Category: বিভাগীয় সংবাদ

নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

জুয়েল রানা লিটন, নোয়াখালী প্রতিনিধি:
মিয়ানমারে নির্বিচারে মুসলিম নিরীহ, নিরপরাধী নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, নিপীড়ন, পুড়িয়ে হত্যা, গণধর্ষণ ও লুণ্ঠনের প্রতিবাদে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী ছাড়া সুশীল সমাজের লোকজন অংশগ্রহণ করেন। সাংবাদিক ইউনিয়নের আহবায়ক এডভোকেট মো.হানিফের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আকাশ মো. জসিমের পরিচালনায় এ সময় সাংবাদিকদের মধ্যে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জামাল হোসেন বিষাদ, লায়ন মো. শাহ আলম ও সাংবাদিক ইউনিয়ের যুগ্ন আহবায়ক নাসির উদ্দিন শাহ নয়ন বক্তব্য রাখেন। এতে সাংবাদিকদের মধ্যে দ্বীপ আজাদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুলতানুর রহমান মান্না (ডেইলী অবজারভার), সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সচিব জুয়েল রানা লিটন, বোরহান উদ্দিন সবুজ, মো. শাকিল, আ ন ম হোসাইন উদ্দিন, মো. আনোয়ার হোসেন (দৈনিক দিশারী), মোতাহের হোসেন বাবুল প্রমূখ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা মিয়ানমারে সামরিক জান্তা কর্তৃক নিরীহ নিরপরাধী মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর বর্বরোচিত ও পৈশাচিক কায়দায় পুড়িয়ে ও কুপিয়ে হত্যা, নির্যাতন, গণধর্ষণ, পৈশাচিক ও নারকীয়তার ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তারা বাংলাদেশ সরকারকে মানবতার কল্যাণে এ গণহত্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোরও আহবান জানান। একইসাথে জাতিসংঘকে অবিলম্বে নিপীড়িত ও নির্যাতিত এ জনগোষ্ঠীর পাশে মানবতার হাত প্রসারিত করার আবেদন করেন।

পীরগঞ্জে ২৯ কোটি টাকার কাজ ১৯ কোটি টাকায়! দুর্নীতি, নিম্মমানের সামগ্রী ব্যবহার, ধ্বসে যাচ্ছে সড়ক!

মামুনুররশিদ মেরাজুল, পীরগঞ্জ (রংপুর) থেকে ঃ
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে সাদল্লাপুর-মাদারগঞ্জ-পীরগঞ্জ-নবাবগঞ্জ সড়কের বর্ধিতকরণ ও কার্পেটিংয়ের শেষ না হতেই সড়কটির অনেক অংশে ফাঁটল ধরেছে, ধ্বসেও গেছে। সড়কটির টেন্ডারে প্রাক্কলিত মুল্য ছিল প্রায় ২৯ কোটি টাকা। কিন্তু সেটি প্রায় ১০ কোটি টাকা কমে ১৯ কোটি টাকায় কাজটি করায় শুরু থেকেই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার ও কাজে ঘাপলার ফলে সড়কের বেহালদশা হয়েছে। রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ইতিমধ্যেই উল্লেখিত সড়কটির ৮৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন দেখিয়েছে।
রংপুর সওজ সুত্র জানায়, রংপুর সড়ক জোনের অধীনে গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার সাদুল্লাপুর-মাদারগঞ্জ-পীরগঞ্জ-নবাবগঞ্জ সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীতকরনে এডিপি’র অর্থায়নে ২ টি গ্রুপে ৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। ১নং গ্রুপে ১ কি. মি থেকে ২৪ কি. মি এবং ২নং গ্রুপে ২৪ কি. মি থেকে ৪৫ দশমিক ৩’শ কি. মি পর্যন্ত এলাকা বলে জানা গেছে। ওই টেন্ডারে উল্লেখিত সড়কের উভয়পার্শে¦ বর্ধিতকরণ, সাববেজ (খোয়া-বালির মিশ্রন), বেষ্ট টাইপ-১ (পাথর-বালির মিশ্রন) ও কার্পেটিংয়ের কাজ হওয়ার কথা। ২নং গ্রুপে ২১ দশমিক ৩’শ কি. মি সড়কের কাজে প্রাক্কলিত মুল্য ছিল প্রায় ২৯ কোটি টাকা। সড়কটির পীরগঞ্জের উজিরপুর থেকে ওয়াজেদ ব্রীজ পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কি. মি এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত ৭ দশমিক ৮’শ কিমি রয়েছে। সড়কটির উভয়পাশে ৯ কি. মি বর্ধিত করে মোট ১৮ ফুট প্রশস্ত করা হবে। ওই সড়কের দুটি গ্রুপে দাখিলকৃত টেন্ডারে বিধি উপেক্ষা করে ১০ শতাংশের বেশী নি¤œ দর দেয়ায় ১নং গ্রুপের টেন্ডার বাতিল করে সেটির রি-টেন্ডার করা হয়েছিল। কিন্তু ২নং গ্রুপে প্রায় ২৩ শতাংশ নি¤œ দরে টেন্ডার দাখিল করা হলেও সেটির রি-টেন্ডার না করে বিশেষ কারণে ময়মনসিংহের মেসার্স শামীম এন্টারপ্রাইজকে (সাদল্লাপুর-মাদারগঞ্জ-পীরগঞ্জ-নবাবগঞ্জ সড়কের ২নং গ্রুপে ২৯ কোটি টাকা) কার্যাদেশ দেয়া হয়। এ নিয়ে রংপুরে ঠিকাদারদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। মেসার্স শামীম এন্টারপ্রাইজ কাজটির কার্যাদেশ পাওয়ার পর থেকেই নি¤œমানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার, কাজে ঘাপলাসহ নানান অনিয়মের আশ্রয় নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে রংপুর সওজ’র তত্ত্বাবধানে ২নং গ্রুপে সড়কটিতে কার্পেটিংয়ের কাজ চললেও মোনাইল মোড়ের পশ্চিমে, ছাতুয়া গ্রামে, টিওরমারী (মানিক মন্ডলের পুকুর সংলগ্ন) সহ অনেক স্থানে সড়কে ধ্বসে গেছে, ফাঁটলও ধরেছে। ওই কাজের ব্যাপারে হরিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলালুর রহমান, মোনাইল (জয়নন্দনপুর) শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন বলেন, ঠিকাদার শুরু থেকেই কাজে ঘাপলা করায় আমরা অভিযোগ করলে ওই ঠিকাদার অফিসের কর্তাবাবুদেরকে ম্যানেজ করে সড়কের কাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র জানায়, ২নং গ্রুপের ২৯ কোটি টাকার কাজটিতে প্রায় ২৩ শতাংশ নি¤œদরের কারণে মোট ৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কমে ২২ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় কাজটির মুল্য দাঁড়ায়। এরমধ্যে ১৩ শতাংশ টাকা ভ্যাট-ট্যাক্স বাদ দেয়ায় আরও ২ কোটি ৯০ লাখ ২৯ হাজার টাকা কমে গিয়ে ১৯ কোটি ৪২ লাখ ৭১ হাজার টাকা হয়। প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা দিয়েই ২৯ কোটি টাকার সমমানের কাজ করতে হবে। এরমধ্যেও রংপুর সওজ এর অফিস খরচ ২ পারসেন্ট রয়েছে বলে সুত্রটি দাবী করেছে। যা উৎকোচ হিসেবে পরিগণিত। ওই উৎকোচের পরিমানও প্রায় ৩৯ লাখ টাকা। এ সব খরচ মিটিয়ে ঠিকাদারকে লাভ কিংবা ২৯ কোটি টাকা সমমানের কাজ সওজ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিতে হবে বলে সুত্রটি জানিয়েছে।
সুত্রটি আরও জানায়, বেষ্ট টাইপ-১ কাজের ক্ষেত্রে পাথর এবং বালির মিশ্রনের পরিমান ৭ অনুপাত ৩। কিন্তু এর উল্টো অনুপাতে পাথর-বালি মিশ্রন করে সড়কে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাববেজ এর ক্ষেত্রে খোয়া-বালিও ৭ অনুপাত ৩। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি ওই অনুপাতের ক্ষেত্রেও উল্টোটা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেইসাথে সড়কের উয়পাশে বর্ধিতকরণের অংশ ভালভাবে রোলারিং না করায় অনেকস্থানে দেবে যাওয়ায় ওইসব স্থানে পানি জমে আছে। কাজটির তদারকি কর্মকর্তা রংপুর সওজ’র উপসহকারী প্রকৌশলী এখলাস হোসেন জানান, প্রায় ২৩ পারসেন্ট লেস (নি¤œদর), ভ্যাট-ট্যাক্স বাদ দিয়ে ১৯ কোটি টাকায় কাজ হলেও চুক্তি অনুযায়ীই ঠিকাদারকে কাজ করতেই হবে। আমরা যথাযথভাবে কাজ বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছি। কাজের মান অবশ্যই ভাল হচ্ছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা কম হলেও কিভাবে এই কাজ সম্পন্ন করবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঠিকাদারের হয়তো লাভ থাকবে না। তবে এতে কোয়ানটিটি আর কোয়ালিটির ঘাটতি হবে না। তিনি আরও বলেন, পিপিআর এর নিয়ম অনুযায়ী সর্বনি¤œ রেসপনসিভ দরদাতাকে কাজ দেয়া হয়। এতে আমাদের করার কিছুই নেই। রংপুর সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম খান বলেন, আমি শুনেছি, বেশকিছু স্থানে সড়কটি ধ্বসে গেছে। এখনো কাজ চলছে। ঠিকাদার ঠিক করে দিবে। যেভাবেই কাজ হোক, সড়কটির ৩ বছর ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড রয়েছে। এরমধ্যে সড়কের কোন ক্ষতিসাধিত হলে ঠিকাদারকেই মেরামত করে দিতে হবে। পীরগঞ্জের একজন প্রথম শ্রেনীর ঠিকাদার নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ২৩ পারসেন্ট লেস আর অন্যান্য খাতের যে খরচ হয়েছে। তাতে ঠিকাদারকে অবশ্যই দুর্নীতির আশ্রয় নিতে হয়েছে। যে কাজ হয়েছে, তা বলার মতো না। নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার আর ফাঁকি দেয়ায় সড়ক ধ্বসে যাচ্ছে।

রাণীনগরে চুরির অপবাদে কিশোরকে নির্যাতন ॥ কিশোর উদ্ধার ও গ্রেফতার ১

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে মো: শরিফুল মোল্লা (১৫) নামের এক কিশোরের ওপর চুরির অপবাদ দিয়ে দুই পায়ের বৃদ্ধা আঙ্গুলে সুঁচ ঢুকিয়ে, পায়ের পাতায় সুঁচ ফুটিয়ে ও দঁড়ি দিয়ে বেঁধে প্রায় ১৬ ঘন্টা ধরে দফায় দফায় মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে। পুরো শরীরে মারাত্মক জখম ও আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।
পা ধরে অনুনয় বিনয় করার পরও তাকে ছেড়ে দেয়া হয়নি। শুক্রবার দুপুরের পর থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার কালীগ্রাম মুন্সিপুর গ্রামে এ নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটেছে। কিশোর শরিফুল মোল্লা উপজেলার কালীগ্রাম ইউপি’র কালীগ্রাম মুন্সিপুর গ্রামের প্রবাশি জামাল উদ্দিন আকন্দের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কিশোরকে উদ্ধার না করেই থানায় ফিরে আসে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী পুলিশের এ বিষয়টিকে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। শরিফুল নওগাঁ সদর হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিভাগে শিশু ওয়ার্ডের ৩৬ নং বেডে নির্যাতনের যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে ও ছটফট করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০-১২ দিন আগে মো: আব্দুল খালেকের বাড়ি থেকে কিছু টাকা ও সোনা কেবা কাহারা নিয়ে যায়। গত শুক্রবার দুপুরে শরিফুল মোল্লা বাড়ির পাশে মসজিদে ছিল। প্রতিবেশী আব্দুল খালেক কাজ আছে বলে শরিফুলকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। শরিফুলকে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর বাড়ির দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর হাজী আক্কাস আলী, তার ছেলে জিয়ারুল ও টিপুকে বাড়িতে ডেকে নেয় খালেক। খালেক টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে শরিফুলের শরীরে বিভিন্ন স্থানে লাঠি ও রড দিয়ে তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এরপর গলায় গামছা পেচিয়ে ৪-৫ মিনিট ধরে টানা হেচড়া করে এবং শ্বাস রোধ করার চেষ্টা করে। শরিফুলের দুই ডানা পিঠ মোড়া দিয়ে পিছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে ৭-৮ জন মিলে লাঠি দিয়ে নির্যাতন করে। চিৎকার চেঁচামেচি করায় কৌশলে শরিফুলকে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলের ধারে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে কয়েক দফা নির্যাতন চালানো হয়। প্রতিবেশিরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদেরকে মারপিট করার জন্য নিষেধ করে। এ বিষয়টি তার মা আয়েশাকে জানানো হলে ছুটে যান সেখানে। তাদের হাত পা ধরেও কোন কাজ হয়নি। এরপর থানা পুলিশে সংবাদ দেন শরিফুলের মা আয়েশা। তখন রাত ৮টা। পুলিশের এসআই শফিকুর রহমান ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর শরিফুলকে উদ্ধার না করে রহস্যজনক ভাবে থানায় ফিরে আসেন। রাতে কিশোরকে খালেকের বাড়িতে রাখা হয় এবং আবারও নির্যাতন চালানো হয়।
গত শনিবার সকালে মা আয়েশা থানায় আসেন এবং পুলিশের কাছে কান্নাকাটি করেন। সারাদিন গেলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। অবশেষে রাত ৮টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পুনরায় গিয়ে কিশোর শরিফুলকে উদ্ধার করে এবং রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ সময় ঘটনার মুল হোতা আব্দুল খালেককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রবিবার সকালে নওগাঁ সদর হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিভাগে ভর্তি করানো হয়।
নির্যাতনে সিকার শরিফুল বলে, কাজ করে নিবে বলে খালেক আমাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে চারজন মিলে কয়েক দফা মারপিট করে। খালেক বলে তুই আমার ২০ হাজার টাকা কখনো বলে ৫০ হাজার এবং সোনাদানা চুরি করেছিস। তার টাকা কবে হারিয়েছে সেটাও আমি জানিনা বা চুরি করিনি।
শরিফুলের মা আয়েশা বলেন, মারপিটের কারণে আমার ছেলে রক্ত বমি করে। তাদেরকে আমি হাত-পা ধরেছি ছেলেকে ছেড়ে দেয়ার জন্য। তারপরও আবার নির্যাতন চালিয়েছে। প্রথম দিনে পুলিশকে জানানো হলেও পুলিশ আমার ছেলেকে উদ্ধার না করে চলে আসে। আমার ছেলেকে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

কালিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে শরিফুলের হাত বাধা অবস্থায় দেখি। তার শরীরে নির্যাতনের চিহ্নি দেখা যাচ্ছিল। তাদেরকে বলার পর তারা হাতের বাধন খুলে দেয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সেখানে পুলিশ গিয়েছিল এবং ফিরে এসেছে। আমি নিজে ডাক্তার নিয়ে এসে তার চিকিৎসা করিয়েছি। তবে গত শনিবার রাতে পুলিশ আবার গিয়ে ছেলেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। তবে ছেলেটি চুরি করেছে কিনা এ বিষয়টি জানা নেই।
রাণীনগর থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) শফিকুর রহমান বলেন, ওই এলাকায় একজন আসামীকে আটক করতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি জানার পর ওসি স্যারকে জানিয়েছি। তবে ঘটনাস্থলে গত শুক্রবার আমি যায়নি। পরের দিন শনিবার কিশোরের মাকে সঙে নিয়ে গিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।
রাণীনগর থানার ওসি মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত প্রধান আসামী আব্দুল খালেককে গত শনিবার আটক করা হয়েছে। ছেলের মা আয়েশা বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে আব্দুল খালেককে প্রধান আসামী করে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গত রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয় ও অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যহত রয়েছে। তবে পুলিশের দায়িত্বহীনতার বিষয়টিতে অস্বীকার করে বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পরই ঘটনাস্থল থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

জাতীয় শোক দিবসের বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুকে যারা নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল তারা আজ রাজনীতিতে গণবিচ্ছিন্ন

স্বাধীনতার পরাজিত দোসররা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যদিয়ে বাঙ্গালীর স্বাধীনতার স্বপ্ন নস্যাত করতে পারবে। কিন্তু স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয়না আর তেমনি বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ হয়না। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ । স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলে এবং নিশ্চিহ্ন করতে পারলে স্বাধীনতা ভূল›িঠত হবে। বঙ্গবন্ধুকে যারা নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল তারা আজ রাজনীতিতে গণবিচ্ছিন্ন। জাতীয় শোক দিবসের বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ মানবাধিকার এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে আজ ২৭ আগষ্ট‘১৭ বিকাল ৪ টায় নগরীর কোর্ট হিলস্থ কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক এডভোকেট কামরুন নাহার বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট রতন কুমার রায়। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড: জিনবোধি ভিক্ষু,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রকৌশলী সঞ্জয় কুমার দাশ, সহ-সভাপতি এডভোকেট শিখা চক্রবর্ত্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট লুৎফুন নাহার, এডভোকেট সুভাষ বড়–য়া, সদস্য স.ম.জিয়াউর রহমান, সি আর বিধান বড়–য়া, এডভোকেট মুজিবুর রহমান।সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যদিয়ে মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুণঃরায় ক্ষমতায় আনতে কাজ করতে হবে।

রাজাপুর প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

\
রেজাউল ইসলাম ফরাজী রাজাপুর (ঝালকাঠী) থেকে: ঝালকাঠির রাজাপুরে বরগুনার বেতাগী উপজেলার করুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিল্পী রানী মৃধার উপর সন্ত্রাসী কর্তৃক ন্যাক্কার জনক নির্যাতনের প্রতিবাদে ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধন শেষে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করা হয়। উপজেলা শিক্ষক সমিতির আয়োজনে গতকাল রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলা পরিষদের সামনের রাস্তায় আধঘন্টা ব্যাপি এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আজিজুল হক বাদশা, সাধারন সম্পাদক মাহমুদা খানম, উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ফরিদ উদ্দিন আকন, জেসমিন সিকদার ও জাকির হোসেন প্রমূখ। এসময় উপজেলার প্রাথামিক বিদ্যালয়ের সহকরী শিক্ষক-শিক্ষিকারা এ মানববন্ধনে অংশ নেয়।

তিস্তায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ অর্থ ও ধানের চারা বিতরন

মহিনুল ইসলাম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধি॥
নীলফামারীর ডিমলায় শনিবার দুপুরে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে তিস্তার বন্যার ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ টাকা ও ধানের চারা বিতরণ করা হয়েছে। তিস্তার বন্যায় ভাঙ্গনে বসতভিটা বিলিন হওয়া ১৮৩টি পরিবারকে এক হাজার টাকা করে ও ৬০ জন প্রান্তিক কৃষককে বিনাশাইল ধানের চারা বিতরন করেন নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার।
টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে এ সময়ে বক্তব্য রাখেন, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুজিবুর রহমান, জেলা ত্রান ও দুযোগ কর্মকর্তা এটিএম আখতারুজ্জামান, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, খালিশা চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ঝুনাগাছ চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, খগাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন, টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আ”লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মিয়ার উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় তিনি টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন করেন।

মাগুরায় সহিংসতার শিকার নবেলা বেগমকে ব্র্যাকের প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান

Exif_JPEG_420

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা সদর উপজেলার জগদল ইউনিয়নের রুপাটি গ্রামের সহিংসতার শিকার নবেলা বেগমকে জেলা ব্র্যাকের পক্ষ থেকে গত বুধবার মাগুরা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে ।
এ সময় মাগুরা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস , জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি রোকেয়া বেগম , ব্র্যাকের ত্রিদিব গোলদার ডিএম, মহিলা দপ্তর সালমা খাতুন , লাবনি রায় ওসিসি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
উল্লেখ্য, নবেলা বেগমের শ্বাশুরি গোপনে বসতভিটা বিক্রি করে দিলে নবেলার স্বামী বসতবাড়ি ফেরত পাওয়ার জন্য আমানত দায়ের করে । এ জন্য গত ১৩ আগস্ট এলাকার আমিনুর ইসলাম ,রেজাউর , কবির হোসেন পুলিমের ছদ্মবেশে জানু ও নবেলাকে ধরেবেধড়ক মারধর ,শারীরিক নির্যাতন করে এবংযৌনাঙ্গে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে । পরে তাকে আহত অবস্থায় মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে ।

সাঘাটায় ডেপুটি স্পীকারের নামে ফেসবুক: কলেজছাত্র আটক


আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাঘাটায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার- আলহাজ্ব এ্যাড. ফজলে রাব্বী মিয়ার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি চালানোর অভিযোগে শাকিল আহম্মেদ (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বোনারপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।শাকিল বোনারপাড়া ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের রাজিউল ইসলামের ছেলে। সে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অনার্স (ব্যবস্থাপনা) প্রথম বর্ষের ছাত্র। বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ- এসআই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শাকিল ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার নামে (ফজলে রাব্বী ভেলু মিয়া, ডেপুটি স্পিকার) উল্লেখ করে ফেসবুক আইডি খুলে তা ব্যবহার করছে। আইডিতে ফজলে রাব্বী মিয়ার ছবির সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিও ব্যবহার করছে। ঐ আইডি থেকে শাকিল বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় পোস্ট দিতো। এ ব্যাপারে মাননীয় ডেপিটি স্পীকার মহোদয় ডিএমপিতে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এই জিডির প্রেক্ষিতে আটককৃত শাকিলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদ-
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধায় স্ত্রী রোজিনা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী সবুজ মিয়ার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদ-াদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ- রাশেদা সুলতানা।
বুধবার বিকেলে পূর্ব ঘোষিত ধার্য তারিখ অনুপাতে শুনানীকালে এ রায় দেন তিনি। দ-িত সবুজ মিয়া জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলর দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসীন্দা। বিগত ২০০৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে ঝগড়া- বিবাদের একপর্যায়ে সবুজ মিয়া স্ত্রী রোজিনা বেগমকে ছুরিকাঘাত করে। এতে গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর রোজিনা মারা যায়। মামা জাহাঙ্গীর আলম থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত এ রায় ঘোষণা দেন। ঘোষিত রায়ে নিহত রোজিনার স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

সুন্দরগঞ্জে স্কাউটস্’র ত্রাণ বিতরণ

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্কাউটস্’র সভাপতি- এসএম গোলাম কিবরিয়া। এ সময় ছিলেন-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার- মাহমুদ হোসেন মন্ডল, যুব উন্নয়ন অফিসার- ইউসুফ ভুইঞা, সমাজ সেবা- অফিসার গোলাম আযম, উপজেলা শাখা স্কাউট কমিশনার ও প্রধান শিক্ষক শাহজাহান মিঞা, জেলা স্কাউট সহকারি কমিশনার ও প্রধান শিক্ষক- জিন্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

ফুলবাড়ীয়ায় ঈদগাহের গম্বুজ ধ্বসে ছাত্রের মৃত্যু

ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ ফুলবাড়ীয়ায় ঈদগাহ মাঠের গম্বুজ ধ্বসে স্বাধীন (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কালাদহ ইউনিয়নের বিদ্যানন্দ নৈমদ্দিন বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। স্থানীয় জানায়, স্বাধীন প্রতিদিনের ন্যায় বিদ্যানন্দ নৈমদ্দিন বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোচিং করার জন্য আসে। কোচিং এর বিরতির ফাঁকে রাত ৮টার দিকে বিদ্যালয় ঈদগাহ মাঠের পুরাতন গম্বুজের নিচে কয়েকজন সহপাঠি নিয়ে আড্ডা দেওয়ার সময় হঠাৎ গম্বুজটি স্বাধীনের বুকের ধ্বসে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বাধীনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। স্বাধীন বিদ্যানন্দ গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন ফকির এর ছেলে আছিম বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র ছিল বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ীয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের বলেন ঘটনাটি শুনেছি তবে এ ব্যাপারে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ যোহর জানাযা শেষে স্কুল ছাত্রের লাশ পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org