শুভাশিসের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি নিয়ে মাশরাফী স্বাভাবিক আচরণ করলেও, তার ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হৈ-চৈ শুরু করেছেন। রীতিমতো ইভেন্ট খুলে শুভাশিসের বিচার দাবি করা হচ্ছে। এসব দেখে সংবাদ সম্মেলনের পর ভিডিওবার্তায় এসে আরেকবার ক্ষমা চেয়ে সবাইকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে অনুরোধ করেছেন মাশরাফী।

‘আমি হাতজোড় করে বলছি বাড়াবাড়ি করবেন না। জিনসটা বেশি বাড়তে দিয়েন না। তাহলে সেটা শুভাশিস কিংবা আমার; কারো জন্যই ভালো হবে না।’ ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন মাশরাফী।

বুধবার চিটাগাং ভাইকিংসের বিপক্ষে রংপুর রাইডার্সের রান তাড়ার ১৭তম ওভারে ঘটনাটি ঘটে। শুভাশিসের করা ইয়র্কর ডিফেন্স করেন মাশরাফী। নিজের বলে ফিল্ডিং করেই স্ট্রাইক প্রান্তে বল ছুঁড়তে উদ্যত হন তরুণ পেসার। তখন মাশরাফী শুরুটা করেন। ইশারায় বললেন, ‘ফিরে যা’।

মাশরাফীর দিক থেকে এমন বার্তা পেয়ে শুভাশিস তেড়ে আসেন। সতীর্থরা থামানোর চেষ্টা করলে আরও বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

মাশরাফী সংবাদ সম্মেলনের পর ভিডিওবার্তায়ও বলেন, ‘আমি শুরু করেছিলাম বলেই শুভাশিস অমন আচরণ করে। ভুলটা আমারই। ও আমার ছোট ভাইয়ের মতো। এক সঙ্গে আমরা অনেক লড়াই করে বাংলাদেশের হয়ে খেলছি। ভবিষ্যতেও খেলবো। তাই মাঠের বিষয় নিয়ে এত হৈ-চৈ করার কিছু নেই।’

ফের একসঙ্গে মাশরাফি ও শুভাশিস ফেসবুক লাইভে এসে আরেকটি ভিডিও বার্তা দেন ।

সাকিব আল হাসান আবারও দুই হাত ভরে এনে দিয়েছে বিজয়। দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সাকিব তাঁর নিজের শীর্ষ স্থানের সম্মান অটুট রাখছে। এদিকে ঢাকা ২য় ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে ৬৫ রানের এক বিশাল জয় পেল।

খেলোয়াড়দের ব্যাটিং ছিল দেখার মত! ঢাকার বোলিং ছিল অসাধারণ। সত্যি ঢাকা এক নতুন চমক দিয়েছে দর্শকদের। এই বিজয়ে সাকিব আল হাসানের অবদানের কথা অস্বীকার করা যাবেনা।

এদিকে এই বিজয় নিয়ে সাকিব আল হাসান তাঁর ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন, ঢাকা ডায়নামাইটস এর সামনে খুলনা টাইটানস এর নিরুপায় আত্মসমর্পণ।স্ক্রিণশর্টটি সাকিব আল হাসানের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া।

 

একেই হয়ত বলে প্রকৃত নেতা। অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরও মহেন্দ্র সিং ধোনি ভারতের অধিনায়ক হিসেবেই আছেন! বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি তার ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করেন।

বাইশ গজে নীল জার্সির দুই ক্রিকেটারের রসায়ন সত্যিই ঈর্ষনীয়। ডিআরএস নেওয়ার আগে একবার অন্তত ধোনির দিকে তাকাতে ভুল করেন না কোহলি। ফলও পাওয়া যায় হাতে নাতে। শুধু ডিআরএস, নয় কোহলি অনেক বিষয়েই নির্ভর করেন সাবেক অধিনায়কের ওপর।

সম্প্রতি ‘ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়ন্স’ নামের এক চ্যাট শোতে অতিথি হিসেবে এসে ধোনিকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দেন কোহলি। ওয়ানডে ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কোন ব্যাটসম্যানের সঙ্গে বাইশ গজে পার্টনারশিপ বেশি স্ট্রং? জবাবে রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ানদের সঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন ভারত অধিনায়ক। তবে বাইশ গজে ধোনির সঙ্গে জুটি বাঁধাকে ওপরের দিকে রাখলেন তিনি।

ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দ্রুত রান তোলার সময় উল্টো দিকে ধোনি ভাই থাকলে কোনো চিন্তা করতে হয় না। এমনকী উনি যদি কোনোক্ষেত্রে ২ রান নিতে বলেন, চোখ বুঝে ওনার সিদ্ধান্তের উপর ভরসা করি।

আমি জানি ঠান্ডা মাথায় উনি মুহূর্তেই একটি সিঙ্গেলকে ২ রানে পরিণত করতে পারেন। ‘

এখানেই না থেমে কোহলি আরও বলেন, ‘ক্যাপ্টেনসি ছাড়ার পরও মাঠে ধোনির মতামত দশের মধ্য আটবার কাজে লেগে যায়। তার মতে ঠাণ্ডা মাথার ক্রিকেটার বিরল। কঠিন বিপদের মাঝেও মাথা ঠাণ্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক অসাধারণ গুণ আছে তার মধ্যে।

 

Australia player Glenn Maxwell says that Australia want to negate the impact that Bangladesh’s Shakib Al Hasan and Mustafizur Rahman can have on the Test series beginning on August 27. While Bangladesh have not played a Test series against Australia in 11 years, however Maxwell knows about Mustafiz and Shakib’s abilities.“Mustafiz is obviously an exceptional bowler we faced during the IPL, in that first big breakthrough season. Obviously, his pace sort of dropped off with the extra workload.“He is still an outstanding bowler – he still got the ability to swing it and he has got an unbelievable change up with the slower ball.He also stated that Mustafizur’s cutters were difficult to read due to his flexible wrist work.Regarding  Shakib he said: “He is a really experienced player – been number one for all-rounders for a while and he is an excellent cricketer.“They are two guys who we have to play really well to try and negate their influences on the Test series,” Maxwell concluded.


ঢাকা, ৪ আষাঢ় (১৮ জুন ) : বাংলাদেশ ক্রিকেট এসোসিয়েশন ফর দ্য ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড এর সভাপতি অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের নেতৃত্বে ৬ (ছয়) সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদারের সাথে তার সচিবালয়স্থ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা প্রতিমন্ত্রীর হাতে সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অর্জিত চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি হস্তান্তর করে।
উল্লেখ, গত ১৬-২০ এপ্রিল, বাংলাদেশ ক্রিকেট এসোসিয়েশন ফর দ্য ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল মাঠে বাংলাদেশ, ভারত এবং শ্রীলংকা দলের অংশগ্রহণে ত্রি-দেশীয় ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রতিনিধিদলে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট এসোসিয়েশন ফর দ্য ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড এর সহ-সভাপতি ডা. মো. আমিনুল ইসলাম, মেজর (অব.) ইয়াদ আলী ফকির, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদুর রহমান, নির্বাহী সদস্য মো. নজরুল ইসলাম এবং কোচ এ কে এম জসিম উদ্দিন।

ক্রিকেটে প্রতিনিয়তই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও যোগ হয়েছে নতুন প্রযুক্তি ‘ব্যাট সেন্সর’। ব্যাটের হ্যান্ডেলের শীর্ষবিন্দুতে বসানো থাকবে একটি ‘সেন্সর’। যা দিয়ে ব্যাটসম্যানদের ‘ব্যাট স্পিড’ ও শট খেলার আগে ‘ব্যাক লিফটের’ অ্যাঙ্গেল বোঝা যাবে। এটা থেকে টিভির দর্শকরা ব্যাটসম্যানের ব্যাটের শটের প্রকৃতি বুঝতে পারবেন। এছাড়া ব্যাটসম্যান নিজেও পরে ভিডিও দেখে নিজের ভুল শুধরে নিতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবার খেলোয়াড় ব্যাটে এই পুযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তবে প্রতি দল তেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড় ‘ব্যাট সেন্সর’ ব্যবহার করতে পারবে। ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস, বেন স্টোকস; ভারতের রোহিত শর্মা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এরই মধ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা নিশ্চিত করেছেন। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসাইন নতুন এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে উচ্ছ্বসিত।  বলেন, ‘আমরা ধারাভাষ্য দেয়ার সময় অনেকবার ব্যাট স্পিড নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু এটার পরিমাপ কখনোই করতে পারিনি। এই নতুন প্রযুক্তির কারণে সব তথ্য জানতে পারব এবং সবাইকে দেখাতেও পারব।’ এই প্রযুক্তি থাকলে নিজের ক্যারিয়ারে লাভবান হতেন বলেও জানান নাসের, ‘যখন আমি প্রথমবার ইংল্যান্ডের হয়ে খেলি তখন টিভিতে নিজের খেলা দেখিনি। আউট হয়ে ফেরার পর জিওফ্রে বয়কট আমার ওপর ক্ষেপে গিয়ে বলেছিলেন, ‘নাসের তুমি ওপেন ব্যাটে রান নাও না কেনো?’ এই প্রযুক্তি তখন থাকলে উপকারই হতো। এখনকার দিনের কথা বলি, জেসন রয়ের কথাই ধরুন। ২-৩ বছর আগেও যদি এই প্রযুক্তি থাকতো তাহলে সে অনুশীলনের সময় আগের ডাটাগুলো দেখে ভুল শুধরে নিতে পারতো।’