,

ThemesBazar.Com

রেজু আমতলী দিয়ে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। বার্মায় নির্যাতন। বাংলাদেশে লুটপাট।

ইমরান জাহেদ, কক্সবাজার ॥
উখিয়ার পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের রেজু আমতলী ঢালা দিয়ে শত শত রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে। আর তাদের গরু ছাগল স্থানীয় দুর্বত্তরা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে ২৯ আগষ্ট (মঙ্গলবার) নাইক্ষংছড়ি উপজেলা ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু মৌজার চিকন ছড়া, মনজয় পাড়া, ফাত্রাঝিরি, লাকড়িছড়া বাজার দিয়ে শত শত রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ঢুকে পড়েছে। দিনের বেলায় পাহাড়ের দিকে তাড়িয়ে দিলেও রাতের আঁধারে বাঁধাহীন ঢুকে পড়ছে এসব রোহিঙ্গারা।
স্থানীয়দের দাবী এসব রোহিঙ্গা প্রবেশে বিজিবির ভুমিকাও রহস্যজনক। স্থানীয় মোঃ ইউছুফ জানায়, ওয়ালিদং, মগ পাহাড়, গাছবনিয়া, বড় খালের আগা হয়ে সোমবার ২/৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা নদীপথে অনুপ্রবেশ কালে বিজিবি আটকিয়ে পাহাড়ের দিকে ফেরত পাঠায়। পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে কিছু কালো পোষাকধারী অবস্থান করছে বলে শোনা যাচ্ছে। এদিকে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে এদেশে পালিয়ে আসেও রোহিঙ্গারা রেহায় পাচ্ছে। তাদের গরু ছাগল সহ নগদ টাকা পয়সা স্থানীয় দুর্বত্তরা লুটপাট করছে বলে রেজু আমতলী গ্রামের ছৈয়দ আলম জানিয়েছেন।
সে জানায়, ওয়ালিদং দুই চাইল্যা পাহাড় এলাকায় গরু ছাগল ছেড়ে দিয়ে রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে এদেশে পালিয়ে আসছে। তারা টমটম ও সিএনজি গাড়ি যোগে রেজু আমতলী থেকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকে পড়ছে বলে কুতুপালং গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন। তাদেরকে ডব্লিউএফপি ও ইউএনএইচসিআর সাহায্য সহযোগীতা করছে। মিয়ানমারের এই বর্বরতা ও তান্ডব না কমলে আরকান রাজ্যে মুসলিম শূন্য হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। রাখাইন প্রদেশে শতশত রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মংডু জেলা থেকে পালিয়ে আসা কুতুপালংয়ে আশ্রয় নেওয়া আবদুল করিম। এখনো রোহিঙ্গা নিধনের তান্ডব থামানো হয়নি।

ThemesBazar.Com

     More News Of This Category