Category: অর্থ ও বাণিজ্য

সুন্দরগঞ্জে মৎস্য খাতে ক্ষতি সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যায় মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের দু’দফায় ঘটে যাওয়া বন্যায় মৎস্য খাতে ৩শ’ ৩৩ জন মালিকের ৪শ’ ৪টি পুকুরের ক্ষতি হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পুকুর মালকি ও মৎস্যচাষীদের মধ্যে অনেকেই র্সবশান্ত হয়েছেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অঃ দাঃ)- মজিবর রহমান বলেন- মৎস্যচাষীদরে ক্ষতি পুশিয়ে দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে উর্দ্ধতন দপ্তরে চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে।

ঈদের আগেই বাড়ছে রেমিটেন্স

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি আগস্ট মাসের ২৫ দিনে মোট ১০৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তারা। মাসের বাকি দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহের হার আরও বেড়ে সবমিলিয়ে এ মাসে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩০ কোটি ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আগে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। শেষ দু’দিনেও পরিবার-পরিজনের ঈদের খরচ মেটাতে বেশি করে অর্থ দেশে পাঠাবেন প্রবাসীরা। তাই আমরা প্রত্যাশা করছি আগস্ট মাসে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩০ কোটি ডলারের মতো হতে পারে।
রেমিট্যান্স বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ১০৩ কোটি ৯১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১১১ কোটি ৫৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন তারা, যা গত বছরের জুলাই মাসের চেয়ে ছিল ১১ শতাংশ বেশি। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রায় পুরো সময় ধরে পড়তির দিকে থাকা রেমিট্যান্স প্রবাহের ঊর্ধ্বগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সুখবরই দিচ্ছে।
দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্সের নিম্নগতি সরকারের নীতিনির্ধারকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়েছিল। রেমিট্যান্স বাড়াতে মাশুল না নেওয়াসহ নানা ঘোষণাও দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যদিও সেটা সম্ভব নয় বলে সিন্ধান্ত হয়েছে।
২৫ দিনে ১০৪ কোটি ডলারের মধ্যে সরকারি ৬ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২৯ কোটি ৯ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে আসে ৮৯ লাখ ডলার। এ সময় ৩৯টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৭২ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। আর ৯টি বিদেশি ব্যাংকের মাধামে আসে ৯৮ কোটি ডলার।
শুভঙ্কর সাহা বলেন, প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহী করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তারই ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে এখন। মাশুল না নেওয়ার ঘোষণা কার্যকর হলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র।
বাংলাদেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশ অবদান রাখে প্রবাসীদের পাঠানো এ বৈদেশিক মুদ্রা। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এক হাজার ২৭৭ কোটি (১২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল আগের ৬ অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বিদেশ থেকে অবৈধ পথে টাকা পাঠানোকে দায়ী করছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।
অন্যদিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অর্থনীতির নাজুক অবস্থার কথা বলে আসছে আইএমএফ। সেখানে গিয়ে অনেকের বেকার পড়ে থাকার খবরও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসছে। দেশের রেমিট্যান্সের অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশ-  সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন থেকে।

ডিমলায় তিস্তার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে পল্লীশ্রী’র নগদ টাকা ও বিভিন্ন উপকরন বিতরণ

মহিনুল ইসলাম সুজন,জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী ॥
নীলফামারীর ডিমলায় মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম হলরুমে তিস্তার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে পল্লীশ্রী ও অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের আয়োজনে নগদ টাকা ও ত্রানের উপকরন বিতরন করা হয়েছে। টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের ৩শত ৫০টি পবিরারকে ৪ হাজার করে মোট-১৪লক্ষ নগদ টাকা ও ত্রানের উপকরন বিতরন করা হয়।এদের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারকে ৪হাজার টাকার পাশাপাশি খাবার স্যালাইন ২০ প্যাকেট, সুতি কাপর ১গজ, গোসল করা সাবান ৩টি ও কাপড় কাচা সাবান ১টি করে দেয়া হয়েছে। টাকা ও ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার।এ সময় পল্লীশ্রী- মানব সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুরাইয়া আক্তার এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ইন্টারিম কান্ট্রি ডিরেকটর অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের এম বি আখতার ,ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি লুৎফর রহমান,ডিমলা পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের সমন্বয়কারী পুরান চন্দ্র বর্মন প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানের সভ প্রধান সুরাইয়া আক্তার বলেন, পল্লীশ্রী ২০১০ সাল থেকে অত্র ডিমলা এলাকায় পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের মাধ্যমে বিরুপ আবহাওয়ার সাথে তাল মিলিয়ে নারীরা আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। অক্সফাম অর্থায়নে পল্লীশ্রী আজকে অত্র এলাকার বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য হতে ৩৫০ পরিবারকে যে পরিমান নগদ অর্থ ও উপকরন বিতরন করা হচ্ছে নিজেদেরকে নিঃসন্দেহে তা তাদের সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তার অঙ্গীকার করে স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, এই এলাকার মানুষ বিশেষ করে নারীরা দূর্যোগকালীন সময়ে অনেক বেশী সহনশীল যা পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের মাধ্যমে গত ৫-৬ বছর ধরে অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরো বলেন গত দুই বছরে সম্পদের ক্ষতি হলেও জান-মালের কোন ক্ষতি হয়নি। এছাড়া আমরা উপজেলার পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা, বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে থাকি।
এছাড়াও এ সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিগণ প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক নিয়ে সু-আলোচনা করেন এবং তাদের মতামত ও পরামর্শ ব্যক্ত করেন।
উক্ত সভাটি পরিচালনা করেন, পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের ডিমলা প্রজেক্ট ম্যানেজার মকিম চৌধুরী ।

ঈদের আনন্দ নেই দিরাই-শাল্লায় প্রভাব পরছে পশুর হাটে

জুবের সরদার দিগন্ত, দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ কৃষি নির্ভর ভাঠি অঞ্চল দিরাই-শালøায় নেই ঈদের আনন্দ। চলতি সনের অকাল বন্যায় দিরাই-শালøার একমাত্র ফসল বোরো ধান শতকরা ৯৯ ভাগ নষ্ট হওয়াতে কৃষকের গোলায় উঠেনি ধান। ফলে পরিবার পরিজনদের নিয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে এখানকার কৃষি নির্ভর মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্ত পরিবারের লোকজনদের। গত ঈদুল ফিতরের ঈদে শপিংমল গুলোতে ক্রেতাদের ভীর থাকলেও ঈদুল আজহায় নেই ব্যবসায়ীদের ব্যস্থতা। দিরাই পৌর শহরের কয়েকটি শপিংমলে গিয়ে দেখা যায় প্রায় সবকটি শপিংমলই ক্রেতা শূণ্য।
প্রভাব পরেছে পশুর হাটেও। দিরাই পৌরশহরের বালুর মাঠে গত সোমবার দিরাইয়ে ও গতকাল মঙ্গলবার পাথারিয়া বাজারে বসেছিলো পশুর হাট, সরজমিন সেখানে গিয়ে দেখা যায়, হাটে বিদেশী গরুর চেয়ে দেশী গরু বেশি থাকলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। অন্যান্যা বছরের তুলনায় হাঠে গরুর সংখা কম থাকলেও শুধু মাত্র দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। শতকরা ২৫/৩০ জন ক্রেতা পশু ক্রয় করছেন। হাটে ক্রেতাদের সাথে আলাপ করলে অনেকেই জানান, বেশি দামের গরু কুরবানী দেওয়ার স্বাদ থাকলেও টাকার অভাবে বেশির ভাগ কুরবানী দাতাই তুলনামুলক কমদামী পশু খোজছেন। চাপতির হাওর পারের কৃষক আশিক মিয়া বলেন, গতবছর প্রায় এক লাখ টাকা দামের পশু কুরবানী দিয়েছিলাম কিন্তু হাওরের ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারনে ইচ্ছা থাকা সত্বেও শুধু টাকার অভাবে দামী পশু কিনতে পারছিনা। দিরাই সেন মার্কেটে গিয়ে কয়েক জন ক্রেতার সাথে আলাপ করলে, তারা বলেন, অকাল বন্যায় জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ায় আমাদের হাত একেবারে শুন্য শুধু মাত্র ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের বায়না রÿার্তে ধারদেনা করে তাদের পোশাক কিনতে এসেছি। মার্কেটের ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম বলেন, গত ঈদে কিছু ব্যবসা হলেও এই ঈদে বেচাকেনা নেই বলেøই চলে। সারা বছর দুই ঈদেই আমরা ব্যবসা করে থাকি, এবছর হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়াতে সারা বছর ব্যবসায় মন্দাভাব থাকবে।
ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে নিয়ে আসা আব্দুল জব্বার বলেন, গত ঈদে বিদেশী আত্মীয় স্বজন ও সরকারী-বেসরকারী সংস্থার সহযোগীতায় পরিবার পরিজনদের নিয়ে বেশ ভালো করে ঈদ করেছিলাম। এই ঈদে কারো কোনো সহযোগীতা না পাওয়াতে বাচ্চাদের মুখে হাসি দেখতে ধার করে টাকা এনে তাদের বাজারে নিয়ে এসেছি এবার দেখাযাক সাধ্যের মধ্যে পোশাক কিনতে পারিকিনা।

পত্নীতলায় ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরন

দিলিপ চৌহান, পত্নতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ পত্নীতলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের মাঝে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা অডিটরিয়াম হল রুমে বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে উক্ত বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক ডঃ আমিনুর রহমান। কৃষি অধিদপ্তর মন্ত্রনালয় থেকে আগত অতিথি যুগ্ম সচিব মাহবুবুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক মনোজিৎ কুমার মলিøক, অতিরিক্ত পরিচালক রাজশাহীর জয়নাল আবেদীন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইচাহাক হোসেন, সাধারন সম্পাদক আব্দুল গাফফার।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অধিদপ্তর নওগাঁর জেলা প্রশিÿক কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র সরকার, উপজেলা উদ্ভিদ সংরÿন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী, সূধীজন প্রমূখ।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য উপজেলার পাটিচরা, কৃষ্ণপুর ও পত্নতলা ইউপির ১৯০ জন কৃষককে ১৯০ বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে আমন ধানের চারা প্রদান করা হয়।

 

হবিগঞ্জে খামারিদের লাভের মুখে ছাই

ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ।। 
কোরবানির সময় গরু বিক্রি করে লাভের মুখ দেখবে এমন আশায় জেলার খামারিরা পশু মোটাতাজা করলেও সে লাভের মুখে ছাই পড়েছে।  কারণ দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পশু প্রবেশ করায় এর প্রভাব পড়েছে এখানকার খামারিদের মধ্যে।  এ কারণে গরু খামারিদের মাথায় হাত উঠেছে!পশু খামারি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার খামারে ১৩টি গরু রয়েছে।  এ বছর খড়, ভুসি, খৈলসহ গরুর খাবারের দাম অনেক বেশি ছিল।  আশা করেছিলাম কোরবানির সময় গরু বিক্রি করে একটু লাভ করব।  কিন্তু বাজারে ভারতীয় গরু আসার কারণে আমাদের লাভতো দূরের কথা খরচই উঠছে না।’ খামারি হান্নান মেম্বার বলেন, ‘আমার খামারে ছোট বড় ১৭টি গরু রয়েছে।  আমরা দেশীয় পদ্ধতিতে খড়-ভুসি খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছি।  এ কারণে আমাদের খরচ বেশি হয়েছে।’ কোরবানির আগে ভারত থেকে দেশে পশু আনতে হবে কেন এমন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় গরু আনতে হলে বছরের সব সময় আনা হোক।  তা হলে আমাদের আর সমস্যা হবে না।  কারণ হঠাৎ করে ঈদের সময় পশু আসলে আমরা লোকসানে পড়ি।  বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে গরুর খামার করা হয়েছে।  ভারতীয় গরু হাটে আসার কারণে আমাদের গরুর দাম কমে গেছে।  এখন আমরা লাখ লাখ টাকার ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব?’ গরু খামারি আবুল খায়ের জানান, তার খামারের দুটি গরু বিক্রি করতে পারছেন না।  চার মাস আগে যে গরুর দাম ৮০ হাজার টাকা ছিল, সেই গরুই এখন ৬৫ হাজার টাকার বেশি দাম উঠছে না।  এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন তিনি। হবিগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কমকর্তা জানান, জেলা পশু অফিসের হিসাব অনুযায়ী এ বছর এখানে কোরবানির জন্য গরুর চাহিদা হবে প্রায় ১০ হাজার এবং ছাগলের চাহিদা হবে ৪ হাজার।  অর্থাৎ জেলার চাহিদার চেয়ে তিনটি উপজেলায় মোট ৭ হাজারের বেশি গরু এবং ২ হাজার ছাগল মোটাতাজা করছে জেলার কৃষকরা।  অর্থাৎ এবছর জেলার চাহিদা থেকে বেশি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।  যা দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হবে।

ভারতীয় গরুতে ছয়লাভ

অনলাইন ডেস্ক: যশোরে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট। তবে হাটগুলোতে দেশি খামারের গরুর পাশাপাশি লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে ভারতীয় গরু। এতে গরুর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি চরম হতাশায় ভুগছেন খামারিরা। হাটগুলোতে দেখা গেছে ভারতীয় গরুর আধিক্য। এ কারণে পশুর দাম অনেক কম হওয়ায় খুশি ক্রেতারা।গত কয়েক বছর ধরেও ভারত থেকে গরু আসা প্রায় বন্ধ হওয়ায় যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠে হাজার হাজার পশুর খামার। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেই এসব খামারে বাণিজ্যিকভাবে মোটাতাজাকরণ করা হয় গরু।গত দু’বছর কোরবানির পশুর হাটে খামারের গরুর আধিক্যই ছিল বেশি। কিন্তু এবার চিত্র একটু ভিন্ন। দেশি খামারের গরুর পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে হাটে উঠছে ভারতীয় গরু। এতে লোকসান আতংকে খামারীরা।হাটগুলোতে ভারতীয় ও খামারি গরুর আধিক্যের কারণে দাম অনেকটা কম বলে জানালেন ক্রেতারা। সরবরাহ বাড়ায় ছাগলের দামও তুলনামূলক কম।এদিকে সুস্থ পশুর নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে হাটগুলোতে তৎপর রয়েছেন বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতেষ কান্তি সরকার।যশোর জেলায় মোট ২১টি স্থায়ী পশু হাট রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকায় আরো ১০টি  অস্থায়ী হাট গড়ে উঠেছে।

মসলার দাম উর্ধমুখী

ঈদুল আজহা এলেই বাড়ে মসলার কদর। ঈদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। এবারের ঈদেও হয়নি এর ব্যতিক্রম। বাজারে বেড়েছে এলাচ ও জিরার দাম। দাম বাড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
সরেজমিন কারওয়ান বাজার, মহাখালী, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী এবং সায়েদাবাদসহ রাজধানীর বিভিন্ন মসলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব বাজারেই বেড়েছে এলাচ ও জিরার দাম। এ ছাড়া মার্কেটে এখনো তেমন ভিড় নেই। টুকটাক কেনাকাটা চলছে। তবে ঈদের তিন দিন আগে থেকে বিক্রি বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ইন্ডিয়ান এলাচের দাম ছিল ১২৫০ টাকা, যেটা বেড়ে হয়েছে ১৩৮০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ১৩০ টাকা। এ ছাড়া প্রতিকেজি আমেরিকান এলাচের দাম ছিল ১৪৫০ টাকা, যেটা এখন ১৬৫০ টাকা। অর্থাৎ, দাম বেড়েছে ২০০ টাকা।
এ ছাড়া জিরার বাজার ঘুরে দেখা গেছে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিকেজি ইন্ডিয়ান জিরার দাম ছিল ৩২০ টাকা, যেটা এখন বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা। আর সিরিয়া থেকে আমদানিকৃত জিরার দাম ছিল ৩৪০ টাকা, যেটা বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। অর্থাৎ দাম বেড়েছে ১৬০ টাকা।
তবে গোলমরিচ, ধনিয়া, দারুচিনি এবং লবঙ্গসহ মসলা-জাতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়লেও দাম তেমন বাড়েনি।
কারওয়ান বাজারের মসলা ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, এলাচ ও জিরার দাম বেড়েছে। প্রতিবারই ঈদের আগে দাম বাড়ে। এ ছাড়া ডলারের দাম বাড়লেও এসব পণ্যের দাম বাড়ে। এলাচ কেজিতে সর্বোচ্চ ২০০ এবং
জিরা বেড়েছে ১৬০ টাকার মতো।তিনি বলেন, ঈদুল আজহায় মসলা সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। বাজার এখনো তেমন জমে ওঠেনি। ঈদের তিন দিন আগে থেকে বিক্রি বাড়বে। তখন নিঃশ্বাস ফেলার সময় থাকবে না।
কারওয়ান বাজারে মসলা কিনতে আসা রোজি বেগম জানান, ঈদের জন্য মসলা কিনতে এসেছি। মসলার জন্য কারওয়ান বাজার ভালো। সবসময় এখান থেকেই কিনি।দাম বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কোরবানির ঈদ এলেই মসলার দাম বেড়ে যায়। এর ভুক্তভোগী হয় জনগণ। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সরকারের যে বাজার নিয়ন্ত্রণ সেল রয়েছে, তাদের উচিত বিষয়টি দেখা।
শুধু কারওয়ান বাজার নয়, মহাখালী কাঁচাবাজারে গিয়ে মিলেছে একই চিত্র। সেখানে দেখা গেছে, বাজারে বেড়েছে এলাচ ও জিরার দাম।মহাখালী কাঁচাবাজারের মসলা ব্যবসায়ী হুমায়ুন জানায়, কোরবানির ঈদ এলেই এলাচ ও জিরার দাম বাড়ে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।মার্কেটে জিরা কিনছিলেন আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ঈদ এলেই মসলার দাম বাড়ে। এ আর নতুন কী, সব বিপদেই আমাদের সরকারের কিছুই করার নেই।
এ বিষয়ে কারওয়ান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বাবুল মিয়া জানান, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে কোরবানির ঈদে গরম মসলার চাহিদা কয়েক গুণ বাড়ে, তাই দামও বেড়ে যায়। দেশের বাজারে মসলার দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্ধারিত হয়।

পীরগঞ্জে বন্যা ,বানে ধান খাইছে, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা বানভাসীদের

মামুনুররশিদ মেরাজুল, পীরগঞ্জ (রংপুর) থেকে ঃ
দুরদুরান্তে আশ্রয় নেয়া বন্যার্তরা পানি কমার সাথে সাথে নৌকাযোগেই তাদের বাড়ীঘরে ফিরছে। গ্রামের রাস্তাগুলো এখনো পানিতে ডুবে আছে। চারিদিক থেকে বন্যার কারণে আবাদী ফসল আর রবি শষ্যের ক্ষেত পচে যাওয়ায় দুর্গন্ধ আসছে। নাক চেপে নৌকায় করে বন্যার্তদের অবস্থা দেখতে গিয়ে কাছে যেতেই শোনা গেল, বানে হামার ধান খালো। ঈদের আনন্দও খাইবে। তাবোত ধান পানিত পচি যাওয়ায় এখন বেচনোর (ধানের চারা) অভাবে ধান গাড়বার পারোছি না। হামার কপালোত ঈন্দুর নাগছে। আবাদের ক্ষতি এক বছরেও পোষে উঠপ্যার পারবালাই, হামরা ক্যাংকরি ঘুরি দাঁড়ামো বলেই হতাশার সুরে কথাগুলো বললেন বানভাসি গোফফার মিয়া। তিনি উপজেলার চতরা ইউনিয়নের মাটিয়াল পাড়ার বাসিন্দা। উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ২৪ মৌজার মধ্যে ১৯টিই বন্যায় কবলিত। কয়েকদিনের বন্যায় পচে গেছে ধান, পাট, ভুট্টা, কলা, মরিচ, পটল, করলা, বেগুন, কচুসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত। এ সময় উপস্থিত কুয়াতপুরের বুদু মিয়া, আজাহার, কুমারপুরের শফিকুল, মাটিয়ালপাড়ার কালাম, ঘাসিপুরের নুরুন্নবীসহ কয়েকজন জানান, হামার খাওয়াই সমস্যা, গরু-বকরির (ছাগল) কি করমো ! ঘাস-পাতার অভাবে গরু-বকরি গুলাও কম দামে বেঁচি জীবন বাঁচাওছি। বন্যায় বেশ কয়েক একর নেপিয়ার ঘাসের ক্ষেত পানিতে পচে যাওয়ায় গরুর খাবারের অভাবে অনেকেই কমদামে গবাদিপশু বিক্রি করছে। তারা আরও বলেন, কৃষি সহায়তা না দিলে আবাদ করা যাবা নায়। চতরা হাটোত বেছনের (ধানের চারা) যে দাম। ট্যাকাও নাই, আবাদ করাও যাবা নায়। উপজেলার টুকুরিয়া, কাবিলপুর ইউনিয়নেও বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। টুকুরিয়া ইউনিয়নটি বন্যায় বেশী ক্ষতি হলেও তাদের পাশে ত্রান নিয়ে খুব লোকই গেছে। কারণ ওই ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা বন্যার্তদের জন্য ভুমিকা না রাখায় সামাজিক সংগঠনগুলো ত্রাণ নিয়ে যেতে পারেনি বলে তরফমৌজার মৃত. শংকরাম দাসের স্ত্রী বিন্নো বালাসহ বন্যার্তরা ক্ষেদোক্তি করেছেন। ইউনিয়নটির আ’লীগ নেতা হেলালুর রহমান বলেন, আমিই ব্যক্তি উদ্যোগে তরফমৌজা, রামকানুপুর ও জয়ন্তীপুরে বানভাসীদের ত্রান দিয়েছি। সেখানে চেয়ারম্যান বা আ’লীগের নেতারা যায়নি। সেখানে প্রায় ২ হাজার মানুষ পানিবন্দী।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, উপজেলায় চলতি মওসুমে ২২ হাজার ২৫০ হেক্টর আমন ক্ষেতের মধ্যে ৭ হাজার ৫’শ হেক্টর জমি বন্যায় বিনষ্ট হয়েছে। এরমধ্যে টুকুরিয়া ও চতরা ইউনিয়নে ৭০ থেকে ৭৫ ভাগ করে এবং কাবিলপুরে প্রায় ৯০ ভাগ আমন ক্ষেত পচে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের তালিকা করা হয়েছে, আগামীকাল সোমবার স্থানীয় সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মাধ্যমে কৃষি সহায়তা প্রদান করবেন। তিনি বন্যা এলাকা পরিদর্শনের জন্য কাবিলপুর ও চতরা ইউনিয়নে আসবেন। উপজেলা পিআইও অফিস সুত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় টুকুরিয়া ইউনিয়নের মানুষ বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া ৫০ মে. টন চালের মধ্যে টুকুরিয়ায় সাড়ে মে. টন, চতরায় ৮ মে. টন এবং কাবিলপুরে ৯ মে. টন চাল বিতরন করা হয়েছে। অপরদিকে উপজেলার চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজের পক্ষ থেকে বন্যার শুরু থেকেই বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। তাদের মতো প্রতিদিনই সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ সমাজসেবীরা স্ব উদ্যোগে ত্রান সহায়তা নিয়ে আসছেন। এরমধ্যে লক্ষীপুরের রায়পুর কাজী বাড়ীর কুয়েত প্রবাসী কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল নিজস্ব তহবিল থেকে বন্যার্তদের জন্য ৫০ লাখ টাকার ঈদ সহায়তা প্রদান করেছেন। চতরা ইউপির চেয়ারম্যান এনামুল হক প্রধান শাহীন বলেন, পানি কমছে, পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ছে। কৃষকদেরকে কৃষি সহায়তা দিতে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছি। স্থানীয় এমপি ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদেরকে সহায়তা দিবেন। চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রব জানান, বন্যা এলাকায় লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ইউনিক গ্রুপের পক্ষ থেকে রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। উপজেলা আ’লীগের সম্পাদক মেয়র তাজিমুল ইসলাম শামীম বলেন, আমরা বন্যার্তদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সরকারী-বেসরকারী ভাবে সহায়তা প্রদান করছি, করবো।

দিনাজপুরে বিএমএ’র আয়োজনে বন্যাদূর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

 


এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি- বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না। দিনাজপুরের বন্যাদূর্গত মানুষদের পাশে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের সকল প্রকার সহায়তা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। উলে¬¬খ করে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেছেন, যাদের ঘর বাড়ি ভেঙ্গে গেছে তাদের ঘরবাড়ী নির্মাণ, রাস্তা ও অন্যান্য স্থাপনা ইতোমধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ধানের বীজ, গো-খাদ্য ও মাছের পোনা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।
২৫ আগষ্ট শুক্রবার দিনাজপুর সদর উপজেলার ৮নং শংকরপুর ইউনিয়নের বড়াইপুর গ্রামে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বন্যাদূর্গত মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি আরো বলেন, বন্যাদূর্গত কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না এ লক্ষে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ সকল ঘরবাড়ী নির্মাণ করে দেয়া হবে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের উন্নয়ন ও সহায়তায় যা যা করা দরকার সবই করবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএমএ কেন্দ্রীয় কমিটর সভাপতি ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। এসময় উপস্তিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব)’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ উত্তম কুমার বড়–য়া, বিএমএ’র কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ ওয়ারেশ আলী সরকার, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ বিকে বোস, সিভিল সার্জন সাঃ মওলা বকস, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, ৮নং শংকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহ জামাল সরকার, শংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউয়িনয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসাহাক চৌধুরী প্রমুখ।

বীরগঞ্জে সততা ষ্টোরের উদ্বোধন করেন ইউএনও
এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে সততা ষ্টোরের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলম হোসেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আর্থিক সহযোগিতায় ২৬ আগষ্ট শনিবার সকালে বীরগঞ্জ ইব্রাহিম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতন প্রঙ্গনে সততা ষ্টোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভপতি আলহাজ্ব মঈন উদ্দিন আহাম্মেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমন্বিত দিনাজপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল করিম, ইব্রাহিম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতনে ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাডঃ মোঃ হামিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মোঃ মোসলেম উদ্দিন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবু হুসাইন বিপু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক বীরগঞ্জ সরকারী ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবু সামা মিয়া ঠান্ডু, সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ খালেক, বিমল চন্দ্র দাস, নির্বাহী সদস্য-ইয়াকুব আলী বাবুল, সাংবাদিক আবেদ আলী ও অন্যরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মোঃ সায়েম ও প্রভাসক নজরুল ইসলাম খান বুলু।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org