Category: ক্রাইম রিপোর্ট

রাজাপুরে শিশু ধর্ষন এবং ২টি ধর্ষনের চেষ্টা অভিযোগ

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরে ৮ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। গত সোমবার উপজেলার শুক্তাগড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতা শিশুটি ৮৫ নং শুক্তাগড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ও সাকরাইল গ্রামের হুমায়ুন সিকদারের মেয়ে। শিশুটি গত তিন দিন যাবত স্কুলে যেতে রাজি না হওয়ায় কারন জানতে চাইলে সে তার মাকে জানায়, গত সোমবার স্কুল ছুটির পর তার সহপাঠিদের সাথে বাড়ি আসার পথিমধ্যে শুক্তগড় গ্রামের মৃত আঃ মালেকের ছেলে ইউনুচ হোসেন (৪৫) পথরোধ করে এবং স্কুল পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের দাওয়া করলে সবাই পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তাকে ধরে ফেলে এবং পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষন করে এবং একথা কারো কাছে বললে তাকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। পরে শিশুটির মা ঘটনাটি এলাকাবাসির কাছে জানালে তারা ইউনুচকে খুজতে গেলে সে পালিয়ে যায়। এঘটনায় এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মাকসুদা বেগম বলেন, এঘটনা অতি দুঃখ জনক। এ কারনে তার স্কুলের ছাত্রীরা আতংকিত হয়ে পরেছে এবং উপস্থিতির সংখ্যা একেবারে কমে গেছে। এলাকার ইউপি সদস্য মনির হোসেন জানায় , বৃহস্পতিবার সকালে আমি এঘটনা লোকমুখে শুনে ঐ শিশুটির বাড়িতে ছুটে যাই এবং রাজাপুর থানা পুলিশকে জানাই। রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) হারুন আর রশীদ জানান ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে, শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ঝালকাঠী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ইউনুসকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই উপজেলার অন্য এক স্কুল ছাত্রী ও এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এঘটনা স্কুল ছাত্রীর মা এবং মাদ্রাসার ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী মারুফা বেগম নিজে বাদি হয়ে রাজাপুর থানায় ভিন্ন ভিন্ন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে প্রকাশ, উপজেলার পুটিয়াখালী গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ আকনের ছেলে কামরুল আকন (৩৫) ও মৃত মোতাহার হাওলাদারে ছেলে আজম হাওলাদার (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে তার ৮ম শ্রেনী পড়–য়া মেয়েকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে কু-প্রস্তাব সহ উক্তাক্ত করে আসছে। তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তার বসত ঘরে মেয়েকে একা পাইয়া ধর্ষনের চেষ্টা করে তখন তার মেয়ের ডাক চিৎকারে বখাটেরা পালিয়ে যায়। পূনরায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তার মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে কামরুল আকন তার মেয়েকে টেনে হিচরে জোর পূবর্ক আজমের বাড়ির পূর্ব পাশের বাগানে নেয়ার চেষ্টা করে। তখন তার মেয়ের ডাকচিৎকার দিলে আসামীরা বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাইয়া পালাইয়া যায়। অপর দিকে একই গ্রামের মৃত আঃ ছত্তারের মেয়ে ও পশ্চিম পুটিয়াখালী দারুল ইসলাম সিনিয়র মাদ্রাসার ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী মারুফা বেগম প্রতিদিন মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় ঐ দুই বখাটে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। গত বুধবার দুপুরে বাড়িতে ফেরার পথে জোর পূবর্ক তাকে জড়াইয়া ধরে পাশের বাগানে নেয়ার চেষ্টা করে। অতপর তার ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এব্যাপারে রাজাপুর থানার ডিউটি অফিসার এস আই ফিরোজ আলম জানান, দু’টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

সুন্দরগঞ্জে স্বামীর লিঙ্গ কর্তন: স্ত্রী গ্রেপ্তার


আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্বামীর পুরুষাঙ্গ (লিঙ্গ) কর্তনের মামলায় স্ত্রী সায়েমা বেগম নামে ২ সন্তানের জননীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানা সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে থানার এসআই আব্দুল মোত্তালেব প্রধান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের কালীর খামার গ্রামের স্বামী শাহজাহান মিয়ার বাড়ি সায়েমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শাহজাহান ঐ গ্রামের চাঁন মিয়া ওরফে চাঁন ফকিরের পুত্র ও সায়মা বেলকা ইউনিয়নের বেকরীর চরের বসবাসকারী সালাম মন্ডলের মেয়ে।
বিভিন্ন সুত্র জানায়, শাহজাহান পেশা রাজমিস্ত্রী। সে দীর্ঘদিন ধরে এক ভাবীর সঙ্গে অবৈধ প্রেম নিবেদন অতঃপর দৈহিক মেলামেশা চালিয়ে আসায় প্রতিনিয়ত স্বামীর স্ত্রীর দ্বন্দ্ব লেগেই থাকত। এরই এক পর্যায়ে তাদের মারামারী স্বামী শাহজাহনের লিঙ্গ’র সিংহ ভাগ কেঁটে যায়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে শাহজাহান থানায় মামলা করেছে বলে জানা গেছে।

সুন্দরগঞ্জে আরডিআরএস-বাংলাদেশের ত্রাণ বিতরণ
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃগাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করেছে আরডিআরএস-বাংলাদেশ।
বুধবার উপজেলার তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কর্যালয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩শ’ পরিবারের মাঝে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করেন- জেলা পরিষদের সদস্য- এমদাদুল হক নাদিম, ইউপি চেয়ারম্যান- আমিনুল ইসলাম। এময় ছিলেন, আরডিআরএস-বাংলাদেশ’র স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের জেলা কো-অর্ডিনেটর- এনায়েত উ্ল্লাহ্। উপজেলা আরডিআরএস-বাংলাদেশের সকল কর্মকর্তাগণ। উল্লেখ্য, ত্রাণ-সামগ্রীর মধ্যে ছিল- চাল, ডাল, তেল ও খাবার স্যালাইন ইত্যাদী।

খালুর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষনের অভিযোগ

খালুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীরসখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি টাঙ্গাইলের সখীপুরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী তার খালুর দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে তার খালুর বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় ধর্ষণের মামলা করেছে।
মামলাটি আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ওই ছাত্রীকে (১৪) ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে।
গতকাল রাতে সখীপুর থানায় দেয়া ওই ছাত্রীর ভাষ্য, মাস দুয়েক আগে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নির্জন বনের ভেতরে নিয়ে তাকে প্রথমবার ধর্ষণ করেন তার খালু। গত ৭ জুলাই বাড়িতে একা পেয়ে ঘরের ভেতর ঢুকে দ্বিতীয় দফায় তাকে তার খালু ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে তাকে (ছাত্রী) মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেন খালু। পরে সে তার মা-বাবার কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। তার মা-বাবা বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুর রউফ তালুকদারকে জানান। ঘটনাটি মীমাংসার করার চেষ্টা হয়। পরে ছাত্রীর পরিবার আইনের আশ্রয় নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
ছাত্রীর মা বলেন, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে প্রথমবার ধর্ষণের শিকার হয় তার মেয়ে। এরপর থেকে তার মেয়ে আর বিদ্যালয়ে যেতে চায়নি।ইউপি সদস্য আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। দাদনের ব্যবসাও করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে কয়েকবার ডাকা হয়েছে। কিন্তু তিনি আসেননি।অভিযোগ ওঠা ব্যক্তির বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হয়। তার স্ত্রী মুঠোফোন ধরে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনছি। এটা খুবই লজ্জার। ঘটনাটি সত্য না মিথ্যা, তা বুঝতে পারছি না। তবে আমার স্বামী অপরাধ করলে আমি তার বিচার চাই।’সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষা করতে মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গাইবান্ধায় ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রাম থেকে মাদক ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম (২৬), সোহেল মিয়া (২৬) ও তাহের মিয়া (৩৯)কে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে জেলা শহরের পুলবন্দী নয়ন বিরিয়ানী হাউজের সামন বিক্রির সময় ৫শ’ ৫০ পিচ ইয়াবাসহ তৌহিদুলকে আটক করে ডিবি পুলিশ। সে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে। এদিকে, শহরের মধ্য- ধানঘড়া বিসিক সংলগ্ন এলাকা থেকে সোহেল ও তাহেরকে ১শ’ টি ফেন্সিডিলের বোতলসহ গ্রেপ্তার করেন। তারা ২ জন ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে বিশেষ কায়দায় ফেন্সিডিল পাঁচার করছিল। সোহেল পলাশবাড়ি উপজেলার পূর্ব-গোপীনাথপুর গ্রামের ফজলুল করিমের ছেলে ও তাহের ছোট বৌলারপাড়া গ্রামের আবু হোসেনের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে বেশ ক’টি করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)- একেএম মেহেদী হাসান- জানান, তৌহিদুলের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম হলেও ইতোপূর্বে সোহেলের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪টি ও তাহেরর বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। ঐসব মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আজকের ঘটনায় নতুন করে মামলা যোগ হলো।

হত্যা মামলায় ওসির ১০ বছরের জেল!

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহিদ্দুজামান শিপলু হত্যা মামলায় তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি শরিফ উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মামলার অন্যতম আসামি তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বলসহ সাতজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাশ এ মামলার রায় দেন।উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট মামলার রায়পূর্ব শুনানিতে আসামিরা উপস্থিত হলে আদালত সবাইকে জেল হাজতে পাঠান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২০ মার্চ  তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাদাঘাট জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ওয়াহিদ্দুজামান শিপলু নিজ বাড়িতে রাতের আধারে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ছাত্রলীগের ওই নেতার মৃত্যুর তিন দিন পর ২৩ মার্চ তার মা আমিরুন নেছা সুনামগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি মো. শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান কামরুল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুনাব আলী, বিএনপিকর্মী শাহীন মিয়া, শাহজান মিয়া, তাহিরপুর থানার সাবেক এসআই রফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার এ মামলার রায়ে তাহিরপুর থানার সাবেক ওসি শরিফুল ইসলাম ছাড়া অন্য সাত আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০০২ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তৎকালীন রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে তাহিরপুর থানার ওসি শরিফ উদ্দিন ও থানার এসআই  রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ নেতাকে রাতের আঁধারে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগপত্রে নিহতের মা অভিযোগ করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে ওসি ও এসআইসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করা হয়।আদালতে দাখিলকৃত চাজশিটে ওসি ও এসআই’র সম্পৃক্ততা থাকার কারণে ওসি শরিফ উদ্দিন ও এসআই রফিকুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত  করা হয়। দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার ১৫ বছর পর আলোচিত এ মামলার রায় দেন।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর কবির রুমেন বলেন,”ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাহিরপুর থানার ওসিকে আদালত ১০ বছরের কারাদণ্ড  দিয়েছেন। কিন্তু অন্য আসামিরা অপরাধী হয়েও খালাস পাওয়ায় আমরা ক্ষুব্ধ। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। “

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল হক বলেন, “আমাদের আসামিদের রাজনৈতিক এ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। অবশেষে আদালত আমাদের আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আমরা আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। “

টাঙ্গাইলের মীর্জাপুরে পশুর হাটে চাঁদাবাজি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট ঘাটে ঘাটে চলছে চাঁদাবাজি বেপারিরা দিশেহারা টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট ঘাটে ঘাটে চলছে চাঁদাবাজি বেপারিরা দিশেহারা মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে।ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সমাগমে প্রতিটি পশুর হাট এখন জমজমাট।ছোট থেকে বড় সাইজের ষাঁড় বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তিন লাখ টাকায়।ঘাঁটে ঘাঁটে চাঁদা চলছে বলে বেপারিরা অভিযোগ করেছে।ট্রাক প্রতি ২০-৩০ হাজার টাকা চাঁদা গুনতে হচ্ছে।ফলে চরম বিপাকে পরেছে ক্রেতা,বিক্রেতা ও গরুর বেপারিা।আজ মঙ্গলবার টাঙ্গাইল জেলার সব চেয়ে বৃহৎ পশুর হাট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন মির্জাপুর উপজেলার দেওহাটা কোরবানীর পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে প্রচুর গরু বেচা কেনা হচ্ছে।দেলদুয়ার উপজেলার নাল্লাপাড়া থেকে আসা একটি গরুর বেপারি মো.ছানোয়ার হোসেন(৫৬) বলেন,বন্যার কারনে কয়েক দিন গরুর দাম কম থাকলেও এখন হাট বাজার ও গ্রামে গঞ্জে গরুর দাম বেশ চড়া।তিনি দেওহাটা পশুর হাটে তিনটি ষাড় নিয়ে এসেছিলেন।তিনটি ষাঁড়ে খরচ বাদে তার লাভ হয়েছে প্রায় ২৩ হাজার টাকা।ভুয়াপুরের গোবিন্দদাসী গরুর হাট থেকে বেপারি তাইজুদ্দিন(৫০) জানান,তিনি আটটি গুরু নিয়ে এসেছিলেন।সব গুরুই বিক্রি হয়েছে। লাভ হয়েছে এক লাখ কুড়ি হাজার টাকা।ছোট সাইজের একটি গরু ৩০-৪০ হাজার টাকা,মাজারি সাইজের একটি গরু ৫০-৯০ হাজার টাকা এবং বড় সাইজের একটি গরু এক লাখ-তিন লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া খাঁসি ছোট সাইজ-৬ -৭ হাজার টাকা,মাজারি সাইজ ৯-১৫ হাজার টাকা এবং বড় সাইজ ২০-৭০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এ বছর ভারত ও মিয়ানমার থেকে গুরু আসায় প্রতিটি হাট বাজারেই গরুর দাম গত বছরের চেয়ে একটু কম বলে বেপারি ও স্থানীয় গৃহস্থ্যরা জানিয়েছেন।এদিকে বেপারিদের বড় সমস্যা হচ্ছে ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি।উত্তরা অঞ্চল থেকে একটি গরু ভর্তি ট্রাক রাজধানী ঢাকা ও টাঙ্গাইলসহ মির্জাপুরে আনতে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও হাটের ইজারাদরদের চাঁদা দিতে হচ্ছে গরু প্রতি ৫শ থেকে দেড় হাজার টাকা।আর ট্রাক প্রতি চাঁদা দিতে হচ্ছে ২০-৩০ হাজার টাকা।এ প্রশংগে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শ্রমিক সংগঠনের ও রাজনৈতিক দলের কিছু নেতারা কোরবানীর ঈদকে ঘিরে মাহসড়কে চাঁদাবাজি করে থাকে।টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের গোবিন্দদাসী, গাবসারা, এলেঙ্গা, দেলদুয়ারের রুকসি, করটিয়া, লাউহাটি, মির্জাপুরের দেওহাটা, তক্তারচালা, কাইতলামহ প্রতিটি পশুর হাটই এখন জমজমাট।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,এসব পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য বাজার কমিটি পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন।এছাড়া চোর ও প্রতারকদের কবল থেকে বেপারি ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিয়োগ করা হয়েছে।এ ব্যাপারে দেওহাটা পশুর হাটের ইজারাদার মো. জামান মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,এই হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হয়।বেপারি ও গৃহস্থ্যদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোন চাঁদা  (টোল)নেওয়া হয়না ।ঈদের পরের দিন পর্যন্ত এখানে হাট বসবে।মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাইন উদ্দিন বলেন,পশুর হাটে ক্রেতা, বিক্রেতা ও বেপারিদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

গাইবান্ধায় ডাকাতির ঘটনায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার চৌমহনীরচর এবং বুরবুলির চরে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহৃত ডাকাতদের ফেলে যাওয়া দেশী অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ ইনভেষ্টিগেশন অব ব্যুরো (পিআইবি)। গত ২৮ আগস্ট সোমবার সকালে পিআইবি গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন মিয়ার নেতৃত্বে একটি টিম ওই চরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একটি পাইপগানের সামনের অংশ বিশেষ, ২টি পাইপগান/ শার্ট গানের কার্তুজ, ২টি হাসুয়া, ১টি বেকি ও ৩টি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন দেশী অস্ত্র উদ্ধার করে।

১০ জুয়াড়ির গ্রেপ্তারের পরের দিন জামিন! এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

জুবের সরদার দিগন্ত, দিরাই প্রতিনিধি ঃ দিরাই পৌর শহরে বালুর মাঠের একটি দোকান থেকে সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল ১০ জুয়াড়িকে আটক করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠালে পরের দিন ১০ জুয়াড়ি জামিনে মুক্তি পেলে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।এলাকাবাসি হতাশার সুরে জানান, যদি হুয়াড়িরা এভাবে জামিন পায় তাহলে আমাদের তরুণ সমাজ এ খেলার দিকে বেশি দাবিদ হবে। সুনামগঞ্জ ডিবি পলিশ সুত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুর মাঠের একটি দোকান থেকে ডিবি পুলিশ ১০ জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠলে পরের দিন রোববার ১০ জুয়াড়ি জামিনে মুক্তি পায়। জামিন পাওয়ার বিয়টি নিশিচত করেন পুলিশ প্রসাশন।
দিরাইয়ে বণ্যার্তের মাঝে জমিয়তেউলামায়ে ইসলামের ত্রান বিতরণ
জুবের সরদার দিগন্ত, দিরাই প্রতিনিধি ঃ দিরাই উপজেলা জমিয়দের উলামায়ে ইসলামের উদ্যোগে ৫৫০ জন বর্ন্যাতের মাঝে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার পৌরশহরের কলেজ রোডের একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আলøামা নূর হোসেন কাসেমী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় জমিয়তের সহ-সভাপতি আলøামা আব্দর রব ইউসুফি, সাংগঠনিক সম্পাদক আলøামা তাফাজ্জুল হক আজিজ, আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সোয়াইব আহমদ, জেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাছির, সাবেক সভাপতি আলøামা নুরুল ইসলাম খান। উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

রেজু আমতলী দিয়ে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। বার্মায় নির্যাতন। বাংলাদেশে লুটপাট।

ইমরান জাহেদ, কক্সবাজার ॥
উখিয়ার পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের রেজু আমতলী ঢালা দিয়ে শত শত রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে। আর তাদের গরু ছাগল স্থানীয় দুর্বত্তরা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে ২৯ আগষ্ট (মঙ্গলবার) নাইক্ষংছড়ি উপজেলা ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু মৌজার চিকন ছড়া, মনজয় পাড়া, ফাত্রাঝিরি, লাকড়িছড়া বাজার দিয়ে শত শত রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ঢুকে পড়েছে। দিনের বেলায় পাহাড়ের দিকে তাড়িয়ে দিলেও রাতের আঁধারে বাঁধাহীন ঢুকে পড়ছে এসব রোহিঙ্গারা।
স্থানীয়দের দাবী এসব রোহিঙ্গা প্রবেশে বিজিবির ভুমিকাও রহস্যজনক। স্থানীয় মোঃ ইউছুফ জানায়, ওয়ালিদং, মগ পাহাড়, গাছবনিয়া, বড় খালের আগা হয়ে সোমবার ২/৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা নদীপথে অনুপ্রবেশ কালে বিজিবি আটকিয়ে পাহাড়ের দিকে ফেরত পাঠায়। পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে কিছু কালো পোষাকধারী অবস্থান করছে বলে শোনা যাচ্ছে। এদিকে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে এদেশে পালিয়ে আসেও রোহিঙ্গারা রেহায় পাচ্ছে। তাদের গরু ছাগল সহ নগদ টাকা পয়সা স্থানীয় দুর্বত্তরা লুটপাট করছে বলে রেজু আমতলী গ্রামের ছৈয়দ আলম জানিয়েছেন।
সে জানায়, ওয়ালিদং দুই চাইল্যা পাহাড় এলাকায় গরু ছাগল ছেড়ে দিয়ে রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে এদেশে পালিয়ে আসছে। তারা টমটম ও সিএনজি গাড়ি যোগে রেজু আমতলী থেকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকে পড়ছে বলে কুতুপালং গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন। তাদেরকে ডব্লিউএফপি ও ইউএনএইচসিআর সাহায্য সহযোগীতা করছে। মিয়ানমারের এই বর্বরতা ও তান্ডব না কমলে আরকান রাজ্যে মুসলিম শূন্য হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। রাখাইন প্রদেশে শতশত রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মংডু জেলা থেকে পালিয়ে আসা কুতুপালংয়ে আশ্রয় নেওয়া আবদুল করিম। এখনো রোহিঙ্গা নিধনের তান্ডব থামানো হয়নি।

সুন্দরগঞ্জে ৬ মাদক কারবারী গ্রেপ্তারসুন্দরগঞ্জে ৬ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃগাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ৬ মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে।  থানা সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে থানার এসআই- মামুনুর রশীদ, এসআই- প্রতাপ কুমার সিংহ, এসআই- মোত্তালেব প্রধান, এএসআই- গোলাম মোস্তফা ফোর্স নিয়ে পৃথক অভিযান চালান। এতে গাঁজাসেবী এক ইউপি সদস্যসহ ৬ মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম বাছহাটী গ্রামের মেজহার আলীর পুত্র মোস্তাফা মিয়া, এন্তাজ আলীর পুত্র আবু বক্কর সিদ্দিক, লাল মিয়ার পুত্র মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে সোহাগ, পূর্ব-বাছহাটী গ্রামের মৃত জব্বার আলীর পুত্র রাজু মিয়া, জহির উদ্দীনের পুত্র রয়েচ উদ্দীন ও রামজীবন ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র আলী হাসান শাহরিয়ার। এদের মধ্যে মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে সোহাগ সর্বনন্দ ইউপি সদস্য। বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা অফিসার ইনচার্জ- মুহাম্মদ আতিয়ার রহমান বলেন- গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরিদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় পৃথক ৩টি মামলা রুজু করা হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জে গরু বিক্রেতার মোবাইল দিলেও টাকা ফেরৎ দেয়নি পুলিশ

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃগাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ইয়াবা কারবারীতে জড়াতে ব্যার্থ পুলিশ মোবাইলফোণ দিলেও নগদ সাড়ে ৪১ হাজার টাকা ফেরৎ দেয়নি গরু বিক্রেতাকে। তবে, পরিস্থিতি এখন কিছুটা শান্ত রয়েছে।বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব-মনমথ গ্রামের সফিউল ইসলামের পুত্র জহুরুল ইসলাম (২৭) স্থানীয় কাঠগড়া হাট থেকে গরু বিক্রির উক্ত পরিমাণ টাকা নিয়ে বামনডাঙ্গা রেলওয়ে পৌঁছে। তা জানতে পেয়ে দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্য- এস আই জহুরুল হক, এ এস আই- আলমগীর হোসেনসহ ২ কনস্টেবল ঐ গরু বিক্রেতার পকেটে ৩ পিচ ইয়াবা ঘুঁচে দিয়ে গ্রেপ্তার করে। তাকে ইয়াবা কারবারী বনানোর অপচেষ্টায় গরু বিক্রির টাকা, মোবাইলফোণ ছিনিয়ে নেন পুলিশ সদস্যরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় মানিক রাম রায়ের পুত্র নয়ন রাম রায় প্রতিবাদ করতে গেলে- এ এস আই আলমগীর তাকে রিভলবার ঠেকিয়ে গুলি করার ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায় ফুসে উঠে জনতা বিক্ষোভ সহকারে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র অবরোধ করে। বিষয়টি জানতে পেয়ে ঘটনার সাড়ে ৪ ঘন্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার- এস এম গোলাম কিবরিয়া ও থানা অফিসার ইনচার্জ- আতিয়ার রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত পূর্বক দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। ফলে পরাস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এসব জানিয়ে এলাকাবাসী বলেন, পুলিশের এটাই নতুন বা প্রথম ঘটনা নয়। দীর্ঘ দিন ধরে উক্ত তদন্ত কেন্দ্রের কতিপয় দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্য স্থানীয় কতিপয় মাদক কারবারীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বিঘ্নেই এই বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। এছাড়া, চক্রটি ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী ৪ পুলিশ হত্যাসহ বিভিন্ন নাশকতা মামলাগুলোকে পুঁজি করে সহজ-সরল মানুষজন ও ব্যবসায়ীদেরকে সর্বশান্ত করেছে। এসব ঘটনার মূল হোতাদের বিরুদ্ধে সমুচিত বিচারের দাবী জানিয়ে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষজন ব্যাপক অভিযোগ করে বলেন, মাদকসহ বিভন্ন অপরাধ প্রবণতার কতিপয় হোতাদের নিয়ে দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্যরা যা করেছে। সেটা বলাই বাহুল্য। সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক এসব পুলিশ সদস্যের সমুচিত শাস্তির ব্যবস্থা গৃহীত হবে বলে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের নিকট আস্থা প্রকাশ করছেন। এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ- মুহাঃ আতিয়ার রহমান বলেন- বর্তমানে বামনডাঙ্গার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার- এস এম গোলাম কিবরিয়া বলেন, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।গাইবান্ধাকে যানজট মুক্ত রাখার উদ্যোগআবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃগাইবান্ধা শহরকে যানজট মুক্ত ও পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন রাখার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  এলক্ষ্যে সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভানুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক- গৌতম চন্দ্র পাল’র সভাপতিত্বে জেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধী সমাজ, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাগণ মতবিনিময় করেন।এতে বক্তব্য রাখেন- পুলিশ সুপার- মাশরুকুর রহমান খালেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)- মিজানুর রহমান, পৌর মেয়র- অ্যাড. শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার- আলিয়া ফেরদৌস জাহান, সদর থানা অফিসার ইনচার্জ- খাঁন শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর- আবু রায়হান প্রমূখ।গোবিন্দগঞ্জে নদীতে ডুবে  ৮ দিন ধরে নিখোঁজআবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃগাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী ব্রীজ এলাকায় করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ মিলা খাতুন (৮) গত ৮ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে।পারিবারিকও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট দুপুরে৩ শিশুর সঙ্গে মিলা করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে সিখোঁজ হয়। সে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের সাবগাছি হাতিয়াদহ ব্যাপারীপাড়া গ্রামের আলম ব্যাপারীর মেয়ে। মিলা পানির স্রোতে ভেসে যাবার খবর পেয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান পায়নি। পর দিন ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ডুবারু দল চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হয়েছে।সংশ্লিষ্ট দরবস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান- আরম শরিফুল ইসলাম জর্জ বলেন, নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ মিলার সন্ধান না মেলায় বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও থানায় অবগত করা হয়েছে।
ফুলছড়ির চরে ডাকাতিতে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গুলি উদ্ধারআবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃগাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চৌমহনীর ও বুলবুলীর চরে ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ  গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টেগেশন (পিবিআই)।বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সোমবার গোপন খবরের ভিত্তিতে ডাতদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেন পিবিআই। এরআগে গত ২৩ আগস্ট ুক্ত চরে ডাকাতদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। পিবিআই গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার- আনোয়ার হোসেন মিয়া পিপিএম’র নেতৃত্বে এ  অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি পাইপগানের সম্মূখ অংশ বিশেষ, দুইটি পাইপ গান/শর্ট গানের কার্তুজ, দুইটি কাঠের হাতল যুক্ত হাসুয়া, একটি বেঁকি, একটি ধারালো ছোড়া, একটি কুড়াল, একটি লোহার এ্যাংগেল, তিনটি মোবাইল ফোন। এসময় ফুলছড়ি থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা সরকার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org