Category: তথ্য প্রযুক্তি

ড্যাফোডিল ও বৃটিশ কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ইনোভেটিভ টিচিং এন্ড লার্নিং এক্সপো ২০১৭ সমাপ্ত

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে ড্যাফোডিল ও বৃটিশ কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর ড্যাফোডিল টাওয়ারে ইনোভেটিভ টিচিং এন্ড লার্নিং এক্সপো ২০১৭ আজ (২৬ আগস্ট) শেষ হয়েছে।। ড্যাফোডিল এডুকেশন নেটওয়ার্ক ও বৃটিশ কাউন্সিল, বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক্সপোর সহযোগিতায় এবং স্ট্রেটিজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছেন এনসিসি এডুকেশন (ইউকে), আইডিপি, ভেনচুরাস, বিএসএইচআরএম, এইচআরডিআই, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, টেন মিনিট স্কুল, বোল্ড ও জবসবিডি।
এক্সপোর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তথ্য কমিশনার প্রফেসর ড. গোলাম রহমান।
ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিসি এডুকেশন, ইউকে’র প্রধান নির্বার্হী কর্মকর্তা এলান নরটন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ এম ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন ও মোঃ মোশারফ হোসেন, সভাপতি, বিএসএইচআরএম। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এক্সপো সাংগঠনিক সভাপতি মোহাম্মদ নূরুজ্জামান ও কো চেয়ার প্রফেসর ড. ফরিদ এ সোবহানী।
এক্সপোতে ছিল প্রজেক্ট প্রদর্শনী, ইনোভেটিভ টিচিং এওয়ার্ড, ইনোভেটিভ প্রজেক্ট এওয়ার্ড, প্লেনারী সেশান, সেমিনার, ওয়ার্কশপ, রাউন্ড টেবিল ডিসকাশন ইত্যাদি। এতে দেশি বিদেশী শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ/ বিশেষজ্ঞগণ সেমিনার. প্লেনারি সেশন, ওয়ার্কশপ এবং রাউন্ড টেবিল আলোচনার মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, শিক্ষাকর্মী, নীতিনির্ধারক ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশণাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবশনা সমাপনী অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান তথ্য কমিশনার প্রফেসর ড. গোলাম রহমান বলেন, শিক্ষাই শক্তি। শিক্ষাই সবকিছু। শিক্ষা মানুষকে ক্ষমতাবান করে। তাই শিক্ষা নিয়ে আমাদেরকে বহুমুখী ভাবনা ভাবতে হবে। সেই চিরাচরিত নিয়মের শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে আটকে থাকলে চলবে না। নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে। এসময় গোলাম রহমান বলেন, একটা সময় বিশ্ববিদ্যাগুলোতে অল্প কিছু বিষয় পড়ানো হতো। এখন অনেক বিষয় পড়ানো হয়। অনেক বিষয়ের সঙ্গে অনেক নতুন নতুন কোর্স যুক্ত হয়েছে। এসবই শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্ভাবন। এখন সময় এসেছে পাঠদান পদ্ধতিতে নতুন কিছু উদ্ভাবন করার।
অধ্যাপক গোলাম রহমান আরো বলেন, আমাদের দেশ নানা দিক থেকে উন্নত হচ্ছে, সেই সাথে চ্যালেঞ্জও বাড়ছে। চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবেলা করতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। আর শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার জন্য এ ধরনের ইনোভেটিভ টিচিং ও লার্নিং এক্সপোর আয়োজন বেশি বেশি হওয়া উচিত। এসময় তিনি ড্যাফোডিল এডুকেশন নেটওয়ার্ক ও ব্রিটিশ কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানান, এ ধরনের এক্সপো আয়োজন করার জন্য।
অধ্যাপক গোলাম রহমান বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হলে আমাদের শিক্ষকদেরকে ইনোভেটিভ হতে হবে। কিন্তু দুর্ভগ্যজনক ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের দেশে শিক্ষকদেরকে ইনোভেটিভ করার তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। এসময় তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদারহরণ টেনে বলেন, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় নতুন শিক্ষকদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। এতে শিক্ষকদের ইনোভেশন শক্তি তৈরি হয়।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ সবুর খান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় শিক্ষার কলা কৌশলে অনেক পরিবর্তন এসেছে, নিত্য নতুন উদ্ভাবন শিক্ষা পদ্ধতিকে বিকশিত করছে। এ পরিবর্তনের সাথে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিচয় ঘটানোর লক্ষ্যে দেশে প্রথম বারের মত এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আগামীতে দেশের ৬৪ টি জেলায় এ ধরনের এক্সপো আয়োজনের আমা প্রকাশ করেন এবং এ ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
এক্সপোতে মোট ইনোভেটিভ টিচিং এন্ড লানিং এর ওপর প্রায় শতাধিক প্রজেক্ট প্রদর্শিত হয়। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মোঃ ওমর ফারুক ও তার সহযোগী মোঃ শাহরিয়ার আলম ও বায়েজিদ খানের অক্সো মাস্ক” প্রকল্প এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে সেন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারী স্কুলের শিক্ষার্থী সবীর চন্দ্র গুপ্ত ও মাসরুর আহমেদ এর ”এনি ওয়ে টানেল” প্রকল্প।
প্রকল্পের এক্সপোতে মোট ৪ টি ওয়ার্কশপ, ৬ টি সেমিনার, ২ টি প্লেনারী সেশান ও ১ টি রাউন্ডটেবিল অনুষ্টিত হবে। আইডিপি, টেন মিনিট স্কুল, আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশন ও পদক্ষেপ তাদের শিক্ষা সামগ্রী ও সেবা সমূহ প্রদর্শন করেন।

ভাঁজ করা যাবে লেনোভো ল্যাপটপ!

বাজারের অন্য সব ল্যাপটপ থেকে আলাদা একটি ল্যাপটপ আনছে লেনোভো। মূলত গতানুগতির ধারার পরিবর্তন আনতেই নতুন চমক দিল লেনেভো।ফেক্সিবল ডিসপ্লের ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে এই নির্মাতা সংস্থা। সম্প্রতি নতুন ডিসপ্লের এই ল্যাপটপটির ছবি অনলাইনে প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত ছবি ও তথ্য মতে এটি হবে ‘লেনোভোর থিঙ্কপ্যাড’। এর ডিসপ্লে হবে নমনীয়। এটি এখন কনসেপ্ট পর্যায়ে রয়েছে। লেনোভো তাদের এই বিশেষ ল্যাপটপটির ছবি ও ভিডিও নিউ ইয়র্কের একটি ইভেন্টে দেখিয়েছে।এতে দেখা গেছে ল্যাপটপটি ইউনিবডি ডিজাইনে তৈরি হবে। লেনোভোর কমার্শিয়াল বিজনেসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিসটিয়ান টেইসম্যান বলেন, ‘লেনোভো এমন একটি ল্যাপটপ তৈরি করতে যাচ্ছে যাতে কোনো কজ্বা থাকবে না। এই ল্যাপটপটি মোড়ানো যাবে। এর ডিসপ্লে হবে এতটায় নমনীয়। ‘ল্যাপটপটিকে ফুল কিবোর্ড থাকবে এবং এটি স্টাইলাস পেন সাপোর্ট করবে। তবে ল্যাপটপটির দাম কত হবে এবং কবে নাগাদা এটি বাজারে আসবে সে সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।

কম দামে ভাল ফোন

চারদিকে স্মার্টফোনের খবর! তার পরও দেশে ফিচার বা বেসিক ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি। দামে কম কিন্তু সুবিধায় বেশি বাজারের এমন কিছু বেসিক ফোন নিয়ে লিখেছেন ইমরান হোসেন মিলন

এই তো বছর পাঁচেক আগেও দেশের বাজারে ছিল নকিয়ার দাপট। তাদের ১১০০ মডেলের ফোনটি তো সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি বিক্রির রেকর্ড গড়েছে।বিশ্ববাজারেও সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ফোন বিক্রির রেকর্ড নকয়াির, ৩৩১০ মডেলটি নিয়ে। নতুন করে আবারও ফোনটি বাজারে ছেড়েছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি।এখন নকিয়ার সেই দাপট নেই। সেই বাজার দখলে নিয়েছে সিম্ফনি, স্যামসাং, মাইসেল, টেকনোসহ কয়েকটি ব্র্যান্ড।

সিম্ফনি বি১৭

১ দশমিক ৮ ইঞ্চির রঙিন পর্দার সিম্ফনি বি১৭ ফোনে ৩২ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করা যায়। ফোনটিতে রয়েছে এমপি থ্রি, এমপি ফোর এবং এফএম। আছে ব্লুটুথ সুবিধাও। ব্যবহার করা যায় একসঙ্গে দুই সিম। ব্যাক ক্যামেরাও আছে, দশমিক শূন্য ৮ মেগাপিক্সেলের। তবে সেলফি ক্যামেরা নেই।৮০০ এমএএইচ ব্যাটারি টানা চার ঘণ্টা কথা বলার সুবিধা দেয়। স্ট্যান্ডবাই সুবিধা ২১০ ঘণ্টার।

দাম : ৭২৫ টাকা।

সিম্ফনি ডি১৯

এক হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ফোনটিতে দীর্ঘক্ষণ কথা বলা যায়। রয়েছে দশমিক ১ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এর ডিসপ্লে ২ দশমিক ৪ টিএফটি কিউভিজিএ রেজল্যুশনের। এলইডি টর্চলাইট রয়েছে ফোনটিতে। এ ছাড়া রয়েছে ব্লুটুথ, এমপিথ্রি, এফএম রেডিও সুবিধা। ব্যবহার করা যাবে এসডি কার্ড।

দাম : এক হাজার ১৫০ টাকায়।

আইটি৫২৩১

আইটি৫২৩১ মডেলের ফিচার ফোন নিয়ে বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আইটেল। ফোনটিতে দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ সুবিধা দিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৯০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। আছে ওয়্যারলেস এফএম, ব্লুটুথ, এমপি থ্রি, এমপি ফোর, ফ্ল্যাশসহ সামনে-পেছনে ভিজিএ ক্যামেরা।আকর্ষণীয় স্নেক গেইম রয়েছে ফোনটিতে। দুই সিম ব্যবহারের সুবিধাও আছে।

দাম : এক হাজার ২২০ টাকা।

গুরু মিউজিক ২

ফোনটিতে রয়েছে সিঙ্গেল কোর ২০৮ মেগাহার্জ প্রসেসর। ডিসপ্লে টিএফটি ১২৮ বাই ১৬০ (কিউকিউভিজিএ) এবং স্ক্রিন ৫ দশমিক শূন্য ৮ সেন্টিমিটারের। রয়েছে ১৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়তি মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, এমপি থ্রি ও এফএম রেডিও। ডুয়াল সিম ব্যবহার সুবিধার ফোনটির ব্যাটারি ৮০০ এমএএইচের। টানা ১১ ঘণ্টা কথা বলা যায় এ ব্যাটারিতে।

দাম : এক হাজার ৭৯০ টাকায়।

মেট্রো ৩১৩

দুই ইঞ্চি কিউকিউভিজিএ ডিসপ্লের ফোনটির রেজল্যুশন ১২৮ বাই ১৬০ পিক্সেল। রয়েছে সিঙ্গেল কোর ২০৮ মেগাহার্জ প্রসেসর। ১০০০ এমএএইচ লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি দিয়ে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত কথা বলা যায়। দুটি সিম ব্যবহারের পাশাপাশি রয়েছে ভিজিএ ক্যামেরা, হ্যান্ডি টর্চ, ইন্টারনেট ব্যবহার ও সহজে ফাইল স্থানান্তর সুবিধা।

দাম : দুই হাজার ৩৯০ টাকা।

ওকাপিয়া আশা

ওকাপিয়ার সবচেয়ে কম দামি ফিচার ফোন এই আশা। ফোনটিতে রয়েছে টিএফটি ১ দশমিক ৭৭ ইঞ্চির পর্দা। ডুয়াল সিম ব্যবহার সুবিধার ফোনটিতে আট জিবি পর্যন্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুযোগও আছে। রয়েছে এমপি থ্রি, এমপি ফোর, এফএম রেডিও, কিউভিজিএ ক্যামেরা ও ব্লুটুথ সুবিধা।আর ১৭০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি দিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা বলা যায়। বাজারে পাওয়া যায় কালো ও কমলা রঙে।

দাম : ৮৮০ টাকা।

মাইক্রোম্যাক্স এক্স০৭১

টানা ছয় ঘণ্টা কথা বলা এবং স্ট্যান্ডবাই ১৮০ ঘণ্টার ব্যাকআপ নিয়ে ১০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির ফিচার ফোন বাজারে বিক্রি করছে মাইক্রোম্যাক্স। রয়েছে এমপি থ্রি, এমপি ফোর, ব্লুটুথ, এফএম রেডিও ও দুই সিম ব্যবহারের সুবিধা। ক্যামেরা রয়েছে দশমিক শূন্য ৮ মেগাপিক্সেলের।

দাম : এক হাজার টাকা।

ডিগো ডিটেক্টর

ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফোনটি। ৩০০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ফোনটি পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ব্যবহার করে জাল টাকা শনাক্ত করার সুবিধা রয়েছে ফোনটিতে।

আছে শক্তিশালী টর্চলাইট, ২ দশমিক ৪ ইঞ্চি পর্দা ও দুই সিম ব্যবহারের সুবিধা। রয়েছে ক্যামেরা, ওয়্যারলেস এফএম, ইন্টারনেট ও ব্লুটুথ।

ফোনটিতে সর্বোচ্চ ১৬ জিবি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যায়।

দাম : এক হাজার ৭৯০ টাকা।

অ্যালকাটেল ১০৫২

৩২ মেগাবাইট র‍্যামের ফোনটিতে রয়েছে কিউকিউভিজিএ ১ দশমিক ৮ ইঞ্চির পর্দা। আর ব্যাটারি ৪০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের। রয়েছে ভিজিএ ক্যামেরাও। একসঙ্গে দুটি সিম ব্যবহারের সুবিধার পাশাপাশি ফোনটিতে রয়েছে অডিও প্লেয়ার ও এফএম রেডিও।

দাম : এক হাজার ৯৯ টাকা।

জেলটাএফএইচ৬০

এই ফোনে রয়েছে ২ দশমিক ৮ ইঞ্চির কিউভিজিএ ডিসপ্লে, ৩২ মেগাবাইট র‍্যাম ও ৩২ মেগাবাইট রম। কার্ড লাগিয়ে মেমোরি বাড়ানো যাবে ১৬ জিবি পর্যন্ত। ডুয়াল সিমের হ্যান্ডসেটটির ব্যাটারি ২৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের। কথা বলা যাবে টানা আট ঘণ্টা। স্ট্যান্ডবাই টকটাইম ৩০০ ঘণ্টা।

রয়েছে ওয়্যারলেস এফএম, ভিডিও এবং কল রেকর্ডার, এমিপি থ্রি, এমপি ফোর, ব্লুটুথ, জিপিআরএস, টর্চ সুবিধা। সোনালি, কালো ও লাল রঙে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

দাম : দেড় হাজার টাকা।

বিভিন্ন ব্যান্ডের ল্যাপটপ

ল্যাপটপের বাজার এখন আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তিত। ল্যাপটপ কিনতে গেলে তাই যে কারো মাথা ঘুরে যেতে পারে।

কারণ কোনটি ছেড়ে কোনটি কিনবেন, তার সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেই সহজ কাজ নয়। এ লেখায় তুলে ধরা হলো সেরা ১১টি ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের কথা, যা থেকে পছন্দ করে নিতে পারেন আপনার পছন্দনীয় ল্যাপটপ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. মাইক্রোসফট সারফেস বুক
মাইক্রোসফটের প্রথম এ ল্যাপটপটির কার্যক্ষমতা যে কোনো আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের তুলনায় উন্নত বলেই মানছেন বিশেষজ্ঞরা। সারফেস বুকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে রয়েছে এর ডুয়াল গ্রাফিক্স। এর ডিসপ্লে ইউনিটের সাথে রয়েছে স্ট্যান্ডার্ড গ্রাফিক্স। আর কিবোর্ড অংশে যুক্ত করা হয়েছে এনভিডিয়ার ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট। ল্যাপটপটির ১৩.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের পিক্সেল ঘনত্ব ২৬৭ পিপিআই। ভিন্ন ভিন্ন মডেলের জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ইন্টেলের কোরআইফাইভ থেকে শুরু করে কোরআইসেভেন পর্যন্ত প্রসেসর। এগুলোতে র‌্যাম রয়েছে ৮ জিবি পর্যন্ত। তবে চাইলে ১৬ জিবি পর্যন্ত ব্যবহারের সুযোগও রয়েছে। আর বিল্ট-ইন স্টোরেজ হিসেবে ১২৮ জিবি থেকে ৫১২ জিবি পর্যন্ত এসএসডি ব্যবহার করেছে মাইক্রোসফট। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। এর কিবোর্ড অংশের সাথে মাইক্রোসফট যুক্ত করেছে কাচের ট্র্যাকপ্যাড, যা কাজে বাড়তি সুবিধা দেয়। মাইক্রোসফট এর আগে ট্যাবলেট পিসি হিসেবে সারফেস বাজারে আনলেও এক্সটার্নাল কিবোর্ডের মাধ্যমে একে ট্যাবলেট-ল্যাপটপ হাইব্রিড হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ ছিল। এবারে সারফেস বুকের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সরাসরি ল্যাপটপ তৈরি করলো তারা। তবে সারফেস বুকের ডিসপ্লে অংশকেও আলাদা করে ব্যবহার করা যায় ট্যাবলেট হিসেবে। সারফেস বুকের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে উইন্ডোজ ১০। এর স্ক্রিনটি টাচ সেনসিটিভ। এতে সারফেস পেন স্টাইলাসও ব্যবহার করা যায়। এছাড়া এতে রয়েছে দুটি ইউএসবি পোর্ট, এসডি কার্ড স্লট ও দারুণ টাচপ্যাড। মূল্য প্রায় দেড় হাজার ডলার।
১. ম্যাকবুক
অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুক আগের মডেলের তুলনায় এখন অনেক উন্নত। এতে আগের দুর্বলতাগুলো দূর করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল। এছাড়া এতে ব্যবহৃত হয়েছে আগের তুলনায় উন্নতমানের প্রসেসর, দ্রুতগতির র‌্যাম ও উন্নতমানের গ্রাফক্স। এতে নতুন ম্যাকবুকের পারফর্মেন্স যেমন বাড়বে তেমন কাজও সহজ হয়ে আসবে বলে দাবি অ্যাপলের। আগের মডেলে যেমন একসঙ্গে বেশ কয়েকটা ক্রোম ট্যাব খোলার অসুবিধা ও অন্যান্য কয়েকটা অ্যাপ চালানোর দুর্বলতা ছিল, নতুন মডেলে তা নেই। অ্যাপল আগের মডেলগুলোর তুলনায় এবার প্রসেসরসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের মান উন্নত করায় ধারণা করা হচ্ছে এর পারফর্মেন্স যথেষ্ট ভালো হবে। অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুকের গতিশীল প্রসেসর, উন্নত মান ও হালকা-পাতলা ডিজাইন সবার মাঝে জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশাবাদী অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ম্যাকবুকের ১২ ইঞ্চি মডেলের দাম ১,২৯৯ ডলার।
৩. লেনোভো থিংকপ্যাড টি৪৬০
আপনি যদি একটি বিজনেস ল্যাপটপ চান যেটি নির্ভরযোগ্য এবং পেশাদারী কাজের জন্য কার্যকর হবে তাহলে লেনোভো থিংকপ্যাড টি৪৬০ নিতে পারেন। এটি বাজারের সেরা ল্যপটপের অন্যতম। এর ব্যাটারি পাল্টানো যায়। এছাড়া একবার চার্জে ১৪ ঘণ্টা চার্জ থাকে এর। ফলে আপনি চাইলে তার বেশিক্ষণ চার্জ রাখার জন্য একাধিক ব্যাটারি ব্যবহার করতে পারবেন। মূল্য প্রায় ৮০৯ ডলার।
৪. ম্যাকবুক এয়ার
কিছুটা কম দামে ম্যাকবুক চাইলে ম্যাকবুক এয়ার দেখতে পারেন। অসাধারণ ডিজাইন, অত্যন্ত পাতলা ও হালকা এ ল্যাপটপটির নির্মাতা বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রযুক্তিপণ্য প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এর চেহারাই শুধু সুন্দর নয়, কাজেও এটি সেরা। এতে রয়েছে দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ (প্রায় ১০ ঘণ্টা)।   দামের সঙ্গে সঙ্গে পারফর্মেন্স পেতে চাইলে ম্যাকবুকের জুড়ি নেই। আর এ বিষয়টি মাথায় রেখেই বিশ্বের বহু ব্যবহারকারী অ্যাপলের পণ্য ব্যবহার করেন।
৫. র‌্যাজের ব্লেড স্টিলথ
গেমিংয়ের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় কোনো ল্যাপটপের কথা বলতে গেলে র‌্যাজের ব্লেড স্টিলথ-এ কথা বলতে হবে। এটি স্বাভাবিকভাবে বেশ পোর্টেবল এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানো যাবে। তবে আপনি যদি দারুণ সব গেম চালাতে চান তাহলে এতে একটি বাড়তি ডিভাইস যোগ করতে হবে, যেটি মূলত একটি গ্রাফিক্স কার্ড। আর গেমিংয়ের ক্ষেত্রে এ কার্ড সংযোজন বিপুল সুবিধা এনে দেবে। ল্যাপটপটির মূল্য ৯৯৯ ডলার। তবে এর সঙ্গে ৩৯৯ ডলার যোগ করতে হবে বাড়তি গ্রাফিক্সের জন্য।
৬. ম্যাকবুক প্রো রেটিনা
আপনি যদি অ্যাপলের রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ নিতে চান তাহলে ম্যাকবুক প্রো রেটিনা দেখতে পারেন। বিভিন্ন নজরকাড়া ফিচারের কারণে এ তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ম্যাকবুক প্রো রেটিনা। এ মডেলটিতে রয়েছে রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত উন্নত স্ক্রিন, দ্রুতগতির প্রসেসর ও উন্নতমানের গ্রাফিক্স প্রযুক্তি। এ ছাড়াও রয়েছে থান্ডারবোল্ট পোর্ট ও এইচডিএমআই সুবিধা। আর এ মডেলের ল্যাপটপের দামও এ কারণে যথেষ্ট বেশি। মূল্য ১২৯৯ ডলার।


৭. ডেল এক্সপিএস ১৩
অনেকটা অ্যাপলের ম্যাকবুক এয়ারের মতো পোর্টেবল হলেও এটি অ্যাপলের পণ্যের তুলনায় দামের দিক দিয়ে কিছুটা কম। এতে রয়েছে ৩,২০০ বাই ১,৮০০ রেজুলিশনের টাচস্ক্রিন। এতে রয়েছে ১২ ঘণ্টা ব্যাটারি লাইফ। মূল্য ৭৯৯ ডলার।
৮. ৯. আসুস ROG G751JT গেমিং ল্যাপটপ
গেমিং ল্যাপটপ বলতে যা বোঝায় তা এই ল্যাপটপটিতে রয়েছে। তবে ল্যাপটপটির দামও অনেক। এতে রয়েছে সবচেয়ে ভালো হার্ডওয়্যারের সমন্বয়। এর স্ক্রিন ও কিবোর্ডও অসাধারণ। মূল্য ১৬৪৯ ডলার।
৯. আসুস জেনবুক ইউএক্স৩০৫
আপনি যদি ম্যাকবুক পছন্দ করেন কিন্তু অর্থের অপচয় করতে না চান তাহলে আসুসের জেনবুক ইউএক্স৩০৫ মডেলটি দেখতে পারেন। এটি যেমন আকর্ষণীয় তেমন শক্তিশালী। ম্যাকবুকের মতোই এটি হালকা ও পাতলা। তবে দামের দিক দিয়ে এটি যথেষ্ট কম। ল্যাপটপটির মূল্য ৭৫০ ডলার।
১০. লেনোভো ইয়োগা ৯০০
সারফেস বুক যাদের প্রিয়, তাদের জন্য সহজ বিকল্প হলো লেনোভো ইয়োগা ৯০০। এটি ট্যাবলেট ও হাইব্রিড হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মূল্য ১০৪৯ ডলার।
১১. তোশিবা ক্রোমবুক ২
কমদামে মানসম্মত ল্যাপটপ কিনতে হলে তোশিবার নতুন মডেলের ক্রোমবুক ২-এর জুড়ি নেই। এর রয়েছে সুন্দর স্ক্রিন, দারুণ ব্যাটারি লাইফ ও মানসম্মত ডিজাইন। হালকা কাজের জন্য এটি হতে পারে সবচেয়ে ভালো পছন্দ। মূল্য ৩৩০ ডলার।
১২. এইচপি স্পেকট্রা
আপনি যদি মানসম্মত ও দারুণ একটি ল্যাপটপ নিতে চান তাহলে এইচপি স্পেকট্রা দেখতে পারেন। এইচপি দাবি করে এটি বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ। তবে শুধু পাতলাই নয়, এটি যথেষ্ট হালকা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এতে কাজ করা যথেষ্ট সুবিধাজনক। এছাড়া ল্যাপটপটির ব্যাটারিও যথেষ্ট দীর্ঘস্থায়ী। দাম প্রায় ১,১৬৯ ডলার।

কম্পিউটারের বাজার দর


প্রসেসর: ইন্টেল কোর আইথ্রি ৩.৩০ গিগাহার্টজ (গি.হা.) ৯,৩০০; কোর আইথ্রি ৩.১০ গি.হা. ৮,০০০; কোর আই ফাইভ ৩.২০ গি.হা. ১৬,০০০ ও কোর আই সেভেন ৩.৪০ গি.হা. ২৫,৫০০ টাকা।
মাদারবোর্ড: গিগাবাইট জিএ ৭৮ এলটি-এসটুপি এএমডি ৪,৬০০; এসরক এমডি ৯৬০ জিএম-ভিজিএস-৩ ৪,২০০ ও ফক্সকন এইচ ৬১ এমএক্সই-কে ৩,৮০০ টাকা।
র‌্যাম: ডিডিআর-৩: অ্যাপাসার ২ গিগাবাইট (গি. বা.) ১,৭০০; এডেটা ৪ গি.বা. ৩, ০০০; ট্রানসেন্ড ৪ গি.বা. ৩,৩৫০ ও ৮ গি.বা. ৬,২০০ টাকা।
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ গি.বা. ৪,৫০০; টান্সসেন্ড ১ টেরাবাইট (টে.বা) ৫,৪০০; ৫০০ জি.বি. ৪,৬০০ ও স্যামসাং ৫০০ গি.বা. ৩,৫০০ টাকা।
গ্রাফিকস কার্ড: জোট্যাক ২১০ টিসি ডিডিআর৩-১ গি.বা. ২,৭০০; ২১০ ডি৩ ১ গি.বা. ২,৯৫০,৬১০ ২ গি. বা.৪, ৩৫০ ও ৭৩০ ৪ গি.বা ৭,৫০০ টাকা। গিগাবাইট এইচডি-৬৪৫০ ১ গি.বা. ৪,১০০; গিগাবাইট ৫৪৫০ ১ গি. বা.৩, ২০০ টাকা।
ডিভিডি রাইটার/রি-রাইটার: এইচপি (বাল্ক) ১,৩০০; বক্স ১,৪০০ ও ইউএসবি ২,৫০০ টাকা। স্যামসাং ১৬ এক্স ১,৭০০ ও ২৪ এক্স ১,৬৫০ টাকা।
কেসিং: ভিশন-৩০০২ ১,৯০০ টাকা ও মিশন-২৩০২ ১,৬০০ টাকা। স্পেস ১,৯০০ থেকে ৪,০০০; ভ্যালু-টপ কে৬৭ ২,৪৫০; ডিলাক্স ২,১০০ থেকে ৩,৫০০ ও গিগাবাইট ২,১০০ টাকা।
মাউস: ভিশন ইউএসবি ১৩০ থেকে ১৮০ টাকা। নিউম্যান ইউএসবি ৩০০, তারহীন ৭০০ ও গেমিং ১,৫০০; এফোরটেক ৩০০ থেকে ২,০০০ ও লজিটেক ৪৫০ থেকে ২,৫০০ টাকা
কি-বোর্ড: ভিশন ৮১৫৩ ২৩০ টাকা। বেলকিন ৯০০ থেকে ৪,০০০; ভ্যালু-টপ ডব্লিউ ২৬১৩ ৪০০ ও মাল্টিমিডিয়া ৭৫০ টাকা।
টিভি কার্ড: এভারমিডিয়া ইন্টারনাল ৩,২০০ ও এক্সটারনাল ডব্লিউ ৭ ৪,৬০০; রিয়েলভিউ ১,৬৫০; গেডমি ১,৫০০ ও গেডমি স্পিড ১,৯০০ টাকা।
ইউপিএস: টেকফাইন ৬৫০ ভিএ ২,৫০০ ও ১২ ভিএ ৪,৭০০ টাকা। পাওয়ারভিশন ৬৫০ ভিএ ২,৫০০ টাকা। স্পার্ক পাওয়ার ৬৫০ ভিএ ২,৮০০ ও ১২০০ ভিএ ৫,২০০; অ্যাপোলো ৬৫০ ভিএ ২৮৫০ ও ১২০০ ভিএ ৫,০০০ টাকা।
এলসিডি মনিটর: স্যামসাং ১৭ ইঞ্চি বর্গাকার ৯,৫০০ ও ১৮ ইঞ্চি আয়তাকার ৮,১০০ ও এলজি ১৭ ইঞ্চি বর্গাকার ৮,৮০০ টাকা।
এলইডি মনিটর: স্যামসাং ২৭ ইঞ্চি থ্রিডি ৬২,৫০০; ডেল ১৭ ইঞ্চি ৯,৬০০; আসুস ১৮.৫ ইঞ্চি ৮,২০০; এলজি ১৬ ইঞ্চি ৬,৫০০, ১৮.৫ ইঞ্চি ৭,৮০০ ও ২১.৫ ইঞ্চি ১২,৮০০ টাকা।
স্পিকার: ইডিফায়ার (২: ১) ১,৬০০ থেকে ৩,২০০; মাইক্রোল্যাব (২: ১) ১,৫০০ থেকে ২,৬০০; ক্রিয়েটিভ এসবিএস (২: ১) ৯০০ থেকে ২,১০০ ও অ্যালটেক ল্যানসিং ১,৪০০ থেকে ৬,০০০ টাকা।
পেনড্রাইভ: ট্রানসেন্ড ৮ গি.বা. ৫৫০ ও ১৬ গি.বা. ১০০০; অ্যাপাসার ৪ গি.বা. ৪৮০ ও ৮ গি.বা. ৫০০; এডেটা ৮ গি.বা. ৫৫০ ও ৩২ গি.বা. ১,৮০০ এবং ভেরিকো ৮ গি.বা. ৫০০ টাকা।
প্রিন্টার: ক্যানন আইপি-২৭৭২ পিক্সমা ৩,০০০; এমপি-২৩৭ ৬,২০০ ও এলবিপি-৩৩০০ ১১,৪০০; এইচপি ডি-১০০০ ২,৬০০ ও লেজার পি-১১০২ ৮,১০০; এপসন এম-১২০০ ৭,২০০ ও স্যামসাং এমএল ১৮৬৬ (লেজার) ৬,৬০০ টাকা।
বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক: ট্রানসেন্ড ৫০০ গি.বা. ৫, ৩০০; ৭৫০ গি.বা. ৬,২০০ ও ১ টেরাবাইট ৭,৪০০; ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ গি.বা. ৫,৫০০ ও ১ টেরাবাইট ৭৪০০; এডেটা ৫০০ গি.বা ৫,০০০ ও ১ টেরাবাইট ৭,২০০ টাকা।
পরার জন্য ধন্যবাদ। ভাল লাগলে লাইক দিবেন। ভাল থাকেন সবাই। খোদা হাফেজ।সবাই ভাল থাকেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে এর পর থেকে ভাল টিউন উপহার দিতে পারি।

বাজারে পার্টসের দাম তারতম্য হতে পারে। অনেক দোকান যাচাই করে পার্ট কিনুন

যে তিন স্মার্টফোনে আছে সেরা ক্যামেরা

যে তিন স্মার্টফোনে আছে সেরা ক্যামেরা

 পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তৈরি করা হয়েছে স্মার্টফোনের সেরা তিন ক্যামেরার তালিকা। ছবি : ডিএক্সওমার্কস্মার্টফোন আসার আগে থেকেই মোবাইলে ক্যামেরা ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার। স্মার্টফোনের যুগে মোবাইল ক্যামেরার গুরুত্ব আরো বেড়েছে। সবাই চায় তার হাতে থাকা ফোনের ক্যামেরাটা ভালো হোক যাতে আলাদা করে আবার ক্যামেরা কিনতে না হয়। বাড়তি একটা জিনিস বয়ে বেড়ানোও ঝামেলা।তবে স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে কোনটির ক্যামেরা সেরা? বিতর্ক আছে তা নিয়ে। তবে এবার একটা সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা করল ক্যামেরা এবং লেন্স নিয়ে গবেষণা করার জন্য বিখ্যাত ওয়েবসাইট ডিএক্সওমার্ক।বিশ্বের বিখ্যাত সব ফ্ল্যাগশিপ হ্যান্ডসেটের ক্যামেরা নিয়ে নিবিড় পরীক্ষানিরীক্ষা শেষে তারা প্রকাশ করল তিনটি স্মার্টফোনের নাম। ডিএক্সওমার্কের গবেষণা বলছে এই তিনটি স্মার্টফোনের ক্যামেরাই সেরা।

প্রথম নামটি অবশ্য অবধারিতই। ২৩ মেগাপিক্সেল ও প্রিমিয়াম আইএমএক্স ৩০০ সেন্সরের সনি এক্সপেরিয়া জেড৫ হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বসেরা ক্যামেরার স্মার্টফোন।এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস। স্মার্টফোন শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের এই স্মার্টফোনটির ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেলের। এই ক্যামেরায় রয়েছে এফ/১.৯, ২৮এমএম, ওআইএস, অটোফোকাস, এলইডি ফ্ল্যাশ, ১/২.৬” সেন্সর সাইজ।

সেরা ক্যামেরার স্মার্টফোনের তালিকায় তৃতীয় স্থানটিও রয়েছে স্যামসাংয়ের দখলে। গত বছর বাজারে আসে স্যামসাং নোট ৫। এই স্মার্টফোনের ক্যামেরাও ১৬ মেগাপিক্সেলের। সাথে আছে এফ/১.৯ সেন্সর।তবে সেরা ৩-এর এই তালিকায় খুব বেশি চমক নেই। এরই মধ্যে স্মার্টফোনগুলো ক্যামেরার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের কাছে বেশ সমাদৃত হয়েছে। ডিএক্সওমার্ক শুধু চেষ্টা করেছে একটি গ্রহণযোগ্য র‍্যাঙ্কিং তৈরি করে দিতে।আর সেজন্য ডিএক্সও ল্যাবকে বেশ জটিল কিছু পরীক্ষা এবং পর্যালোচনা চালাতে হয়েছে। তাদের মতে, র‍্যাঙ্কিংটি তৈরি করা ছিল খুবই কষ্টসাধ্য একটি কাজ। কারণ পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিটি ফোনের ক্যামেরার মান ছিল কাছাকাছি।

তবে প্রশ্ন আসতে পারে, কিসের জন্য গ্যালাক্সি নোট ৫, গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস এবং এক্সপেরিয়া জেড ৫-এর ক্যামেরাগুলোই সেরা? এ ব্যাপারে ডিএক্সওমার্ক বলছে, তিনটি স্মার্টফোনের ক্যামেরাতেই হাই রেজ্যুলেশন থাকার কারণে খুবই স্পষ্ট এবং পরিষ্কার ছবি পাওয়া যায়।এ ছাড়া ক্যামেরা ব্যবহারকারীরা খুব সানন্দে ক্যামেরার কন্ট্রাস্ট এবং এক্সপোজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, আলো বা অন্ধকার যেকোনো অবস্থাতে। তিনটি ক্যামেরাতেই আছে সহজাত এবং প্রাণবন্ত ইমেজ কালার। এ ছাড়া এইচডিআর মোড ও এলইডি ফ্ল্যাশের কারণে ক্যামেরাগুলোর পারফরমেন্সও বেশ।

মোবাইল অ্যাপে পাবেন ট্রেনের টিকিট

কি ভাবছেন সেহেরী খেয়ে টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়াবেন ?যদি  আপনার কাছে মোবাইল কিংবা  কম্পিউটার থাকে তাহলে বলব আপনি এখোনো বোকার স্বর্গে বাস করছেন । সেহেরী খেয়ে টিকিটের জন্য  আর লাইন ধরতে হবে না । এখন মোবাইলেই সংগ্রহ করতে পারেন ট্রেনের টিকিট ।
বাংলাদেশ রেলওয়ে এর ৪০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়  অনেকেই এই তথ্য  জানে না , আর না জানার কারনেই অনেক ভোগান্তি  সহ্য করে ভোর থেকে বিশাল বড় লাইনে  দাড়ায় । লাইনে দাড়িয়ে মোবাইলে গেম খেলে না হয় ফেসবুকিং  না হয় বিরক্তিকর সময়টা মোবাইলেই
কাটায় , অথচ সেই মোবাইলেই কিন্তু ঘরে বসে টিকিট টা কেটে ফেলতে পারত । মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ পাচ্ছেন আগ্রহী ব্যক্তিরা। ‘ট্রেন টিকিট অ্যান্ড শিডিউল ইন বিডি’ নামের অ্যাপটির নির্মাতা টেকটিউনস অ্যাপস।
 অ্যাপ ব্যবহার করে কাউন্টারে এসে ফিরতি এসএমএস ও কোড নম্বর দেখালেই টিকিট দেওয়া হয়।ষ্টেশনে  অনলাইনে টিকিটের লাইন খুব ছোট থাকে , আগ্রহী ব্যক্তিরা সহজেই টিকিট পেতে পারে । এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অ্যাপটিতে এসএমএসে ও ওয়েবসাইটে টিকিট কেনার পুরো
প্রক্রিয়ার বর্ণনা রয়েছে এবং অ্যাপ থেকেই টিকিট কাটার সুবিধাও আছে। সকাল নয়টা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে টিকিট কাটার চেষ্টা করলে সুবিধা পাওয়া যায়। কারন এ সময় অনলাইন  সার্ভার ফাকা থাকে সহজেই টিকিট পাওয়া যায় ,
অ্যাপটিতে রেলের সময়সূচি, টিকিটের মূল্য , অনলাইনে ও এসএমএসে টিকিট কাটার সুবিধা, টিকিটের মূল্যসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে। ঈদের সময় ট্রেনের সিডিওল ঠিক থাকে না তাই যাত্রীদের  ঘন্টার পর ঘন্টা ষ্টেশনে অপেক্ষা করতে হয় ট্রেনের জন্য , এই ভোগান্তি দূর করবে
এই অ্যাপ , অ্যাপ এ  ট্রেন ট্রেকিং  মেনুতে  গিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনে ক্লিক করলেই আপনাকে ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জানিয়ে দিবে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে । এ ছাড়াও ঈদের সময় ট্রেনে যাত্রার সময়  কোনো সমস্যায় পড়লে  প্রতিটি ট্রেনের ও ষ্টেশনের কর্তব্যরত  পুলিশ অফিসারের
ফোন নাম্বার দেওয়া রয়েছে এই অ্যাপের মধ্যে ,এক ক্লিকেই ফোন করে সাহায্য চাইতে পারেন । মোবাইলে কিভাবে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করবেন তার বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে এই অ্যাপ এ  । অ্যাপটি ইতিমধ্যে  পাঁচ লক্ষের কাছাকাছি ডাওনলোড হয়েছে , আমরা আশা করছি অনলাইনের
জন্য নির্ধারিত সকল টিকিট পেতে সকলকে সাহায্য করবে এই অ্যাপ । আপনাকে সাহায্য করতে পারাটাই আমাদের আসল উদ্দেশ্য ।  এন্ড্রয়েড  মোবাইলের জন্য অ্যাপটি  ডাওনলোড  করতে পারেন।  ডাওনলোড  লিংকঃ  https://goo.gl/4kuLBr
সবার যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক ।

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org