,

ThemesBazar.Com

বাজার ধস নামায় সুজানগর’র রসুন চাষীদের মাথায় হাত

পাবনা প্রতিনিধি \ মাস দুই আগেও পেঁয়াজ রসুন’র বাজারে আগুন লাগার অবস্থা বিরাজিত ছিল। পানিতে নেভে নারে আগুন অভাব-অনটরের সংসারে জ্বালা বাড়ে দিগুন। বর্তমানে বাজারে নতুন পেঁয়াজ ও রসুন উঠতে শুরু করায় মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বস্তি ফিরে এসেছে। অন্যদিকে পাবনার সুজানগরে আবাদ বেশী হওয়ায় হাট-বাজারে নতুন রসুন ভরে গেছে। বর্তমানে এ অঞ্চলের হাট-বাজারে রসুনের দাম ধস নামায় চাষীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস’র তথ্যানুযায়ী এ বছর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে রসুন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩‘শ ৫০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দেড়‘শ হেক্টর বেশি জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। সময় মতো সার বিষ দেওয়ায় ফলনও হয়েছে আগের তুলনায় অনেকগুণ ভাল।

উপজেলার হাট-বাজারে রসুনের দাম কমে হওয়ায় কৃষকের উৎপাদন খরচই উঠছেনা। উপজেলার মানিকহাট গ্রামের রসুন চাষী মন্টু খাঁ বলেন ১বিঘা জমিতে রসুন আবাদ করতে সার, বীজ ও শ্রমিকসহ উৎপাদন করা হয় প্রায় ২০ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে রসুন উৎপাদন হয় গড়ে ৩০মণ। বর্তমানে হাট-বাজারে প্রতি মণ রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০০টাকা থেকে ৭০০ টাকা দরে। ১বিঘা জমিতে উৎপাদিত রসুনের মোট মূল্য দাঁড়াচ্ছে ২,১০০টাকা যা, উৎপাদন খরচের চেয়ে মাত্র ১হাজার টাকা বেশি।

উপজেলা কৃষি অফিসার ময়নুল হক সরকার বলেন বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে চায়না ও ভারতীয় এলসি রসুন আমদানী করা হয়েছে। তাছাড়া দেশি রসুনের চেয়ে চায়না ও ভারতীয় রসুনের দাম বেশ কম। চায়না ও ভারতীয় রসুন কম মূল্যের কারণে বাজার দখল করায় দেশের বড় আড়তগুলোতে দেশি রসুনের চাহিদা কমে গেছে। যার ফলে দেশী রসুনের বাজারে ধস নামায় চাষীদের মাথায় হাত।

ThemesBazar.Com

     More News Of This Category