Category: অর্থ ও বাণিজ্য

মিল্ক ভিটা দুগ্ধ সামগ্রী ভোক্তাদের ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দিতে সমবায় বিপণি উদ্বোধন

ঢাকা, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন মিল্ক ভিটা তরল দুধ ও ১০ ধরনের দুগ্ধ পণ্য সামগ্রী সহজে ন্যায্যমূল্যে ভোক্তাগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সমবায় বিপণি উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গা রাজধানীর নিকেতন ও কলাবাগানে এ এস কে কো-অপ-শপ উদ্বোধন করে মগবাজারাস্থ ড্রিম প্যারাডাইজ কো-অপ-শপ আকস্মিক পরিদর্শন করেন । এ সময় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মাফরুহা সুলতানা, সমবায় নিবন্ধক আবদুল মজিদ ও মিল্ক ভিটা চেয়ারম্যান শেখ নাদের হোসেন লিপু উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান ‘মিল্ক ভিটা’ পণ্য নিয়ে কোন অনিয়ম বা গুণগতমানের ব্যাপারে কোন আপোশ করা হবে না। তিনি বলেন স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর দুগ্ধ এবং দুগ্ধজাত সামগ্রী রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ড ও জেলায় কো-অপ শপের মাধ্যমে বিপণন করা হবে। ইত্যেমধ্যে ঢাকায় শতাধিক শপ স্থাপিত হয়েছে। তিনি বলেন মিল্ক ভিটার দুধ, মাখন, ঘি, আইসক্রিম ,দই, রাসমালাই, চকোলেট ও লাবাং গুণগতমানের ও সাশ্রয়ী মূল্যের । তিনি এসব সামগ্রী ক্রয় করে দেশের দুগ্ধ সমবায়ীদের জীবন মানোন্নয়নে সহায়তা করতে জনগণের প্রতি আহবান জানান।

কক্সবাজার ন্যায্যমূল্যের চিনি কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ


ইমরান জাহেদ, কক্সবাজার।
পবিত্র রমজান মাসেও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের উখিয়ার পাইকারী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। এরা কোটি কোটি টাকার নিত্যপণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে গলাকাটা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, পবিত্র রমজানে চিনির মূল্য সহনীয় রাখার জন্য এস. আলম গ্রুপ উখিয়ায় ২ জন চিনির ডিলার নিয়োগ করলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা ন্যায্যমূল্যে সরবরাহকৃত চিনি পায়নি। যে কারণে এখানে প্রতি কেজি চিনি ৬৬ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
সূত্রে জানা গেছে, বৃহত্তর চট্টগ্রামে ন্যায্যমূল্যে চিনি বিক্রির উদ্যোগ নিয়ে এস. আলম গ্রুপ ৭৭ জন ডিলার নিয়োগ করে ৩ মাস পূর্বে থেকে ন্যায্যমূল্যে চিনি সরবরাহ করে আসছে এসব ডিলারদের। এস. আলম গ্রুপ প্রদত্ত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন ১ হাজার মে. টন চিনি উৎপাদন হচ্ছে। জনস্বার্থে এসব চিনির খুচরা বিক্রির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে মন প্রতি ২১৮০ টাকা অর্থাৎ প্রতি কেজি চিনির মূল্য পড়েছে ৫৮.৮৬ টাকা হারে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ডিলারেরা পরিবহন ভাড়া ও শ্রমিকের মজুরির অজুহাত তুলে যাতে চিনির অতিরিক্ত মূল্য আদায় করতে না পারে, সেজন্য এস. আলম গ্রুপ পরিবহন ভাড়া ও লোড-আনলোড খরচ সহ প্রতি কেজি চিনি ৫৮.৮৬ টাকা সর্বসাকুল্য মূল্য নির্ধারণ করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে জনসাধারণকে অবহিত করলেও উখিয়ার ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্ত খুচরা ব্যবসায়ীরা উক্ত ন্যায্যমূল্যে চিনি পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। যে কারণে বাজারে চিনির দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। উপরোন্তু ক্ষেত্র বিশেষে পাড়া মহল্লায় চিনির দাম আরো বাড়িয়ে নিচ্ছে বলে ক্রেতা সাধারণের অভিযোগ। উখিয়া সদরের খুচরা ব্যবসায়ী (ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্ত) শামশুল আলম, আমিন শরীফ, লোকমান হাকিম, নজরুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, এস. আলম গ্রুপের নিয়োগকৃত ডিলার প্রদীপ সেন ও বিশ্বনাথ ষ্টোরের মালিক তপন বিশ্বাসের অনুকুলে বরাদ্দ দেওয়া চিনির ৫০ কেজি বস্তা ৩২শত টাকা দরে বিক্রি করছেন।
মরিচ্যা বাজারের শামশুল আলম সওদাগর জানান, এস. আলম গ্রুপের ডিলার তপন বিশ্বাসের নিকট থেকে ৭০ বস্তা চিনি ক্রয় করেছেন। প্রতি বস্তার দাম ধরা হয়েছে ৩১শত টাকা করে। এতে প্রতি কেজি চিনির দাম পড়েছে ৬৪ টাকা। যা খুচরা ব্যবসায়ীদের বিক্রি করতে হচ্ছে ৬৬ টাকা দরে। এভাবে দুই জন ডিলার খুচরা ব্যবসায়ীদের চোখে ধুলো দিয়ে গত ৩ মাসে চিনি সরবরাহ খাতে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছে বলে খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। এ ব্যাপারে এস. আলম গ্রুপের নিয়োগকৃত ওই ২ জন ডিলার প্রদীপ সেন ও তপন বিশ্বাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মত তারা বাজারে চিনি সরবরাহ করেছেন। এভাবে রমজানের নিত্যপণ্য যেমন- ছোলা, চিনি, ডাল, পিঁয়াজ, তেল পণ্যের বিপরীতে ৫-১০ টাকা করে বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে বলে ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা টাঙ্গানোর নির্দেশ দিলেও সুচতুর ব্যবসায়ীরা মূল্য তালিকার সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়েছে ঠিকই, কিন্তু অধিকাংশ সাইনবোর্ডে পণ্যের মূল্য লেখা নাই। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাঈন উদ্দিন জানান, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উখিয়ায় চোরাচালানী সিন্ডিকেট সক্রিয়ঃ মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে নিত্যপণ্য


ইমরান জাহেদ, কক্সবাজার।
পবিত্র রমজানে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অধ্যুাষিত জনপদে প্রচুর চাহিদার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে উখিয়া সীমান্ত এলাকা চিহ্নিত চোরাচালানী সিন্ডিকেট। এরা গ্রামগঞ্জে খুচরা বিক্রির অজুহাতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী মজুদ করে। পরে সীমান্তরক্ষী বিজিবি’র চোখ ফাঁকি দিয়ে পাচার করছে দেশীয় পণ্য সামগ্রী। গত শুক্রবার ভোর রাতে আনজুমানপাড়া নাফনদী দিয়ে পাচারকালে নৌকা ভর্তি মালামাল উদ্ধার করেছে পালংখালী বিজিবি’র সদস্যরা।
উখিয়া কুতুপালং ও বালুখালী বস্তিতে বসবাসরত মিয়ানমারের মংডু নাইছাধং গ্রামের উমর শরীফ (৩৫), কালা পুতু (২৫), আব্দুল বারেক (৪০) সহ বেশ কয়েকজন সদ্যাগত রোহিঙ্গার সাথে কথা বলে জানা যায়, মংডুর টাউনশীপ এলাকায় বেশীর ভাগ নাগরিক রোহিঙ্গা হওয়ার সুবাদে সেখানকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন আকিয়াব থেকে কোন পণ্য সামগ্রী মংডু এলাকায় সরবরাহ করতে দিচ্ছে না যুগ যুগ ধরে। যাতে রোহিঙ্গারা খাদ্যাভাবে অতিষ্ট হয়ে এদেশে পাড়ি জামাতে বাধ্য হয়। এটাই ছিল তাদের মূল পরিকল্পনা। বালুখালী বস্তির নাগু মাঝি জানান, এদেশীয় পণ্য ছাড়া মংডুর রোহিঙ্গারা বাচঁতে পারবে না। সে জানায়, মংডুতে দায়িত্বরত সে দেশের বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা লোকজন এদেশের পণ্যের উপর নির্ভর করে দিন কাটাচ্ছে। যে কারণে সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ করা বিজিবি’র পক্ষে সম্ভব হচ্ছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দাবী করছেন।
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত উখিয়া উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধ কল্পে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন রমজানে নিত্যপণ্য সামগ্রী মিয়ানমারের পাচার রোধে সীমান্তরক্ষী বিজিবি সদস্যদের আরো আন্তরিকতার সহিত দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান। এসময় ঘুমঘুম বিজিবি’র কোম্পানী কমান্ডার রফিকুল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত নাগরিক ও জনপ্রতিনিধিরা সহযোগীতা না করলে চোরাচালান প্রতিরোধ করা তাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়।
এ প্রসঙ্গে উখিয়ার পাইকারী ব্যবসায়ী সিরাজুল হক, প্রদীপ সেন, বিশ্বনাথ স্টোরের মালিক তপন বিশ্বাসের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, খুচরা বিক্রির অজুহাতে ব্যবসায়ী পরিচয়ে রমজানের পণ্য সামগ্রী ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে। এসব পণ্য সামগ্রী কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা তাদের জানার কথা নয় বলে সাংবাদিকদের মতামত ব্যক্ত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উখিয়ার প্রায় ২০ জন পাইকারী ব্যবসায়ীর মধ্যমে প্রতি সপ্তাহে কোটি কোটি টাকার নিত্যপণ্য আসছে। এসব পণ্য সামগ্রী খুচরা ব্যবসায়ীদের হাতবদল হয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সীমান্তের পালংখালী, আনজুমান পাড়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার দিলীপ বিশ্বাস জানান, তাদের টহল পার্টি শুক্রবার ভোর রাতে নাফনদীতে অভিযান চালিয়ে চোলা, তেল, সেমাই, চিনি, ডাল, আটা, পিয়াঁজ, রসূন ভর্তি একটি নৌকা আটক করতে সক্ষম হয়েছে। নিত্য পণ্য সামগ্রী মিয়ানমারে পাচারের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানান, স্থানীয় ভাবে প্রচুর চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে নিত্যপণ্য পাচার হলেও পুলিশের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

নওগাঁয় ব্রিজ আছে নেই দু’পাশের সংযোগ গাইড অংশ

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আত্রাই থেকে বান্দাইখাড়া যাওয়ার রাস্তার পাশেই চোখে পড়বে এই সংযোগ সড়ক গাইড অংশ বিহীন এই ফুটপাত ব্রিজটির। ব্রিজটির মূল অংশের কাজ শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন পরিকল্পনা নেই দুই পাশের সংযোগ গাইড অংশের কাজ শেষ করার ।
ব্রিজের এই রাস্তা দিয়ে তারানগর, বাউল্লাহসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চলাচল করে প্রতিনিয়ত। বর্ষার সময় এখানকার মানুষের একমাত্র উপায় নৌকা। বছরের পর বছর এই গ্রামের মানুষদের অপেক্ষা করতে হয়েছে এই একটি ফুটপাত ব্রিজের জন্য।
প্রায় ১বছর আগে দীর্ঘদিনের এই আশা পূরণের জন্য এই স্থানে একটি ফুটপাত ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু ব্রিজের মূল অংশের কাজ শেষ হওয়ার পর অজানা কারণে প্রায় ১ বছর পার হলেও এখনো এই ব্রিজের দুই পাশের সংযোগ গাইড অংশের কাজ শেষ করার নামে কোন খবর নেই।
এই সংযোগ অংশের কাজ শেষ না হওয়ার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই ফুটপাত ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষদের।কৃষক তাদের উৎপাদিত পন্য পরিবহনের ক্ষেত্রে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে তবেই আত্রাই বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন অথচ এই ব্রিজটি ব্যবহারের উপযোগি হলে খুব সহজেই তারা তাদের সকল কাজ কম সময়ের মধ্যেই শেষ করতে পারবেন।তারানগরগ্রামের মুজিবর, হানিফ, রফিকুলসহ আরো অনেকেই জানান, আমরা এই কয়েকটি গ্রামের মানুষ খুবই অবহেলিত। আমাদের গ্রামে নেই উন্নত মানের যোগাযোগ ব্যবস্থা। আমরা অনেক কষ্টে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করে এই স্থানে একটি ফুটপাত ব্রিজের অনুমোদন নিয়ে আসাই। কিন্তু প্রায় ১ বছর পার হলেও ব্রিজটির মূল অংশের কাজ শেষ হলেও দুই পাশের সংযোগ গাইড লাইনের কাজ এখনো পর্যন্ত শেষ না হওয়ায় আমরা এই ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছি না। এতে আমাদের যে চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে হতো আজো তাই করতে হচ্ছে।
আত্রাই উপজেলা প্রকৌশলী মো: মোবারক হোসেন জানান, গত বছর বরাদ্দ শেষ হওয়ার কারণে ব্রিজটির বাকি অংশের কাজ শেষ করা সম্ভব হয় নাই। তবে এবারের এডিবির বরাদ্দ পেলেই এই ব্রিজটির দুই পাশের সংযোগ গাইড লাইনের কাজ শুরু করা হবে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট জনকল্যাণমুখী — এলজিআরডি মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ জ্যৈষ্ঠ (১ জুন) :স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট জনকল্যাণমুখী। এই বাজেট জনগণের আশা আকাক্সক্ষার প্রতিফলন। প্রায় ৪ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রমাণ করে বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অনেক দৃঢ়।তিনি আজ রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জনকল্যাণমুখী এ বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করে ২০২১ সালে দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ অবশ্যই উন্নত দেশে পরিণত হবে। ভবিষ্যতে বাজেটের আকার এর চেয়েও বড় হলে অবাক হওয়ার কিছু নাই।মন্ত্রী বলেন, রোজা মানুষকে প্রকৃত আধ্যাত্মিক ও জাগতিক মানুষ হতে এবং ধৈর্য ও সংযমী হতে সাহায্য করে। রমজানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সম্প্রীতি, সমবেদনা ও সহমর্মিতার শিক্ষা গ্রহণের জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।পরে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

গাজীপুরে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা


মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর প্রতিনিধি ঃ
“দুধ পানের অভ্যাস গড়ি, পুষ্টি চাহিদা পূরণ করি” এই প্রতিপাদ্য বিষয়টি সামনে রেখে গাজীপুরে ১ জুন বৃহস্পতিবার বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০১৭ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের আয়োজনে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ণ কেন্দ্রের ২য় তলার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।গাজীপুর জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ মুখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ডিএলও) ডাঃ অখিল চন্দ্র।বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডাঃ মোঃ সেলিম উল্লাহ, কাপাসিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ আশরাফ হোসেন, কাপাসিয়া উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল শামীম, কালীয়াকৈর ভেটেরিনারী ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট (ভিএফএ) মোঃ হারুন অর রশিদ, কাপাসিয়া ভেটেরিনারী ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট (ভিএফএ) এসএম বেলায়েত হোসেন, দুগ্ধ খামারীদের মধ্যে মোঃ কাজিউর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ লুৎফুর রহমান, সাংবাদিক মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক) ও ৫ উপজেলা থেকে আগত প্রাণী সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ডেইরি ফার্মের মালিকরা। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ সহকারী (ইউএলএ) মোঃ আনিছুর রহমান সিদ্দিকী প্রমুখ।
এছাড়া আলোচনা সভায় আদর্শ খাদ্য হিসেবে দুধের চাহিদা ও এর উৎপাদনের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সদর উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মারুফ।
আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ডিএলও) ডাঃ অখিল চন্দ্র “দুধ পানের অভ্যাস গড়ি, পুষ্টি চাহিদা পূরণ করি” এই প্রতিপাদ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আসুন আমরা অঙ্গিকার করি আজ থেকে আমরা নিজেরা সবাই দুধ খাওয়ার অভ্যাস করি এবং দুধ খাওয়ার জন্য অন্যদের উদ্বুদ্ধ করি। সুস্থ সবল জাতি গড়তে প্রত্যেককে প্রতিদিন কমপক্ষে এক গ্লাস দুধ পান করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে। সুষম খাদ্য বলতে দুধ কে বুঝায়। দুগ্ধ পানে স্বচ্ছতার সাথে থাকা বা স্বাস্থ্য সম্মতার সাথে থাকা কে বুঝায়। এক্ষেত্রে সরকার বেশ ভূমিকা রেখেছে। দুগ্ধ উৎপাদনকারী কৃষকদের মধ্যে ঋণ দিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে।
কাপাসিয়া উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল শামীম বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কোমল পানীয় ব্যাপক হারে পান করছে, যা শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর। ওইসব কোমল পানীয় শরীরের পানি যুক্ত করার পরিবর্তে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। গরমে ওই সব পানীয় পান করলেও ক্ষণিক সময়ের জন্য স্বস্তি পেলেও তা গরম প্রতিহত করতে পারে না। কিন্তু দুধ বা দুগ্ধজাতীয় পানীয় গরম প্রতিহত করতে অনেক কার্যকর।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ৩৬ শতাংশ শিশুর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তাদের দৈহিক ও মস্তিষ্কের গঠন সঠিকভাবে হয় না। কিন্তু যেসব শিশু জন্মের পর থেকে দুধ পান করে তাদের দৈহিক ও মস্তিষ্কের গঠন যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়।
আলোচনা শেষে উপস্থিত শতাধিক অংশগ্রহণকারীর মাঝে ব্র্যাক ডেইরি এণ্ড ফুড প্রডাক্টের আড়ং ডেইরির ৫০০ এমএল পাস্তুরিত তরল দুধের ১টি করে প্যাকেট ও ফারমেন্টেড মিল্ক লাবান ২৫০ এমএল ১টি করে বোতল বিতরণ করা হয়।

সুন্দরগঞ্জে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন: বিক্ষোভ


আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বাজারপাড়া মৎস্যজীবী সমাবায় সমিতি লিমিটেডের অবৈধ নিবন্ধন বাতিলের দাবীতে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের ভবানীপুর মৎস্যজীবী সমাবায় সমিতি লিমিটেডের আয়োজনে সুফল বঞ্চিতরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন। এসময় অবৈধভাবে নিবন্ধিত বাজারপাড়া মৎস্যজীবী সমাবায় সমিতি লিমিটেডের নিবন্ধন বাতিল পূর্বক ভবানীপুর মৎস্যজীবী সমাবায় সমিতির নামে গারখানা নদীর লিজ প্রাপ্তির দাবী জানান তারা। এতে বক্তব্য রাখেন- ইউপি সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুস সালাম বসুনিয়া, ভবানীপুর মৎস্যজীবী সমাবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুধীন চন্দ্র দাশ, সন্তোষ বালা প্রমুখ।
(ছবি আছে)
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বপদে দায়িত্ব গ্রহণ
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাজেদুর রমান স্বপদে দায়িত্ব গ্রহন করেছেন। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ১৬ এপ্রিলই ভাইস চেয়ারম্যান- আবু সোলায়মান সরকার মহামান্য হাইকোর্টের নিদের্শে স্বপদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বিগত ২০১৬ সালের ১৮ই নভেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত পূর্বক প্রজ্ঞাপন জারী করে মর্মে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক তাঁরা পর্যায়ক্রমে স্বপদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
(ছবি আছে)
সুন্দরগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ঝুঁকিবহ ভবন নিয়ে শঙ্কা
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন হস্তান্তরের আগেই অত্যন্ত ঝুঁকি বহন করছে। ফলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ নব-নির্মিত ভবনটি নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কয়েকটি নদ-নদী বেষ্টিত সুন্দরগঞ্জ পৌরসভাসহ ১৫ টি ইউনিয়ন মিলে বৃহৎ আয়তাকার এ উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন কোন উন্নত নয়। এছাড়া, নদ-নদী প্রবাহিত হওয়ায় বিচ্ছিন্ন যোগাযোগের ফলে কোথাও কোন অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটলে রংপুর অথবা গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয় উপজেলাবাসীকে। এতে তেমন কোন উপকারে আসে না। ফলে প্রতি বছর অগ্নিকা-ে জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। এ দুর্ঘটনা থেকে উপজেলাবাসীর সুবিধার্থে পৌর শহরের পশ্চিম বাইপাস নামক স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনে সরকারীভাবে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়ায় ব্যাপক অনিয়- দুর্নীতির মাধ্যমে একটি ভবন নির্মাণ করেন ঠিকাদার। ভবনটি নির্মাণে ব্যপক ত্রুটিজনিত কারণে এর পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশের বিশেষ অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। ধূর্ত ঠিকাদার কৌশলে ঐ ফাটল মিশিয়ে পাশের ওয়ালের সঙ্গে লোহার রডে টানা দিয়ে কাজ সমাপ্তি দেখান। এতে করে ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকি বহণ করছে বলে এই ভবন হস্তান্তর হচ্ছেনা। কারণ, ঝুঁকিপূর্ণ ঐ ভবনে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা অসম্ভব বলে বিবেচিত হওয়ায় কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
এ ব্যাপারে সম্প্রতি কয়েক দফা মুঠোফোণে কথা হলে ঠিকাদার শফিকুর রহমান বলেন- ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ১৮ তারিখে ভবনটি নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে প্রাক্কলিত ১ কোটি ১১ লাখ টাকা উত্তোলণ করা হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিভাগ এখনও ভবনটি বুঝে নিচ্ছে না। এরপর মুঠোফোণে রংপুর অঞ্চলের ফায়ার তৎকালীন সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক শেখ আসাদুজ্জামান বলেন, নব- নির্মিত ঐ ভবনটির অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সমস্যা জনীত কারণে ঐ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আব্দুল মজিদ সাহেবকে দেখা-শোনার দায়িত্বভার দেয়া হয়েছে। তিনি তা দেখে-শুনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরসহ গণপূর্ত বিভাগে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। এর আলোকে উপর থেকে কোন নির্দেশ না আসায় ভবনটি গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ নিয়ে রংপুর অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট সহকারী পরিচালক আব্দুল মজিদ বলেন- জনবল কাঠামোগত দিকে একটু সমস্যা তো আছেই। তাছাড়া, ভবনের দু’পাশের দেয়ালের সঙ্গে লোহার রড দিয়ে টানা দেয়ার পরও এই ভবনটি কতখানি নিশ্চয়তা বহণ করবে, তা দেখার বিষয়।
সাদুল্যাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা কাচারী বাজার মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় হাওয়া খাতুন (৯) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুরে নলডাঙ্গা কাচারী বাজার নুরানী মাদ্্রসার ছাত্রী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিশ্বাস হলদিয়া গ্রামের হাসমত আলীর মেয়ে হাওয়া খাতুন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। উক্ত সময় মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরতে সময় বামনডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী একটি পিকআপ ভ্যান তাকে চাপা দিলে সে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনার পর এলাকাবাসী পিকআপ ভ্যানটি আটকিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চালককে পুলিশে সোপর্দ্দ করেন।

সাভারে হোটেল ও গরুর মাংস বিক্রেতা ব্যবসয়ীদের সাথে মতবিনিময় সাভার পৌরসভার


সাভার(ঢাকা)প্রতিনিধি
রমজানকে সামনে রেখে সাভারে হোটেল ও গরুর মাংস বিক্রেতা ব্যবসয়ীদের সাথে মতবিনিময় করেছে সাভার পৌরসভা।
বুধবার দুপুরে সাভার পৌরসভার অডিটরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।মতবিনিময় সভায় এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌরসভার মেয়র আব্দুল গণি।মতবিনিময় সভায় এসময় রমজান উপলক্ষে সাভারে গরুর মাংস ৪.৭৫ ও খাসির মাংস ৬.২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পৌরসভার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে কোন ব্যবসায়ী যদি বেশী দামে মাংস বিক্রি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দেন পৌর মেয়র।মতবিনিময় সভায় এসময় সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কামরুল ইসলামসহ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।


সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org