Category: আইন-আদালত

ঝিনাইদহে অন্যের জমি দখল করে পুকুর খনন আদালতের স্থিতিবস্থা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা নারায়নপুর ত্রীমোহনী এলাকায় শওকত আলী তরফদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোর করে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ উঠছে। জমি দখলকারী নালিশী জমিতে পুকুর খনন করেছে। হতদরিদ্র ও খুটোর জোর না থাকায় জমির মালিক সেলিনা খাতুন জমির উপর যেতে পারছেন না। এ নিয়ে বহুবার শালস বৈঠক করা হলেও শওকত আলী তরফদার কোন আইন মানছেন না বলে অভিযোগ। শওকত আলী তরফদার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোতাহাটী গ্রামের ভোলাই তরফদারের ছেলে। জমির মালিক সেলিনা খাতুনের স্বামী তরিকুল ইসলাম এ নিয়ে গতকাল সোমবার আদালতের দারস্থ হয়েছেন। আদালত দখল মোতাবেক স্থিতিবস্থা ও শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩১ নং সাধুহাটী মৌজার এসএ ৩৩৫৬ ও আরএস ৪৫৭৭ নং দাগের জমির মধ্যে তারা প্রায় ১৪ শতক জমির মালিক। তারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তিু দ্বিতীয় পক্ষ প্রভাবশালী ও অর্থবিত্ত হওয়ায় বেআইনী জনতা জোটবদ্ধ করে নালিশী জমিতে পুকুর খনন করছেন। বাধা দিলে খুন জখমের হুমকী দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ডাকবাংলা পুলিশ ফাড়ির তদন্ত কর্মকর্তা খাইরুজ্জামান বলেন, তরিকুল ইসলাম এর আগেও আদালতে ১৪৪ ধারা জারীর আবেদন করেন। কিন্তু আদালত শওকত আলী তরফদারের পক্ষে আদেশ দেন। তিনি বলেন, এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। আদালত থেকে নতুন কোন নির্দেশনা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

মাগুরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি বাবলু, সেক্রেটারী টগর

মাগুরা প্রতিনিধি :-জেলা আইনজীবি সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত সভাপতি পদে শফিকুল ইসলাম বাবলুসহ ১১টি এবং বিএনপি সমর্থিত সেক্রেটারী পদে শাহেদ হাসান টগরসহ ৪টি পদে বিজয়ী হয়েছে।
রবিবার শান্তিপূর্ন পরিবেশে মাগুরা জেলা আইনজীবি সমিতির বার্ষিক নির্বাচনের ভোট গ্রহন বার ভবনে সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে অন্যান্য বিজয়ীরা হচ্ছেন বিএনপি সমর্থিত সহ-সভাপতি কুমুদ রন্জন বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক ( ফৌজদারী) জাকির মন্ডল, হিসাব নিরিক্ষক আনোয়ার জাহিদ, আওয়ামীলীগ সমর্থিত বিনা প্রতিদন্দ্বীতায় যুগ্ম সম্পাদক সবুর জোয়াদ্দার, কোষাধ্যক্ষ অমিত মিত্র, গ্রন্থাগারিক সম্পাদক নুরুজ্জামান শাহীন, ভোটে নির্বাচিত ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোছা: অজেদা সিদ্দিকী, নির্বাহী সদস্য পদে দেবু শিকদার, মো: মশিয়ার রহমান, মো: মকবুল হোসেন, মিতা খাতুন, রওশন আক্তার বিউটি, মো: হারুনর রশিদ। নির্বাচন কমিশনার হিসাবে এড: আব্দুর রাজ্জাক দায়িত্ব পালন করেন। সমিতির ২৫১ জন ভোটারের মধ্যে ২১০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

যুদ্ধাপরাধী সাব্যস্ত করে বিচার করা উচিৎ

দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকারের উচিত- নরখাদক,বিচ্ছিন্নতাবাদী, রাষ্ট্রদ্রোহী। সংবিধানবিরোধী।কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারী সন্তু লারমাকে যুদ্ধাপরাধী সাব্যস্ত করা ও বিচার করা। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিমন্ত্রী ও বিশেষ সুবিধায় থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙালিদের উচ্ছেদ করার জন্য চরম ঔদ্ধত্যমূলক ও রাষ্ট্রদোহিতামূলত কর্মকা- প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে। উপজাতি সন্ত্রাসীদের মুখপাত্র সন্তু লারমা এবং তার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। সন্তু লারমার উদ্দেশ্য পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙালি উচ্ছেদ করে একচ্ছত্রভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি সন্ত্রাসীদের কর্তৃত্ব স্থাপন। গত জুমুয়াবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নেতা সন্তু লারমার এই ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান। তিনি বলেছেন, ‘সন্তু লারমা চায় না, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিরা থাকুক। তাকে (সন্তু লারমা) এই অধিকার কে দিয়েছে? ওই ব্যক্তি কিভাবে ওখান থেকে বাঙালিদের সরে যেতে বলে? সে কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নয়। তার বাংলাদেশের আইডেন্টিটি নেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ভূমিকা কি ছিল তাও কেউ জানে না।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, ড. তারেকের এ কথা যথার্থ। কিন্তু অতীব আফসোস ও গভীর পরিতাপের বিষয় হলো- এ বিষয়ে বহুদিন যাবৎ লেখালেখির পরও এখন পর্যন্ত তথাকথিত কোনো বুদ্ধিজীবী মুখ খুলেনি। ড. তারেক মুখ খুললেন এবং বললেন, কিন্তু অনেক দেরিতে বললেন। বাস্তবে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে যারা মুখে ফেনা তুলে তারা মূলত দেশের এক দশমাংশ ভূমি পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো চিন্তাই করে না। বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নেতা সন্তু লারমা গংদের চক্রান্ত তাদেরকে বিচলিত করে না।
অথচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নেতা সন্তু লারমার এই অপতৎপরতার প্রধান উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে আলাদা একটি দেশ প্রতিষ্ঠা করা। আর এর পেছনে কাজ করছে মার্কিন সম্রাজ্যবাদী শক্তি ও ইহুদী লবিং। সিএচটি কমিশন হলো ইহুদী সম্রাজ্যবাদীদের দোসর। ফলে পাহাড়ে তৈরি হয়েছে দেশবিরোধী কিছু উপজাতি সন্ত্রাসী সংগঠন। জেএসএস এবং ইউপিডিএফ যাদের মধ্যে প্রধান। এরা সশস্ত্র এবং সংগঠিত। দেশবিরোধী আর এই ষড়যন্ত্রের মূল হোতারা কিন্তু শুধু বিদেশী নয়, দেশী হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন, সোশাল ওয়ার্কার, মানবাধিকার কর্মী, এনজিও তথাকথিত সুশীল ব্যক্তি ইত্যাদি ছদ্মবেশে পাহাড়ে অবস্থান করে এরা বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি সন্ত্রাসীদের অর্থ সহায়তা দিয়ে চলেছে আর এই অর্থের ৯০ ভাগই ব্যবহার করা হচ্ছে মায়ানমার ও ভারত থেকে অস্ত্র সংগ্রহে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নের নাম করে বিভিন্ন সংস্থা পাহাড়ে এসব বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি সন্ত্রাসীদেরকে মদদ দিয়ে চলেছে এমনকি এরা কূটনৈতিক সহায়তাও পাচ্ছে বিদেশ থেকে।
আমরা দ্ব্যার্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমা আজকে পাহাড়ে বাঙালি উচ্ছেদ করে শুধু দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রেই লিপ্ত নয়, বরং সে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী ঘৃণ্য নীলনকশা বাস্তবায়নে অনেকটাই অগ্রসর হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সন্তু লারমার পূর্বপুরুষরা স্বাধীনতার সময়ও পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ অবলম্বন করে ঘৃণ্য রাজাকারের ভূমিকায় ছিল এবং মুক্তিযোদ্ধা ও এদেশবাসীকে হত্যা করেছিলো।
বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমা পাহাড় থেকে বাংলাদেশীদের হটানোর নেপথ্যে ‘উপজাতি’দেরকে ‘আদিবাসী’ বলে প্রচার করছে। যা বাংলাদেশের সংবিধান বিরোধী। কারণ সংবিধানে এসব নৃ-গোষ্ঠীকে ‘উপজাতি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমা ও রাজাকার পুত্র ত্রিদিব রায় অতীতে বলেছিলো- ‘আদিবাসী নয়, সবাই উপজাতি’। কিন্তু বর্তমানে হঠাৎ করে কয়েক বছর ধরে এই কুটকৌশলের অধিকারী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমা কেন আদিবাসী ইস্যু নিয়ে নাক গলাচ্ছে?
সরকারের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমা কিছুদিন পর পর নানা হুমকি ও হুঁশিয়ারী দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গ্রুপকে উস্কে দিচ্ছে। যার কারণে প্রতিনিয়ত ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে পাহাড়। এর আগেও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমা নানা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে হাজার হাজার বাঙালিকে শহীদ করেছিলো। ১৯৭৯ সালের ১৯শে ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত সময়ে ঘুমন্ত মানুষের উপর রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলা সদর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম কলঙ্কজনক অধ্যায় লংগদু গণহত্যা করে ৩৮ হাজার বাঙালিকে হত্যা করেছিলো বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নেতা সন্তু লারমার নেতৃত্বে জেএসএস। বাঙালিদের প্রত্যেকটি গ্রামে অগ্নি সংযোগসহ লুটতরাজ, সামনে যে বাঙালিকে পেয়েছে তাকেই হত্যা করেছে, বাঙালি নারীদের গণসম্ভ্রমহরণ ও পরে হত্যা, নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তিবাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। এছাড়া কাউখালী গণহত্যা, বেতছড়ি গণহত্যাসহ প্রায় ১৫টির মতো গণহত্যার মাধ্যমে এই সন্তু লারমা সে প্রায় লাখখানেক বাঙালিকে হত্যা করেছে।
সঙ্গতকারণেই আমরা বলতে চাই, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে কোনো প্রকার স্বাধীনতা বিরোধীদের অভয়ারণ্য হতে পারে না। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয় প্রতিনিয়ত দেশবিরোধী, সরকারবিরোধী এবং সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দেয়ার পরও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সন্তু লারমার বিরুদ্ধে এখনো আইনের প্রয়োগ করা হয়নি। তাকে দেয়া প্রতিমন্ত্রীর সুবধিা প্রত্যাহার করা হয়নি।
অথচ যারা পাহাড়ে বাঙালি উচ্ছেদের কথা বলে তারা রাষ্ট্রদ্রোহী। সংবিধানবিরোধী। তারা বাংলাদেশবিদ্বেষী। দেশবিরোধী এসব কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারীদের এদেশে থাকার, চলার, সংগঠন করার, বক্তব্য দেয়ার কোনো অধিকার নেই। তারা ১৯৭১-এর শান্তিকমিটির মতো দেশে অশান্তি বিস্তার করছে, বিদ্বেষ তৈরি করছে। বৈষম্য লালন করছে। এরা ষড়যন্ত্রকারী এবং কুচক্রী। এরা এদেশে অবাঞ্ছিত। এদের উৎখাত করতে দেশবাসীকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তাই সরকারের উচিত, সন্তু লারমাকে অবিলম্বে আইনের আওতায় নিয়ে এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। সেইসাথে পাহাড়ে বাঙালিদের সুরক্ষা এবং শান্তির পরিবেশ কায়েম করার জন্য যথাযোগ্য সামরিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ১১ কেজি ওজনের ১০০টি সোনার বার আটক


এস,এম, মনির হোসেন জীবন : হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাড়ে ১১ কেজি ওজনের ১০০টি সোনার বার আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ কর্তৃপক্ষ। আটক করা সোনার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।
আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে কাতার থেকে ঢাকায় আসা কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানের আসনের নিচ থেকে এসব সোনার বার আটকের ঘটনাটি ঘটে।
ঢাকা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার এহসানুল কবির আজ দুপুরে এখবরটি নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা কাস্টমসের যুগ্ন কমিশনার সোহেল রহমান জানান,দোহা থেকে ঢাকায় আসা কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমান থেকে আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করেন। পরে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ঢাকা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ওই বিমানে তাৎক্ষনিক ভাবে তল্লাশী চালিয়ে একটি সিটের নিচে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ১০০টি সোনার বার পাওয়া যায়। প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১০ তোলা করে। আটক করা সোনার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।
এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকা কাস্টমসের যুগ্ন কমিশনার সোহেল রহমান জানান, কারা এই সোনার চালানটি বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে,তা তদন্ত করে বেশ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচেছ। এবিষয়ে কাস্টম এর পক্ষ থেকে আজ বিকেল ৩টায় এক প্রেসব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রেসব্রিফিং চলছিল।

তদন্তের নামে সময় ক্ষেপনের চেষ্টা!! পার্বতীপুরের সেই অভিযুক্ত দু’শিক্ষকের বিভাগীয় মামলার তদন্তকারী ০৩ কর্মকর্তা নিয়োগ


বিশেষ প্রতিনিধি\ দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলাধীন মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা তদন্তের নিমিত্তে ০৩ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। বিরামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানকে আহব্বায়ক করে এবং মোঃ হারুন-অর-রশিদ, সহকারী শিক্ষা অফিসার হাকিমপুর দিনাজপুর ও জনাব প্রফুলø কুমার বর্মন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার দিনাজপুর সদরকে বিভাগীয় মামলা তদন্ত কমিটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হতে ইস্যুকৃত চিঠি যাহার স্মারক নং- জেপ্রাশিঅ/দিনাজ/বিঃমাঃ/৩৫৬৩-এ আগামী ৩১/১২/২০১৬ইং তারিখের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামত সহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এদিকে বিভিন্ন অজুহাতে দফায় দফায় তদন্তের নামে সময় ক্ষেপনের চেষ্ঠা করছেন এবং অপরাধিদের বাঁচাতে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সমেশ চন্দ্র মজুমদার বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ৫ ডিসেম্বর/১৬ইং উক্ত দু’শিক্ষকের আত্মপক্ষ সমর্থন করে আপিল শুনানির দিন ধার্য্য ছিল, আপিল শুনানিতে তাদের বক্তব্য খারিজ হয়ে যায়। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষাক মোঃ হাফিজুর রহমান ও সহ শিক্ষিকা রেবেকা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার রজু সহ চাকুরী হতে বরখাস্ত করণ কারণ দর্শানোর নোটিশ ৩ অক্টোবর/১৬ প্রদানের পর এই তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ কমিটি গঠিত হলো। উলেøখ্য গত ৩০ আগষ্ট/১৬ ইং পার্বতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আল-সিরাজ এবং অপর সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান দিন ব্যাপি বিদ্যালয়টিতে উপস্থিত থেকে ওই দু’শিক্ষকের অভিযোগ সমূহ তদন্ত করেন। অপরদিকে মাত্র ১ সপ্তাহের ব্যাবধানে ৭ সেপ্টেম্বর/১৬ইং জনাব মোস্তাফিজুর রহমান সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পার্বতীপুর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের যথার্থতা তদন্তে এসে দালিলিক প্রমানাদি সহ অভিযোগ সমূহ প্রমানে সক্ষম হন। পার্বতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার সামগ্রীক যৌথ তদন্ত প্রতিবেদন স্মারক নং- ৯৯৭ তাং- ২২/০৯/১৬ইং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দাখিল করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দিনাজপুর স্মারক নং- জেপ্রাশিঅ/দিনাজ/বিঃমাঃ/৩০৭৯/৪ এবং জেপ্রাশিঅ/দিনাজ/বিঃমাঃ/৩০৮০/৪ তারিখ ০৩/১০/১৬ইং তে বলা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিয়মান হয়, উক্ত দু’শিÿক সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫এর বিধি ৩ (বি) মতে অসদাচারণের সামিল ও সাস্তিযোগ্য অপরাধ করিয়াছেন। মর্মে একই ধারার ৪ (৩) (ডি) মোতাবেক চাকুরী হতে বরখাস্ত বিভাগীয় মামলা রজু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয় সহ, শিক্ষিকা রেবেকা খাতুন আপনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের (প্রধান শিক্ষক) বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রনিত, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে সাময়িক তদন্তে প্রমানিত হইয়াছেন। প্রসঙ্গত- সংশ্লিষ্ট প্রধান শিÿক ওই দু’শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্বহীনতা, পূর্বানুমতি ছাড়া ছুটি ভোগ, বিলম্বে আগমন, আগাম প্রস্থান, জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশন কালে/এসেম্বেলী চলাকালীন সময়ে অফিসে বসে খোস গল্পে সময় কাটানো সংক্রান্ত প্রতিবেদন শিক্ষা অফিসে দাখিলের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিÿক হাফিজুর রহমানের সহায়তায় শিক্ষিকা রেবেকা খানম ২১ আগষ্ট/১৬ প্রধান শিÿকের বিরুদ্ধে একটি হয়রানি মূলক উত্তোক্ত করণ অভিযোগ দাখিল করেন। অবশ্য তদন্ত কালে অভিযোগ প্রদানে ব্যার্থ হয়ে ওই শিক্ষিকা মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছিল। একাধিক তদন্তে বারংবার দোষি প্রমাণিত হওয়ার পরেও অভিযুক্ত দু’শিÿককে চিহ্নিত করা হলেও কেন কয়েক মাসে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না সকলের নিকট একটাই প্রশ্ন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ রংপুর বিভাগীয় কর্মকর্তার লুকোচুরির কারণে অভিযুক্ত শিÿকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কে করবেন তা নিয়ে রহস্য জট খুলছে না। জানতে চাইলে ডিপিইও দিনাজপুর বলেন আমি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ সহ রংপুর বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণ করতে পারি। ব্যবস্থা নিবেন সংশ্লিষ্ট ডিডি মহোদয়। সংশ্লিষ্ট ডিডি রংপুর খোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন সংশ্লিষ্ট ডিপিইও, আমি শুধু অনুলিপি পাব। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্র যাহার স্মার নং- ১৬৮/৭১(৪) তাং- ২৮আগষ্ট/১৬ এ স্পষ্ট বলা হয়েছে সরকারি প্রাথকি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষাক গণের নিয়োগ কর্তা হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসার সহকারী শিক্ষক গণের বিভাগীয় মামলা রজু ও নিষ্পত্তি করবেন। সচেতন মহলে প্রশ্ন জেলা প্রাথমিক অফিস- এবং বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তার রশ্মি টানা টানির কারণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাক্রম কবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে?

ইসলামী ‘নামে সন্ত্রাসীরা লেবেল বন্ধ করুন—–ওআইসি জেদ্দায় তথ্যমন্ত্রী `

জেদ্দায় (সৌদি): ডিসেম্বর 21:
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জোরালোভাবে ইসলামপন্থীদের হিসাবে লেবেল সন্ত্রাসী বন্ধ করতে সরকার ও বিশ্বের অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ সত্ত্বা প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন.
11 তম ইসলামী বুধবার জেদ্দায় ওআইসির সদস্য দেশগুলোর তথ্য মন্ত্রীদের (ICIM) এর সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তার ভাষণে বলেন, ইসলামের নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে ‘কিছু বিপথগামী অসাধু ধর্মান্ধদের’ অবলম্বী, কোনোভাবেই না অনুমতি দেয় ইসলামপন্থীরা সেই ধর্মান্ধদের কলিং. ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং সন্ত্রাসবাদ প্রচার করে না. ‘
ইসলামী সন্ত্রাসী ‘ইসলামের ভাবমূর্তি কলুষিত বাড়ে যে’ কিন্তু বিভিন্ন মহল শব্দটি ব্যবহার হয়েছে ‘. এই সম্মেলন থেকে আসুন, ” সন্ত্রাসীরা একটি উপসর্গ হিসাবে ‘শব্দটি `ইসলামপন্থীদের অপব্যবহার পরিত্যাগ সব সরকার ও বিশ্বের অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ সত্ত্বা তাড়ন, বলেন তিনি.
সংস্কৃতি ও তথ্য আদেল আল Toraifi সম্মেলনে সৌদি মন্ত্রীর চেয়ার বাংলাদেশের প্রস্তাবের প্রশংসা যেমন ইনু নিউ মিডিয়া সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ভূমিকা সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ঐতিহ্যগত এবং নিউ মিডিয়া মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও’ Islamophobia ‘প্রতিহত উপর সেশনে 11 দফা প্রস্তাব পেশ মুখোমুখি সন্ত্রাসবাদ এবং ইসলাম বিদ্বেষ মধ্যে ‘.
তাঁর এগারো প্রস্তাব সক্রিয় আলিম-ওলামা, ইমাম, মাদ্রাসা ও ইসলামী ইনস্টিটিউট অন্তর্ভুক্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার, ভর অভিযান, সন্ত্রাসী কাজ দ্রুত condemnations, মিডিয়ার জন্য সরকার উদ্যোগ সন্ত্রাসী, একটা বছর প্রোগ্রাম মিডিয়াতে truth- প্রচার downplay থেকে 365 দিন সন্ত্রাসবাদ, ইসলাম নয় সন্ত্রাস ও `Islamophobia বিরোধিতা রত মিডিয়া নিউ মিডিয়া ও সাইবার নিরাপত্তা ওআইসি নীতিমালা ‘, উন্নয়ন এবং নিউ মিডিয়া ইসলামী বিষয়বস্তু আপলোড, যাতে বাকি পৃথিবীর প্রণয়নের আলিঙ্গন ইসলামের ধরেছেন- হাইলাইট’ ‘আরো আন্ত বিশ্বাস সংলাপ ও ইসলামপন্থীদের যেমন সন্ত্রাসীদের কলিং থেকে নিরাপদ থাক.
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু উচ্চ আশা যে সম্মিলিত প্রচেষ্টার সঙ্গে ওআইসি সদস্য প্রচার করার slogan- ‘ইসলাম মানে শান্তি নিউ মিডিয়া ক্ষমতা জোতা করতে সক্ষম হবে স্বরিত. আর সন্ত্রাসবাদ জিহাদ ‘নয়.
ইনু আরো উল্লেখ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি স্বপ্নদর্শী ইসলামিক কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন আকাঙ্খার সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হিসেবে 1974 সালে দ্বিতীয় ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে. মন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ভাগ এবং ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় ডিজিটাল অভিজ্ঞতা জন্য প্রস্তুত.’
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত সচিব Saraf উদ্দিন আহমেদ, ওআইসি ড. মো: নজরুল ইসলাম ও জ্যেষ্ঠ তথ্য ও তথ্য মন্ত্রণালয় মীর আকরাম উদ্দিন আহম্মদ এর জনসংযোগ অফিসার উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত.
দুই দিনব্যাপী সম্মেলন, দুই দিনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে বসলেও পর মন্ত্রী ভোরে 24 ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরবেন বলে আশা করা হয়.

মাদারীপুরে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত


অজয় কুন্ডু, মাদারীপুর:
মাদারীপুরে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কÿে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামে আয়োজনে কর্মশালায় অংশ নেন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন এনজিও’র প্রতিনিধি, শিÿক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। এ সময় বাল্য বিবাহের কুফল নিয়ে আলোচনা করেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তারা।জেলা প্রশাসক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার কনা, মহিলা উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন লাকী, মাদারীপুর মহিলা কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহানা নাসরিন রুবি, প্রেস ক্লাবের আহবায়ক শাজাহান খানসহ অন্যরা।
অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ বন্ধে সকলকে সচেতন হবার পাশাপাশি ঐক্যমত গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

রামগঞ্জে বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন গর্ভজাত সন্তান ও তার মা?

মু.ওয়াছীঊদ্দিম,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ-
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর গ্রামের উত্তর সোনাপুর মুন্সী বাড়ীর নুর আলমের মেয়ে তিন সন্তানের জননী শামসুন্নাহার (৩০) ও তার গর্ভজাত সন্তান অসুস্থ হয়ে না স্বামীর নির্যাতনে মারা গেছে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বাড়ীর লোকজন।
অপরদিকে মৃতের ভাই জানিয়েছেন, টাকা না থাকায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে তার বোন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বেশ কিছু লোক উঠেপড়ে লেগেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানায়, সোনাপুর গ্রামের উত্তর সোনাপুর মুন্সী বাড়ীর নুর আলমের কন্যা শামসুন্নাহারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেয়া হয় উপজেলার ৩নম্বর ভাদুর ইউনিয়নের কেথুড়ী গ্রামের আন্তিরবাড়ীর নুর ইসলামের ছেলে মোঃ সুমনের কাছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে বাবা নুর আলম দফায় দফায় জামাই সুমনকে নগদ টাকাসহ ঘরের আসবাবপত্র প্রদান করলেও স্বামী সুমন শামসুন্নাহারকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রাখতো। এমনকি মা-বাবার সাথে শামসুন্নাহারের সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় স্বামী মোঃ সুমন। বর্তমানে বড় ছেলে জয় (৮), শামিম (৬) ও সুমাইয়া (২) নামের তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
বিগত তিনমাস পূর্বে স্ত্রী শামসুন্নাহার ও সন্তানকে নিয়ে স্বামী মোঃ সুমন ঢাকায় চলে যায়। সেখানে গিয়ে বাড়ীর সাথে যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় সে।
প্রায় তিন মাস পর গত মঙ্গলবার রাতে শামসুন্নাহারের স্বামী ৭ মাসের গর্ভের বাচ্চাসহ অসুস্থ স্ত্রীকে শশুর বাড়ীতে রেখে ঢাকায় চলে যায়। পরদিন বুধবার রাতে শামসুন্নাহার চরম অসুস্থ হয়ে গেলে ভাই ফিরোজ ও তার মা সাফিয়া বেগম শামসুন্নœাহারকে সিএনজিযোগে রামগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্ত্যব্যরত ডাক্তার শামসুন্নাহারকে অন্য কোথাও উন্নত চিকিৎসা দেয়ার কথা জানালে শামসুন্নাহারের আত্মীয়রা তাকে নিয়ে বাড়ী আসার পথিমধ্যে একটি মৃত ছেলে সন্তান জন্ম দিলে সেখান থেকে ভাই ফিরোজ বোন শামসুন্নাহারকে হসপিটালে ভর্তি না করে পূনরায় বাড়ীতে নিয়ে আসে। বুধবার বিকালে আবারো শামসুন্নাহার প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে দ্রুত লক্ষ্মীপুর সদর হসপিটাল নিয়ে গেলে আবাসিক চিকিৎসক শামসুন্নাহারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী হসপিটালে নেয়ার জন্য তাগিদ দিলে ভাই ফিরোজ বোন শামসুন্নাহারকে নোয়াখালীতে না নিয়ে আবারো বাড়ীর পথে রওয়ানা দিলে আজ বৃহস্পতিবার রামগঞ্জ শিশুপার্ক এলাকায় সকাল সাড়ে ১১টায় শামসুন্নাহার মারা যান।
আজ দুপুরে ঘটনাটি শুনে উত্তর সোনাপুর মুন্সী বাড়ীতে গেলে দেখা যায় শত শত পুরুষ মহিলা। এসময় মৃত শামসুন্নাহারের ভাই মোঃ ফিরোজ সাংবাদিকদের জানান, তার বোন জন্ডিসে মারা গেছে। তাকে কেউ মারধর করেনি তবে আমার বোনের স্বামী ছিলো বখাটে। দীর্ঘদিন যাবত আমাদের সাথে বোনকে যোগাযোগ করতে দেয়নি সে। এক প্রশ্নের জবাবে সে জানায়, টাকা না থাকার কারনে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কোথাও নিতে পারি নি।
এব্যপারে মৃত শামসুন্নাহারের স্বামী মোঃ সুমন জানান, আমি আমার স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ পেয়েছি সকাল সাড়ে ৯টায়। স্যার, আমি ঢাকা থেকে বাড়ী আসতেছি আপনারা থাকেন।
রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ তোতা মিয়া জানান, আমাদের কাছে এ ব্যাপারে মেয়ের আত্মীয়স্বজনের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। যদি অভিযোগ পাই তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভালুকায় গৃহবধূকে গণধর্ষণ, আটক ১


ইতি শিকদার, ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসদরের ১নং ওয়ার্ডের কোর্ট ভবন এলাকায় এক ট্রাক ড্রাইভারের স্ত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ভালুকা মডেল থানা পুলিশ তারা মিয়া (৩০) নামের এক হোটেল বয়কে আটক করেছে। ধর্ষিতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) রাতে শেরপুর জেলার কান্দাপাড়া এলাকার ফিরোজ ড্রাইভারের স্ত্রী শাহানা (২৮) স্বামীর অপেক্ষায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভালুকা পৌরসভার ২নংওয়ার্ডে পাইলট স্কুলের মোড় এলাকায় “ভালুকা হোটেলে” অবস্থান নেয়। এ সময় ওই হোটেলের বয় ত্রিশাল উপজেলার আলিম উদ্দীনের ছেলে তারা মিয়া (৩০) শাহানাকে উত্যক্ত করতে থাকে। পরে শাহানা ওই হোটেল থেকে বেরিয়ে একটি ট্রাকে উঠলে তারা মিয়ার সহযোগী সাদ (২৫), আনোয়ার হোসেন (২৪) ও অজ্ঞাত (৩০) নামের চার ব্যাক্তি একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকের গতিরোধ করে ট্রাক থেকে শাহানাকে জোরপূর্বক নামিয়ে কোর্ট ভবনের পাশে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। পরে ধর্ষিতা শাহানা বৃহস্পতিবার (০৮ডিসেম্বর) সকালে ওই এলাকার লোকজনকে বিষয়টি জানালে এলাকাবাসী ওই হোটেল বয় তারা মিয়াকে পুলিশে সোপর্দ্দ করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় ৪ জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা নং-(০৭) তাং-০৮/১২/২০১৬ইং) দায়ের করেছেন। ভালুকা মডেল থানার ওসি মামুন-অর- রশিদ জানান, আটককৃত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ভিকটিমকে মেডিকেল চেকআপের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁয় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষ্যে মানব বন্ধন কর্মসুচী পালিত

%e0%a6%aa%e0%a6%be
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ “রঙ্গীন পৃথিবী রঙ্গীন আলো, সকল নারী থাকুক ভাল“ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ-২০১৬ উপলক্ষ্যে নওগাঁয় মানব বন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়েছে। বুধবার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে কার্যালয়ের সামনের সড়কে ঘন্টাকাল ব্যাপী এই মানব বন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়। মানব বন্ধন চলাকালে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শবনম মোস্তারী কলি, সাবেক চেয়ারম্যান পারভীন আকতার, খান ফাউন্ডেশানের প্রকল্প সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানব বন্ধনে অবন্তিকা মহিলা সমিতির সভানেত্রী ডলি আজাদ, ধ্রবতারা মহিলা সমিতি, ক্লান্তি শেষে মহিলা সমিতি, কলেজ পাড়া মহিলা সমিতি, শাপলা মহিলা সমিতির সভানেত্রী ও সদস্যরা অংশ গ্রহন করেন। বক্তারা নারীর প্রতি সহিংসতা, বাল্য বিয়ে রোধ, যৌতুক, নারী ও শিশু পাচার রোধে বক্তব্য রাখেন। মানব বন্ধনে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের নারী নেত্রীরাসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রায় ছয় শতাধিক নারীরা অংশ গ্রহন করেন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »