছেলে মেহেদি (১৮)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর থানার ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাদের আটক করা হয়।তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঝিনাইদহে ছয় মাসে ১৭০ জনের আত্মহত্যা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন, প্রেমিক-প্রেমিকার দ্বন্দ্ব, অসুস্থতা, অর্থনৈতিক দৈন্য, পড়ালেখাসহ নানা বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের ওপর অভিমানসহ বিভিন্ন কারণে ঝিনাইদহ জেলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। গত ৬ মাসে (নভেম্বর ১৬-এপ্রিল ১৭) পর্যন্ত ১৭০ জন নারী-পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন।পুলিশ ও বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা যায়, এর মধ্যে গত নভেম্বর মাসে ২৬ জন, ডিসেম্বরে ২৮, জানুয়ারিতে ২৯, ফেব্রুয়ারিতে ২৫, মার্চে ২৯ এবং এপ্রিল মাসে ৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন। এ ছাড়া আত্মহত্যা চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন আরো প্রায় ৫শ নারী ও পুরুষ। তাছাড়া গত ৬ বছরে (২০১০-২০১৬ পর্যন্ত) হিসাবে জেলায় প্রায় ২ হাজার ২৭৫ জন আত্মহত্যা করেছেন। তবে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার হিসেবে আরো বেশি বলে জানা গেছে। এদিকে ঝিনাইদহে আত্মহত্যার প্রবণতা কমিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশু একাডেমিতে একাধিক মতবিনিময় সভা করা হয়েছিল।২০১৭ সালের ১৪ মে জেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিং সূত্রে জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে ফাঁসিতে ঝুলে ৪ পুরুষ, ৯ নারী, বিষপানে ৫ পুুরুষ ও ২ নারী, অন্যভাবে ৬ পুরুষ ও ৩ নারীসহ ২৯ জন আত্মহত্যা করেছেন।ফেব্রুয়ারি মাসে সদর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ২ নারী, বিষপানে ২ পুরুষ ও ১ নারী এবং অন্যভাবে আরো ১ জনসহ ৭ জন আত্মহত্যা করেছেন। একই মাসে শৈলকুপা উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ পুরুষ-নারী, বিষপানে ২ নারীসহ ৪ জন, হরিণাকুন্ডুতে ফাঁসিতে ঝুলে ২ পুরুষ ও ২ নারী, অন্যভাবে আরো ১ জনসহ ৫ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ১ নারী, বিষপানে ১ নারীসহ ৩ জন, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ নারী, মহেশপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ৩ নারী, বিষপানে ১ পুরুষসহ ৫ জন আত্মহত্যা করেছেন। মার্চ মাসে ফাঁসিতে ঝুলে ৪ পুরুষ, ১৪ নারী, কীটনাশক পান করে ৪ পুরুষ ও ১ নারী, অন্যভাবে ৪ পুরুষ ও ২ জন নারীসহ ২৯ জন আত্মহত্যা করেন। এপ্রিল মাসে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ নারী, কীটনাশক পান করে পুরুষ ও ১ নারী আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া অন্য উপায়ে ২ পুরুষ ও ২ জন নারী আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া শৈলুকপা উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ পুরুষ, কীটনাশক পান করে ২ নারী, হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ৪ নারী, কীটনাশক পান করে ১ পুরুষ ও অন্য উপায়ে ১ নারী আত্মহত্যা করেছেন। তাছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ১ পুরুষ ও ২ জন নারী, কীটনাশক পান করে ১ পুরুষ আত্মহত্যা করেন। এছাড়াও কোটচাঁদপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ২ নারী, অন্যভাবে ১ পুরুষ, মহেশপুর উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ৩ নারী, কীটনাশক পান করে ১ পুরুষ আত্মহত্যা করেন। সব মিলিয়ে এপ্রিল মাসে মোট ৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সূত্রে আরো জানা যায়, ঝিনাইদহে ২০১০ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩৮০ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ১০৯ জন, ২০১১ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩০৯ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৮৪৯ জন, ২০১২ সালে আত্মহত্যা করেছেন ২৯৫ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৫৮৩ জন, ২০১৩ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩১১ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৬৩৯ জন, ২০১৪ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩০৩ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৪০৯ জন, ২০১৫ সালে আত্মহত্যা করেছেন ৩৬৩ জন আর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ২ হাজার ৬০০ জন এবং ২০১৬ সালে আত্মহত্যা করেছেন ২৬৩ জন। ঝিনাইদহে আত্মহত্যা ও আত্মহত্যা রোধ বিষয়ে গবেষণা করছে শোভা নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম জানান, ঝিনাইদহের মানুষ বেশি আবেগপ্রবণ। এখানকার মানুষ ঠুনকো কারণে আত্মহত্যা করে। কীটনাশকের সহজলভ্যতা ও তুচ্ছ ঘটনায় আবেগপ্রবণ হয়ে এ জেলার মানুষ হরহামেশাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

 


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »