Category: শেষ পাতা

তুচ্ছ ঘটনায় মারপিটে গৃহবধূ গুরুত্বর আহত ॥ হুমকি প্রদান অব্যাহত

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর পয়না (বলিহার) গ্রামে পাটকাঠি শুকানোকে কেন্দ্র করে ভাই বউ রোজিনা (৩০) নামের এক গৃহবধূকে বেদম মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারপিটে গুরুত্বর আহত গৃহবধূ রোজিনাকে প্রতিবেশির মাধ্যমে তার পরিবার উদ্ধার করে রাণীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করছেন।
বর্তমানে রোজিনা তার বাবার বাড়ি জেলার রাণীনগর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে অবস্থান করছে। এই ঘটনায় রোজিনা নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করে। অভিযোগ প্রদানের পর থেকে রোজিনাকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন বিভিন্ন রকমের হুমকি-ধামকি প্রদান করে আসছে। এতে করে রোজিনা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
পারিবারিক ও অভিযোগ সূত্রে জানা, প্রায় ১৮ বছর পূর্বে জেলা সদরের পয়না গ্রামের মৃত-ছলিম দেওয়ানের ছেলে দিনমজুর নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় জেলার রাণীনগর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের মেয়ে রোজিনার। নজরুল মানসিক ভাবে একটু দুর্বল হওয়ায় তার অন্যান্য ভাইয়েরা তার পৈত্রিক সম্পত্তি জোবর দখল করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত পায়তারা করে আসছে। কিন্তু রোজিনার জন্য তা সম্ভব না হওয়ায় কারণে-অকারণে নজরুলের পরিবারের সদস্যরা রোজিনাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে হয়রানি করে আসছিলো। বিগত দিনেও রোজিনাকে মারপিট করার কারণে একাধিকবার গ্রাম্য শালিস-বৈঠক হলেও মারপিট করার ঘটনা অব্যাহত থাকে। অতি সম্প্রতি বাড়ি উঠানে পাটকাঠি শুকানোকে কেন্দ্র করে নজরুলের বড় ভাবী সাহিদা বেগম ও নজরুলের ছোট ভাই আখতার হোসেন রোজিনাকে বেদম মারপিট করে। মারপিটের সময় রোজিনার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে রোজিনাকে উদ্ধার করে প্রথমে নওগাঁ সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে তার পরিবার রোজিনাকে রাণীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে রোজিনা বর্তমানে তার সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। এই ঘটনায় রোজিনা নওগাঁ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ প্রদান করায় নজরুলের পরিবারের সদস্যরা নজরুল ও তার স্ত্রী রোজিনাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি প্রদান করে আসছে। এতে করে রোজিনা তার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
নজরুলের ছোট ভাই আখতার হোসেন জানান, বাড়ির উঠানে পাটকাঠি না শুকানোর জন্য রোজিনাকে নিষেধ করলে সে গালিগালাজ শুরু করে। এতে করে তার সঙ্গে আমাদের একটু হাতাহাতি হয়েছে। তবে তাকে কোন মারপিট করা হয়নি।
পয়না গ্রামের স্থানীয় মহিলা মেম্বার নজিরুন বিবি মুঠোফোনে জানান, নজরুলের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা খুবই খারাপ। নজরুল দুর্বল হওয়ার কারনে তার পরিবার দীর্ঘদিন যাবত নিরীহ গৃহবধূ রোজিনাকে কারণে-অকারণে মারপিট করে আসছিলো। আমরা গ্রামে বসে একাধিকবার শালিস-বৈঠক করেও তা রোধ করতে পারিনি। তাই এবার আমরা রোজিনাকে পুলিশ প্রশাসনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলেছি। স্থানীয় ভাবে আমরা রোজিনাকে সার্বিক সহায়তা করবো।
নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: তোরিকুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মায়ানমারে মুসলমান হত্যা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধনে বক্তারা মায়ানমারে মুসলিম হত্যা বন্ধ করতে বিশ্ববিবেককে জেগে উঠার আহবান

ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের উদ্যোগে মায়ানমারে বর্বরোচিত, অমানবিক ও নিষ্ঠুরভাবে মুসলিম রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধের দাবীতে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা গতকাল ২৯ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত নগরীর ৪টি স্থানে নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, চেরাগী পাহাড় এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে পৃথক পৃথক সময়ে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টায় সংগঠনের আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত। উক্ত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জাতীয়পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্ঠা সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইসচেয়ারম্যান শামসুল আলম মাষ্টার, অধ্যাপক মুছা কলিমউল্লাহ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লেখক কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল, মাহমুদুল হক আনসার, ডাঃ জামাল উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন পালিত, লেখক সোহেল মোঃ ফখরুদ্দীন, ইউনুস বাহাদুর, ইসমাঈল আহমদ জহির , ডাঃ আব্দুল মান্নান, স.ম. জিয়াউর রহমান, হেলাল উদ্দীন, শাহেদ হোসেন, শফিউল আলম, আসিফ ইকবাল, মোঃ ইউনুস, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা সালাউদ্দীন লিটন, মোঃ খোকন, সরোয়ার, মুন্না, কামরুল হাসান, আব্দুর রহমান, অমর দত্ত, নোমান উল্লাহ বাহার, আলহাজ্ব এস.এম. কামরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীন গিফারী, মোঃ হোসেন, মামুনুর রশিদ, সোহেল তাজ, মোঃ নিজাম, মোঃ কামাল উদ্দীন, ডাঃ মুমিন সিকদার, মোঃ তানভির, শফিউল আলম, ওমর ফারুক, নিজাম উদ্দীন, মোঃ সোহেল, মনু মিয়া, মোঃ সুজন, মোঃ মামুন, মোঃ সালাউদ্দীন, এস.এম. হারুনুর রশিদ, হেলাল উদ্দীন আবু বক্কর সিদ্দিক, মোঃ সোহেল, কামাল হোসেন, মোঃ আলমগীর, রাজিব, মুহিত, ইসলাম আহমদ, শাহেদ চৌধুরী, মোঃ মামুনুর রশিদ, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, আব্দুর রহিম, মোঃ আব্দুল্লাহ, দিদারুল ইসলাম, কামরুল আযম, জসিম খান, মোঃ নিজাম। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন মায়ানমারে যে হারে রোহিঙ্গা মুসলমান ভাইবোন সহ এমনকি নিষ্পাপ শিশুদেরকে সহ যেভাবে হত্যা ও পাশবিক নির্যাতন করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে সমগ্র বিশ্ববাসীকে জেগে উঠার আহবান জানান। বক্তারা বলেন মায়ানমান সরকারের এ নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড কোনমতে মেনে নেওয়া যায়না। জাতিসংঘ সহ বিশ্বের অভিভাবক রাষ্ট্রগুলো এ নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড বন্ধের জন্য দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা আরো বলেন বিশ্বের জাতিসংঘের শান্তির জন্য নোবেল প্রাপ্ত অনশাং সুচির নোবেল পুরষ্কার বাতিল করারও আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা বিশ্বের সকল মুসলমান সহ বিবেবসম্পন্ন মানুষকে এ আমনবিক ও নিষ্ঠুর মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এবং সোচ্চার হওয়ার জোরালো আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা এ আমনবিক ও নিষ্ঠুর হত্যাকর্মকান্ডের দ্রুত বন্ধের জন্য সকলকে একযোগে আওয়াজ তোলার আহবান। আগামী জুমাবারে সারাবাংলাদেশে একযোগে সকল মসজিদে মায়ানমারে মুসলমান হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করার জন্যব্যা সকল মুসলিস জনতাকে আহবান জানান।
মায়ানমারে মুসলমান হত্যা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধনে বক্তারা
মায়ানমারে মুসলিম হত্যা বন্ধ করতে
বিশ্ববিবেককে জেগে উঠার আহবান
ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের উদ্যোগে মায়ানমারে বর্বরোচিত, অমানবিক ও নিষ্ঠুরভাবে মুসলিম রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধের দাবীতে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা গতকাল ২৯ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত নগরীর ৪টি স্থানে নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, চেরাগী পাহাড় এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে পৃথক পৃথক সময়ে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টায় সংগঠনের আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত। উক্ত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জাতীয়পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্ঠা সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইসচেয়ারম্যান শামসুল আলম মাষ্টার, অধ্যাপক মুছা কলিমউল্লাহ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লেখক কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল, মাহমুদুল হক আনসার, ডাঃ জামাল উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন পালিত, লেখক সোহেল মোঃ ফখরুদ্দীন, ইউনুস বাহাদুর, ইসমাঈল আহমদ জহির , ডাঃ আব্দুল মান্নান, স.ম. জিয়াউর রহমান, হেলাল উদ্দীন, শাহেদ হোসেন, শফিউল আলম, আসিফ ইকবাল, মোঃ ইউনুস, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা সালাউদ্দীন লিটন, মোঃ খোকন, সরোয়ার, মুন্না, কামরুল হাসান, আব্দুর রহমান, অমর দত্ত, নোমান উল্লাহ বাহার, আলহাজ্ব এস.এম. কামরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীন গিফারী, মোঃ হোসেন, মামুনুর রশিদ, সোহেল তাজ, মোঃ নিজাম, মোঃ কামাল উদ্দীন, ডাঃ মুমিন সিকদার, মোঃ তানভির, শফিউল আলম, ওমর ফারুক, নিজাম উদ্দীন, মোঃ সোহেল, মনু মিয়া, মোঃ সুজন, মোঃ মামুন, মোঃ সালাউদ্দীন, এস.এম. হারুনুর রশিদ, হেলাল উদ্দীন আবু বক্কর সিদ্দিক, মোঃ সোহেল, কামাল হোসেন, মোঃ আলমগীর, রাজিব, মুহিত, ইসলাম আহমদ, শাহেদ চৌধুরী, মোঃ মামুনুর রশিদ, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, আব্দুর রহিম, মোঃ আব্দুল্লাহ, দিদারুল ইসলাম, কামরুল আযম, জসিম খান, মোঃ নিজাম। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন মায়ানমারে যে হারে রোহিঙ্গা মুসলমান ভাইবোন সহ এমনকি নিষ্পাপ শিশুদেরকে সহ যেভাবে হত্যা ও পাশবিক নির্যাতন করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে সমগ্র বিশ্ববাসীকে জেগে উঠার আহবান জানান। বক্তারা বলেন মায়ানমান সরকারের এ নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড কোনমতে মেনে নেওয়া যায়না। জাতিসংঘ সহ বিশ্বের অভিভাবক রাষ্ট্রগুলো এ নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড বন্ধের জন্য দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা আরো বলেন বিশ্বের জাতিসংঘের শান্তির জন্য নোবেল প্রাপ্ত অনশাং সুচির নোবেল পুরষ্কার বাতিল করারও আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা বিশ্বের সকল মুসলমান সহ বিবেবসম্পন্ন মানুষকে এ আমনবিক ও নিষ্ঠুর মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এবং সোচ্চার হওয়ার জোরালো আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা এ আমনবিক ও নিষ্ঠুর হত্যাকর্মকান্ডের দ্রুত বন্ধের জন্য সকলকে একযোগে আওয়াজ তোলার আহবান। আগামী জুমাবারে সারাবাংলাদেশে একযোগে সকল মসজিদে মায়ানমারে মুসলমান হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করার জন্যব্যা সকল মুসলিস জনতাকে আহবান জানান।
মায়ানমারে মুসলমান হত্যা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধনে বক্তারা
মায়ানমারে মুসলিম হত্যা বন্ধ করতে
বিশ্ববিবেককে জেগে উঠার আহবান
ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের উদ্যোগে মায়ানমারে বর্বরোচিত, অমানবিক ও নিষ্ঠুরভাবে মুসলিম রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধের দাবীতে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা গতকাল ২৯ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত নগরীর ৪টি স্থানে নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, চেরাগী পাহাড় এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে পৃথক পৃথক সময়ে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টায় সংগঠনের আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত। উক্ত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জাতীয়পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্ঠা সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইসচেয়ারম্যান শামসুল আলম মাষ্টার, অধ্যাপক মুছা কলিমউল্লাহ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লেখক কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল, মাহমুদুল হক আনসার, ডাঃ জামাল উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন পালিত, লেখক সোহেল মোঃ ফখরুদ্দীন, ইউনুস বাহাদুর, ইসমাঈল আহমদ জহির , ডাঃ আব্দুল মান্নান, স.ম. জিয়াউর রহমান, হেলাল উদ্দীন, শাহেদ হোসেন, শফিউল আলম, আসিফ ইকবাল, মোঃ ইউনুস, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা সালাউদ্দীন লিটন, মোঃ খোকন, সরোয়ার, মুন্না, কামরুল হাসান, আব্দুর রহমান, অমর দত্ত, নোমান উল্লাহ বাহার, আলহাজ্ব এস.এম. কামরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীন গিফারী, মোঃ হোসেন, মামুনুর রশিদ, সোহেল তাজ, মোঃ নিজাম, মোঃ কামাল উদ্দীন, ডাঃ মুমিন সিকদার, মোঃ তানভির, শফিউল আলম, ওমর ফারুক, নিজাম উদ্দীন, মোঃ সোহেল, মনু মিয়া, মোঃ সুজন, মোঃ মামুন, মোঃ সালাউদ্দীন, এস.এম. হারুনুর রশিদ, হেলাল উদ্দীন আবু বক্কর সিদ্দিক, মোঃ সোহেল, কামাল হোসেন, মোঃ আলমগীর, রাজিব, মুহিত, ইসলাম আহমদ, শাহেদ চৌধুরী, মোঃ মামুনুর রশিদ, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, আব্দুর রহিম, মোঃ আব্দুল্লাহ, দিদারুল ইসলাম, কামরুল আযম, জসিম খান, মোঃ নিজাম। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন মায়ানমারে যে হারে রোহিঙ্গা মুসলমান ভাইবোন সহ এমনকি নিষ্পাপ শিশুদেরকে সহ যেভাবে হত্যা ও পাশবিক নির্যাতন করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে সমগ্র বিশ্ববাসীকে জেগে উঠার আহবান জানান। বক্তারা বলেন মায়ানমান সরকারের এ নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড কোনমতে মেনে নেওয়া যায়না। জাতিসংঘ সহ বিশ্বের অভিভাবক রাষ্ট্রগুলো এ নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড বন্ধের জন্য দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা আরো বলেন বিশ্বের জাতিসংঘের শান্তির জন্য নোবেল প্রাপ্ত অনশাং সুচির নোবেল পুরষ্কার বাতিল করারও আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা বিশ্বের সকল মুসলমান সহ বিবেবসম্পন্ন মানুষকে এ আমনবিক ও নিষ্ঠুর মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এবং সোচ্চার হওয়ার জোরালো আহবান জানান। এছাড়া বক্তারা এ আমনবিক ও নিষ্ঠুর হত্যাকর্মকান্ডের দ্রুত বন্ধের জন্য সকলকে একযোগে আওয়াজ তোলার আহবান। আগামী জুমাবারে সারাবাংলাদেশে একযোগে সকল মসজিদে মায়ানমারে মুসলমান হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করার জন্যব্যা সকল মুসলিস জনতাকে আহবান জানান।

মাহমুদ আলী রাতুলের নেতৃত্বে সুসংগঠিত হচ্ছে হাতিয়ার আওয়ামী লীগ

আরেফিন শাকিল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী শহীদ পরিবারের সন্তান মাহমুদ আলী রাতুল। স্থানীয় আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে চলমান বিশৃংখলা নিরসনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের নেতাকর্মীর মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। একই সাথে তিনি দানবীর, সমাজসেবক এবং শিক্ষানুরাগী হিসেবে সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন ।
গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের অর্ধলক্ষ নেতাকর্মী হাতিয়ার প্রানকেন্দ্র উছখালীতে উপস্থিত হয় মাহমুদ আলী রাতুলের ডাকে। এসব নেতাকর্মী ও দুঃস্থদের মাঝে ব্যয়বহুল কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করেন তিনি। শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মাহমুদ আলী রাতুলের বক্তব্যে ঐক্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান তার পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটিয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ মহল।
একান্ত আলাপচারিতায় মাহমুদ আলী রাতুল বলেন, বাল্যকাল থেকে মুজিব আদর্শে গড়ে উঠেছি। এখনো আদর্শ থেকে পিছপা হইনি। জননেত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আজ আমরা উন্নত আধুনিক বাংলাদেশ উপহার পেতে চলেছি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিকল্প নেই।
হাতিয়ার আওয়ামীলীগের চলমান কোন্দল নিরসনে কি পদক্ষেপ নিয়েছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদ আলী রাতুল জানান, হাতিয়ার আওয়ামীলীগে দ্বিধাবিভক্তি ও অনৈক্যের কারণে শান্তিপ্রিয় এ জনপদ ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছিল। আমি পরিকল্পিতভাবে ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমে এ কোন্দল নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করি। আগস্ট মাসের শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে উপজেলা সংগঠন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন ভিত্তিক আলাদা আলাদা বৈঠকের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কথা শুনি এবং সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করি। বর্তমানে নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসতে শুরু করেছে। সবার মধ্যে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি নিরসন হতে চলছে। আশা করি সাংগঠনিক শৃংখলা ও ঐক্যমতের ভিত্তিতে আমরা আমাদের মাতৃভূমি হাতিয়াকে আওয়ামীলীগের দুর্জয় ঘাটিতে পরিণত করতে পারব।
বিশিষ্ঠ শিল্পপতি মাহমুদ আলী রাতুল আরো বলেন, জনগণ পেশীশক্তির রাজনীতি এখন আর পছন্দ করেনা। তারা চায় শান্তি ও উন্নতি। জনগণের সে আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটানো সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পবিত্র কর্তব্য। আগামীর রাজনীতি হবে উদার, গণতান্ত্রিক এবং উন্নয়নের রাজনীতি। তিনি বলেন, আমি হাতিয়াবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক মাঠ উপহার দিয়ে হাতিয়াকে শান্তি ও উন্নয়নের মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে চাই।
মাহমুদ আলী রাতুল আশা প্রকাশ করে বলেন, হাতিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর সমাধান করা গেলে সম্ভাবনাময় হাতিয়াকে আরো ৩টি উপজেলায় বিভক্ত করে জেলা হিসেবে রূপান্তর করা সম্ভব। এসব বিষয়ে সকল পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন এবং ভবিষ্যতে এগুলো নিয়েই কাজ করে যাবেন বলে এ প্রতিনিধির কাছে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।
হাতিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা নদী ভাঙ্গন ও বিদ্যুৎ নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি কার্যকরী পদক্ষেপই পারে হাতিয়ার নদী ভাঙ্গন সমস্যার টেকসই সমাধান করতে। সে পদক্ষেপ নিতে হবে জনপ্রতিনিধিদেরকে। জনপ্রতিনিধিগণ নিজ মাতৃভূমির প্রতি আন্তরিক হলে এটার সুষ্ঠু সমাধান সম্ভব। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়দীপ্ত সফল দেশরতœ শেখ হাসিনার সরকারের সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানও সহজ বিষয় বলে মন্তব্য করেন মাহমুদ আলী রাতুল।
ব্যক্তি জীবনে মাহমুদ আলী রাতুল বিভিন্ন সেবা সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। হাতিয়াবাসীর আশা-ভরসার কেন্দ্রস্থল চট্টগ্রামস্থ হাতিয়া জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি তিনি। ঢাকায় অবস্থিত ২০০ শয্যার মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ট্রাস্টি এবং অটিস্টিক আক্রান্ত বয়স্কদের ভোকেশনাল ট্রেনিং ও চাকুরির সংস্থানকারী সংগঠন পিএফডিএ এর সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন সেবা সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন তিনি। হাতিয়া জনকল্যাণ সমিতির মাধ্যমে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্রতা বিমোচন, দুর্যোগকালীন সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অসামান্য অবদানের মাধ্যমে হাতিয়ার আপামর জনতার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন মুজিব আদর্শের সৈনিক মাহমুদ আলী রাতুল।
সর্বোপরি রাজনৈতিক অস্থিরতা, বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত পিছিয়ে পড়া জনপদ হাতিয়ার আগামীদিনে একজন পরিচ্ছন্ন, উদার, সহনশীল ও উন্নয়নকামী নেতার অভাব পূরণে মাহমুদ আলী রাতুলই হতে পারেন হাতিয়াবাসীর আশা-আখাংখার শেষ ঠিকানা

শৈলকুপায় কারেন্ট জাল ও নিষিদ্ধ পলিথিনে বাজার সয়লাব

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ  ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ বাজার এখন কারেন্ট জালে সয়লাব। কারেন্ট জালের পাশাপাশি প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন। দেদারছে কারেন্ট জাল বিক্রির ফলে দেশী প্রজাতির মাছসহ জীব বৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে লাঙ্গলবাঁধ বাজারের বেশির ভাগ শৈলকুপা উপজেলার মধ্যে। আর এক কিছু অংশ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার অংশ। সেই অংশের ব্যবসায়ী পাংশা উপজেলার সাওড়াইল গ্রামের আব্দুর রশিদ, চিত্ত কুমার, উজ্জল হোসেন, জাহিদ হোসেন ও চাঁদ আলী ট্রেডার্সের মালিক নতুন ভুক্ত মালিথিয়া গ্রামের মোস্তফা দেদারছে নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল বিক্রি করছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় ধীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা চলে আসলেও তাদের তৎপরা রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। সরেজমিন দেখা গেছে লাঙ্গলবাঁধ বাজারের মোস্তফার দোকানে কারেন্ট জাল, পলিথিন, এসিড ও বিস্ফোরক দ্রব্য কেনা বেচা হচ্ছে। তবে তার কোন এসিড বিক্রির লাইসেন্স নেই। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে একই বাজারের বিশ্বাস ট্রেডার্সের মালিক শৈলকুপার মালিথিয়ার গ্রামের জাহিদ হোসেন, মুদির দোকানদার নতুন ভুক্ত মালিথিয়া গ্রামের গনেশ কুন্ডু, পল্লব কুন্ডু, অমিত কুন্ডু ও মরিচ হাটার সরজিৎ কুমার প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ পাওয়া গেছে পার্শ্ববর্তী বদনপুর গ্রামের শ্রী শুকুমার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও পলিথিনের জোগানদাতা হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ঢাকা থেকে পলিথিন এনে লাঙ্গলবাধ বাজারে সরবরাহ করে থাকেন বলে অভিযোগ।  বিষয়টি নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার গয়েসপুর ইউনিয়নের মেম্বর লিটু হোসেন জানান, লাঙ্গলবাঁধ বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্টজাল বিক্রির বিষয়ে আমরা প্রশাসনকে বলেছি, কিন্তু তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেন না। তিনি বলেন এগুলো বিক্রি বন্ধ না করলে পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতি। এ ব্যাপারে শৈলকুপার লাঙ্গলবাধ পুলিশ ক্যাম্পের তদন্ত কর্মকর্তা সমীরণ কুমার বলেন, আমরা অভিযোগটি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। তিনি বলেন মাগুরার শ্রীপুর অংশের কিছু দোকানে এই অবৈধ পন্য বিক্রি হচ্ছে বলে শুনেছি। কিন্ত ভৌগলিক কারণে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তবে আমাদের অংশে এ সব বিক্রি হয়না বলে তিনি দাবী করেন।

ইউনিভার্সিটি লিডারশিপ অ্যান্ড গভর্নেন্স কনফারেন্সে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ইউসুফ মাহাবুবুল ইসলামের যোগদান

ইউনিভার্সিটি লিডারশিপ অ্যান্ড গভর্নেন্স কনফারেন্সে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ইউসুফ মাহাবুবুল ইসলামের যোগদানড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সিটি লিডারশিপ অ্যান্ড গভর্নেন্স কনফারেন্স-২০১৭তে যোগ দান করেছেন। ‘বিশ্ববিদ্যালয়সমুহের আর্থিক স্বচ্ছলতায় শিক্ষার নয়া নকশা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৫-১৬ আগস্ট ২০১৭ মালয়েশিয়ায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটির আয়োজক ইউনিভার্সিটি অব মালয়।সম্মেলনে অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম ‘বিশ্ববিদ্যালয়সমুহের আর্থিক নিরাপত্তা: সুযোগ ও বাধা’ শীর্ষক একটি সেশনে প্যানেল আলোচক হিসেবে তার গুরুত্বপূন বক্তব্য তুলে ধরেন।

মহাসড়কে থেমে থেকে চলছে বিভিন্ন রুটের যানবাহন টঙ্গী-গাজীপুর মহাসড়কে দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার সড়কে তীব্র যানজট ॥ বাস যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

এস,এম মনির হোসেন জীবন : ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর মহানগরী শিল্প নগরী টঙ্গী সহ বিভিন্ন সড়কের থেমে থেমে চলছে যানবাহন। ঈদ যাত্রীরা বাড়ি ফেরার পথে টঙ্গী ও গাজীপুরে প্রায় ১৮ থেকে ২০ কিলোমিটার সড়কে গতকাল সোমবার ছিল যানজট। ফলে এ রুটের দূর পাল্লার বাস যাত্রীরা চরম ভোগান্তি আর অহেতেুক হয়রানীর শিকারে পড়েন। টঙ্গী ব্রিজ থেকে শুরু করে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত এবং টঙ্গী- কালিগঞ্জ সড়কে টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে শুরু করে মাজুুখান সড়ক, টঙ্গী কামারপাড়া ব্রিজ থেকে আশুলিয় বেরীবাঁধ হয়ে জামগড়া সড়কের চন্দ্র রোড সহ বিভিন্ন রুটে ও ঈদের আগে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গের সাথে ২৭টি রুটে সড়ক ও মহাসড়কে থেমে থেমে চলছে বিভিন্ন রুটের শতশত যানবাহন। এতে করে ঈদের আগে এসব রুটে চলাচলরত বাস যাত্রীরা চরম ভোগান্তি আর নানা ভাবে হয়রানীর শিকার হচেছন। এ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ এবং সড়কে পানি থাকায় রোববার থেকে টঙ্গী-গাজীপুর মহাসড়ক সহ বিভিন্ন রুটে তীব্র যানজট অব্যাহত রয়েছে।
গাজীপুর মহানগরী টঙ্গী অঞ্জলের ট্রাফিক বিভাগের পুলিশের টিআই মো: আনিছুর রহমান জানায়, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী পর্যন্ত মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বোর্ড বাজার, সাইনবোর্ড, মালেকের বাড়ি, বাসন সড়ক, বর্ষা সিনেমা হল সংলগ্ন ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এবং রাস্তা ভাঙাচোরা থাকার কারণে যানবাহন ধীর গতিতে চলছে। ফলে ওই এলাকাতেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তায় যানজট নিরসনে কাজ করছে গাজীপুর জেলা ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ি থেকে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে চার লেনের কাজের কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার বিকেল পর্যন্ত এ রুটের তীব্র যানজট এখন ও অব্যাহত রয়েছে।
সালনা হাইওয়া থানার (ওসি) মো: হোসেন সরকার জানান, কালিয়াকৈরের এলাকায় যানবাহন এক লেনে চলার কারণে চন্দ্রা এলাকায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। রাস্তায় থেমে থেমে ধীর গতিতে যানবাহন চলছে। ফলে গাড়ির লাইন দীর্ঘ হয়েছে।
তিনি আর ও জানান, সোমবার বিকেলে অফিসগামী পরিবহনের চাপ রাস্তায় বেশি। রাস্তা থেকে বিভিন্ন যানবাহন মহাসড়কে উঠতে ও নামতে থাকায় বিভিন্ন স্থানে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। কোনাবাড়ি, মৌচাক সফিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় আইনশৃংখলা বাহিনী যানজট নিরসনে কাজ করলেও সড়কে অধিক যানবাহনের চাপ থাকায় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিএমপি ঢাকা উত্তর ট্রাফিক বিভাগের উত্তরা জোনের টিআই মো: মুজিবুর রহমান মুজিব জানান, গতকাল সোমবার দুপুরের পর টঙ্গী ব্রিজ আব্দুল্লাাহপুর কামারপাড়া সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিকেলের পর এরুটের যানজট ব্যাপক আকার ধারণ করে। যানজট নিরসনে উত্তরা ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা এবং সড়ক ও মহাসড়কে থেকে যানজট নিরসনের জন্য দায়িত্ব পালন পালন করে যাচেছন।

ঝিনাইদহে যৌন হয়রানীর দায়ে স্কুল শিক্ষক গ্রেফতার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পশ্চিম দুর্গাপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে স্কুলশিক্ষকের যৌন হয়রানীর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকার অভিভাবক ছাত্রীরা।এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা স্কুলে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করে।খবর পেয়ে স্কুলের সভাপতি মধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ জুয়েল স্কুলে উপস্থিত হয়ে বিচারের আশ্বাস দেন।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  ঘটনায় জরুরিভাবে পরিচালনা কমিটির সভা চলছে।ি শক্ষার্থীদের অভিযোগ, অষ্টম শ্রেণিতে পড়য়া এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করে স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক রবিউল ইসলাম বাবলু। তিনি মহামায়া গ্রামের সোবাহান বিশ্বাসের ছেলে। এদিকে শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক রবিউল ইসলাম বাবলুকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। খবর এলাকায় জানাজানি হলে অভিভাবকরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সেই সাথে বিচার লম্পট শিক্ষককে স্কুল থেকে বরখাস্ত উপযুক্ত শাস্তির দাবি অভিভাবকদের।এর আগেও ওই স্কুলের শিক্ষক জহুরুল ইসলামের নামে আরেক ছাত্রীর গায়ে হাত দেয়া উত্যাক্ত করার অভিযোগ ওঠে। পরে তাকে তিন মাস সাময়িক বরখাস্ত রেখে চিল্লায় পাঠিয়ে দেয়া হয় বলে কথিত আছে।একটি সূত্র জানায়, ওই স্কুলের একাধিক ছাত্রীকে হয়রানী করা হয়েছে।এদিকে পশ্চিম দুর্গাপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বার বার নিগ্রহের শিকার হওয়ার বিষয়টি শনিবার বাজারগোপালপুরসহ এলাকায়টক অব দ্য ভিলেজেপরিণত হয়। লম্পট শিক্ষকদের বরখাস্তসহ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চায়ের দোকানগুলোতে সমালোচনার ঝড় ওঠে।বিষয়টি নিয়ে পশ্চিম দুর্গাপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান ছাত্রীদের বিক্ষোভ ক্লাস রুমে তালা মারার কথা স্বীকার করে জানান, উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় রোববার বিশেষ জরুরি সভা আহবান করা হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক রবিউল ইসলাম বাবলুর ০১৭২৮০৫০৪৯৮ মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।তবে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমাদুল হক শেখ জানান, শিক্ষক রবিউল ইসলাম বাবলুকে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় গরুতে ছয়লাভ

অনলাইন ডেস্ক: যশোরে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট। তবে হাটগুলোতে দেশি খামারের গরুর পাশাপাশি লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে ভারতীয় গরু। এতে গরুর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি চরম হতাশায় ভুগছেন খামারিরা। হাটগুলোতে দেখা গেছে ভারতীয় গরুর আধিক্য। এ কারণে পশুর দাম অনেক কম হওয়ায় খুশি ক্রেতারা।গত কয়েক বছর ধরেও ভারত থেকে গরু আসা প্রায় বন্ধ হওয়ায় যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠে হাজার হাজার পশুর খামার। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেই এসব খামারে বাণিজ্যিকভাবে মোটাতাজাকরণ করা হয় গরু।গত দু’বছর কোরবানির পশুর হাটে খামারের গরুর আধিক্যই ছিল বেশি। কিন্তু এবার চিত্র একটু ভিন্ন। দেশি খামারের গরুর পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে হাটে উঠছে ভারতীয় গরু। এতে লোকসান আতংকে খামারীরা।হাটগুলোতে ভারতীয় ও খামারি গরুর আধিক্যের কারণে দাম অনেকটা কম বলে জানালেন ক্রেতারা। সরবরাহ বাড়ায় ছাগলের দামও তুলনামূলক কম।এদিকে সুস্থ পশুর নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে হাটগুলোতে তৎপর রয়েছেন বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতেষ কান্তি সরকার।যশোর জেলায় মোট ২১টি স্থায়ী পশু হাট রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকায় আরো ১০টি  অস্থায়ী হাট গড়ে উঠেছে।

মসলার দাম উর্ধমুখী

ঈদুল আজহা এলেই বাড়ে মসলার কদর। ঈদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। এবারের ঈদেও হয়নি এর ব্যতিক্রম। বাজারে বেড়েছে এলাচ ও জিরার দাম। দাম বাড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
সরেজমিন কারওয়ান বাজার, মহাখালী, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী এবং সায়েদাবাদসহ রাজধানীর বিভিন্ন মসলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব বাজারেই বেড়েছে এলাচ ও জিরার দাম। এ ছাড়া মার্কেটে এখনো তেমন ভিড় নেই। টুকটাক কেনাকাটা চলছে। তবে ঈদের তিন দিন আগে থেকে বিক্রি বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ইন্ডিয়ান এলাচের দাম ছিল ১২৫০ টাকা, যেটা বেড়ে হয়েছে ১৩৮০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ১৩০ টাকা। এ ছাড়া প্রতিকেজি আমেরিকান এলাচের দাম ছিল ১৪৫০ টাকা, যেটা এখন ১৬৫০ টাকা। অর্থাৎ, দাম বেড়েছে ২০০ টাকা।
এ ছাড়া জিরার বাজার ঘুরে দেখা গেছে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিকেজি ইন্ডিয়ান জিরার দাম ছিল ৩২০ টাকা, যেটা এখন বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা। আর সিরিয়া থেকে আমদানিকৃত জিরার দাম ছিল ৩৪০ টাকা, যেটা বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। অর্থাৎ দাম বেড়েছে ১৬০ টাকা।
তবে গোলমরিচ, ধনিয়া, দারুচিনি এবং লবঙ্গসহ মসলা-জাতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়লেও দাম তেমন বাড়েনি।
কারওয়ান বাজারের মসলা ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, এলাচ ও জিরার দাম বেড়েছে। প্রতিবারই ঈদের আগে দাম বাড়ে। এ ছাড়া ডলারের দাম বাড়লেও এসব পণ্যের দাম বাড়ে। এলাচ কেজিতে সর্বোচ্চ ২০০ এবং
জিরা বেড়েছে ১৬০ টাকার মতো।তিনি বলেন, ঈদুল আজহায় মসলা সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। বাজার এখনো তেমন জমে ওঠেনি। ঈদের তিন দিন আগে থেকে বিক্রি বাড়বে। তখন নিঃশ্বাস ফেলার সময় থাকবে না।
কারওয়ান বাজারে মসলা কিনতে আসা রোজি বেগম জানান, ঈদের জন্য মসলা কিনতে এসেছি। মসলার জন্য কারওয়ান বাজার ভালো। সবসময় এখান থেকেই কিনি।দাম বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কোরবানির ঈদ এলেই মসলার দাম বেড়ে যায়। এর ভুক্তভোগী হয় জনগণ। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সরকারের যে বাজার নিয়ন্ত্রণ সেল রয়েছে, তাদের উচিত বিষয়টি দেখা।
শুধু কারওয়ান বাজার নয়, মহাখালী কাঁচাবাজারে গিয়ে মিলেছে একই চিত্র। সেখানে দেখা গেছে, বাজারে বেড়েছে এলাচ ও জিরার দাম।মহাখালী কাঁচাবাজারের মসলা ব্যবসায়ী হুমায়ুন জানায়, কোরবানির ঈদ এলেই এলাচ ও জিরার দাম বাড়ে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।মার্কেটে জিরা কিনছিলেন আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ঈদ এলেই মসলার দাম বাড়ে। এ আর নতুন কী, সব বিপদেই আমাদের সরকারের কিছুই করার নেই।
এ বিষয়ে কারওয়ান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বাবুল মিয়া জানান, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে কোরবানির ঈদে গরম মসলার চাহিদা কয়েক গুণ বাড়ে, তাই দামও বেড়ে যায়। দেশের বাজারে মসলার দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্ধারিত হয়।

গৃহহীনদের পুনর্বাসন ও ভূমিহীনদের জন্য খাস জমি দিতে কোন ওজর আপত্তি বরদাশত করা হবে না: ভূমিমন্ত্রী

ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, অনেক সময় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জায়গা খুঁজে বের করার সময় বলা হয়ে থাকে আইনী জটিলতার কারণে খাস জমি বের করা যাচ্ছে না। যেকোন সমস্যাই থাকুক, গৃহহীনদের পুনর্বাসন ও ভূমিহীনদের জন্য খাস জমি খুঁজে বের করে দিতে কোন ওজর আপত্তি বরদাশত করা হবে না।আজ বিকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আগস্ট ২০১৭ মাসের বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।ভূমিমন্ত্রী শরীফ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এদেশে কোন গৃহহীন থাকবে না। তিনি বলেন, গৃহহীনদের পুনর্বাসন করার নির্দেশ সকল বিভাগীয় কমিশনারদের প্রতি রয়েছে। প্রতিটি বিভাগ থেকে খাস জমি খুঁজে বের করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের। আইনী সমস্যা থাকলে তা আপনারা সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারগণ খতিয়ে দেখা জরুরি রয়েছে বলে সভায় এমন মন্তব্য করেন ভূমিমন্ত্রী। গুচ্ছগ্রামে এ পর্যন্ত পুনর্বাসিত পরিবারের মধ্যে যারা গুচ্ছগ্রামে বসবাস করছেন তাদের একটি তালিকা একমাসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশ দেন তিনি। তিনি সরকারের উন্নয়ন কাজে দীর্ঘসূত্রতা পরিহারের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত গৃহহারা মানুষের পুনর্বাসনের জন্য সরকার সকলপ্রকার সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার সবচেয়ে শক্তিশালী সরকার। সরকারের এ ঘোষণাকে সকলেই আন্তরিকতার সাথে মেনে চলতে হবে। তিনি আগামী ১ মাসের মধ্যে দেশের সকল গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের আপডেট সংখ্যা নিরূপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন।সভায় অন্যান্যের মধ্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ভূমি সচিব ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুয়াল হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org