Category: স্পোর্টস

বাংলাদেশ টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করলো

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট জয়ের জন্য তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিক বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল৮ উইকেট, অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার দরকার পড়ে ১৫৬ রানের। শেষঅবধি এই পরীক্ষায় পাশ করলো বাংলাদেশে। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ টাইগার বাহিনী। ২০ রানের জয় পেয়েছে সাকিব’রা।
চতুর্থ দিনের সকালটা রোমাঞ্চের ডালা সাজিয়ে বসে। প্রথম ঘণ্টায় ডেভিড ওয়ার্নার আর স্টিভ স্মিথ ৬৫ রান তুলে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে। কিন্তু শেষ এক ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ার ৫ উইকেট তুলে নিয়ে মিরপুরে এখন জয়টা খুব কাছেই দেখে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার আশা হয়ে ছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। কিন্তু লাঞ্চের পর প্রথম বলেই তাকে বোল্ড আউট করে ফেরান সাকিব। এরপর লায়নকে সৌম্যর ক্যাচে পরিণত করেন মিরাজ। সাকিব-তাইজুলের ঘূর্ণিতে খাবি খেতে থাকে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। তবে শেষটা হতে দেয়নি টাইগাররা।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ২২১ রানে অলআউট হয়ে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৬৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে তৃতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া।
সকালের সেশনে ৪ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। সাকিবের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের গলার কাটা হয়ে থাকা ওয়ার্নার, স্মিথ, ম্যাথু ওয়েড ও অ্যাশটন অ্যাগার। হ্যান্ডসকম্ব ও অ্যাগারকে তুলে নিয়েছে তাইজুল। অস্ট্রেলিয়ান শেষ দুই ব্যাটসম্যান অবশ্য কিছুটা আশা জিইয়ে রাখার চেষ্টা করেন।
ম্যাচ জেতার জন্য তখন দরকার ছিল মাত্র ২১ রান, তাইজুলের শেষ আক্রমণে হ্যাজেলউডকে ফিরিয়ে দিয়ে ঈদ উপহারটা নিশ্চিত করে মুশফিক বাহিনী। ২৪৪ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৬০ রান দিয়ে তাইজুল পেয়েছেন ৩ উইকেট, আর সাকিব ৮৫ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
 এর আগে সাকিবের শিকার হওয়ার আগে ক্যারিয়ারের ১৯ তম শতক পূরণ করেন অসি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার, ১১২ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। স্মিথ করেন ৩৯ রান।
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচে টাইগারদের জন্য সব থেকে বড় বিষয় ছিল ব্যাক টু ব্যাক সাকিবের পাঁচ-পাঁচ দশ উইকেট তুলে নেয়া। সেই সুবাদে ম্যাচ শেষে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কারটাও পেয়েছেন সাকিব।

টেস্টে বাংলাদেশ অষ্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অসাধারন খেলে দিন শেষে অল আউট করে লিড নিয়েছে

শুরু আর শেষটা মিলে গেল নিদারুণভাবে। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত বুমেরাং দিনের শুরুতেই, চার ওভারেই সাজঘরে তিন ব্যাটসম্যান। পরের সাত ব্যাটসম্যান আউট হলেন ৯৫ রানের ব্যবধানে। এরপরও মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ঝুলিতে ২৬০ রান, সেটা কেবলই সাকিব আল হাসান আর তামিম ইকবালের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কারণেই। দিন শেষে অবশ্য বাংলাদেশের ওই পূজিটাকেও ছোট বলা যাচ্ছে না, ১৮ রান তুলতেই যে ৩ উইকেট খুইয়ে বসেছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। শুরু আর শেষের ব্যাটিং ব্যর্থতায় যে চাপটা চেপে বসেছিল টাইগারদের ঘারে, শেষ বিকালের দারুণ বোলিংয়ে সেই চাপটা অজিদের ঘারে চাপিয়ে দিয়েই মাঠ ছেড়েছে মুশফিকুর রহিমের দল।
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে অস্ট্রেলিয়াকে শেষতক টেস্ট খেলার জন্য আনা গেছে বাংলাদেশে। তাই বলে মাঠের লড়াইয়ে দলটিকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এমন আভাস বেশ আগে থেকেই দিয়ে আসছে টাইগাররা। কেউ কেউ তো দুই টেস্টের সিরিজটা ২-০ ব্যবধানে জিতবেন বলেও হুঙ্কার দিয়েছেন। তাদের এমন হুঙ্কারে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন স্টিভেন স্মিথ। মুখে সরাসরি না বললেও জবাবটা মাঠে দেয়ার পণই হয়তো করে রেখেছেন। শেষতক সেটা দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা থাকছে। তবে মিরপুর শেরেবাংলায় সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা তার দল করেছিল স্বপ্নের মতো। দিন শেষে তাদের সেই স্বপ্নের সমাধি হয়ে গেছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না এখনই। তবে রঙিন স্বপ্নটা যে কিছুটা হলেও ফিকে হয়ে গেছে,
সেটা বলে দেয়া যায় হলফ করেই।
শেরেবাংলার চার নাম্বার উইকেটটা (যে উইকেটে খেলা হচ্ছে) রীতিমতো স্পিন স্বর্গ। তবে শুরুতে সেখানে পেসাররা কিছুটা সহায়তা পাবেন, এটা জানাই ছিল। কিন্তু টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের এভাবে পেস আগুনে পোড়াবেন প্যাট কামিন্স, সেটা হয়তো খোদ অস্ট্রেলিয়াও ভাবেনি। এই ডানহাতির গতিঝড়ে চোখের পলকে নেই হয়ে গেল ৩টি উইকেট, অথচ তখন দিনের কেবল ৪টি ওভারই খেলা হয়েছে। বাংলাদেশের ঝুলিতে জমা হয়েছে মোটে ১০ রান। এতদিন যে ২-০, ২-০ করে আসছিল টাইগাররা, সেটা বুমেরাংয়ে উল্টো হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তখন চারদিকে। দিন শেষে আপাতত শঙ্কা কিছুটা কেটে গেলেও, টাইগারদের ব্যাটিং নিয়ে আক্ষেপ রয়েই গেছে।
সকালে সৌম্য সরকারকে মনে হয়েছে উইকেটের বাউন্স দেখে ভড়কে যাচ্ছেন। অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল অবশ্য নিজেকে সামলে নিয়েই এগিয়েছেন সামনে। কিন্তু পারেননি সৌম্য (৮)। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। ওই কামিন্সের দ্বিতীয় ওভারের ঠিক পঞ্চম বলেই আউট ইমরুল কায়েস। বাউন্সের সামনে খাবি খেতে থাকা এই বাহাতিকে অফস্টাম্পের বাইরে সস্নো ডেলিভারি দেন কামিন্স। বল শেষ মুহূর্তে খানিকটা নিচু হয়ে যায়। ইমরুল তালগোল পাকিয়ে ব্যাট দিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন। ঠিক পরের বলে ওয়াইড ইয়র্কারে ওই উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন সাবি্বর রহমান (০)। চার ওভারের ভেতর এক কামিন্সই তিন উইকেট নিয়ে নিলেন। সেখান থেকে টাইগারদের হাল ধরেন তামিম আর সাকিব আল হাসান।
টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্ট খেলতে নেমেছেন দুজন। আগেই জানিয়ে রেখেছেন, সামর্থ্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন মাইলফলক ছোঁয়া টেস্টটাকে রাঙাতে। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া দলকে টেনে তুলতে সেটা তারা করেছেনও। চতুর্থ উইকেটে তাদের রেকর্ডগড়া ১৫৫ রানের জুটিতেই ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ, দিন শেষে দলের পুঁজিটাও হয়েছে সম্মানজনক। সেটা আরও ভালো হতে পারত, সতীর্থ ব্যাটসম্যানরা যদি নিজেদের চাওয়ার প্রতি একটু যত্নবান হতেন। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দলপতি মুশফিক জানিয়েছিলেন, এই টেস্টটা তারা সাকিব আর তামিমের জন্য খেলবেন। প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে অন্তত তেমন কিছু দেখাতে পারেননি তারা।
হাবিবুল বাশার, মোহাম্মদ আশরাফুল আর মুশফিকের পর দেশের চতুর্থ এবং পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ৫০তম টেস্টের মাইলফলক ছোঁয়া তামিম-সাকিব এদিন ব্যাট হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। যে লাথান লায়নকে হুমকি মনে করা হচ্ছিল, এই যুগল তাকে পাত্তাই দেয়নি। বিশেষ করে তামিম, অজি অফস্পিনারকে তো রীতিমতো কোণঠাসা করে ছেড়েছেন। ক্যারিয়ারের ২৪তম হাফসেঞ্চুরির পথে যে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন এই বাহাতি, প্রতিটিই লায়নের বলে। শেষতক আরেক অফস্পিনার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সাদামাটা এক ডেলিভারিতে কাভারে ক্যাচ দিয়ে তামিম থেমেছেন ৭১ রানে। তার ১৪৪ বলের ইনিংসে ৫টি চারের মারও ছিল।
দলীয় ১৬৫ রানে তামিম ফেরার পরই নতুন করে ব্যাটিং বিপর্যয় শুরু, এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যানই থিতু হতে পারলেন না। কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন দলপতি মুশফিক আর দীর্ঘ দুই বছর পর টেস্ট দলে ফেরা নাসির হোসেন। দু’জনেই আউট হয়েছেন দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়া দলে ফেরা বাহাতি স্পিনার অ্যাশটন অ্যাগারের বলে। এলবিডবিস্নউর ফাঁদে পরার আগে ৫০ বলে ১৮ রান করেছেন মুশফিক, ৬১ বল খেলে ৩টি চারের মারে নাসির করেছেন ২৩ রান।
এছাড়া ১৮ রান এসেছে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকেও। দলের পক্ষে সেরা ইনিংসটা খেলেছেন সাকিব, ম্যাচে লায়নের প্রথম শিকার হওয়ার আগে ১৩৩ বলে ১১টি চারের মারে ৮৪ রান করেছেন এই বাহাতি। তবে সাকিব-মিরাজের নৈপুণ্য ব্যাটিংয়েই শেষ হয়ে যায়নি। শেষ বিকালে বল হাতেও আলো ছড়িয়েছেন তারা। উপমহাদেশে বরাবরই ব্যর্থ অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে (৮) এলবিডবিস্নউর ফাঁদে ফেলেছেন মিরাজ। এরপর নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা লায়নকে ফিরিয়েছেন সাকিব। মাঝে রানআউট হয়েছেন উসমান খাজা। তাতেই ১৪ রানে ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়াকে ১৮ রান নিয়ে দিন শেষ করেছেন ম্যাট রেনশ, ৬ রানে অপরাজিত এই ওপেনার। ৩ রান নিয়ে তার সঙ্গী দলপতি স্টিভেন স্মিথ। বাংলাদেশের থেকে ২৪২ রানে পিছিয়ে থেকে আজ দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবেন তারা।

বাংলাদেশ অষ্ট্রেলিয়া টেষ্ট সিরিজ

টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র চারবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। সবক’টিতেই জিতেছে অসিরা। ২০০৩ সালে প্রথমবারের মত মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিক হিসেবে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় অসিরা। এরপর ২০০৬ সালে নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামে বাংলাদেশ। ঐ সিরিজটিও ২-০ ব্যবধানে হারে টাইগাররা।
২০০৩ সালে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে। সিরিজের প্রথম টেস্ট ইনিংস ও ১৩২ রানের ব্যবধানে জিতেছিলো অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও বড় ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। ইনিংস ও ৯৮ রানের ব্যবধানে জয় পায় অসিরা।
২০০৬ সালে বাংলাদেশের মাটিতে প্রথমবারের মত টেস্ট সিরিজ খেলে অস্ট্রেলিয়া। ফতুল্লায় সিরিজের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর সুযোগ পেয়েও, তা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। শাহরিয়ার নাফীসের ১৩৮ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৪২৭ রান করে টাইগাররা। এরপর প্রথম ইনিংসে ২৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
প্রথম ইনিংস থেকে পাওয়া ১৫৮ রানের লিডটা পরবর্তীতে ৩০৬ রানে নিয়ে গেছে বাংলাদেশ। কারন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৮ রানে অলআউট হয়ে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ৩০৭ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য টার্গেটে খেলতে নেমে বাঁ-হাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিকের ঘূর্ণিতে ২৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু রিকি পন্টিংয়ের অধিনায়কোচিত ইনিংস, অসিদের ৩ উইকেটের জয় এনে দেয়। ১১৮ রানে অপরাজিত থাকেন পন্টিং।
এরপর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্ট ইনিংস ও ৮০ রানের ব্যবধানে জিতে সিরিজে নিজেদের করে রাখে অস্ট্রেলিয়া।
২০০৬ সালের পর আর কোন দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। তাই বহুল প্রতিক্ষার পর আবারো দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগামীকাল থেকে মুখোমুখি হচ্ছে তারা।
১১ বছর পর আবারো টেস্ট সিরিজে লড়তে নামার আগে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার আগের চার ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডে চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক।
২০০৩ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ :
প্রথম টেস্ট : ১৮ জুলাই ২০০৩, ভেন্যু- ডারউইন
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ৯৭/১০, ৪২.২ ওভার (মোহাম্মদ আশরাফুল ২৩, খালেদ মাহমুদ (অধিনায়ক) ২১, গ্লেন ম্যাকগ্রা ৩/২০)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৪০৭/৭ডি, ১১৭.৫ ওভার (ড্যারেন লেহম্যান ১১০, স্টিভ ওয়াহ (অধিনায়ক) ১০০*, মাশরাফি বিন মর্তুজা ৩/৭৪)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ১৭৮/১০, ৫১.১ ওভার (হাবিবুল বাশার ৫৪, আল শাহরিয়ার ৩৬, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৬৫)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ১৩২ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : স্টিভ ওয়াহ (অস্ট্রেলিয়া)।
দ্বিতীয় টেস্ট : ২৫ জুলাই ২০০৩, ভেন্যু- কেয়ার্নস
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ২৯৫/১০, ৯২.১ ওভার (হান্নান সরকার ৭৬, হাবিবুল বাশার ৪৬, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৭৭)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৫৫৬/৪ডি, ১৩৯.২ ওভার (ড্যারেন লেহম্যান ১৭৭, স্টিভ ওয়াহ (অধিনায়ক) ১৫৬*, সানওয়ার হোসেন ২/১২৮)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ১৬৩/১০, ৫৮.৪ ওভার (হান্নান সরকার ৫৫, হাবিবুল বাশার ২৫ , স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৫/৫৬)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৯৮ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (অস্ট্রেলিয়া)।
সিরিজ সেরা : স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল (অস্ট্রেলিয়া)।
২০০৬ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ :
প্রথম টেস্ট : ৯ এপ্রিল ২০০৬, ভেন্যু- ফতুল্লা
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ৪২৭/১০, ১২৩.৩ ওভার (শাহরিয়ার নাফীস ১৩৮, হাবিবুল বাশার ৭৬, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৮/১০৮)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ২৬৯/১০, ৯৫.২ ওভার (এডাম গিলক্রিস্ট ১৪৪, জেসন গিলেস্পি ২৬, মোহাম্মদ রফিক ৫/৬২)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ১৪৮/১০, ৫০ ওভার (শাহরিয়ার নাফীস ৩৩, রাজিন সালেহ ৩৩, জেসন গিলেস্পি ৩/১৮)।
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস : ৩০৭/৭, ১০৭ ওভার (রিকি পন্টিং (অধিনায়ক) ১১৮*, ম্যাথু হেইডেন ৭২, মোহাম্মদ রফিক ৪/৯৮)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : এডাম গিলক্রিস্ট (অস্ট্রেলিয়া)।
দ্বিতীয় টেস্ট : ১৬ এপ্রিল ২০০৬, ভেন্যু- চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ১৯৭/১০, ৬১.২ ওভার (রাজিন সালেহ ৭১, খালেদ মাসুদ ৩৪*, জেসন গিলেস্পি ৩/১১)।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৫৮১/৪ডি, ১৫২.৩ ওভার (জেসন গিলেস্পি ২০১*, মাইক হাসি ১৮২, মোহাম্মদ রফিক ২/১৪৫)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ৩০৪/১০, ৮০.২ ওভার (শাহরিয়ার নাফীস ৭৯, মোহাম্মদ রফিক ৬৫, শেন ওয়ার্ন ৫/১১৩)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৮০ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : জেসন গিলেস্পি (অস্ট্রেলিয়া)।
সিরিজ সেরা : জেসন গিলেস্পি (অস্ট্রেলিয়া)।

AUSTRALIA’S TOUR OF BANGLADESH ‘We have to win every little duel’

Bangladesh star batsman Tamim Iqbal says the Tigers will have to focus on winning the little duels against the Aussies and do well in every session before they can realistically think about beating the visitors in the Test series.While talking to reporters, the cricketer talked about Bangladesh’s preparations and their mentality for the upcoming Test match.“It’s a big Test match for us. We have prepared for this Test series for a while and I feel like we have covered all the aspects. Now it’s time to execute our plans,” Tamim said.“We have worked out the little details and we are working on where we can get better tactically.”I hope we will be ready by 27 August and I am hoping for a really good Test match,” he said.Tamim was asked about whether Bangladesh can make an impact against Australia. The opening batsman replied that Bangladesh will have to play well for five days to win the Test match.“Obviously we are playing in home conditions and that gives us an advantage there, but we cannot win before we have even played the match.“Australia are a very professional team, probably one of the finest teams in Test cricket. So, for us to compete with them or to beat them, we have to win every session –win every little duel and then we can think of defeating them.“The task would be difficult but it is not impossible either,” Tamim concluded.

‘We want to negate Shakib and Mustafizur’s influences’

 

Australia player Glenn Maxwell says that Australia want to negate the impact that Bangladesh’s Shakib Al Hasan and Mustafizur Rahman can have on the Test series beginning on August 27. While Bangladesh have not played a Test series against Australia in 11 years, however Maxwell knows about Mustafiz and Shakib’s abilities.“Mustafiz is obviously an exceptional bowler we faced during the IPL, in that first big breakthrough season. Obviously, his pace sort of dropped off with the extra workload.“He is still an outstanding bowler – he still got the ability to swing it and he has got an unbelievable change up with the slower ball.He also stated that Mustafizur’s cutters were difficult to read due to his flexible wrist work.Regarding  Shakib he said: “He is a really experienced player – been number one for all-rounders for a while and he is an excellent cricketer.“They are two guys who we have to play really well to try and negate their influences on the Test series,” Maxwell concluded.

ক্রিকেটে প্রতিনিয়তই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।

ক্রিকেটে প্রতিনিয়তই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও যোগ হয়েছে নতুন প্রযুক্তি ‘ব্যাট সেন্সর’। ব্যাটের হ্যান্ডেলের শীর্ষবিন্দুতে বসানো থাকবে একটি ‘সেন্সর’। যা দিয়ে ব্যাটসম্যানদের ‘ব্যাট স্পিড’ ও শট খেলার আগে ‘ব্যাক লিফটের’ অ্যাঙ্গেল বোঝা যাবে। এটা থেকে টিভির দর্শকরা ব্যাটসম্যানের ব্যাটের শটের প্রকৃতি বুঝতে পারবেন। এছাড়া ব্যাটসম্যান নিজেও পরে ভিডিও দেখে নিজের ভুল শুধরে নিতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবার খেলোয়াড় ব্যাটে এই পুযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তবে প্রতি দল তেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড় ‘ব্যাট সেন্সর’ ব্যবহার করতে পারবে। ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস, বেন স্টোকস; ভারতের রোহিত শর্মা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এরই মধ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা নিশ্চিত করেছেন। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসাইন নতুন এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে উচ্ছ্বসিত।  বলেন, ‘আমরা ধারাভাষ্য দেয়ার সময় অনেকবার ব্যাট স্পিড নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু এটার পরিমাপ কখনোই করতে পারিনি। এই নতুন প্রযুক্তির কারণে সব তথ্য জানতে পারব এবং সবাইকে দেখাতেও পারব।’ এই প্রযুক্তি থাকলে নিজের ক্যারিয়ারে লাভবান হতেন বলেও জানান নাসের, ‘যখন আমি প্রথমবার ইংল্যান্ডের হয়ে খেলি তখন টিভিতে নিজের খেলা দেখিনি। আউট হয়ে ফেরার পর জিওফ্রে বয়কট আমার ওপর ক্ষেপে গিয়ে বলেছিলেন, ‘নাসের তুমি ওপেন ব্যাটে রান নাও না কেনো?’ এই প্রযুক্তি তখন থাকলে উপকারই হতো। এখনকার দিনের কথা বলি, জেসন রয়ের কথাই ধরুন। ২-৩ বছর আগেও যদি এই প্রযুক্তি থাকতো তাহলে সে অনুশীলনের সময় আগের ডাটাগুলো দেখে ভুল শুধরে নিতে পারতো।’


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org