November eighteen, 2017

বাস্তুবিদ্যা ফেং শুই মানুষের ভাগ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নতির ব্যাপারে নানাবিধ পরামর্শ দিয়ে থাকে। একজন মানুষের ভাল থাকা অনেকটাই নির্ভর করে তার আর্থিক অবস্থার উপর। কীভাবে আর্থিক অবস্থার উন্নতি সাধন করা সম্ভব, এবং কীভাবেই বা এড়ানো যেতে পারে আর্থিক দুর্ভাগ্য, সেই বিষয়েও ফেং শুই সুস্পষ্ট নির্দেশ দেয়। কী সেই সমস্ত নির্দেশ? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—

১. ফেং শুই মনে করে, টাকাই টাকাকে আকর্ষণ করে। ফলে যে মানুষ টাকা-পয়সার প্রতি যত্নবান নন, তার আর্থিক ভাগ্যও ভাল হয় না। ফেং শুই-এর প্রথম পরামর্শ, টাকা-পয়সা দেওয়া বা গ্রহণের সময় নোট বা কয়েনের প্রতি যত্নবান হোন।

২. টাকা ব্যবহারের সময় তা ছিঁড়ে যাওয়া, কিংবা হাত থেকে টাকা কিংবা কয়েন মাটিতে পড়ে যাওয়াকে অশুভ বলে মনে করে ফেং শুই। এমনটা কারো ক্ষেত্রে হলে, তাঁকে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে— এমনটাই বিশ্বাস ফেং শুই-এর।

৩. কারো কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে আপনাকে। দেখে নিতে হবে, যে টাকাগুলি নিচ্ছেন, সেগুলো সব ঠিকঠাক রয়েছে কি না। ময়লা বা ছেঁড়াখোঁড়া নোট যদি আপনার মানিব্যাগ বা পার্সে থাকে, তাহলে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রেও আসবে বাধা।

৪. অনেক সময়েই রং লাগা হাতে আমরা টাকা ধরে ফেলি। এর ফলে রং লেগে যায় টাকাতেও। ফেং শুই মতে, এটা অত্যন্ত খারাপ অভ্যেস। টাকায় রং লেগে গেলে চেষ্টা করুন, সেই টাকা দ্রুত অন্য কারো হাতে তুলে দিতে। নইলে আপনার আর্থিক ক্ষতি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫. মানিব্যাগ এবং পার্সের অবস্থার উপরেও নির্ভর করে আপনার আর্থিক ভাগ্য। যদি ছেঁড়াখোঁড়া বা রং ওঠা পার্স ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার বড় রকমের অর্থ অপচয় হয়ে যেতে পারে।

৬. ফেং শুই মতে, সোনার জলে রং করা রুপোর কয়েন নিজের পার্সে রেখে দেওয়া অত্যন্ত শুভ। এমনটা করা হলে, অর্থ আকৃষ্ট হয়, এবং আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়।


November eighteen, 2017

যশোরে প্রতারক এক যুবকের ফাঁদে পড়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের এক স্কুলশিক্ষিকাকে হোটেলে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশের অভিযানে ওই যুবক ধরা পড়ে। তাকে আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যশোর কোতোয়ালি থানার মাইকপট্টি কেশব লাল রোডের একটি হোটেল থেকে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার করেন তারিকুল ইসলাম নামের ওই যুবককে।

অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, ফেসবুকে স্কুল শিক্ষিকার বন্ধুত্ব হয় যশোরের খালিশপুর এলাকার তারিকুল ইসলামের সঙ্গে। বন্ধুর আহ্বানে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম থেকে যশোরে ছুটে যান ওই শিক্ষিকা। এরপর রূপ পাল্টে ফেলেন তারিকুল ইসলাম।

ওই শিক্ষিকাকে যশোর কোতোয়ালি থানার মাইকপট্টি কেশব লাল রোডের একটি হোটেলে মঙ্গলবার রাতভর আটকে রেখে। বুধবার সকালে ওই যুবক শিক্ষিকার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবার পুলিশকে বিষয়টি জানায়। ওই দিন পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যুবকটির অবস্থান নির্ণয় করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যশোর গিয়ে অভিযান চারিয়ে আটকে রাখা শিক্ষিকাকে উদ্ধার করা হয়।

ওই শিক্ষিকা আগ্রাবাদ এলাকায় একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকতা করেন। এর বাইরে আর কোন তথ্য দিতে রাজি হননি অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক। তবে প্রতারক যুবক তারিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, তারিকুল ইসলাম ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে একাধিক ফেসবুক আইডি খোলেন। তার সম্পর্কে না জেনে-শুনে চলে যান স্কুলশিক্ষিকা। এ রকম ভুয়া নাম ঠিকানা দিয়ে অনেকে ফেসবুকে আইডি খুলেছে। যাদের সম্পর্কে না জেনে তাদের কাছে চলে যাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এ ব্যাপারে তরুণীদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


November eighteen, 2017

নাগরিক সমাবেশে অংশ নিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেছে নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষ। দুপুর আড়াইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হবে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে স্বীকৃতি দেওয়ায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর বিট্রিস কালদুলের হাতে সমাবেশ থেকে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব হস্তান্তর করা হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেবেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রমুখ।

নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী আবদুল আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করবেন কবি নির্মলেন্দু গুণ ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

নাগরিক সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকে আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করেছেন। তারা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও ৭ মার্চের ভাষণের ছবি সম্বলিত প্লা-কার্ড বহন করছেন।

সমাবেশ ঘিরে আগেই শাহবাগ এলাকার যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এরপরও এর প্রভাবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও অন্য এলাকায় গাড়ির বাড়তি চাপ দেখা গেছে।আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার আদলে মূল মঞ্চ সাজানোসহ সমাবেশস্থলের আশপাশ এলাকা সাজানো হয় হয়েছে বর্ণিল সাজে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনা সংলগ্ন ফটক দিয়ে সমাবেশের অতিথিদের যাতায়াতের রাস্তা সাজানো হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের উল্লেখযোগ্য বক্তব্যগুলো দিয়ে।

 

বিয়ের আগে গর্ভবতী হওয়া যায় না এমন ধারণা ধীরে ভেঙ্গে যাচ্ছে উপমহাদেশীয় সমাজে। আর এই প্রথা ভাঙ্গার খেলায় অগ্রগামী হলেন তারকারা।

আরও নির্দিষ্ট করে বললে বলিউড তারকারা। বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন এমন কয়েকজন বলিউড অভিনেত্রীদের সম্পর্কে জেনে নিন:

শ্রীদেবী : শ্রীদেবী হলেন বলিউডের একমাত্র নায়িকা যিনি খোলাখুলি স্বীকার করেছেন যে তিনি বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে বনি কপূরের সঙ্গে যখন শ্রীদেবীর বিয়ে হয় তখন তিনি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এই হিসেব থেকে অনেকেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে ছিলেন, যখন বনির সন্তানের গর্ভধারণ করেন‌ শ্রীদেবী তখনও বনি তার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেননি। বনি-শ্রীদেবীর বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের বড় মেয়ে জাহ্নবীর জন্ম হয়।

কঙ্কনা সেন শর্মা : বেশ কয়েক বছর অভিনেতা রণবীর শোরের সঙ্গে প্রেমপর্ব চলার পর ২০১০-এ দুজনে বিয়ে করেন। এদিকে বিয়ের ঠিক পরেই ২০১১ সালের শুরুর দিকে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন কঙ্কনা। এই থেকে বলিউডে আলোচনা শুরু হয়ে যায়, বিয়ের আগে থেকেই হয়তো অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন কঙ্কনা। তবে এই বিষয়টি কঙ্কনা নিজে কখনও স্বীকার করেননি।

আনুশকা শঙ্কর : রবিশঙ্করের মেয়ে আনুশকা শঙ্করও বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন।

নীনা গুপ্তা : ক্রিকেট কিংবদন্তি স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল নীনা গুপ্তার। বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন নীনা গুপ্তা। তাদের মেয়ের নাম মাসাবা।

সারিকা : অভিনেত্রী সারিকার সঙ্গে কমল হসানের ভালবাসার সম্পর্ক যখন শুরু হয় তখনও কমলের সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী-এর বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। এই সময়েই সারিকা কমলের সন্তান গর্ভে ধারণ করেন। এই সন্তানই বর্তমানের বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রুতি হসান।

বীণা মালিক : নানা কারণে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিতর্কের কেন্দ্রে থেকেছেন। তার সন্তানধারণের বিষয়টি নিয়েও নানা কথা শোনা যায়। সেগুলির মধ্যে একটি হল, দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময়েই গর্ভবতী ছিলেন বীণা। এমনকি লোকে এমন কথাও বলে যে, এই সন্তানের প্রকৃত পিতা নাকি বীণার প্রাক্তন এক প্রেমিক।

মহিমা চৌধুরী : ববি মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করার আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী মহিমা চৌধুরী। তার আগে বেশ কিছু তারকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। তবে ববির সঙ্গে মহিমার বিয়ের খবরটা আচমকাই প্রকাশ পায়। আর ববিকে বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই এক কন্যা সন্তানের মা হন মহিমা।

সেলিনা জেটলি : দুবাইয়ের হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগের সঙ্গে বেশ কয়েকবছর প্রেমপর্ব চলার পরে সেলিনার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় ২০১১-র জুলাইয়ে। পরের মার্চেই যমজ সন্তানের মা হন সেলিনা।

অমৃতা অরোরা : ব্যবসায়ী শাকিল লাদাকের সঙ্গে অমৃতার বিয়ে হয় অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এবং গোপনে। বিয়ের কয়েকমাস পরেই সন্তানের জন্ম দেন অমৃতা। স্বভাবতই গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় যে, অমৃতা হয়তো বিয়ের আগে থেকেই গর্ভবতী ছিলেন।

 

ব্রেকফাস্টে ব্রেড-বাটার! আর বিকালের স্ন্যাক্স অফিসের স্যান্ডউইচ। মাঝে কখনও তেল চ্যাপচ্যাপে পরটা, তো কখনও অন্য কোনও ফাস্ট ফুড। এই তো হল সারা দিনের খাবার রুটিন, যা শুধু আমাদের মৃত্যুর দিকে আমাদের ঠেলে দিচ্ছে না, সেই সঙ্গে অনেকাংশে পঙ্গুও বানাচ্ছে। বিশেষত হওয়াট ব্রেড বা গোদা বাংলায় যাকে আমরা পাউরুটি বলে থাকি, তা যে কত রকমভাবে আমাদের ক্ষতি করছে, সে বিষয়ে কারওই খেয়াল নেই।

গবেষণা বলছে উত্তর এবং পূর্ব ভারতে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১ জন সিলিয়াক ডিজিজ নামে একটি ভয়ঙ্কর অটোইমিউন ডিজিজে আক্রান্ত হচ্ছে শুধুমাত্র পাউরুটির কারণে। শুধু তাই নয়, আরও নানা ধরনের মারণ রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধছে এই খাবরটির কারণে। তাই তো চিকিৎসকেরা আর কাল বিলম্ব না করে যত শীঘ্র সম্ভব পাউরুটি থেকে দূরত্ব বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। আর যদি কেউ এমনটা না করেন, তাহলে কি রোগ হতে পারে জানেন?

. শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: অনেকই মনে করেন পাউরুটি বেশ স্বাস্থ্যকর। কিন্তু এই ধরণা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ ময়দা বানানোর সময় এর শরীরে কোনও ধরনের পুষ্টিকর উপাদানই আর অবশিষ্ট থাকে না। ফলে পাউরুটি খেলে শরীরের তো কোনও উপকার হয়ই না, উল্টে ময়দা পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার পথকে প্রশস্ত করে, সেই সঙ্গে শরীরের অন্দরে মারাত্মক ক্ষতি সাধনও করে থাকে। তাই এই খাবারটি থেকে দূরে থাকাটাই শ্রেয়!

. রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে পাউরুটি শরীরে প্রবেশ করার পর হজম হতে সময় নেয়, কিন্তু যে মুহূর্তে হজম হয়, তখনই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ইনসুলিনের ক্ষরণও বেড়ে যায়। এমনটা দিনের পর দিন হতে থাকলে শরীরের অন্দরে ইনসুলিন রেজিস্টেন্স তৈরি হয়ে যায়। ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়। সেই কারণেই তো যাদের পরিবারে এই মারণ রোগটির ইতিহাস রয়েছে, তাদের পাউরুটি থেকে শত হস্ত দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশিয়ানে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ ছিল, যারা হোল গ্রেন খাবার বেশি মাত্রায় খায়, তাদের শরীরে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কেনাও আশঙ্কাই থাকে না। কিন্তু এমনটা না করে যারা রিফাইন ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার বেশি মাত্রায় খেয়ে থাকেন, যেমন ধরুন পাঁউরুটি, তাদের শরীরে ডায়াবেটিস রোগ বাসা বাঁধার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩. ওজন বৃদ্ধি পায়: গবেষণা বলছে পাউরুটি খাওয়ার পর শরীরে একদিকে যেমন শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তেমনি অন্যদিকে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও বাড়তে শুরু করে। ফলে এমমনটা যদি কয়েক দিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে ওজন বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে লেজুড় হয় কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগও।

৪. ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে: ২০১৫ সালে জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে পাউরুটি এবং ডিপ্রেশনের মধ্যে গভীর যোগ রয়েছে। বিশেষত পোস্ট মেনোপজাল সময়ে মহিলাদের ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হওয়ার পিছেন এই খাবরটি যে বিশেষ ভাবে দায়ি, সে বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। তাই এবার থেকে ব্রেড-বাটার খাওাযার আগে একবার অন্তত ভেবে দেখবেন, খাবারের নামে বিষ খাচ্ছেন না তো!

৫. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়: টানা ১২ সপ্তাহ ৩৬ জন মানুষের উপর গবেষণা চালিয়ে বিশেষজ্ঞরা লক্ষ করেছেন, নিয়মিত পাউরুটি বা ময়দা দিয়ে তৈরি কোনও খাবার খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে কোলেস্টরল আমাদের হার্টের জন্য় একেবারেই ভাল নয়। কারণ এই উপাদানটির পরিমাণ রক্তে বাড়তে থাকলে হার্ট অ্যাটাক সহ নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তথ্যসূত্রঃ বোল্ডস্কাই অবলম্বনে

মুক্তামণির মতো বিরল রোগে আক্রান্ত আরেক শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে। রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের টেগাটাপাড়া গ্রামের স্বর্ণালীর ডান হাতেও মুক্তামণির মতো রোগ দেখা দিয়েছে। জন্মের সময় ছোট কালো দাগ থেকে এখন পুরো হাতেই এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে চরম বেকায়দায় ও মানসিকভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্বর্ণালীর বাবা-মা।

স্বর্ণালীর বয়স এখন ১২ বছর। স্থানীয় নোনামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী সে। তার বাবা আবদুল মান্নান দুর্গাপুরের দাওকান্দি কলেজের পিওন ও মা রুমা বেগম গৃহিণী। তাদের ঘরে দ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া একজন ছেলে সন্তানও রয়েছে। স্বর্ণালীর ডান হাতে জন্মের সময় থাকা কালো দাগের মাধ্যমে এ রোগের উৎপত্তি। বিরল এ রোগের কোনো চিকিৎসা নেই ভেবে এতোদিন ডাক্তার দেখাননি বাবা-মা। তবে পত্রপত্রিকায় মুক্তামণির রোগ ও চিকিৎসা নিয়ে খবর প্রকাশের পর তা দেখে মনে সাহস জেগেছে তাদের। এ রোগ ভালো হয়ে যেতে পারে এমন আশায় তারা ছুটে যান চিকিৎসকের কাছে। তবে অপারেশন বাবদ যে টাকার হিসেব দেয়া হয়েছে তাতে কোনোভাবেই চিকিৎসা করানো সম্ভব নয় ভেবে আবার পেছনে হাটেন বাবা-মা।

স্বর্ণালীর মা রুমা বেগম ও বাবা আব্দুল মান্নান জানান, মুক্তামণির হাতে যে বিরল রোগ, তার মেয়ের হাতেও একই রোগ বাসা বেধেছে। ক্রমেই হাত মোটা ও ভারি হয়ে যাচ্ছে। হাতে ছোট গুটি ও মাংসপিণ্ডের মতো বেড়ে উঠছে ক্রমেই। ডান হাতের পুরোটা এখন ছড়িয়ে পড়েছে। নিচের অংশে ঝুলছে চামড়া। মাঝে পেকে পুজ বের হয়। তখন ব্যথায় কাতর থাকে স্বর্ণালী।

স্বর্ণালীর মা রুমা জানান, মেয়ের বয়স যখন চার বছর ছিল তখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনকে দেখানো হয়েছিল। সে সময় চিকিৎসক একটি মলম দিয়েছিলেন। সেটি লাগানো হলেও রোগ কমার কোনো লক্ষণ তারা খুঁজে পাননি। বরং তা ক্রমেই বাড়তে থাকে। এরপর অজ্ঞাত ও বিরল রোগ জেনে তারা আস্থা হারিয়ে ফেলেন। আর চিকিৎসক দেখাননি। এরপর পত্রিকা ও টেলিভিশনে মুক্তামণির খবরের পর তারা মিলিয়ে দেখেন মুক্তামণির মতোই স্বর্ণালীর হাতে রোগ বাসা বেধেছে। এরপর আবার আশা নিয়ে ছুটে যান আরেক বিশষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে। এবার তারা রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আফরোজা নাজনীনকে দেখান।

তিনিও স্বর্ণালীর হাত দেখে বিরল রোগ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অবশ্য এ ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষার পর অপারেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে টাকার বাজেটের কাছে পরাস্ত হয়েছেন বাবা-মা। এখন মেয়েকে নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। ভালো চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার সামর্থও নেই।

স্বর্ণালীর মা রুমা বেগম জানান, মেয়ে যত বড় হচ্ছে তত বাড়ছে রোগের পরিধি। এ নিয়ে তারা চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে জানান, মুক্তামণির চিকিৎসা যেভাবে হয়েছে, তার মেয়ে স্বর্ণালীর চিকিৎসাও সেভাবে হবে। প্রয়োজন শুধু সহায়তা। এজন্য তিনি সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছেন।

স্বর্ণালী জানায়, স্কুলে গেলে তারপাশে অন্যরা বসতে চায় না। তাকে দেখে সহপাঠিরা হাসাহাসি করে। এজন্য প্রায়ই তার স্কুলে যাওয়া হয় না। শিক্ষকরা তাকে ভালোবাসলেও সহপাঠিদের এমন ব্যবহার তার ভালোলাগে না। তবে লেখা-পড়া করার প্রচণ্ড ইচ্ছে আছে তার।

স্বর্ণালীর বাবা আব্দুল মান্নান জানান, মেয়ের হাতের রোগ নিয়ে তারা চরম বিপাকে রয়েছেন। তিনি নিজে কলেজের পিওন পদে চাকরি করেন। এ থেকে সংসার চালানোর পাশাপাশি এক ছেলের পড়ালেখার খরচ যোগান দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় মেয়ের চিকিৎসার খরচ যোগানো কোনোভাবেই তারপক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

শুক্রবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের এসকিউ ৪৪৭ ফ্লাইটের টিকিট কেটেছেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। স্ত্রীকে নিয়ে শুক্রবার রাতের ফ্লাইটে তার বিদেশ যাওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১৩ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়ে অবহিত করেন প্রধান বিচারপতি।

বিমানবন্দর সূত্রে জানায়, রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের এসকিউ ৪৪৭ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। সেই ফ্লাইটের টিকিট কেটেছেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।

এদিকে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ইসমাইল হোসেন দেখা করতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে প্রবেশ করেন। এর পরে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে ওই বাসায় প্রবেশ করেন প্রধান বিচারপতির ব্যক্তিগত সহকারী আনিসুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) আইন মন্ত্রণালয় প্রধান বিচারপতির ছুটি সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে। আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক স্বাক্ষরিত এই আদেশে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির আবেদনে এর আগে ৩ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ৩০ দিনের ছুটি মঞ্জুর করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু বিচারপতি সিনহা যেহেতু আরও বেশি দিন বিদেশে থাকবেন, সেহেতু রাষ্ট্রপতি নতুন আদেশ দিয়েছেন।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আলোচনা করতে আগামী ২৩ অক্টোবর মিয়ানমারে যাচ্ছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, পুলিশ প্রধান, বিজিবি প্রধান, কোস্টগার্ড প্রধান, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) এই সফরে মন্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন বলে জানা গেছে।সফর শেষে ২৫ অক্টোবর মন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।  আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সঙ্কট ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় চারটি পূর্বনির্ধারিত বিষয়ে মিয়ানামার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হবে। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মূল এজেন্ডা হবে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে- সে বিষয়ে আলোচনা করা।

বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশ সরকার ও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় সহায়তা প্রদানের জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহবান জানালে বিশ্ব ব্যাংক সহায়তা প্রদানে আশ্বাস দেয়।ওয়াশিংটন ডিসিতে বুধবার প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দেশটি তাদের নিজস্ব দারিদ্র্যতা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। তারপরও তারা রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তার পরিমানের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আশ্রয় গ্রহনকারী রোহিঙ্গাদের সহায়তায় নেয়া এ কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন এবং সড়কও অর্ন্তভূক্ত থাকবে।  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত দক্ষিণ এশীয় অঞ্চল বিষয়ক বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এ্যানেটির ডিক্সনের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন রোহিঙ্গা শরণার্থী আসায় পরিস্থিতি সামাল দেয়া বাংলাদেশের জন্য মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।  অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ। রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজন।আমরা বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তার জন্য অধির আগ্রহে প্রতীক্ষা করছি। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের অতিদরিদ্র্যদের তহবিল ইন্টারন্যাশনাল ডেভলোপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ) এর অর্থ সহায়তা পেতে পারে। এ্যানেটি ডিক্সন রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো এবং দারিদ্র হ্রাস ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, রোহিঙ্গারা খুব শিগগির নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরে যাবে। তাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা খুবই প্রয়োজন। আমরা তাদের সহায়তা প্রদানে সম্ভব সবকিছু করব।

এস,এম মনির হোসেন জীবন : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের সিট কভারের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় সাড়ে চার কেজি সোনার বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিম কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে ১১৬ গ্রাম ওজনের ৪০টি সোনার বার রয়েছে। উদ্ধারকৃত সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সোনা উদ্বারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান নম্বর (বিএস-৩২২) এর ১১ এ ও ১১ বিম্বর সিটের ভেতর থেকে এসব সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিমের সহকারী কাস্টমস কমিশনার (এসি) মো: সাইদুল ইসলাম আজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিমের এসি মো: সাইদুল ইসলাম আজ জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের (বিএস-৩২২) নম্বরের বিমানটি মাস্কাট থেকে ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। তখন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিমের কর্মকর্তারা মাস্কাট থেকে আসা ওই ফ্লাইট রামেজিং করা হয়। রামেজিং এর অংশ হিসেবে আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে বিমানের বিভিন্ন স্থান তল্লাশির একপর্যায়ে সিটের ভেতরে শক্ত ধাতব বস্তু থাকার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সিটের নরম ফোম ওঠানোর পর দেখা যায় কালো স্কচটেপ মোড়ানো দ’ুটি বান্ডিল পরে আছে। বান্ডিল দুটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বিমানবন্দরের কাস্টম হলে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে স্কচটেপ মোড়ানো ১০ তোলা ওজনের ৪০ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সোনা উদ্বারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। এঘটনায় ঢাকা কাস্টম হাউসের পক্ষ থেকে ডিটেনশন (ডেমো) করে সোনা গুলো তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে।