,

ThemesBazar.Com

উলিপুর জাতীয় শ্রমিক লীগ’র কমিটি গঠন

হাফিজ সেলিম, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) ঃ জাতীয় শ্রমিক লীগ উলিপুর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জাতীয় শ্রমিক লীগ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু অসীম সরকার ও সদস্য সচীব মোস্তাফিজার রহমান স্বাক্ষরিত গত ৭ অক্টোবর এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন। এতে সভাপতি হাসান আলী, সিনিয়র সহ সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন মতি, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান রাজু, আব্দুল মোতালেব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, আব্দুল হামিদ, আমিনুর ইসলাম বাবু, হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মুকুল সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিন্নাত আলী, মঞ্জুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দুলাল পাল, সহ দপ্তর সম্পাদক মিঠু মিয়া, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ছালাম হোসেন, আইন দর কষাকষি বিষয়ক সম্পাদক নূর জামাল মিয়া, সহ আইন দর কষাকষি বিষয়ক সম্পাদক রায়হান মিয়া, শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক জিহাদুল হক, সহ শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক ফুল মিয়া, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালোক মুকুল, সহ ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বাবলা মিয়া, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক বকুল মিয়া, সহ শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আজগার আলী, ত্রান ও পূর্ণবাসন সম্পাদক জব্বার আলী, সহ ত্রান ও পূর্ণবাসন সম্পাদক কাজল দত্ত, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মালেকা বেগম, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আনিছা বেগম, কার্যকরী সদস্য ফরহাদ হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মাইদুল সরকার, রতন মিয়া, আবুল হোসেন মিঞা, বাবলু মিয়া, শামছুজ্জামান সুজা, জোবেদ আলী, আজগর আলী, সাজ্জাদ হোসেন, নজির হোসেন, এমদাদুল হক ব্যাপারী, আব্দুর রহমান ও আশেকুল ইসলাম আশেক সহ মোট ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উলিপুরে বর্ণবৃক্ষে শিশুর জ্ঞানার্জন

হাফিজ সেলিম, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) ঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে বর্ণবৃক্ষ তৈরি করে ১ম থেকে ৩য় শ্রেণীর শিশুদের বর্ণ চেনা ও পড়ার দক্ষতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে করে শিশুরা সহজেই বর্ণ চিনতে পাচ্ছে । এ পদ্ধতি ইতোমধ্যেই শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে সাড়া জাগিয়েছে।
জানাগেছে, সেভ দ্য চিলড্রেনের কারিগরী সহযোগিতায় আরডিআরএস বাংলাদেশ’র বাস্তবায়নে রিড প্রকল্প এ কার্যক্রম শুরু করেছে কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার নারিকেলবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রকল্পটি প্রারম্ভিক শ্রেণীর বাংলা পঠন দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে কাজ করে আসছে। এতে ধ্বনিগত সচেতনতা, বর্ণজ্ঞান, শব্দভান্ডার, পড়ার সাবলীলতা ও বোধগম্যতা সর্বোচ্চ ভুমিকা রাখে। বর্ণজ্ঞানে পিছিয়ে পরা ১ম থেকে ৩য় শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থীই অভিনব পদ্ধতিতে সহজেই বর্ণ চেনা ও পড়ার দক্ষতা অর্জন করছে। প্রকল্পভুক্ত টেকনিক্যাল অফিসার বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে উদ্ভাবনী মুলক শিখন উপকরণ বর্নগাছের কথা জানাচ্ছেন এবং বর্নগাছের মাধ্যমে শিশুরা আনন্দের সাথে বর্ণজ্ঞান চর্চার সুযোগ পাচ্ছেন। শ্রেণি শিক্ষক পাঠদানের সময় ও পরে শিক্ষার্থীদের বর্ণ সনাক্তকরণ, বর্ণজ্ঞান যাচাই সম্পন্ন করতে পারবেন। শিক্ষকগন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকালীন ও পাঠদানের পরেও বর্ণজ্ঞান চর্চায় ও বর্ণজ্ঞান মূল্যায়নে বর্ণগাছ ব্যবহার করছেন। বর্তমানে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির সকল শিশুই বাংলা বর্ণমালা চিনে পড়তে পারে। শিশুরা এখন আনন্দেও সাথে গল্পের বইয়ের পাশাপাশি সুন্দরভাবে পাঠ্যবই পড়তে পারে। বর্ণগাছ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মোছাঃ সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, শিক্ষা উপকরণটি শিক্ষার্থীর বর্ণজ্ঞানের দক্ষতা বৃদ্ধিতে অভাবনীয় সাফল্য রাখছে। আমি আশা করি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে উদ্ভাবনী শিখন উপকরণ হিসেবে বর্ণগাছ রাখা। যা সকল শিক্ষার্থীর বর্ণজ্ঞান দক্ষতায় গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখবে। ##

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও মেধাবী আশিকুরের শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত

হাফিজ সেলিম, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) ঃ আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে লেখাপড়া কি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অদম্য মেধাবী আশিকুরের। চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে এ-প্লাস পেয়ে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ‘খ’ ইউনিটে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করলেও স্বপ্নের বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। দিনমজুর পরিবারে জন্ম নেয়া আশিকুর রহমান রুবেলের স্বপ্ন কি থেমে যাবে অর্থাভাবে। সে জেলার উলিপুর উপজেলার পান্ডুল ইউনিয়নের পান্ডুল গ্রামের দিনমজুর শহিদুর রহমানের পুত্র। ২ শতক জমিই পরিবারটির স্বম্বল। তাতে ২ টি টিনের ছাপড়া তুলে বিধবা মা, স্ত্রী ও ২ ছেলেমেয়ে নিয়ে শহিদুরের সংসার। কাকডাকা ভোরে ছুটে চলা নিরন্তন সংগ্রামী এ দিনমজুর স্বপ্ন দেখেন ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে অনেক বড় করবেন। কিন্তু আজ যেন সব স্বপ্নই থেমে যেতে বসেছে। পারবো কি ছেলেকে উচ্চ শিক্ষিত করতে? বলেই অঝোরে কেঁদে উঠেন। তার ছলছল চোখের দিকে তাকিয়ে উপস্থিত সবাই অশ্রুশিক্ত হন। কিন্তু কেউ কি এগিয়ে আসবে দিনমজুর পরিবারে জন্ম নেয়া মেধাবী আশিকুরের জন্য। কেউ এগিয়ে আসলে হয়তো পূরণ হবে দিনমজুর বাবা শহিদুরের স্বপ্ন। আর উচ্চ শিক্ষিত হবার স্বপ্ন পূরণ হবে আশিকুরের। হৃদয়বাণদের সাহায্যে হয়তো একদিন ঘুচে যাবে সব অভাব-অনটন। পরিবারটি হয়তো দাড়াতে পারবে মাথা উচু করে। আশিকুর রহমান রুবেল ২০১৫ সালে মানবিক বিভাগে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.৭৮ পেয়ে উর্ত্তীর্ণ হয়। তারপর পাঁচপীর ডিগ্রী কলেজ থেকে চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে এইচ এসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ সবাইকে চমকে দেয়। দিনমজুর শহিদুর জানান, পরিবার ও রুবেলের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে আমি অক্ষম হয়ে পড়েছি। তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়ে বলেন, আমার ছেলের উজ্জল ভবিষ্যৎ যেন অর্থাভাবে নষ্ট হয়ে না যায়।

 

ThemesBazar.Com

     More News Of This Category