Category: ভিতরের পাতা

সুন্দরগঞ্জের এসআইসহ ৪ পুলিশ ক্লোজড: প্রেমিক নিহত- প্রেমিকা পুলিশী হেফাজতে

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা  প্রতিনিধিঃগাইবান্ধার পলাশবাড়িতে হাতকড়াসহ পুলিশের কাছ থেকে পালানোর সময় ট্রাক চাপায় রিপন চন্দ্র দাশ (২২) নামে অপহরণ মামলার আসামীর মৃত্যুর ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজু আহম্মেদসহ ৪ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর)- খায়রুল আলম। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে একজন এসআই ও ৪ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে একজন নারী কনস্টেবল রয়েছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। ক্লোজড হওয়া অপর পুলিশ সদস্যরা হলেন-কনস্টেবল শাহানুর রহমান, মোস্তাফিজার রহমান ও নার্গিস বেগম। উল্লেখ্য, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের বাবলু চন্দ্র দাশের ছেলে রিপন চদ্র দাশ একই গ্রামের সুরেশ চন্দ্র দাশের স্কুল পড়ুয়া কন্যাকে গত ২৯ মে সকালে অপহরণ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় চম্পার বাবা সুন্দরগঞ্জ থানায় অপহরণ মামলা করেন। পরে ১ জুন অভিযান চালিয়ে বগুড়ার কাহালু পৌর শহরের টাইকপাড়ার গঙ্গারাম দাশের বাসা থেকে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও রিপনকে গ্রেফতার করেপুলিশ। তাদেরকে একই মাইক্রোতে করে করে সুন্দরগঞ্জ আনার পথে রিপন প্রস্রাব করার কথা বলে। রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পলাশবাড়ির জুনদহ এলাকায় রিপনকে মাইক্রোবাস থেকে নামায়। রিপন প্রস্রাব করা শেষে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে দ্রুতগামী ট্রাকের চাপায় তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশ ও সুরেশের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়।
এদিকে, এ ঘটনার পর শুক্রবার দুপুরে রিপনের পরিবার ও এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে সুরেশের বাড়া- ঘর ভাঙচুর ও তার ভগ্নিপতির দোকানে অগ্নিসংযোগ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। থেকে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান করছেন।অপরদিকে, রিপনের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাকে ট্রাক চাপায় হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠ বিচারসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় রিপনের লাশ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।ফলে গত ১ জুন রাত থেকে ২ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত রিপনের লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে পড়ে থাকে।
তবে রিপনের বাড়িতে থাকা সুন্দরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার- মামুনুর রহমান মামুন জানান, আলোচনার মাধ্যমে লাশ গ্রহণে সম্মতি জানায় রিপনের পরিবার। রাতেই রিপনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চিকিৎসার্থে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা মহিলা মুক্তিযোদ্ধা নীলিমা গুরুতর অসুস্থ ॥ চিকিৎসার অভাবে দুর্বিসহ জীবন যাপন

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : গাজীপুর জেলার একমাত্র মহিলা মুক্তিযোদ্ধা টঙ্গী এলাকার বাসিন্দা মিসেস নীলিমা আহমেদ (বিএ.বিএড) বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছেন। বিছানায় আর হুইল চেয়ারে সময় কাটছে তার। টঙ্গী থানা মুক্তিযোদ্বা কমান্ড কিংবা জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ খোঁজ খবর নেন না নীলিমার। অস্থিরতা ও স্নায়ু সমস্যায় নীলিমা গত প্রায় দুই বছর ধরে দাঁড়াতে পারছেন না। কিন্তু এখন এই ব্যয় বহুল চিকিৎসা করার মত সেই সামর্থ তাদের নেই। এ ব্যাপারে এই মুক্তিযোদ্ধা দম্পত্তি মামনীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মিসেস নীলিমা আহমেদ স্বামী মুক্তিযোদ্ধা ডা. নাজিম উদ্দিন আহমেদ জানান, অস্থি ও স্নায়ু সমস্যায় নীলিমা দুই বছর ধরে দাঁড়াতে পারেন না। তিনি হুইল চেয়ারে বসে সময় কাটান। ঢাকা ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ইনস্টিটিউট অব লেজার সার্জারী হাসপাতাল, পিজি হাসপাতাল, ভারতের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, কেরালায় ফিজিও থেরাপি হাসপাতালে চিকিৎসা করে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তার স্পাইনাল কডে সারবাইকেল নাম্বার এবং সেকরাল রিজিওনলে জটিল অপারেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের চিকিৎসকরা। কিন্তু এখন এই ব্যয় বহুল চিকিৎসা করার মত সেই সামর্থ তাদের নেই। এব্যাপারে এই মুক্তিযোদ্ধা দম্পত্তি প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চেয়েছেন।
ডা. নাজিম আর ও জানান, নীলিমা চিকিৎসার জন্য ২৬-০৫-২০১৬ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (পিজি) ভর্তি হন। তিনি প্রথমে প্রফেসর ডা. আনোয়ারুল ইসলাম ও পরে প্রফেসর কে.কে বড়ুয়ার অধীনে চিকিৎসাধীনে থাকা অবস্থায় সুকিৎসা পান নাই বলে অভিযোগ করেন। এমনকি হাসপাতালের নার্সদের পক্ষ থেকেও সু-ব্যবহার পান নাই। হাসপাতালে তিনি অপারেশন করতে সম্মত ছিলেন। কিন্তু তিনি অপারেশন করতে সম্মত নন এধরণের মিথ্যা অজুহাতে তাকে ডিসচার্জ দেয়া হয়।
গাজীপুর জেলার একমাত্র মহিলা মুক্তিযোদ্ধা নীলিমা আপসোস করে বলেন, অজ্ঞাত কারণে আমাকে চিকিৎসা না দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা করার মৌখিক পরামর্শ দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হল। তিনি আরও জানান, আমি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর আহবানে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য ট্রেনিং নিতে ভারতে চলে যাই। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিশ্রামগঞ্জে ২ নং সেক্টরের অধীনে স্থাপিত বাংলাদেশ ফোর্সেস হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে যোগ দেন। সেখানে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা দানে নিজেকে নিয়োজিত করি। আত্মরক্ষার্থে ও দেশের স্বার্থে আমাদের মুক্তিযোদ্ধার ট্রেনিং নিতে হয়েছে। আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: নাজিম উদ্দিন আহমেদ একই হাসপাতালে সেকেন্ড ইন কমান্ড ও চিকিৎসক ছিলেন।
মহিলা মুক্তিযোদ্ধা নীলিমা এ প্রতিবেদককে আরও জানান,স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ফোর্সেস হাসপাতালটি সাভারে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ট্রাষ্টে তিনি সেবা কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন। ১০৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত টঙ্গী পৌরসভার প্রথম মহিলা কমিশনার হিসেবে বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন। ১৯৭৪ সালে তিনি টঙ্গীর আমজাদ আলী সরকার পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষিকা ও বর্তমানে রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পরিচালনায় বিদ্যালয়টি ইতিপূর্বে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি সনদ ও ক্রেস্ট অর্জন করে।
মুক্তিযোদ্বা নীলিমা আহমেদ (বিএ.বিএড) জানান, এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতীয় পর্যায়ে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রানার্স আপ, কুইজ প্রতিযোগিতা-তুখোর’ এ চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রানার্স আপ ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে তার স্কুলটি। ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে জাতীয় মহিলা সংস্থা গাজীপুর জেলার সভানেত্রী নির্বাচিত হন নীলিমা। ১৯৭৬ সালে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিএভিএস কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন তিনি। ১৯৮০ সালে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রনে জন্য প্রফেসর ফিরোজা বেগমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ফর ম্যাটারনাল এন্ড নিওনেটাল হেলথ (বামানেহ) এর টঙ্গী থানার সভানেত্রী হিসেবে নীলিমা দেশের মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর জন্য গাছা ও টঙ্গী এলাকায় ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি টঙ্গী থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তার পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত দুঃখ ও আপসোস করে জানান, প্রায় দুই বছর ধরে শয্যাশায়ী হয়ে দুর্বিসহ জীবন যাপন করলেও কোন মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধের সপক্ষের কেউ নীলিমাকে দেখতে আসেননি। অথচ দুই বছর আগেও সামাজিক কর্মকান্ডে নীলিমার ছিল সরব উপস্থিতি। দীর্ঘ দিন ধরে সামাজিক পরিমন্ডলে তার অনুপস্থিতির কারণও কেউ জানতে আসেননি। সেকারণে কোন উপায় না পেয়ে ব্যয় বহুল চিকিৎসা করার মত সেই সামর্থ তাদের নেই বিধায় এই মুক্তিযোদ্ধা দম্পত্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের মাননীয় মুক্তিযোদ্বা মন্ত্রী সহ দেশবাসির সহযোগিতা কামনা করেছেন।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মিষ্টির দোকান ও খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান॥ ওজনে কারচুপি ও নোংরা পরিবেশ থাকার অভিযোগে লাখ টাকা জরিমানা


মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
মিষ্টির দোকান ও খাবার হোটেলে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারনা করে ওজনে কারচুপি এবং দোকানে নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরী এবং খাবার হোটেলে নোংরা পরিবেশ থাকার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।গতকাল বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের বংশাই রোডে এ অভিযান পরিচালিত হয়।এর আগে বুধবার উপজেলা সদরের পুরাতন বাস স্ট্রেশন এলাকায় খাবার হোটেলে এবং পাকুল্যা বাস স্ট্রান্ড এলাকায় মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ইসরাত সাদমীন জানিয়েছেন।
আজ শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ইসরাত সাদমীন জানান,গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা সদরের বংশাই রোডের মা মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ চারটি দোকানে অভিযান চালিয়ে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হোটেল পরিচালনা করার অভিযোগে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এর আগে পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় হোটেল পরিতোষসহ কয়েকটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে নোংরা পরিবেশ থাকায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়।গত বুধবার পাকুল্যা বাজারে অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযোগ রয়েছে পাকুল্যা এলাকায় অধিকাংশ মিষ্টির দোকানে দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসায়ীরা গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারনার মাধ্যমে ওজনে কারচুপি করে আসছে।বুধবার মির্জাপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমান আদালত পাকুল্যা বাজারের বিভিন্ন মিষ্ট্রির দোকানে অভিযান চালায়।অভিযানের সময় নোংরা পরিবেশে মিষ্ট্রি তৈরী এবং ওজনে কারচুপির ঘটনার সত্যতা পেয়ে টাঙ্গাইল মিষ্ট্রির সমাহার, টাঙ্গাইল মিষ্ট্রি মুখ,শ্রী শ্রী লক্ষ্যি নারায়ন মিষ্ট্রি ভান্ডার, টাঙ্গাইল জয়দুর্গা মিষ্ট্রান্ন ভান্ডারসহ ছয় দোকানদারকে ভোক্তা অধিকার আইনে প্রায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
এদিকে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মির্জাপুর উপজেলা সদরের হাসপাতাল রোড, বংশাই রোড, জামুর্কি, দেওহাটা, মহেড়া, ফতেপুর, বানাইল, ওয়ার্মি, আনাইতারা, ভাদগ্রাম, ভাওড়া, বহুরিয়া, গোড়াই, লতিফপুর, তরফপুর, আজগানা ও বাঁশতৈল ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজারে এই কায়দায় প্রতারক চক্রের সদস্যরা মিষ্ট্রির দোকান সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরী ও ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারনা করে ওজনে কারচুপি করে দেদারসে ব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচার ইসরাত সাদমীন জানিয়েছেন, রমজানের প্রথম দিন থেকে অভিযান শুরু হয়েছে।পর্যায়ক্রমে প্রতিটি হাট-বাজারের মিষ্টির দোকান ও খাবার হোটেলে অভিযান চালানো হবে।প্রতারনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

জিয়াউর রহমান ছিলেন রাষ্ট্রের ভাগ্যপরিবর্তনের নায়ক -মসিউর রহমান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাড. এস.এম. মশিয়ুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি মসিউর রহমান। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আব্দুল মালেক, এম.এ.মজিদ, আক্তারুজ্জামান, জাহিদুল ইসলাম, কামাল আজাদ পান্নু, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, এ্যাড. আব্দুল আলিম, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, আশরাফুল ইসলাম পিন্টু, জাহাঙ্গীর হোসেন, শাহজাহান আলী, জিয়াউল ইসলাম ফিরোজ, আহসান হাবিব রনক, মীর ফজলে এলাহী শিমুল, আরিফুল ইসলাম আনন সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় বিএনপি তার অংগ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান অতিথি মসিউর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন রাষ্ট্রের ভাগ্য পরিবর্তনের নায়ক। এই জন্যই প্রতিপক্ষরা বিএনপি এবং জিয়াউর রহমানকে সহ্য করতে পারে না। তারা জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলতে চায়। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নাম ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে আছে। তিনি আরও বলেন যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।

আজমিরীগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত,আহত ৪,আটক ১


ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥॥
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৪ জন। আশংকাজনক অবস্থায় আহতদের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয। পরে তাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. কাজল মিয়া (৫৫) এবং একই গ্রামের বাসিন্দা মো. উস্তার খাঁ (৬০) এর মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় আজমিরীগঞ্জ পৌর এলাকার মুন সিনেমাহলের অদূরে টমটম স্ট্যান্ডে মো. উস্তার খাঁ’র পুত্র জয়নুল খাঁ (২৩) ও একই এলাকার কাজল মিয়ার বড়ভাই মৃত জহুর মিয়ার পুত্র মো. আবিদুর রহমান (২০) টমটমের সামনের আসনে বসা নিয়ে প্রথমে বাক-বিতন্ডা হয়। পরে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের উপক্রম হলে আশপাশের লোকজন এসে তাদের শান্ত করেন। এ ঘটনার জের ধরে দুপুর ২টায় মো. কাজল মিয়ার পুত্র অলিউর রহমান (৩০) এর নেতৃত্বে প্রায় ১২ থেকে ১৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উস্তার খাঁ’র বাড়িতে অতর্কি হামলা চালায়। এ সময় জয়নুল খাঁ বাড়ির আঙ্গিনায় খরের গাদা তৈরীতে ব্যস্ত ছিল। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে বেধরক মারপিট করে। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও ৪ জন আহত হয়েছে। তারা হলেন- মো. উস্তার খাঁ (৬০), স্ত্রী মোছা. নকূল বিবি (৫৫), ছেলে মো. ময়েল খাঁ (৩৫) মেয়ে তাহমিনা বেগম (২৫)। তাদের অবস্থা অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়েল ও তাহমিনাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অহিদুর রহমান পিপিএম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মো. বাচ্চু মিয়াকে (৫০) আটক করেন।

পত্নীতলায় ১৪ বিজিবি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা  (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ ১৪ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)র আয়োজনে ১৪ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)র সদর দপ্তর পত্নীতলায়  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল শেষে নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়।
১৪ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) পত্নীতলায়  অধিনায়ক কর্ণেল আলী রেজা এর সভাপতিত্বে উক্ত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)র রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল গাজী মুহাম্মদ সাজ্জাদ, এসপিপি, পিএসসি।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিউজ্জামান ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার (ভূমি) পত্নীতলায় আব্দুল করিম, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি পত্নীতলায় থানার এসআই শহীদ, পত্নীতলায় প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মনিবুর রহমান গোল্ডেন, রাজশাহী সেক্টরের অধীনস্থ ব্যাটেলিয়ন কমান্ডারগন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন, বিজিবি জোয়ান, সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ প্রমূখ। দোয়া ও ইফতার মাহফিল শেষে এক বিশেষ নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়।

শায়েস্তাগঞ্জে পারাবত ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাত্রা বিলম্ব

ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥॥ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী আন্তনগর পারাবত ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ৩ ঘন্টা যাত্রা বিলম্ব হয়েছে। পরে অন্য একটি ইঞ্জিনের সহযোগীতায় ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বুধবার (৩১ মে) দুপুর ২ টার দিকে সিলেটের উদ্দ্যেশে ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ ছাড়ে। এর আগে সকাল ১১ টার দিকে ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জে যাত্রাবিরতী কালে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এতে অনেক যাত্রী ট্রেনের বিলম্ব দেখে সড়ক পথে যাত্রা করে গন্তব্যে যায়। শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশন মাস্টার মো.জাহাঙ্গীর আলম জানান, পারাবত ট্রেনটি যাত্রাবিরতীকালে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। অনেক চেষ্টার পরও সচল না হওয়ায় আখাউড়া থেকে এনে আরেকটি ইঞ্জিনের সহযোগীতায় ট্রেনটি সিলেট ছেড়ে যায়।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org