,

ThemesBazar.Com

ফটিকছড়ি- ভূজপুরে জন্ম- মৃত্যু নিবন্ধন যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ হচ্ছে না।

এস.এম জামাল উদ্দিন ঃ ফটিকছড়ি- ভূজপুরের ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। এর ফলে ফটিকছড়ি এবং ভূজপুরে ভবিষ্যতে জন্ম ও মৃত্যর হার গণনা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
জানা গেছে, ফটিকছড়ি পৌরসভার ওয়ার্ড এবং ভূজপুর সহ ১৮ টি ইউনিয়ন পরিষদ সমূহে যথাযথ ভাবে জন্ম ও মৃত্যু রেকর্ড সংরক্ষিত না থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে ভর্তি এবং পাসপোর্ট ও ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে এলাকাবাসীকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর মতে স্থানীয় হাসপাতাল ক্লিনিক মাতৃ সনদ মা ও শিশু সাস্থ কেন্দ্রগুলো এমনকি এলাকার ধাত্রীগণের হাতে কোন শিশু জন্ম নিলে সাধারনত তাহা যথাযথ ভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। ফলে প্রয়োজনীয় মুহুর্তে বিভিন্ন কর্মসূচী প্রনয়নের যথেষ্ট অসুবিধা দেখা দেয়। ফটিকছড়ি পৌরসভা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রে জানাই সুধু ফটিকছড়ি পৌরসভা নয় পুরো ফটিকছড়ি উপজেলার ২০ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ব্যপারে কিছুই জানেন না। এ সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা না থাকায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সংখ্যা খুবই অল্প। বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি চাকুরী পাসপোর্ট ভিসা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জন্ম সনদ পত্র চাওয়া হয়। পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ না থাকায় তারা এ সনদ প্রদান করতে পারছেন না। ফলে জনসাধারণ এ ধরনের কাজ গুলোতে জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। সরেজমিন পরিদর্শনে একজন ইউনিয়ন পরিষদ সচিব জানান তারা গত ৬/৭ বছরে প্রচূর পরিমাণে জন্ম সনদ পত্র প্রদান করেছেন। আমেরিকাগামী ডিভি লটারী বিজয়ীরা সাধারণত এ সব লটারী সংগ্রহ করেছেন। এ দিকে এ সব সনদ পত্র গ্রহণকারী কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় সাস্থ্য বিভাগ পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রতিটি সনদ পত্রের জন্য উৎকোচ প্রদান করতে হয়। এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে ফটিকছড়ি- ভূজপুরের কয়েকজন সমাজ কর্মী বলেন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একটি অতি জরুরী বিষয়। আর সে কারণে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য গণসচেতনতা গড়ে তোলা বিশেষ প্রয়োজন। দূর্নীতি কমাতে জনসার্থে তথ্যটি সকলের জানা উচিত।

ThemesBazar.Com

     More News Of This Category