November eighteen, 2017

যশোরে প্রতারক এক যুবকের ফাঁদে পড়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের এক স্কুলশিক্ষিকাকে হোটেলে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশের অভিযানে ওই যুবক ধরা পড়ে। তাকে আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যশোর কোতোয়ালি থানার মাইকপট্টি কেশব লাল রোডের একটি হোটেল থেকে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার করেন তারিকুল ইসলাম নামের ওই যুবককে।

অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, ফেসবুকে স্কুল শিক্ষিকার বন্ধুত্ব হয় যশোরের খালিশপুর এলাকার তারিকুল ইসলামের সঙ্গে। বন্ধুর আহ্বানে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম থেকে যশোরে ছুটে যান ওই শিক্ষিকা। এরপর রূপ পাল্টে ফেলেন তারিকুল ইসলাম।

ওই শিক্ষিকাকে যশোর কোতোয়ালি থানার মাইকপট্টি কেশব লাল রোডের একটি হোটেলে মঙ্গলবার রাতভর আটকে রেখে। বুধবার সকালে ওই যুবক শিক্ষিকার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবার পুলিশকে বিষয়টি জানায়। ওই দিন পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যুবকটির অবস্থান নির্ণয় করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যশোর গিয়ে অভিযান চারিয়ে আটকে রাখা শিক্ষিকাকে উদ্ধার করা হয়।

ওই শিক্ষিকা আগ্রাবাদ এলাকায় একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকতা করেন। এর বাইরে আর কোন তথ্য দিতে রাজি হননি অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক। তবে প্রতারক যুবক তারিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, তারিকুল ইসলাম ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে একাধিক ফেসবুক আইডি খোলেন। তার সম্পর্কে না জেনে-শুনে চলে যান স্কুলশিক্ষিকা। এ রকম ভুয়া নাম ঠিকানা দিয়ে অনেকে ফেসবুকে আইডি খুলেছে। যাদের সম্পর্কে না জেনে তাদের কাছে চলে যাওয়া মোটেও ঠিক নয়। এ ব্যাপারে তরুণীদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

 

শিশু তাওসিফকে গুলশানের পুলিশ প্লাজা শপিংমল থেকে বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে অপহরণ করা হয়েছিল। এরপর অপহরণকারীরা তাকে মধ্যে কুনিপাড়ার একটি বাসায় আটকে রেখে পরিবারের কাছে দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোমিন আহমেদ তার স্ত্রী নাজমুন আক্তার এবং শিশু তাওসিফুর রাহিমকে (৬) নিয়ে পুলিশ প্লাজায় কেনাকাটা করতে যান। এ সময় হঠাৎ করেই বাবা-মায়ের চোখের আড়াল হয়ে যায় তাওসিফ। বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর তাওসিফকে না পেয়ে শপিংমলের পুলিশকে জানান তারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলশান থানা পুলিশ শপিংমলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানতে পারে এক যুবক শিশুটির সাথে কথা বলছে। এরপর গত শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ ও গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের গুলশান জোনাল টিম যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিশুকে উদ্ধারসহ তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলোñ রুবেল রানা, শিপন শেখ ও সাগর।

পুলিশ জানায়, অপহরণকারীরা একটি সঙ্ঘবদ্ধচক্র। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের সাথে আর কারা জড়িত সেটাও খুঁজে বের করা হবে।

গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি শেখ নাজমুল আলম।

তিনি বলেন, অপহরণের পর শিশু তাওসিফকে অপহরণকারীরা মধ্য কুনিপাড়ায় একটি বাসায় আটকে রাখে। শিশুটি বাবার মোবাইল নম্বর মুখস্থ করে রেখেছিল। তার কাছ থেকেই নম্বর পেয়ে অপহরণকারীরা দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাইতে মোমিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করে। শিশুটির মেধা অপহরণকারীদের গ্রেফতারে সহায়তা করেছে।

পুলিশ কর্মকর্তা শেখ নাজমুল আলম বলেন, অপহরণকারীরা শনিবার ভোর ৪টায় র্যাংগস ফ্লাইওভারের নিচে মুক্তিপণের জন্য আসে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আগে থেকেই ছদ্মবেশে তেজগাঁও-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোয়েন্দারা এগিয়ে গেলে একটি প্রাইভেটকার থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গুলি করে পালিয়ে যেতে চায় অপহরণকারীরা। পুলিশ নিজেদের আত্মরক্ষার্থে পাঁচ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে অপহরণকারী দলের একজন গাড়ি থেকে নিচে পড়ে যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল রানা জানায়, শিশু তাওসিফ হাতিলঝিল সংলগ্ন মধ্য কুনিপাড়ার একটি বাসায় আরো দুইজন অপহরণকারীর হেফাজতে রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে গোয়েন্দা দল ওই বাড়িতে গিয়ে অপর দুই অপহরণকারীসহ তাওসিফকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। অপহরণকারী চক্রের অপর সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলায়েন অল্পের জন্য গুলিবিদ্ধ না হলেও গুরুতর আহত হন বলেও জানান শেখ নাজমুল আলম। গতকাল পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে শিশু তাওসিফের বাবা মোহাম্মদ মোমিন আহমেদ সন্তানসহ উপস্থিত হয়ে পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।

দুদকের ফাঁদে ধরা পড়লেন ওয়াকফ প্রশাসনের কর্মকর্তা

দুদকের ফাঁদে ধরা পড়েছেন ওয়াকফ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা। গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে ওয়াকফ প্রশাসনের কার্যালয় থেকে ঘুষ নেয়ার সময় সহকারী পরিচালক মোতাহার হোসেন খানকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের হটলাইন (১০৬) নম্বরে সাধারণ একজন নাগরিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাঁদ পেতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঘুষের ৫০ হাজার টাকাসহ ওয়াকফ প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা মোতাহারকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি বিশেষ দল। এ বিষয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের (ঢাকা-১) উপসহকারী পরিচালক নাজিম উদ্দীন বাদি হয়ে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জের বাঘৈর জামে মসজিদের মোতোয়াল্লি কমিটির সদস্য ফারুক হোসেন দুদকের হটলাইন নম্বরে (১০৬) ফোন করে অভিযোগ করেন, ওয়াকফ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মোতাহার হোসেন তার কাছে একটি কাজের জন্য পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। এর পর দুদক কর্মকর্তারা তার সাথে কথা বলে ফাঁদ পাতেন। সে অনুযায়ী গতকাল অভিযোগকারী ফারুক হোসেন ওই কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে ওই কার্যালয়ে যান। দুদকের বিশেষ দলের সদস্যরাও তাকে অনুসরণ করে ওয়াকফ কার্যালয়ের চার দিকে ওঁৎ পেতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নিজের কার্যালয়ে বসে মোতাহার হোসেন যখন ঘুষ নিচ্ছিলেন তখন দুদকের লোকজন তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

ঢাকাগামী একটি লঞ্চ থকেে
অভযিান চালয়িে কোস্টর্গাড একটি মামলার ৩ আসামীসহ ৫ জনকে গ্রফেতার করে থানায়
সোর্পদ করছে।গোপন সংবাদরে ভত্তিতিে গতকাল তজুমুদ্দনি ও তমরুদ্দি কোস্টর্গাড
মনপুরা এলাকা থকেে গ্রফেতার করে রাত ১১টায় হাতয়িা থানায় সোর্পদ করলে থানা
পুলশি আজ রববিার র্কোট হাজতে চালান কর।আটককৃতরা হলো হাববিুর রহমান (৫০),
খললিুর রহমান(৪৫), সাহাব উদ্দনি(৩০), সরিাজ উদ্দনি(৫০) ও কামরুল ইসলাম(৩৫)।
এদরে সবার বাড়ি সোনাদয়িা ইউনয়িনে ও মালয়শেয়িা বাহনিীর সদস্য।
তমরুদ্দি স্টশেন ক্যাম্পরে ল.দবোয়ন চক্রর্বতী জানান, গোপন সংবাদরে
ভত্তিতিে এদরে গ্রফেতার করে গতকাল রাত ১১ টায় হাতয়িা থানায় সোর্পদ করা হয়ছে।ে
হাতয়িা থানার ওসি (তদন্ত) জাকরি হোসনে জানান, হাববিুর রহমান (৫০), খললিুর
রহমান(৪৫) ও সাহাব উদ্দনি(৩০) হাতয়িা থানার একটি মামলার আসামী ও অন্য ২ জনকে
৫৪ ধারায় আজ র্কোট হাজতে চালান দওেয়া হয়ছে।


হাফিজ সেলিম, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) ঃ মাদক ব্যবসা ও সেবনের প্রতিবাদ করায় উলিপুরে এক প্রতিবেশীর মৎস্য খামারে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ নিধন করেছে। এ ঘটনায় খামার মালিক বাদী হয়ে উলিপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার রামদাস ধনিরাম গ্রামের মৃত গোফরান উদ্দিন সরদারে পুত্র উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্য চাষী ওয়াদুদ সরদার রোকন পূর্ব কালুডাঙ্গা গ্রামে সাড়ে ৩ একর জমিতে মৎস্য খামার তৈরী করে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভাবে মাছ চাষ করে আসছেন। ওই খামারের পার্শ্বের পুকুর মালিক একই গ্রামের মৃত ছামছুল হক সরদারের পুত্র সারওয়ার সরদার মাছ চাষের অন্তরালে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জরিত বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি এর প্রতিবাদ করায় সারওয়ার সরদার ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়াদুদের মৎস্য খামারে গত সোমবার (০৯ অক্টোবর) গভীর রাতে বিষাক্ত রাসায়নিক জাতীয় তরল পদার্থ প্রয়োগ করলে এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ক্ষতি সাধন হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ওয়াদুদ সরদার বাদী হয়ে উলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য খামারটি পরিদর্শন করেছেন।
এ ব্যাপারে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্তধীন আছে।

জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
দৌলা হত্যার ৩ বছর পূর্তিতে যুবলীগ আয়োজিত স্মরণসভায়
এমপি ইমরান আহমদ

শোয়েব উদ্দিন,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি
জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাবেক সাধারণ মুখলিছুর রহমান দৌলা ছিলেন সাধারণ মানুষের অত্যন্ত আপন জন। শ্রমজীবী মানুষের সুখে দুঃখে তার জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। দীর্ঘ আঠারো বছর তিনি জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি এ সংঠন কে শক্তি শালী করেছেন। অবিলম্বে দৌলা হত্যার বিচার খুনিদের ফাসি দাবি করে তিনি বলেন দৌলা হত্যার তিন বছর পরও বিচার না হওয়ায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ এর উদ্যোগে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মরহুম মুখলিছুর রহমান দৌলা’র তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে জাতীয় সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ’র সহ সভাপতি ইমরান আহমদ একথা বলেন।
বুধবার বিকাল ৩টায় জৈন্তপুর উপজেলার ঐতিহাসিক বটতলায় উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন’র সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিন’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য শাহাদত রহিম, সিলেট জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি প্রকৌশলী এজাজুল হক এজাজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামাল আহমদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি আইউব আলী, এখলাছুর রহমান, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কাশেম আনোয়ার শাহাদাৎ, শামসুল আলম, জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা উপাধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, আলহাজ্ব আলাউদ্দিন, আব্দুল কাদির, হাসিনুল হক হুসনু, মানিক দে, নিপেন্দ্র কুমার দে, নিপেন্দ্র কুমার দাস, সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব আতাউর রহমান, জৈন্তাপুর উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ফারুক আহমদ, কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক শামীম আহমদ, নিজপাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, চারিকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, সিলেট জেলা ছাত্র লীগের সাবেক স্কুল বিষয়ক সম্পাদক হোসাইন আহমদ, জমশেদ আলী, জালাল উদ্দিন, শহীদ আহমদ, জাকারিয়া মাহমুদ, কয়ছর আহমদ, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শাহিনুর রহমান, যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য এবাদুর রহমান, মাসুদ আহমদ, সুমন আহমদ, রাসেল আহমদ, নসির আহমদ, নির্মল দেবনাথ, জালাল উদ্দিন, নিক্সন দে, শামীম আহমদ, বাদশা মিয়া, জুয়েল আহমদ ডালিম, কামরান আহমদ, লুৎফুর রহমান, সুলতান মাহমুদ টিটন, শ্রমিক লীগ নেতা আলতাফ হোসেন, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এরশাদ চৌধুরী, দুলাল আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আহমদ, মির্জান আহমদ রুবেল, পাপলু দে, মাহবুবুর রহমান সবুজ, মাইনুল হোসেন বীর, মনসুর আহমদ প্রমুখ।

SAMSUNG CAMERA PICTURES

এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ভুয়া ক্লিনিক মালিক আ’লীগ নেতা গ্রেফতার, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, আবাসিক এলাকায় ক্লিনিক বন্ধের দাবী এলাকাবাসীর।
বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মোহাম্মদ আলম হোসেন পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ড উত্তরা আবাসিক এলাকায় গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় পেসেন্ট কেয়ার হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে সঠিক কাগজপত্র, ডাক্তার ও নার্স না থাকায় ক্লিনিকটি সাময়িক বন্দ করে ক্লিনিক মালিক আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ সফিকুল ইসলাম সফিক (৩৫) কে আটক করে। এসময় ক্লিনিক মালিক ভুল স্বিকার করে সঠিক কাগজ পত্র না হওয়া পযর্ন্ত ক্লিনিকটি বন্ধ রাখার কথা জানিয়ে আদালতের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিলে ভ্রাম্যমান আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
উল্লেখ্য, ক্লিনিক মালিক সাতোর ইউনিয়নের ২৮মাইল এলাকার আলহাজ¦ সুলতান আহাম্মেদের পুত্র, তার বিরুদ্ধে ১২ সেপ্টেম্বর আবাসিক এলাকার ক্লিনিক না করার দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এলাকাবাসী অভিযোগ দাখিল করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করে সঠিক কাগজ পত্র না হওয়া পযর্ন্ত ক্লিনিকটি চালু না করার নির্দ্দেশ দিলে প্রশাসনকে বৃদ্ধাংগুল দেখিয়ে গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বীরগঞ্জ মহিলা কলেজ মাঠে এক অনুষ্ঠানে ফুলের নৌকা তুলে দিয়ে জামায়াত হতে আওয়ামী লীগে যোগদান করে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োমিত সিজার সহ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো।

এস,এম মনির হোসেন জীবন : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের সিট কভারের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় সাড়ে চার কেজি সোনার বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিম কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে ১১৬ গ্রাম ওজনের ৪০টি সোনার বার রয়েছে। উদ্ধারকৃত সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সোনা উদ্বারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান নম্বর (বিএস-৩২২) এর ১১ এ ও ১১ বিম্বর সিটের ভেতর থেকে এসব সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিমের সহকারী কাস্টমস কমিশনার (এসি) মো: সাইদুল ইসলাম আজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিমের এসি মো: সাইদুল ইসলাম আজ জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের (বিএস-৩২২) নম্বরের বিমানটি মাস্কাট থেকে ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। তখন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিমের কর্মকর্তারা মাস্কাট থেকে আসা ওই ফ্লাইট রামেজিং করা হয়। রামেজিং এর অংশ হিসেবে আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে বিমানের বিভিন্ন স্থান তল্লাশির একপর্যায়ে সিটের ভেতরে শক্ত ধাতব বস্তু থাকার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সিটের নরম ফোম ওঠানোর পর দেখা যায় কালো স্কচটেপ মোড়ানো দ’ুটি বান্ডিল পরে আছে। বান্ডিল দুটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বিমানবন্দরের কাস্টম হলে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে স্কচটেপ মোড়ানো ১০ তোলা ওজনের ৪০ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সোনা উদ্বারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। এঘটনায় ঢাকা কাস্টম হাউসের পক্ষ থেকে ডিটেনশন (ডেমো) করে সোনা গুলো তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

রাখাইনের আকাশে এখন ঘন ঘন চক্কর দেয় না সামরিক হেলিকপ্টার। সেনারা যত্রতত্র গুলিবর্ষণ করছে না।রোহিঙ্গা বসতি লক্ষ্য করে ছুড়ছে না রকেট লঞ্চার ও বোমা। রোহিঙ্গাদের দেখলে আগে যেমন সেনারা হামলে পড়ত, সে রকম ভয়ংকর দৃশ্যও নেই। নির্যাতন-নিপীড়নের ধরন পাল্টে গেছে। সেনারা এখন দৃশ্যমান নির্যাতনের পথ পরিহার করে নীরব নির্যাতন চালাচ্ছে। ২৫ আগস্টের পর রোহিঙ্গা বসতিতে ঘরে ঘরে গিয়ে সেনারা নারীদের গণধর্ষণ করত। এখন সেনা ক্যাম্পেই সুন্দরী নারীদের সরবরাহ করতে অলিখিত ফরমান জারি করা হয়েছে। আদেশ অমান্য করলে পরিণতির জন্য রোহিঙ্গাদের প্রস্তুত থাকতে বলার পর থেকেই আবারও সীমান্তে রোহিঙ্গার ঢল নেমেছে। গতকাল মঙ্গলবার সীমান্ত এলাকা ঘুরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে এসব।

রাখাইনের বুচিদং টাউনশিপের কুয়াইনডাইং রোয়াজি নামের গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম (৪৪) ও তাঁর স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪০) দম্পতি তাঁদের আট সন্তান নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার পালংখালী এসে পৌঁছেন।

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের গয়ালমারা এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পাশের একটি গাছের ছায়ায় আরো বেশ কিছু দেশত্যাগী রোহিঙ্গার সঙ্গে বসে ছিলেন এই দম্পতি। সবেমাত্র নাফ নদের আঞ্জুমান প্যারা ঘাট এলাকা থেকে হেঁটে মহাসড়কে উঠেছেন। চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ। কালের কণ্ঠ’র প্রতিবেদক যখন রোহিঙ্গা পরিবারটির সঙ্গে আলাপ করছিলেন তখনই একজন সেনা সদস্য এগিয়ে এসে নাম-পরিচয় জেনে নিচ্ছিলেন। সেনা সদস্য দেখে রোহিঙ্গা পরিবারের সদস্যরা প্রথমে হতবিহ্বল হলেও পরে বুঝতে পারে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের সেবায় নিয়োজিত।

এত দিন ধরে জ্বালাও-পোড়াও চলেছে, কিন্তু তখন আসা হয়নি। আর এখন রাখাইনে এক ধরনের শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এখন কেন এলেন? এমন প্রশ্ন শুনেই রোহিঙ্গা আবদুস সালামের স্ত্রী রোকেয়া জানান—‘বদ্দারে, এই মাইয়াগুন যদি ন থাইত তইলে আঁই মরি গেইলও এডে ন আইতাম। মাইয়াগুনর ইজ্জত বাঁচাইবাল্লাই এডে আস্যিদে। ’ অর্থাৎ ‘বড় ভাইরে, আমার এসব মেয়ে যদি না থাকত তাহলে আমি মারা গেলেও এখানে আসতাম না। মেয়েদের ইজ্জত বাঁচাতেই এখানে আসা। ’ সালাম-রোকেয়া দম্পতির আট সন্তানের মধ্যে সাতজনই মেয়ে। বড় মেয়ের বয়স ২২ বছর এবং কনিষ্ঠ যমজ এক মেয়ে ও এক ছেলের বয়স মাত্র ১১ মাস। ১৯৯১ সালে প্রথমবার পালিয়ে আসার পর ১৯৯৪ সালে ঘুমধুম ২ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে দুজন বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৯৬ সালে ফিরে যান। বিয়ের ২৩ বছরের মাথায় এই দম্পতি আটটি সন্তান নিয়ে গতকাল আবারও এসেছেন বাংলাদেশে।

রোকেয়া বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী আর্মি টেরাং  (সেনা ক্যাম্প) থেকে নতুন ফরমান জারি করা হয়েছে। তারা বলেছে, প্রতি পাড়া থেকেই ৫০ জন করে সুন্দরী নারী ক্যাম্পে সরবরাহ করতে হবে। গ্রামের চেয়ারম্যান (ওকাট্টা) রফিউল কাদেরকে সেনা ক্যাম্পে ডাকা হয়েছিল। সেনা ক্যাম্প থেকে চেয়ারম্যানকে এমন ফরমান জারি করা হয়। চেয়ারম্যান ক্যাম্প থেকে ফিরে গ্রামের যে ঘরে তরুণী মেয়ে রয়েছে তাদের গৃহকর্তাকে গোপনে ডেকে সেনা ক্যাম্পের ফরমানের কথাটি জানিয়ে দেন। গত ২ অক্টোবর রাতে চেয়ারম্যান সেনা ক্যাম্পের ফরমানের গোপন কথাটি জানানোর পরের দিন ভোরেই সালাম-রোকেয়া দম্পতি বাংলাদেশের দিকে রওনা হন। রোকেয়া বেগম বলেন, ‘এমন খবর শুনে রাতে আর ঘুমাতে পারিনি। ’ তিনি জানান, কমপক্ষে সাত-আট দিন রাস্তায় থাকতে হবে অনুমান করে এমনভাবেই খাবারদাবারের ব্যবস্থা করছিলেন সারা রাত ধরে।

ভাত রান্না করে সেসব যাতে গন্ধ না হয় সে জন্য তেলে ভেজে নেন তিনি। কোরবানির যে গরুর মাংস ছিল সেসব কালো ভুনা করে নেওয়া হয়। প্রচুর পরিমাণ স্যালাইন নেওয়া হয় সঙ্গে। দুগ্ধপোষ্য যমজ সন্তানদের জন্যও দুধের বিকল্প নেওয়া হয়। নাশতাও নেওয়া হয় প্রচুর। রোকেয়া বলেন, তিনি অত্যন্ত পরিকল্পনামাফিক বের  হয়েছিলেন ঘর থেকে। টানা সাত দিনের হাঁটাপথের সীমানা নাফ নদের তীরে এসে পৌঁঁছার সঙ্গে সঙ্গে খাবারও শেষ হয়ে যায়, বলেন রোকেয়া।

মিয়ানমার সেনাদের নীরব নির্যাতনের কাহিনি জানাতে গিয়ে রোকেয়া বলেন, তাঁর স্বামীর এক বড় ভাইয়ের শিশুসন্তান ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। তার জন্য ওষুধ আনা হচ্ছিল বাজার থেকে। পথে তল্লাশি করতে গিয়ে সিরাপের বোতল পেয়ে সেনারা বোতলটি বুটের তলায় পিষ্ট করে, আর বলে ওষুধ সেবনের কোনো দরকার নেই। এখন দরকার মৃত্যু। রোকেয়া জানান, মিয়ানমারের সেনারা প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গাদের মৃত্যু কামনা করে থাকে।

রাখাইনের মংডুর বালুখালী থেকে পালিয়ে এসেছেন মোস্তফা খাতুন ও সোনা মিয়া দম্পতি। তাঁদের তিন কন্যা। সোমবার রাতে নাফ নদ পাড়ি দেন তাঁরা। নিজেদের মৃত্যুর ভয় অনেক আগেই কেটে গেছে। এসেছেন কেবল তাঁদের তিন কন্যার ইজ্জত বাঁচাতে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেনা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নারী সরবরাহের ফরমানটি রাখাইনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায়। এত দিন যারা সাহসের সঙ্গে রাখাইনের ঘরদুয়ারে বা বন-জঙ্গলে লুকিয়ে ছিল তারা খবরটি শোনার পর পালিয়ে আসতে শুরু করেছে।

সেনাদের ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে আরো আছেন বুচিদং লইংচং গ্রামের নবদম্পতি জিয়াউর রহমান (১৮) ও আয়েশা বেগম (১৫)। তাঁরা ১০ দিন ধরে দুর্গম পাহাড়ের ফাতেহার ঢালা নামের একটি গহিন জঙ্গলে অবস্থান নিয়েছিলেন। নিরাপত্তা বাড়াতে পরে একসঙ্গে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা একত্র হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে আসে। নতুন আসা রোহিঙ্গারা জানায়, পথে পথে তারা অনেক স্থানে সেনা সদস্যদের মুখে পড়েছে কিন্তু কেউ তাদের তেমন উচ্চবাচ্য করেনি। উল্টো অনেকেই নাকি আবার জানতে চেয়েছে, তোমাদের তো কিছু করা হচ্ছে না—কেন পালিয়ে যাচ্ছ? রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, এখনো অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের পথে রয়েছে।

দিলিপ চৌহান, পত্মীতলায় (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ পত্মীতলায় থানা পুলিশ মঙ্গলবার উপজেলার মোবারকপুর ও আমাইড় অষ্টোমাত্রা ত্রি-মাহনী মোড়ে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ২শ পিচ ইয়াবা ও ১৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জনকে আটক করেছে।
থানা সুত্রে জানাগেছে এস.আই সমেজ আলীর নের্তৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স মঙ্গলবার সকাল আনুঃ ৯টায় উপজেলার মোবারকপুর কাঁচা রাস্তার সন্নিকটে অভিযান চালিয়ে জয়পুরহাট জেলার ভাদসা পশ্চিম পাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক শেখের পুত্র আলতাফ হোসেন (৪০) কে ২শ পিচ ইয়াবা সহ আটক করে। অপরদিকে একইদিন দিবাগত রাত আনুঃ সাড়ে ১২টায় এস.আই আব্দুর রহমানের নের্তৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার আমাইড় অষ্টোমাত্রা ত্রি-মাহনী মোড়ে অভিযান চালিয়ে অষ্টোমাত্রা এলাকার মৃত কায়েশ উদ্দীনের পুত্র বেলাল হোসেন (৪০) কে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক করে।
পত্মীতলায় থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার আটক দু’জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পতœীতলা থানায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে।


ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩নং সাগান্না ইউনিয়নের সাগান্না মৎস্য পাড়া নামক স্থানে পূর্ব শক্রুতার জেরে পুকুরে বিষ দিয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকা মুল্যের বিভিন্ন জাতের মাছ মেরে দিয়েছে কে বা কারা। এ বিষয়ে মাছ চাষি মহিউদ্দীন জানান প্রতিদিনের মত আজ সকালে পুকুরে গিয়ে দেখি সব রকমের মাছ মরে ভেসে আছে । তিনি আরো বলেন,কিছুদিন আগেও তার অন্য একটা পুকুরে একই ভাবে কে বা কারা বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলেছিল । স্থানীও অনেকে বলেন, মহিউদ্দীন একটা গরীব মানুষ,লোন করে পুকুর চাষ করে তার সংসার চালাই। কাতলামারী ফাড়ি ইনচার্জের সাথে এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায় ক্ষতিগ্রস্থ মহিউদ্দীন লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।