Category: অর্থ ও বাণিজ্য

চামড়া বিক্রির টাকা খাজনা দিতে শেষ


নওগাঁ প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে জেলায় প্রায় ১ লাখের অধিক গৃহপালিত পশু কোরবানি দিয়েছেন ধর্মপ্রাণ মুসলামানরা। কোরবানির পশুর চামড়ায় গরীব-মিসকিনদের হক রয়েছে। উপযুক্ত মূল্যে কোরবানিদাতারা চামড়া বিক্রি করে সেই টাকা গরীব-মিসকিনদের দিয়ে থাকেন। তবে চামড়ার দাম এবার কম হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন গরীব-মিসকিনরা। আর মাঝখান থেকে লাভবান হচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীরা।
কোরবানি ঈদের সময় মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী বা ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের আনাগোনা থাকে বেশি। তারা ধারদেনা করে টাকা সংগ্রহ করে চামড়া কিনে থাকেন। লাভের টাকা থেকে আবার তা পরিশোধ করে থাকেন। তারা গ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া কিনে চামড়া হাটে বিক্রি করেন। সেখান থেকে বড় বড় চামড়া ব্যবসায়ীরা তাদের কাছ থেকে চামড়া কিনে থাকেন।
জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের ২৫০ জনের মতো সদস্য হলেও মৌসুমে প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজারের মতো ফড়িয়া ব্যবসয়ীরা চামড়া কেনেন। এ ঈদে ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের অনেকেই লোকসানের আশঙ্খা করছেন। চামড়া কিনে বিপদে পড়তে হয়েছে বলে জানা গেছে। কেউ কেউ কেনা দামেও চামড়া বিক্রি করেছেন। এতে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত উঠার উপক্রম হয়েছে। ফলে চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কোরবানিদাতা ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
আবার যারা কোরবানি দিয়েছেন তারাও চামড়ার ন্যায্য দাম পাননি বলেও জানা গেছে। এক কথায় পানির দামে তাদের চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে। বেশি সময় ধরে চামড়া রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বাধ্য হয়েই অল্পমূল্যে চামড়া বিক্রি করে দিয়েছেন।
শনিবার ঈদের দিন ছিল জেলার মান্দা উপজেলার সতিহাট চামড়ার হাট। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বকরির চামড়া ৫-১৫ টাকা, খাসির চামড়া ১০-৫০ টাকা, বকনা গরু ১৫০-২০০, ষাঁড় গরু ৭৫০-৯০০ টাকায় চামড়া বিক্রি হয়েছে।
মান্দার গনেশপুর গ্রামের মকবুল হোসেন বলেন, এবার একটি বকরি কোরবানি দিয়েছেন। ভাল দাম পাওয়ার আশায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে আড়াই কিলোমিটার দূর থেকে সতিহাটে চামড়া বিক্রি করতে এসে বড়ই বিপদে পড়েছেন। ‘চামড়ার দাম না থাকায় পাঁচ টাকা দিয়ে বিক্রি করতে হয়েছে। যেখানে চামড়ার খাজনাই পাঁচ টাকা।’ তবে চামড়ার দাম না থাকায় গরীব মিসকিনরা তাদের পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী আল মামুন বলেন, এ বছর প্রায় ৫০ হাজার টাকার কাঁচা চামড়া কিনেছেন। চামড়ার হাটে বড় বড় চামড়া ব্যবসায়ীরা না আসায় কিছুটা লোকসানে আশঙ্খা করছেন।
পতœীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর এলাকা নতুন হাটের চামড়া ব্যবসায়ী নয়ন কুমার বলেন, ধারদেনার টাকায় চামড়া কিনে খুব হতাশার মধ্যে পড়েছি। সময়মতো এসব চামড়ায় লবণ দিতে না পারলে বা বিক্রি করতে না পারলে চামড়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই অনেকেই কোরবানির পশুর চামড়া অল্পমূল্যেই বিক্রি করে দিয়েছেন। লবণের দামও বেশি। পাইকাররাও তেমন আসছেন না। এ মাল কবে বিক্রি হবে তার কোন ঠিক নেই।
নওগাঁ জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মমতাজ হোসেন বলেন, সরকার চামড়ার যে মূল্য নির্ধারন করে দিয়েছে তার থেকে ফড়িয়া ব্যবসয়ীরা অনেক বেশি দামে চামড়া কিনেছে। তারা চামড়ার ধরন ও ফুট না বুঝে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা বর্গফুটে চামড়া কেনায় এখন লোকসানের মুখে। ফলে বেশি দামে চামড়া কেনায় কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। মোট কথায় আগামীতে চামড়ার বাজার পাটের তুলনায় খারাপ হওয়ার আশঙ্খা রয়েছে।#

সাভারের আশুলিয়ায় বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডমে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়

মোঃ গোলাম মোস্তফা, সাভার
পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে সাভারের আশুলিয়ায় বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডমে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ করা গেছে।রবিবার সকাল থেকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় অবস্থিত বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডমে দর্শনার্থীদের এ ভীড় লক্ষ করা গেছে।ফ্যান্টাসি কিংডমের জেনারেল ম্যানেজার মেজর (অব.) মনজুর উদ্দিন আহমেদ জানান পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে সকাল থেকে Í বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডমে সব বয়সের মানুষরা বিনোদন করতে আসে। ফ্যান্টাসি কিংডমের সব রাইড গুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। এছাড়া ওয়াটার কিংডমে সব বয়সের মানুষরা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে। ঈদ উপলক্ষে ফ্যান্টাসি কিংডম কতৃপক্ষ এবার দর্শনার্থীদের আন্দা দেওয়ার জন্য এবার ইনভেডেবল স্লাইপসহ দুটি নতুন রাইড নিয়ে এসেছে। এবার ঈদ উপলক্ষে ফ্যান্টাসি কিংডমে প্রত্যেক জনের জন্য ১২’শ টাকার একটি প্যাকেজ ছাড়া হয়েছে। ১২’শ টাকায় রয়েছে ৯ টি রাইড,ওয়াটার কিংডমসহ দুপুরের খাবার।আগামীকাল আরও বেশী দর্শনার্থীদের আগমন ঘটবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।এছাড়া এবার ঈদ উপলক্ষে ফ্যান্টাসি কিংডম কতৃপক্ষ ১২ দিনের জন্য ডিজে সো সহ নানা ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন বলে জানা গেছে।

নওগাঁয় জাতীয় শ্রমীক লীগের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ


নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় জাতীয় শ্রমীকলীগ নওগাঁরর উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার শহরের পার নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে বন্যার্তদের মাঝে চাল, ডাল, আটা, সেমাই ওচিনি বিতরণ অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এমপি এসব ত্রান বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহম্মেদ বাদল, জাতীয় শ্রমীকলীগ নওগাঁর সভাপতি জহুরুল ইসলাম সিদ্দিকী মিলন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুণ হক সোহেল, দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রশিদ, অর্থ সম্পাদক বিপুল চন্দ্র সিকদার, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সহ ত্রান ও পূনাবাসন সম্পাদক মুন্টু চাকি, সহ শ্রমিক কল্যান বুলু জোয়াদ্দার, সদস্য আয়নুল হক খোকন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, আসলাম শেখ, পিডিবির আব্দুল মজিদ, সাখাওয়াৎ হোসেন হেলাল, ইব্রাহিম, শাহানাজ আক্তার নাইস, আবেদা সুলতানা রেশমা, দীপ্তি, সুমি প্রমুখ।

জৈন্তাপুরে ত্রানের ৩০ কেজি চাল বিতরন।৫শত টাকা গায়েব


জৈন্তাপুর প্রতিনিধি-
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে বিশেষ বিজিএফ ৩০ কেজি চাল নগদ ৫শত টাকা বিতরন করা হয়। জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্তরা ত্রানের চাল পেলেও টাকা পায়নি ৮নং ওয়ার্ডের দূর্গতরা।
সরেজমিনে ঘুরে ত্রান প্রাপ্তদের সাথে আলাপকালে জানা যায়- গত ২৯ আগষ্ট মঙ্গলবার জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদে বিশেষ বিজিএফ এর আওতায় বন্যাদূর্গতদের মধ্যে ৩০কেজি চাল ও নগদ ৫শত টাকা বিতরন করা হয়। কিন্তু জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের লামনীগ্রাম, ভিত্রিখেল (ববরবন্দ), ভিত্রিখেল, ভিত্রিখেল (লামাবস্তি) বন্যা দূর্গতদের মধ্যে চাল বিতরন করে। কিন্তু বন্যা দূর্গতরা অতিতের ন্যায় সরকারের পক্ষ হতে চাল পেলেও পূর্বে নগদ অর্থ কখনো পায়নি। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইউপি সদস্য শওকত আলী এবং ট্যাগ অফিসার হাসিনুর রশিদের সহায়তায় দূর্গতদের জন্য বিশেষ বিজিএফ এর ৫শত টাকা করে নিজের কাছে রেখে দেন। ভিত্রিখেল গ্রামের গনি মিয়া, রফিক মিয়া, সুরুজ আলী, নেয়ারুন, মুছা মিয়া, আফিয়া, সাফিয়া সহ প্রায় ৩০/৩৫ জনের সাথে আলাপকালে তারা জানান আমরা ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছি কোন টাকা পাইনি। ভিত্রিখেল গ্রামের গনি মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি জানান আমার দুই ভাই ৩০ কেজির করে চাল পেয়েছি কিন্তু অন্য ওয়ার্ডের লোকেরা নগদ ৫শত টাকা করে পেলেও আমরা তা পাইনি। টাকার বিষয় জানতে চাইলে “চাল নিয়ে যান” পরে দেখা যাবে। একই ভাবে লামনীগ্রামের সুরুজ আলীর সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন- আমি ও আমার মেয়ে চাল পেয়েছি, এছাড়া গ্রামের আরও অনেকে চাল পেয়েছেন কিন্তু টাকা পয়সা পাইনি বা ওয়ার্ডের কাউকে টাকা পয়সা দেওয়া হয়নি। আপনারা টাকা চাননি প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন- অতিতের মত আমরা মনে করেছি শুধু মাত্র চাল বিতরন করা হচ্ছে, এজন্য টাকা চাইনি। লামনীগ্রামের মুছা মিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি জানান- আমার নাম তালিকায় নেই আমাকে ডেকে নিয়ে চাল দেওয়া হয়েছে। আমি কোন টাকা পাইনি এবং কাউকে টাকা দিতে দেখিনি।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমানের সাথে পরিষদে আলাপকালে তিনি জানান- আমি একার পক্ষে প্রতিটি ব্যক্তির বিজিএফ এর টাকা ও চাল বিতরন করা সম্ভব নয়। এজন্য নিজ নিজ ওয়ার্ড মেম্বারের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেই। কোন একজন ব্যক্তি যদি টাকা না পাওয়ার বিষয় আমাকে জানাত তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতাম। বিষয়টি আমি রাতে একজন মুরব্বির মাধ্যমে জানতে পারি। পরিষদের সকল সদস্যদের নিয়ে জরুরী বৈঠকের মাধ্যমে টাকা ও চাল বিতরনের অনিয়মের মাধ্যমে কেউ আত্মসাৎ করলে আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার কথা জানান ইউপি চেয়ারম্যান। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ২নং জৈন্তাপুর ইউপি সদস্য শওকত আলীর মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অপরদিকে ২নং জৈন্তাপুর ইউপির ট্যাগ অফিসার হাসিনুর রশিদের সাথে আলাপকালে- তিনি জানান আমার সম্মুখে সকল ইউপি সদস্য চাল ও টাকা বিতরন করেছেন। যদি কোন ইউপি সদস্য আমার অনুউপস্থিতে টাকা বিতরন করে না থাকে সেটি আমার জানা নেই।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ বলেন- আমাকে কেউ এরকম ঘটনার কথা জানায়নি। আপনার মাধ্যমে মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। সংশি¬ষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আমি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের পদক্ষেপ নিব।

সুন্দরগঞ্জে মৎস্য খাতে ক্ষতি সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা

আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যায় মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের দু’দফায় ঘটে যাওয়া বন্যায় মৎস্য খাতে ৩শ’ ৩৩ জন মালিকের ৪শ’ ৪টি পুকুরের ক্ষতি হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পুকুর মালকি ও মৎস্যচাষীদের মধ্যে অনেকেই র্সবশান্ত হয়েছেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অঃ দাঃ)- মজিবর রহমান বলেন- মৎস্যচাষীদরে ক্ষতি পুশিয়ে দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে উর্দ্ধতন দপ্তরে চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে।

ঈদের আগেই বাড়ছে রেমিটেন্স

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি আগস্ট মাসের ২৫ দিনে মোট ১০৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তারা। মাসের বাকি দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহের হার আরও বেড়ে সবমিলিয়ে এ মাসে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩০ কোটি ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আগে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। শেষ দু’দিনেও পরিবার-পরিজনের ঈদের খরচ মেটাতে বেশি করে অর্থ দেশে পাঠাবেন প্রবাসীরা। তাই আমরা প্রত্যাশা করছি আগস্ট মাসে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩০ কোটি ডলারের মতো হতে পারে।
রেমিট্যান্স বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ১০৩ কোটি ৯১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১১১ কোটি ৫৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন তারা, যা গত বছরের জুলাই মাসের চেয়ে ছিল ১১ শতাংশ বেশি। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রায় পুরো সময় ধরে পড়তির দিকে থাকা রেমিট্যান্স প্রবাহের ঊর্ধ্বগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সুখবরই দিচ্ছে।
দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্সের নিম্নগতি সরকারের নীতিনির্ধারকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়েছিল। রেমিট্যান্স বাড়াতে মাশুল না নেওয়াসহ নানা ঘোষণাও দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যদিও সেটা সম্ভব নয় বলে সিন্ধান্ত হয়েছে।
২৫ দিনে ১০৪ কোটি ডলারের মধ্যে সরকারি ৬ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২৯ কোটি ৯ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে আসে ৮৯ লাখ ডলার। এ সময় ৩৯টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৭২ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। আর ৯টি বিদেশি ব্যাংকের মাধামে আসে ৯৮ কোটি ডলার।
শুভঙ্কর সাহা বলেন, প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহী করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তারই ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে এখন। মাশুল না নেওয়ার ঘোষণা কার্যকর হলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র।
বাংলাদেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশ অবদান রাখে প্রবাসীদের পাঠানো এ বৈদেশিক মুদ্রা। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এক হাজার ২৭৭ কোটি (১২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল আগের ৬ অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বিদেশ থেকে অবৈধ পথে টাকা পাঠানোকে দায়ী করছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।
অন্যদিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অর্থনীতির নাজুক অবস্থার কথা বলে আসছে আইএমএফ। সেখানে গিয়ে অনেকের বেকার পড়ে থাকার খবরও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসছে। দেশের রেমিট্যান্সের অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশ-  সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন থেকে।

ডিমলায় তিস্তার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে পল্লীশ্রী’র নগদ টাকা ও বিভিন্ন উপকরন বিতরণ

মহিনুল ইসলাম সুজন,জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী ॥
নীলফামারীর ডিমলায় মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম হলরুমে তিস্তার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে পল্লীশ্রী ও অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের আয়োজনে নগদ টাকা ও ত্রানের উপকরন বিতরন করা হয়েছে। টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের ৩শত ৫০টি পবিরারকে ৪ হাজার করে মোট-১৪লক্ষ নগদ টাকা ও ত্রানের উপকরন বিতরন করা হয়।এদের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারকে ৪হাজার টাকার পাশাপাশি খাবার স্যালাইন ২০ প্যাকেট, সুতি কাপর ১গজ, গোসল করা সাবান ৩টি ও কাপড় কাচা সাবান ১টি করে দেয়া হয়েছে। টাকা ও ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার।এ সময় পল্লীশ্রী- মানব সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুরাইয়া আক্তার এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ইন্টারিম কান্ট্রি ডিরেকটর অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের এম বি আখতার ,ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি লুৎফর রহমান,ডিমলা পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের সমন্বয়কারী পুরান চন্দ্র বর্মন প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানের সভ প্রধান সুরাইয়া আক্তার বলেন, পল্লীশ্রী ২০১০ সাল থেকে অত্র ডিমলা এলাকায় পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের মাধ্যমে বিরুপ আবহাওয়ার সাথে তাল মিলিয়ে নারীরা আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। অক্সফাম অর্থায়নে পল্লীশ্রী আজকে অত্র এলাকার বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য হতে ৩৫০ পরিবারকে যে পরিমান নগদ অর্থ ও উপকরন বিতরন করা হচ্ছে নিজেদেরকে নিঃসন্দেহে তা তাদের সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তার অঙ্গীকার করে স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, এই এলাকার মানুষ বিশেষ করে নারীরা দূর্যোগকালীন সময়ে অনেক বেশী সহনশীল যা পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের মাধ্যমে গত ৫-৬ বছর ধরে অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরো বলেন গত দুই বছরে সম্পদের ক্ষতি হলেও জান-মালের কোন ক্ষতি হয়নি। এছাড়া আমরা উপজেলার পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা, বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে থাকি।
এছাড়াও এ সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিগণ প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক নিয়ে সু-আলোচনা করেন এবং তাদের মতামত ও পরামর্শ ব্যক্ত করেন।
উক্ত সভাটি পরিচালনা করেন, পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের ডিমলা প্রজেক্ট ম্যানেজার মকিম চৌধুরী ।

ঈদের আনন্দ নেই দিরাই-শাল্লায় প্রভাব পরছে পশুর হাটে

জুবের সরদার দিগন্ত, দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ কৃষি নির্ভর ভাঠি অঞ্চল দিরাই-শালøায় নেই ঈদের আনন্দ। চলতি সনের অকাল বন্যায় দিরাই-শালøার একমাত্র ফসল বোরো ধান শতকরা ৯৯ ভাগ নষ্ট হওয়াতে কৃষকের গোলায় উঠেনি ধান। ফলে পরিবার পরিজনদের নিয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে এখানকার কৃষি নির্ভর মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্ত পরিবারের লোকজনদের। গত ঈদুল ফিতরের ঈদে শপিংমল গুলোতে ক্রেতাদের ভীর থাকলেও ঈদুল আজহায় নেই ব্যবসায়ীদের ব্যস্থতা। দিরাই পৌর শহরের কয়েকটি শপিংমলে গিয়ে দেখা যায় প্রায় সবকটি শপিংমলই ক্রেতা শূণ্য।
প্রভাব পরেছে পশুর হাটেও। দিরাই পৌরশহরের বালুর মাঠে গত সোমবার দিরাইয়ে ও গতকাল মঙ্গলবার পাথারিয়া বাজারে বসেছিলো পশুর হাট, সরজমিন সেখানে গিয়ে দেখা যায়, হাটে বিদেশী গরুর চেয়ে দেশী গরু বেশি থাকলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। অন্যান্যা বছরের তুলনায় হাঠে গরুর সংখা কম থাকলেও শুধু মাত্র দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। শতকরা ২৫/৩০ জন ক্রেতা পশু ক্রয় করছেন। হাটে ক্রেতাদের সাথে আলাপ করলে অনেকেই জানান, বেশি দামের গরু কুরবানী দেওয়ার স্বাদ থাকলেও টাকার অভাবে বেশির ভাগ কুরবানী দাতাই তুলনামুলক কমদামী পশু খোজছেন। চাপতির হাওর পারের কৃষক আশিক মিয়া বলেন, গতবছর প্রায় এক লাখ টাকা দামের পশু কুরবানী দিয়েছিলাম কিন্তু হাওরের ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারনে ইচ্ছা থাকা সত্বেও শুধু টাকার অভাবে দামী পশু কিনতে পারছিনা। দিরাই সেন মার্কেটে গিয়ে কয়েক জন ক্রেতার সাথে আলাপ করলে, তারা বলেন, অকাল বন্যায় জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ায় আমাদের হাত একেবারে শুন্য শুধু মাত্র ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের বায়না রÿার্তে ধারদেনা করে তাদের পোশাক কিনতে এসেছি। মার্কেটের ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম বলেন, গত ঈদে কিছু ব্যবসা হলেও এই ঈদে বেচাকেনা নেই বলেøই চলে। সারা বছর দুই ঈদেই আমরা ব্যবসা করে থাকি, এবছর হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়াতে সারা বছর ব্যবসায় মন্দাভাব থাকবে।
ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে নিয়ে আসা আব্দুল জব্বার বলেন, গত ঈদে বিদেশী আত্মীয় স্বজন ও সরকারী-বেসরকারী সংস্থার সহযোগীতায় পরিবার পরিজনদের নিয়ে বেশ ভালো করে ঈদ করেছিলাম। এই ঈদে কারো কোনো সহযোগীতা না পাওয়াতে বাচ্চাদের মুখে হাসি দেখতে ধার করে টাকা এনে তাদের বাজারে নিয়ে এসেছি এবার দেখাযাক সাধ্যের মধ্যে পোশাক কিনতে পারিকিনা।

পত্নীতলায় ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরন

দিলিপ চৌহান, পত্নতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ পত্নীতলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের মাঝে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা অডিটরিয়াম হল রুমে বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে উক্ত বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক ডঃ আমিনুর রহমান। কৃষি অধিদপ্তর মন্ত্রনালয় থেকে আগত অতিথি যুগ্ম সচিব মাহবুবুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক মনোজিৎ কুমার মলিøক, অতিরিক্ত পরিচালক রাজশাহীর জয়নাল আবেদীন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইচাহাক হোসেন, সাধারন সম্পাদক আব্দুল গাফফার।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অধিদপ্তর নওগাঁর জেলা প্রশিÿক কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র সরকার, উপজেলা উদ্ভিদ সংরÿন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী, সূধীজন প্রমূখ।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য উপজেলার পাটিচরা, কৃষ্ণপুর ও পত্নতলা ইউপির ১৯০ জন কৃষককে ১৯০ বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে আমন ধানের চারা প্রদান করা হয়।

 

হবিগঞ্জে খামারিদের লাভের মুখে ছাই

ছনি চৌধুরী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ।। 
কোরবানির সময় গরু বিক্রি করে লাভের মুখ দেখবে এমন আশায় জেলার খামারিরা পশু মোটাতাজা করলেও সে লাভের মুখে ছাই পড়েছে।  কারণ দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পশু প্রবেশ করায় এর প্রভাব পড়েছে এখানকার খামারিদের মধ্যে।  এ কারণে গরু খামারিদের মাথায় হাত উঠেছে!পশু খামারি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার খামারে ১৩টি গরু রয়েছে।  এ বছর খড়, ভুসি, খৈলসহ গরুর খাবারের দাম অনেক বেশি ছিল।  আশা করেছিলাম কোরবানির সময় গরু বিক্রি করে একটু লাভ করব।  কিন্তু বাজারে ভারতীয় গরু আসার কারণে আমাদের লাভতো দূরের কথা খরচই উঠছে না।’ খামারি হান্নান মেম্বার বলেন, ‘আমার খামারে ছোট বড় ১৭টি গরু রয়েছে।  আমরা দেশীয় পদ্ধতিতে খড়-ভুসি খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছি।  এ কারণে আমাদের খরচ বেশি হয়েছে।’ কোরবানির আগে ভারত থেকে দেশে পশু আনতে হবে কেন এমন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় গরু আনতে হলে বছরের সব সময় আনা হোক।  তা হলে আমাদের আর সমস্যা হবে না।  কারণ হঠাৎ করে ঈদের সময় পশু আসলে আমরা লোকসানে পড়ি।  বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে গরুর খামার করা হয়েছে।  ভারতীয় গরু হাটে আসার কারণে আমাদের গরুর দাম কমে গেছে।  এখন আমরা লাখ লাখ টাকার ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব?’ গরু খামারি আবুল খায়ের জানান, তার খামারের দুটি গরু বিক্রি করতে পারছেন না।  চার মাস আগে যে গরুর দাম ৮০ হাজার টাকা ছিল, সেই গরুই এখন ৬৫ হাজার টাকার বেশি দাম উঠছে না।  এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন তিনি। হবিগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কমকর্তা জানান, জেলা পশু অফিসের হিসাব অনুযায়ী এ বছর এখানে কোরবানির জন্য গরুর চাহিদা হবে প্রায় ১০ হাজার এবং ছাগলের চাহিদা হবে ৪ হাজার।  অর্থাৎ জেলার চাহিদার চেয়ে তিনটি উপজেলায় মোট ৭ হাজারের বেশি গরু এবং ২ হাজার ছাগল মোটাতাজা করছে জেলার কৃষকরা।  অর্থাৎ এবছর জেলার চাহিদা থেকে বেশি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।  যা দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হবে।

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: এ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ
সম্পাদক-প্রকাশক : শেখ মোঃ তৈয়াবুর রহমান॥

যুগ্ম সম্পাদক: এস এম শাহিদুল আলম॥ সহযোগী সম্পাদক: শেখ মোঃ আরিফ আল আরাফাত
সহ-সম্পাদক: (প্রশাসন) হাজী হাবিবুর রহমান শাহেদ: সহ সম্পাদক: আজমাল মাহমুদ
সম্পাদক কর্তৃক বাড়ী বাড়ী নং- ৫৩/২, ৪র্থ তলা, রাজ-নারায়ন-ধর রোড, কিল্লার মোড় বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১
ফোন: ০১৯১৮-২০১৬২৬, ফোন: ০১৭১৫-৯৩৩১৬৮
ই-মেইল- notunvor.news@gmail.com
Designed By Hostlightbd.com
| Cyberboss.org