বিনোদন

 

বিয়ের আগে গর্ভবতী হওয়া যায় না এমন ধারণা ধীরে ভেঙ্গে যাচ্ছে উপমহাদেশীয় সমাজে। আর এই প্রথা ভাঙ্গার খেলায় অগ্রগামী হলেন তারকারা।

আরও নির্দিষ্ট করে বললে বলিউড তারকারা। বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন এমন কয়েকজন বলিউড অভিনেত্রীদের সম্পর্কে জেনে নিন:

শ্রীদেবী : শ্রীদেবী হলেন বলিউডের একমাত্র নায়িকা যিনি খোলাখুলি স্বীকার করেছেন যে তিনি বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে বনি কপূরের সঙ্গে যখন শ্রীদেবীর বিয়ে হয় তখন তিনি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এই হিসেব থেকে অনেকেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে ছিলেন, যখন বনির সন্তানের গর্ভধারণ করেন‌ শ্রীদেবী তখনও বনি তার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেননি। বনি-শ্রীদেবীর বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের বড় মেয়ে জাহ্নবীর জন্ম হয়।

কঙ্কনা সেন শর্মা : বেশ কয়েক বছর অভিনেতা রণবীর শোরের সঙ্গে প্রেমপর্ব চলার পর ২০১০-এ দুজনে বিয়ে করেন। এদিকে বিয়ের ঠিক পরেই ২০১১ সালের শুরুর দিকে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন কঙ্কনা। এই থেকে বলিউডে আলোচনা শুরু হয়ে যায়, বিয়ের আগে থেকেই হয়তো অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন কঙ্কনা। তবে এই বিষয়টি কঙ্কনা নিজে কখনও স্বীকার করেননি।

আনুশকা শঙ্কর : রবিশঙ্করের মেয়ে আনুশকা শঙ্করও বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন।

নীনা গুপ্তা : ক্রিকেট কিংবদন্তি স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল নীনা গুপ্তার। বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন নীনা গুপ্তা। তাদের মেয়ের নাম মাসাবা।

সারিকা : অভিনেত্রী সারিকার সঙ্গে কমল হসানের ভালবাসার সম্পর্ক যখন শুরু হয় তখনও কমলের সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী-এর বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। এই সময়েই সারিকা কমলের সন্তান গর্ভে ধারণ করেন। এই সন্তানই বর্তমানের বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রুতি হসান।

বীণা মালিক : নানা কারণে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিতর্কের কেন্দ্রে থেকেছেন। তার সন্তানধারণের বিষয়টি নিয়েও নানা কথা শোনা যায়। সেগুলির মধ্যে একটি হল, দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময়েই গর্ভবতী ছিলেন বীণা। এমনকি লোকে এমন কথাও বলে যে, এই সন্তানের প্রকৃত পিতা নাকি বীণার প্রাক্তন এক প্রেমিক।

মহিমা চৌধুরী : ববি মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করার আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী মহিমা চৌধুরী। তার আগে বেশ কিছু তারকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। তবে ববির সঙ্গে মহিমার বিয়ের খবরটা আচমকাই প্রকাশ পায়। আর ববিকে বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই এক কন্যা সন্তানের মা হন মহিমা।

সেলিনা জেটলি : দুবাইয়ের হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগের সঙ্গে বেশ কয়েকবছর প্রেমপর্ব চলার পরে সেলিনার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় ২০১১-র জুলাইয়ে। পরের মার্চেই যমজ সন্তানের মা হন সেলিনা।

অমৃতা অরোরা : ব্যবসায়ী শাকিল লাদাকের সঙ্গে অমৃতার বিয়ে হয় অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এবং গোপনে। বিয়ের কয়েকমাস পরেই সন্তানের জন্ম দেন অমৃতা। স্বভাবতই গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় যে, অমৃতা হয়তো বিয়ের আগে থেকেই গর্ভবতী ছিলেন।

বিয়ে করা ছিল বড় ভুল: অপু বিশ্বাস

: আপনার জীবনের বড় ভুল কী?

: বিয়ে করা। এত অল্প বয়সে বিয়ে করা আমার উচিত হয়নি। আরেকটু ভেবেচিন্তে, জেনে বুঝে তবেই বিয়ে করা উচিত ছিল। সরকার সবার বিয়ের জন্য বয়স নির্ধারণ করে দিয়েছে। এখন বুঝি, এর একটা কারণ আছে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চিন্তা, ভাবনা আর সব কিছুরই একটা পূর্ণতা আসে।

বললেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বিয়ে করা নাকি শাকিব খানকে বিয়ে করা—ভুল কোনটা? তবে এ প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি। আজ বুধবার রাতে জাগো এফএমে সাক্ষাৎ​কার দেন তিনি।

হঠাৎ​ ছেলে আব্রামকে নিয়ে মিডিয়ার সামনে আসা এবং শাকিব খানকে নিজের স্বামী বলে ঘোষণা করা— এর পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল? সঞ্চালক তানভীর তারেকের এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘শাকিব খানের মাথায় ছিল আরও কিছুদিন তার স্ত্রী আর ছেলেকে সবার কাছ থেকে আড়ালে রাখবে। কিন্তু আমি তা চা​ইনি। সেপ্টেম্বর মাসে আমার ছেলের বয়স ১ বছর হবে। দুই দিন আগে ঈদ হলো। সবাই আমাকে আমার ছেলের কথা জিজ্ঞাসা করছে। ঈদে ও কী করেছে, এসব নিয়ে লেখা হচ্ছে। এটা কিন্তু ওর জন্য দোয়া। এই দোয়া থেকে ওকে আমরা কেন বঞ্চিত করব।?’

সংসার  নিয়ে অপু বলেন, ‘একটা সংসারের জন্য দুজন মানুষের মনের মিল থাকা দরকার।’ আরও বলেন, ‘সুখটা অচীন পাখী, তাকে ধরা যায় না।’

মধুচন্দ্রিমা (হানিমুন) নিয়ে অপু বললেন, ‘মধুচন্দ্রিমা সবার জীবনে আসে না। তাদের মধ্যে আমি একজন।’

শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও আব্রাম

শাকিব খান বারবার অভিযোগ করেছেন, তার স্ত্রী অপু একটা চক্রের সঙ্গে মিলে তার ক্ষতি করছে। এ ব্যাপারে অপু বলেন, ‘আমি মোটেও কোনো চক্রের সঙ্গে নেই। আমি কোনো চক্রান্ত করিনি। বরং আমাকে আর আমার ছেলেকে নিয়ে শাকিব চক্রান্ত করেছে।’

সেপ্টেম্বরে আব্রামের প্রথম জন্মদিন। এই দিনটা কীভাবে উদযাপন করবেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দম্পতি? অপু বলেন, ‘আমার আসলে পরিকল্পনা করে কিছু হয় না। যা কিছু হয়েছে, হুট করেই হয়েছে। আর শাকিব নিজের কাজ নিয়ে যা ব্যস্ত। এখনই কিছু বলতে পারছি না।’

জানালেন, ঈদের দিন ​শাকিব ছবির কাছে লন্ডনে ছিলেন। কিন্তু ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে শাকিব খানের বাসায় যান অপু। নিজের শ্বশুর–শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের জন্য রান্না করা খাবার নিয়ে গেছেন। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই বাসায় ছিলেন তিনি। এরপর ননদের বাসায় যান। ননদ আর তার বাচ্চাদের ঈদের উপহার দিয়েছেন। ননদের মেয়ে আব্রামের প্রায় সমবয়সী। ওরা খুব আনন্দ করেছে। একসঙ্গে খেলা করেছে। পুরো ব্যাপারটি উপভোগ করেছেন অপু।

আর স্বামী শাকিবের ব্যাপারে অপু বলেন, ‘ও এখনো সাংসারিক হতে পারেনি। ভয়াবহ ব্যস্ত! ও যেন নিজেকে ভুলে না যায়।’ আর সংসারের জন্য সবাইকে স্যাক্রিফাইস করতে হয়। অপু বললেন, ‘আমিও স্যাক্রিফাইস করছি।’

বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খান। আলোচিত তারকা সন্তানদের মধ্যে তিনি একজন। বাবার পথ ধরে সিনেমায় পা রাখবেন বলে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।এদিকে গতকাল শাহরুখ পত্নী গৌরি খানের ডিজাইন করা একটি রেস্তোরাঁর উদ্বোধন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বেশকিছু তারকা কিন্তু সবার নজর ছিল শাহরুখের মেয়ে সুহানার দিকে।গতকাল ছিল বাবা দিবস। তাই মেয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন শাহরুখ। এ অভিনেতা পরেছিলেন কালো রঙের শার্ট-প্যান্ট। অন্যদিকে সুহানা পরেছিলেন হার্ভে লেগেরের ডিজাইন করা পোশাক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ফটো সাংবাদিকদের ক্যামেরায় মেয়েকে নিয়ে পোজও দেন শাহরুখ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অনিল কাপুর, ফারাহ খান, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, আলিয়া ভাট, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, মালাইকা আরোরা, সুশান্ত সিং রাজপুত, কৃতি স্যানন প্রমুখ।সম্প্রতি ১৭ বছর বয়স পূর্ণ হয়েছে সুহানার। শোনা যাচ্ছে, খুব শিগগির অভিনয় কোর্স করতে লন্ডন যাচ্ছেন সুহানা। তবে শাহরুখ জানিয়েছেন, পড়াশোনা শেষ করে তবেই অভিনয়ে নামবে সুহানা।কিছুদিন আগে সুহানার স্কুলের অনুষ্ঠানে মঞ্চ নাটকের একটি ক্লিপস ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এই ক্লিপস দেখে অভিনেত্রী শাবানা আজমি শাহরুখকে উদ্দেশ্য করে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে লেখেন, ‘লিখে রাখো, সুহানা অনেক ভালো অভিনয়শিল্পী হতে যাচ্ছে। আমি তার অভিনয়ের একটি ছোট ক্লিপস দেখেছি এবং এটি অসাধারণ। তাকে আশীর্বাদ করছি।’এই টুইটের উত্তরে মেয়েকে সাহস জোগানোর জন্য শাবানা আজমিকে ধন্যবাদ জানান শাহরুখ খান।

 

আতিকুর রহমান টুটুল ঝিনাইদহ থেকেঃ ডিশ তথা স্যাটালাইট চ্যানেলের প্রভাব, কাটপিসের দৌরাত্ম, পূঁজি সংকট সর্বোপরী দর্শকের অভাবে ঝিনাইদহ জেলার সিনেমা হলগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। জেলার ৬ উপজেলায় ১৭টি সিনেমা হলের মধ্যে এখন মাত্র ৩টিতে ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। বন্ধ ১৩টি সিনেমা হল ভেঙ্গে বাসাবাড়ি ও বানিজ্যক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এই শিল্পের সঙ্গে প্রায় ৩০০ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগ সুত্রে জানা গেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ৫টি সিনেমা হল ছিল। এরমধ্যে ১৯৫৫ সালে নির্মিত ছবিঘর ও ১৯৭০ সালে তৈরী প্রিয়া সিনেমা হল সবচে বেশি পুরাতন হিসেবে চালু রয়েছে। এরপর রমরমা বাজার ধরতে আশির দশকে গড়ে ওঠে চান্দা, হাটগোপালপুরের হ্যাপী ও ৯০ দশকে তৈরী ডাকবাংলা বাজারের স্বর্ণালী সিনেম হল ২০০৯ সালে এসে বন্ধ হয়ে যায়। জেলার অন্যান্য সিনেমা হলগুলোর মধ্যে রয়েছে হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোধূলী, মল্লিকা, মৌসুমি, প্রিয়ংকা ও রংমহল। কালীগঞ্জ উপজেলায় শ্রী লক্ষি ও ছন্দা সিনেমা হল দুইটি পুঁজি সংকট ও লোকসান সত্বেও কোন রকম টিকে আছে, তবে শ্রীলক্ষি সিনেমা হলটি এখন বন্ধ রয়েছে। কোটচাঁদপুর উপজেলার একমাত্র লাভলী সিনেমা হলটি ২০ বছর আগে বন্ধ হয়ে গেছে। ভবনটি ভেঙ্গে সেখানে বাড়িঘর তৈরী করা হয়েছে। মহেশপুর উপজেলার বিউটি ও দুলারী সিনেমা হল ৩ বছরে আগে দর্শক সংকটে বন্ধ হয়। এছাড়া শৈলকুপা উপজেলায় নুপুর ও কিছুক্ষন সিনেমা হল দুইটি বন্ধ হয়েছে ৭ বছর আগে।  ৪৫ বছর ধরে সিনেমা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ঝিনাইদহ শহরের প্রিয়া হলের ম্যানেজার লুৎফর রহমান লুতু জানান, মুলক নায়ক নায়িকা সংকটের কারণে সিনেমা হলে দর্শকরা আসেনা না। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশের একমাত্র নায়ক সাকিব খান ও দুই নায়িকা সাহারা এবং অপু বিশ্বাসের ছবি ছাড়া দর্শকরা কোরো ছবি দেখেন না। নায়ক মান্নান ইন্তেকালের পর এই ব্যবসা আরো লাঠে উঠেছে বলেও তিনি মনে করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন বর্তমান আর্টিষ্টরা ভাল ভাবে কথাই বলতে পারেন না। এ জন্য দর্শকরা সিনেমা হল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেন ডিপজলের ছবি এখন আর চলে না।তিনি জানান সিনেমা ব্যবসা ফ্লপ হওয়ার পেছনে প্রথমত দায়ী অশ্লিল ছবি. এরপর রয়েছে আকাশ সাংস্কৃতির প্রভাব ও নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির দৌরাত্ম। আকাশ সাংস্কৃতির বদৌলতে একটি পরিবার ঘরে বসেই সব ছবি দেখতে পাচ্ছেন। তারা কি আর সিনেমা হলে আসেন, প্রশ্ন রাখেন প্রবিন সিনেমা ব্যবসাী লুতু। তিনি জানান ঝিনাইদহ জেলায় ১৭টি সিনেমা হল ছিল। এখন ঝিনাইদহের দুইটি ও কালীগঞ্জ উপজেলা শহরে একটি মিলে সর্বমোট ৩টি সিনেমা হল চালু আছে, তাও লোকস্না দিয়ে। ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী ছবিঘর সিনেমা হলের কর্মচারী রওশন আলী জানান, ১০ বছর আগেও সিনেমা হলে দর্শক আসতেন। কিন্তু এখন ভাল ছবির কারণে তারা আসেন না। ঘরে বসে তারা পাঁচমিশালী বিনোদনের পাশাপাশি অন্য দেশের ভাল ছবি দেখতে পাচ্ছেন। ঝিনাইদহ শহরের সিনেমা প্রেমী আজগার আলী জানান, তিনি নিয়মিত সিনেমা দেখতেন। কিন্তু মান সম্মত ছবি ও অশ্লিলতার কারণে তিনি সিনেমা দেখা বন্ধ করেছেন। একই রকম কথা জানালেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের সিনেমা পাগল মন্টু কুমার ঘোষ। তিনি ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঝিনাইদহ শহরে আসতেন সিনেমা দেখতে। কিন্তু বাড়ি বসে সিনেমা দেখার সুযোগ থাকায় এখন আর সিনেমা মুখি হন না। ঝিনাইদহ সরকারী কেসি কলেজের ছাত্র বাপ্পি জোয়ারদার অভিযোগ করেন বিভিন্ন সরকারের সময় চলচিত্র জগতে অশ্লিলতার বিষ দিয়ে কালিমা লেপন করা হয়। সেই থেকেই সিমেনা হলগুলো দর্শক শুন্য হতে থাকে। তার মতে অশ্লিলতাই সিনেমা শিল্পকে বিপর্যস্ত করে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। ঝিনাইদহ ডিগ্রী কলেজের এক ছাত্রী জানান, পরিবারের সঙ্গে ছবি দেখার পরিবেশ এখন নেই। তাই ইচ্ছে থাকা সত্বেও তিনি সিনেমা হলে যান না। তাছাড়া সময়ও এখন একটা বড় ফেক্টর বলে তিনি মনে করেন। ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোধূলী সিনেমা হলের মালিক আবকর আলী জানান, অশ্লিল ছবিতে বাজার ছেয়ে গেছে।  সিডি, ভিসিপি, ভিসিআরের মাধ্যমে ওই সব নগ্ন ছবি বাজার ঘাট এমনকি গ্রাম পর্যন্ত অল্প টাকায় দেখানো হচ্ছে। সেখান থেকেই এই ব্যাবসার ধ্বস নামে। তিনি জানান অশ্লিল চবির পাশাপাশি ডিশ লাইনের মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসে ছবি দেখা শুরু করলো। এতে সিনেমা ব্যবসায় ক্রমাগত লোকসান দিতে দিতে মালিকরা হল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলো। ঝিনাইদহের মল্লিকা সিমেমা হলের মালিক সাজেদুর রহমান টানু মল্লিক জানান, মুলত মান সম্মত ও রুচিশীল ছবির অভাবে দর্শকরা সিনেমা হলে আসতে চান না। পাইরেসি ও অশ্লিল ছবির পাশাপাশি এটিও একটা বড় কারণ বলে তিনি মনে করেন। তিনিও তার হল বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানান। ঝিনাইদহের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও অংকুর নাট্য একাডেমীর পরিচালক নাজিম উদ্দীন জুলিয়াস জানান, আকাশ সাংস্কৃতির পাশাপাশি দেশের চলচিত্র শিল্পে অশ্লিল ছবির যে ভয়াবহ আঘাত হানে, মুলত সেখান থেকেই এই শিল্পের বারেটা বাজা শরু হয়। তিনি বলেন সরকারও বিভিন্ন সময় অশ্লিলতারোধে পদক্ষেপ দিলেও এক শ্রেনীর পরিচালকদের কারণে তা সম্ভব হয়নি। কারণ সেন্সর বোর্ডে এক রকম ছবি দেখানো হয়, আর সিনেমা হলগুলোতে ছবি মুক্তি পাওয়ার পর তাতে কাটপিস দেখে রুচিশীল দর্শকরা বিব্রত হতেন। এ সব কারণে আস্তে আস্তে সিনেমা প্রেমীরা সিনেমা হলে আসা বন্ধ করে দেন। আর এ ভাবেই একে একে ঝিনাইদহের ১৩টি হল বন্ধ হয়ে যায়।


নজরুল ইসলাম তোফা: ‘ক্রাইম প্রেট্রোল’ দেশীয় সত্য কাহিনী অবলম্বনে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক। এই নাটকের প্রতিটি পর্বে সত্য কাহিনী নিয়ে দর্শকের সামনে অগ্রসর হয়। নাটকটি নির্মাতা সুনিপুণ হাতে সত্য ঘটনার উৎস যেখানে, সেখানে গিয়ে সমাজের নানান অপরাধ চিহ্নিত করে সত্যতা যাচাই বাছাই করে সেখানেই ব্যস্তবধর্মী শুটিং ইউনিট স্হাপন করেন এবং তা অত্যন্ত সচ্ছতার সহিত হৃদয় স্পর্শী করে ফুটিয়ে তুলেন। বলা চলে, এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সত্য ঘটনা নিয়েই ধারাবাহিক নাটক ‘ক্রাইম প্রেট্রোল’। অবৈধ মাদক ব্যবসা, খুন গুম, ধর্ষণ, কুৎসিত রাজনীতি চক্রের হত্যা কান্ড, অসম্ভব ক্ষমতার দাপট, লড়াই, অসাধু দালাল, চোর-বাটপার এবং জোচ্চর সহ নানান জাতীয় বাস্তব চরিত্রায়ন ঘটে থাকে প্রতি পর্বে। অপর দিকে, এই সব অপরাধের বিরুদ্ধে এদেশের সৎ, ন্যায়-নিষ্ঠাবান, সাহসী কিছু পুলিশ অফিসার সঠিক তত্ত্ব সংগ্রহ করে অত্যন্ত দক্ষতার সহিত অভিযান চালিয়ে দোষিদেরকে আইন সংগত ভাবে সঠিক সাজা নির্ধারণ করে। এমনই অসংখ্য মামলার সাথে বিভিন্ন পুলিশ বাহিনীর সাফল্য গাঁথা নাটকীয় চরিত্রের সমন্বয় ঘটিয়ে এই ধারাবাহিক নাটক ‘ক্রাইম প্রেট্রোল’ নির্মিত হচ্ছে। যার প্রত্যেকটি পর্ব দর্শক নন্দিত হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে। দর্শক গ্রহণযোগ্যতা অন্যান্য নাটকের চেয়ে এখন শীর্ষে। টিআরপি রেটিংয়ে ধারাবাহিকটির অবস্থান শীর্ষে। নির্মাতা মনে করছেন যে উদ্দেশ নিয়ে ‘ক্রাইম পেট্রোল’ নির্মাণ করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ সফল হয়েছে। সবধরনের দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ্য হয়েছে। দেশীয় ঘটনা বহুল নানান তত্ত্ব সমৃদ্ধ কাহিনী নিয়ে রচনা করছেন ড. মাহফুজুর রহমান এবং আশরাফুল ইসলাম পিপিএমের পরিচালনায় নাটক ‘ক্রাইম প্রেট্রোল’।
ক্রাইম প্রেট্রোলের প্রতিটি ঘটনা দুই পর্বের মধ্যে চমৎকার ক্লাইমেকসে পরিসমাপ্তি ঘটানো হয়। ইতিমধ্যে নাটকটির প্রায় ৩৯ পর্ব প্রচার হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে আশরাফুল ইসলাম পিপিএম বলেন, ভারতীয় স্যাটেলাইট আগ্রাসনে আমাদের দর্শকদের ঘরমুখো করার যে উদ্দেশ্য ছিল, তা দেশীয় ‘ক্রাইম প্রেট্রোল’ নির্মাণে সেই আগ্রাসন থেকে জনগনকে বাহির করতে সক্ষম হয়েছে এবং ক্রাইম প্রেট্রোল দিনে দিনে জনসমর্থন পাচ্ছে। পরিচালক বলেন, সামনে বেশকিছু ভালো গল্প নিয়ে ভালো কাজ হবে এমন কথা ব্যক্ত করেন। ধারাবাহিক এই ‘ক্রাইম প্রেট্রোল’ নাটকটি এটিএন বাংলায় নিয়মিতভাবে প্রতি শনিবার রাত ৮.৪৫ মিনিটে প্রচারিত হয়।


র্দীঘ প্রতীক্ষার পর দশেবরণ্যে সঙ্গীতশল্পিী মোঃ আব্দুল জব্বাররে মৌলকি গানরে অ্যালবাম ‘কোথায় আমার নীল দরয়িা’ সম্প্রতি অনলাইনে মুক্তি পয়েছে।ে অ্যালবামটতিে ৯টি গান আছ।ে গানগুলো লখিছেনে মোঃ আমরিুল ইসলাম। সুর ও সঙ্গীত পরচিালনা করছেনে গোলাম সারোয়ার। উল্লখেযোগ্য গান হচ্ছ,ে আমি আপন ঘররে জানলাম না খবর, মা আমার মসজদি, এখানে আমার পদ্মা মঘেনা, প্রমেরে বষিকাঁটা, নয়নে মখেোনা কাজল, আমি দুঃখকে বলছেি ইত্যাদ।ি অ্যালবাম সর্ম্পকে শল্পিী আব্দুল জব্বার বলনে, এটি আমার প্রথম অ্যালবাম। এই অ্যালবামটি করতে পরেে আমি অত্যন্ত আনন্দতি। গানগুলোর কথা অসাধারণ। এর মধ্যে মা, মাট,ি দশে, র্ধম, সমাজ সবই আছ।ে আশা করছি দশেরে ও দশেরে বাইররে অগণতি ভক্ত শ্রোতাদরে কাছে ‘কোথায় আমার নীল দরয়িা’ অ্যালবামটি জনপ্রয়িতা পাব।ে সত্যকিাররে সঙ্গীতপ্রমেী এবং নতুন শল্পিীরা এই অ্যালবামরে গান থকেে অনকে কছিু শখিতে পারবে বলে মনে করনে শল্পিী আব্দুল জব্বার। এ প্রসঙ্গে গীতকিার আমরিুল ইসলাম বলনে, এই অ্যালবামে সব রকম আবগেরে গান রয়ছে।ে গানগুলো শ্রোতা মনে দাগ কাটব।ে তাছাড়া শ্রদ্ধয়ে আব্দুল জব্বার ভাই বাংলা গানরে জীবন্ত কংিবদন্ত।ি আমার লখো গানে তনিি কণ্ঠ দয়িছেনে, এটা আমার পরম প্রাপ্ত।ি এজন্য আমি শ্রদ্ধয়ে জব্বার ভাইয়রে কাছে চরি কৃতজ্ঞ। অ্যালবামটি প্রকাশ করছেে মম মউিজকি সন্টোর।

 

সুপারস্টার শফিউল ইসলাম লিংকন । সম্প্রতি কি করে তোমায় বুঝাই, মনের একেলা ঘরে, এখন আমি অনেক ভালো তুমায় ছাড়া থাকতে পারি,মিউজিক ভিডিওগুলো ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পায় । তাছাড়া সম্প্রতি প্রকৃত ভালবাসা নামে একটি শর্ট ফিল্ম ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় একি সাথে লিংকনকে এনে দেয় তারকা খ্যাতি । সারা দেশ তথা দেশের বাহিরেও তিনি এখন সবার কাছে পরিচিত মুখ ।
তিনি একাধারে মডেল, অভিনেতা ও উপস্থাপক । এ সময়ের তারকা লিংকনের সাথে বিনোদন সময় প্রতিনিধির কথা হয় ।

কি নিয়ে ব্যস্ত আছেন ?
* কিছু মিউজিক ভিডিও গান, শর্ট ফিল্ম চাকরি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার কাজ নিয়েও ব্যাস্ত ।

আপনি কোন উৎসাহতে মিডিয়াতে এলেন ?
* সত্যি কথা বলতে কি বলিউড এর শাহরুখ খান আমার প্রিয় মডেল, অভিনেতা । তার মুভি দেখে আমি উৎসাহ পেতাম। যার জন্য পরে মিডিয়াতে আসা ।

পরিবার থেকে আপনাকে উৎসাহ দিয়েছেন কে ?
* আমার মা বিভিন্ন সময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন।

এখন তো আপনাকে সবাই চিনে শুধু দেশ নয়। দেশের বাহিরেও আপনি এখন পরিচিত মুখ সবাই আপনার সাথে কথা বলতে চায় সেলফি তুলতে চায় ব্যাপারটি কিভাবে নিচ্ছেন ?
* আগে তো কেউ আমার সাথে সেলফি তুলে নি, এখন তুলছে । ভালই লাগছে সবার সাথে কথা বলতে পারছি।

যতটুকু আমরা জানি ফেইজবুকে, ফ্যান পেজ এ আপনার অনেক মেয়ে ভক্ত তারা আপনার সাথে চ্যাট এ কথা বলতে চায়, সেলফি তুলতে চায় কেমন লাগছে ?
* তাদের জন্যই এ পযন্ত আসা । সব সময় আমার জন্য দোয়া করবেন এটা চাই ।

কোন বিঞ্জাপন বা মুভিতে কাজ করছেন কি ?
* কথা চলছে। গল্প ভাল হলে করব ।

হালের তিন জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ,মাহিয়া মাহি ,নুসরাত ফারিয়া যদি তাদের বিপরীতে আপনাকে অভিনয় করতে বলা হয়
আপনি কাকে বেছে নিবেন ?
* যেহেতু তিনজনই সম্ভাবনাময়ী আমি কাউকেই নিরাস করতে চাই না ।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি ?
* এখন মিডিয়াতে কাজ করছি । আরও ভাল কিছু কাজ করতে চাই ।

অবসর সময় কি করেন ?
* ঘুরতে খুব ভাল লাগে ।

অর্থ, সম্মান, খ্যাতি কোনটি বেশী জরুরী ?
* আমার কাছে তিনটিই জরুরী মনে হয়।

কোন জিনিস সঙ্গে নিতে ভুলেন না ?
* মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ,জুতা ।

কোন কাজে সাফল্য আসলে কার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ?
* প্রথমে মহান আল্লাহর কাছে, পরে মা-বাবার কাছে ।

আপনার ভক্তদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার আছে ?
* আমার জন্য দোয়া করবেন। আর ভাল যে কোন কাজে এগিয়ে যাবেন ।

ধন্যবাদ আপনাকে
* আপনাকেও ধন্যবাদ।

Designed using Magazine Hoot. Powered by WordPress.