এস,এম মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর তুরাগ থেকে ৬৪০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ও একটি কুমিরের বাচ্চাসহ আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের মূলহোতা আব্দুল আজিজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তুরাগ থানায় বণ্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি যশোর শারশা থানা এলাকায় বলে জানা গেছে।
বুধবার বিকেলে তুরাগ থানাধীন রানাভোলা এলাকায় পুলিশ সদর দফতর ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে এসব কচ্ছপ ও কুমিরের বাচ্চা উদ্ধার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি উত্তরা বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) তাপস কুমার দাস।
উত্তরা জোনের পুলিশের এসি তাপস কুমার দাস জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আজিজ জানিয়েছে, সে মালয়েশিয়া পাচার করার জন্য ৬৩৯টি কচ্ছপ ও ১টি কুমিরের বাচ্চা রেখেছিল।
তিনি আরও জানান, কুমির ও কচ্ছপের বাচ্চাগুলোকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুর বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে হস্তান্তর করা হবে।
তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নুরুল মোত্তাকিন জানান, এবিষয়ে বৃহস্পতিবার তুরাগ থানায় বণ্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধৃত আসামি আব্দুল আজিজকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহিদ্দুজামান শিপলু হত্যা মামলায় তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি শরিফ উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মামলার অন্যতম আসামি তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বলসহ সাতজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাশ এ মামলার রায় দেন।উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট মামলার রায়পূর্ব শুনানিতে আসামিরা উপস্থিত হলে আদালত সবাইকে জেল হাজতে পাঠান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২০ মার্চ  তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাদাঘাট জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ওয়াহিদ্দুজামান শিপলু নিজ বাড়িতে রাতের আধারে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ছাত্রলীগের ওই নেতার মৃত্যুর তিন দিন পর ২৩ মার্চ তার মা আমিরুন নেছা সুনামগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি মো. শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান কামরুল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুনাব আলী, বিএনপিকর্মী শাহীন মিয়া, শাহজান মিয়া, তাহিরপুর থানার সাবেক এসআই রফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার এ মামলার রায়ে তাহিরপুর থানার সাবেক ওসি শরিফুল ইসলাম ছাড়া অন্য সাত আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০০২ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তৎকালীন রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে তাহিরপুর থানার ওসি শরিফ উদ্দিন ও থানার এসআই  রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ নেতাকে রাতের আঁধারে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগপত্রে নিহতের মা অভিযোগ করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে ওসি ও এসআইসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করা হয়।আদালতে দাখিলকৃত চাজশিটে ওসি ও এসআই’র সম্পৃক্ততা থাকার কারণে ওসি শরিফ উদ্দিন ও এসআই রফিকুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত  করা হয়। দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার ১৫ বছর পর আলোচিত এ মামলার রায় দেন।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর কবির রুমেন বলেন,”ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাহিরপুর থানার ওসিকে আদালত ১০ বছরের কারাদণ্ড  দিয়েছেন। কিন্তু অন্য আসামিরা অপরাধী হয়েও খালাস পাওয়ায় আমরা ক্ষুব্ধ। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। “

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল হক বলেন, “আমাদের আসামিদের রাজনৈতিক এ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। অবশেষে আদালত আমাদের আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আমরা আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। “

মোঃ শের আলী, কুড়িগ্রাম থেকেঃ
কুড়িগ্রামে বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন কালে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ক্ষামতা হারানোর ভয়ে প্রধানমন্ত্রী ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি কখনই ভাবতে পারছেন না বিচার বিভাগ, সুপ্রিম কোট একটি আলাদা স্বাধীন সংস্থা। তিনি মনে করেন নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিম সব হচ্ছে সুধা ভবনের একটি এক্সটেনশন। সুধা ভবনের একটা বর্ধিত অংশ। এখন সুপ্রিম কোর্ট তাকেও তিনি আওয়ামীলীগের কার্যালয় বানানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু প্রধান বিচারপতি তার কথা শুনছেন না। তিনি আইনকে আইনের পথে যাওয়ার জন্য কথা বলছেন এবং দেশে যা ঘটছে, মানুষের বিবেককে যা নাড়া দিয়েছে সেই বিষয়টি তিনি ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের মধ্যদিয়ে তুলে ধরেছেন। এই জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে আজে-বাজে কথা বলছেন। তার মাথা খারাপ না হলে এই কথা বলতে পারে না।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, সারাদেশকে আওয়ামীলীগের একক দমন-পীড়নের রাজ্যে পরিনত করা যাবে না। এখানে বিরোধী দল থাকবে কিন্তু শেখ হাসিনা এটা থাকতে দিতে চান না। এজন্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গুম, খুন, গুপ্তহত্যা শুরু করেছেন। এইটা হচ্ছে শেখ হাসিনা ভিশন। যখন তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে তখন তিনি পাগল হয়ে যান। আওয়ামীলীগ কোন উন্নয়ন করেননি। আওয়ামীলীগের উন্নয়ন ছাত্রলীগ, যুবলীগের পকেটের মধ্যে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার চর হরিকেশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রিয় মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা, কেন্দ্রিয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা খান, সহ-সম্পাদক হেলেন জেরিন খান,কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, মোস্তাফিজার রহমান, মহিলা দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য এড. রেহানা খানম বিউটি, কেন্দ্রিয় মহিলা দলের নেত্রী রেজিনা খানম, সাহিদা রহমান জোসনা, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সাংগাঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাম নুরু প্রমূখ।

মোঃ শের আলী
মোবাইলঃ ০১৭১৬-৪১৩৮৮১

 

ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার শামছ উদ্দিন আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ হাছেন আলী মাস্টারকে চেক জালিয়াতির মামলায় যুগ্ম ও দায়রা জজ ১ম আদালত, ময়মনসিংহ বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৬ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।
দীর্ঘ দুই বছর মোকদ্দমা চলার পর বিগত ২০শে আগষ্ট যুগ্ম ও দায়রা জজ ১ম আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামীর বিরুদ্ধে এন,আই, এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৬ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দেন। দায়রা মোঃ নং- ১৪৫০/১৬।
ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, চকরাধাকানাই (উত্তরপাড়া) গ্রামের মৃত আঃ রহমানের ছেলে মোঃ হাছেন আলী মাষ্টার বিগত ২৫ মে ২০১৫ ইং ডাঃ মদন মোহন দাসকে ৩ লক্ষ টাকার গঝখ ১২৩৩৬৩৫ নং একটি চেক প্রদান করেন। ডাঃ মদন মোহন দাস উক্ত চেকখানা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ফুলবাড়ীয়া শাখায় ২৮ মে হিসাব নং- ৬৫৩ এর অনুকুলে নগদায়নের জন্য জমা দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওহংঁভভরপরবহঃ নধষধহপব (অপর্যাপ্ত তহবিল) হেতু চেকখানা ডিজঅনার করে রিটার্ণ মেমোসহ ফেরৎ প্রদান করেন। পরবর্তীতে ২৭ জুলাই ২০১৫ ইং ডাঃ মদন মোহন দাস বাদী হয়ে মোঃ হাছেন আলী মাস্টার এর বিরুদ্ধে এন, আই, এ্যাক্টের ১৩৮ ধারার বিধানমতে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেন।
রায়ে উল্লে¬খ করা হয়েছে যে, প্রদত্ত অর্থদন্ডের টাকার মধ্যে ৩ লক্ষ টাকা বাদী প্রাপ্ত হবেন এবং অবশিষ্ট ৩ লক্ষ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামী অনুপস্থিত থাকায় আসামীর উপর আরোপিত দন্ডাদেশ আসামী স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পন বা পুলিশ কর্তৃক ধৃত হওয়ার তারিখ হতে কার্যকর ও গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দেন আদালত।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সামন্তা গ্রামে ভুমিহীনদের ৪০ শতক জমি জবর দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঝিনাইদহের একটি আদালত। বিভিন্ন দৈনিকে খবর প্রকাশের পর বুধবার ঝিনাইদহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ জাকির হোসেন মিস কেস ২৫/১৭ এর আলোকে মহেশপুর থানার ওসিকে বিষয়টি তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিজ্ঞ আদালত তার আদেশে উল্লেখ করেছেন, সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখল করার অধিকার সাংবিধানিক। একজনের অর্জন করা সম্পত্তি অন্যজন কর্তৃক জোর পুর্বক ভোগদখল করার এই ঘটনা থেকে “জোর যার মুল্লুক তার” প্রবাদটির কথা মনে করিয়ে দেয়। স্বাধীন ও গনতান্ত্রিক সমাজে এ ধরণের নৈরাজ্য চলতে পারে না। এরূপ জবর দখলকারীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে বর্ণিত ঘটনা তদন্ত পুর্বক ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মহেশপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া গেল। উল্লেখ্য মহেশপুর উপজেলার সামন্তা গ্রামে ভুমিহীন মসলেম উদ্দীন ও সৈয়দ আলীর ৪০ শতক জমি জোর পুর্বক দখলে নিয়ে কাজিরবেড় ইউনিয়নের মেম্বর ও ছাত্রলীগের সাঊেশ নেতা আব্দুল্লাহ স্বপন চাষ করে খাচ্ছেন। অথচ ২০১১ সালে ৪০ শতক খাস জমি ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত পান। প্রায় ৬ বছর ধরে দখল করে খাচ্ছেন ওই ইউপি মেম্বর। ভুমিহীনরা জমি দখল করতে গেলেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার ভয় দেখানো হয়েছে। অথচ প্রতি বছর তারা জমির খাজনা ও কর দিচ্ছেন। সরকারকে এককালীন টাকাও পরিশোধ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে বিজ্ঞ আদালত গতকাল বুধবার এই আদেশ জারী করেন।

দিনাজপুর জেলাকে মাদক মুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয়ে দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হামিদুল আলম এর কর্মপরিকল্পনা ও দিক-নির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে অদ্য ২৪-০৭-২০১৭ ইং তারিখ, অতিঃ পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মোঃ মাহামুদুল হাসান, অফিসার ইন-চার্জ বিরোল থানা জনাব মোঃ আব্দুল মজিদ’দের ২০০ সতাধিক পুলিশের সমন্বয়ে কাহারোল থানা এলাকায় ব্লক রেইড পরিচালনা করিয়া ১৮ জন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারপূর্বক ১৮ টি মাদক মামলা করা হয়। উদ্ধার করা হয় ১৪ বোতল ফেন্সিডিল, ১০৫ পিচ ইয়াবা, ১.৫০ গ্রাম হিরোইন , ০১ কেজী ২০ গ্রাম গাঁজা। অভিজানে আরো ০৫ জন ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা হয় ।

অতিঃ পুলিশ সুপার (অপরাধ) জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, খানসামা থানার অফিসার ইন-চার্জ জনাব মোঃ আব্দুল মতিন প্রধান’দের নেতৃত্বে ২০০ শতাধিক পুলিশের সমন্বয়ে খানসামা থানা এলাকায় ব্লক রেইড পরিচালনা করিয়া ০৩ জন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারপূর্বক ০৩ টি মাদক মামলা করা হয়। উদ্ধার করা হয় ১০৫ গ্রাম গাঁজা, ৩০ লিঃ চোলাইমদ। অভিজানে আরো ৫০ জন ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা হয় এবং পূর্বের মামলায় ০৫ জন মোটরসাইকেল চোর গ্রেফতার করা হয়।

ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥॥
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পুরাতন সড়ক বা নতুন সড়ক নির্মাণ কাজেনেই সত্যতার চিহ্ন । বরাবরের মতো সড়ক নির্মাণের কাজে দুর্নীতির শেষ নেই । বাংলাদেশ সরকার সড়ক তৈরির জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও অসাধু ঠিকাদারদের কারণে নিম্ন মানের সড়ক তৈরি হচ্ছে যা সড়ক নির্মাণের কিছুদিনের মাথায় কার্পেটিং কাগজের মতো উঠে যাচ্ছে। নিম্ন মালামাল এবং কাজের অনিয়ম চোখে আঙ্গুল দিয়ে দড়িয়ে দেওয়ায় এবার পত্রিকায় লিখলে কিছু হয়না এবং প্রতিবেদকে দেখে নেওয়ার হুমকী দিলেন ঠিকাদার আব্দুস সামাদ আজাদ । নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রামে ২কিলো মিটার রাস্তা পাকা সড়ক নির্মাণের জন্য এলজিআইডি কর্তৃক রাস্তা নির্মাণ কাজ হাতে নেয় বানিয়াচং উপজেলার  আব্দুস সামাদ আজাদ নামে এক ঠিকাদার। গত (১৭) জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা  যায়,সরকারী কাজে নিয়োজিত কর্মচারীরা উত্তর দেবপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হইতে  সদরঘাট মসজিদের সামনা পর্যন্ত প্রায় ২কিলো মিটার পাকা সড়ক নির্মাণের কাজ ফেলে রেখে একটি বাড়ির রাস্তা পাকা করণে তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দেড় লক্ষ টাকার বিনিময় ব্যক্তিগত বাড়ির রাস্তাটি করে দিয়েছে সরকারী কাজে নিয়জিত ঠিকাদার এবং কর্মচারী  । সরকারী কাজে নিয়জিত কর্মচারীরা কিভাবে সরকারী কাজ ফেলে অন্যজনের ব্যক্তিগত বাড়ির রাস্তা নির্মাণের কাজে জড়িয়ে পড়ে এমন প্রশ্ন প্রশাসনের দিকে ছুড়ে দিচ্ছেন সচেতন মহল । এদিকে উক্ত ২ কিলোমিটার সড়কে দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত পরিমান,কংক্রিট,পথরের  গুড়া,বালু,পানি ইত্যাদি। সড়কের পাশে গাইড ওয়াল হাইড ১৮ ইঞ্চি,নিচে ২০ইঞ্চি তার উপরে ১৫ইঞ্চি দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে হাইড ১০ ইঞ্চি,নিচে ১১ ইঞ্চি,উপরে ৭ইঞ্চি ।  এতেই শেষ নয় গাইড ওয়াল দেওয়ার ১৫দিন পার হতে না হতেই গাইড ওয়ালের একাধিক স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল । সড়কে ৪ ইঞ্চি কনক্রিট দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে ২/৩ ইঞ্চি, রাস্তার পাশে মাটি ভরাট এবং বস্তা ভর্তি বালু দেওয়ার কথা থাকলে রাস্তার সীমানার কয়েক  কিলো মিটারের জায়গার মধ্যে এমন চিত্র দেখা যায়নি । রাস্তায় দেয়া হয়নি বালু,পানি,রোলার। উক্ত সড়ক নির্মাণে রাস্তার পুরাতন ইট পাশের সড়কের দেয়ার কথা থাকলে ও তা দেয়া হয়নি এইসব পুরাতন ইট ব্যবহার করা হয়েছে  আগের সড়কেই পুরাতন ইট ব্যবহার করার পরও পর্যাপ্ত পরিমান ইট,করক্রিট দেয়া হয়নি সড়কে এমন চিত্র সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবেদক চোখে আঙ্গুল দিয়ে দড়িয়ে দিলে বার বার কথা এড়িয়ে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেণ ঠিকাদার আব্দুস সামাদ আজাদ পরে এইসব অনিয়ম সমাধান করবেন কী না ?? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন পত্রিকায় লিখে আমার কিছু করতে পারবেনা তকে আমি দেখে নেব । এদিকে সড়কে শুধু কেরসিন দিয়ে রাস্তায় নির্মাণ কাজ শুরু করতে চাইলে বাধা দেয় স্থানীয় জনসাধারণ । স্থানীয় লোকজন জানান,কাজের কাজ কিছুই করছেনা সব কিছুতে বাটপারি, পর্যাপ্ত বালু,কংক্রিট কিছুই দেয়া হয়নি এই রাস্তার দিকে উপজেলা এবং জেলা প্রশাসন নজর দেয়া উচিত । এব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সাঈদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রতিবেদকের সাথে খারাপ আচরণ করা ঠিকাদারের উচিত হয়নি বলে জানান, রাস্তায় কাজ চলেছে আমি বিষয়টি দেখছি,এই রাস্তার জন্য কথা টাকা বরাদ্দ এসেছে জানতে চাইলে তিনি আরো জানান,২৪ লক্ষ টাকার বরাদ্দ এসেছে ।  উক্ত সড়কের দিকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সু-দৃষ্ঠি কামণা করছেন  এলাকাবাসী ।


নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে খড়া জাল দিয়ে মাছ ধরা আড়ার বাঁশের সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় নিখিল সাহা (৩০) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার কাশিমপুর পোস্ট অফিসের উত্তরে নওগাঁর ছোট যমুনা নদী থেকে সোমবার তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
জানা গেছে, উপজেলার মিরাট ইউপির কনৌজ গ্রামের মৃত জিতেন সাহা’র ছেলে নিখিল সাহা রবিবার রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন ওই রাতেই সম্ভাব্য স্থানে অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান মেলাতে পারেনি। সোমবার সকালে উপজেলার কাশিমপুর পোস্ট অফিসের উত্তরে নওগাঁর ছোট যমুনা নদীতে জেলেদের খড়া জাল দিয়ে মাছ ধরা আড়ার বাঁশের সাথে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় নিখিলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন তার বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তার লাশ সনাক্ত করে। খবর পেয়ে রাণীনগর থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এঘটনায় রাণীনগর থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।
নিখিলের বড় ভাই জীবন সাহা জানান, নিখিল দীর্ঘ দিন ধরে হারনিয়া রোগে ভোগছিলেন। প্রচন্ড ব্যাথায় মাঝে মধ্যে সে মানসিক ভারসম্য হারিয়ে ফেলতো। এর আগেও একবার সেই গলায় দঁড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
রাণীনগর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখিলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে গলায় ফাঁস দেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে এবং তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। ময়না তদন্ত রির্পোট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।


এস,এম মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর তুরাগে কালিয়ারটেক এলাকাতে তিন সন্তানকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে নির্মমভাবে হত্যার পর পাষন্ড মা রেহেনা পারভীন (৩৮) নিজেও ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহতরা হলো বড় মেয়ে শান্তা (১২), ছোট মেয়ে শেফা (৮) এবং ৮ মাসের ছেলে সা’দ এবং তার মা রেহেনা পারভীন (৩৮)। নিহতরা সকলের একই পরিবারের। নিহত ৪জনের মধ্যে ৩জন শিশু রয়েছে। খবর পেয়ে তুরাগ থানা পুলিশ মধ্যরাতে নিহত ৪জনের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ( ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে তুরাগ থানার কালিয়ারটেক এলাকায় মো. মোস্তফা কামালের বাড়িতে নির্মনভাবে চাঞ্জল্যকর এ খুনের ঘটনাটি ঘটে।
তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাহবুবে খোদা আজ সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুুলিশ,এলাকাবাসি ও নিহত রেহেনার স্বামী মো. মোস্তফা কামাল আজ জানান, আমি সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার করে বাসা থেকে বের হয়েছি। বাহিরে কাজ থাকায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসায় এসে দেখি দরজা বন্ধ। তখন ঘরের লাইন বন্ধ থাকায় রুমের ভেতরে অন্ধকার ছিল। পরে ঘরের লাইট জ্বালিয়ে দেখি, আমার স্ত্রী লাশ ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলছে। তিন সন্তানের লাশ বিছানার উপরে শোয়ানো রয়েছে। বড় মেয়ের দুই পায় রশি দিয়ে বাধা অবস্থায় পড়ে আছে। খবর পেয়ে আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তুরাগ থানার ওসি মাহবুবে খোদা, উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) শাহেন শাহ মাহমুদ উত্তরা বিভাগের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা,র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ। পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ( ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
রেহেনার বড় ভাই মাহবুব আলম সাগর আজ হত্যাকান্ড সম্পর্কে জানান, কামালের মা, ভাই-বোন তার সম্পত্তি দখলের জন্য দীর্ঘদিন যাবত ধরে অত্যাচার করে আসছিল রেহানাকে। অবশেষে আমার বোন তা সইতে না পেরে তার সন্তানদের হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনার তিন দিন আগে আমি আমার বোন এবং ভাগনী এবং ভাগিরাদের দেখতে আসি তখন দেখি আমার বোন শুধু লাউ পাতা রান্না করেছিলো। তখন আমি বাজার সদাই করে দিয়েছি। দশটা মুরগীও কিনে দিয়েছিলাম। পরে আমার বোন বললো ভাই তুই আর এখানে আসিস না, তোকে মেরে ফেলবে।
রেহেনার বড় ভাই মাহবুব আলম সাগর আরও জানান, আমরা মিরপুর থাকি আমাকে কামালের ছোট বোনের জামাই আমার বোন এবং ভাগিনাদের মৃত্যুর খবর জানায়। আমি খবর পেয়ে চলে আসি। তিনি আর ও জানান এই বাড়িটি আমার বোনের জামাই কামাল করেছে। কামালের মা, বোন ও মেঝো ভাই ওই জায়গা দখল করে রেখেছে বহুদিন ধরে। আমার বোন,বোন জামাই এবং ভাগিনাদের এই বাসা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বহুদিন ধরে। এছাড়াও কামালের মা ও ভাই-বোন ১২ লাখ টাকার জমি বিক্রি করেছে কিছুদিন পূর্বে। কিন্তু তাদের কোন টাকা দেয় নি।
সাগর আরও জানান,ভাগনি টাকার জন্য স্কুলেরও রেজিস্ট্রেশন করতে পারে নি। এত কষ্টের মধ্যে থেকেও বোন আমাদের কিছুই বুঝতে দেয় নি। কখনো কিছুই আমাদের বলেওনি। কামালের বাসা ভাড়ার টাকাও তার মা ভাই বোনরা খেয়ে ফেলতো প্রতিমাসে এই বাড়ি থেকে ৪০ হাজার টাকার উপরেও ভাড়া আসতো।
তুরাগ থানার ওসি মাহবুবে খোদা আজ জানান, ঘটনাস্থল ওই বাসার ঘরে ভেতর থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল বলে বাড়ির মালিক কামালের কাছ থেকে জানতে পারি। তবে লাশের গলায় দাগ দেখে মনে হচ্ছে সস্তানদের হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছে।
ওসি আর ও জানান, সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের লাশ গুলো ময়নতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটির কারণ জানতে চাইলে ওসি মাহবুবে খোদা বলেন, আমরা দ’ুটি কারণ পেয়েছি। একটি হল সংসারের অভাব অনটন এবং অপরটি জমি ও বাড়ি সংক্রান্ত বিরোধ। নিহতের স্বজনরা কি মামলা বা অভিযোগ দেয় তা দেখেই বলা যাবে এটি আতœহত্যা নাকি হত্যা।
এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেও জানান ওসি মাহবুবে খোদা।
পুলিশের একটি সূত্রে আজ আরও জানায়, তিন সন্তানের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাদেরকে শ্বাসরোধে হত্যা করা রয়েছে। যার মধ্যে বড় মেয়ে শান্তার গলায় হলুদ রঙের ওড়না দিয়ে পেঁচানো ছিল এবং দুই পা গোলাপি রঙের জরজেট ওড়না দিয়ে বাধা ছিল। তার পরনে গোলাপি রঙের ওড়না ও সেলোয়ার পরিহিত রয়েছে। ছোট মেয়ে শেফার গলায় হলুদের মধ্যে সাদা ওড়না রয়েছে। তার গায়ে লাল কালো রঙের ছেলোয়ার কামিজ পরিহিত ছিল। এছাড়া ৮ মাসের ছেলে সা’দের গলায় নীল ও সাদা রঙ্গের গ্রামীণ ওড়না পেঁচানো ছিল। তার পরনে ছিল সাদা রঙের প্যান্ট ও জামা পরিহিত আছে। ঘটনার পর ছোট মেয়ের শেফার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে।
উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) শাহেন শাহ মাহমুদ জানান আমরা হত্যার কোনা আলামত পাইনি। প্রাথমিকভাবে দেখে বুঝা যাচ্ছে যে, তিন সন্তনকে হত্যার পর মা নিজেও আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের পর বিস্তরিত বলা যাবে।


মোঃ জাহিনুর ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
বিরামপুর থানা পুলিশ ইয়াবা, হেরোইন ও ফেন্সিডিলসহ দুই নারী ও এক পুরুষ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে বুধবার (৭ জুন) দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে।জানা গেছে, সীমান্তবর্তী হিলি হাকিমপুর থেকে মাদক দ্রব্য পাচার করে আনার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুরের বেগমপুর রেলগেটে এসআই রজব আলী ও আনোয়ারুল ইসলাম অবস্থান নেন। এসময় বিরামপুরের দিকে আসা একটি অটোচার্জারের যাত্রী শাহানাজ বেগম পুনি (২৫) ও সামসুন্নাহার পাতানিকে (২৭) আটক করেন। মহিলা আনসার দিয়ে তাদের দেহ তল্লাশী করে ৩৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুই গ্রাম হোরাইন উদ্ধার করেন। তারা বিরামপুর পৌর এলাকার চকপাড়া শাইনপুকুর মহল্লার আনসারুল ইসলাম ও ইমন হোসেনের স্ত্রী। একই দিন বিরামপুর গরুহাটি অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাহমুদপুর গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র আসাদুজ্জামান লিটনকে (৪০) আটক করেছে। তাদের সকলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।