Category: অর্থ ও বাণিজ্য

বৈদেশিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়তা বাড়াতে হবে — বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই)কে বৈদেশিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়তা বাড়াতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে এ প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ সেবা পেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্ররণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করে এ সব কথা বলেন।বিএফটিআই-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ বিগত তিন বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন করেন। বিস্তারিত আলোচনার পর তা সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়। তিনি সভাকে অবহিত করে বলেন, এতদিন বিএফটিআই ঋণগ্রস্ত ছিল, এখন নিজের আয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির উপর ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বেড়েছে। সভায় বিএফটিআই-এর পরিচালক অমিতাভ চক্রবর্তী বিগত ৬ মাসে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কার্যক্রমের বিবরণ উপস্থাপন করেন।সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শুভাশীষ বসু, বিএফটিআই-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ, ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) মুশফেকা ইকফাত, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চেয়ারম্যান অভিজিৎ চৌধুরী, বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমির ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দকার, বিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানকে সরানো হলো

ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ আহসানুল আলমকে অপসারণ করা হয়েছে। গতকাল ব্যাংকটির ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেন, প্রত্যেকটি ব্যাংকে একজন করে ভাইস চেয়ারম্যান থাকেন। আমাদের এখানে দুজন থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল। ফলে একজনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে আল-রাজি গ্রুপের প্রতিনিধি ইউসুফ আবদুল্লাহ আল-রাজি ব্যাংকটিতে এখন একজন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন  করবেন। এ ছাড়া সভায় রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুল মাবুদকেও সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শামীম মোহাম্মদকে আফজালকে। তবে পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হলেও অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলম ও মো. আবদুল মাবুদ এখন থেকে ব্যাংকের সাধারণ পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন। সভায় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান আরাস্তু খানসহ এমডি আবদুল হামিদ মিঞা উপস্থিত ছিলেন। তবে সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ সভায় উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজের পদত্যাগ দাবি করেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা। এ ছাড়া রাজধানীর কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে সভায় ২০১৬ সালের জন্য ঘোষিত নগদ ১০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা।
এদিকে সভায় সৌদি আরবভিত্তিক ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) ইসলামী ব্যাংক থেকে তাদের অধিকাংশ বিনিয়োগ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের সাড়ে ৭ শতাংশ শেয়ার থেকে ৫.৪ শতাংশ বিক্রি করবে আইডিবি। সভাশেষে আইডিবির প্রতিনিধি হিসেবে থাকা ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক আরিফ সুলেমান জানান, আইডিবির হাতে থাকা সাড়ে ৭ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে ২.১ শতাংশ রেখে বাকিটা বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি আরিফ সুলেমান।
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আসে গত ৫ই জানুয়ারি। এরপর থেকে ব্যাংকটিতে নানা পর্যায়ে অস্থিরতা দেখা যায়। এর মধ্যে ব্যাংকটির অন্যতম উদ্যোক্তা আইডিবি প্রতিনিধি গত ৩০শে মার্চ পরিচালনা পর্ষদের সভায় শেয়ার ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেন। তখন থেকে ব্যাংকটিতে আবারও মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বীরগঞ্জে ৭টি গ্রামে ১ কোটি ৭৩ লক্ষ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫৬২টি বাড়িতে বিদ্যুতায়ন

বীরগঞ্জে ৭টি গ্রামে ১ কোটি ৭৩ লক্ষ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫৬২টি বাড়িতে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন- এমপি গোপাল
এন.আই.মিলন, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ঃ দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকার দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। ‘ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে-সেটাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি ঘরও আর অন্ধকারে থাকবে না।’
২২ মে সোমবার রাতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে সুইট বাংলাদেশ রসুলপুর শাখার রসুলপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ের উদ্বোধন ও রসুলপুর, নওপাড়া, কামারপাড়া, লস্করপুর, চক লক্ষ্মীপুর ব্যাঙের মোড়, চক লক্ষ্মীপুর গ্রামের ১ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫৬২টি বাড়িতে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি গোপাল আরো বলেন, ঘরে ঘরে আলো জ্বালার লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় যোগ হবে নতুন মাত্রা। আর ‘বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়তে হলে সকলকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হতে হবে।
তিনি বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য আমরা চেষ্টা করেছি, যার সুফলটা এখন দেশের মানুষ পাচ্ছেন।
অতীতে বিদ্যুৎ নিয়ে হাহাকার অবস্থা ছিল। আমরা বিদ্যুৎ প্রকল্পের বহুমুখিকরণের এবং বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেই। বিএনপি নেত্রী বিদ্যুৎ দিতে না পারলেও দিয়েছিল খাম্বা। কারণ তার ছেলে খাম্বা ইন্ডাষ্ট্রি করেছিল। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনতো বাড়ায়নি বরং কমিয়ে দিয়েছে।
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এলাকার পরিচালক মো. আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, বীরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেলারেল ম্যানেজার মো. মমিনুল রহমান বিশ্বাস, ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোপাল দেব শর্মা, ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক পরেশ চন্দ্র রায়। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেন মো. শরিফউদ্দিন।
এর আগে একই ইউনিয়নে তরতবাড়ী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক।

শিখবে সবাই প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ কোডার্সট্রাস্টের

 (ঢাকা): এখনকার কর্মব্যস্ত দুনিয়ায় যাতে ঘরে বসে নিজেকে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়া যায় সেলক্ষে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে কাজ করছে কোডারসট্রাস্ট। ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ #শিখবেসবাই স্লোগানে ২১ মে রোববার বাংলাদেশে আইসিটি জানালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে দেশে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সেবাদাতা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান কোডারসট্রাস্ট।সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির গত ৩বছরের সফলতার পাশাপাশি নতুন উদ্যোগের কথা জানানো হয়।
অনলাইনে ঘরে বসে কিভাবে সবাই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারে সে বিষয়ে সচেতনতার পাশাপাশি নানা কোর্স করাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।এই বিষয়ে কোডার্সট্রাস্ট এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আতাউল গনি ওসমানী বলেন, কোডার্সট্রাস্ট দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ২০১৪ সালে তাদের যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশের তরুণদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং সঠিক দিক নির্দেশনা মাধ্যমে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের সুযোগ তৈরি করছে।বাংলাদেশের সফলতার উপর ভিত্তি কোডার্সট্রাস্ট এখন বিশ্বের আরো ৫টি দেশে কার্যর্ক্রম পরিচালনা করছে।
আতাউল গনি ওসমানী বলেন, আমরা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোর চাহিদার উপর ভিত্তি করে বিভিন্নকোর্স ডিজাইন করি, যাতে শিক্ষার্থীরা সাধারণত কোর্সের মধ্যেই কাজ পেয়ে থাকে। বর্তমানে আমরা ১০টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করি। আমাদের প্রতিটি প্রশিক্ষক খুবই অভিজ্ঞ এবং সফল ফ্রিল্যান্সার তাই প্রশিক্ষনের ক্ষেত্রে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এ পর্যন্ত শুধু বাংলাদেশেই প্রায় ১৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, যাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬০০ বেশি শিক্ষার্থী ফ্রিলান্সার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং বাকিদের প্রশিক্ষন চলছে।
আতাউল গনি ওসমানী আরও বলেন, ফ্রিল্যানসিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের ক্ষেত্রে দুইটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি-টেকনিক্যাল স্কিল। এর অর্থ, আপনি যেই বিষয় নিয়ে কাজ করতে চানযেমন ওয়েবডিজাইন বা গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ওপর ভাল ভাবে দক্ষ হতে হবে । আরেকটি বিষয় হচ্ছে—সফটস্কিল।এর অর্থ, যোগাযোগ এবং নিজেকে উপস্থাপনের পদ্ধতি। আমরা মূলত এই দুই বিষয়ে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষন প্রদান করি।
২০১৭ সালে #শিখবেসবাই এর প্রকল্পের মাধমে কোডার্সট্রাস্ট ১০ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। সেই লক্ষকে সামনে রেখে কোডার্সট্রাস্ট অনলাইনে ফ্রিল্যানসিং প্রশিক্ষন শুরু করেছে। এখন অনলাইনে লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে। যার প্রেক্ষিতে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই ফ্রিল্যানসিং শিখতে পারবেন।
সবশেষে একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই, সম্প্রতি কিছু প্রতিষ্ঠান কোডার্সট্রাস্ট এর আইডিয়া, প্রোজেক্ট মডেল এমনকি স্লোগান পর্যন্ত নকল করে শিক্ষার্থী এবং আমদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিভ্রান্ত করছেন। এই বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি|
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন কোডার্সট্রাস্ট এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আতাউলগনিওসমানী,হেড ফাইনান্স এবং এইচআর জনাব মিজানুর রাহমান ও ক্যারয়িার পরামশক হাফিজুর রশিদ।

৪টি নিবন্ধনকৃত অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে “ঢাকা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ” গঠিত

ঢাকা মহানগরীতে চলাচলরত সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ফেডারেশন (রেজিঃ নং-বি-১৯৯৮), বাংলাদেশ অটোরিকশা শ্রমিক লীগ (রেজিঃ নং-বি-২০৪৪), ঢাকা জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-ঢাক-২৪৫০), ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-ঢাকা-৩৬৮০) এর প্রতিনিধিদের এক যৌথ সভা অদ্য ২৩/০৫/২০১৭ইং রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় ২৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ২য় তলায় বাংলাদেশ অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি জনাব মোঃ ইনসুর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন- মোঃ আজাহার আলী, মোঃ জাকির হোসেন, মোহাম্মদ হানিফ খোকন, শেখ মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ রমজান আলী ভূট্টো, আঃ মান্নান, মোঃ চান মিয়া, মোঃ মোশারফ হোসেন প্রমুখ।
ঢাকা মহানগরীতে বসবাসকারী থ্রি-হুইলার লাইসেন্সধারী চালকদের মধ্যে আরও অতিরিক্ত ৫০০০ সিএনজি অটোরিকশা গেজেট প্রকাশ করে দ্রুত বিরতণ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অটোরিকশা ঢাকা মহানগরীতে চলাচল বন্ধ ও প্রবেশ করলে স্থায়ী ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নকালে ব্যবহারিক পরীক্ষা বন্ধ করা সহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে নিবন্ধনকৃত ৪টি সংগঠনের সমন্বয়ে “ঢাকা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ” গঠন করা হয়। সমন্বয় পরিষদ সুষ্ঠু-সুচারুভাবে পরিচালনার্থে ঢাকা জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন-আহ্বায়ক ও ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ খোকনকে সদস্য সচিব করে ৬৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় এবং সমন্বয় পরিষদ এর কার্যালয় ৩৯/১, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, খদ্দর বাজার শপিং কমপ্লেক্স, ৬ষ্ঠ তলা, কক্ষ নং-৩৪-৩৫, ঢাকা-১০০০ নির্ধারণ করা হয়।
সভায় ঢাকা মহানগরীতে চলাচলরত সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের সমস্যা সমূহ চিহ্নিত করে দাবি নামা প্রস্তুত করতঃ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়।

পেয়ারা চাষে সাফাল্যের মুখ দেখছে কোটচাঁদপুরের পেয়ারচাষীরা

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে পেয়ারা চাষে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলায়। এই পেয়ারা চাষে কোটচাঁদপুরের চাষীদের ঘরে ঘরে সংসারের দুঃখ কষ্টের ভার লাঘব করেছে যেমন, তেমন সাফাল্যে আর ব্যাপক লাভের আশায় বুক বেধেছে লাভজনক পেয়ারা চাষে।পেয়ারাবাগান ভরে গেছে কোটচাঁদপুরের প্রতিটি গ্রাম। ঘরে ঘরে এখন পেয়ারার চাষ। স্বল্প খরচে অল্প পরিশ্রমে পেয়ারার চাষে লাভ ও দিগুন – জানালেন পেয়ারা চাষী বিশিষ্ট চিন্তক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মাষ্টার। কৃষি বিভাগ সূএে প্রকাশ কোটচাঁদপুর উপজেলায় এ বছর প্রায় ৫০০ হেক্টর অধিক জমিতে পেয়ারা চাষাবাদ হচ্ছে। সাফাল্যে ডালি এখন কোটচাঁদপুর পেয়ারচাষীদের ঘরে ঘরে। আনন্দে মাতোয়ারা কোটচাঁদপুরের সফল পেয়ারা চাষীদের। মানিকদিহি গ্রামের সফিকুল ইসলাম এ বছরে ৪ বিঘা পেয়ারা চাষ করেছেন। এছাড়া ও শফিকুল ইসলাম জানান যে, পেয়ারা চাষের মধ্যে সাথি ফসল হিসেবে ঝাল মরিচ, বেগুন, রসুন পেয়াজ ইত্যাদি চাষ করা যায়। তিনি আর ও জানান পেয়ারা বাগানা হতে পেয়ারা কলম কাটিন করে বছরে সেখানে প্রতি ২০ টাকা খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমিতে প্রতিটি চারা হতে প্রায় ৫০/৬০ টাকা হারে বিক্রয় করে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকা আয় হয়। আর সাথী ফসলে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে প্রায় প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় হয় বাৎসরিকে।

উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের ইয়াছিন আলী জানান প্রতি বিঘা জমিতে পেয়ারা চারা সহ জমি উপযুক্তকরন ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৩০/৪০ হাজার টাকা। সে জানায় প্রথম বছরে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ বাদে পেয়ারা বিক্রয় করে একজন চাষী ১ /২ লাখ আয় হতে পারে জমির গুনাগুন অনুযায়ী।দয়রামপুর গ্রামের জিমি শামীমুল হক জানান টেপি চারার চেয়ে গুটি চারার হতে পেয়ারার ধরন বেশি। বাজারে এই পেয়ারার চাহিদ অনেক বেশি। দাম ও বেশি। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের চাষীদের সাথে কথা বলা যায় কোটচাঁদপুর উপজেলার পেয়ারা চাষ করে চাষীরা সাফাল্যের মুখ দেখেছেন এবং সাবালম্বী হয়ে উঠছেন। যে কারনে কোটচাঁদপুর উপজেলার অধিকাংশ কৃষকরা পেয়ারা চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। অধিক লাভ জনক বলে সরেজমিন মাঠ পরিদর্শন করে কোটচাঁদপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছাঃ নাজমা খাতুন বলেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঠ পর্যায়ে আর সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পসুদে বা বিনা সুদে পেয়ারা চাষীদের কৃষি ঋনের ব্যবস্হা করা হয় তাহলে কোটচাঁদপুর অভাবনীয় পেয়ারা চাষে আরো সাড়া জাগাবে।

খাগড়াছড়ি আম কাঁঠাল আনারস হাটে দালালদের কারণে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না চাষীরা

বিপ্লব তালুকদার খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়িতে আম কাঁঠালের হাট বাজার দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। এদের কারণে চাষীরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। অন্যদিকে, চাঁদাবাজি কারণে সমতল জেলার বেপারীরাও নানাভাবে তাদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। মৌসুমী ফলের হাট বসার শুরুতে দালাল চক্রের দৌরাত্ম এবং চাঁদাবাজির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বেপারীরা এ বাজার থেকে বিমুখ হয়ে পড়ছেন।
প্রতি সপ্তাহ থেকে কাঁঠালের হাট বসে সোমবার ও বৃহস্পতিবার সপ্তাহের এ দুদিন হাট বসে খাগড়াছড়ি বাজারে। এ বাজারে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চাষীরা আম কাঁঠাল বিভিন্ন ফল নিয়ে আসেন বিক্রি করতে। চট্রগ্রাম,নোয়াখালি, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাক সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেপারীরা এ বাজারে এসে আম কাঁঠাল কিনে নিয়ে যান। অভিযোগে জানা যায়, এবার আম কাঁঠালের হাট পুরোপুরি জমে উঠার আগেই শুরু হয়ে গেছে দালাল চক্রের দৌরাত্ম ও চাঁদাবাজি।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বেপারীরা দালালদের হাতে নাজেহাল, হয়রানি ও চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে। এদের মধ্যে কয়েকজন অভিযোগ করেন, প্রায় কিছু স্থানীয় দালাল সিন্ডিকেট করে পুরো ফলের হাট নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা সমতল জেলা থেকে আসা বেপারীদের হুমকি, ধমকি দিয়ে চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি কাঁঠাল কিনতে বাধা দেয়। পরে ওই দালালরা স্বল্প দামে চাষীদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে কয়েকগুণ বেশি দরে বেপারীদের কাছে বিক্রি করে।
অন্যদিকে, আম কাঁঠালের হাট থেকে পাহাড়ের বিভিন্ন সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। জানা যায়, বড় ট্রাক ও মিনি ট্রাক ভর্তি কাঁঠালের জন্য আঞ্চলিক সংগঠনের নামে ২শ হতে ৫শ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হয়। ওই বেপারী আরও জানান, চাঁদা দিতে গরিমসি করায় কয়েকজনকে নাজেহালও করা হয়েছে।

নওগাঁয় রমযানের আগেই বেড়েছে ছোলা বুট, চিনি ও লবণের দাম ॥ বিপাকে সাধারণ মানুষ

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় রমযান মাস আসার আগেই বেড়েছে ছোলা বুট, চিনি ও লবণসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যেও দাম। বিপাকে পড়েছে সাধারণ ক্রেতারা। হিমশিম খাচ্ছে ছোট আয়ের মানুষরা। রমযান আসার পর এই সব নিত্যপণ্যের দাম আরো বৃদ্ধি পায় কিনা এই আতঙ্কে নওগাঁর সাধারন মানুষরা।
সরেজমিনে গিয়ে জানা, আমাদের দেশে রমযান আসার পর বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন-ছোলা বুট, বিভিন্ন প্রকারের ডাল, চিনিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায় কিন্তু এবার রমযান আসার অনেক আগে থেকেই বাজারে বেড়েছে এই সব পণ্যের দাম। সপ্তাহ খানেক আগেই ছোলা বুটের দাম ছিলো প্রতি কেজি ৮০ টাকা সেটি এখন ৮৫-৯০টাকা, চিনি প্রতি কেজি ছিলো ৬৫ টাকা সেটি এখন ৭০-৭২টাকা, লবণে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ১০টাকা করে। তবে বিভিন্ন প্রকারের ডাল ও মসলা জাতীয় পণ্যের দাম এখনো বৃদ্ধি না পেলেও রমযানে দাম বাড়বে বলে আশংকা প্রকাশ করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। এদিকে নাভিশ্বাস ফেলছেন খেটে খাওয়া ও ছোট আয়ের মানুষরা।
ক্রেতা মো: উজ্জ্বল হোসেন, মানিক মিয়া ও খায়রুল আলম জানান, প্রতি বছর রমযান আসার পর বুট, চিনিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ে কিন্তু এবার রমযান আসার আগেই বেড়েছে এই পণ্যের দাম। রমযানে বাড়বে আরো একধাপ। এভাবে যদি পণ্যের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পায় তাহলে আমরা সাধারণ মানুষরা কিভাবে বাচবো। আমরা যারা নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষ তারা কিভাবে বাঁচবো। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি।
দোকানদার ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান, এবার রমযান আসার আগেই দাম বেড়েছে ছোলা বুট, চিনি ও লবণের। আমরা কি করবো? মোকাম থেকে আমরা কিনছি বেশি দামে তাই বিক্রয় করতে হচ্ছে বেশি দামে। আমরা বেশি লাভে নয় প্রতি কেজিতে মাত্র ১-২টাকা লাভ রেখে বিক্রয় করছি এই সব পণ্য। রমযান আসার আগেই এই সব পণ্যেও দাম বাড়ার কারণে ক্রেতা শূণ্য হয়ে পড়েছে বাজার।
নওগাঁ ডালপট্টি, সুপারিপট্টি ও ডাবপট্টি সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি সুধীর কুমার সাহা জানান, দিন দিন ইমপোর্ট ব্যবসায়ীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। খরচ বৃদ্ধি হওয়ার কারণে কমে যাচ্ছে পাইকারী ব্যবসায়ীদের সংখ্যা। যার কারণে সেই প্রভাব পড়ছে বাজারে। এই সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি হওয়ার আরেকটি অন্যতম কারণ ডলারের দাম বৃদ্ধি। পরিবহন ব্যবসায়ীরা বৃদ্ধি করেছে ট্রাক ভাড়া। আগের চেয়ে দ্বিগুন ভাড়া দিতে হচ্ছে মাল পোর্ট থেকে নিয়ে আসার জন্য। তাই আমরা বাধ্য হয়েই ক্ষতি পরিমাণ কিছুটা কমানোর লক্ষে এই সব পণ্যের পাইকারি মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি করেছি।

২০১৮ সালের মধ্যে ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগের আওতায় আনা হবে

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ২০১৮ সালের মধ্যে ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন, চীন সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চীনের এ সংক্রান্ত একটি ঋণচুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হবে।আজ রবিবার আগারগাঁয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অডিটোরিয়ামে সফররত চীনের এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সান পিং এর নেতৃত্বাধীন ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি সেবা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রান্তিক জনগণের কাছে ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য করতে ইনফো সরকার-৩ প্রকল্প করা গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ১৬০০ পুলিশ অফিসের মধ্যে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। এর ফলে পুলিশের নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ হবে।তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১ হাজার ৯৯৯ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের মধ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পে ১ হাজার ২২৭ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে অর্থায়ন করছে চীন।জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ইনফো সরকার-২ প্রকল্পের আওতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দেশের ১৮ হাজার ৩৩২টি সরকারি অফিসের মধ্যে কানেক্টিভিটি ও ৮০০ ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল লাইনের মাধ্যমে কানেক্টিভিটির সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৫০ লাখ মানুষের সঙ্গে জনসচেতনতামূলক ভার্চুয়াল মিটিং করেছেন। ’

তিনি বলেন, চীনের আর্থিক সহযোগিতায় এস্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেক্টিভিটি শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ১ লাখ প্রান্তিক পর্যায়ের দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে অপটিক্যাল ফাইবার অথবা বিশেষ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হবে। এ ছাড়া ১৫ হাজার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন, রেগুলেটরী ল্যাব, সাইবার সিকউিরিটি ল্যাব ও হার্ডওয়্যার শিল্পের বিকাশে বড় আকারের ল্যাব স্থাপন করা হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আওতায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে টিয়ার ফোর ডেটা সেন্টার নির্মাণের কাজ চলছে। বর্তমানে কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক সংলগ্ন স্থানে সাড়ে ৭ একর ভূমির উন্নয়নের কাজ শেষে ভবন নির্মাণে পাইলিংয়ের কাজ চলছে। ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পের ৪০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও ডাটা সুরক্ষিত রাখতে বিশ্বের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৯ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যার মধ্যে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে রয়েছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।তিনি বলেন, স্মার্ট সিটি সলিউশনের মাধ্যমে সরকারি সেবাগুলো অনলাইনে নিয়ে আসা, সাইবার নিরাপত্তা বিধান করার মাধ্যমে জনগণের ডিজিটাল জীবন উপভোগ্য করতে মডার্ণাইজেশন অব আরবান এন্ড রুলাল লাইভ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের এই প্রকল্পের পুরোটাই আসবে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে।

২০১৬ সালে কোনো যাত্রীবাহী নৌযান ডুবেনি — নৌপরিবহণ মন্ত্রী


ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে) :
সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আগের চেয়ে নৌপথ এখনও সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। আগের তুলনায় নৌদুর্ঘটনা কমে এসেছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশেষ করে নৌযান মালিক, শ্রমিকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা, বিআইডব্লিউটিএ, নৌপরিবহণ অধিদফতর, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড কর্মকর্তাদের কার্যকরী পদক্ষেপ এবং জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে ২০১৬ সালে কোনো যাত্রীবাহী নৌযান ডুবেনি।নৌপরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান আজ ঢাকায় শিশু একাডেমি মিলনায়তনে নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০১৭ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ড. প্রকৌশলী জ্ঞান রঞ্জন শীল, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক।মন্ত্রী বলেন, নৌ দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে জনসচেতনতা গড়ে তোলা হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে কেউ যাতে লঞ্চে ভ্রমণ না করতে পারে সে বিষয়ে সকলকে আরো সচেতন হতে তিনি পরামর্শ দেন। শাজাহান খান বলেন, নৌপরিবহণ অধিদপ্তরের জনবল বৃদ্ধির ৯০ ভাগ কাজ শেষ করতে পেরেছি। বাকি কাজ শীঘ্রই সম্পন্ন করা হবে। আজ হতে ২৭ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী নবম বারের মতো ‘নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ’ পালন করা হচ্ছে। এ বছরের নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহের মূল প্রতিপদ্য হচ্ছে ‘দেশ যাবে এগিয়ে যাত্রা হোক নিরাপদ, নৌ আইন মানব মোরা এটাই হোক অঙ্গীকার’।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org
Translate »